শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

মানুষকে সেবা দিন, আপনাদের সুবিধা দিব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মঙ্গলবার শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশান হলে ১০তম জাতীয় নিউরোলজি কনফারেন্সে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
৫ মার্চ, ২০২৪ ১৮:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৫ মার্চ, ২০২৪ ১৮:২২

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘চিকিৎসকরা গ্রামে গিয়ে মানুষকে সেবা দিলে তাদের সব সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দেওয়া হবে।’

মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশান হলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরো সার্জন্স কর্তৃক আয়োজিত ১০তম জাতীয় নিউরোলজি কনফারেন্সে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা চিকিৎসা সেবা দিতে যাবেন, তাদের জন্য কী কী ইনসেনটিভ রাখা যায় সেগুলো নিয়ে আমি কাজ শুরু করেছি। আমি চিকিৎসকদের সুবিধা যেমন দিব, চিকিৎসকদেরকেও রোগীদেরকে সেবা দিতে হবে। চিকিৎসকরা গ্রামে গিয়ে মানুষকে শুধু সেবা দিক, আমি তাদের সব সুবিধা বাড়িয়ে দিব।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসকদের নানা রকম সমস্যা ও প্রতিকূলতা যে আছে তা আমি জানি। কিন্তু মানুষকে চিকিৎসা তো দিতে হবে। সংসদ সদস্যরা আমাকে বলেন যে, তার এলাকায় চিকিৎসক থাকে না। যেখানেই যাই সেখানেই হাসপাতালে ডাক্তার থাকে না বলে শুনতে পাই। এগুলো তো ভালো কথা না।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা হাসপাতালে যদি ডাক্তার থাকতে না চায়, তাহলে গ্রামের মানুষ কোথা থেকে ভালো চিকিৎসা পাবে। আমি বারবার বলেছি, চিকিৎসাখাতে সুনাম ফিরিয়ে আনতে হলে আমাদেরকে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রুট লেভেল পর্যন্ত ভালো চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে হবে। গত ১০ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউরো হাসপাতালকে ৩০০ বেড থেকে বৃদ্ধি করে ৫০০ বেডে নিয়ে এসেছেন। নিউরো হাসপাতালের সক্ষমতা এখন বিশ্বের যেকোনো উন্নত দেশের সঙ্গে তুলনার যোগ্য করে তুলেছেন। দিন দিন নিউরো রোগীদের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে পাওয়া যাচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা বলেন, ‘চিকিৎসকদের উন্নত সেবা দিতে হলে ভালো মানের চিকিৎসা বিজ্ঞানের বই পড়তে হবে। চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধিতে চিকিৎসকদের আরও কাজ করতে হবে, নতুন নতুন চিকিৎসা গবেষণায় মন দিতে হবে।’

সোসাইটি অব নিউরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক মো. বদরুল আলমের সভাপতিত্বে সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাচিপের সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, স্বাচিপ মহাসচিব ডা. কামরুল হাসান মিলন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক টিটুমিয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ বক্তব্য রাখেন সোসাইটি অব নিরোলজিস্ট অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. আবু নাসির রিজভী।

বিষয়:

নির্বাচিত

বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দি রয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে যশোর-৫ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য কাজী এনামুল হকের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভিনদেশে আটক নাগরিকরা স্থানীয় আইনের আওতায় থাকায় সংশ্লিষ্ট দেশের বিচারিক নিয়মনীতির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা বজায় রেখেই তাদের মুক্তির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়। বিদেশে কোনো বাংলাদেশির বন্দি থাকার সংবাদ মিললে কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট কারাগার বা বন্দিশিবির পরিদর্শন করে সরাসরি বন্দির খোঁজখবর নেন। পরবর্তী সময়ে আটক ব্যক্তির প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইনি পরামর্শ ও সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়। কোনো বন্দির নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকলে আদালতের মাধ্যমে সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয় এবং পরিবার নিজে আইনজীবী নিয়োগে ইচ্ছুক হলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

কারামুক্তির জন্য জরিমানা পরিশোধ এবং দেশে ফেরার উড়োজাহাজের টিকিটের বিষয়ে বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পরিবার ব্যয় বহনে অপারগ হলে সরকারি অর্থায়নে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সাজা ভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই তাদের দ্রুত দেশে পাঠাতে জরুরি ট্রাভেল পাস প্রদানসহ বিমানবন্দরে প্রটোকল সহায়তা দেওয়া হয়। এসব মানবিক ও আইনি সেবা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মধ্যে সার্বক্ষণিক প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বজায় রাখা হয়।

এ ছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের কাছে বন্দিদের জন্য সাধারণ ক্ষমার আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আবেদন জানানো হয়। এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আটক প্রবাসীদের পাশাপাশি মিয়ানমারে বন্দি থাকা তিন বাংলাদেশি জেলেকে মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রবাসে আটক নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার সামগ্রিক প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি বিশেষায়িত অনলাইন পোর্টাল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


নির্বাচিত

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

২০২৭ সালের পবিত্র হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জনের নিবন্ধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এরপর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসার আবেদন, টিকাদান, হজ প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

নিবন্ধন ও হজসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীকাল শনিবার থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সকল বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তি বাতিল ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের আমলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রচলিত দায়মুক্তির সুযোগ বাতিল করে এ খাতের যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও চুক্তিকে পূর্ণাঙ্গ আইনি জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। শুক্রবার বেলা ১১টায় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্তি-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষমতা সংকুচিত করে সরাসরি নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির যে অপচর্চা ছিল, বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেছে।

চিফ হুইপ জোর দিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ বা সংকট নিয়ে প্রশাসনকে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না—এমন অগণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা বহাল থাকা উচিত নয়। অতীতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অসংগতি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ আইনের ছত্রচ্ছায়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল এবং উৎপাদন ছাড়াই বছরের পর বছর ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এক ইউনিট বিদ্যুৎ না পাওয়া সত্ত্বেও প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা পরিশোধের কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বিপুল অর্থের অপচয় ঘটেছে। অথচ এই অর্থ দেশের শিল্পকারখানার প্রসার ও উৎপাদনশীল খাতে প্রণোদনা হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হতো।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উত্তরণের বাস্তব প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে নূরুল ইসলাম মনি জানান, একটি সাধারণ পাঁচতলা ভবন নির্মাণেও যেখানে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন, সেখানে নতুন একটি ৫০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত করতে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লেগে যায়। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানির সংস্থান এবং প্ল্যান্ট নির্মাণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হওয়ায় সরকার গঠনের পরপরই রাতারাতি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ কাঠামোর পুঞ্জীভূত ঘাটতি ও অনিয়ম দূর করে টেকসই সমাধান অর্জনে বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো দলের পক্ষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শুক্রবার বেলা ১১টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র কর্তৃক যে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাদের পক্ষে দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রশ্নই ওঠে না। দলটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কোনো স্তরের নির্বাচনেই তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আওয়ামী লীগকে ঘিরে যেকোনো জিজ্ঞাসাকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিব্রতকর বলেও আখ্যা দেন।

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম জানান, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে দলীয় প্রতীক বা প্রাতিষ্ঠানিক মনোনয়ন বরাদ্দের কোনো অবকাশ নেই। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিটি পদের নির্বাচনে একজন করে একক প্রার্থীকে সমর্থন জোগাবে।

জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখাকে প্রশাসনের মূল অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো বিশেষ দল বা মহলের অভিপ্রায়ে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ রায়ের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ জনপ্রতিনিধি নির্ধারিত হবেন। অনুষ্ঠান চলাকালে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রপ্তানিতে আশার আলো, আড়ালে বড় সংকট

# যুদ্ধের মধ্যেও পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি # চামড়া খাতেও বেড়েছে রপ্তানি আয় # বাজার বহুমুখীকরণ সময়ের দাবি
ছবি: চট্টগ্রাম বন্দর।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দুর্বল চাহিদা ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। একই সময়ে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবু এই সাফল্যের আড়ালে রয়েছে বড় কিছু দুর্বলতা। ইউরোপের প্রধান বাজারে প্রবৃদ্ধি মন্থর, চামড়া খাত আটকে আছে আন্তর্জাতিক সনদের সংকটে, আর সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাড়ছে ঘাটতি।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সাময়িক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, উৎপাদন ব্যয় ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক বাজারে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগ দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে রূপ নাও নিতে পারে।
যুদ্ধের মধ্যেও পোশাকে প্রবৃদ্ধি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ হাজার ৪৯৫ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭ হাজার ১৩০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার। তবে এই প্রবৃদ্ধি খাতসংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত ১৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জিত হয়নি।
খাতভিত্তিক হিসাবে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। আয় হয়েছে ৪ হাজার ১৯৩ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার। ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ, আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩০১ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলার।
বাজারভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জুলাই-আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ। অন্যদিকে অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে ৯৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। জার্মানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ। ফ্রান্স ও পর্তুগালে রপ্তানি কমেছে। একইভাবে রাশিয়া, চীন ও ভারতেও পোশাক রপ্তানি কমেছে। এতে স্পষ্ট, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজার। বিপরীতে ঐতিহ্যগত বড় বাজারগুলোতে চাহিদা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে।
চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে: পোশাকের বাইরে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে চামড়া খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৫৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
চামড়া খাতের মোট রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে চামড়ার পাদুকা থেকে। অর্থাৎ কাঁচামালকে উচ্চমূল্যের পণ্যে রূপান্তরের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন প্রয়োজন পরিবেশগত মান নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক সনদের বাধা দূর করা।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, অর্থনীতির জন্য স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে প্রবাসী আয়। জুলাইয়ে প্রবাসীরা ২ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহের কারণেই বড় বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যেও দেশের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত রয়েছে। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বর্তমানে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের রপ্তানির বড় দুর্বলতা হলো পণ্য ও বাজার—দুই ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত নির্ভরতা। তৈরি পোশাক একাই রপ্তানি আয়ের বড় অংশ জোগান দেয়। ফলে পোশাকের কোনো বড় বাজারে চাহিদা কমলে সামগ্রিক রপ্তানিতে তার প্রভাব পড়ে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও সেই বাস্তবতা দেখাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ভালো করলেও ইউরোপের বড় বাজারগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধীর। এ অবস্থায় অপ্রচলিত বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ সেখানে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করলেও রপ্তানি করেছে মাত্র ১০৮ মিলিয়ন ডলারের। পরের অর্থবছরে রপ্তানি বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার হলেও ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।

এই ঘাটতি কমাতে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ প্রিমিয়াম ফল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের পণ্য হংকংয়ের বাজারে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা এখন আগের চেয়ে কঠিন। শুধু কম শ্রম ব্যয় দিয়ে বাজার ধরে রাখা সম্ভব হবে না। উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি, কর, পরিবেশগত অনুবর্তিতা, বন্দরসেবা এবং দ্রুত পণ্য সরবরাহ—সব ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াতে হবে।


নির্বাচিত

নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই মন্ত্রী, প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীবিহীন মন্ত্রণালয়-বিভাগসহ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আওতাধীন দপ্তরগুলোর সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের দায়িত্বের পরিধি বৃদ্ধি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টি জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সংসদ চলাকালীন যেসকল মন্ত্রণালয় কিংবা বিভাগে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেই এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বাধীন যেসকল দপ্তর রয়েছে, সেগুলোর যাবতীয় সংসদ বিষয়ক কার্যাবলি নির্দিষ্ট এই মন্ত্রীদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সংসদীয় কার্যক্রম নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ওপর। কোনো কারণে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁর অবর্তমানে এই দায়িত্ব পালন করবেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংসদবিষয়ক যাবতীয় কার্যাবলি দেখভালের দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের ওপর। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে এই দায়িত্ব সামলাবেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।


নির্বাচিত

উত্থাপিত ৬ বিল পাসের মাধ্যমে শেষ হলো সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। গত ২৭ আগস্ট শুরু হয়ে এ অধিবেশন শেষ হয় আজ। এ দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সমাপনী বক্তব্য দেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অধিবেশন সমাপনী-সংক্রান্ত নোটিশ পাঠ করে শোনান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তৃতীয় অধিবেশনে ৯ কার্যদিবসের বৈঠকে মোট ৬টি বিল উপস্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি বিলই পাস হয়েছে।

বিরোধী দলের আপত্তির পরও র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ বিল পাসবিরোধী দলের আপত্তির পরও র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ বিল পাস

আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির অধিক সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালির বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন। ৬৮ বিধিতে ৭টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২টি নোটিশ গৃহীত ও আলোচিত হয়েছে। ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয় এবং এর মধ্যে ১৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭১ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদানের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। এ ছাড়া, ১৪৭ বিধিতে ২টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১টি নোটিশের ওপর আলোচনা হয়েছে এবং ৩০২ বিধিতে ১টি নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সদস্যরা সর্বমোট ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ প্রদান করেছেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এ অধিবেশনে মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন।


নির্বাচিত

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ

বক্তব্য দিচ্ছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বর্তমান আর্থিক বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি টাকায় নির্ধারণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিক ভাই-বোনদের কল্যাণের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ আছে, তা এই মুহূর্তে ৬ কোটি টাকা। সেটা ২৫ কোটি টাকায় বৃদ্ধি করার জন্য ইতোমধ্যে আমরা প্রস্তাব করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা এই অর্থবছরে পুরোটা দিতে না পারি, আগামী অর্থবছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ আমাদের সাংবাদিক ভাই-বোনদের জন্য অনুমোদন করা যাবে।”

অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে সংগঠনটির সার্বিক অগ্রগতি ও সাফল্য কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।


নির্বাচিত

প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি মমত্বশীল হতে শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি সমস্ত প্রাণীর প্রতি যত্নশীল ও সহানুভূতিশীল হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে বৃক্ষ ও প্রাণিকুলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো প্রাণীকে কষ্ট না দিয়ে তাদের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধ প্রদর্শন করতে হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদের চলতি অধিবেশনের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতে জাতীয় সংসদ ভবনে এসেছিল রাজশাহীর পুঠিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকার সাভার উচ্চবালিকা বিদ্যালয়, তেজগাঁও মহিলা কলেজ এবং টঙ্গীর শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সংসদ পরিদর্শনের পাশাপাশি তারা সরকারপ্রধানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ লাভ করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বেশি করে গাছ লাগানো এবং নিজ নিজ চারপাশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখার পরামর্শ দেন। শৈশব থেকেই পরিবেশ, প্রকৃতি ও প্রাণীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণকে অভ্যাসে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ক্রীড়াচর্চা নিয়মানুবর্তিতা, আত্মবিশ্বাস, মনোযোগ ও দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা তৈরি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ছাড়া সংগীত, চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও বাদ্যযন্ত্রের অনুশীলনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্বিরাত চর্চা করারও পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করতে পেরে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা গভীর আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণামূলক উপদেশ ও দিকনির্দেশনা তাদের ভবিষ্যৎ জীবন গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং এই সাক্ষাৎ তাদের জীবনে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।


নির্বাচিত

সরকারের প্রথম দফার ১৮০ দিনের কর্মসূচি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সাফল্য

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম দফার ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। এ সময়ে নেওয়া ৩৫টি কার্যক্রমের অধিকাংশই শতভাগ বাস্তবায়ন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের হার ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ। গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়নে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরের ইজারা বাতিলের উদ্যোগের পাশাপাশি ২০০ মৎস্যজীবী সংগঠনের নিবন্ধন ও হালনাগাদ করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে ২৭ হাজার ৯৬৯টি জলমহালের তালিকা। মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকাল এবং ইলিশ জেলেদের ৫৮ দিনের সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে শতভাগ জেলের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। কাপ্তাই লেকের জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, সবজি বাগান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় অর্থায়ন করা হয়েছে।
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে তিন শতাধিক মৎস্য খাদ্য কারখানা পরিদর্শন, ২৫০টি খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। ন্যাশনাল রেজিডিউ কন্ট্রোল প্ল্যানের আওতায় সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে আরও ৬০টি নমুনা। বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাঙাশের জন্য স্বল্পমূল্যের খাদ্য তৈরির ফর্মুলাও উদ্ভাবন করা হয়েছে। ৬০টি পশুখাদ্য ফিডমিল পরিদর্শনের পাশাপাশি তিন শতাধিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।
সরকারি হ্যাচারিগুলোতে ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরিতে ১১৪টি পরিকল্পনা নেওয়া ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উপকূলের লবণাক্ততা ও খরাপ্রবণ এলাকায় কৈ, শিং, পাবদা ও পাঙাশ চাষে স্থাপন করা হয়েছে ১০০টি খামার। উদ্ভাবন করা হয়েছে পাঙাশের টিকাও। চিংড়ি উৎপাদন, ভ্যালু এডিশন ও বাজার সম্প্রসারণে গলদা ও বাগদা চিংড়ি নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি ও খামারিদের সুরক্ষায় মৎস্য খাতে তিনটি পাইলটিং স্কিম এবং প্রাণিসম্পদ খাতে ৩ হাজার ৬০০ প্রাণীকে বীমার আওতায় আনা হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে নতুন দৃষ্টি :
ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে দুটি লং-লাইনার টুনা ভেসেল ভাড়া নেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের জন্য পাঁচটিসহ মোট সাতটি জাহাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কুয়াকাটা ও সলিমপুরকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৫টি সি-উইড চাষ প্রদর্শনী, ২৪টি সি-উইড ড্রাইং র‌্যাক বিতরণ এবং ১০০ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২২০ দশমিক ২৪ মেট্রিক টন পোনা অবমুক্ত, ৪০০টি বিল নার্সারি ও ৪৫টি অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ খাতে মাঠপর্যায়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরবরাহ করা হয়েছে ১৮ কোটি ডোজ টিকা। জারি হয়েছে জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন। উন্নত জাতের ২২ লাখ ডোজ সিমেন সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে ২০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং ৬০ হাজার হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। ৪ হাজার ৯৪১টি শূন্যপদের বিপরীতে ১১-২০ গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৮৩ জনকে।
বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দাম কমানো। উৎপাদন বাড়লেই সবার কাছে মাছ-মাংস পৌঁছাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। উৎপাদন খরচ কমাতে প্রয়োজনে কৃষির মতো ফিডেও ভর্তুকি দেওয়া দরকার।
১৮০ দিনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ভালোভাবেই কর্মসূচি শেষ করেছে। এ সাফল্য ধরে রেখে বাকি কাজগুলোতে মনোযোগ দিতে হবে। মাছ চাষি ও খামারিদের স্বল্প সুদে ঋণ, উন্নত বাজারব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞদের নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


নির্বাচিত

কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান। বৃহস্পতিবার বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি বিদায়ী মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মোঃ জিয়াউল হকের স্থলাভিষিক্ত হন। আনুষ্ঠানিক নথিতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যেখানে কোস্ট গার্ডের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাহিনীর জনসংযোগ শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনের অধিকারী রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি মিরপুর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি), ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), ভারতের ওয়েলিংটন ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডে অবস্থিত নেভাল ওয়ার কলেজ থেকে নেভাল কমান্ড কোর্স সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে ও ভারতের তামিলনাড়ু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) থেকে সিনিয়র স্টাফ কোর্স শেষ করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এ পিএইচডি গবেষণায় রত আছেন।

দক্ষ নেভিগেটর হিসেবে নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল ও স্টাফ পদে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এই কর্মকর্তা। তিনি কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল এবং কমান্ডার বাংলাদেশ নেভাল ফ্লিট হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এ ছাড়া তিনি নেভি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের প্রথম কমান্ড্যান্ট এবং কমোডর নেভাল এভিয়েশনের মতো শীর্ষ পদে ছিলেন। সমুদ্রগামী জাহাজের অধিনায়ক হিসেবে তিনি একটি করভেট, দুটি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল, তিনটি ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট এবং একটি মিসাইল বোট পরিচালনা করেন। একইসঙ্গে তিনি ফ্লাইং উইংয়ের অধিনায়ক, নৌবাহিনীর নেভিগেশন স্কুলের প্রশিক্ষক এবং ডিএসসিএসসির নেভাল উইংয়ে ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।

নৌ সদর দপ্তরে পরিকল্পনা পরিচালক, এভিয়েশন পরিচালক ও নেভাল সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি ইতিপূর্বেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের উপমহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়া ও সেমিনারে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পেশাগত অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি), ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’ (বিএসপি) এবং ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক’ (বিসিজিএম) অর্জন করেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূল ও নদী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।


নির্বাচিত

নতুন দায়িত্ব পেলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি

চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তাঁর পক্ষে সরকারি দলের চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনি (বরগুনা-২) এই কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

পুনর্গঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনিকে। দশ সদস্যের এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন শরিয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দীন আহমেদ অপু, দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদি, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কায়সার আহমেদ, নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান এবং ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামাল হোসেন।

সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪০, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধিতে উল্লিখিত বিধান অনুযায়ী কমিটির নিয়োগ, অভ্যন্তরীণ গঠনকাঠামো, কর্মপরিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে উল্লিখিত আইনপ্রণেতাদের সমন্বয়ে এই স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়।


নির্বাচিত

banner close