মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুকও বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তাঁরা।
প্রথমে রাষ্ট্রপতি ও ভুটানের রাজা জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল এ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে। শেখ হাসিনা পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলীয় নেতাদের সঙ্গে আরও একবার জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে সই করেন ভুটানের রাজা ও তার স্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা শেষে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
সোমবার (১৮ মে) সকালে তিনি দেশে পৌঁছান। বঙ্গভবনের প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ৯ মে চিকিৎসা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে যান রাষ্ট্রপতি। বিমানবন্দরে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান।
রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, স্টাফ নার্স এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এবার তিনি যুক্তরাজ্যের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেন।
রাজধানী ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সচিবালয়ে আজ স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় ঢাকা শহরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে পরিণত করতে হলে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে নগরবাসী দ্রুত এর সুফল ভোগ করতে পারে।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) দেশজুড়ে পালিত হবে মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা।
সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
এর আগে রোববার (১৭ মে) সৌদি আরবের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায় বলে জানায় দেশটির চাঁদ দেখা কমিটি। ফলে সৌদিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে আগামী ২৭ মে (বুধবার)। এছাড়া আরাফাত দিবস হবে আগামী ৯ জিলহজ বা ২৬ মে।
প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা যাক না যাক, বহু বছর ধরে সৌদি আরবের একদিন পরই বাংলাদেশে ঈদ পালনের রীতি চলে আসছে। সেটি ঈদুল ফিতর হোক কিংবা ঈদুল আজহা।
ফলে বাংলাদেশে যে ঈদুল আজহা ২৮ মে উদযাপিত হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। বাকি ছিল শুধু জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার। অবশেষে সেই ঘোষণাও এলো।
এদিকে এবার ঈদুল আজহায় সাত দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঈদের আনন্দকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতেই টানা এই ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন যে, কোনো ধরণের সমালোচনা বা গালিতে তিনি বিচলিত নন, বরং একে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হিসেবেই দেখছেন। সোমবার নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে এ মন্তব্য করেন। সিইসি বলেন, “এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গালিতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি। এটা আমাদের কাছে নতুন নয়। উনি প্রায়ই আমাদের সঙ্গে দেখা করতেন, অথচ দেখা করে দরজার বাইরে গিয়েই আমাদের গালি দিতেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, সবার প্রশংসা করলে প্রকৃত মূল্যায়ন সম্ভব নয় এবং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের বিশ্বাস থেকেই কথাগুলো বলেছেন। সিইসির ভাষায়, “বিশ্বাস করেন আমি সামান্যতম মনঃক্ষুণ্ণ নই। শুধু প্রশংসা করলে তো ইভালুয়েশন বা সঠিক মূল্যায়ন হয় না। উনি নিজের পার্সপেক্টিভ থেকে যেটা অন্তরে বিশ্বাস করেছেন, সেটাই বলেছেন। আর এটাই তো গণতন্ত্রের সৌন্দর্য; উনাকে এই বলার সুযোগ দেওয়াটাই সৌন্দর্য। এজন্য আমি একদম আহত নই।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে করা মন্তব্যের জবাবে সিইসি বলেন যে, অতীতের নির্বাচনের বিচারের ভার তিনি সাধারণ জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন, “যে নির্বাচন হয়েছে তার বিচারের ভার দেশবাসীর ওপরে। আমাদের কাছে না। উনার কথা শুনতে শুনতে আমরা রেজিট্যান্স হয়ে গেছে। তবে এটা রেয়ার কোয়ালিটি।” এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু সম্ভব না। এজন্য আপনারা বসেন। ব্রাহ্মবাড়িয়ায় দুই পক্ষ দাঁড়ালে তো কারবালা হয়ে যাবে। তাই দলগুলোকে বসে ফয়সালা করতে হবে।”
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, এর জন্য প্রয়োজনীয় বিধিবিধান তৈরির পর সরকারের সঙ্গে বসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মতো ১৩ কোটি ভোটারের বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং, যা আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশংসিত হয়েছে। তাঁর মতে, “১৩ কোটি ভোটার আর ১০ লাখ ভোটার কি এক কথা? কীভাবে করলে এতো সফল নির্বাচন। ইউএন ওমেন থেকে আমাদের এমন বলেছে।” বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন যে, তিনি সবসময় জনগণকে অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছেন। সবশেষে নিজের কাজ ও সততা নিয়ে তিনি বলেন, “বিচারের ভার দেশবাসীর কাছে রইল। সর্বোপরি আল্লাহ তো বিচার করবেই।”
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকছে না, যদিও ভোটগ্রহণের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। নির্বাচন কমিশন একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনি সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
সিইসি নাসির উদ্দিন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলো পর্দার আড়াল থেকে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয় হচ্ছে, যা নির্বাচনি উত্তাপ বাড়িয়ে সংঘাতের জন্ম দিতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এবার দলীয় প্রতীক ব্যবহার না হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, যা নির্বাচনকে উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। আমরা চাই ভালো নির্বাচনের একটা সংস্কৃতি চালু হোক। শুধু একটি নির্বাচন নয়, ভবিষ্যতের সব নির্বাচন যেন সত্যিকার অর্থে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়।”
অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গ্রামপর্যায়ে যে ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, তা রোধ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন সিইসি। তিনি দলগুলোকে একটি সংঘাতমুক্ত নির্বাচনি পরিবেশ তৈরির অনুরোধ জানিয়ে বলেন যে, কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। সিইসি’র ভাষায়, “নির্বাচন কমিশন একা কোনো নির্বাচন সফল করতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক এবং ভোটারসহ সব পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।” এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে এবং নির্বাচনি সহিংসতা রুখতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরির কার্যক্রমকে কমিশন অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। ঘটনার পর তনুর পোশাক থেকে পাওয়া নমুনায় তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর পাশাপাশি আরেকজনের রক্ত পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ডিএনএ পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত তনুর পোশাকে চারজনের নমুনা পাওয়ার তথ্য প্রকাশ্যে এল।
গতকাল রোববার রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) রাজধানীর কল্যাণপুরের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে সিআইডিতে আমি একটি চিঠি দিয়ে তনুর পোশাকে পাওয়া নমুনার বিষয়ে জানতে চেয়েছিলাম। প্রায় এক মাস আগে আমাকে জানানো হয়েছে, তিনজন পুরুষের শুক্রাণু ছাড়াও আরেকজনের রক্তের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনায়।
তরিকুল ইসলাম বলেন, এ নিয়ে সন্দেহভাজনের সংখ্যা চারজনে দাঁড়াল। তবে এটি নতুন কোনো তথ্য নয়। ২০১৭ সালে তিনজনের তথ্য সামনে এলেও এখন আরেকজনের তথ্য এসেছে।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলের মধ্যে তনুর মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
শুরুতে থানা পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দীর্ঘ সময় ধরে মামলাটি তদন্ত করেও কোনো রহস্য বের করতে পারেনি। সর্বশেষ পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর তনু হত্যা মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করে সিআইডি।
প্রায় চার বছর মামলাটি তদন্ত করেছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুর রহমান। সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মামলাটির ষষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ঈদের দিন ছাড়া ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও দেশের সব কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশন সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে এনবিআর। পরে দেশের সব কাস্টমস কমিশনারকে বিষয়টি জানানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, শিল্পকারখানার কাঁচামাল সরবরাহ এবং রপ্তানি কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত জরুরি কার্যক্রম চালু রাখতে প্রয়োজনীয় জনবল সীমিত পরিসরে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক, শিল্পের কাঁচামাল, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও দ্রুত খালাসযোগ্য আমদানিপণ্যের ক্ষেত্রে এ সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তি বয়ে আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ঈদুল ফিতরেও ঈদের দিন ছাড়া সব কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশন খোলা রাখা হয়েছিল। তবে ছুটির সময়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সীমিত থাকায় আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ তুলনামূলক কম ছিল।
প্রতি বছরই ঈদ ও দীর্ঘ সরকারি ছুটির সময় বন্দর ও কাস্টমস কার্যক্রম আংশিক চালু রাখা হয়, যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থায় স্থবিরতা তৈরি না হয় এবং রপ্তানি আদেশ সময়মতো সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি সূচি ঠিক রাখতে এ ধরনের সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য তিন লাখ কোটি টাকার বিশাল বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এই বিশাল বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়। সভা শেষে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান যে, এডিপির মোট আকারের মধ্যে সরকারি তহবিল বা নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় করা হবে ১ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা বাবদ ধরা হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা।
মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন যে, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরায় শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এবারের এডিপিতে শুধুমাত্র অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, বরং দেশের সার্বিক উন্নয়নের চিত্র প্রতিফলিত হবে। নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ও সংস্কারমূলক পরিকল্পনার ভিত্তিতেই এই উন্নয়ন কর্মসূচির রূপরেখা সাজানো হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি রাখা হবে বলে তিনি জানান।
অতীতের প্রকল্পগুলোর বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, বিগত দিনের প্রকল্পগুলো বর্তমানে পুনরায় পর্যবেক্ষণ বা রিভিউ করা হচ্ছে। এর মধ্যে যে প্রকল্পগুলো দেশের স্বার্থে ও জনগণের কল্যাণে বাস্তবসম্মত, সেগুলোই কেবল বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। এছাড়া নতুন নেওয়া প্রকল্পগুলো যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যায়, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও সতর্ক থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মেগা উন্নয়ন বাজেট জাতীয় অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি আমদানির লক্ষ্যে নতুন করে চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার। সোমবার ঢাকা সফররত কাতারের শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররির সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই ইতিবাচক উন্নয়ন হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান যে, কাতার এখন থেকে অদক্ষ শ্রমিকের পরিবর্তে মূলত দক্ষ জনবল নিয়োগে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে “ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডিং, এসি টেকনিশিয়ান ও প্লাম্বিং; এ চার সেক্টর নিয়ে আলোচনা হয়েছে” এবং বাংলাদেশও সেই অনুযায়ী দক্ষ কর্মী পাঠানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বৈঠকে উপস্থিত থেকে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত তথ্য দেন। তিনি বলেন যে, কাতার ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় পেশায় বাংলাদেশিদের নিয়োগের সংখ্যা বাড়াতে সম্মতি দিয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রস্তাবিত চারটি কারিগরি খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে কাতারের মাত্র একটি ভিসা সেন্টার থাকায় কর্মীদের যে ভোগান্তি হচ্ছে, তা নিরসনে ভিসা সেন্টারের সংখ্যা বাড়ানোর জোরালো অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং কাতার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
ভিসা প্রক্রিয়া ও জনবল নিয়োগের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, নিয়োগকারী কোম্পানিগুলো যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামীতে দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে ভিসা সেন্টার সম্প্রসারণসহ অমীমাংসিত বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে সফলভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পন্ন করে আজ সোমবার সকালে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি বঙ্গভবনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ৯ মে তিনি ব্যক্তিগত এই সফরে লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এবং কূটনৈতিক কোরের ডিন ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সফরসঙ্গী হিসেবে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যসহ চিকিৎসক ও বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও দেশে ফিরেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রপতির কার্ডিয়াক বাইপাস সার্জারি সম্পন্ন হয়েছিল। সেই চিকিৎসার ধারাবাহিকতায় এবং চিকিৎসকদের নিয়মিত পরামর্শ অনুযায়ী তিনি লন্ডনের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ফলোআপ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশন মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) গুরুত্বপূর্ণ সভা শুরু হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভায় দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সংস্কারের নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত অনুমোদন। ধারণা করা হচ্ছে, আজকের এই সভাতেই নতুন অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। এর পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত রূপরেখা (২০২৬-২০৩০ অর্থবছর)’ শীর্ষক একটি বিশেষ অর্থনৈতিক কৌশলপত্রের রূপরেখা উপস্থাপন ও অনুমোদনের কথা রয়েছে।
উচ্চপর্যায়ের এই নীতিনির্ধারণী সভায় উপস্থিত রয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। এছাড়াও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরা এই বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন সম্পাদক পরিষদের নেতারা। রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউএজ সম্পাদক নুরুল কবির, মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, সুপ্রভাত বাংলাদেশ সম্পাদক রুশো মাহমুদ ও দৈনিক করতোয়া সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
দুই দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি। রোববার সন্ধ্যায় তিনি ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির কাতারের শ্রমমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। এ সময় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সফরকালে আল মাররি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।
দোহার বাংলাদেশ দূতাবাস কাতারের শ্রমমন্ত্রীর বাংলাদেশে সফর গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেছে, আমরা আশা করি, এই সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হবে এবং কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে সামনের দিনগুলোতে আরও সুদৃঢ় করবে।