শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

মেজর জেনারেল হোসাইন আল মোরশেদ এনএসআইয়ের নতুন ডিজি

এনএসআইয়ের নতুন ডিজি মেজর জেনারেল হোসাইন আল মোরশেদ ।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৩ এপ্রিল, ২০২৪ ২৩:৩৭

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) নতুন মহাপরিচালক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসাইন আল মোরশেদকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসাইন আল মোরশেদকে এ পদে প্রেষণে নিয়োগের জন্য তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসাইন আল মোরশেদকে এনএসআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে প্রেষণে পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অপরদিকে গত ৩১ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনে মেজর জেনারেল টি এম জোবায়েরকে এনএসআই থেকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করা হয়।

তিনি ছয় বছর এনএসআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে দায়িত্ব পালন করেন।

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ হোসাইন আল মোরশেদ ইতিপূর্বে জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজের (এনডিসি) সিনিয়র ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ২৬তম বিএমএ লং কোর্সে ১৯৯২ সালের ৯ জুন পদাতিক কোরে কমিশন লাভ করেন। তিনি একজন স্বনামধন্য অফিসার, যার ৩১ বছরের কর্মজীবনে কমান্ড, স্টাফ এবং নির্দেশমূলক কার্যভারের চমৎকার মিশ্রণ রয়েছে। তিনি একটি পদাতিক রেজিমেন্ট, একটি বিশেষ বাহিনী ইউনিট এবং দুটি পদাতিক ব্রিগেডের নেতৃত্ব দেন। তিনি একটি পদাতিক ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর (বিএম), পদাতিক ডিভিশনের কর্নেল স্টাফ, আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের (এএফডি) কর্নেল স্টাফ এবং এনএসআইয়ের পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।


আজ চৈত্র সংক্রান্তি: বাংলা বর্ষপঞ্জিকার শেষদিন

আপডেটেড ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ ০০:০৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ চৈত্র সংক্রান্তি, ১৪৩০ বংলা বর্ষপঞ্জিকার শেষদিন। আগামীকাল পহেলা বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। চৈত্র মাসের শেষ দিনকে সংক্রান্তির দিন বলা হয়। আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে দিনটি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

চৈত্র সংক্রান্তির দিন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শাস্ত্র মেনে স্নান, দান, ব্রত, উপবাস করে থাকেন। নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী, অন্য ধর্মাবলম্বীরাও নানা আচার-অনুষ্ঠান পালন করেন। এছাড়াও চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়। হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয় দিনটি।

চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক। চড়ক গাজন উৎসবের একটি প্রধান অঙ্গ। এ উপলক্ষে গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সেজে নৃত্য করে এবং অন্য ভক্তরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানব সেজে শিব-গৌরীর সঙ্গে নেচে চলে।

চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে সফলতা ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দেখা দেবে নতুন ভোর। পুরনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে আগামীকাল রোববার বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে। জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সব কিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।


দৃশ্যমান হচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ ০০:০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হয়ে স্বপ্ন পূরণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। উঁকি দিচ্ছে এক নতুন পথ। মাথা তুলে দাড়িঁয়েছে পাঁচ শতাধিক পিআর। এক্সপ্রেসওয়েটি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তৈরি করবে ৪৪ কিলোমিটারের বিরামহীন উড়াল সড়ক।

এক্সপ্রেসওয়েতে পিআর ক্যাপ বসেছে প্রায় ১০০। পাঁচ হাজার পাইলের মধ্যে বসে গেছে সাড়ে তিন হাজার পাইল। এ মাসেই বসবে সুপারস্ট্রাকচার। আশুলিয়া-ধেউর উড়াল পথে তোলা হবে গার্ডার। এরপরেই বসানো হবে স্ল্যাব। এ পর্যন্ত পুরো প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৪৫ শতাংশ।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এ মাসেই মূল কাজ অর্থাৎ গার্ডার বসবে এই পথে। এ অংশটি আগামী বছরের শুরুতে খুলে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই প্রকল্পের রুট প্ল্যানে রয়েছে আশুলিয়া থেকে ধেউর বর্তমান মূল সড়ক আর থাকছে না। ড্যাপের পরিকল্পনা মেনে উন্মুক্ত করা হবে মূল জলাধার। আর এপাশ ওপাশ যাতায়াতে করা হবে নতুন উড়াল সড়ক। এই অংশটুকু হবে টোল ফ্রি। এই পথ প্রস্তুত হলেই ধরা হবে এ অংশের মূল এক্সপ্রেসওয়ের কাজ। তাই বাকি সব জায়গা থেকে এ প্রান্তে কাজ এগিয়েছে বেশি।

আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, সুপার স্ট্রাকচারের একটা অংশ গার্ডার এবং গার্ডারের ওপরে শুধু স্ল্যাব বসবে। গার্ডার হয়ে গেলেই আমরা তখন স্ল্যাব বসাবো। স্ল্যাব বসানো মানেই রাস্তার কাজ শুরু হয়ে যাওয়া।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে আশুলিয়া-ধেউর এলাকায় আমরা গার্ডার উত্তোলন করবো। সাব-কনট্রাক্টররা চলতি মাসেই এই কাজ করবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল কাজ ধরার জন্য আগে ৩ কিলোমিটার ও পৌনে ৩ কিলোমিটারের দুটি ব্রিজের কাজ আমরা শেষ করবো।


ঈদে চাঙ্গা রেমিট্যান্স প্রবাহ : ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে রিজার্ভ

আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:৫৩
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঈদের সময়ে চাঙা ছিল রেমিট্যান্স প্রবাহ। মূলত ঈদকে উপলক্ষ্য করে প্রবাসীরা দেশে তাদের প্রিয়জনদের জন্য ডলার পাঠিয়েছে। সেইসঙ্গে রপ্তানি আয়ও কিছুটা বেড়েছে। ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভ বেড়ে আবারও ২০ বিলিয়ন ডলারের উপরে উঠেছে। গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসের শেষ দিকে (২৭ মার্চ) রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৪৮১ কোটি ডলারে আর বিপিএম-৬ ছিল ১ হাজার ৯৪৫ কোটি ডলার (১৯ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন)। চলতি মাসের ৮ এপ্রিল গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলারে আর বিপিএম-৬ হয়েছে ২ হাজার ১০ কোটি ডলারে (২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন)।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের শুরুতে গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৭৩ বিলিয়ন ডলার আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগে প্রবাসীরা বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এছাড়া রপ্তানি প্রবাহও বেড়েছে এসব কারণেই মূলত কিছুটা রিজার্ভ বেড়েছে।

রেমিট্যান্স, রপ্তানি আয়, বিদেশি বিনিয়োগ, বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণ থেকে যে ডলার পাওয়া যায় তা দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ তৈরি হয়। আবার আমদানি ব্যয়, ঋণের সুদ বা কিস্তি পরিশোধ, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতা, পর্যটক বা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাসহ বিভিন্ন খাতে যে ব্যয় হয়, তার মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রা চলে যায়। এভাবে আয় ও ব্যয়ের পর যে ডলার থেকে যায় সেটাই রিজার্ভে যোগ হয়। আর বেশি খরচ হলে রিজার্ভ কমে যায়।

বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে রিজার্ভ থেকে নিয়মিত ডলার বিক্রি করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সময়ে বাণিজ্যিক কিছু ব্যাংক থেকে এক বিলিয়ন ডলারের মতো কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক, যার পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলারের মতো। ২০২২-২৩ অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছিল। তার আগের অর্থবছরে ( ২০২১-২২) ডলার বিক্রি করেছিল ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।


যেকোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকেই কঠোরভাবে দমন করা হবে: হানিফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:২৮
বাসস

কুকি চীন বা কেএনএফ যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীই হোক না কেন তাদের জায়গা এই বাংলার মাটিতে হবেনা। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীদের কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। আজ শুক্রবার কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, এদেশে একসময় বাংলা ভাইসহ বড় বড় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্ম হয়েছিলো, তাদেরকে যেভাবে নির্মূল করা হয়েছে এদেরকেও ঠিক সেভাবেই নির্মূল করা হবে। আর এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে পেছন থেকে কারা মদত দিচ্ছে তাদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা।

তিনি বলেন, যারা আজকে সরকারের বিরোধীতা করছেন তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার সময় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন রেখে গিয়েছিলো। মাথাপিছু আয় ৫৩৫ মার্কিন ডলার থেকে বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় তা এখন ২৮০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। আজ বাংলাদেশ চরম ব্যার্থ রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে। এটা যাদের ভালো লাগে না তারাই এসব আবোল তাবল কথা বলে।

কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের অধ্যক্ষ ও পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সভাপতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব প্রকোশলী রবিউল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আজগর আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শেখ মেহেদী হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের প্রায় দুই হাজার দুইশো প্রাক্তন শিক্ষার্থী এই পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করেন।


প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:৫৯
বাসস

আর একদিন পরই পহেলা বৈশাখ। আগামীকাল শনিবার চৈত্রের শেষ দিন। এর পরেরদিন রোববার বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ১৪ এপ্রিল রোববার পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে আজ এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এই শুভেচ্ছা জানান।

তিন বলেন, ‘আসুন নতুন বছরে অতীতের সকল ব্যর্থতা-দুঃখ-গ্লানি পিছনে ফেলে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করি।’

তিরি আরও বলেন, বর্ষ পরিক্রমায় আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে নতুন বছর। আপনারা যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে জানাই বঙ্গাব্দ ১৪৩১-এর শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।

এসময় প্রধানমন্ত্রী কবি সুফিয়া কামালের ভাষায় উচ্চারণ করে বলেন, ‘পুরাতন গত হোক! যবনিকা করি উন্মোচন তুমি এসো হে নবীন! হে বৈশাখ! নববর্ষ! এসো হে নতুন। শুভ নববর্ষ।’

এবছর ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ কাছাকাছি হওয়ায় দুটো উৎসবের ছুটিও মানুষ একসঙ্গে পেয়েছে। ঈদের ছুটি আর পহেলা বৈশাখের ছুটি একসঙ্গে হয়ে লম্বা ছুটিতে মানুষ পরিবার পরিজনের সঙ্গে আনন্দে সময় পার করছে।


রাজধানীর হাজারীবাগে অগ্নিকাণ্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১৩:৩০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর হাজারীবাগে বস্তিতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে হাজারীবাগের ঝাউচরের মোড়ে একটি টিনশেড বস্তিতে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭টি ইউনিট দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের ২টি, লালবাগের ২টি, মোহাম্মদপুরের ২টি ও সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের একটি, মোট ৭টি ইউনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

আগুনের কারণ এবং তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর জানা যায়নি।


রাজধানীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক পরিবারের ৬ জন দগ্ধ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের নারী-শিশুসহ ছয়জন দগ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার ভোরে ভাষানটেকের ১৩ নম্বর নতুন বাজার কালভার্ট রোডের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা হলেন, মেহেরুন্নেসা (৬৫), তার শরীরের ৪৭ শতাংশ দগ্ধ, সূর্যবানু (৩০), ৮২ শতাংশ দগ্ধ, লিজা আক্তার (১৮), ৩০ শতাংশ দগ্ধ, লামিয়া (৭ ), ৫৫ শতাংশ দগ্ধ, সুজন (৮), ৪৩ শতাংশ দগ্ধ ও মোহাম্মদ লিটন (৫২), ৬৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, 'ভোরের দিকে ভাষানটেক থেকে সিলিন্ডারের আগুনে দগ্ধ ৬ জন এখানে এসেছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। সবাইকে বার্ন ইউনিটের অবজারভেশনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।'


সদরঘাট লঞ্চ ট্রাজেডি: ৫ জনের নামে মামলা

আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৪ ১১:২০
জবি প্রতিনিধি

রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনালের পন্টুনে বৃহস্পতিবার দুই লঞ্চের মধ্যে ধাক্কা লেগে রশি ছিড়ে পাঁচ যাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মপরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে মামলাটি করেছেন বলে দৈনিক বাংলাকে জানিয়েছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মামুন অর-রশিদ।

তিনি জানান, দুই লঞ্চের মাস্টার ও ম্যানেজারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অবহেলাজনিত বেপরোয়া গতিতে লঞ্চ চালানোর কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই পাঁচজনকে আটক করা হয়। এই মামলায় তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) আব্দুর রউফ হাওলাদার (৫৪), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) সেলিম হাওলাদার (৫৪), ম্যানেজার ফারুক খান (৭০), এমভি তাসরিফ-৪ লঞ্চের প্রথম শ্রেণির মাস্টার (চালক) মিজানুর রহমান (৪৮), দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার (চালক) মনিরুজ্জামান (২৮)।


ঈদে রেলের সিডিউল বিপর্যয় ছিল না: রেলপথ মন্ত্রী

রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১১ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৫২
বাসস

ঈদে রেলের সিডিউল বিপর্যয় ছিল না উল্লেখ করে রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় রেলপথে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর পাংশা মাসজিদুল হাকিম সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

জিল্লুল হাকিম আরও বলেন, ঈদে বাড়ি ফেরা যতটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে, কর্মস্থলে ফেরা আরও বেশি স্বস্তিদায়ক হবে। এবার ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের কোন ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। যাত্রীরা নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছেছে।

মন্ত্রী বলেন, ঈদে বাড়ি ফেরার সময় ট্রেনে জন্ম নেওয়া শিশুর জন্য আমরা উপহার পাঠিয়েছি। আমরা সব দিকে খেয়াল রাখছি। ভাঙ্গা থেকে পায়রা হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের রেলপথ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে জানান মন্ত্রী।


সদরঘাটে দুর্ঘটনায় দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ছবিটি সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সদরঘাটে লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে যাত্রীদের হতাহতের ঘটনায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করার পাশাপাশি দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার ঈদের দিন দুপুরে সদরঘাটে তাসরিফ-৪ নামে একটি লঞ্চের দড়ি ছিঁড়ে ধাক্কায় পাঁচজন নিহত হন।

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী এক শোকবার্তায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

এর আগে, ঢাকা নদীবন্দরের (সদরঘাট) যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) জয়নাল আবেদীন বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, সদরঘাটের ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার কারণ ও দায় অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

সদরঘাটের ১১নং পন্টুনের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সদরঘাট নৌ-পুলিশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম। নিহত ৫ জনের মধ্যে মহিলা একজন, পুরুষ ৩ জন এবং শিশু একজন রয়েছে বলে সদরঘাটের ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়।


ফিলিস্তিনসহ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদেরকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্র প্রধান আজ বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেয়া এক শুভেচ্ছা বক্তব্যে দেশবাসীকে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ সকলের সঙ্গে মিলেমিশে উপভোগের অনুরোধ জানান।

মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

এই ঈদের মধ্যেও ফিলিস্তিনসহ যুদ্ধবিগ্রহ ও আধিপত্যের কারণে বিশ্বব্যাপী অনেক মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি ফিলিস্তিনের নির্মমতার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। তাদের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করা।’

তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে দুঃখ একলা ভোগ করা যায়, কিন্তু আনন্দ একলা ভোগ করা যায় না-সকলকে নিয়ে আনন্দ করতে হয়। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ‘ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তুলুক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি আর ঐক্যের বন্ধন। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।’

ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম উল্লেখ করে রাষ্ট্র প্রধান বলেন, মানবিক মূল্যবোধ, সাম্য, পারস্পরিক সহাবস্থান ও সহযোগিতা- ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ঈদের আনন্দ থেকে পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব কেউ যেন বঞ্চিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার ও তাগিদ দেন। তিনি ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ ‘স্মাট বাংলাদেশ’ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এর আগে রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সিনিয়র রাজনীতিবিদ, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, কূটনৈতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণও উপস্থিত ছিলেন।


আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১১ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:০৫
বাসস

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, 'আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে দেশের জনগণকে কিছু দেয়ার জন্য এবং বিএনপি আসে নিতে।'

তিনি বলেন, 'আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের পাশে থাকে এবং তাদের কল্যাণে কাজ করে।'

প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন পেশাজীবী,বিচারক, বিদেশি কূটনীতিক এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্মর্তাসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা তাঁর দলকে ভোট দিয়ে বারবার ক্ষমতায় আনার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান।

সরকারপ্রধান তাঁর নির্দেশে রমজান মাসে ইফতার পার্টি না করে জনগণের মধ্যে ইফতার বিতরণ করায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রশংসাও করেন।

তিনি বলেন, 'রমজান মাসে বিএনপি এক হাজার ইফতার পার্টি করেছে এবং খাবার খেয়েছে আর আওয়ামী লীগ জনগণের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে।'

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, দেশের মানুষকে সব সময় কিছু দেয় আর বিএনপি নেয়।’

প্রধানমন্ত্রী, তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, 'যারা আজ গণভবনে এসেছেন, তাদের জন্য সীমাহীন আনন্দ। ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক আনন্দ।'

শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পথ অনুসরণ করে দেশবাসীর জন্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

এসময় জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন।


দেশ থেকে অপরাজনীতি যেন চিরতরে দূর হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা আমাদের দেশে যে সম্প্রীতি আছে, সেই সম্প্রীতির বন্ধনকে যেন আরও দৃঢ় করতে পারি। একই সাথে আমাদের দেশ থেকে অপরাজনীতি যেন চিরতরে দূর হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার নিজ গ্রামের বাড়ির জামে মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গণমাধ্যমকর্মীদের ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে পবিত্র ঈদের দিন আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানাই। মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের দেশে যে শান্তি স্থিতি বিরাজমান এবং আজকে বাংলাদেশ যে পৃথিবীর সামনে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, এই উন্নয়ন অগ্রগতি যেন আরো বেগবান হয়।

তিনি বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার সম্মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে আমাদের এই দেশ রচিত হয়েছে। এই দেশ থেকে যেন সমস্ত সম্প্রদায়িক অপশক্তির বিনাশ ঘটে। এই দেশে যেন আমরা সব সম্প্রদায় এবং সব মত-পথের মানুষ একসাথে মিলেমিশে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করতে পারি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনের মুসলমানদেরকে সেখানে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। নারী ও শিশুদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। সেখানে যেন অবিলম্বে শান্তি আসে। সেখানে ইসরাঈল যে বর্বরতা চালাচ্ছে সে বর্বরতার যেন চির অবসান হয়। এটিই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা।

একই সাথে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে তাঁর নেতৃত্বে দেশ যেন আরো এগিয়ে যায় মহান আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


banner close