বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু ২ মে

ফাইল ছবি
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:৩৮

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ২ মে বৃহস্পতিবার শুরু হবে। এটি ২০২৪ সালেরও দ্বিতীয় অধিবেশন।

ওইদিন বিকেল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসবে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন।


দেশে ৮০ শতাংশ নৌ-শ্রমিক চর্ম ও অন্ত্রের রোগে আক্রান্ত: এসসিআরএফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৩ মে, ২০২৪ ১৯:০২
ইউএনবি

লবণাক্ত ও অপরিশোধিত পানি ব্যবহারের কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোর ৮০ শতাংশ শ্রমিক-কর্মচারী চর্মরোগ ও পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল আন্ত্রিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকার গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন শিপিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন রিপোর্টার্স ফোরামের (এসসিআরএফ)। তাদের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে নৌ-শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যাত্রী ও পণ্যবাহী সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের নৌযানে পানি শোধনাগার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশও করা হয়েছে।

বছরব্যাপী জরিপ ও অনুসন্ধান চালিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, জরিপকালে ১০ শ্রেণির নৌযানের শতাধিক শ্রমিক ছাড়াও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

এ সব নৌযানের মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী লঞ্চ, পণ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের জাহাজ, এস্কেভেটর (খননযন্ত্র), ড্রেজার (পলি অপসারণ যন্ত্র), ডাম্ববার্জ ও হাউসবোটসহ বিভিন্ন ধরনের নৌযান।

এসসিআরএফ জানায়, দেশের এক-পঞ্চমাংশ উপকূলীয় জনপদ। সেখানকার নদ-নদীর পানিতে প্রায় সারা বছর তীব্র লবণাক্ততা থাকে। এ ছাড়া দেশের প্রায় সব নদী মারাত্মক দূষণের শিকার। নৌ-শ্রমিকরা দিনের পর দিন নৌযানে থাকেন। কিন্তু সরকারি-বেসরকারি নৌযানগুলোতে কোনো পানি শোধনাগার নেই।

সরকার ও বেসকারি নৌযান মালিক কোনো কর্তৃপক্ষই বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করে না। স্বল্প বেতনভোগী নৌ-শ্রমিকরা বাধ্য হয়ে সব কাজে নদীর পানি ব্যবহার করছেন। এতে তারা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এসসিআরএফের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন নদীর লোনা ও দূষিত পানি ব্যবহারের কারণে চর্ম রোগসহ স্কিন ক্যানসার ও শ্বাসকষ্টজনিত নানা রোগ হতে পারে। লিভার সিরোসিস, রক্ত আমাশয়, আমাশয়, গ্যাস্ট্রিক আলসার ও নিয়মিত ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের জটিল আন্ত্রিক রোগ হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। এই সংকট দূর করতে অভ্যন্তরীণ নৌপথে চলাচলরত সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের নৌযানে পানি শোধনাগার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।


গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: ইউএনবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউএনবি

সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ বার্তার মোড়ক উন্মোচন ও মত বিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমি এরই মধ্যে কাজ করছি। বিষয়টি একটু জটিল। যে সংখ্যা নির্ণয় করার যে ফর্মুলাটা আছে তার মধ্যেও কিছু গলদ আছে, সেটিকেও ম্যানুপুলেট করা যায়। যদি বলি ফর্মুলা অলরেডি আছে সেটি দিয়ে সঠিক তালিকা করে ফেলব, এরমধ্যেও দেখা যাবে সঠিক হয়ত অনেক কিছু হবে না। কারণ পেছন দিকে ম্যানুপুলেশন সমস্যা। যে কারণে আমি ফর্মুলাটা নিয়ে কাজ করছি।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র দেই তা কিন্তু ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না। আমি কিন্তু একটি লিস্ট বানিয়েছি, বিশেষ সোর্সের মাধ্যমে। যেটি আমাকে মোটামুটি সঠিক একটি সার্কুলেশনের চিত্র দিয়েছে, তার ভিত্তিতে আমি এখন সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, কারা কত ক্রোড়পত্র পেয়েছে তা এক্সেল সিটের মাধ্যমে মেইন্টেইন করি। কাছাকাছি সার্কুলেশনের দুটি পত্রিকার মধ্যে একটি পত্রিকা কম পেলে পরে তা ব্যালেন্স করার চেষ্টা করি। আমি ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। ৬০-৭০ শতাংশ সিদ্ধান্ত সার্কুলেশনের ওপর ভিত্তি করে নেই। কারণ এখানে সরকারের স্বার্থ আছে, বেশিরভাগ মানুষের হাতে এটি আমি পৌঁছাতে চাই। কিছু পত্রিকা আছে সার্কুলেশনের চ্যালেঞ্জ আছে কিন্তু তার একটি ইতিহাস ঐতিহ্য আছে, কিছু পত্রিকা আছে সার্কুলেশনের চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেখানে নামকরা সম্পাদক আছে, যার নিজের ইতিহাস-ঐতিহ্য ব্র্যান্ডিং আছে, এগুলোকে যাচাই বাছাই করে ব্যালেন্স করে ক্রোড়পত্র দিয়েছি, কোনো ব্যক্তির সুপারিশে ক্রোড়পত্র দেইনি। সুপারিশ করেছে নিয়েছি, দেখেছি, কিন্তু দিন শেষে আমার যে ফর্মুলা সেটি অ্যাপ্লাই করেছি।

ডিএফপিতে নতুন ডিজি নিয়োগ দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে আরাফাত বলেন, ‘যারা সার্কুলেশনের কাজ করে তাদের নিয়ে আমি বসব। ফর্মুলাকে একটি ফাইনটিউন করে একটি ফর্মুলা আনার যে সত্যিকার অর্থে সার্কুলেট, অর্থাৎ শুধু প্রিন্ট করলে হবে না, বিক্রিত নম্বরটা আমরা পাওয়ার পর ফর্মুলা বের করব, যেখানে ম্যানুপুলেশনের সুযোগ থাকবে না। আমার কাছে আসল লিস্টটা যাতে থাকে। সব জায়গায় আমি এক ধরনের স্বচ্ছতা ও অবজেকটিভিটি আনার চেষ্টা করছি। আপনারা সবার সামনে যে বিষয়টি বলবেন, আমাকে একা পেলেও সেই কথাটিই বলবেন।’

সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বেঁধে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নিয়ে এ মুহূর্তে আমি বলতে পারব না, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ মুহূর্তে আমি গণমাধ্যমকর্মী আইন নিয়ে কাজ করছি।’

গণমাধ্যমকর্মী আইন পাস হলে এটি মোটামুটি সবকিছু কাভার করে ফেলবে। কারণ এখানে অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মোটামুটি সবকিছুই কাভার করবে। গণমাধ্যমের সমস্যাগুলোর সমাধান হবে বলে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শ্রম আইনের অধীনে যত সুরক্ষা দেওয়া আছে সেগুলোকে রেখে বাকি বিষয়গুলো গণমাধ্যমকর্মী আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে বলে জানান আরাফাত।

‘বিটিভিসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৫টি ডিপার্টমেন্টের দিকেই তাকাব। সবগুলোর ভেতরে ঢুকব, শুধু ভেতরেই ঢুকব না একেবারে তলদেশ পর্যন্ত যাব। ভেতর থেকে আমার সাধ্যের মধ্যে, সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংস্কার করার সুযোগ আছে সবগুলোই করব। তবে এটিকে আমি প্রায়োরিটি বেসিসে করব। সব জায়গায় কিছু না কিছু পরিবর্তন আপনারা দেখতে পাবেন’- বললেন প্রতিমন্ত্রী।

বিএসআরএফ সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।


এমপি আনারের হত্যাকারীরা প্রায় চিহ্নিত, শুধু ঘোষণা বাকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজিম আনারের হত্যাকারীদের প্রায় চিহ্নিত করে ফেলা হয়েছে এবং শুধু ঘোষণা দেওয়া বাকি রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা একমত হতে পারলে ঘোষণা দেওয়া হবে। মরদেহ এখনো উদ্ধার করা যায়নি। যে পর্যন্ত মরদেহ উদ্ধার করা যাবে, সে পর্যন্ত অফিসিয়ালি সাংবাদিকদের কিছু বলা যাচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নতুন কিছু আমাদের কাছে আসেনি। আমাদের পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং ভারতের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা মিলে দুই দেশ থেকেই আমরা কাজ করছি, যাতে আরও কিছু তথ্য বেরিয়ে আসে।’

‘আমরা সুনিশ্চিত হয়েছি তাকে হত্যা করা হয়েছে। যারা হত্যা করেছেন, তাদের মুখ থেকে আমরা এসব শুনেছি। তবে মরদেহ এখনো উদ্ধার করতে পারিনি। আমরা মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করে যাচ্ছি’- যোগ করে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তদন্ত মোটামুটি গুছিয়ে এনে আপনাদের জানাব। আমরা এখনো নতুন কোনো আপডেট এ মুহূর্তে দিতে পারছি না। আর কোনো সংবাদ আমরা পাইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটুকু বলতে পারি, প্রায় আমরা প্রায় চিহ্নিত করেছি। কারা হত্যা করেছেন, তাদের প্রায় চিহ্নিত করে ফেলেছি। আমাদের শুধু ঘোষণাটা বাকি। দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা একমত হতে পারলে ঘোষণাটা দেব।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মরদেহ এখনো উদ্ধার করতে পারিনি। আমরা কিছু শুনেছি, আপনারা যা শুনেছেন, আমরা সেগুলোই শুনেছি। মরদেহ উদ্ধার না করা পর্যন্ত অফিসিয়ালি আপনাদের কিছু বলতে পারছি না। এ বিষয়ে দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘আনোয়ারুল আজিম, যিনি আমাদের ঝিনাইদহ-৪ আসনের তিনবারের সংসদ সদস্য। ওই বর্ডার (সীমান্ত) এলাকা সন্ত্রাসকবলিত। সে এলাকারই তিনি সংসদ সদস্য। কী কারণে হত্যাকাণ্ড হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে আমাদের কিছুই বলা ঠিক হবে না। আমরা আগে নিশ্চিত হই, তারপর আপনাদের বিস্তারিত জানাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন বিষয়টি। আশা করছি, খুব অল্প সময়ে আমরা আপনাদের কিছু জানাতে পারব।’


ঈদের আগে পরে ৭ দিন ফেরিতে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঈদুল আজহার আগের তিনদিন ও পরের তিনদিন এবং ঈদের দিনসহ মোট সাতদিন পশুবাহী ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। ঈদ উপলক্ষে নৌরুটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ১৩ থেকে ২৩ জুন মোট ১১ দিন সব নৌরুটে বাল্কহেড চলাচলও বন্ধ থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নৌপথে ফেরি, স্টিমার, লঞ্চসহ জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কর্মপন্থা গ্রহণ সংক্রান্ত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে আগের মতোই কাজীর হাট, পাটুরিয়া ঘাটে ফেরির সংখ্যা বাড়ানোসহ কিছু রুটে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, গতবার (ঈদুল ফিতর) ঈদযাত্রা নিরাপদ হয়েছে। সব পথে নিরাপদে যাত্রীরা বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় ঈদ করেছেন। এবারো যাতে ঈদ আনন্দময় ও নিরাপদ হয়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাত্রীসহ নৌপথে কোরবানির পশু পরিবহন নিরাপদ করার জন্য সবাই একযোগে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবার ক্ষেত্রে সরকার আন্তরিক। দেশবিরোধী, আইনবিরোধী কিছু মানুষ নৌপথের ক্ষেত্রেও আছে। তারা বিশৃঙ্খলা তৈরি করে সরকারের বা আমাদের সংস্থাগুলোর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চায়। আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর সুপারিশ করেছি। আবহাওয়া অফিস থেকে জানিয়েছে যে, এবারের ঈদ মৌসুমে আবহাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। যারা যাত্রী পারাপার ও পণ্য পারাপার করবেন, তারা আবহাওয়া বার্তাগুলো সঠিকভাবে পালন করবেন।


এমপি আনার অপকর্মে জড়িত ছিলেন কিনা, তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতের কলকাতায় নিহত বাংলাদেশি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার কোনো অপকর্মে জড়িত ছিলেন কিনা, সেটি তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় জনপ্রিয়তার কারণে আনারকে নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন এবং দলে অপরাধীদের কোনো ঠাঁই নেই বলে জানান।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নবগঠিত কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ কমিটির সদস্যদের পরিচিতি সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভারতে নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি অপকর্মে জড়িত কিনা তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কিছু বলতে পারছি না। আওয়ামী লীগে অপরাধীদের কোনো ঠাঁই নেই।

তিনি বলেন, আনারকে তৃতীয়বার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তার জনপ্রিয়তার জন্য। এলাকায় গিয়ে দেখেন, এলাকার মানুষরা তার জন্য শোকার্ত। ভেতরে সে কোনো অপকর্ম করে কিনা এসব যখন প্রমাণ হয় তখন শেখ হাসিনা কাউকে ছাড় দেন না, দলের লোক হলেও।’

‘জিরো টলারেন্স নীতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। ভারতের গণমাধ্যমে এসেছে চোরাচালানের কথা। তার মৃত্যুর আগে দেশের কোনো সাংবাদিকের অনুসন্ধানে প্রতিবেদনে কেন বিষয়টা এলো না ‘- যোগ করে বললেন ওবায়দুল কাদের।

যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির চেয়ারম্যান মোজাফফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে পরিচিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপকমিটির কো চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির সদস্য সচিব ও হুইপ মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খান প্রমুখ।


লঘুচাপটি এখনও বঙ্গোপসাগরে, আরও ঘনীভূত হতে পারে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউএনবি

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করা লঘুচাপটি বর্তমানে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। যা আরও ঘনীভূত হতে পারে।

অধিদপ্তরের বুলেটিনে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এছাড়া দেশের অন্য জায়গায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এদিকে, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, বান্দারবান, খুলনা, মোংলা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, খেপুপাড়া এবং ভোলা এলাকার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস বলেছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। জলীয় বাষ্প বেশি থাকার কারণে অস্বস্তিভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।

গতকালকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এবং আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় বগুড়ায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত ৮০ মিলিলিটার রেকর্ড করা হয় বগুড়ায়।


ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’

২৬ মে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে
প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ২৩ মে, ২০২৪ ০৩:৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে, যা ঘনীভূত হয়ে ধাপে ধাপে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে। ‘রেমাল’ নামের ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ২৬ মে সরাসরি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে গতকাল বুধবার জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, বর্তমান প্রেডিকশন অনুযায়ী- ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ বাংলাদেশ, মিয়ানমার বা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা অঞ্চলের দিকেই। তবে এর গতিপথ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে। প্রতিনিয়ত গতিপথ পরিবর্তন করছে; রাতে একটা গতিপথ থাকছে, আবার সকালে আরেকটা। তাই লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত এমনই থাকবে। নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। তবে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তখন গতিপথ স্থির হবে। সেই সময় স্পষ্টভাবে বলা যাবে, এটা কোনো এলাকায় বা স্থানে আঘাত হানতে পারে।

তিনি বলেন, ২২ মে লঘুচাপ তৈরি হয়ে; ২৩ বা ২৪ মের মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। ২৪ মে রাতে বা ২৫ মে সকালের দিকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

আবহাওয়ার বিভিন্ন মডেল বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ ২৬ মে সকাল ৬টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা থেকে শুরু করে; চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে স্থল ভাগে আঘাত করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের অগ্রবর্তী অংশ উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশ করতে পারে সকাল ৬টার পর থেকে। ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাব্য সময় ২৬ মে দুপুর ১২টার পর থেকে বিকাল ৬টার মধ্যে। ঘূর্ণিঝড় বৃত্তের পেছন দিকের অর্ধেক অংশ পুরোপুরি স্থলভাগে প্রবেশ করতে রাত ১২টা পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়টি যদি জোয়ারের সময় উপকূলে আঘাত হানা শুরু করে, তবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ১০ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোর উপকূলে আঘাতের সময় ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়াসহ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে ২৪ মে থেকে, যা ২৮ মে পর্যন্ত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ওপর মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে ২৫, ২৬ ও ২৭ মে। অপেক্ষাকৃত হালকা পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে; মে মাসের ২৪ ও ২৮ তারিখে। মে মাসের ২৩ তারিখ থেকেই সমুদ্র উত্তাল শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত, যা পূর্ব বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ দশমিক ৫ থেকে ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার ওপরে রয়েছে। এর বিস্তৃতি ভারতের হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ থেকে বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ হয়ে পূর্ব বাংলাদেশ পর্যন্ত। এ ছাড়া রেমালের প্রভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ বলয় তৈরি হতে পারে, যা পরে শুক্রবার নাগাদ নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে- ওই নিম্নচাপ বলয় উত্তর-পূর্বে সরে এসে নিম্নচাপ তৈরি করতে পারে। এ ছাড়া এটিই পরে শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার মতো অনুকূল পরিস্থিতি সাগরে ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছে।


আ.লীগ নেতা তপনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেটেড ২৩ মে, ২০২৪ ০০:০২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল কুদ্দুস তপনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। ২০২০ সালের ২৩ মে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৪ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। সে সময় সরকারি ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর রুহুল কুদ্দুস তপন ছাত্রলীগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তার পিতা নজরুল ইসলাম ও ছোট চাচা রফিকুল ইসলাম স্বাধীনতা-পরবর্তী শেখ ফজলুল হক মণির সঙ্গে রাজনীতি করতেন এবং শেখ মণির ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। তপনের বড় ভাই ‘দৈনিক খবর’-এ কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল খোকন বর্তমানে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য। এ ছাড়া তিনি একজন নাট্যশিল্পী হিসেবেও পরিচিত মুখ।

তেজগাঁওয়ের রাজনীতিতে রুহুল কুদ্দুস তপন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন। ঢাকার দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ রহিম মেটাল জামে মসজিদ নির্মাণে তপন অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসা ও কবরস্থান উন্নয়নের কাজ তার হাত ধরেই হয়েছিল।


দেশে আমনের উৎপাদন বাড়াতে ৪০ কোটি টাকার প্রণোদনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

চলতি বছর দেশে রোপা আমন ধানের আবাদ ও উৎপাদন বাড়াতে ৪০ কোটি ৪ লাখ টাকার প্রণোদনা দেওয়া হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বাজেট কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা এবং বীজ ও চারা খাত থেকে এ প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ ইতোমধ্যে জারি হয়েছে বলে আজ বুধবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দেশের ৬১টি জেলার ৫ লাখ ৬৬ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এ প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে বীজ ও সার পাবেন। মাঠপর্যায়ে শিগগিরই এসব প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। এ প্রণোদনার আওতায় একজন কৃষক এক বিঘা জমিতে চাষের জন্য রোপা আমন ধানের উচ্চফলনশীল (উফশী) জাতের প্রয়োজনীয় ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।


তদারকির অভাবে সুন্দরবন পুড়ে ছাই হচ্ছে: বাপা

২২ বছরে আগুন লেগেছে ৩২ বার
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনে গত ২২ বছরে সুন্দরবনে ৩২ বার আগুন লেগেছে। পুড়েছে একশ একরের বেশি বনভূমি। কঠোর মনিটরিংয়ের অভাবে সুন্দরবনে একের পর এক আগুন লাগছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

আজ বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিন বিভাগের অধ্যাপক ও বাপার জাতীয় কমিটির সদস্য ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৪ মে বেলা ১১টায় পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের আমুরবুনিয়া টহল ফাঁড়ির লতিফের ছিলা এলাকায় আগুন লেগে বন বিভাগের হিসেবেই পুড়ে যায় ৭ দশমিক ৯ একর বনভূমি। সুন্দরবন রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার কথা বলা হয়।

ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, ‘বনে লাগা আগুনে প্রাণীদের আবাস ও প্রজননস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বন্যপ্রাণীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। বনের প্রাণ-প্রকৃতির শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে বনের প্রাণীদের খাদ্যচক্রে। আগুনে চরম আঘাত আসে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ওপর। তাই সুন্দরবন রক্ষায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

বাপার কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মো. নূর আলম শেখ বলেন, ‘সুন্দরবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মানবসৃষ্ট এবং পরিকল্পিত। অগ্নিকাণ্ডের এ সব ঘটনায় বনবিভাগ কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারে না।’ বাপার যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বা বাংলাদেশের ফুসফুসখ্যাত সুন্দরবন আজ ধ্বংসের মুখে। বারবার বনে আগুন লাগছে। এর থেকে সুন্দরবনকে ঠিক রাখতে আমাদের সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে হবে। সুন্দরবনকে বিজ্ঞানীদের জন্য সহজ করতে হবে আর দুষ্কৃতকারীদের জন্য করতে হবে দুর্গম।’

এ সময় সুন্দরবনের অগ্নিকাণ্ড বন্ধে ১৫টি সুপারিশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন– বাপার সহ-সভাপতি মহিদুল হক, কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের প্রমুখ।


জিয়াউর রহমান কাকুতি মিনতি করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) যখন গঠিত হয়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়া তখন কাকুতি মিনতি করে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। এ সময় তিনি বিএনপি এ বিষয় নিয়ে বড় বড় কথা বলছেন বলেও উল্লেখ করেন।

আজ বুধবার দিনাজপুর সার্কিট হাউজে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের এই দলের জন্মই হয়েছিল আমাদের স্বাধীনতাকে হত্যা করার জন্য। সে জন্যই তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ও যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম, নিজামীদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে খুনি ডালিম রশিদদের পুরস্কৃত করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান চেয়েছিলেন আওয়ামী লীগ দলটিকে নিশ্চিহ্ন করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে। কিন্তু আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর আমরা একটি প্রত্যয় দেখতে পেলাম। আমরা তাঁর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালাম। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ঘুরে দাঁড়ালাম।’

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫-পরবর্তী সময়ে জেনারেল জিয়া বিরাজনীতিকরণের ধারার সূচনা করেছিলেন। স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসন করেছিলেন। সেই দিনে আর ফিরে যেতে দেওয়া যাবে না। এ দেশে সরকারে থাকবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি, বিরোধী দলেও থাকবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। বঙ্গবন্ধুর অনুসারীরাই দেশের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবে। পাট উৎপাদন ও পাটের বস্তাসহ অন্যান্য পাটপণ্য ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, এখানে একটি টেক্সটাইল মিলের ৩৬.৭৪ একর জমি পড়ে আছে। এটাকে ফেলে রাখা হবে না। এটা নিয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবং দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জাকারিয়া জাকা, সাবেক সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাবুজ্জামান মিতা।


কলকাতায় বাংলাদেশি এমপি খুন: যা বলছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার খুন হয়েছেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এ ঘটনায় দেশে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।

যদিও কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হচ্ছে এ খবর।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতায় বাংলাদেশি এমপি নিখোঁজ। পুলিশের সন্দেহ, তিনি খুন হয়েছেন।

বাংলাদেশি মিডিয়ার বরাতে ডেকান হেরাল্ড বলেছে, আট দিন ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশি এমপির খণ্ড-বিখণ্ড দেহ মিলল কলকাতায়।

আউটলুক ইন্ডিয়া তাদের প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে, পশ্চিমবঙ্গে নিখোঁজ বাংলাদেশি এমপি। পুলিশের সন্দেহ, উদ্ধার খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ তারই।
ফার্স্টপোস্টের খবরের শিরোনাম, কলকাতায় মরদেহ উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশি এমপি কি খুন হয়েছেন?

কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, ‘নিউটাউনে ‘খুন’ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য! ঘনাচ্ছে রহস্য, তদন্তে পুলিশ।’

এবিপির খবরে শিরোনাম করা হয়েছে, বাংলাদেশের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার কলকাতায় ‘খুন’, পুলিশ বলছে দেহ পাওয়া যায়নি; ৩ আটক।

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, কলকাতায় নিখোঁজ বাংলাদেশি এমপি খুন।

আজতক জানিয়েছে, কলকাতায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য। তাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও এখনো দেহ উদ্ধার করা হয়নি।

দেশটির আরেক গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, ভারতে চিকিৎসা করাতে এসে নিখোঁজ হয়েছিলেন বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম। অবশেষে নিউটাউন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হলো। এর আগে সংসদ সদস্য কন্যা মমতারিন ফেরদৌস ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দপ্তরে গিয়ে বাবার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিলেন রোববার। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ নিখোঁজ থাকার পর অবশেষে উদ্ধার হলো বাংলাদেশি সংসদ সদস্যের মৃতদেহ।
প্র
তিবেদনে আরও বলা হয়, নিউটাউনের অভিজাত আবাসন থেকে উদ্ধার হয়েছে আনোয়ারুল আজিমের মৃতদেহ।


তিতাসের ১৪ নম্বর কূপ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু

 ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপের ওয়ার্কওভার কাজ শেষে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে এই কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু সম্ভব হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আজ বুধবার দুপুরে গ্যাস কূপ ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাঈল মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) কূপটির ওয়ার্কওভার কাজ সম্পন্ন করেছে। এ কূপটি থেকে প্রতিদিন ১৩-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-বিশ্বরোড মোড়ে অবস্থিত দৈনিক ২৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপটি ২০০ সালে খনন করা হয়। তবে গ্যাসের সঙ্গে অতিমাত্রায় পানি ওঠায় ২০২১ সালের পহেলা নভেম্বর থেকে কূপটি বন্ধ ঘোষণা করে গ্যাস ফিল্ড কর্তৃপক্ষ। চলতি বছর বিজিএফসিএল পরিচালিত তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাস ফিল্ডের বন্ধ থাকা ৭টি কূপের ওয়ার্কওভারে ৫২৩ কোটি টাকা ব্যায়ে একটি প্রকল্প হাতে নেয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৪টি কূপের ওয়ার্কওভার কাজ করবে বাপেক্স। বাকি ৩টির কাজ দেওয়া হচ্ছে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে।

গত ১৯ মার্চ তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ১৪ নম্বর কূপের ওয়ার্কওভার কাজ শুরু করে বাপেক্স। যা চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে শেষ হয়। এরপর গতকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় কূপ থেকে। প্রতিদিন এ কূপ থেকে ১৩-১৫ মিলিয়নঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার আশা সংশ্লিষ্টদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গ্যাস কূপ ওয়ার্কওভার প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাঈল মোল্লা জানান, ১৪ নম্বর কূপটি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে। তবে এখনও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নীরিক্ষা চলছে। ফলে পুরোদমে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়নি। আশা করা হচ্ছে আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে কূপটি থেকে গ্যাস উৎপাদনে যাওয়া যাবে।


banner close