রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১০ ফাল্গুন ১৪৩২
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল আগামীকাল

শিশুদের সুস্থ বিকাশে আরও খেলাধুলা আয়োজনের তাগিদ রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ২১:৩৯

বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শনিবার। বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। টুর্নামেন্ট উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালোবাসতেন, শিশুদের সঙ্গে মিশে যেতেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। এ জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর নানা আয়োজন করতে হবে।

তিনি বলেন, শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই। খেলাধুলা শিশুদের শরীর ও মনকে সুস্থ-সুন্দরভাবে গড়ে তোলে। শিশুদের মাঝে প্রতিযোগিতার মনোভাব এবং দায়িত্ববোধ সৃষ্টিতেও খেলাধুলা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩’ ও ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩’ আয়োজনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষে আয়োজক, অংশগ্রহণকারী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট বাংলাদেশে ক্ষুদে ফুটবলার তৈরির পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আমি আশা করি, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতার জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে এবং তাদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করে সুনাগরিক হয়ে গড়ে উঠবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় অংশগ্রহণ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে লক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩’ এবং ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৩’ আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফুটবল খেলতে বেশি ভালবাসতেন। তিনি ছাত্রজীবনে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুল ফুটবল টিমের ক্যাপ্টেন ছিলেন। তিনি ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের হয়ে নিয়মিত খেলতেন। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে উন্নয়ন এবং আধুনিকায়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।

সরকারপ্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করেন। তিনি ৩৬ হাজার ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭২৪ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণ করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ, খাদ্য সামগ্রী এবং পোশাক প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। পুরুষদের পাশাপাশি আমাদের নারীরাও ক্রীড়াক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ‘সাফ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২’-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য গৌরব অর্জন করেছে। আমি জেনে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি যে, সেই ফুটবল টিমের ৫ জন খেলোয়াড় উঠে এসেছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় টুর্নামেন্টের মাধ্যমে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের সমন্বয়ে বেড়ে ওঠা আমাদের নতুন প্রজন্ম জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার মহৎ আদর্শে বলীয়ান হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে পরিপূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করবে। ২০৪১ সালের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন, আধুনিক এবং স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।’


পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল শুরু হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কিছু পরিবর্তন তো আসবেই। পুলিশকে জনগণের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে এবং ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ডাকবেন। সেই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত হবে। এর পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে।

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে কি কোনো আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, না— সে বিষয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি।

স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার পরে চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া শনিবার রাতে রাজধানীর আদাবরের ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।


থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল (থার্ড টার্মিনাল) চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন সামনে থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।

থার্ড টার্মিনাল কবে নাগাদ চালু হবে- সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, কবে নাগাদ চালু হবে এটা তো বলা যাবে না। এখন আলাপ আলোচনা হবে, তদন্ত হবে, কীভাবে আমরা তাড়াতাড়ি করতে পারি সেটা নিয়ে কাজ চলছে। তবে নিদিষ্ট কোনো সময় দেওয়া যাবে না।

জানা গেছে, শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায় ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর। সে সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। পরে আরও ৭ হাজার ৭৮৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বাড়িয়ে প্রকল্পের আকার দাঁড়ায় প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটির নির্মাণ শুরু হয়। এ খরচের বেশির ভাগ আসছে জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকার কাছ থেকে।

শাহজালালে বর্তমানে দুটি টার্মিনাল রয়েছে। এই দুটি টার্মিনালের আয়তন এক লাখ বর্গমিটার। তৃতীয় যে টার্মিনালটি হচ্ছে, সেটির আকার বর্তমান দুটি টার্মিনালের দ্বিগুণের বেশি। দুই লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার হবে এর আয়তন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শুরু হয় এর নির্মাণকাজ।

প্রকল্প অনুমোদনের সিদ্ধান্ত অনুসারে, প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের এপ্রিলের মধ্যে। ঢাকা কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে জাপানের মিত্সুবিশি ও ফুজিটা এবং কোরিয়ার স্যামসাং- এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ করছে।

থার্ড টার্মিনালে মোট ৩৭টি অ্যাপ্রোন পার্কিং থাকবে। ফলে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করা যাবে। শাহজালাল বিমানবন্দরে বর্তমানে ট্যাক্সিওয়ে আছে চারটি। নতুন করে আরও দুটি হাই স্পিড ট্যাক্সিওয়ে যোগ হওয়ায় কথা।

বেবিচকের তথ্যানুযায়ী, থার্ড টার্মিনালে থাকবে ২৬টি বোর্ডিং ব্রিজ। প্রথম ধাপে চালু করা হবে ১২টি। থাকবে উড়োজাহাজ রাখার জন্য ৩৬টি পার্কিং বে। বহির্গমনের জন্য ১৫টি সেলফ সার্ভিস চেকইন কাউন্টারসহ মোট ১১৫টি চেকইন কাউন্টার থাকবে। এছাড়া ১০টি স্বয়ংক্রিয় পাসপোর্ট কন্ট্রোল কাউন্টারসহ থাকবে ৬৬টি ডিপারচার ইমিগ্রেশন কাউন্টার।

আগমনের ক্ষেত্রে পাঁচটি স্বয়ংক্রিয় চেকইন কাউন্টারসহ মোট ৫৯টি পাসপোর্ট ও ১৯টি চেকইন অ্যারাইভাল কাউন্টার থাকবে। এর বাইরে টার্মিনালে ১৬টি আগমনী ব্যাগেজ বেল্ট স্থাপন করা হবে। গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য থার্ড টার্মিনালের সঙ্গে মাল্টিলেভেল কার পার্কিং ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যবস্থা থাকবে এক হাজার ৩৫০টি গাড়ি পার্কিংয়ের।


৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাথমিকভাবে দুর্গম-চরাঞ্চল ও উপকূলের ৮ উপজেলায় বিতরণের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালু করছে সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে এরই মধ্যে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ১৯ ফেব্রুয়ারি কমিটি গঠনের বিষয়টি উল্লেখিত করা হয়েছে। ২ মন্ত্রী, ২ প্রতিমন্ত্রী, ৩ উপদেষ্টা ও ৮ সচিবের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে এ কমিটি।

পাইলট পর্যায়ে দেশের ৮ বিভাগের ৮ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে। প্রথম দিকে প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবার এ সুবিধা পাবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরো সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

অর্থমন্ত্রীর সভাপিতিত্বে কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহ্দী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ।

এছাড়া মন্ত্রীপরিষদ সচিবসহ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, নিরবাচন কমিশন সচিবালয়, অর্থ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

কমিটির কার্যপরিধিতে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড ব্যবস্থাপনার একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি চূড়ান্তকরণ। কার্যপরিধিতে আরো রয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ৮টি বিভাগের একটি করে উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কার্ডকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না তা পর্যালোচনা। সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজের আওতায় প্রয়োজনীয় ডিজিটাল এমআইএস প্রস্তুতকরণ।


হজের ব্যাপারে কোন ছাড় দেওয়া হবে না: ধর্মমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) বলেছেন, হজ আসন্ন, হজের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। হজে ক্ষেত্রে কেউ যদি বিন্দুমাত্র ব্যত্যয় ঘটান তাহলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার দ্বিধাবোধ করবে না। শুধু হজ নয়, সরকারি অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রেও যদি কেউ দায়িত্বে অবহেলা করে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, ভালো অফিসার সাজা খুব সহজ। মন্ত্রী বা সচিবের হুকুম সঙ্গে সঙ্গে পালন করেই ভালো অফিসার সাজা সম্ভব। তবে এ ধরনের ভালো অফিসার সেজে অফিসের বা দেশের খুব একটা লাভ হয় না। এমন ভালো অফিসার সাজার কোনো মানে নেই। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও বেতনটাকে হালাল করার জন্য আপনাকে-আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। আমরা যদি সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারি, দেশটাকে এগিয়ে নিতে পারি তাহলে দায়িত্ব পালন স্বার্থক হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হবে কাজের মাধ্যমে। আপনারা যদি দেশ ও মন্ত্রণালয়ের জন্য ভালো কাজ করেন তাহলে খুশি হব। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আপনারা যদি এক পা অগ্রসর হন, আমি আপনাদের দিকে তিন পা এগিয়ে আসব।

মন্ত্রী বলেন, আপনাদের একজন হিসেবে আপনাদের ব্যক্তিগত কোনো অসুবিধা থাকলে সেটা সরাসরি আমাকে বলতে পারেন। আমরা পরামর্শ করে কাজ করব। আমি আপনাদেরকে কোনো কাজের আদেশ করলে সেটা যদি বিধিসঙ্গত না হয়, তাহলে সেটা আমাকে বলতে হবে, এটা আইনবিরোধী, আমি খুশি হব।

এর আগে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচিতি ও কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

এ সময় ধর্মসচিব মো. কামাল উদ্দিন, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আয়াতুল ইসলাম, প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমতিয়াজ হোসেন, বাজেট ও অনুদান অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. ফজলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।


মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই ও সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে সিদ্ধান্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাইয়ের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয় এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধই দেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামকে এক করে দেখা উচিত নয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাস ও চেতনার অপব্যবহারের কারণে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই সঠিক ইতিহাস থেকে বঞ্চিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধই এই রাষ্ট্রের জন্মের ভিত্তি, তা সবার মনে রাখা প্রয়োজন।

সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


চাঁদাবাজ গ্রেফতার করে হাতকড়া পরিয়ে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পুলিশের মাইকিং

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১১
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদার দাবিতে একাধিক ব্যবসায়ীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়ভাবে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত ফারুক ওরফে কালা ফারুককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে হাতকড়া পরানো অবস্থায় তাকে নিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মাইকিং করা হয়।

আজ রোববার বিকেলে কেরানীগঞ্জ থানার কলাতিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মোহাম্মদপুর থানার বসিলা গার্ডেন সিটি ও আশপাশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ফারুক ও তার সহযোগীরা চাঁদার দাবিতে হুমকি দিতেন। সম্প্রতি এক ব্যবসায়ী অভিযোগ করলে পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এর মধ্যে তার হুমকি দেওয়ার একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি বলেন, ফারুক স্থানীয় চিহ্নিত চাঁদাবাজ। তাকে সামনে রেখেই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মাইকিং করা হয়েছে, যাতে অন্য সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলবাজরা সতর্ক হয়। অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বসিলায় দোকান ও মার্কেটে চাঁদার দাবিতে হুমকির ঘটনা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফারুক আত্মগোপনে যান। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর তীর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ফারুককে সঙ্গে নিয়ে এলাকায় মাইকিং করেন। প্রচারে তিনি বলেন, কেউ যেন চাঁদা না দেন এবং কোথাও চাঁদাবাজ দেখলে তাকে ধরে পুলিশকে খবর দেন।


সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে দুদিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফাইল ফটো
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় দুদিন বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিষুবীয় ভারত মহাসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে এবং পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

এদিকে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে।

আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্য অংশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে এবং আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।


ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রবর্তিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রকার অনিয়ম বা দুর্নীতির সুযোগ রাখা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন। আজ রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কার্ড বিতরণের পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সরকার তিন পর্যায়ের কঠোর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদ্ধতিতে স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় প্রশাসন পর্যন্ত নিবিড় নজরদারি রাখা হবে। এর ফলে প্রকৃত অভাবী মানুষের কাছে এই সুবিধা পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে এই প্রকল্পের অগ্রাধিকার ভিত্তিক রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, তালিকার শীর্ষে রাখা হবে দেশের হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে। কার্ডধারীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে এবং সে অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধার মাঝেও ভিন্নতা থাকবে। মূলত সমাজের একদম নিচের তলার মানুষ যেন রাষ্ট্রের এই সহায়তা থেকে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হয়, সেই দিকটিই এখন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রধান বিবেচ্য বিষয়। অতীতে এই ধরনের কর্মসূচিতে যেসব ত্রুটি ছিল, সেগুলো নিরসন করে একটি আধুনিক ও কার্যকর ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে কেবল খাদ্য বা আর্থিক সহায়তা দেওয়াই নয়, বরং নারীদের ক্ষমতায়নের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, প্রতিটি পরিবারে নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই বর্তমান সরকারের এই মহতী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে কার্ড বিতরণের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে এই কর্মসূচি একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। অসাধু উপায়ে কার্ড দখল বা স্বজনপ্রীতির মতো যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা রাষ্ট্রের সুফল ভোগ করবেন।


কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের তৎপরতা চলতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের তৎপরতা চলতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে সব ইউনিটপ্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

আইজিপি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে ডাকাতি কঠোরভাবে দমন করতে হবে। এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা পুলিশকেও মহাসড়কে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশনা দেন তিনি।

সভায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকেরা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাদেশিদের জন্য ১৪ লাখ ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি আরব: রাষ্ট্রদূত

সংগৃহীত ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

২০২৫ সালে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মোট ১৪ লাখ ভিসা ইস্যু করেছে সৌদি সরকার। এর মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার কাজের ভিসা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি এই তথ্য জানান এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরবকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ১৯৭৬ সালে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হয়। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক সৌদি সফরের কথাও তুলে ধরেন এবং মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সৌদি নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও অন্যান্য অগ্রাধিকার খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অনুরোধে ১৯৭৯ সালে প্রায় ২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনে সৌদি আরবের সহায়তার বিষয়টি স্মরণ করেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য সৌদি আরবের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করে মিয়ানমারে তাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে সমর্থন কামনা করেন।

সৌদি রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের প্রতি সমর্থন জানান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত পর্যায়ে উন্নীত করতে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সৌদি আরবে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে দক্ষ ও আধা-দক্ষ শ্রমিকদের জন্য কাজের সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রতিমন্ত্রী সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অধীনে সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। উভয়পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।


মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামকে এক করে দেখা ঠিক হবে না: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মহান মুক্তিযুদ্ধকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ভিত্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে দেশের অন্যান্য কোনো আন্দোলন বা সংগ্রামকে এক করে দেখা ঠিক হবে না। আজ রোববার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং চেতনার এত বেশি অপব্যবহার হয়েছে, যার ফলে বর্তমান তরুণ প্রজন্ম সঠিক ইতিহাস জানা থেকে ব্যাপকভাবে বঞ্চিত হয়েছে। অসীম ত্যাগ ও তিতিক্ষার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধারা কীভাবে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছেন, তা নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছেই আজ অজানা রয়ে গেছে। রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদাকে সবসময় সমুন্নত রাখার প্রতি তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

এদিনের সভায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিখুঁতভাবে যাচাই-বাছাই এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী, জামুকার সদস্যবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। কোনো ধরনের বিকৃতি ছাড়াই আগামী প্রজন্মের কাছে একাত্তরের প্রকৃত বীরত্বগাথা পৌঁছে দিতে মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করছে বলে এই সভা থেকে সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়।


পুরোনো ঠিকানায় ফিরলেন ড. ইউনূস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দীর্ঘ ১৮ মাস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের পর আবারও তাঁর পুরোনো কর্মস্থলে ফিরেছেন। আজ রোববার সকালে তিনি রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত টেলিকম ভবনের ইউনূস সেন্টারে পৌঁছালে এক আবেগঘন ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সেখানে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী, গ্রামীণ পরিবারের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং উপদেষ্টারা তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে বরণ করে নেন। রাষ্ট্রীয় গুরুদায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করে নিজের প্রিয় কর্মক্ষেত্রে ফিরে আসার এই খবরটি ড. ইউনূস নিজেই তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ছবিসহ দেশবাসীকে নিশ্চিত করেছেন।

ইউনূস সেন্টারে পৌঁছানোর পর ড. ইউনূস তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের সঙ্গে এক বিশেষ সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে তিনি গ্রামীণ পরিবারের বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বর্তমান গতিপ্রকৃতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন এবং দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তাঁদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। উপস্থিত কর্মীরা তাঁদের প্রিয় ‘স্যার’কে আবারও কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের পর দেশের এক কঠিন সময়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশ এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পায় এবং নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে তিনি তাঁর রাষ্ট্রীয় মিশনের সফল সমাপ্তি ঘটান।

ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পাশাপাশি ড. ইউনূস তাঁর আবাসস্থলেও আমূল পরিবর্তন আনছেন। বর্তমানে তিনি সরকারি বাসভবন যমুনায় অবস্থান করলেও চলতি মাসের শেষ নাগাদ তিনি স্থায়ীভাবে তাঁর গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। এর আগে তিনি তাঁর ব্যবহৃত বিশেষ ‘লাল পাসপোর্ট’ বা কূটনৈতিক পাসপোর্টটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছেন, যা তাঁর রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে সাধারণ নাগরিক জীবনে ফিরে আসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও তাঁকে সম্মুখ সারিতে উপস্থিত থেকে নতুন প্রশাসনকে স্বাগত জানাতে দেখা গেছে।

২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী এই বিশ্ববরেণ্য অর্থনীতিবিদের পুরোনো ঠিকানায় ফিরে আসা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর সহকর্মীরা জানিয়েছেন, ড. ইউনূসের এই প্রত্যাবর্তনে গ্রামীণ পরিবারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ব্যস্ততা কাটিয়ে এখন তিনি আবারও তাঁর বিশ্বজনীন ‘থ্রি জিরো’ (শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য কার্বন নিঃসরণ) তত্ত্ব এবং সামাজিক ব্যবসার আন্তর্জাতিক প্রচার ও প্রসারে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন। সব মিলিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার অসামান্য অভিজ্ঞতা নিয়ে আবারও আপন ভূুবনে ফিরলেন এই প্রবীণ পথপ্রদর্শক।


১৪ এপ্রিলের আগেই বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন: ইসি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন আগামী ১৪ এপ্রিলের আগেই আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন তারেক রহমান। পরে ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধিত্বের সিদ্ধান্ত জানিয়ে কমিশনে ঘোষণাপত্র জমা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই দিন থেকে বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ৩টার দিকে কিডনি রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল। বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ওই আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। জোটের শরিকদের তিনটি আসন যুক্ত হলে বিএনপি জোটের মোট আসন দাঁড়ায় ২১২। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন নিয়ে বিরোধী দলে রয়েছে।


banner close