বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
২০ কার্তিক ১৪৩৩

সোমবার আসছেন কাতারের আমির

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।
ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশিত
ছবি: সংগৃহীত
প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৩০

দুই দিনের সফরে ঢাকা আসছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। আগামী ২২ এপ্রিল সোমবার তিনি ঢাকায় পৌঁছবেন।

ঢাকায় এটি তাঁর প্রথম সফর। সফরে দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পাবে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, কাতারের আমিরের এই সফরে ১০টি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সই হবে। এই চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বন্দি বিনিময়, দ্বৈত কর প্রত্যাহার ও শুল্ক বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা।

সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ থেকে কাতারে জনশক্তি রপ্তানি, ধর্মীয় বিষয়ে সহযোগিতা, বন্দর ব্যবস্থাপনায় কাতারের প্রতিষ্ঠান মাওয়ানির যুক্ত হওয়া, উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা ও কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণ।

জানা গেছে, ইরান-ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সংঘাতের এই সময়ে কাতারের আমিরের এই সফরে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে কাতারের তৎকালীন আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি বাংলাদেশে এসেছিলেন। এর প্রায় দুই দশক পর তার ছেলে ও বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বাংলাদেশে আসছেন। নাম প্রকাশ না করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কূটনীতিক জানান, ২০১৭ সালে আরব লিগ, বিশেষ করে সৌদি আরবের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশগুলোর সঙ্গে কাতারের সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছিল। ওই সময় কাতারের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ওপর সৌদি আরবের প্রবল চাপ ছিল। তখন বাংলাদেশ নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছিল। কারণ, বাংলাদেশের জনশক্তির প্রধান বাজার সৌদি আরব হলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী কাতারে কাজ করেন। ফলে

২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ওই সংকটে বাংলাদেশ কাতারের পাশে ছিল। ফলে দেশটি বাংলাদেশের ওপর সন্তুষ্ট।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির আসন্ন সফর উপলক্ষে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দুই পক্ষের কূটনীতিকরা কাজ করছেন। তার আসন্ন সফরকে সামনে রেখে গত সোমবার দোহা থেকে একটি অগ্রবর্তী দল ঢাকায় এসেছে। তারা আমিরের সফর উপলক্ষে নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৈঠক করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কাতারের বন্দর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান মাওয়ানি কাতার চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনায় আগ্রহী। এখন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের প্রস্তাবে রাজি হলে কাতারের আমিরের ঢাকা সফরের সময় এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের মার্চে কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। দেশটির আমিরের ঢাকা সফরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে। ওই সমঝোতা স্মারকের আলোকে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যদের কাতারে কাজ করার কথা রয়েছে। এই মুহূর্তে কাতারের নৌবাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের একটি সমঝোতা স্মারক রয়েছে। এর আওতায় কোস্টগার্ডের লোকজন কাতারে কাজ করছেন।

ঢাকায় সড়ক ও পার্কের নামকরণ হবে কাতারের আমিরের নামে

এদিকে বাসস জানিয়েছে, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির নামে রাজধানী ঢাকায় একটি সড়ক ও পার্কের নামকরণ করা হচ্ছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মিরপুরের কালশী এলাকায় বালুর মাঠে নির্মিতব্য পার্ক ও মিরপুর ইসিবি চত্বর থেকে কালশী উড়াল সেতু পর্যন্ত সড়কটি কাতারের আমিরের নামে নামকরণ করা হবে। আগামী মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির এই দুটি স্থাপনা উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, কাতার বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দু-দেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের এই সম্পর্ক এবং আমিরের এই সফরকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে তাঁর নামে এই পার্ক ও রাস্তার নামকরণ করা হচ্ছে।

এ সময় তিনি তুরস্কের জাতির পিতা কামাল আতাতুর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ কামাল আতাতুর্কের নামে রাজধানীর বনানীতে একটি সড়ক রয়েছে। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামেও তুরস্কে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক জনসভায় কালশী এলাকার বালুর মাঠে বিনোদন পার্ক ও খেলার মাঠ করার ঘোষণা দেন। তিনি ওই এলাকার মানুষের জন্য উপহার হিসেবে ১৬ বিঘা জমি খেলার মাঠ ও পার্কের জন্য বরাদ্দ দেন।

সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম জানান, মাঠ ও বিনোদন পার্কটিতে যুবকদের জন্য ক্রিকেট ও ফুটবল খেলার ব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রবীণদের জন্য হাঁটার ব্যবস্থা এবং শিশুদের খেলাধুলার জায়গা থাকবে।


নির্বাচিত

একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫০ হাজার ৪১ কোটি টাকা। প্রকল্প ঋণ ও অনুদান থেকে আসবে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, বরিশাল নগরের বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন, জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়ন এবং সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। এ ছাড়া অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন অনুমোদন পেয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন কেনার দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় সেনা কর্মকর্তাদের জন্য বি-টাইপ আবাসন নির্মাণ এবং রাজধানীর জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের পাঁচটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) স্থাপন করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

জ্বালানি খাতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও ৩৩ নামে দুটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন অনুমোদন পেয়েছে।

এদিকে, ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত আরো পাঁচটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়েছে।

প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, শিশু-কিশোর ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ট্রাফিক অবকাঠামো ও সড়ক নিরাপত্তার উন্নয়ন।

এ ছাড়া ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আধুনিক যানবাহন ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহের প্রকল্প রয়েছে।

সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

২০২৭ সালে দুই ঈদে টানা ১১ দিনের ছুটি

২০২৭ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদনের পর ২০২৭ সালের জন্য সরকারি ছুটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকার। বুধবারই এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রেখে আগামী বছরও পবিত্র ঈদুল ফিতরে পাঁচ দিন, ঈদুল আজহায় ছয় দিন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় দুই দিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে দুই ঈদের মূল দিনে যথারীতি সাধারণ ছুটি বহাল থাকবে। তবে ঈদুল ফিতরের আগে দুই দিন ও পরে দুই দিন মিলিয়ে মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। একইভাবে ঈদুল আজহার ক্ষেত্রেও ঈদের পূর্বের দুই দিন এবং পরের তিন দিন মিলিয়ে মোট পাঁচ দিন নির্বাহী আদেশের ছুটির আওতায় আনা হয়েছে। এ ছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজার বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি এবং মহানবমীর দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।

সব মিলিয়ে আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী আদেশ মিলিয়ে মোট ২৯ দিন সরকারি ছুটি উপভোগ করবেন চাকরিজীবীরা। তবে ছুটির এই তালিকার মধ্যে সাত দিনই পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারে। বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগামী বছর সাধারণ ছুটি মোট ১৫ দিন, যার মধ্যে চার দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে নির্বাহী আদেশে নির্ধারিত ১৪ দিনের ছুটির মধ্যে তিন দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে। এর আগে গত ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ২০২৭ সালের জন্য ছুটির এই খসড়া প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।


নির্বাচিত

দেশে হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৪০২

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টার মধ্যে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪০২ জন।

বুধবার (৪ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজকে পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ১ হাজার ১৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০৫ শিশু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ১ হাজার ২৬৯ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩২৫ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৭ জনের। মোট ১ হাজার ৪০২ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৬৩৪ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৪ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৮ জনের। এ সময়ের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ২৪ হাজার ১৫০ জনের।


নির্বাচিত

সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও প্রবীণ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ
ইকবাল সোবহান চৌধুরী
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও প্রবীণ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার দুপুরে রাজধানীর মহাখালী এলাকায় অবস্থিত একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যালয় থেকে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে তাঁকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ও সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে ডিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন হওয়ার পরই তাঁর বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

পেশাগত জীবনে ১৯৭২ সালে একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে প্রতিবেদক হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন ইকবাল সোবহান চৌধুরী এবং ১৯৯৮ সালে তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমটির সম্পাদকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্বের পাশাপাশি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা গণমাধ্যমের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন তিনি।

বিষয়:

নির্বাচিত

বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ঘোষিত মূল্যের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ভোক্তারা। সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি দফায় দফায় দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ ক্রেতা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। উল্লেখ্য, সংস্থাটি সম্প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২২৩ টাকা বাড়িয়ে ২,০৬০ টাকা নির্ধারণ করলেও খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ২,৩০০ থেকে ২,৫০০ পর্যন্ত চড়া দামে।

খিলগাঁও ও মিরপুরের বাসিন্দাদের পাশাপাশি স্থানীয় রেস্তোরাঁ ও চা বিক্রেতারা জানান, প্রতি মাসেই বাড়তি মূল্যে গ্যাস রিফিল করতে গিয়ে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও ব্যবসা পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।

এদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরাও সরবরাহ ঘাটতি এবং পাইকারি পর্যায়ে চড়া দামকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করছেন। তাদের দাবি, আড়ত বা ডিলার পর্যায় থেকেই তাদের বেশি দামে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে হচ্ছে, যার ফলে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া নির্দিষ্ট কোম্পানির বোতল রিফিল ও আদান-প্রদান সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ক্রেতাদের সাথে প্রায়শই তর্কে জড়াতে হচ্ছে তাদের। ফলে দফায় দফায় দাম বৃদ্ধি এবং বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষই এখন দিশেহারা।


নির্বাচিত

মিরপুরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক
    অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়া গেলে নিরীহ পথচারী ও সাধারণ শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি প্রশাসনিক হয়রানির শিকার না হন

তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বুধবার মিরপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, মিরপুর-১, পল্লবী, রূপনগর, মিরপুর-১২ এবং কাফরুল সড়কসহ সংলগ্ন এলাকার স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে জেলা ও মহানগর পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করছেন। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যকার এই নিবিড় সমন্বয়ের ফলে জনদুর্ভোগ ও বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সড়ক অবরোধ, সরকারি-বেসরকারি যানবাহনে ভাঙচুর এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে চিহ্নিত নাশকতাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নেওয়া হচ্ছে। তবে আটক ব্যক্তিদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। অপরাধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ না পাওয়া গেলে নিরীহ পথচারী ও সাধারণ শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি প্রশাসনিক হয়রানির শিকার না হন।

মিরপুরের বিদ্যমান পরিবেশ নিয়ে মহিদুল ইসলাম উল্লেখ করেন, বুধবার শ্রমিকেরা সড়কে নেমে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ পাননি এবং এলাকার সার্বিক অবস্থা পুরোপুরি শান্ত রয়েছে। বিভিন্ন কারখানায় পুরোদমে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং শ্রমিকেরা স্বস্তিতে কাজে যোগ দিচ্ছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শ্রমিকদের স্বার্থ বিবেচনায় ইতিমধ্যে সরকার আনুষ্ঠানিক মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। ফলে প্রকৃত উৎপাদনমুখী শ্রমিকেরা কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়াতে পারেন না; বরং দেশের পোশাক খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্রান্তকারী মহল পেছন থেকে উসকানি দিচ্ছে। জনগণের জানমাল ও জাতীয় সম্পদ রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং কোনো ধরনের নাশকতা বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।


নির্বাচিত

ডিসেম্বর থেকে পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি কার্যকর

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারণ হবে ন্যূনতম মজুরি, জানুয়ারিতে বেতন পাবেন শ্রমিকরা
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

তৈরি পোশাক খাতের কর্মীদের জন্য নতুন ন্যূনতম বেতন কাঠামো কার্যকরের বিষয়ে একমত হয়েছেন মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর থেকেই এটি কার্যকর ধরা হবে। তবে বর্ধিত এই মজুরি শ্রমিকরা হাতে পাবেন পরবর্তী বছরের জানুয়ারি মাসে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ নিম্নতম মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রথম আনুষ্ঠানিক সভায় মজুরি বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়ে উভয় পক্ষ এই সমঝোতায় পৌঁছায়। পোশাক খাতের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল।

বৈঠক শেষে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আক্তার বলেন, "নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে এবং শ্রমিকরা জানুয়ারি থেকে তা পাবেন।"

একই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এ বি এম শামসুদ্দিন জানান, "নতুন মজুরি কাঠামো ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হবে এবং আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে শ্রমিকরা নতুন হারে বেতন পাবেন।"


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা, পদ হারালেন সরকারি কর্মকর্তা

‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের সঙ্গে হাদিসের তুলনা করে পদ হারালেন সরকারি কর্মকর্তা
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর একটি রাজনৈতিক স্লোগানকে হাদিসের সঙ্গে তুলনা করে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়া ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক (সচিব) মোহাম্মদ মসিউর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব জেতী প্রু। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত ১ নভেম্বর রাজধানীতে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ উদ্যোগের অধীনে ছয়টি রুটে পরীক্ষামূলক বাস সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি ওই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের সঙ্গে হাদিসের তুলনা টানেন।

অনুষ্ঠানে মসিউর রহমান নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে হাদিস অভিহিত করলে অনেকে ভাবতে পারেন তিনি পরবর্তী কোনো ভালো পদায়নের জন্য তেল মারছেন; তবে তাঁর কাছে এটি চিরন্তন সত্য। তিনি আরও বলেন, ‘আমার আগে আমরা, সবার আগে দেশ—এ কথা কে অস্বীকার করতে পারবেন? স্বার্থপর, যার দেশপ্রেম নেই, সেই বলতে পারে, না, আমি মানি না। আমাকে বাদ দিয়ে আমরা সবাই মিলে থাকব, আর সবার আগে থাকবে দেশ। তারপরে “করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ এটা হাদিস, হাদিস। এটা শাশ্বত বাণী।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে মসিউর রহমান আরও বলেন, ‘এটা হুজুররা বললে হাদিস হয়ে যেত। তো ওনার মুখে দাড়ি নেই, টুপি পরেন না, এজন্য হাদিস হয়নি! এটা হাদিস।’ ধর্মীয় বাণীর সঙ্গে দলীয় স্লোগানের এমন তুলনামূলক বক্তব্যের ভিডিও মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে নানা মহলে তীব্র সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার পরই সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে ডিটিসিএর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত এলো।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিকমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং

দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত অংশীদারত্ব সুদৃঢ় করা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও চীন। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন লিউ হাইশিং। জবাবে প্রধানমন্ত্রীও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী (প্রিমিয়ার) লি ছিয়াংয়ের প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জ্ঞাপন করেন। সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বেইজিং সফরের ধারাবাহিকতায় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক রূপান্তরে চীনের দৃঢ় সমর্থন ভবিষ্যতেও অপরিবর্তিত থাকবে জানিয়ে তিনি বর্তমান নেতৃত্বের অধীনে জাতীয় প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর গভীর আস্থা প্রকাশ করেন।

দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশ ও চীনের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল, যা কালক্রমে দুই দেশের জনগণের অন্তরে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। এই ঐতিহ্যবাহী দ্বিপক্ষীয় সেতুবন্ধনকে ধারণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তা আরও ফলপ্রসূ করে তোলা বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়ার চীন সফরের অনুপ্রেরণায় সে সময় কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে ঐতিহাসিক খাল খনন বিপ্লব শুরু হয়েছিল। সেই দর্শনের আলোকেই বর্তমান সরকার কৃষি উন্নয়ন এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষার স্বার্থে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের যুগান্তকারী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বৈঠকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি এবং বিএনপির মধ্যকার দলীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর উভয় পক্ষ বিশেষ গুরুত্ব দেয়। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলকে বেইজিং সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান লিউ হাইশিং। এ ছাড়া বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়ন এবং এশিয়ার বৃহৎ বাণিজ্যজোট রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার বিষয়ে চীনের স্পষ্ট নীতিগত সমর্থনের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর কারণে জাতীয় অর্থনীতি, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও পরিবেশের ওপর নেমে আসা তীব্র সংকটের কথা তুলে ধরে বেইজিংয়ের কূটনৈতিক সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর জবাবে রোহিঙ্গা ইস্যুর সংবেদনশীলতার কথা স্বীকার করে বিষয়টি সরাসরি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের গোচরে আনার প্রতিশ্রুতি দেন চীনা মন্ত্রী।

উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে চীনা প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউয়িন ও সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পেং শিউবিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


নির্বাচিত

নিরাপদ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিরাপদ সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সার্বিক জাতীয় সুরক্ষার ভিত সুদৃঢ় রাখার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, "আধুনিক, সমন্বিত ও প্রযুক্তিভিত্তিক নিরাপদ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা সুসংহত করতে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।" বুধবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের মেঘনা হলে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইমিগ্রেশন ও বর্ডার গভর্নেন্স সংক্রান্ত আইওএম কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের কার্যকর উপস্থিতির প্রেক্ষাপট টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বহির্বিশ্বের সাথে যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক যাতায়াত ও বাণিজ্য সহজতর করার পাশাপাশি সীমান্ত অতিক্রমকারী ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।" তিনি আরও বলেন, "সীমান্ত পরিচালনায় জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ ভ্রমণ ও বাণিজ্যকে গতিশীল করতে হবে।" এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে 'জাতীয় সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কৌশল ২০২৬–২০৩১' এবং 'পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা ২০২৬–২০৩১'-এর বিষয় উল্লেখ করে তিনি জানান, "ডিজিটাল রূপান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার, কাগজবিহীন প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং সরকারি সেবাগুলোর মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা বৃদ্ধিই বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার।"

ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ভূমিকার কথা স্মরণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর কার্যক্রমগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে।" তিনি স্পষ্ট করেন যে আধুনিকায়নের পাশাপাশি সীমান্ত প্রক্রিয়াকে মানবাধিকারের প্রতি সংবেদনশীল ও আন্তর্জাতিক পেশাদার মানে উন্নীত করতে হবে। একই সাথে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ ও মানবপাচার প্রতিরোধের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, "সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। এর জন্য সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন।" আইওএম-এর নতুন রূপরেখাকে স্বাগত জানিয়ে উন্নয়ন অংশীদারদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে।"

ব্রিফিং অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, “অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।” অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. কামরুল আহসান ও উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেনসহ বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সরকারের জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩১ মেয়াদের কৌশলগত রূপরেখার সাথে সংগতি রেখে তৈরি এই আন্তর্জাতিক নীতিতে চারটি মৌলিক ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে সমন্বিত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা গড়ে তোলা, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংস্থাগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্দিষ্ট চেকপোস্টসমূহের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও সেবা নিশ্চিত করা।


নির্বাচিত

পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা চলছে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

তৈরি পোশাক শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ও চলমান অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে গঠিত বোর্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের সভাকক্ষে এই প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা জজ শেখ আশফাকুর রহমান।

বোর্ডের শিল্প শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য একটি যৌক্তিক নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রস্তুত করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। শ্রম আইনের ১৩৯ ধারার বিধানমতে মালিক কিংবা শ্রমিকপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কোনো শিল্পের জন্য মজুরি নির্ধারণের উদ্যোগ নিতে পারে। সম্প্রতি সংশোধিত শ্রম আইনে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে।

এর আগে বেতন সমন্বয়ের দাবিতে পোশাক খাতে শ্রমিকদের অসন্তোষ তীব্র রূপ নিলে গত ১ নভেম্বর সরকার মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে এবং এই খাতের জন্য পৃথক বোর্ড গঠন করে। পুনর্গঠিত এই বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক এবিএম সামছুদ্দিন এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার।

এদিকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই রাজপথে সরব রয়েছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বুধবারও রাজধানী ঢাকা ও গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে আন্দোলনরত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


নির্বাচিত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
    সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে প্রধানমন্ত্রী এই স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাক টিকেট ও একটি উদ্বোধনী খাম উন্মোচন করেন।’

এ সময়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, সচিব মো. কামরুজ্জামান ও ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারি একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে চীনা আন্তর্জাতিক বিষয়কমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক
    বাংলাদেশ সফররত চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিষয়কমন্ত্রী লিউ হাই সিং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন

বাংলাদেশ সফররত চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিষয়কমন্ত্রী লিউ হাই সিং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের মাজারে গিয়ে তিনি এ আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সমাধিবেদিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদ জিয়ার স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন চীনা মন্ত্রী। পরবর্তীতে প্রতিনিধিদলটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার স্মৃতির প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সমাধি প্রাঙ্গণে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে নিজের মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন লিউ হাই সিং।

সমাধি পরিদর্শনকালে চীনা প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন ইতিবাচক দিক স্মরণ করেন। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন এবং যুগ্ম মহাসচিব ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।


নির্বাচিত

banner close