শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

বিএনপি যে কখন তাবিজ-দোয়ার ওপর ভর করে সেটিই প্রশ্ন

ছবি: সংগৃহীত
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশিত
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ মে, ২০২৪ ২২:০৭

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি গত নির্বাচন বর্জনের পর তাদের হতাশা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, তারা কখন তাবিজ-দোয়ার ওপর ভর করে এখন সেটিই প্রশ্ন।

আজ রোববার বিকালে কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে যোগদানের পূর্বে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘অদৃশ্য শক্তি দেশ চালাচ্ছে’ মন্তব্য নিয়ে প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার পরপর চারবার জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হয়েছে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছেন। বিএনপি এখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে।’

গত নির্বাচন বর্জনের পর তাদের হতাশা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তারা অদৃশ্য শক্তির ওপর বিশ্বাস করা শুরু করেছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা জানেন, তারা ক্ষণে ক্ষণে বিদেশিদের দুয়ারে যায়, এখন তারা যে কখন তাবিজ-দোয়ার ওপর ভর করে সেটিই আমার প্রশ্ন।’

রাখাইনে সংঘাতের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দেরি হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেখুন ‘উই এনগেইজ উইথ দ্য গভর্নমেন্ট’, আমরা মিয়ানমারের সরকারের সঙ্গেই আলাপ-আলোচনা করছি। সেখানে অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দেরি হচ্ছে সেটিও সঠিক। কিন্তু আমাদের কথা হচ্ছে মিয়ানমারে সবসময়েই গোলযোগ ছিলো।’

‘গত ৭০-৮০ বছরের ইতিহাস দেখুন, মিয়ানমার কখনোই গণ্ডগোলমুক্ত ছিলো না, কিন্তু সেই কারণে মিয়ানমার থেকে যে রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করা হয়েছে, যারা মিয়ানমারের নাগরিক, শত শত বছর ধরে সেখানে আছে, তাদের ফেরত নিয়ে না যাওয়ার কোনো অজুহাত হতে পারে না’ যুক্তি তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের এখানে আশ্রয় দেওয়ার প্রেক্ষিতে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে। যেমন রোহিঙ্গাদের কারণে পরিবেশগত সমস্যা, আইন-শৃঙ্খলাগত সমস্যা, একই সঙ্গে অনেক রোহিঙ্গা ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক পাচার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।’

হাছান মাহমুদ জানান, ‘রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গেও নিয়মিতভাবে আমরা আলাপ-আলোচনা করে যাচ্ছি, যাতে করে নিজেদের নাগরিকদের পূর্ণ অধিকারসহ ফেরত নিতে মিয়ানমারের ওপর কার্যত চাপ প্রয়োগ করা হয়।’

পরিতাপের সুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, মিয়ানমার সবসময় বলে তারা ফেরত নেবে, কিন্তু গত সাত বছরে একজন রোহিঙ্গাকেও তারা ফেরত নেয়নি। উপরন্তু আমাদের ওপর নতুন সমস্যা তৈরি হয়েছে যে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে ইতিমধ্যে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) প্রায় পাঁচশত সদস্য ও তাদের সেনাবাহিনীর সদস্য পালিয়ে আমাদের দেশে এসেছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তাদের ফেরত পাঠিয়েছি কিন্তু নতুনভাবে আরও ১৩৮ জন এখন বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে, তার মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ও দু'জন মেজরও আছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বাংলাদেশ সফরে আসার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে চৎমকার। গত নির্বাচনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা পত্রে সে কথাই বলেছেন। এই সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে বাংলাদেশে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু। আমাদের চেষ্টা থাকবে এ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার।’


নির্বাচিত

রপ্তানিতে আশার আলো, আড়ালে বড় সংকট

# যুদ্ধের মধ্যেও পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি # চামড়া খাতেও বেড়েছে রপ্তানি আয় # বাজার বহুমুখীকরণ সময়ের দাবি
ছবি: চট্টগ্রাম বন্দর।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দুর্বল চাহিদা ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। একই সময়ে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবু এই সাফল্যের আড়ালে রয়েছে বড় কিছু দুর্বলতা। ইউরোপের প্রধান বাজারে প্রবৃদ্ধি মন্থর, চামড়া খাত আটকে আছে আন্তর্জাতিক সনদের সংকটে, আর সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাড়ছে ঘাটতি।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সাময়িক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, উৎপাদন ব্যয় ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক বাজারে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগ দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে রূপ নাও নিতে পারে।
যুদ্ধের মধ্যেও পোশাকে প্রবৃদ্ধি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ হাজার ৪৯৫ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭ হাজার ১৩০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার। তবে এই প্রবৃদ্ধি খাতসংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত ১৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জিত হয়নি।
খাতভিত্তিক হিসাবে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। আয় হয়েছে ৪ হাজার ১৯৩ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার। ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ, আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩০১ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলার।
বাজারভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জুলাই-আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ। অন্যদিকে অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে ৯৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। জার্মানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ। ফ্রান্স ও পর্তুগালে রপ্তানি কমেছে। একইভাবে রাশিয়া, চীন ও ভারতেও পোশাক রপ্তানি কমেছে। এতে স্পষ্ট, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজার। বিপরীতে ঐতিহ্যগত বড় বাজারগুলোতে চাহিদা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে।
চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে: পোশাকের বাইরে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে চামড়া খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৫৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
চামড়া খাতের মোট রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে চামড়ার পাদুকা থেকে। অর্থাৎ কাঁচামালকে উচ্চমূল্যের পণ্যে রূপান্তরের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন প্রয়োজন পরিবেশগত মান নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক সনদের বাধা দূর করা।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, অর্থনীতির জন্য স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে প্রবাসী আয়। জুলাইয়ে প্রবাসীরা ২ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহের কারণেই বড় বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যেও দেশের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত রয়েছে। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বর্তমানে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের রপ্তানির বড় দুর্বলতা হলো পণ্য ও বাজার—দুই ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত নির্ভরতা। তৈরি পোশাক একাই রপ্তানি আয়ের বড় অংশ জোগান দেয়। ফলে পোশাকের কোনো বড় বাজারে চাহিদা কমলে সামগ্রিক রপ্তানিতে তার প্রভাব পড়ে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও সেই বাস্তবতা দেখাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ভালো করলেও ইউরোপের বড় বাজারগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধীর। এ অবস্থায় অপ্রচলিত বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ সেখানে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করলেও রপ্তানি করেছে মাত্র ১০৮ মিলিয়ন ডলারের। পরের অর্থবছরে রপ্তানি বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার হলেও ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।

এই ঘাটতি কমাতে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ প্রিমিয়াম ফল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের পণ্য হংকংয়ের বাজারে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা এখন আগের চেয়ে কঠিন। শুধু কম শ্রম ব্যয় দিয়ে বাজার ধরে রাখা সম্ভব হবে না। উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি, কর, পরিবেশগত অনুবর্তিতা, বন্দরসেবা এবং দ্রুত পণ্য সরবরাহ—সব ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াতে হবে।


নির্বাচিত

নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই মন্ত্রী, প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীবিহীন মন্ত্রণালয়-বিভাগসহ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আওতাধীন দপ্তরগুলোর সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের দায়িত্বের পরিধি বৃদ্ধি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টি জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সংসদ চলাকালীন যেসকল মন্ত্রণালয় কিংবা বিভাগে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেই এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বাধীন যেসকল দপ্তর রয়েছে, সেগুলোর যাবতীয় সংসদ বিষয়ক কার্যাবলি নির্দিষ্ট এই মন্ত্রীদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সংসদীয় কার্যক্রম নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ওপর। কোনো কারণে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁর অবর্তমানে এই দায়িত্ব পালন করবেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংসদবিষয়ক যাবতীয় কার্যাবলি দেখভালের দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের ওপর। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে এই দায়িত্ব সামলাবেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।


নির্বাচিত

উত্থাপিত ৬ বিল পাসের মাধ্যমে শেষ হলো সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। গত ২৭ আগস্ট শুরু হয়ে এ অধিবেশন শেষ হয় আজ। এ দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সমাপনী বক্তব্য দেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অধিবেশন সমাপনী-সংক্রান্ত নোটিশ পাঠ করে শোনান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তৃতীয় অধিবেশনে ৯ কার্যদিবসের বৈঠকে মোট ৬টি বিল উপস্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি বিলই পাস হয়েছে।

বিরোধী দলের আপত্তির পরও র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ বিল পাসবিরোধী দলের আপত্তির পরও র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ বিল পাস

আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির অধিক সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালির বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন। ৬৮ বিধিতে ৭টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২টি নোটিশ গৃহীত ও আলোচিত হয়েছে। ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয় এবং এর মধ্যে ১৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭১ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদানের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। এ ছাড়া, ১৪৭ বিধিতে ২টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১টি নোটিশের ওপর আলোচনা হয়েছে এবং ৩০২ বিধিতে ১টি নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সদস্যরা সর্বমোট ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ প্রদান করেছেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এ অধিবেশনে মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন।


নির্বাচিত

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ

বক্তব্য দিচ্ছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বর্তমান আর্থিক বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি টাকায় নির্ধারণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিক ভাই-বোনদের কল্যাণের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ আছে, তা এই মুহূর্তে ৬ কোটি টাকা। সেটা ২৫ কোটি টাকায় বৃদ্ধি করার জন্য ইতোমধ্যে আমরা প্রস্তাব করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা এই অর্থবছরে পুরোটা দিতে না পারি, আগামী অর্থবছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ আমাদের সাংবাদিক ভাই-বোনদের জন্য অনুমোদন করা যাবে।”

অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে সংগঠনটির সার্বিক অগ্রগতি ও সাফল্য কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।


নির্বাচিত

প্রকৃতি ও জীবজগতের প্রতি মমত্বশীল হতে শিক্ষার্থীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি সমস্ত প্রাণীর প্রতি যত্নশীল ও সহানুভূতিশীল হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে বৃক্ষ ও প্রাণিকুলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা মানুষের নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো প্রাণীকে কষ্ট না দিয়ে তাদের প্রতি ভালোবাসা ও মমত্ববোধ প্রদর্শন করতে হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদের চলতি অধিবেশনের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতে জাতীয় সংসদ ভবনে এসেছিল রাজশাহীর পুঠিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকার সাভার উচ্চবালিকা বিদ্যালয়, তেজগাঁও মহিলা কলেজ এবং টঙ্গীর শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সংসদ পরিদর্শনের পাশাপাশি তারা সরকারপ্রধানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ লাভ করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বেশি করে গাছ লাগানো এবং নিজ নিজ চারপাশ পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখার পরামর্শ দেন। শৈশব থেকেই পরিবেশ, প্রকৃতি ও প্রাণীদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণকে অভ্যাসে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক উৎকর্ষ সাধনে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি ক্রীড়াচর্চা নিয়মানুবর্তিতা, আত্মবিশ্বাস, মনোযোগ ও দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা তৈরি করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ ছাড়া সংগীত, চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও বাদ্যযন্ত্রের অনুশীলনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্বিরাত চর্চা করারও পরামর্শ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করতে পেরে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা গভীর আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রেরণামূলক উপদেশ ও দিকনির্দেশনা তাদের ভবিষ্যৎ জীবন গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং এই সাক্ষাৎ তাদের জীবনে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।


নির্বাচিত

সরকারের প্রথম দফার ১৮০ দিনের কর্মসূচি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সাফল্য

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম দফার ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। এ সময়ে নেওয়া ৩৫টি কার্যক্রমের অধিকাংশই শতভাগ বাস্তবায়ন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়নের হার ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ। গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘জাল যার, জলা তার’ নীতি বাস্তবায়নে জলমহাল, উপকূলীয় খাল ও হাওরের ইজারা বাতিলের উদ্যোগের পাশাপাশি ২০০ মৎস্যজীবী সংগঠনের নিবন্ধন ও হালনাগাদ করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে ২৭ হাজার ৯৬৯টি জলমহালের তালিকা। মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকাল এবং ইলিশ জেলেদের ৫৮ দিনের সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময়ে শতভাগ জেলের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। কাপ্তাই লেকের জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, সবজি বাগান ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় অর্থায়ন করা হয়েছে।
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে তিন শতাধিক মৎস্য খাদ্য কারখানা পরিদর্শন, ২৫০টি খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। ন্যাশনাল রেজিডিউ কন্ট্রোল প্ল্যানের আওতায় সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে আরও ৬০টি নমুনা। বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ পাঙাশের জন্য স্বল্পমূল্যের খাদ্য তৈরির ফর্মুলাও উদ্ভাবন করা হয়েছে। ৬০টি পশুখাদ্য ফিডমিল পরিদর্শনের পাশাপাশি তিন শতাধিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে।
সরকারি হ্যাচারিগুলোতে ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরিতে ১১৪টি পরিকল্পনা নেওয়া ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উপকূলের লবণাক্ততা ও খরাপ্রবণ এলাকায় কৈ, শিং, পাবদা ও পাঙাশ চাষে স্থাপন করা হয়েছে ১০০টি খামার। উদ্ভাবন করা হয়েছে পাঙাশের টিকাও। চিংড়ি উৎপাদন, ভ্যালু এডিশন ও বাজার সম্প্রসারণে গলদা ও বাগদা চিংড়ি নিয়ে একটি সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষি ও খামারিদের সুরক্ষায় মৎস্য খাতে তিনটি পাইলটিং স্কিম এবং প্রাণিসম্পদ খাতে ৩ হাজার ৬০০ প্রাণীকে বীমার আওতায় আনা হয়েছে।

গভীর সমুদ্রে নতুন দৃষ্টি :
ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে দুটি লং-লাইনার টুনা ভেসেল ভাড়া নেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রে মাছ আহরণের জন্য পাঁচটিসহ মোট সাতটি জাহাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কুয়াকাটা ও সলিমপুরকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৫টি সি-উইড চাষ প্রদর্শনী, ২৪টি সি-উইড ড্রাইং র‌্যাক বিতরণ এবং ১০০ জন চাষিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। মাছের উৎপাদন বাড়াতে ২২০ দশমিক ২৪ মেট্রিক টন পোনা অবমুক্ত, ৪০০টি বিল নার্সারি ও ৪৫টি অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ খাতে মাঠপর্যায়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরবরাহ করা হয়েছে ১৮ কোটি ডোজ টিকা। জারি হয়েছে জাতীয় পোলট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন। উন্নত জাতের ২২ লাখ ডোজ সিমেন সরবরাহের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে ২০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং ৬০ হাজার হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। ৪ হাজার ৯৪১টি শূন্যপদের বিপরীতে ১১-২০ গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৪৮৩ জনকে।
বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দাম কমানো। উৎপাদন বাড়লেই সবার কাছে মাছ-মাংস পৌঁছাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। উৎপাদন খরচ কমাতে প্রয়োজনে কৃষির মতো ফিডেও ভর্তুকি দেওয়া দরকার।
১৮০ দিনের কার্যক্রমকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ভালোভাবেই কর্মসূচি শেষ করেছে। এ সাফল্য ধরে রেখে বাকি কাজগুলোতে মনোযোগ দিতে হবে। মাছ চাষি ও খামারিদের স্বল্প সুদে ঋণ, উন্নত বাজারব্যবস্থা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে অভিজ্ঞদের নিয়ে কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।


নির্বাচিত

কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান। বৃহস্পতিবার বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি বিদায়ী মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মোঃ জিয়াউল হকের স্থলাভিষিক্ত হন। আনুষ্ঠানিক নথিতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যেখানে কোস্ট গার্ডের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাহিনীর জনসংযোগ শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সুদীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য সামরিক জীবনের অধিকারী রিয়ার এডমিরাল মোঃ মঈনুল হাসান ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি মিরপুর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি), ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি), ভারতের ওয়েলিংটন ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ এবং যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডে অবস্থিত নেভাল ওয়ার কলেজ থেকে নেভাল কমান্ড কোর্স সম্পন্ন করেন। শিক্ষাজীবনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে ও ভারতের তামিলনাড়ু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) থেকে সিনিয়র স্টাফ কোর্স শেষ করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এ পিএইচডি গবেষণায় রত আছেন।

দক্ষ নেভিগেটর হিসেবে নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল ও স্টাফ পদে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এই কর্মকর্তা। তিনি কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল এবং কমান্ডার বাংলাদেশ নেভাল ফ্লিট হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এ ছাড়া তিনি নেভি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের প্রথম কমান্ড্যান্ট এবং কমোডর নেভাল এভিয়েশনের মতো শীর্ষ পদে ছিলেন। সমুদ্রগামী জাহাজের অধিনায়ক হিসেবে তিনি একটি করভেট, দুটি অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল, তিনটি ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট এবং একটি মিসাইল বোট পরিচালনা করেন। একইসঙ্গে তিনি ফ্লাইং উইংয়ের অধিনায়ক, নৌবাহিনীর নেভিগেশন স্কুলের প্রশিক্ষক এবং ডিএসসিএসসির নেভাল উইংয়ে ডাইরেক্টিং স্টাফ হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।

নৌ সদর দপ্তরে পরিকল্পনা পরিচালক, এভিয়েশন পরিচালক ও নেভাল সেক্রেটারি পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি ইতিপূর্বেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের উপমহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি আইভরি কোস্টে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সামরিক পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়া ও সেমিনারে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। পেশাগত অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি), ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’ (বিএসপি) এবং ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক’ (বিসিজিএম) অর্জন করেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমা, উপকূল ও নদী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।


নির্বাচিত

নতুন দায়িত্ব পেলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি

চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তাঁর পক্ষে সরকারি দলের চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনি (বরগুনা-২) এই কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

পুনর্গঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনিকে। দশ সদস্যের এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে স্থান পেয়েছেন শরিয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দীন আহমেদ অপু, দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোসাম্মৎ তাহসিনা রুশদি, ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কায়সার আহমেদ, নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান এবং ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামাল হোসেন।

সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪০, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধিতে উল্লিখিত বিধান অনুযায়ী কমিটির নিয়োগ, অভ্যন্তরীণ গঠনকাঠামো, কর্মপরিধি ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে উল্লিখিত আইনপ্রণেতাদের সমন্বয়ে এই স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পন্ন হয়।


নির্বাচিত

মোবাইল হ্যাক ও স্বাক্ষর জাল নিয়ে সংসদ সদস্যদের চিফ হুইপের সতর্কতা

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ সদস্যদের মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আইডি হ্যাকিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের মাধ্যমে কণ্ঠস্বর নকল (ভয়েস ক্লোনিং) এবং স্বাক্ষর জাল করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই স্পর্শকাতর সাইবার অপরাধের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেছে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে চিফ হুইপ জানান, সংসদ সদস্যদের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বর বেআইনিভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সহকর্মী অন্য সদস্যদের নিকট জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে ২৫ হাজার, ৩০ হাজার এমনকি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আধুনিক এআই প্রযুক্তির অপপ্রয়োগের মাধ্যমে কারও কারও কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করা হচ্ছে এবং জাল স্বাক্ষরযুক্ত ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে অর্থ আত্মসাতের অপচেষ্টা চলছে। সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের একাধিক সংসদ সদস্য ইতিমধ্যে এই পরিকল্পিত সাইবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে তিনি অবহিত করেন।

আলোচনার একপর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল আইনপ্রণেতাদের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও প্রযুক্তিগত প্রতিরোধ জোরদারে নির্বাহী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি সামনে আনেন। এর প্রেক্ষিতে চিফ হুইপ নিশ্চিত করেন যে, সংঘটিত জালিয়াতি প্রতিরোধ ও শনাক্তকরণে বিটিআরসি প্রয়োজনীয় আইনি ও কারিগরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এ ছাড়া সংসদ ভবনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুসংহত করার প্রসঙ্গে চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, ভবনের প্রতিটি লবিতে অত্যাধুনিক ফেস রিডিং যন্ত্র স্থাপন করা সত্ত্বেও অনেক সদস্য তা ব্যবহার এড়িয়ে যাচ্ছেন। সংসদের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের স্বার্থে ভবনে প্রবেশের সময় তিনি সকল সংসদ সদস্যকে এই ফেস রিডিং ডিভাইস ব্যবহারের অনুরোধ জানান।


নির্বাচিত

র‌্যাবের বদলে এসআরবি, নতুন বোতলে পুরোনো মদ: নাজিবুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পাবনা-২ (সাঁথিয়া) আসনে সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন বলেছেন, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিলের মূল কাঠামোতে কোথাও পরিবর্তন আনা হয়নি। এর প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহির ব্যবস্থা ঠিকমতো না রেখে শুধু ‘পুরোনো বোতলে নতুন মদ’ করলে উদ্দেশ্য পূরণ হবে না।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ এর ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, ২০১৪ সালের মে মাসে নারায়ণগঞ্জে যে ন্যক্কারজনক সাত খুনের ঘটনা ঘটলো, সে ঘটনার পরে র‍্যাব স্কোয়াডকে কিলিং স্কোয়াড আখ্যায়িত করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানান। সংস্কার নয়, সরাসরি বাহিনীর বিলুপ্তির দাবি করেছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে দেশনেত্রী র‍্যাবকে ক্যানসার আখ্যায়িত করেছিলেন। তখনো তিনি র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি করেন।

তিনি বলেন, এখানে আমরা কী দেখছি? র‍্যাবের জনবল, কার্যালয়, ক্ষমতা, নথিপত্র, সম্পদ, চুক্তি, দায়-দায়িত্ব সরাসরি এসআরবি নামের নতুন বাহিনীর কাছে চলে যাবে। অর্থাৎ শুধু সাইনবোর্ডটাই পরিবর্তন হচ্ছে। নতুন বোতলে পুরোনো মদ। র‍্যাবের নাম ছাড়া আর কোনো কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না, সব ঠিক থাকছে।

এ সংসদ সদস্য বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাছে র‍্যাব বিলুপ্তির আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করে বিএনপি। এই সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ র‍্যাব বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছিলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি জাতিসংঘ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও গুম কমিশনও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল।


নির্বাচিত

ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকদেখানো পদক্ষেপ রোহিঙ্গা সংকট জটিল করেছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার সমালোচনা করে জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকদেখানো পদক্ষেপের কারণে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান আরও বিলম্বিত ও জটিল আকার ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের টেকসই ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘সরকার দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক—সব পর্যায়ে দৃঢ় কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই সংকটের দ্রুত ও টেকসই সমাধানে কাজ করছে। এই সংকটের সৃষ্টি মিয়ানমারের এবং এর টেকসই সমাধানও নিহিত রয়েছে মিয়ানমারেই। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য—নিজ ভূমিতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন। এ লক্ষ্যে সকল পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা হবে।’ মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসতে আমরা জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরছি। বন্ধুরাষ্ট্র, দাতা দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।’ তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলার জন্য পৃথক কমিটি কাজ করছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত হতে যাওয়া একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করছি, ওই ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী প্রধান বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট ও প্রত্যাবাসনের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন সুসংহত হবে।’

সীমান্তে পুশ ইন ইস্যুতে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানান, ‘সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ ইন বা পুশ ইনের প্রচেষ্টাকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারত সরকারের কাছে বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জোরালো প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আমাদের সরকার দৃঢ়তার সঙ্গে সীমান্তে পুশ ইন রোধে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে।’ একই সময়ে সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আব্দুল খালেকের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, সমমর্যাদার নীতির ওপর ভিত্তি করে ভারতের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, সীমান্তবাসীর জানমালের নিরাপত্তা বিধান এবং বৈধ বাণিজ্য প্রসারে সরকার দ্বিপক্ষীয় তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

সংসদীয় প্রশ্নোত্তর পর্বে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, অতীতে মিশনগুলোর কার্যক্রমে শিথিলতা থাকলেও বর্তমান সরকার দূতাবাসগুলোকে কঠোর জবাবদিহিতার আওতায় এনেছে। জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলকে তিনি অবহিত করেন, বর্তমানে বিশ্বের ৬৩টি রাষ্ট্রে বাংলাদেশের মোট ৮৬টি কূটনৈতিক মিশন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীর প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) জিডিপির ২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সামগ্রিক বিনিয়োগ ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিদেশি মিশনগুলো সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক রোডম্যাপ নিয়ে মাঠে নেমেছে।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাশিয়ার কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কার্যক্রম চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ প্রয়োগ ও ভবিষ্যৎ জ্বালানি সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তি স্থাপনের সম্ভাব্যতা নিয়ে আগ্রহী দেশগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক স্তরের যোগাযোগ চলছে, যা এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেনি।


নির্বাচিত

র‌্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ গঠনে বিল পাস

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে নতুন একটি বিশেষায়িত এলিট ফোর্স গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কণ্ঠভোটে এই বিলটি গৃহীত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা সংখ্যাগরিষ্ঠের কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদে বিলটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সময়ের চাহিদা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা কাঠামোর আধুনিকায়ন অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘একটি সংস্থা গঠনের সঙ্গে আরেকটি বিলুপ্তির সম্পর্ক নেই। নতুন বাহিনীটা আমরা এ কারণে করছি যে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধীনে র‍্যাব গঠন করা হয়েছিল। সেই আইনটি পূর্ণাঙ্গ ছিল না। একটা সেকশনের অধীনে ইউনিটটি কাজ করছিল।’ তিনি আরও যুক্ত করেন, ‘সেজন্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন থেকে আমরা এটা বের করে নিয়ে এসে বিলুপ্ত করতে চাই। একইসঙ্গে এই আইনে ইংরেজিতে কিছু অস্পষ্টতা ছিল, সেই আইনটাও আমরা অনুবাদ করে নতুন আইন হিসেবে নিয়ে আসছি,’।

পাস হওয়া আইনের বিধান অনুযায়ী, নবগঠিত এসআরবি পুলিশ অধিদপ্তরের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এই ইউনিটের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ কর্মকর্তা, শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং নির্ধারিত সশস্ত্র জনবলের সমন্বয়ে প্রেষণ ও সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হবে। নিজস্ব প্রতীক, পোশাক ও পতাকাসমৃদ্ধ এই ইউনিটকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, অভিযান পরিচালনা, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও আলামত জব্দের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি এই বাহিনীর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণাধীন হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্র থাকবে। সাধারণ নাগরিক ও বাহিনীর অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিভিন্ন পক্ষের সমন্বয়ে একটি পৃথক অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিটি গঠিত হবে।

সংঘবদ্ধ অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে ২০০১-০৬ মেয়াদে এলিট ফোর্স গঠনের উদ্যোগের পর ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে একই বছরের ২১ জুন থেকে র‌্যাব আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছিল। ২০০৩ সালের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (সংশোধন) আইনের ওপর ভিত্তি করে এতদিন পরিচালিত হয়ে এলেও বিগত দুই দশকে নানা সময়ে বাহিনীটির বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। সমালোচক ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে 'সরকারি ডেথ স্কোয়াড' হিসেবেও অভিহিত করতে থাকে। নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর সাত খুন ও কক্সবাজারের পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের মৃত্যুর মতো ঘটনায় বাহিনীটির ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়। মানবাধিকার হরণের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করা র‌্যাবের শীর্ষ ছয় কর্মকর্তার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাহিনীটি সংস্কার বা বিলুপ্তির দাবি আরও জোরালো রূপ নেয়। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের গুম তদন্ত কমিশনের কাছে র‌্যাবের বিরুদ্ধেই দেশের অন্যান্য বাহিনীর তুলনায় সর্বোচ্চ ১৭২টি অভিযোগ জমা পড়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৩ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। তিনি জানান, নতুন এই সংস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির যাচাই-বাছাই ও সংশোধিত সুপারিশ শেষে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ সংসদে পাস হলো। একই সঙ্গে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল-২০২৬ বিলটিও ইতোমধ্যে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


নির্বাচিত

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দুদককে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বঙ্গভবনে দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-কে প্রভাব-প্রতিপত্তি বিবেচনা না করে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।’

আজ বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংকালে বাসসকে এই তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করছে জাতির অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে যেতে হবে।

রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিনের বিপুল সংখ্যক বিচারাধীন মামলাগুলো আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর জন্য দুদকের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় তিনি গুরুতর দুর্নীতির ব্যাপারে দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং কমিশনকে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো.সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

banner close