বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

তদারকির অভাবে সুন্দরবন পুড়ে ছাই হচ্ছে: বাপা

২২ বছরে আগুন লেগেছে ৩২ বার
ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৪ ২১:৩৯

পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবনে গত ২২ বছরে সুন্দরবনে ৩২ বার আগুন লেগেছে। পুড়েছে একশ একরের বেশি বনভূমি। কঠোর মনিটরিংয়ের অভাবে সুন্দরবনে একের পর এক আগুন লাগছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

আজ বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিন বিভাগের অধ্যাপক ও বাপার জাতীয় কমিটির সদস্য ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৪ মে বেলা ১১টায় পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের আমুরবুনিয়া টহল ফাঁড়ির লতিফের ছিলা এলাকায় আগুন লেগে বন বিভাগের হিসেবেই পুড়ে যায় ৭ দশমিক ৯ একর বনভূমি। সুন্দরবন রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার কথা বলা হয়।

ড. আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী বলেন, ‘বনে লাগা আগুনে প্রাণীদের আবাস ও প্রজননস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বন্যপ্রাণীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। বনের প্রাণ-প্রকৃতির শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে বনের প্রাণীদের খাদ্যচক্রে। আগুনে চরম আঘাত আসে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ওপর। তাই সুন্দরবন রক্ষায় আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

বাপার কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মো. নূর আলম শেখ বলেন, ‘সুন্দরবনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা মানবসৃষ্ট এবং পরিকল্পিত। অগ্নিকাণ্ডের এ সব ঘটনায় বনবিভাগ কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারে না।’ বাপার যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বা বাংলাদেশের ফুসফুসখ্যাত সুন্দরবন আজ ধ্বংসের মুখে। বারবার বনে আগুন লাগছে। এর থেকে সুন্দরবনকে ঠিক রাখতে আমাদের সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে হবে। সুন্দরবনকে বিজ্ঞানীদের জন্য সহজ করতে হবে আর দুষ্কৃতকারীদের জন্য করতে হবে দুর্গম।’

এ সময় সুন্দরবনের অগ্নিকাণ্ড বন্ধে ১৫টি সুপারিশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও ছিলেন– বাপার সহ-সভাপতি মহিদুল হক, কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল কাদের প্রমুখ।


ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও এক বাংলাদেশি নিহত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শুভ কুমার দাস (২৮) নামে সাতক্ষীরার কলারোয়ার আরও এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে লেবানন সংঘাতের গত দুই দিনে সাতক্ষীরা জেলার মোট তিন জন প্রবাসী প্রাণ হারালেন।

নিহত শুভ কুমার দাস কলারোয়া উপজেলার শ্রীপ্রতিপুর গ্রামের সুরঞ্জন দাসের ছেলে। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে তিন বছর আগে তিনি লেবানন যান। সেখানে তিনি একটি বাড়ি ও ফলের বাগান দেখাশোনার কাজ করতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ মে) রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় চলাচলের সময় ড্রোন হামলার শিকার হন শুভ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

শুভর বাবা সুরঞ্জন দাস জানান, তার ছেলের আয়ের ওপরই পুরো পরিবার নির্ভরশীল ছিল।

একই দিনে লেবাননের নাবাতিহ জেলার জেবদিন এলাকায় পৃথক ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার আরও দুইজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৪০) ও আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের মো. নাহিদুল ইসলাম (২০)।

বৈরুতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস শফিকুল ও নাহিদুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে নিজ আবাসস্থলে অবস্থানকালে বিমান হামলায় তারা প্রাণ হারান।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম জানান, শুভর মৃত্যুর বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে পরিবারের খোঁজ নিতে লোক পাঠানো হয়েছে। তথ্য পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল বলেন, একই দিনে জেলার তিনজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। আমরা তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে পরিবারের পাশে থাকার এবং সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়, ১৯৬০-এর দশক থেকেই ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি ওঠে। পরে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অনুমোদনকে।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিশন কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী বাজেট ঘোষণার পরই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।


অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেললো দালাল, প্রাণ গেলো ৭ মাস বয়সি শিশুর

অভিযুক্ত এনায়েত করিম
আপডেটেড ১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

অক্সিজেন মাস্ক না খোলার চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার আশায় রংপুর থেকে আসা সাত মাস বয়সি শিশু মিনহাজকে বেসরকারি হাসপাতালে ভাগিয়ে নিতে সেই মাস্ক খুলে ফেলেন এক দালাল। অক্সিজেনের অভাবে বাবার কোলেই প্রাণ হারায় শিশুটি। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনায়েত করিমকে আটক করেছে পুলিশ। এনায়েত ঢামেক হাসপাতালেরই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া একজন অফিস সহকারী।

স্বজনরা জানান, নিহত মিনহাজ কিডনি জটিলতায় ভুগছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। হাসপাতালে শয্যা খালি হলে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন এনায়েত। তবে এর আগপর্যন্ত কাঁটাবন এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা খরচে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে রোগীকে বের করে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার উদ্দেশে মিনহাজের মুখের অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলেন এনায়েত। মাস্ক ছাড়াই প্রায় ২০ মিনিট হাসপাতালের ভেতরে ঘোরাঘুরি করেন তিনি। পরে ২ নম্বর ভবনের গেট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় স্বজনরা বুঝতে পারেন, শিশুটি আর বেঁচে নেই।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এনায়েত করিমের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে অর্থ দাবি করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল কর্তৃপক্ষ। বরখাস্ত হয়েও তিনি হাসপাতালের দালালি ও প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

ঢামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপের সুযোগ নিয়ে হাসপাতালে প্রায় অর্ধশত দালাল সক্রিয় রয়েছে। তারা আইসিইউ প্রয়োজন–এমন মুমূর্ষু রোগীদের লক্ষ্য করে বেসরকারি ক্লিনিকে ভাগিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও এই চক্রের মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।


হাম সংকটে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আপডেটেড ১৩ মে, ২০২৬ ১৩:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে হামের ভয়াবহ সংক্রমণ পরিস্থিতিকে একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে তুলনা করে এর পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, হাম পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হলেও সরকার তা নিয়ন্ত্রণে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশির ভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরও টিকার আওতায় আনা হবে।” মন্ত্রী আরও জানান যে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আগামী জুন মাসের মধ্যেই দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এবং সরকারি তথ্য অনুযায়ী মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। এক সময় যে রোগটি প্রায় নির্মূলের পথে ছিল, সেখানে কেন এত প্রাণহানি ঘটছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন যে দুর্যোগ পরবর্তী তদন্তের মাধ্যমে সংকটের প্রকৃত কারণ ও অবহেলার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে। তাঁর মতে, “হামের এই ভয়াবহ দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার পর, এমন সংকটময় পরিস্থিতির পেছনে কারা দায়ী, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার” বিষয়ে সরকার আপসহীন থাকবে।

এদিন ইপিআই কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন উপহার দেয় চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা প্রদানের ঘাটতিই হামের এই মহামারির মূল কারণ। যদিও বর্তমানে ৯৮ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তবুও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা চলছে।

বুধবার (১৩ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজন মাহমুদ। তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।


নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা সহজ করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন যাত্রীরা এবং দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি। টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে এবারও সমস্ত আসনের টিকিট শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীরা তাদের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যবহার করে ২৩ মে’র টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। রেলওয়ের ঈদ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী দিনগুলোর টিকিট বিক্রির সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, ২৪ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৭ মে। তবে ২৮ থেকে ৩০ মে’র টিকিট বিক্রির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।

টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী আরোপ করা হয়েছে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারের প্রচেষ্টায় চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। অগ্রিম যাত্রার এসব টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ডযোগ্য হবে না। এদিকে যারা অনলাইন টিকিট পাবেন না, তাঁদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আবহাওয়ায় আজ মেঘলা ভাব বিরাজ করতে পারে। সেই সাথে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে যে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে পুরোপুরি মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোরে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৬টায় তা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, গতকাল রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে।

সারা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু স্থানে মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে বৃষ্টিহীন এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।


রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসির সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা—ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর জোরালো সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানো হয়।

সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল ও ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে তাদের সমর্থনের জন্য সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের গড়ে ওঠা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ভবিষ্যতে তা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সমর্থনও প্রত্যাশা করেন তিনি।

এ সময় সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার মিশনপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্রসচিব মু. ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান সেখানে রুমন উপস্থিত ছিলেন।


আন্দোলনকারীদের হত্যার পর হাসিনার কান্নার নাটক ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায়: স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের হত্যার পর হাসিনার কান্নার নাটক ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে লিখিত থাকবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১২টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজ পরিদর্শনকালে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দীন আহমদ বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ, জুলাই অভ্যুত্থানসহ গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ইতিহাস জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে স্থান পেয়েছে। আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে এ জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন স্পিকার।

স্পিকার জানান, গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তারা হাসিমুখে গণতন্ত্রের জন্য জীবন দেয়া বীরদের উদাহরণ।

স্পিকার আরও জানান, জুলাই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে গণভবন দখলের চিত্র, শহিদদের পকেটে রাখা চিঠি এবং হাসিনার খুনের নির্দেশের কল রেকর্ডসহ গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির দীর্ঘ আন্দোলনের নানা চিত্র।


প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও এভাবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে এসেছিলেন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে হেঁটেই অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোনো প্রধানমন্ত্রীর ক্যাম্পাসে নির্বিঘ্নে এভাবে হেঁটে আসার নজিরও এই প্রথম। এ বিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও এভাবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে এসেছিলেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে বের হয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের উদ্দেশে হাঁটতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমিও ছিলাম। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে তো বটেই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকার প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্বিঘ্নে হেঁটে অনুষ্ঠানে এসেছেন। এটা বিরল ঘটনা।

অতীতে আমরা দেখেছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো সরকার প্রধান এলে, কোনো প্রধানমন্ত্রী এলে—প্রতিবাদ হয়েছে, পক্ষে-বিপক্ষে স্লোগান হয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনারও দৃষ্টান্ত রয়েছে। কিন্তু আজ সেরকম কোনো দৃশ্য নেই। হাজারো শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীকে দেখে হুমড়ি খেয়ে পড়ার মতো অবস্থা হয়েছে। স্লোগান হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছে। কেউ কেউ দূর থেকে হাত নেড়ে স্বাগত জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা এভাবে প্রধানমন্ত্রীকে হেঁটে যেতে দেখে করতালি দেয়, অনেকে স্লোগানও দেয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনের দেড়শ শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। অডিটোরিয়ামে স্থান না পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মোবাইলে লাইভে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় অবলোকন করেছে।


গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১২ মে, ২০২৬ ২২:৫৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের উচ্চশিক্ষায় গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষার মাধ্যমে বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবমুখী, কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে না পারলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়বে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে’ ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে গবেষণা প্রকাশনা, জ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবন ও গবেষণার উদ্ধৃতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। সে কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা আরো বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা দিয়ে চলবে না। গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মূলধারায় নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাবেক শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী করতে সরকার শিক্ষানবিশ কার্যক্রম, ইন্টার্নশিপ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বিভাগীয় শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নতুন ব্যবসায়িক ধারণাকে উৎসাহিত করতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রাথমিক অর্থায়ন ও উদ্ভাবনী অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর লক্ষ্য ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা তৈরি করা এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

তিনি আরো জানান, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এবং বিজ্ঞান পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় বিজ্ঞান মেলা, উদ্ভাবনী মেলা ও পণ্য প্রদর্শনীর মতো আয়োজন উৎসাহিত করা হবে।

বক্তব্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, জিন প্রকৌশল, জীবপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও বৃহৎ তথ্যভান্ডারভিত্তিক প্রযুক্তি বিশ্বব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা এখন আর শুধু স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বয়ে নতুন জ্ঞানের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। তাই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের তরুণরা অত্যন্ত মেধাবী। সঠিক সুযোগ ও পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের সাফল্য অর্জন সম্ভব।


বিএনপি-জামায়াতের মত নিয়েই বাণিজ্যচুক্তি হয়: সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি–জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নিয়েই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ওই সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে নয়াকৃষি আন্দোলন ও উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতিনির্ধারণী গবেষণা) আয়োজনে হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের ৩ দিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি করা হলেও বিএনপি–জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর মতামত নিয়েই তা করা হয়েছিল। এ কারণে তারা কেউ এখন এ চুক্তির বিরুদ্ধে কিছু বলছে না। চুক্তি অনুযায়ী চাইলে চুক্তিটি বাতিল ও সংশোধন করা যাবে।

তিনি বলেন, তবে সবার দাবি তোলা উচিত, এ চুক্তি নিয়ে যেন সংসদে আলোচনা করা হয়। দাবি করা উচিত, চুক্তিটি অবশ্যই সংসদে উত্থাপন করতে হবে। সেখানে আলোচনা করে জনগণের সম্মতি নিয়ে যেন এটা করা হয়।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড—এআরটি) সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। এ নিয়ে বেশকিছু দিন ধরে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।


বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন কারিকুলাম ও আউট লার্নি নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আগে বিদেশ থেকে শিক্ষকরা এসে পড়াতেন, শিক্ষার্থীরা আসতেন। এখন কিন্তু সে পর্যায়ে নেই। এখন দেশে ১১৬টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। ওপেন ইউনিভার্সিটি রয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই শিক্ষাব্যবস্থা আবারও ঢেলে সাজাতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

পাবলিক ইউনিভার্সিটি বেড়ে ৫৭টিতে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কোয়ান্টিটিতে অনেক এগিয়ে গেছি। কোয়ালিটিতে কতটুকু পেরেছি, আমরা জানি না। তাই নীড বেসিস এডুকেশন নিয়ে ভাবতে হবে।


banner close