বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
৪ আষাঢ় ১৪৩৩

আ.লীগ নেতা তপনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আপডেটেড
২৩ মে, ২০২৪ ০০:০২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৪ ০০:০২

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রুহুল কুদ্দুস তপনের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার। ২০২০ সালের ২৩ মে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৪ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। সে সময় সরকারি ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে রিজেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর রুহুল কুদ্দুস তপন ছাত্রলীগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। তার পিতা নজরুল ইসলাম ও ছোট চাচা রফিকুল ইসলাম স্বাধীনতা-পরবর্তী শেখ ফজলুল হক মণির সঙ্গে রাজনীতি করতেন এবং শেখ মণির ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। তপনের বড় ভাই ‘দৈনিক খবর’-এ কর্মরত সিনিয়র সাংবাদিক ইব্রাহিম খলিল খোকন বর্তমানে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য। এ ছাড়া তিনি একজন নাট্যশিল্পী হিসেবেও পরিচিত মুখ।

তেজগাঁওয়ের রাজনীতিতে রুহুল কুদ্দুস তপন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান আওয়ামী লীগ নেতা ছিলেন। ঢাকার দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ রহিম মেটাল জামে মসজিদ নির্মাণে তপন অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসা ও কবরস্থান উন্নয়নের কাজ তার হাত ধরেই হয়েছিল।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৮ জুন, ২০২৬ ২২:৫১
নিজস্ব প্রতিবেদক

হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল আটটা) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৪৮ জন। এতে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬৬৬ জনে পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৩ শিশু ও নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এসময় হামের উপসর্গ নিয়ে যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে দুটি শিশু মারা গেছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। তাদের মধ্যে ৩৩১টি শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৭৫) ও বরিশাল (১৩৫)।

এছাড়া এসময় সুস্থ হয়ে ৮১৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।

গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৯৫ দিনে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৭৭৩ জনের। এ ছাড়া ৯৫ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫০৩ জন।


নির্বাচিত

শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের (ইউএন) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল (ইকোসক)-এর মানবিক বিষয়ক অধিবেশনে বক্তব্যকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৃগস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মানবিক নীতিমালার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সম্প্রসারণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধি, নারীর ক্ষমতায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

এছাড়া নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (ডব্লিউপিএস) বিষয়ক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের উন্মুক্ত বিতর্কে অংশ নিয়ে তিনি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের প্রশংসা করেন।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘাতের কারণে নারী ও শিশুদের দুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত করতে মানবিক অর্থায়নের ঘাটতি দূর করার আহ্বান জানান।

তিনি মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতাও কামনা করেন।

জাতিসংঘে অবস্থানকালে শামা ওবায়েদ ইসলাম আজ ২০২৬ সালের ইকোসক মানবিক বিষয়ক অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনা-২-এ অংশ নেবেন।

এছাড়া তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ উইমেনের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ও নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহুস-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।


নির্বাচিত

সেনাবাহিনীতে কমিশন পেলেন ১৮৪ অফিসার ক্যাডেট

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেছেন ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট । ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে এ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং প্যারেডের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে কৃতি ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

সেনাপ্রধান নবীন অফিসারদের উদ্দেশে বলেন, ‘শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সদ্য কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের ওপর দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব অর্পিত হলো।’ তিনি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষিত, সুশৃঙ্খল ও আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত একটি পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কমিশনপ্রাপ্ত ১৮৪ জন অফিসারের মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া ফিলিস্তিনের ৪ জন, তানজানিয়ার ১ জন, জাম্বিয়ার ১ জন এবং মালদ্বীপের ১ জন ক্যাডেট বিএমএ থেকে সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। তারা নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগদান করবেন।

৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ব্যাটালিয়ন সিনিয়র আন্ডার অফিসার খায়রুল ইসলাম সেরা চৌকস ক্যাডেট হিসেবে সোর্ড অব অনার এবং সামরিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান স্বর্ণপদক অর্জন করেন। তানজানিয়ার সার্জেন্ট আবু বকর শ্রেষ্ঠ বিদেশি ক্যাডেট হিসেবে বিএমএ ট্রফি অব এক্সিলেন্স অর্জন করেন।

পরে প্রশিক্ষণ সমাপনকারী ক্যাডেটরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার শপথ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকরা নবীন অফিসারদের র‍্যাঙ্ক-ব্যাজ পরিয়ে দেন। এদিকে কুচকাওয়াজ শেষে সেনাপ্রধান বিএমএতে ২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের উদ্বোধন করেন।

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অফিসার ক্যাডেটদের পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বাড়াতে ১ম বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের পাশাপাশি নতুন এ ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিএমএতে নবনির্মিত সিএমএইচ ভাটিয়ারি, বিএমএ পার্ক, বিএমএ সুইমিং পুল ও এমইএস অফিস কমপ্লেক্স প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সেনাপ্রধান।


নির্বাচিত

বস্ত্র ও পাট সচিব হলেন শরফ উদ্দিন, এনএপিডির ডিজি খায়রুল কবীর

আপডেটেড ১৭ জুন, ২০২৬ ২৩:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তাকে সচিব পদে পদোন্নতির পর এ নিয়োগ দিয়ে বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গত ৯ জুন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খানকে শিল্প মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়।

অন্যদিকে জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির (এনএপিডি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের (পরিবহন পুল) পরিবহন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. খায়রুল কবীর মেনন। তাকেও সচিব পদে পদোন্নতির পর এ পদে পদায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে এনএপিডির মহাপরিচালক (সচিব) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামকে অবসরে যাওয়ার সুবিধার্থে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।


নির্বাচিত

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৬৯৯ হাজি, মৃত্যু ৫২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৬৯৯ বাংলাদেশি হাজি। এদিকে হজ পালনে সৌদিতে গিয়ে হজ সম্পন্ন হওয়ার আগে এবং পরে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫২ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী। বুধবার (১৭ জুন) হজ পোর্টাল থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, হজযাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত মোট ১৪২ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৭০টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেন ২৪ হাজার ৫৭২ জন। সৌদি এয়ারলাইনসের ৫১টি ফ্লাইটে ২০ হাজার ৩১ জন ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২১টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৩৮০ হজযাত্রী দেশে ফিরেছেন। অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ৪ হাজার ৭১৬ জন হাজি।

স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৫ হাজার ৪১০টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৮ হাজার ১১৩টি সেবা দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানিনিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ কথা জানিয়েছেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।

রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কসুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানিনিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থানমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে আরও ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করা এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতির গতিশীলতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইউরোপ ও আমেরিকার মতো প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের উদীয়মান বাজারগুলোতে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে।’

খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে কৃষিপণ্য ও অপ্রচলিত রপ্তানি খাতেও নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনামের বাজারে বাংলাদেশের আলু রপ্তানির সুযোগ উন্মুক্ত হয়েছে এবং মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের আম রপ্তানির বিষয়ে কার্যক্রম চলমান।’

চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বল প্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বর্তমানে ১১ লাখ ৮৯ হাজার ২১৩ জন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দ্বিপক্ষীয় ফ্রন্টে রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতির বাস্তবতায় আলোচনার পরিধি বাড়িয়ে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলমান। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার শপথ গ্রহণের পর মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আরাকান আর্মির প্রধান উভয়েই প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান, যা ইতোপূর্বে ঘটেনি।’

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক উপস্থিতি, অর্থনৈতিক কূটনীতি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কূটনৈতিক মিশন পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতি এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির আলোকে বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ব্যয়-সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বের ১৭টি দেশের ২০টি মিশনে বাংলাদেশের নিজস্ব মালিকানাধীন ভবনে চ্যান্সারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আরও ৪টি প্রকল্প চলমান। বিদেশস্থ বাকি মিশনগুলো ভাড়ায় পরিচালিত হচ্ছে। মিশনগুলোর ভাড়া বাবদ সরকারকে বার্ষিক প্রায় ১০০ কোটি টাকা টাকা ব্যয় করতে হয়।’

খলিলুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার বিদেশে বাংলাদেশের নিজস্ব কূটনৈতিক স্থাপনা প্রতিষ্ঠাকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে চ্যান্সারি ভবন নির্মাণ এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কূটনৈতিক কমপ্লেক্স স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন দীর্ঘ মেয়াদে সরকারি ব্যয় হ্রাস পাবে, অন্যদিকে বাংলাদেশের মর্যাদা ও কূটনৈতিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।


নির্বাচিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপির সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য হুইপ এ.বি.এম. আশরাফ উদ্দিন (নিজান), নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মীর আহমাদ বিনকাসেম, সাঈদ আল নোমান, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, হুমাম কাদের চৌধুরী এবং আখতার হোসেন অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকের শুরুতে সভাপতি উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর বিগত বৈঠকের গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে সাব-কমিটি ১-এর প্রতিবেদন উপস্থাপন এবং এর ওপর বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আওতাধীন Strengthening Institutions, Policies and Services (SIPS) প্রকল্পের অধীনে ইউএনডিপি (UNDP)-এর সহযোগিতায় সংসদ গ্রন্থাগারকে ই-পার্লামেন্টের আওতাভুক্ত ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে লাইব্রেরি কমিটির সদস্য সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিন কাসেম এবং হুমাম কাদের চৌধুরীসহ ইউএনডিপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় গ্রন্থাগার বিধির আলোকে আগ্রহী গবেষকদের গ্রন্থাগার ব্যবহারের ক্ষেত্রে সশরীরে অথবা অনলাইনভিত্তিক আবেদনপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু, পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অবহিতকরণ এবং অধিবেশন চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গবেষকদের গ্রন্থাগার ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করে।

বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গবেষণা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কমিটির সদস্য সাঈদ আল নোমানকে সভাপতি করে একটি গবেষণা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গ্রন্থাগারে দুইজন আইটি কর্মকর্তা ও দুইজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদায়ন এবং জাতীয় সংসদ গ্রন্থাগারের প্রবেশ পথে ডিজিটাল নামফলক সংযোজনের ব‌্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি কর্তৃক সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

“তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে আজ ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত Michael Miller সাক্ষাৎ করেন (বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬)। -পিআইডি”
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশে একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ (জাতীয় কর্মপরিকল্পনা) তৈরি করা হচ্ছে। বুধবার মন্ত্রণালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে, রাষ্ট্রদূতকে তিনি এ বিষয়ে জানিয়েছেন। সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

বৈঠকে স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বাংলাদেশ তা কাজে লাগাতে পারে।

রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। তবে স্বাধীনতার পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই দুই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সরকার একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে।’

তথ্যমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যম খাতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘ড্রাফট কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটি একটি ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে সরকারের কাছে উপস্থাপন করবে। পরবর্তীতে এই ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের ওপর ভিত্তি করেই স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে।


নির্বাচিত

সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক ও টিকটক আইডি: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নিজেদের গ্যাং বা দলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ এবং টিকটক আইডি বা অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করছে, সেগুলোকে ডিএমপির সাইবার ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে রাজধানীর মিরপুর বিভাগ ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, র‍্যাব-২ মোহাম্মদপুর এলাকায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ১১৯টি ছিনতাইবিরোধী সফল অভিযান পরিচালনা করেছে এবং এসব অভিযান থেকে ২৫২ জন ছিনতাইকারী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।

পরবর্তীতে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল বাতেনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দেশের সর্বত্র মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি থেকে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও জানান, এর অংশ হিসেবে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং এবং পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠকের আয়োজন করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক নিয়মিত কাউন্সেলিং, বিশেষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অভিযান এবং নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

হামের টিকায় গাফিলতি পেলে কঠোর ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই সার্বিক প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ, এর বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়। টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো ধরনের পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নিখুঁত কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় কারও বিন্দুমাত্র অবহেলা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তারেক রহমান আরও জানান, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পরিচালিত হয়ে থাকে এবং বর্তমান সরকার হামের প্রাদুর্ভাব রোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং মাঠ পর্যায়ে মজুত ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

এর পাশাপাশি সারা দেশে রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, গণমাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।

দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে দ্রুত সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম দেশব্যাপী জোরদারে অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


নির্বাচিত

সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি হত্যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি মানবাধিকারের একটি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বুধবার (১৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনগুলোতে এই বিষয়টি সবসময় অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব সময় সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এবং এর ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি নিয়ে পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যকর ব্যবস্থা চালু রয়েছে।

সংসদে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক তথ্য উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ ইন করা ২ হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ২ হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, ১১ জনকে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে।

তিনি জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশ ইন চেষ্টাকে বিজিবি সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে। এছাড়া সীমান্তে পুশ ইন ও চোরাকারবার ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে 'বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ' গঠন করা হয়েছে।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত এক বছরে (জুন ২০২৫ থেকে মে ২০২৬) সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৯টি অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালপত্রসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ফেনসিডিল, ক্রিস্টাল মেথ, কোকেন ও মাদক জব্দ করা হয়েছে এবং ২ হাজার ১৮৯ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরে মাদকের বিস্তার রোধে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইস বা ক্রিস্টাল মেথ আসক্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার কথা বলেন।

কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাদক নির্মূলে দেশব্যাপী ৩০ হাজার ৭৪৪টি অভিযানে ৯ হাজার ৬৮৫ জন মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় ১ মে থেকে দেশব্যাপী চলমান মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ৮ জুন পর্যন্ত ১০ হাজার ৮৬৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং ১২৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় কিশোর গ্যাং-এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় করতে ডিএমপির সাইবার ইউনিট তাদের ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ ও টিকটক আইডি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে। পাশাপাশি মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৫২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি থাকার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দেশের ৭৫টি কারাগারে ৪৫ হাজার১৩৬ জন ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন বন্দি আটক আছেন, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।

তবে সংরক্ষিত আসনের সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি একটি ইতিবাচক তথ্য দিয়ে জানান, কারাবন্দীদের উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর বিক্রয়লব্ধ লাভের ৫০ শতাংশ এখন বন্দীদেরই প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে অনলাইন জুয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়া ও বেটিং সাইটের বিস্তার রোধে পুলিশ, বিটিআরসি এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, যুবসমাজকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সরকার 'বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭' রহিত করে অত্যন্ত কঠোর ও যুগোপযোগী 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬' নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।


নির্বাচিত

দেশে ফিরেছেন কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে উদ্ধার আরও ৭৮ বাংলাদেশি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ জুন, ২০২৬ ১৪:৪৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নত কর্মসংস্থান ও ভালো বেতনের প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় গিয়ে সাইবার প্রতারণা বা ‘স্ক্যাম’ চক্রের হাতে বন্দি হওয়া আরও ৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ নিয়ে গত চার দিনে কম্বোডিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে উদ্ধার হয়ে সর্বমোট ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ফেরত আসা এই ব্যক্তিদের জরুরি সহায়তা ও বাড়ি ফেরার যাতায়াত খরচ প্রদান করছে।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের এটি এক ভয়াবহ নতুন রূপ। বিদেশে আকর্ষণীয় চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে মূলত আইটি বা কল সেন্টারের কাজের কথা বলে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে ‘সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড’ নামক বিশেষ সুরক্ষিত এলাকায় বন্দি করা হয়। সেখানে তাদের মাধ্যমে জিম্মি করে বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা করানো হয় এবং টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হলে চালানো হয় অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দালালরা তাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভিজিট ভিসায় কম্বোডিয়ায় পাঠাত। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের চীনা নাগরিকদের পরিচালিত স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে টর্চার সেলে নিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হতো। অনেক ভুক্তভোগী ইতিমধ্যে এই পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যমতে, গত দেড় বছরে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কম্বোডিয়ায় গেছেন। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, আরও বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে বিপদে থাকতে পারেন। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলো এই পাচার চক্রের দেশি-বিদেশি হোতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে বলে জানা গেছে।


নির্বাচিত

দেশে প্রথমবারের মতো ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে সরকার: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করতে প্রথমবারের মতো ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ বা ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) সকালে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ড. নাসিমুল গনি জানান, প্রস্তাবিত এই অঞ্চলে প্রচলিত কাস্টমসের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে না এবং ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করবেন। মূলত মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী ৬০০ একর জমিতে এই বিশেষ বাণিজ্যিক অঞ্চলটি স্থাপন করা হবে। এছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ‘চিনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’ (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্পেশাল পারপাস কোম্পানির সাথে ভূমি ইজারা ও উন্নয়ন চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানিতে যে ব্যাঘাত ঘটছে, তা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রচলিত জ্বালানি আমদানি ব্যবস্থা পর্যালোচনার সময় এসেছে এবং বর্তমান সংকট মেটাতে সরকার স্পট মার্কেট থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহ করছে। তবে জ্বালানি পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া বৈঠকে রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপগুলো দেশের শিল্পায়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

banner close