বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

এমপি আনার অপকর্মে জড়িত ছিলেন কিনা, তদন্তে বেরিয়ে আসবে: কাদের

ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৪ ১৫:০৬

ভারতের কলকাতায় নিহত বাংলাদেশি সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার কোনো অপকর্মে জড়িত ছিলেন কিনা, সেটি তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় জনপ্রিয়তার কারণে আনারকে নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন এবং দলে অপরাধীদের কোনো ঠাঁই নেই বলে জানান।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নবগঠিত কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ কমিটির সদস্যদের পরিচিতি সভায় এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ভারতে নিহত ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি অপকর্মে জড়িত কিনা তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কিছু বলতে পারছি না। আওয়ামী লীগে অপরাধীদের কোনো ঠাঁই নেই।

তিনি বলেন, আনারকে তৃতীয়বার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তার জনপ্রিয়তার জন্য। এলাকায় গিয়ে দেখেন, এলাকার মানুষরা তার জন্য শোকার্ত। ভেতরে সে কোনো অপকর্ম করে কিনা এসব যখন প্রমাণ হয় তখন শেখ হাসিনা কাউকে ছাড় দেন না, দলের লোক হলেও।’

‘জিরো টলারেন্স নীতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার। ভারতের গণমাধ্যমে এসেছে চোরাচালানের কথা। তার মৃত্যুর আগে দেশের কোনো সাংবাদিকের অনুসন্ধানে প্রতিবেদনে কেন বিষয়টা এলো না ‘- যোগ করে বললেন ওবায়দুল কাদের।

যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির চেয়ারম্যান মোজাফফর হোসেন পল্টুর সভাপতিত্বে পরিচিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপকমিটির কো চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, যুব ও ক্রীড়া উপকমিটির সদস্য সচিব ও হুইপ মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজহার খান প্রমুখ।


বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বিকল্প রেলপথ বানাবে ভারত!

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১৯ জুন, ২০২৪ ২১:৫৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে অন্য রাজ্যগুলোকে সংযুক্ত করতে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিকল্প রেল যোগাযোগের রুট তৈরি করতে চাইছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া গত রোববার (১৬ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বর্তমানে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে অন্য রাজ্যগুলোতে ট্রেন চলে সিলিগুড়ি করিডর দিয়ে। যা ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত। ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত এই করিডরটি বাংলাদেশ ও নেপালের মাঝ বরাবর অঞ্চল দিয়ে গেছে।

বাংলাদেশের ওপর নিয়ে ভারতের রেল নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্য হলো ‘চিকেন নেক’ নামের এই করিডরটির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমানো।

সামরিক এবং বেসামরিক পণ্য পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেন নেক’ রেল করিডরটি নিয়ে ২০১৭ সালে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিল ভারত। ওই বছর ডোকলাম অঞ্চল নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে বিবাদ দেখা দেয়। আর এই রেল করিডরটি তখন বিবদমান অঞ্চলের মাঝে পড়ে যায়। যা দেশটির জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

এই প্রকল্পে বাংলাদেশকে যুক্ত করা ১৪টি নতুন রুট থাকবে। রুটগুলোতে সব মিলিয়ে রেললাইন থাকবে ৮৬১ কিলোমিটার। সঙ্গে থাকবে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে যাওয়া বিকল্প রুটটি। এতে করে সব মিলিয়ে এই প্রজেক্টে রেললাইন হবে ১ হাজার ২৭৫.৫ কিলোমিটার।

প্রকল্পের অংশ হিসেবে পুরোনো রেললাইন বদলে নতুন রেললাইন স্থাপন করা হবে। অপরদিকে বাংলাদেশে তৈরি করা হবে নতুন রেললাইন।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া আরও জানিয়েছে, ভারত বাংলাদেশে রেললাইন তৈরি করবে ১৯৮০ সালের বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা নিয়ে।

ভারতের নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের সিপিআরও সব্যসাচি দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘এটি কলকাতা থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে যাওয়ার সময় কমিয়ে দেবে। এ ছাড়া এই রেল নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগও সমৃদ্ধ করবে। এটি প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য এবং পর্যটন খাত বৃদ্ধি করবে।’

পরীক্ষামূলক যাত্রার জন্য ভারতের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, তারা বাংলাদেশের ওপর দিয়ে দেশটির এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ট্রেন নিতে চায়। ভারত এর আগে প্রস্তাব দিয়েছিল, পরীক্ষামূলক যাত্রার পণ্যশূন্য রেলগাড়ি ভারতের গেদে থেকে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় আসবে। সেখান থেকে পাবনার ঈশ্বরদী, নাটোরের আব্দুলপুর, দিনাজপুরের পার্বতীপুর, নীলফামারী সীমান্তবর্তী চিলাহাটী স্টেশন হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার হলদিবাড়ী স্টেশনে যাবে। তবে দেশটির নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী ট্রেনটি হলদিবাড়ী থেকে যাবে ভুটান সীমান্তবর্তী ডালগাঁও স্টেশন পর্যন্ত।

ডালগাঁও পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার একটি স্টেশন। এই স্টেশন হয়ে নিউ জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ার রেললাইন গেছে। এই লাইন উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্যকে যুক্ত করেছে দেশটির মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে।

ভূরাজনৈতিক কারণে এ রেলপথ ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা থেকে দেশটির উত্তর-পূর্বগামী ট্রেন জলপাইড়গুড়ির ‘চিকেন নেক’ করিডর ঘুরে যায়। বাংলাদেশের দর্শনা-ঈশ্বরদী-আব্দুলপুর-পার্বতীপুর-চিলাহাটী হয়ে গেলে ৩০০ কিলোমিটার পথ কমবে। আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম, মণিপুর, অরুণাচল রাজ্যের সঙ্গে বাকি ভারতের রেল যোগাযোগ সহজ হবে।


ঈদযাত্রায় ৯২ দুর্ঘটনায় ৯৫ জনের মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোরবানির ঈদযাত্রায় ৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ফিরতি যাত্রায় দুর্ঘটনা বাড়ে। তবে এ বছর এখন পর্যন্ত কম আছে। শেষ পর্যন্ত কি দাঁড়ায় সেটা বলা যায় না। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক দুর্ঘটনা বেশি হচ্ছে। বুধবার সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

এদিকে ঈদের দিন সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ওইদিন দেশের সাত জেলায় মোট আটটি দুর্ঘটনায় এসব প্রাণহানি ঘটে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে গাজীপুরে। এ জেলায় দুটি দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও দিনাজপুরে দুজন করে এবং বগুড়া, নওগাঁ ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে।

অন্যদিকে ঈদ ঘিরে মঙ্গলবার (১৮ জুন) পর্যন্ত চার দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে রাজধানীর পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ১৪৭ জন ভর্তি হয়েছেন বলে জানা গেছে। একই সময়ে কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে এবং অন্যভাবে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ১৭৫ জন ভর্তি হয়েছেন এই হাসপাতালে।

এ ছাড়া কোরবানির মাংস কাটতে গিয়ে শুধু ঈদের দিনেই ১৭০ জন মৌসুমি ও শখের কসাই আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. কাজী শামীম উজ্জামান বলেন, ‘গত শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মোট ৩২২ জন রোগী দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আমাদের এখানে ভর্তি হয়েছেন। আরও কিছু ছিলেন, তারা অল্প আঘাত বা আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সেসব রোগী চলে গেছেন। ভর্তিদের মধ্যে ১৪৭ জন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার।’

এদিকে বুধবার নেত্রকোনা ও বরিশালের পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দৈনিক বাংলার জেলা প্রতিনিধিদের তথ্যমতে, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় বাসের ধাক্কায় শাকিল মিয়া (১৭) নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক নিহত হয়েছেন। এতে আরও তিনজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে স্থানীয়রা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেন।

অন্যদিকে বরিশালের উজিরপুরে যাত্রীবাহী বাস ও বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় বাস ও মাইক্রোবাসের দুই চালকসহ গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। বুধবার দুপুরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার আটিপাড়া এলাকার সরদার বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বৃষ্টি ঝালকাঠি সদরের কৃষ্ণকাঠি এলাকার আব্দুর জলিলের মেয়ে।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নির্দেশমালা প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

দাপ্তরিক কার্যাবলি সুনির্দিষ্ট ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪ প্রণয়ন করা হয়েছে। সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ ও রুলস্ অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী এই নির্দেশালা প্রণয়ন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার ও গবেষণা অনুবিভাগ।

সম্প্রতি ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ প্রকাশ করা হয়। বিদ্যমান নির্দেশমালা পরিমার্জন ও হালনাগাদ করার লক্ষ্যে ৮টি সভা ও ২টি কর্মশালার আয়োজন করে।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত মতামত ও পর্যবেক্ষণসমূহ বিবেচনা করে আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি ‘সচিবালয় নির্দেশমালা-২০২৪’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।

২০২৪ সালের ২ জুন প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিতে ‘সচিবালয় নির্দেশমালা-২০২৪’ অনুমোদিত হয়। এরপর গত ১২ জুন তা বই আকারে প্রকাশিত হয়।

এই নির্দেশমালায় ৮টি নির্দেশ, ৩০টি উপনির্দেশ ও ৩১টি ক্রোড়পত্র নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। ৮৮টি নির্দেশ, ৯৪টি উপনির্দেশ ও ১৩টি ক্রোড়পত্রের আংশিক সংশোধন এবং ২টি নির্দেশ ও ৩টি উপনির্দেশ বিলুপ্ত করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সচিবালয় নির্দেশমালা প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে। ওই নির্দেশমালার ভাষা ছিল ইংরেজি। ১৯৭৮ সালে সচিবালয় নির্দেশমালা বাংলায় অনুবাদ করা হয়। এরপর সচিবালয় নির্দেশমালার দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে। সচিবালয় নির্দেশমালার সর্বশেষ সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০১৪ সালে।


মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক বলেছেন, বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর অনুষ্ঠিত এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। আজ বুধবার জেনেভায় বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।

স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে তিনি রাখাইনে রোহিঙ্গাদের আত্তীকরণের জন্য তাদের জীবিকার ব্যবস্থা উন্নয়নকল্পে বিনিয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি রাখাইনের বুথিডংয়ে রোহিঙ্গা গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া, রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা এবং তাদের জোরপূর্বক বিভিন্ন সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগের সাম্প্রতিক খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি মিয়ানমারে যুদ্ধরত সব পক্ষকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সম্প্রতি বাংলাদেশের জনগণ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি চালানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিয়ানমারের যেকোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে প্রভাবিত না করে।

তিনি বাংলাদেশে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া তিনি মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারকে ন্যায়বিচার অর্জন এবং রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা ইস্যুকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অনুরোধ করেন।

সংলাপের শুরুতে মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক কাউন্সিলে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর একটি প্রতিবেদন পেশ করেন।

হাইকমিশনার সাম্প্রতিক সহিংসতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক সশস্ত্র বাহিনীতে নিয়োগ এবং রাখাইনে ঘৃণ্য যুদ্ধ-কৌশল নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করার জন্য সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশন ১৮ জুন জেনেভায় শুরু হয়েছে। আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত এ অধিবেশন চলবে।


আগামী ২১ জুন ভারত সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে উদ্দেশে আগামী (২১ জুন) শুক্রবার নয়া দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গুরুত্বপূর্ণ এ দ্বিপাক্ষিক সফর উপলক্ষে আগামী ২১ থেকে ২২ জুন নয়া দিল্লিতে অবস্থান করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতে রাষ্ট্রীয় সফরে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গী দল (২১ জুন) বেলা ২টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে পালাম বিমান বন্দরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। দিল্লিতে পৌঁছার পর ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর।

দ্বিতীয় দিন (২২ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নয়া দিল্লির ফোরকোর্টে রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করবেন। এসময় দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হবে। ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ছবিও তোলা হবে এই সংবর্ধনা পর্বে।

এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজঘাটে অবস্থিত মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পরিদর্শন বইয়ে সই করবেন।

একইদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক উপলক্ষে হায়দ্রাবাদ হাউসে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনা এবং দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এমওইউ ও চুক্তি বিনিময় এবং দুই নেতার প্রেস বিবৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এখানে।

এছাড়াও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে রাষ্ট্রীয় মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ছবি তোলার আয়োজনও থাকছে এই পর্বে।

আগামী (২২ জুন) বিকেলে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখারের সঙ্গে তার সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুনরায় ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে যাবেন। এসময় ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে।

দুদিনের এ সফর শেষে (২২ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে করে ঢাকার উদ্দেশে নয়া দিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


‘পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরিবেশ দূষণ রোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খানের সঙ্গে পৃথক পৃথক বৈঠককালে আজ বুধবার এসব কথা বলেন সাবের হোসেন চৌধুরী।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং সড়ক মহাসড়ক নির্মাণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে তার কার্যালয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সহযোগিতায় দূষণকারী পরিবহন বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাবের চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব হতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এজন্য জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার সাথে স্বাস্থ্য বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কিভাবে একসাথে কাজ করবে সে বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে তার অফিস কক্ষে আলোচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন রকমের পরিবেশ দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। যাত্রা, বাউল গান, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দূষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হবে।

বৈঠকগুলোতে মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একসাথে কাজ করে বাংলাদেশের পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে চাই। সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারিত থাকবে, যার সাথে সমন্বয় করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো হতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সাথেও বৈঠক করা হবে।’


‘সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস’

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ‘কবি সুফিয়া কামাল রচিত সাহিত্যকর্ম নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। কবির জীবন ও আদর্শ এবং তার কালোত্তীর্ণ সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।’

কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ বুধবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ জুন) নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী।

রাষ্ট্রপতি কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তৎকালে বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া করেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। সুললিত ভাষা ও ব্যঞ্জনাময় ছন্দে তার কবিতায় ফুটে উঠত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের পাশাপাশি সমাজের সার্বিক চিত্র। নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া ছিলেন তার অনুপ্রেরণার উৎস।

তিনি বলেন, কবির প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশিত হয় সওগাত পত্রিকায় ১৯২৬ সালে। ১৯৩৮ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ প্রকাশিত হলে রবীন্দ্রনাথ এ কাব্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন, যার ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। সুফিয়া কামাল দীর্ঘকাল সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা ও নারী কল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে তিনি ছিলেন অগ্রদূত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য।


দুর্যোগ আসলে ভয় পেলে চলবে না: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেটে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে সিলেটবাসীকে ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান (এমপি)। আজ বুধবার সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে এসে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে আজ বুধবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে প্রতিমন্ত্রী সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভৌগোলিক কারণে সিলেট দুর্যোগপূর্ণ এলাকা। তাই বার বার বন্যার কবলে পড়ে এ অঞ্চল। জাপান, নেপাল ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশও এভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগে পড়ে। সিলেটের দুর্যোগের বিষয় মাথায় রেখেই এখানে উন্নয়ন করা হচ্ছে। দুর্যোগ আসলে ভয় পেলে চলবে না। সাহস ও ধৈর্য নিয়ে এর মোকাবেলা করতে হবে।’

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী সিলেট এসে পৌঁছালে তাকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী (সিলেট-২ আসনের) এমপি, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি, সাবেক প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী (এনডিসি), সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দীন খান এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান বেলা আড়াইটার দিকে সিলেট মহানগরের মিরাবাজারস্থ কিশোরী মোহন বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন কনের ও সেখানে ত্রাণ বিতরণ করেন।

বিষয়:

মিনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান।

গত সোমবার মিনায় অনুষ্ঠিত বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ সাক্ষাৎ হয়। আজ বুধবার (১৯ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গত (১১ জুন) স্ত্রী নুরান ফাতেমাকে নিয়ে হজ করতে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। ওই সময় বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তাকে বিদায় জানান ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসেফ ঈসা আল দুহাইলান।

চলতি বছর হজ করতে দেশ থেকে সৌদি আরব গেছেন ৮৫ হাজার ২৫৭ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২১ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। দেশে ফেরার ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই।


সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় জানানো হয়, ‘সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।’

এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চারটি বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে দুই বিভাগে ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের শঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে।


হজে গিয়ে আরও তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

আরাফাতের ময়দানে আগত হজযাত্রীরা। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এ বছর হজে গিয়ে সৌদি আরবে মোট ২১ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। গত দু’দিনে আরও তিন বাংলাদেশি হাজির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার হজ পোর্টালে আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। হজশেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২০ জুন) থেকে দেশে ফেরার ফ্লাইট শুরু হবে বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

গতকাল মঙ্গলবার রাত ৩টা পর্যন্ত বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর হজ পালনে সৌদি আরবে গিয়ে মোট ২১ বাংলাদেশি মারা গেছেন। সবশেষে তোফাজ্জল হক (৭০) নামে একজন হাজি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ১৮ জন, আর নারী ৩ জন, যাদের ১৬ জনই মারা গেছেন মক্কায়, ৪ জন মদিনায় এবং একজন মারা গেছেন জেদ্দায়।

এ দিকে, গতকাল মঙ্গলবার দুই আরব কূটনীতিকের বরাতে গার্ডিয়ানে বলা হয়, সৌদি আরবে এ বছর হজ পালনে গিয়ে কমপক্ষে ৫৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের বেশিরভাগেরই মৃত্যু হয়েছে তীব্র গরমের কারণে।

গত ৯ মে থেকে ১২ জুন পর্যন্ত সৌদি আরবে গেছে ২১৮টি ফ্লাইট। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১০৬টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ৩৭টি ফ্লাইট। হজশেষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হবে দেশে ফেরার ফ্লাইট। ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ২২ জুলাই।

বিষয়:

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শেষ হয়েছে ঈদের ছুটি। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদুল আজহার ছুটি উদযাপন শেষে আজ বুধবার সকাল থেকেই ব্যস্ত হতে শুরু করেছে রাজধানী ঢাকা। ঈদের তৃতীয় দিন সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুরের ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষজনকে ফিরতে দেখা গেছে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আজ থেকে নতুন সময়ে চলবে অফিস-আদালত। সকাল ৯টা থেকে শুরু করে বিকেলে ৫টা অবধি আগের নিয়মেই চলবে কাজ। সাপ্তাহিক শুক্র-শনি থাকবে বন্ধের দিন।

মূলত, ঈদ উপলক্ষ্যে ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন (রোব, সোম ও মঙ্গলবার) তিনদিন ছিল সরকারি ছুটি। এর আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। এ কার‌ণে এবারের ঈদের ছুটি পড়েছে পাঁচদিন। ফ‌লে টানা পাঁচদিন ঈদের ছুটি শেষে আজ বুধবার অফিসপাড়ায় যোগ দিচ্ছেন কর্মজীবীরা।

ঢাকায় ফিরে আসা একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা বলেন, ‘চাকরিতে আজ যোগ দেওয়ার জন্য ফিরে আসতে হলো। তবে বাচ্চাদের স্কুল-কলেজ আরও পরে খুলবে। সেজন্য তাদেরকে গ্রামের বাড়িতে রেখে এসেছি। আমি একাই ফিরে এসেছি। আজ সবে মাত্র ঈদের তৃতীয় দিন। আরও কয়েকটা দিন তারা ঈদের আনন্দ উপভোগ করুক।’

অপরদিকে, ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশে ট্রেনযাত্রার জন্য প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অনেককে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া অভিমুখী তিতাস কমিউটার, জামালপুর অভিমুখী জামালপুর এক্সপ্রেস, পঞ্চগড় অভিমুখী একতা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ অভিমুখী কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, সিলেটের জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, তারাকান্দি অভিমুখে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস এবং খুলনা অভিমুখী নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদেরকে ঢাকা ছাড়ার জন্য সময়সূচি অনুযায়ী প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

ঢাকা রেলস্টেশন স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, এখনো ঈদযাত্রার চাপ আছে। ঢাকা থেকে বিভিন্ন জায়গায় বেড়ানোসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে মানুষজন ছেড়ে যাচ্ছেন। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি সময়মতো ট্রেনগুলো ছাড়ার জন্য। এখন পর্যন্ত সব শিডিউল ঠিক আছে বলেও জানান তিনি।

বিষয়:

আজ থেকে খুলছে অফিস, চলবে নতুন সময় অনুযায়ী

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৯ জুন, ২০২৪ ০০:০১
বাসস

ঈদুল আজহার ছুটির পর আজ বুধবার থেকে খুলছে অফিস। দেশের সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঈদুল আজহার ছুটির পর, প্রথম কর্মদিবস আজ থেকে নতুন এ অফিস সময়সূচি কার্যকর হচ্ছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি কোর্ট-কাচারী ও স্টক মার্কেট চলবে। গত ৩ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বাংলাদেশে স্বাভাবিক সময়ে অফিস চলতো সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়। এখন আবার আগের সময়সূচিতে ফিরছে অফিস সময়।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অফিস চলবে। তবে দুপুর একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের জন্য বিরতি থাকবে। আর শুক্রবার ও শনিবার ছুটি থাকবে।’

এখন কী কারণে অফিস সময় পুনঃনির্ধারণ করা হলো, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটিই তো স্বাভাবিক ছিল। দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ হবে। ৫ দিনে ৪০ ঘণ্টা। এতোদিন ৩৫ ঘণ্টা কাজ হতো, কিন্তু সেটি বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। এখন আবার মূল অবস্থায় আসা হলো।


banner close