বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

‘জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা জরুরি’

সাভারে ব্রাক সিডিএমে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট ফাইন্যান্স এক্সেস অ্যান্ড মোবিলাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় শনিবার বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। ছবি: পিআইডি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১ জুন, ২০২৪ ১৫:২৩

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের জলবায়ু কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ৮শ ৭৬ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

আজ শনিবার সাভারে ব্রাক সিডিএমে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট ফাইন্যান্স এক্সেস অ্যান্ড মোবিলাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আজ দেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০৫০ সালের মধ্যে অভিযোজনের জন্য ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন। মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা (এমসিপিপি) এবং বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০’র জন্য চিহ্নিত অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য ৪৭১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এলক্ষ্যে উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য সরকার বাংলাদেশ জলবায়ু উন্নয়ন অংশীদারিত্ব গঠন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন শুধুমাত্র একটি পরিবেশগত বিষয় নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং উন্নয়নমূলক বিষয়, যা আমাদের সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে। জলবায়ু অর্থায়ন সংগ্রহ আমাদের নিম্নকার্বন, জলবায়ু-সহনশীল অর্থনীতিতে রূপান্তরকে সমর্থন করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিল এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে এবং জলবায়ু অর্থায়নে প্রবেশাধিকার, ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার কার্যকর করার জন্য আমাদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।’

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোর উন্নয়নশীল দেশগুলোকে তাদের জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করার নৈতিক এবং আইনগত দায়িত্ব রয়েছে। আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারদের তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো সম্মান করতে এবং পূর্বানুমেয়, পর্যাপ্ত এবং প্রবেশযোগ্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করার আহ্বান জানাই। আমাদের সবুজ বন্ড, জলবায়ু বীমা এবং পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়নের উৎসগুলোও খুঁজে বের করতে হবে। প্রয়োজনীয় সম্পদ সংগ্রহ করতে রূপান্তরমূলক কর্ম বাস্তবায়ন করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ভালো, নিরাপদ এবং টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, সুইডেনের দূতাবাসের উন্নয়ন সহযোগিতার উপপ্রধান নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম, ব্রিটিশ হাই কমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার এবং উন্নয়ন পরিচালক ম্যাট ক্যানেল, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি স্টেফান লিলারও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।


আজ থেকে সীমিত পরিসরে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু

ফাইল ছবি
আপডেটেড ২৫ জুলাই, ২০২৪ ০০:০৩
বাসস

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী অস্থিরতার মধ্যে রেল চলাচল বন্ধের এক সপ্তাহ পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে কারফিউ শিথিল হওয়ার সময় সীমিত পরিসরে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করবে।

জানতে চাইলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব হুমায়ুন কবীর গতকাল বুধবার বিকেলে গণমাধ্যমকে একথা জানান।

হুমায়ুন কবীর বলেন, কারফিউ শিথিল হওয়ার সময় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-টঙ্গী রুটসহ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অঞ্চলের অন্যান্য রুটেও স্বল্প দূরত্বে কমিউটার ট্রেনগুলো চলাচল করবে।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনা করে সার্বিকভাবে দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের বিষয়ে আমরা আগামীকাল (আজ) আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।

সচিব বলেন, মালবাহী ট্রেনগুলি কার্যক্রম শুরু করেছে, অন্যান্য ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকার সময় তেল ট্যাঙ্কার বহনকারী ট্রেনগুলি বাধাহীন ছিল।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে ১৮ জুলাই বিকেল থেকে সমস্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখে।


শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম। এবারের তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে একই অবস্থানে আছে ফিলিস্তিন। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স প্রকাশিত সূচকে এসব তথ্য জানা গেছে। হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ওয়েবসাইটে সূচকটি প্রকাশ করা হয়েছে।

সূচকে দেখা গেছে, সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট। সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা এখন বিশ্বের ১৯৫টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন এরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও স্পেন।

আর বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা ৪০টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন এরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের স্থান ৫২তম, এ পাসপোর্টধারীরা ৯৪ দেশে ভিসা ছাড়া বা অন এরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। তালিকায় ভারতের স্থান ৮২তম, ভারতের পাসপোর্টধারীরা ৫৮ দেশে ভিসা ছাড়া বা অন এরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন।

ভুটানের স্থান ৮৭তম, এ পাসপোর্টধারীরা ৫২ দেশে ভিসা ছাড়া বা অন এরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন এবং শ্রীলঙ্কার স্থান ৯৩তম, এ পাসপোর্টধারীরা ৪৪ দেশে ভিসা ছাড়া বা অন এরাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। ৪০টির কম দেশে ভিসা বা অন এরাইভাল ভিসায় প্রবেশাধিকার রয়েছে এমন দেশের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, নেপাল ও আফগানিস্তান।


ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় বিপদে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মুক্ত পেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সাররা। কেননা এ খাতের পুরোটা ইন্টারনেটনির্ভর। কয়েক দিন ইন্টারনেট না থাকায় সারা দেশের ফ্রিল্যান্সাররা বিদেশ থেকে গ্রাহক বা বায়ারের পাঠানো বার্তার উত্তর দিতে পারছেন না। আবার কারও কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার সময় পার হয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

ফ্রিল্যান্সারদের মতে, ইন্টারনেট চালু থাকলে এ ধরনের ক্ষতি হতো না। রাজধানী ঢাকার ফ্রিল্যান্সার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফাইভআরে (ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া–নেওয়ার ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেস) তিনটি নতুন কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ায় গ্রাহকের সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ফলে এখন কাজগুলো আছে কি না, তা বুঝতে পারছি না। কাজগুলো বাতিল হয়ে গেলে আমার ১৫ থেকে ২০ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতি হবে।’

ঢাকার আরেক ফ্রিল্যান্সার নয়ন মিয়া বলেন, ‘একসঙ্গে অনেক কাজ করছিলাম, সেগুলো শেষ পর্যায়ে থাকলেও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকার কারণে গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারিনি। আমার মার্কেটপ্লেসের অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যায় কি না, সেই ভয়ে আছি। এ ক্ষতির পরিমাণ বুঝিয়ে বলা যাবে না। এককথায় বিপদে আছি।’

নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরের ফ্রিল্যান্সার শেখ মেহেদি হাসান বলেন, “অনেক কাজ সময়মতো গ্রাহককে বুঝিয়ে দিতে পারিনি। আর তাই ফাইভআরের (অনলাইন মার্কেটপ্লেস) ‘গিগ র‍্যাংক’ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।”

নেত্রকোনার সুমন হোসেন বলেন, “অনেক গ্রাহক বার্তা পাঠালেও সেগুলোর উত্তর সময়মতো দিতে না পারায় ফাইভআরের রেসপন্স রেট বেড়ে যাবে। এ ছাড়া সময়মতো কিছু গ্রাহকের কাজ বুঝিয়ে দিতে না পারায় ফাইভআরের ‘টপ রেটেড ব্যাজ’ হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।”

গাজীপুরের কামরুল আহমেদ বলেন, ‘বেশ কয়েকজন নতুন গ্রাহকের কাজ করছিলাম। সময়মতো আমার সাড়া না পেয়ে তারা যদি ফাইবারের কাছে অভিযোগ করে, তবে আমার ১ লাখ ১০ হাজার ডলার আয়ের আইডি বাতিল হয়ে যেতে পারে।’

ইন্টারনেট বন্ধ থাকার ফলে ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষতির বিষয়ে বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান তানজিবা রহমান বলেন, ‘খুব খারাপ অবস্থা। আমাদের যদি একটু আগে ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি জানানো হতো, তাহলে আমরা সে অনুযায়ী দ্রুত ফ্রিল্যান্সার ও গ্রাহকদের সতর্ক করে ই–মেইল বার্তা পাঠাতে পারতাম। ফলে ফ্রিল্যান্সাররা সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি গ্রাহকরাও জানতে পারতেন, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে সমস্যা হতে পারে। সে সুযোগও আমরা পাইনি। এখন আমাদের ফ্রিল্যান্সারদের পর্যালোচনা (রিভিউ) কমে যাবে। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন ফ্রিল্যান্সাররা। আমরা পিছিয়ে পড়ব। আমাদের ফ্রিল্যান্সারদের রিভিউ কমে সব কাজ চলে যাবে ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশে।’

এশিয়া জোনের বাংলাদেশ ফাইভআর কমিউনিটির প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের ফ্রিল্যান্সাররা দীর্ঘমেয়াদি ধাক্কা খেল। এতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে একজন ফ্রিল্যান্সারের জন্য ঘুরে দাঁড়ানো কষ্টকর হবে। এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রায় ছয় মাস সময় লাগবে। ধরুন, ফাইভআরে ১০ লাখ কাজের ফরমায়েশ আছে, যার ৭০ শতাংশই বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে ছুটে যাবে। কারণ, গ্রাহকরা বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অপেক্ষা করবে না। তাদের দরকার কাজ, তারা অন্য জায়গায় চলে যাবে। তবে আমি কমিউনিটি ম্যানেজার হিসেবে ফাইভআরে ‘ক্রাইসিস অ্যালার্ট’ দিয়ে রেখেছি, যার ফলে ফ্রিল্যান্সারদের নতুন করে যেন সমস্যায় পড়তে না হয়।”


সহিংসতায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

কোটা আন্দোলনকে ঘিরে যারা সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড জড়িত ছিল তাদের প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ বুধবার রাজধানীর রামপুরায় রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঢাকা কেন্দ্র ও সদর দপ্তর ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দুর্বৃত্তদের সাম্প্রতিক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়-ক্ষতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তন্ময় দাস ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটা আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে প্রত্যেকটি ঘটনায় কারা জড়িত ছিল সেটি বের করে আনবে। সরকার সহিংসতার অপরাধে জড়িত প্রত্যেককে শাস্তির আওতায় আনতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বহু সরকারি স্থাপনায় দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে। ছাত্রদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে এসব হামলা চালিয়েছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির কাজ শুরু হচ্ছে। তদন্তের মাধ্যমে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিটিভির অভ্যন্তর পরিদর্শন করে মনে হয়েছে এটি একটি যুদ্ধ ক্ষেত্র। সহিংসতার সময় বিটিভির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভয়ার্ত কন্ঠে ফোন করে তাদের জীবন রক্ষার জন্য অধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছেন। তাদের জীবন ভয়ানক ঝুঁকির মধ্যে ছিলো।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা আক্রমণের ধরণ দেখেছেন। তারা ভবনে প্রবেশ করে অগ্নিসংযোগ করেছে। আমরা পুলিশ ফোর্স পাঠিয়েছি, কিন্তু তাদের গুলি করার নির্দেশনা ছিলনা। কারণ সরকার অধিক সংঘর্ষ, হতাহত ও প্রাণহাণি হোক সেটা চায়নি। এমনকি আমাদের সহকর্মীদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও অমরা চরম ধৈর্য দেখিয়েছি।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকটি হতাহত ও প্রাণহাণির ঘটনা দূর্ভাগ্যজনক ও অপ্রত্যাশিত। এর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে যাচ্ছিলাম। আমরা বারবার বলেছি রাজপথে ছাত্রদের যে দাবি, একই কারণে সরকার আদালতে লড়াই করছে। আমরা ছাত্রদের ধৈর্য ধরতে বলেছিলাম এবং একটি ভালো ফলাফল আশা করছিলাম এবং তাদের আশাহত না হতে বলেছিলাম। চূড়ান্তভাবে সর্বোাচ্চ আদালতের রায়ে সেটিই আপনারা দেখেছেন।

এরআগে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ টেলিভিশনে সাম্প্রতিক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ও বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।


ধারণা ছিল, এ ধরনের একটা আঘাত আসতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংস পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধারণা ছিল, এ ধরনের একটা আঘাত আসতে পারে। আজ বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এডিটরস গিল্ডসের উদ্যোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, বার্তাপ্রধান এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী পূর্বানুমানের কথা জানিয়ে বলেন, আমি জানতাম, ইলেকশন করতে দেবে না। তারপরও আমরা ইলেকশন করে ফেলেছি। ইলেকশন করার পর ইলেকশন গ্রহণযোগ্য হবে না, সেটাও গ্রহণযোগ্য আমরা করতে পেরেছি। সরকার গঠন করতে পেরেছি। আমার ধারণা ছিল, এ ধরনের একটা আঘাত আবার আসবে।

কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে অনেক বড় ষড়যন্ত্র ছিল জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, এটা যে একটা বিরাট চক্রান্ত, সেটা বোঝাই যাচ্ছিল। এই যে লোক চলে আসা, এবার আমরা কিন্তু আগে থেকে খবর পেয়েছি লোক ঢুকবে। গোয়েন্দা দিয়ে সব হোটেল, কোথায় থাকতে পারে, সেগুলো কিন্তু নজরদারিতে আনা হয়েছে। কিন্তু ওরা সেখানে ছিল না। এরা চলে এসেছে ঢাকার ঠিক বাইরের পেরিফেরিতে (সংলগ্ন এলাকায়)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বাংলাদেশ থেকে শিবির-জামায়াত এরা কিন্তু এসেছে। সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু ছাত্রদলের ক্যাডাররাও কিন্তু সক্রিয় ছিল। যতগুলো ঘটনা ঘটেছে এরাও (বিএনপি) কিন্তু সক্রিয় ছিল। আরেকটা জিনিস খেয়াল করবেন, তখনও কিন্তু লাশ পড়েনি। কিন্তু স্টেট ডিপার্টমেন্টের (যুক্তরাষ্ট্রের) বক্তব্যে এসে গেল, লাশ পড়েছে। লাশের খবর তাদের কে দিল? তাহলে লাশ ফেলার নির্দেশটা কে দিয়েছে, এটাও খবর নেওয়া দরকার। তারপর কিন্তু লাশ পড়তে শুরু করল।

কোটা আন্দোলন ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতায় মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাংলাদেশ টেলিভিশন, দুর্যোগ ভবন, সেতু ভবন, বিআরটিএ, ডাটা সেন্টারে হামলা ও অগ্নিসংযোগের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা তো বারবার তাদের সঙ্গে বসলাম। প্রজ্ঞাপন সেটাও করা হলো। তাদের কোনো দাবি তো পূরণ করা ছাড়া রাখিনি। যে দাবি তারা করেছিল কোটা সংস্কারের, যতটুকু চেয়েছিল, তার থেকে অনেক বেশি দিয়েছি।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিষয়ে সরকারের সহানুভূতিশীল মনোভাবের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সবসময় তাদের সহানুভূতি দেখিয়েছি। তাদের সবসময় নিরাপদ রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু যেসব ঘটনা ঘটেছে, তাতে কখনো ক্ষমা করা যায় না।

দেশবাসীকে সব ধরনের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হলো, পোশাক তৈরি করা হলো কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট, ফলস (ভুয়া) আইডি কার্ড, পেছনে ব্যাগের মধ্যে কী আছে, পাথর আর ধারালো অস্ত্র। মসজিদে অস্ত্র নিয়ে ইমামকে মাইকিং করতে বাধ্য করা, এই যে জঙ্গিবাদের বীভৎস চেহারা সবার সামনে চলে এলো, এর বিরুদ্ধে জাতিকে, সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, দেশবাসীকে অনুরোধ করব, যারা এ ধরনের দেশের সর্বনাশটা করল, যারা আজ গণমানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য, তাদের আয় বৃদ্ধি, তাদের চলাচলের সুবিধার জন্য, তাদের জীবনমান উন্নত করার জন্য যতগুলো স্থাপনা তৈরি করেছি, সবগুলোতেই তারা আঘাত করেছে, সবগুলো তারা ভেঙে দিয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, (এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে) ক্ষতিটা কার? নিশ্চয়ই জনগণের। এখানে তো জনগণকেই রুখে দাঁড়াতে হবে, এ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, জনগণকেই সোচ্চার হতে হবে। কারণ এরা তো কোনদিনই কোনো দেশে ভালো কিছু করতে পারেনি।

বিগত বছরগুলোতে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত এবং স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জঙ্গিবাদ দমন করে দীর্ঘসময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেছি। সেই জায়গায় আজ চরম একটা আঘাত দিল।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কারফিউ দেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি তো চাইনি আমাদের গণতান্ত্রিক ধারায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটুক, আমাদের কারফিউ দিতে হোক। একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটা আমাদের কাম্য ছিল না। কিন্তু আজ না দিয়ে কোনো উপায় ছিল না। না দিলে আরও যে কত লাশ পড়ত, তার হিসাব নেই।

তিনি বলেন, সত্যি কথা বলতে কি, দীর্ঘ সংগ্রামের পর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত ছিল, দেশে উন্নতিও করতে পেরেছিলাম। মাত্র ১৫ বছরের মধ্যে যে উন্নয়ন করেছি আর কে পেরেছে এর আগে।

গণমাধ্যমগুলোকে সঠিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, এটা ঠিক অনেকে গুজবে কান দেয়। কান নিয়ে গেছে চিলে, ওটার পেছনে ছোটে, কানে হাত দিয়ে দেখে না কান আছে কি না। মিথ্যাচারের হাত দেখে মানুষকে রক্ষা করুন, মানুষ যাতে সঠিক তথ্য জানতে পারে, সেভাবে সংবাদ পরিবেশন করুন।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি এর সুফলও মানুষ পেল, কুফলও মানুষ পেল। আপনাদের কাছে যা তথ্য আছে, আপনারা তা ব্যাপকভাবে প্রচার করে জনমত সৃষ্টি করুন।

মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মো. নাঈমুল ইসলাম খান। স্বাগত বক্তব্য দেন এডিটরস গিল্ডসের প্রেসিডেন্ট মোজাম্মেল বাবু।


ধ্বংসযজ্ঞ দেখে বিদেশি কূটনীতিকেরা স্তম্ভিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে রাজধানীতে যে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে তা দেখে বিদেশি কূটনীতিকেরা স্তম্ভিত। আজ বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতায় ধ্বংসের শিকার বেশ কয়েকটি স্থান বিদেশি কূটনীতিকদের ঘুরিয়ে দেখানো হয়। এরপর তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশি কূটনীতিকদের মেট্রোরেল, সেতু ভবন ও বিটিভি ভবনের ধ্বংসযজ্ঞ দেখানো হয়েছে। তারা এসব ধ্বংসযজ্ঞ দেখে স্তম্ভিত, আমি নিজেও স্তম্ভিত। তারা বলেছেন, দিস ইজ শেম। তারা আমাদের পাশে থাকবেন।

তিনি বলেন, ১৯৬৪ সালে বিটিভি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনীও সেখানে হামলা চালায়নি। তবে এখন সেখানে পুরো বিল্ডিং পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি জনগণের সম্পত্তি। তবে পাকিস্তানি হানাদারদের কায়দায় সব জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাছান মাহমুদ জানান, বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি-জামায়াত বিক্ষোভ করেছে। লস অ্যাঞ্জেলেসে তাদের সমাবেশে পাকিস্তানিরা যোগ দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে প্রবাসীরা বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভে আরব আমিরাতে ৫৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনজনকে যাবজ্জীবন শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আরর আমিরাতে শ্রমিক না নেওয়ার নেয়ার গুজব ছড়ানো হয়েছে। শ্রমিক না নেওয়ার তথ্য ঠিক নয়। মন্ত্রী বলেন, আজকের পরিদর্শনে ৪৯ দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ২৩ জন ছিলেন রাষ্ট্রদূত। প্রতিটি ঘটনার ফুটেজ আছে। যারা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, ফুটেজ দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


১১ অঞ্চলে ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ বুধবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

আজ রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।


বাংলাদেশিদের জন্য দুবাইয়ের ভিসা বন্ধের খবরটি গুজব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা বন্ধ করেনি সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা বন্ধ হয়ে গেছে বলে যে খবর চাউর হয়েছে সেটি গুজব। আজ বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দুবাইয়ের ভিসা বন্ধ হয়নি। ভিসা বন্ধের তথ্য সঠিক নয়। এটি গুজব। আরব আমিরাতের ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, ভিসা বন্ধের তথ্য সঠিক নয়। এ নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু সড়কে জড়ো হয়ে কিছু বাংলাদেশি কর্মী বিক্ষোভ করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশটি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা বন্ধ করেছে মর্মে খবর চাউর হয়েছে।

দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমও এ খবর প্রকাশ করেছে। খবরে বলা হয়, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কোটাবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে প্রবাসীরা আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করায় ভিসা বন্ধ করেছে আমিরাত। সেই সঙ্গে ৫৭ জনকে সাজা দেওয়ার খবরও প্রচার হয়।

বিষয়:

হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হয়নি, দাবি র‍্যাব ডিজির

র‍্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. হারুন অর রশিদ। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সহিংসতা ঠেকাতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) হেলিকপ্টার থেকে কোনো গুলি করেনি বলে দাবি করেছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, হেলিকপ্টার থেকে সাউন্ড গ্রেনেড ও গ্যাস শেল ফায়ার করা হয়েছে। কোনো গুলি করা হয়নি।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আজ বুধবার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

র‍্যাব ডিজি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন সহিংসতায় পরিণত হয়, শুরু হয় ধ্বংসযজ্ঞ। এর ভয়াবহতা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানায়। পুলিশ ও তাদের স্থাপনাকে টার্গেট করা হয়। উত্তরা পূর্ব থানার সামনে এক র‌্যাব কনস্টেবলকে নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে রড দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। তিনি সিএমএইচে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আমাদের গাড়িও সেখানে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ছাদে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা আশ্রয় নেন। আমরা তাদের হেলিকপ্টার দিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করি।

তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলে হাইওয়ে পুলিশের অফিসে আগুন দেওয়া হয়। আমরা সেখান থেকেও পুলিশ সদস্যদের হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করি। দুর্বৃত্তদের আগুনে দুজন শ্রমিক সেখানে পুড়ে অঙ্গার হয়েছেন। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আগুন দেওয়া হয়েছে। সেতু ভবনের ৫০টিরও বেশি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দুর্বৃত্তরা আন্দোলনের নামে রাস্তা বন্ধ করে ছোট ছোট বাচ্চাদের সামনে বসিয়ে দিয়েছিল। ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে সরকার ও দেশকে অকার্যকর করে দিতে চেয়েছিল তারা। যখন আমরা রাস্তা ব্যবহার করতে পারছিলাম না, তখন হেলিকপ্টার ব্যবহার করে কাজ করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি মানুষের জীবন যাতে বাঁচানো যায় এবং ক্ষতিটা কমানো যায়।

হেলিকপ্টার না থাকলে র‌্যাব কীভাবে অভিযান পরিচালনা করত এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের হামলা এবারই প্রথম নয়। এর আগে অনেক সহিংসতা-নাশকতার ঘটনা ঘটেছে। আমরা সেগুলো হেলিকপ্টার ছাড়াই মোকাবিলা করেছি। ছাত্ররা যখন আন্দোলন করছিল, তখন কোনো সহিংসতা ছিল না। ছাত্ররা আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। সাধারণ মানুষও আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। আমরা তাদেরই প্রতিপক্ষ, যারা হামলা করেছে; দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। সাধারণ মানুষ ও ছাত্ররা আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্ত পাওয়ার পর তারা আর কোনো আন্দোলন করেনি। স্বাধীনতাবিরোধীরা সবসময়ই সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।

র‌্যাব সতর্ক ছিল কি না, সতর্ক থাকলে নিয়ন্ত্রণ করতে এত সময় কেন লেগেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশিদ বলেন, ১৯ জুলাই থেকে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর খুব দ্রুতই সিচুয়েশন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আমরা জাতিসংঘ মিশনেও দেখেছি এত দ্রুত করা হয় না। সময় নেওয়া হয়।

ছাত্রদের মধ্যে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকে আন্দোলনকে সহিংসতায় রূপ দেবে, এ তথ্য র‌্যাব আগে থেকে জানতে পারেনি? এ ক্ষেত্রে ইন্টেলিজেন্স (গোয়েন্দা) ব্যর্থতা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি সেটি বলছি না। পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টেছে। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, হামলাকারীরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। সুযোগ পেলেই হামলা, নাশকতা করে। যারা নাশকতার সঙ্গে জড়িত, তাদের আমরা ধরব। বিভিন্ন জায়গায় যারা নাশকতা করেছে, তাদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। আমাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক অনেক শক্তিশালী ও সুবিস্তৃত। প্রত্যেককে শনাক্ত করা হবে। আইনের আওতায় আনা হবে।

আন্দোলনে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। দুজন পুলিশ সদস্য স্নাইপার রাইফেলের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কারা স্নাইপার দিয়ে গুলি করল? তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সাংবাদিকরা জানতে চাইলে র‍্যাব ডিজি বলেন, অবশ্যই আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। তবে স্নাইপার ব্যবহার হয়েছে কি না, জানি না।


সারা দেশে ১ হাজার ১১৭ জন পুলিশ সদস্য আহত, নিহত ৩

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে সংঘাত-সহিংসতা চলাকালে এক হাজার ১১৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩২ জন গুরুতর আহত ও মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। আজ বুধবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নিহত তিনজন হলেন, নারায়ণগঞ্জের পিবিআইয়ে কর্মরত এসআই মাসুদ পারভেজ, ট্যুরিস্ট পুলিশের এসআই মুক্তাদির ও আরেক সদস্য গিয়াস উদ্দিন।

গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬৯ জন পুলিশ সদস্য রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন তিনজন। আহত আরও অনেকের অবস্থা গুরুতর।

রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ছাড়াও ঢাকা মেডিক্যাল, সোহরাওয়ার্দীসহ অন্যান্য হাসপাতালে অনেক পুলিশ সদস্য চিকিৎসা নিয়েছেন। এখনও অনেক পুলিশ সদস্য সেসব হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ হাসপাতালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও পরিদর্শন) মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, ২৭৭ জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়ে এই হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৮৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে ৬৯ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দুর্বৃত্তরা রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। হামলা থেকে রেহাই পাননি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও।


বাংলাদেশে মালয়েশিয়ান পেরোডুয়া গাড়ি তৈরির আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

মালয়েশিয়াকে তাদের পেরোডুয়া ব্র্যান্ডের গাড়ি বাংলাদেশে তৈরির সুবিধা স্থাপনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার সকালে মালয়েশিয়ার বিদায়ী হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে এলে এই আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও হাইকমিশনার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমল থেকে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ও বিদ্যমান সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব মোহাম্মদ নাঈমুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

পিএইচপি পরিবারের পিএইচপি মোটরস মালয়েশিয়ার একটি শীর্ষস্থানীয় অটোমোবাইল ব্র্যান্ড পেরোডুয়ার সঙ্গে তাদের গাড়ি ও এসইউভিগুলো বাংলাদেশে একত্রিত করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করার জন্য চুক্তি করেছে।

ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে, সে বিষয়ে হাশিম প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দিতে আপনার সামর্থ্যের ওপর আমার আস্থা আছে। আপনি পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে ও ভালোভাবে মোকাবেলা করছেন আর এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দূতের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রেস সচিব বলেন, তিনি দেখছেন সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে- যা মূলত দুটি টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি রবি ও এডটকো বাংলাদেশ দ্বারা চালিত হয়েছে এবং তারা এখানে তাদের মুনাফা পুনঃবিনিয়োগ করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে মালয়েশিয়ার বেশ কিছু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
এ লক্ষ্যে হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য সুবিধা তুলে ধরে দূত বলেন, তাদের অনেক হাসপাতাল সিঙ্গাপুরের কাছাকাছি। তবে চিকিৎসা সেবা বিবেচনা করলে খরচ সে তুলনায় কম। তাই, বাংলাদেশিরা সেখানে স্বাস্থ্য সুবিধা নিতে পারেন। কারণ, সিঙ্গাপুরের ৭০ জনেরও বেশি চিকিৎসক মালয়েশিয়ার।

অ্যাম্বাসেডর-এট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


রাতের মধ্যেই চালু হবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট: পলক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ রাত থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে সারা দেশে বাসা-বাড়িতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ বুধবার বিকেল ৪টার দিকে আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনের প্রধান সম্মেলন কক্ষে তিনি এ কথা বলেন।

ইন্টারনেট সেবা সম্পর্কিত সার্বিক বিষয়াবলী নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকে রাত থেকে ব্রডব্যান্ড কানেকটিভিটি বাড়ানো হবে। সারা দেশের বাসা-বাড়িতে আজকে রাত থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রডব্যান্ড চালু হবে। যা আগামীকাল পর্যন্ত আমরা পর্যবেক্ষণ করব।

আগামী রোববার বা সোমবার সারা দেশে মোবাইল ইন্টারনেট আসতে পারে জানিয়েছেন পলক বলেন, সম্প্রতি আমরা দৈনিক ৭০-৮০ কোটি টাকার ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছি। এছাড়া ফেসবুক ও ইউটিউব কোনভাবেই বাংলাদেশের আইন মানছে না। এমনকি তারা তাদের নিজেদের পলিসিও মানছে না। একইসঙ্গে আগামী সপ্তাহের রোববার বা সোমবার মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পলক আরও বলেন, ফেসবুক আমেরিকার কোম্পানি। তারা সেই দেশের সরকারের আইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে কিন্তু আমাদের দেশের পলিসি মানে না। আমাদের সাইবার স্পেস ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে হলে দেশের আইন মেনে ফেসবুককে স্যোসাল মিডিয়ায় চালাতে হবে। তারা (ফেসবুক) নিজেদের ব্যবসায়িক কথা চিন্তা করে কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের কথা চিন্তা করে না।

এসময় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশীয় উদ্যোক্তারা ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবের বিকল্প হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ তৈরি করলে আমরা সহযোগিতা করব। সহিংসতার বিষয়ে ফেসবুক, টিকটক ও ইউটিউবকেও চিঠি দেওয়া হবে। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।


নাশকতাকারীদের ছবি-ভিডিও দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যারা নাশকতা করেছে তাদের তথ্য এবং নাশকতার সময়ে অপরাধীর ধারণকৃত ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

আজ বুধবার পুলিশ সদর দপ্তরের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের পুলিশ সুপার ইনামুল হক সাগর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নাশকতা সৃষ্টিকারী ও দুষ্কৃতকারীদের সম্পর্কে তথ্য এবং অপরাধীর নাশকতার সময়ের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করুন।

তিনি আরও জানান, তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে। এই দুটি মোবাইল নম্বরে নাশকতাকারীদের তথ্য দিয়ে সহয়তার অনুরোধ জানানো হয়েছে- ০১৩২০-০০১২২২, ০১৩২০-০০১২২৩

প্রসঙ্গত, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতকারীরা। বিটিভি ভবন, মেট্রোরেল স্টেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, ডেটা সেন্টার, সেতু ভবন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, এক্সপ্রেসওয়ের টোলপ্লাজাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় দুর্বৃত্তকারী।

বিষয়:

banner close