বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
৪ ভাদ্র ১৪৩৩

‘নিষেধাজ্ঞা না থাকায় বেনজীর যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন’

এন্টিগা ও নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: পিআইডি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৩ জুন, ২০২৪ ১৫:২০

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ সোমবার এন্টিগা ও নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বেনজীর আহমেদের দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি। তিনি যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন। ৬ জুন তিনি দুদকে উপস্থিত হন কি না, সেটা দেখার বিষয়। দুদক এবং সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে বলে আজিজ আহমেদ ও বেনজীরের বিষয়গুলো সামনে আসছে।’

জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের নিয়ে জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন নিয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন কোনো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে হয়নি। ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের শান্তিরক্ষীদের খাটো করার জন্য করা হয়েছে। মাঝেমাঝেই আমাদের দেশবিরোধী প্রতিবেদন করে ডয়চে ভেলে। সেখানে কিছু বাঙালি জড়িত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব যেখানে প্রশংসা করেছেন, সেখানে ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনের কোনো মূল্য নেই। এই প্রতিবেদন অসাড় ও অন্তঃসারশূন্য।’

মালয়েশিয়ায় শ্রমিকরা যেতে না পারার পেছনে কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে জানিয়ে ড. হাছান বলেন, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার তারিখ বর্ধিত করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের জন্য ভোট চাইলেন তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্য ভোট চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের নবমতলায় বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সংসদ সদস্যদের কাছে ভোট চান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বহু বছর ধরে মির্জা ফখরুল দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি দলের হাল ধরেছেন, কখনো হাল ছাড়েননি। তাকে কারাবন্দিও করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সময়ে তারেক রহমানকে দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানান। সাংগঠনিক ঐক্য ধরে রাখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।


বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান। বুধবার (১৯ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখা থেকে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ নূর-এ-আলম।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, কোস্ট গার্ডের বর্তমান মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হককে তাঁর পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কোস্ট গার্ড সদর দফতর থেকে প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনরায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর চাকরি এখন থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে বলে সরকারি ওই আদেশে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নতুন দায়িত্ব পাওয়া রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসানকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী থেকে প্রেষণে এই পদে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে সরাসরি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দফতরের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নৌবাহিনীর এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এখন থেকে দেশের উপকূলীয় জলসীমার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত এই বিশেষায়িত বাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে জারি করা কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক পদে এই রদবদল ও নিয়োগের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে নিজ নিজ নতুন কর্মস্থলে যোগ দিয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের সমুদ্রসীমার সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই রদবদল নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমেরই একটি অংশ।


১৪ কার্গো এলএনজি আমদানি ও সার চুক্তিসহ একাধিক প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে জ্বালানি ও সারের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। জাতীয় স্বার্থে ও জরুরি পরিস্থিতিতে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে ইউরিয়া সার আমদানি সংক্রান্ত একটি চুক্তিরও অনুমোদন দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ফার্টিগ্লোব ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রয় ব্যবস্থার আওতায় এই চুক্তি সম্পাদিত হবে। এছাড়া ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা প্রকল্পের জন্য একটি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে, যার আওতায় কারখানার দৈনন্দিন উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে সহায়তার জন্য জাপানের এমএইচআইয়ের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে টেকনিক্যাল সার্ভিস (দ্বিতীয় ধাপ) চুক্তির অধীনে একক উৎস নির্বাচন পদ্ধতিতে পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এই বৈঠকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। এই প্রস্তাবের আওতায় বিএমইটির বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ৪০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য ৪০টি ড্রাইভিং সিমুলেটর কেনা হবে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এসব সিমুলেটর সংগ্রহ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তুলতে সাহায্য করবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সরকারি ক্রয় আইন ও সরকারি ক্রয়বিধির সংশ্লিষ্ট বিধানের আলোকেই এলএনজি আমদানিসহ অন্যান্য প্রস্তাবনাগুলো উপস্থাপন করে। মন্ত্রিসভা কমিটির গৃহীত এসব সিদ্ধান্ত দেশের সার ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কারিগরি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। সর্বোপরি, এই সময়োপযোগী পদক্ষেপগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রকল্পগুলোর সার্বিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


সাবেক বোর্ড সদস্য তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে টিআইবির শোক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট তৌফিক নেওয়াজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে টিআইবি এ শোক প্রকাশ করে।

বিবৃতিতে টিআইবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ, ম্যানেজমেন্ট এবং টিআইবির অনুপ্রেরণায় গঠিত সারাদেশের সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস), অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (এসিজি) ও টিআইবি সদস্যদের পক্ষ থেকে অ্যাডভোকেট তৌফিক নেওয়াজের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

একই সঙ্গে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায় টিআইবি।

গত ১৮ আগস্ট রাতে ঢাকার গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিক নেওয়াজ মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি, লিভার জটিলতা ও বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।


জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দোহায় তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ গে‌লে এ আশ্বাস দেন তি‌নি।

সাক্ষাৎকালে খলিলুর রহমান কাতারের নেতাদের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা জানান। তিনি কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের সংহতি প্রকাশ করেন এবং এ অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা উন্নয়নে কাতারের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন, যা বৃহত্তর অঞ্চল ও এর বাইরেও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার দায়িত্ব সফলভাবে পালনের জন্য কাতারের সমর্থন এবং সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে বর্ণনা করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে বর্তমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতার বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেবে।

খলিলুর রহমান কাতারের প্রধানমন্ত্রীকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল-মুরাইখির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বৃহস্পতিবার, শপথ শুক্রবার: চিফ হুইপ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দুপুরে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে বঙ্গভবনে আয়োজন করা হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সংসদ ভবনে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদীয় দলের সভা শেষে সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আমরা বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবো। দুপুর ২টা থেকে ভোট শুরু হবে, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন ও সংসদ উভয়ে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, নির্বাচন শুরুর ৫ মিনিট আগে ভোটের লাইভ টেলিকাস্ট শুরু হবে।’

চিফ হুইপ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেতা এবং আমাদের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলামের ভোট দেওয়া সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।’

তিনি আরও জানান, তাদের ভোট দেওয়া শেষ হলে পরের পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া রেকর্ড করা হবে। নির্বাচন শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে আমরা আবারও লাইভ টেলিকাস্ট শুরু করব। এরপর ফলাফল ঘোষণাটিও সরাসরি দেখাব। আগামীকাল ইতিহাসের একটি মাহেন্দ্রক্ষণ তৈরি হবে। গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হবে।’

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘আগামী শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ নেবেন।’

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা শুরু হবে জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘তারেক রহমান আমাদের নেতা, তার নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। সেই সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে আমরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছি। এখন গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার এবং বিরোধী দল ইনক্লুসিভ হয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং অগ্রগতিকে অব্যাহত রাখতে চাই।’

চিফ হুইপ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কীভাবে ভোটগ্রহণ হয়, এদেশের মানুষ সেটা আবারও প্রত্যক্ষ করবে দেশের মানুষ। এর মাধ্যমে আমরা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করব।’

ব্রিফিংয়ে হুইপ রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলু, মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জি কে গউছ, সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম আলিম, খন্দকার আবু আশফাক, প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির সরকারদলীয় সভা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের দিন বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য রাখেন সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। নেতা-কর্মীদের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্য জানান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্রের সর্বত্র জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহি অপরিহার্য—এ বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে।

রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলামের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি দলের হাল ধরেছেন, কখনো হাল ছাড়েননি, তাকে কারাবন্দিও করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই সময়ে আমাকে (তারেক রহমান) দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করতে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বৃহস্পতিবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে সাংগঠনিক ঐক্য ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, সেলিমা রহমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংসদ সভা কক্ষে ২৩তম রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে দুপুর ২টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ভোটাভোটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলের মনোনীতি প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অপর প্রার্থী হয়েছেন জামায়াতসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সংসদ সভা কক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ওই সময়ে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী।

১১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বদরুল হায়দার চৌধুরীকে (৯২ ভোট) পরাজিত করে ১১তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ১৭২ ভোট।


ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ: সিইসি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অত্যন্ত সুন্দর ও সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের যতরকম প্রস্তুতি প্রয়োজন তা আমরা সম্পন্ন করেছি। আমাদের প্রস্তুতির মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। এই নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা পাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, সুন্দর একটা নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে। সুতরাং এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটা আমার জন্য একটা ভাগ্যের ব্যাপার।

সিইসি বলেন দেশবাসী, পুরা জাতি এবং বিশ্ববাসী জানে আমাদের একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আপনারা সবাই জানেন, ১৯৯১ সালে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এরপরে কিন্তু আর হয়নি। একারণে আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে অভ্যস্ত না। সংসদ সচিবালয় যেখানে গভীরভাবে ইনভলভ থাকেন উনারাও এই ধরনের কার্যক্রম করে অভ্যস্ত না। তারপরও আমরা যত রকমের এক্সারসাইজ সম্ভব এবং দরকার সেটা করেছি। যাতে করে আমাদের পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে কোনো গ্যাপ না হয়।

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের আইনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা আছে। আইন এবং বিধিমালার আলোকে আমরা দেখেছি যে কয়েকটা স্তরে এই কার্যক্রমটাকে ভাগ করা যায়। এক নম্বর হচ্ছে যদি জাতীয় সংসদের সেশনে থাকে তাহলে এক ধরনের ব্যবস্থা। আর যদি সেশনে না থাকে তা হলে আরেক ধরনের ব্যবস্থা। এখন আমাদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে না। অধিবেশন ডাকতে হবে, এমনও না। শুধু নির্বাচনের জন্য একটা বৈঠক আহ্বান করলেই চলে। আইনের আছে এটা নির্বাচনী কর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া আছে। উনি একটা বৈঠক আহ্বান করবেন। সংসদ সদস্যরা ভোট দিবেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছি। আমাদের ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৯ জন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট হবে। এখানে আমাদের রাষ্ট্রপতি একজন ভোটার। প্রধানমন্ত্রী ভোটার, স্পিকার ভোটার, তেমনি বিরোধী দলের নেতাও ভোটার।

সিইসি জানান, প্রথম দিকে যখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার এবং বিরোধী দলীয় নেতা ভোট দিবেন তখন লাইভ টেলিকাস্ট হবে। তারপরে আমরা ৫টার সময় ভোট গণনা শুরু করলে আবারও লাইভ টেলিকাস্ট হবে। সংসদ সদস্যরা যেহেতু ভোটার, ভোট দিয়েই চলে যাবেন এমন না, তারা উপস্থিত থাকতে পারবেন। এমনকি উনারা ভোট গণনার সময়ও থাকতে পারবেন। এটা খুব স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হবে। সুতরাং এখানে কারোও কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়।

কোন প্রার্থী কতটি ভোট পেল, কতটি ভোট বাতিল বা নষ্ট হলো, সংখ্যাগুলো সব বিস্তারিত আমি ঘোষণা করব। যিনি বিজয়ী হবেন বা যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাবেন, তার নাম ঘোষণা করে দিব। এরপর গেজেট প্রকাশ করব।

সূত্র: বাসস


গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

রাজধানীর তথ্য ভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: বাসস
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

স্বাধীন বাংলাদেশে গণমাধ্যম বর্তমানে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। এ কথা বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের শাসনামলে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।’

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর তথ্য ভবনে ‘সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশে এর আগে গণমাধ্যম কখনো এতটা স্বাধীনতা ভোগ করেনি।’ তবে এই স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে যেন অপসাংবাদিকতা বা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের সংস্কৃতি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভুয়া নিউজ পোর্টাল ব্যবহার করে অপপ্রচার ও চাঁদাবাজির বিষয়ে প্রতিনিয়ত অভিযোগ আসছে। পেশাদার সাংবাদিকদের স্বার্থেই এই অপসংস্কৃতি রোধ করা প্রয়োজন।

রাজনীতি ও সাংবাদিকতার সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাজনীতির মূল কাজ হলো জনগণের সেবা করা, আর সাংবাদিকদের দায়িত্ব হলো সেই ক্ষমতা জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা। কিন্তু বিগত দিনে যারা সাংবাদিকতার আড়ালে ফ্যাসিবাদের দালালি করেছে, গুম-খুন ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুণ্ঠনের সহযোগী হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ সব ক্ষেত্রে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুস্থ ডিজিটাল মিডিয়া ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সংবাদপত্রের মালিক, সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতাকে আধুনিক শ্রম ও শিল্প আইনের আওতায় এনে একটি শক্ত প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেওয়া প্রয়োজন। এই পেশার মর্যাদা ও সাংবাদিকদের কল্যাণ সুরক্ষায় ফাউন্ডেশনটিকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার রুমি।

এসময় সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ সভাপতি ওমর ফারুক জালাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস


১৮ কোটি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করব: দুদক চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নতুন কমিশনের প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন, আমরা যেন মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশের জন্য কাজ করতে পারি; দুদকের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে পারি এবং দেশ দুর্নীতিমুক্ত করতে যথেষ্ট চেষ্টা চালাতে পারি। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে ভালো ফল আনব।
তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো চাপের মধ্যে নেই। আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করছি। আমাদের সামনে কোনো সমস্যা এলে তা সমাধান করার চেষ্টা করব। মানুষের প্রত্যাশাকে সামনে রেখেই আমরা এখানে এসেছি।
এক প্রশ্নের জবাবে দুদক কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ বিচারক এই কমিশনের চেয়ারম্যান হয়েছেন। আমরা তার নেতৃত্বে প্রতিটি বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত দেব। আশা করি, আপনারা অতি অল্প সময়ে এসব বিষয়ে অগ্রগতি জানতে পারবেন।
আজ দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া প্রথম দিনের মতো অফিস করেন। সকাল ৯টার দিকে তারা দুদকে প্রবেশ করেন। সকাল ১০টায় পূর্বনির্ধারিত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারা। যেখানে দুদক সচিব সাইদুর রহমান ও মহাপরিচালকসহ উপ-পরিচালক পর্যায় পর্যন্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।


২১ আগস্ট নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। পুরোনো ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর দেশে আবারও ব্যালটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোটগ্রহণের পর তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশ করা হবে এবং এর পরের দিন অর্থাৎ ২১ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হলেও দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কেউই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে আগামীকাল ২০ আগস্ট বৃহস্পতিবারই নির্ধারিত সময়ে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। এবারের এই শীর্ষ পদের লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যরা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, সরকারপ্রধান, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, শীর্ষ পর্যায়ের রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিদেশী কূটনীতিকসহ আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই শারীরিক ও মানসিক গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর আকস্মিক পদত্যাগের ফলে পদটি শূন্য হয়ে পড়ে এবং সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী এই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।


কলকাতায় নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ৫ জনের পরিচয় শনাক্ত: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিচয় শনাক্ত হওয়া ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতের ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা।

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই ঠিকানার চারজন রয়েছেন। তারা হলেন—শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত ও মো. আকরাম আলী। এছাড়া ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু নামে একজন নিহত হয়েছেন।

শর্ণশিষ দত্তের বাবা সাংবাদিক দেবাশিস দত্ত (৩৯), মা ২৭ বছর বয়সী আফসানা শিম্মিন এবং নানা আকরাম আলী মারা গেছেন। দেবাশিস দত্তের বাড়ি কুষ্টিয়া মডেল থানার মোহিনী মিল এলাকার আরুয়াপাড়ায়। তার বাবার নাম দিলীপ কুমার দত্ত। আকরাম আলীর বাড়ি কুষ্টিয়া হেড পোস্ট অফিস এলাকার মনহুম বদরুদ্দোজা রোডে।

ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার বাসিন্দা সন্দীপ পাসওয়ানেরও পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া ছয়জনের বিস্তারিত তথ্য:

১. শর্ণশিষ দত্ত

জন্ম: ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

পিতা: দেবাশিস দত্ত

ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।

২. আফসানা শিম্মিন

জন্ম: ৬ জানুয়ারি ১৯৯৯

পিতা: মো. আকরাম আলী

ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।

৩. দেবাশিস দত্ত

জন্ম: ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭

পিতা: দিলীপ কুমার দত্ত

ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।

৪. মো. আকরাম আলী

জন্ম: ১৬ জুন ১৯৬২

পিতা: ইয়াসিন আলী

ঠিকানা: থানাপাড়া, ৪, মনহুম বদরুদ্দোজা রোড, কুষ্টিয়া মডেল, কুষ্টিয়া হেড পোস্ট অফিস, কুষ্টিয়া।

৫. আহমেদ বাবু

জন্ম: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

পিতা: আদম আলী

ঠিকানা: বেগুনবাড়ি, সাভার, আমিনবাজার, ঢাকা–১৩৪৮।

৬. সন্দীপ পাসওয়ান

বয়স: ১৯ বছর

পিতা: প্রয়াত পাসওয়ান ভুবনেশ্বর

ঠিকানা: গ্রাম পিলমউ, পোস্ট খারিওডিহ, থানা হেরোডিহ, জেলা গিরিডি, ঝাড়খণ্ড–৮১৫৩১৪।
এখনও নিহত তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, বুধবার ভোররাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের দীর্ঘ তৎপরতায় প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে ৯ জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।


হালাল খাদ্যসংস্কৃতি ও মূল্যবোধ মানবসভ্যতার জন্য সম্পদ : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, হালাল খাদ্যসংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শুধু মুসলিম বিশ্বের জন্য নয়, সমগ্র মানবসভ্যতার জন্যও একটি বড় সম্পদ ও শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘হালাল পণ্য ও সংস্কৃতির বিকাশ শুধু একটি ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক বিষয় নয়, এটি বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবকল্যাণের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। বিশ্ববাজারে হালাল খাদ্যের একটি বিশাল বাজার রয়েছে এবং ভোক্তা ও বিনিয়োগকারী উভয়েই এই খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রস্তুত।’

আজ বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মালয়েশিয়ান হাইকমিশন আয়োজিত ‘থিংক হালাল, গ্রো গ্লোবাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার অভিন্ন মূল্যবোধের কথা উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, দুই দেশ যৌথভাবে তাদের অভিন্ন মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে হালাল শিল্পের বিকাশ ও বিশ্ববাজারে এর পরিধি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

হালাল পণ্যের বৈশ্বিক চাহিদার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘বিনিয়োগকারীদের জন্য সঠিক ধারণা, তথ্য, জ্ঞান ও সুনির্দিষ্ট ব্যবসায়িক কাঠামো তৈরি করতে হবে। সঠিক ধারণা ও জ্ঞানের সঠিক সমন্বয় ঘটাতে পারলে তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও হালাল পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বাড়াবে।’

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কূয়ালালামপুর সফরকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম যেভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন, তা দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে তিনি মালয়েশিয়া সরকার এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের ভিত্তি শুধু কূটনৈতিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, জনগণের মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই এই সম্পর্ক টিকে আছে। হালাল শিল্প দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে।

সেমিনারে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওথমান ও বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি আনোয়ার শাহিদ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার শীর্ষ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র: বাসস


banner close