শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

‘নিষেধাজ্ঞা না থাকায় বেনজীর যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন’

এন্টিগা ও নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: পিআইডি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৩ জুন, ২০২৪ ১৫:২০

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ সোমবার এন্টিগা ও নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বেনজীর আহমেদের দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি। তিনি যে কোনো জায়গায় যেতে পারেন। ৬ জুন তিনি দুদকে উপস্থিত হন কি না, সেটা দেখার বিষয়। দুদক এবং সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে বলে আজিজ আহমেদ ও বেনজীরের বিষয়গুলো সামনে আসছে।’

জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের নিয়ে জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন নিয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন কোনো তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে হয়নি। ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের শান্তিরক্ষীদের খাটো করার জন্য করা হয়েছে। মাঝেমাঝেই আমাদের দেশবিরোধী প্রতিবেদন করে ডয়চে ভেলে। সেখানে কিছু বাঙালি জড়িত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের প্রশংসা করেছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব যেখানে প্রশংসা করেছেন, সেখানে ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনের কোনো মূল্য নেই। এই প্রতিবেদন অসাড় ও অন্তঃসারশূন্য।’

মালয়েশিয়ায় শ্রমিকরা যেতে না পারার পেছনে কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে জানিয়ে ড. হাছান বলেন, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার তারিখ বর্ধিত করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


নির্বাচিত

সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের মদের ৪টি ওয়্যারহাউস সিলগালা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অননুমোদিত গুদামে শুল্কমুক্ত বিদেশি মদ মজুত রাখার অভিযোগে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে অবস্থিত ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’-এর চারটি ওয়্যারহাউস সিলগালা করেছে যৌথ তদন্তকারী দল। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ভোর সাড়ে চারটা পর্যন্ত কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির দুটি গুদামের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন থাকলেও অভিযানে আরও দুটি অননুমোদিত গুদামে পণ্য মজুতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলে শুল্কমুক্ত পণ্য খোলাবাজারে পাচার রোধ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে চারটি গুদামই তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।

কূটনৈতিক বন্ডেড ওয়্যারহাউস ‘টস বন্ড’ মূলত বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে শুল্কমুক্ত অ্যালকোহল সরবরাহের অনুমোদনপ্রাপ্ত একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের নামে নিবন্ধিত না হলেও কার্যত তাঁরই ছত্রচ্ছায়ায় এটি পরিচালিত হতো। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে শুল্কমুক্ত মদ খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ ওঠায় শুল্ক গোয়েন্দারা কয়েক মাস ধরেই অনুসন্ধান চালাচ্ছিলেন। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ সফিউর রহমান জানিয়েছেন, অনুমোদনের বাইরে দুটি অবৈধ গুদামে পণ্য রাখার প্রমাণ পাওয়ায় সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে এবং বন্ড কমিশনারেট থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের পাশাপাশি শেখ নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিদেশে গোপন সম্পদ ও অর্থপাচারের তথ্য পেয়েছে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট। কানাডা থেকে সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্যে দেখা গেছে, নুর ইসলাম, তাঁর স্ত্রী শীলা ইসলাম ও মেয়ে তাসনিম ইসলাম সে দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণের পাশাপাশি অন্তত চারটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় রয়েছেন। ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত তাঁদের ১৬৩টি আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এক বছরেই প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে আনার তথ্য মিলেছে, যার কোনোটিই দেশীয় কর নথিতে উল্লেখ ছিল না। সংশ্লিষ্ট কর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক ফাঁকির এই অভিযোগগুলো নিয়ে সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে তদন্ত চালিয়ে আসছিল।

তদন্তকারী সংস্থাগুলো স্পষ্ট করেছে যে, এই অভিযান সম্পূর্ণ নিয়মিত রাজস্ব ও শুল্ক নজরদারির অংশ এবং এর সঙ্গে সম্প্রতি সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার কোনো যোগসূত্র নেই। উল্লেখ্য, গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ মানিকদীতে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার সময় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ‘ব্রাউনফিশ’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে রাজনৈতিক চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে পরে তা প্রত্যাহার করেন তিনি। ওই ঘটনায় আবাসন কোম্পানির পরিচালকের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের জামাতাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সালমান মুক্তাদিরের সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে।


নির্বাচিত

বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ ও দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসসকে এ তথ্য জানান।

এ সময় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি’র পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন। শুভেচ্ছা জানানোর জন্য রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন।

তিনি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশি পেশাজীবীদের, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।

এ ছাড়া বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য কর্মোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। এ ক্ষেত্রে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং সংকটের টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।

এ সময় হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় ব্যবসায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে।


নির্বাচিত

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে: ইয়াও ওয়েন

ছবি: বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চীন-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি বলেছেন, এই বন্ধুত্ব দুই দেশ ও তাদের জনগণের মৌলিক স্বার্থে কাজ করে। নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চীনের প্রতিষ্ঠার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় হাতে হাত রেখে, আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে’ শীর্ষক এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই বন্ধুত্ব দুই দেশ ও তাদের জনগণের মৌলিক স্বার্থে কাজ করে। নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা অব্যাহতভাবে এগিয়ে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং বাংলাদেশের নতুন সরকারকে দেশ পরিচালনায় সমর্থন করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চীন সমর্থন অব্যাহত রাখবে, বহিরাগত হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আরও বড় ভূমিকা পালনে সহযোগিতা করবে।

তিনি বলেন, অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের অভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে চীন ও বাংলাদেশ ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার হিসেবে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। পারস্পরিক সম্মান ও আন্তরিকতার ভিত্তিতেই এ সম্পর্ক এগিয়ে চলেছে।

ইয়াও ওয়েন উল্লেখ করেন, এ বছর বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫১তম এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার ১০ম বার্ষিকী।

এ বছর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বছর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো চীন সফর করেন। এ সময় দুই দেশের নেতারা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদারত্বের পর্যায়ে উন্নীত করেন। এটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে শক্তিশালী গতি এনেছে।

বাংলাদেশে তার দায়িত্ব পালনের সময়ে দেশটির রাজনৈতিক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে ইয়াও ওয়েন বলেন, তিনি বাংলাদেশের জনগণের দৃঢ়তা ও জাতীয় মর্যাদাবোধ দেখে গভীরভাবে মুগ্ধ হয়েছেন। গত তিন বছরে আমি ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এই জাতির নেওয়া ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তগুলো প্রত্যক্ষ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংস্কার ও উন্নয়নের নতুন পথে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের জনগণের অসাধারণ দৃঢ়তা ও জাতীয় মর্যাদাবোধের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত স্বীকার করেন যে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নানা সময়ে প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দুই দেশের অংশীদারীত্ব তার প্রাণবন্ততা ধরে রেখেছে এবং সম্পর্ক অব্যাহতভাবে এগিয়ে চলেছে।


নির্বাচিত

কয়লা সংকট, বাংলাদেশে ফের বিদ্যুৎ সরবরাহ কমালো আদানি

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কয়লা সংকটের কারণে ভারতের আদানি পাওয়ারের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে প্রায় ৫০০–৬০০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে। এর মধ্যে গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রটির ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিট-১ ট্রিপ করায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউনিটটি আবার চালু করতে চার দিন সময় লাগবে বলে বিপিডিবিকে জানিয়েছে আদানি।

বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, কয়লা সংকটের কারণে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে। এর মধ্যে ইউনিট-১ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ আরও কমে গেছে। বন্ধ হওয়া ইউনিট-১ আবার চালু করতে চার দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে ৫০৯ মেগাওয়াটে নেমে আসে। এরপর থেকে সরবরাহ ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াটের মধ্যে রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৬টায় কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশে ৫০৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের (পিজিবি) ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পিক আওয়ারে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ৮৩৪ দশমিক ১৪ মেগাওয়াট। সরবরাহ কমার কারণ হিসেবে কয়লা সংকটের কথা উল্লেখ করেছে পিজিবি।

এর আগের দিন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রটির সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ৮২২ দশমিক ৫৮ মেগাওয়াট, যদিও ওই দিন কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা ছিল ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট।

কয়লা সংকট দেখা দেওয়ার আগে কেন্দ্রটি থেকে পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। রোববার সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৩২৩ দশমিক ০৬ মেগাওয়াট এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ১ হাজার ৩০৮ দশমিক ৮৭ মেগাওয়াট।

এদিকে আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ আরও বেড়েছে। কারণ, একই সময়ে দেশের বেশ কয়েকটি গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনও কমেছে।

আদানি ও আরও কয়েকটি বড় বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় মঙ্গল ও বুধবার—দুই দিনই দেশে লোডশেডিং ২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়।

গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৮০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট রয়েছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট অ্যাভেইলেবিলিটি ফ্যাক্টর অনুযায়ী বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা রয়েছে।

গত কয়েক মাসে কেন্দ্রটি থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে বারবার বিঘ্ন ঘটেছে। কয়লার প্রাপ্যতা ও পরিবহন সমস্যার কারণে কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

এর আগেও কয়লা পরিবহনে সমস্যার কারণে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়েছিল আদানি। কোম্পানিটি বাংলাদেশকে জানিয়েছিল, রেলপথে যানজট এবং কয়লা লোডিংয়ে বিধিনিষেধের কারণে গোড্ডা কেন্দ্রে কয়লাবাহী ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অফ-পিক আওয়ারে বিদ্যুৎ উৎপাদন সীমিত রাখতে হচ্ছে।

সর্বশেষ সংকটের মধ্যে ৮০০ মেগাওয়াটের ইউনিট-১ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। এই ইউনিটটির সামনের চার দিন বন্ধ থাকার কথা রয়েছে। ফলে কয়লার সরবরাহ না বাড়লে এবং নির্ধারিত সময়ে ইউনিটটি চালু না হলে ওই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকতে পারে।

এদিকে, গ্রীষ্মের সময় বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকলেও আদানির কেন্দ্র থেকে সরবরাহ ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্নের কারণ হিসেবে আবহাওয়া, রেলপথে যানজট ও কয়লার প্রাপ্যতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছে ভারতীয় কোম্পানিটি।


নির্বাচিত

সবার জন্য সমান আইন নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

* অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে  অরাজকতার চেষ্টা চলছে   * সময় এসেছে সতর্ক হওয়ার, ভাববার * বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১,৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প * ‘মহুয়া-কহুয়া’ সেচ প্রকল্প উদ্বোধন 
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন শেষে সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ফেনী প্রতিনিধি

কতিপয় রাজনৈতিক দল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপিকে দেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছে এবং দলটি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে—আইন সবার জন্য সমান। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ফেনীর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর খেয়াঘাট তীরে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি উপস্থিত থেকে বাঁধ নির্মাণ কাজেরও উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘কিছু কিছু দুষ্ট মানুষ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে। বিএনপিকে যখন এ দেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে, আইন সকলের জন্য সমান। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আমরা দেখছি কিছু রাজনৈতিক দল কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, এখানে বহু মুরুব্বি উপস্থিত আছেন, যারা এখন অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। ১৯৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল, আমরা দেখেছি। সেই সময় তারা যেভাবে অন্যায় করেছিলেন, মা-বোনদের হয়রানি-নির্যাতন করেছিলেন, আমরা দেখেছি। ১২ তারিখের নির্বাচনে কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করে তারা কিছু আসনে নির্বাচিত হয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেভাবে ৭১ সালে মা-বোনদের ওপর তারা নির্যাতন করেছিলেন, ঠিক একইভাবে আবারও তাদের নারী নির্যাতন শুরু হয়েছে। এই গুপ্ত বাহিনীর সদস্যরা কীভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন করছেন, আমরা তা দেখছি। শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হননি। তদন্তাধীন বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। একটি মানুষের জীবনাবসান করে দিয়েছেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সময় এসেছে আমাদের সতর্ক হওয়ার। সময় এসেছে ভাববার—কাদের কথা বিশ্বাস করব আর কাদের কথা বিশ্বাস করব না।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই দলের নেতাদের বক্তব্যের প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজের ঘরের লোকেরা কীভাবে নারী নির্যাতন করছে, কীভাবে কী করছে, সেটি আগে সামাল দেন। তারপর অন্যকে কিছু বলতে আসেন।’

বন্যা নিয়ন্ত্রণে ১,৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প: পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার এ প্রকল্পটি ফেনীর মুহুরী ও কহুয়া নদীকেন্দ্রিক বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শিহাব আহাম্মেদ জানান, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)’ কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।

একনেকে অনুমোদিত এ মেগা প্রকল্পের অধীনে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, সাড়ে ৮৩ কিলোমিটার নদী পুনঃখনন, সাড়ে ১১ কিলোমিটারের বেশি নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজ এবং একটি হাইড্রোলিক এলিভেটেড ড্যাম নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমানো, কৃষি ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নদীতীরবর্তী এলাকার সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

২০২৪ সালে মুহুরী ও কহুয়া নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ভেঙে পাহাড়ি ঢলে পুরো ফেনী জেলা বন্যায় প্লাবিত হয়। এ ছাড়া প্রতিবছর অতিবৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের বন্যা থেকে উত্তরণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের দাবি ছিল—সীমান্ত জনপদের নদীগুলোতে রক্ষা বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।

মুহুরী-কহুয়া নদী খননের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেশিদিন আগের কথা নয়, দুই-আড়াই বছর আগে বিশাল একটি বন্যা হয়েছিল। এখানকার মানুষসহ নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরের লাখ লাখ মানুষের বাড়িঘর ভেসে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, নদী-খাল খনন করব—নির্বাচনের আগে এ কথাটি আমরা বলেছিলাম। কারণ বিএনপি রাজনীতি করে মানুষের জন্য। খাল খনন করা যে কতটা প্রয়োজন, তা বন্যা হোক বা কৃষিজমিতে পানি দেওয়া কিংবা মানুষের পানি ব্যবহারের সুবিধার জন্য হোক—বিভিন্ন কারণে বোঝা যায়।

স্থানীয় সূত্রমতে, ঐতিহাসিকভাবে ফেনীর ১২২ কিলোমিটার বাঁধের সূচনা হয়েছিল খালেদা জিয়ার প্রথম শাসনামলে তার হাত ধরে। এবার সেই প্রকল্পের আধুনিকায়ন ও টেকসই বিস্তৃত রূপ নিয়ে নতুন বাঁধের সূচনা হতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে।

নানাবাড়ির স্মৃতিচারণ: নিজের নানাবাড়িতে আসার স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহু বছর পর নানাবাড়িতে আসলাম। প্রথম আমি এখানে এসেছিলাম ১৯৮৪ সালে সম্ভবত। তারপর ১৯৯১ সালে আপনাদের মেয়ে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে যখন নির্বাচিত করেছিলেন, তখন নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন এ রাস্তা ছিল না।

তারেক রহমান বলেন, কাজ করতে হবে দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য। কাজ করতে হবে নানাবাড়ির মানুষের জন্য। সেই কাজের অংশ হিসেবে আজ মুহুরী-কহুয়া নদীর পুনঃখনন কাজ শুরু করেছি।

উপজেলা হাসপাতাল ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা: ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্যের দাবির প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৩০ বেডের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে আপনাদের সন্তান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আসেন, তখন ২০ বেড বাড়িয়ে সমগ্র বাংলাদেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো ৫০ বেডের করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের রেখে যাওয়া দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলা হাসপাতালকে দেড়শ শয্যায় উন্নীত করবে। উপজেলার মানুষকে যেন কষ্ট করে বাইরে যেতে না হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। এখানে বসে সকল সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আন্দোলন ও ভোটাধিকার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী: তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অনেক বছর ধরে মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করেছি। স্বৈরাচার গত ১৭ বছর ধরে মানুষের টুঁটি চেপে ধরে রেখেছিল। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। মানুষকে তারা কথা বলতে দেয়নি। মানুষের কষ্ট, দুঃখ-দুর্দশা তারা দূর করেনি।

তিনি আরও বলেন, ২৪-এর ৫ আগস্ট এই দেশের মানুষ সেই স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে বিদায় করেছে। এই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে দায়িত্ব দিয়েছে।

মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন (ভিপি), সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়া উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


নির্বাচিত

সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় বাড়ল ৮.৫৪ শতাংশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি ঘুরে দাঁড়ানোয় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে দেশের রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। তবে মাসভিত্তিক হিসাবে আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সেপ্টেম্বরে এক বছরের ব্যবধানে এ খাতে রপ্তানি আয় ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৩ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে তৈরি পোশাক খাতেও প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এ সময়ে এ খাতের রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়ে ১০ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

ইপিবির হিসাব বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ১৩ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলার।

তবে সেপ্টেম্বরে বার্ষিক হিসাবে রপ্তানি আয় বাড়লেও আগের মাসের তুলনায় কমেছে। আগস্টে রপ্তানি আয় বেশি থাকায় মাসভিত্তিক হিসাবে সেপ্টেম্বরে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ পতন হয়েছে।

সামগ্রিকভাবে তৈরি পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি এবং চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে মোট পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে পুনরুদ্ধারের ধারার ইঙ্গিত দিচ্ছে।


নির্বাচিত

জামায়াত পারেনি, প্রধানমন্ত্রী পেরেছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল

ছবি: অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী তাদের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করলেও তিনি সংসদ সদস্য পদে বহাল রয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করেছেন।

দুই ঘটনার তুলনা করে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, জামায়াত না পারলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পেরেছেন। এখানে ম্যাসেজ একদম ক্লিয়ার।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী দল থেকে বহিষ্কার করেছে। তবে শুধু দল থেকে বহিষ্কারের কারণে তার সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয়নি। অন্যদিকে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী যে অবস্থান নিয়েছেন, তাতে নিজ দলীয় একজন সংসদ সদস্য তার পদ হারালেন। এটা একটা বিরাট ব্যাপার।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল ও রাষ্ট্র পরিচালনায় শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ছাড়া একটি দেশে সামগ্রিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযোগ থাকে, তারা নিজেদের দলের লোকজনের কোনো অপরাধ আড়াল করেন কিংবা তাদের প্রশ্রয় দেন। মিষ্টির পদত্যাগের ঘটনায় সেই ধরনের প্রশ্রয় না দেওয়ার একটি বার্তা পাওয়া গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আপনি যত ভালো কাজই করেন না কেন, আপনার একটা খারাপ কাজ আপনার অনেক ভালো অর্জনকে ম্লান করে দিতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন না যে তার এত অর্জনের মধ্যে কেউ কোনো কিছু দিয়ে ম্লান করার সুযোগ পাক। ইটস এ ভেরি ক্লেয়ার মেসেজ।’

অ্যাটর্নি জেনারেলের মতে, এ ঘটনা শুধু একটি দলের নেতাকর্মীদের জন্য নয়, সাধারণ নাগরিকদের জন্যও একটি বার্তা। রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়, এমন কোনো কর্মকাণ্ডে কেউ জড়ালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হতে পারে।


নির্বাচিত

১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বয়ে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) দিবসটি পালন করছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে দেশের শিল্প ও সেবা খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

এ উপলক্ষে দেশের শিল্পোদ্যোক্তা, গবেষক, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, শ্রমিক-কর্মচারী এবং শিল্প ও সেবা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।

এবারের জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে শিল্পের ধরন ও চরিত্র দ্রুত বদলে দিচ্ছে। বাংলাদেশকেও এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, শিল্পকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারে সক্ষম দক্ষ, সৃজনশীল ও অভিযোজনক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। উৎপাদনশীলতার পাশাপাশি নতুন ও উচ্চদক্ষতার কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোও জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের অর্থনীতিকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য দক্ষতাভিত্তিক ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তির ব্যবহার, কারিগরি ও আইটি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং তরুণদের প্রযুক্তিগত ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের দেশীয় ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে গড়ে তোলার কথা জানান তিনি। তবে শুধু প্রযুক্তি গ্রহণ করলেই উৎপাদনশীলতা বাড়বে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকের সার্বিক কল্যাণের ওপরও গুরুত্ব দেন।

নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও দক্ষতাবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে শ্রমিক ও কর্মীদের সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ এবং কর্মীদের নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদনশীলতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, গবেষণা, পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিল্প ও সেবা খাতের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও আধুনিক ও সম্প্রসারিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে উৎপাদনশীল, উদ্ভাবনী, দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই শিল্প অর্থনীতিতে পরিণত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।


নির্বাচিত

বিনিয়োগে জটিলতা কমিয়ে সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করতে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং সরকারি সেবাগুলো সমন্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ব্যবসাপ্রক্রিয়া সহজীকরণ সংক্রান্ত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি) এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথোরিটির (আইবিএ) কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা গ্রহণের বিদ্যমান প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হয়। উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের সেবা পেতে যেসব অপ্রয়োজনীয় ধাপ ও দীর্ঘসূত্রতার মুখোমুখি হতে হয়, তা কমিয়ে দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা পরিচালনায় অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা কমানো গেলে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করতে হবে।

তিনি ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সেবাগুলো পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল ও সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে ব্যবসাপ্রক্রিয়া সহজীকরণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং সেবা ব্যবস্থার উন্নয়নে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজনেস বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

দেশের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা: আমানউল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান। তিনি দাবি করেন, দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি মহল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে দেশকে পেছনের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমানউল্লাহ আমান বলেন, জনগণের আস্থা বিএনপির প্রতি ছিল এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন। তার দাবি, গত ১৭ বছরে যেসব উন্নয়নকাজ হয়নি, সেসব কাজ নতুন করে শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, মন্দির, সড়ক, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মানবসেবায়ও নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এসব উন্নয়ন কার্যক্রম দেখে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আমানউল্লাহ আমান জনগণের প্রতি গণতন্ত্র ধরে রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে।

পাড়া-মহল্লা, গ্রাম, হাটবাজার, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক সভাপতিত্ব করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ক্যাশলেস লেনদেনে কোনো ফি নেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্যাশলেস বাংলাদেশ ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনে কোনো ফি বা চার্জ দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকারের এ উদ্যোগের আওতায় কিউআর কোড ব্যবহার করে যেকোনো লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বনানী কাঁচাবাজারে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটার উদ্বোধন ও লেনদেন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ফুসকা বিক্রেতা, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের আওতায় আনা হবে। এ ব্যবস্থায় ফুটপাতের বিক্রেতা থেকে শুরু করে যেকোনো ছোট ব্যবসায়ী সহজেই কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংক বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।

তিনি বলেন, এর ফলে সাধারণ মানুষকে আর কষ্ট করে নগদ টাকা বহন করতে হবে না। কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন চালু হলে অর্থ লেনদেনের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও গতিশীল হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ছোটখাটো কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ বা সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দ্রুতই এসব সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

তার ভাষ্য, বিশ্বের বহু উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেন সহজ ও নিরাপদ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও আন্তর্জাতিক এ চর্চাকে দেশে সর্বজনীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

অর্থমন্ত্রী দেশের সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো দ্বিধা ছাড়াই ক্যাশলেস ও নিরাপদ অর্থনৈতিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

ফেরদৌসী মিষ্টির অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র (এমসিএইচ-এফপি সেন্টার) গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে একজন সংসদ সদস্যকে নিয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারি ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাড্ডা সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায়ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, দলীয় ব্যবস্থা হলে তা দলের সাংগঠনিক বিষয়; আর আইনি ব্যবস্থা হলে অভিযোগপত্রের পর বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারে যাবে।

রাড্ডা সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নাম আসার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। পরে জাতীয় সংসদ সচিবালয় তার সংরক্ষিত নারী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এর আগে রাড্ডা সেন্টারের ঘটনায় মিষ্টির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্ত চলার কথা জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে তদন্তে তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। সরকার সব ধরনের অপরাধ দমনে কাজ করছে। কোথাও অপরাধের ঘটনা ঘটলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যাচ্ছে, মামলা করছে, তদন্ত করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করছে।

তিনি বলেন, কোনো কোনো ঘটনায় ব্যবস্থা নিতে ১২ বা ২৪ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। তবে দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দেওয়ার পাশাপাশি অল্প সময়ে বিচার সম্পন্ন হওয়ার উদাহরণও রয়েছে।

রাড্ডা সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায়ও তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নির্ধারণ করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন নাম ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোয় বিদ্যমান অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’ (এসআরইউ) করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-৩ শাখা থেকে সম্প্রতি এ বিষয়ে সরকারি মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তানভীর-আল-নাসীফ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগ কর্তৃক জি.ও. পৃষ্ঠাঙ্কনের তারিখ থেকে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, এটিইউর নাম পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোতে অনুমোদিত পদের কোনো পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ বিদ্যমান অনুমোদিত পদ ও জনবল কাঠামো অপরিবর্তিত থাকবে।

সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক আরোপিত শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রযোজ্য সব বিধি-বিধান যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০ আগস্ট, অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা শাখার ৩১ আগস্ট এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক উন্নয়ন ও সমন্বয়-১ শাখার ২ সেপ্টেম্বরের সংশ্লিষ্ট স্মারকের উল্লেখ করা হয়েছে।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close