শনিবার, ২ মে ২০২৬
১৯ বৈশাখ ১৪৩৩

‘কারিগরি-অকারিগরি কারণে ঘটতে পারে ভুতুড়ে বিলের ঘটনা’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০২৪ ২২:০৬

কারিগরি ও অকারিগরি কারণে অনেক সময় ভুতুড়ে বিলের ঘটনা ঘটতে পারে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা বা কোম্পানির মোট গ্রাহক ৪ কোটি ৭১ লাখ। বিদ্যুৎ বিল যাতে যথাযথ হয়, সে বিষয়ে বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

কারিগরি ও অকারিগরি কারণে অনেক সময় ভুতুড়ে বিলের ঘটনা ঘটতে পারে। ভুতুড়ে বা অস্বাভাবিক বিল রোধকল্পে অগ্রাধিকারভিত্তিতে প্রিপেইড বা স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে নোয়াখালী-৩ আসনের সরকারদলীয় এমপি মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তি কম হওয়ায় গ্রামাঞ্চলে সীমিত লোডশেডিং

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, দেশজুড়ে তীব্র তাপদাহের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে কিছু কিছু এলাকায় চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তি কম হওয়ায় সীমিত আকারে লোডশেডিং হয়েছে।

তিনি বলেন, চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তি কম হলে সাধারণত লোডশেডিং হয়। দেশজুড়ে তীব্র দাবদাহের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে কিছু কিছু এলাকায় চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তি কম হওয়ায় সীমিত আকারে লোডশেডিং হয়েছে। এ ছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ কাজে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য লোডশেডিং করা হয়। সরকার শহর ও গ্রাম নির্বিশেষে সমতার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহে সচেষ্ট রয়েছে। সেচ মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে।

তিনি জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ এবং বকেয়া পাওনা থাকলে নিয়মানুযায়ী বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ভুতুড়ে বিলের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে যাচাইপূর্বক প্রতিকার প্রদান করা হয় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা

বাহাউদ্দিন নাছিমের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আড়াই হাজার কোটি টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাড়ে তিন হাজার, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৪০০ কোটি, ২০২১-২২ অর্থবছরে ছয় হাজার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬ হাজার ৩১৫ কোটি ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির দরকার হবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ১৯৯৯-২০০০ থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ক্রমাগত লোকসানের সম্মুখীন হয়। ওই সময় সরকারকে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের ভর্তুকি দিতে হয়। তবে জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমে যাওয়ার ফলে নভেম্বর ২০১৪ থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত সরকারকে জ্বালানি তেলে কোনো ভর্তুকি দিতে হয়নি। তবে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপিসি ২ হাজার ৭০৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা লোকসান দেয়।

সরকার বর্তমানে ডাইনামিক প্রাইসিং ফর্মুলায় জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করে জানিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করায় এ খাতে কোনো ভর্তুকি দিতে হচ্ছে না।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারের বাজেটে বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকির পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকা উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, ভর্তুকির অর্থের মধ্যে ৩১ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৭শ কোটি নগদ ও ২০ হাজার ১৩৩ কোটি বন্ডের মাধ্যমে সমন্বয় করা হয়েছে।

নোয়াখালী-২ আসনের মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, অনুমোদনপ্রাপ্ত এলপিজি প্ল্যানের সংখ্যা ৭৮টি। এর মধ্যে প্রাথমিক অনুমোদনপ্রাপ্ত ৫২টি, চূড়ান্ত অনুমোদনপ্রাপ্ত ২৪টি ও বিপিসির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ২টি।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. সোহরাব উদ্দিনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত ২৫ হাজার ৭৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। ফলে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ ৩০ হাজার ৭৩৮ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। দেশে চাহিদার চেয়েও স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেশি। তবে কোভিড-১৯ মহামারি পরবর্তীকালে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে পরিপূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু স্থানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। এ ছাড়া অত্যধিক গরম ও দেশের কোথাও কোথাও দাবদাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে নবায়নযোগ্য উৎস হতে ১৩১২ দশমিক ৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে উল্লেখ করে আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, নবায়নযোগ্য উৎস হতে চলমান ও প্রক্রিয়াধীন প্রকল্পগুলোতে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২ হাজার ৫৪৭ দশমিক ২২ মেগাওয়াট। ২০৩০ সালের মধ্যে এগুলো জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫ সালের মধ্যে ৫০টি বিভিন্ন ধরনের কূপ খননের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নে গড়ে দৈনিক ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এর মধ্যে ১১ টির খনন ও ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। যার মাধ্যমে দৈনিক ১২৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়েছে। দৈনিক ৩৩ মিলিয়ন ঘটফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

এই সংসদ সদস্যের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে আবিষ্কৃত ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্রের মধ্যে ২০টি উৎপাদনরত ৫টি পরিত্যক্ত এবং ৪টির উৎপাদন কার্যক্রম চলমান।

আওয়ামী লীগের সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা প্রায় দৈনিক ৩৮০০-৪০০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন ও এলএনজি আমদানি করে ৩০০০-৩১০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। চাহিদা ও সরবরাহে ঘাটতি থাকায় পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চলে এবং বিদ্যুৎ ও সার খাতে অগ্রাধিকার বিবেচনায় গ্যাস সংযোগ চালু রয়েছে।

ভোলা-৩ আসনের নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ/রুগ্ণ শিল্পের সংখ্যা ৩৯৭টি। এর মধ্যে বিসিকের নিয়ন্ত্রণাধীন রুগ্ণ/বন্ধ শিল্প ৩৮২টি, বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ কারখানা ৫টি, বিএসএসআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন স্থগিত চিনিকল ৬টি, বিএসইসির নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ কারখানা ৪টি।

এমপি আব্দুল কাদের আজাদের এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন জানান, বর্তমান সরকার আন্তর্জাতিক ও বহুজাতিক কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করাসহ বিনিয়োগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সময়কাল পর্যন্ত সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং সাফল্যও এসেছে।

তিনি জানান, বিসিকের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পাঁচটি শিল্পনগরী, তিনটি শিল্পপার্ক ও দুটি অন্যসহ মোট ১০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে ৩ হাজার ৮১১টি শিল্প প্লটে সম্ভাব্য ৩ হাজার ৫৬৫টি শিল্প ইউনিট স্থাপিত হবে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আরএডিপিতে সবুজ পাতাভুক্ত ১১টি প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পগুলো অনুমোদিত ও বাস্তবায়িত হলে দেশে শিল্পায়ন ত্বরান্বিত হবে এবং বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মন্ত্রী জানান, বিনিয়োগে উৎসাহিতকরণের লক্ষ্যে বিসিক কর্তৃক ১২২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ১৬৭টি শিল্প প্লট বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। বিসিক উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে হোসিয়ারি শিল্পনগরী, পঞ্চবটী, নারায়ণগঞ্জ; জামদানি শিল্পনগরী, তারাবো, নারায়ণগঞ্জ; চামড়া শিল্পনগরী, সাভার, ঢাকা; এপিআই শিল্পপার্ক, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ এবং বিসিক বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদন ও হালকা প্রকৌশল শিল্পনগরী, মুন্সিগঞ্জ শীর্ষক বিশেষায়িত শিল্পনগরী বা শিল্পপার্ক বাস্তবায়িত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্পটি ১৯৯ দশমিক ৪০ একর জমিতে ঢাকার সাভারে বাস্তবায়িত হয়েছে। কমন ইনফ্লুয়েন্স প্ল্যান্ট (সিইটিপি) সুবিধাসহ পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরীতে হাজারীবাগ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত ট্যানারি কারখানাসমূহকে স্থানান্তর করা হয়েছে। শিল্পনগরীর ২০৫টি শিল্পপ্লটে ১৬২টি ট্যানারি কারখানা স্থাপিত হয়েছে।

স্বতন্ত্র এমপি আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগারের প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, বিসিকের দেশব্যাপী বাস্তবায়িত ৮২টি শিল্পনগরীর মোট ১২ হাজার ৩৬০টি শিল্প প্লটের মধ্যে ১১ হাজার ২৬২টি শিল্প প্লটে বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ কর্তৃক ৬ হাজার ১৯৬টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। এসব শিল্পনগরীর কারখানাসমূহে গত জুন, ২০২৩ পর্যন্ত বিনিয়োগের হয়েছে ৪৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা প্রায়।


ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে সুখবর দিল ভারত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে ৬ মে থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে পারে নয়াদিল্লি। এমনটা হলে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তিতে দীর্ঘ সময়ের অচলাবস্থার অবসান ঘটবে।

শনিবার (০২ এপ্রিল) দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের এক প্রশাসনিক কর্তার বরাতে এমনটা জানা গেছে ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্তা জানান, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই চালু হতে পারে পর্যটক ভিসা। তবে এই ব্যাপারে শেষ সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়টি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং এ নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও কাজ করছে। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর ওই কমিটির নেতৃত্বে। তিনি দ্রুত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পক্ষে মত দিয়েছেন। একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের প্রতিবেদনের ওপরও সিদ্ধান্ত অনেকটাই নির্ভর করছে।

এ সম্ভাবনার খবরে কলকাতার পার্ক স্ট্রিট ও ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন, বাংলাদেশি পর্যটক ফিরে এলে আবারও ব্যবসা ঘুরে দাঁড়াবে।

এর আগে ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারত সফর করেন। সফরে ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার বিষয়ে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন।


ডিসি সম্মেলন কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চার দিন ব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬ শুরু হবে আগামীকাল রবিবার (৩ মে) থেকে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলন উদ্বোধন করবেন।

এবারের সম্মেলনে ৩৪টি কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ৩ মে থেকে ৬ মে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে এ সম্মেলনের অধিবেশনগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজনের সার্বিক বিষয় নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাছিমুল গনি।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম এই ডিসি সম্মেলন এবার অধিক গুরুত্ব পাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন, সরকার কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে এবছর সম্মেলনে ৭১ লাখ টাকা বাজেট ধরা হয়েছে, যা গত বছরও এক কোটির বেশি খরচ হয়েছিলো।

এবারের সম্মেলনে এক হাজার ৭২৯টি বিষয়ে প্রস্তাবনা থাকলেও ৪৯৮টি প্রস্তাবনা কার্য তালিকায় স্থান পেয়েছে বলে জানান তিনি।

চার দিনের নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতির ও স্পিকারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে একাধিক সেশন ও সাক্ষাৎ অনুষ্ঠান থাকবে।


নবদিগন্তের সূচনা, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ২ মে, ২০২৬ ১৭:২০
সিলেট প্রতিনিধি

আর পাঁচটা দিনের থেকে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের আজকের চিত্রটা একেবারেই আলাদা। সুনসান স্টেডিয়াম যেন হঠাৎই জেগে উঠেছে। কানায় কানায় পূর্ণ গ্যালারি, মাঠে খুদে ক্রীড়াবিদদের চমকপ্রদ ক্রীড়া প্রদর্শনী; নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্ক পাহাড়া আর সংবাদকর্মীদের অবিরাম ব্যস্ততা। সব আয়োজন এক উপলক্ষ্য ঘিরে—নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা।

আজ বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়ে ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিভা অন্বেষণের এই প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা।

শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন কুঁড়ির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের আশির দশকের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে এসে শিল্প অঙ্গনে। বহু বছর পর সেই পরিচিত নাম আবার ফিরে এসেছে, তবে এবার মঞ্চ নয়, সবুজ মাঠ-গালিচায়। যাত্রা শুরু হলো নতুন এক স্বপ্ন- ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’এর।

আগামী দিনের তারকাদের উৎসাহ জানাতে ঢাকা থেকে ছুটে এসেছেন বিভিন্ন বিভাগের দেশসেরা ৩২ জন খেলোয়াড়। একেকজন একেক খেলার প্রতিনিধি–কেউ খেলেন ক্রিকেট, কেউবা ফুটবল কিংবা কাবাডি। আজ সবাই এক প্ল্যাটফর্মে। আগামীর তারকা খুঁজে বের করতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হয়ে এসেছেন তারা।

সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে দলীয় ইশতেহারে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকার। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পর্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সরকার সংশ্লিষ্টরা। এরই মধ্যে দেশসেরা খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়া আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতা পাচ্ছেন অ্যাথলেটরা।

আজ সিলেটে গণমাধ্যমকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক যেমনটা বলছিলেন, নির্বাচনের আগেই ইশতেহারে প্রধানমন্ত্রী স্পোর্টসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশ গড়ার পরিকল্পনার অন্যতম অংশ ছিল স্পোর্টস। ইশতেহার বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। সরকার ইতিমধ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়াভাতা চালু করেছে।

উদ্বোধনী ভেন্যু হিসেবে ঢাকার পরিবর্তে সিলেটকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা। এ প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা থেকে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শুরু করব কি না এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম। উনি বললেন, ‘আমাকে ঢাকায় রাইখো না। ঢাকার বাহিরে নিয়ে যাও। সবসময় ঢাকা থেকে শুরু করা হয়। আমি চাই এটা ঢাকার বাহিরে থেকে শুরু হোক।’ তারই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা সিলেট থেকে শুরু করছি।”

প্রসঙ্গত, ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৮টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। খেলাগুলো প্রথমে শুরু হবে উপজেলা পর্যায়ে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় হয়ে সবশেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। ১৩-২২শে মে’র মধ্যে শেষ হবে আঞ্চলিক পর্বের খেলা।

পুরো বাংলাদেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। এসব অঞ্চলের মধ্যে বিভিন্ন জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে, যাতে কোনো মেধা অবমূল্যায়িত না হয়।

ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনের প্রতিটি পর্যায়ে নকআউট পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। দাবায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সুইস লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। ব্যক্তিগত ইভেন্ট অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্টের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বাছাই (হিট/নকআউট) এবং ফাইনাল রাউন্ডের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। প্রতিযোগিতায় একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুটি খেলায় অংশ নিতে পারবে।

রেজিষ্ট্রেশনের জন্য খুব অল্প সময় থাকা সত্ত্বেও সারা দেশ থেকে গত ১২-২৬ এপ্রিল ডেডলাইন পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতায় আট ইভেন্টের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৬৯৩ জন প্রতিযোগী। এরমধ্যে ছেলে ১ লাখ ২০ হাজার ৯৪৯ জন, মেয়ে ৪৬ হাজার ৭৪৪ জন। ঢাকা অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি ২৫ হাজার ৩৮৭ জন প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সবচেয়ে কম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে। সেখানে ৭ হাজার ৯৬৬ জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন।


সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনীত সংসদ সদস্যদের শপথ রোববার (৩ মে) অনুষ্ঠিত হবে।

শনিবার (২ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়।

জানা গেছে, রোববার (৩ মে) রাত ৯টায় এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী সংরক্ষিত আসনের জন্য বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ৩৬ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে মনোনীত হয়েছে ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র থেকে ১ জন মনোনীত হয়েছেন।

বিএনপি জোটের বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুন রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, মোছা. সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার (ঠাকুর), শামীম আরা বেগম স্বপ্না, মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, মোছা. সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মার্মা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াতের মনোনীত প্রার্থীরা হলেন—মহিলা জামায়াত সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, মানবসম্পদ ও আইন বিভাগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার মুন্নি, নাজমুন্নাহার নিলু এবং প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ। অঞ্চলভিত্তিক প্রতিনিধিত্বে চট্টগ্রাম থেকে মেরিনা সুলতানা, সিলেট থেকে মাহফুজা খানম এবং বগুড়া থেকে সাজেদা সামাদ রয়েছেন। এছাড়া জুলাই শহীদ জারিফ আব্দুল্লাহর মা রোকেয়া বেগমকেও জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের তালিকায় রাখা হয়েছে।

অপরদিকে জামায়াতের ছেড়ে দেওয়া তিনটি আসনে এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু, জাগপা সভাপতি তাসমিয়া প্রধান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা করিমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম।


শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে: ডিএমপি কমিশনার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার। শনিবার (২ মে) দুপুরে কারওয়ান বাজার এলাকায় একটি পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, আগের মতো বড় শীর্ষ সন্ত্রাসী না থাকলেও তাদের সহযোগী ও নতুনভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার আগেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমিশনার বলেন, ‘কারওয়ান বাজার এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিএমপি ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নতুন পুলিশ ক্যাম্পটি চাঁদাবাজি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে ভূমিকা রাখবে। এখানে সার্বক্ষণিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সদস্য বাড়ানো হবে।’

তিনি আরো জানান, রাজধানীতে চাঁদাবাজি ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। গোপন নজরদারি বাড়ানোসহ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।


ঢাকাসহ দেশের সব থানাকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবিঃ সংগৃহীত
আপডেটেড ২ মে, ২০২৬ ১৬:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি থানাকে মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালদের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করার কড়া নির্দেশনা প্রদান করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা মডেল থানা সরজমিনে পরিদর্শনকালে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি এই আহ্বান জানান।

থানা পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাজতখানা, বিভিন্ন কক্ষ এবং থানার সার্বিক পরিবেশ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাঁদের কাজের চ্যালেঞ্জ ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন।

পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সাধারণ মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দেন। একই সাথে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সর্তক করে দিয়ে জানান যে, দায়িত্বে অবহেলা বা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাধারণ মানুষ যাতে কোনো হয়রানি ছাড়া থানায় আইনি সেবা পেতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শন বলে জানা গেছে।


সিলেটে ৪৬৩৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন

আপডেটেড ২ মে, ২০২৬ ১৫:০২
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেটের সুরমা নদীর তীর উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পে নদীর দুই তীরে সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

আজ শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর চাঁদনীঘাট এলাকায় প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী এসময় প্রকল্পের অগ্রগতি ও পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন।

সিসিক জানায়, সুরমা নদীর উভয় তীরে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি টেকসই বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এতে একদিকে যেমন নদীভাঙন রোধ হবে, অন্যদিকে নগরবাসীর চলাচল ও বিনোদনের সুযোগ বাড়বে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন–প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট ৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট ২ আসনের সংসদ সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান, সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


সিলেটে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট সিটি করপোরেশনের একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সুধী সমাবেশে যোগদান করেন।

এর আগে সিলেটে পৌঁছে সুফিসাধক হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সিলেটের সুরমা নদীর পাড়ে সৌন্দর্যবর্ধনসহ বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

একই দিন দুপুর ১২টার পর সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা আছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর বেলা ৩টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু ও কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিকেল ৫টায় দলীয় এক সভায় যোগ দিয়ে তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে তোরণ নির্মাণ, ব্যানার-ফেস্টুন টানানো এবং প্রয়োজনীয় সাজসজ্জা করা হয়েছে।


সিলেটে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে এসেছেন বিএনপির চেয়ারম‍্যান তারেক রহমান।

শনিবার (২ মে) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম ও অন্যতম প্রধান বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইেন্স করে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দর এলাকায় আগে থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করবেন। পরে তিনি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের উদ্বোধনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

এছাড়া নগরীতে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার। সফরের অংশ হিসেবে, বাসিয়া খাল খনন কর্মসূচি ও বিকেলে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন সড়ক সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে। সড়কদ্বীপে নতুন করে গাছ লাগানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব‍্যানার-ফেস্টুন টানাতেও দেখা গেছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেক রহমানের এই প্রথম সিলেট সফর ঘিরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ‍্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তার আগমন উপলক্ষ্যে শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় বিএনপি অঙ্গসংগঠনগুলকে মিছিল করতে দেখা যায়।

গত ২১ জানুয়ারি সিলেট সফর করেছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরের দিন ২২ জানুয়ারি সিলেট আলিয়া মাদ্রসা মাঠ থেকে এয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছিলেন তিনি।


দেশে হামের প্রকোপে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, এতে নতুন করে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক দিনে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে ২ জন করে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

গত ১৫ মার্চ থেকে চলতি শুক্রবার (১ মে) পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ২৩১ জন, যাদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪৯ শিশু। অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, দিন দিন এই রোগের সংক্রমণ ও মৃত্যুঝুঁকি উভয়ই বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং একই সময়ে আরও ১ হাজার ১৭০ জন শিশুর মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত দেড় মাসে মোট ৩৮ হাজার ৩০১ জন শিশুর মধ্যে হামের লক্ষণ পাওয়া গেছে এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৫ হাজার ১৪৬ জনের শরীরে রোগটি নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে।

হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ নিবিড় পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ২৬ হাজার ১০০ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

আশার কথা হলো, সঠিক চিকিৎসায় এ পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৫০ জন শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই পরিস্থিতিতে শিশুদের দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন।


ষড়যন্ত্রকারীদের সমুচিত জবাব দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপচেষ্টাকে রুখে দিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পল্টনে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, যখনই দেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হতে শুরু করে, তখনই নির্দিষ্ট কিছু মহল ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। বিশেষ করে গত ১২ তারিখের পর জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ যখন সঠিক পথে এগোচ্ছে, তখন তারা বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বে বন্ধুহীন করার এক হীন চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।

ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায় কোনো অপপ্রচারে কান না দিয়ে বরং জনগণের নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করছে। বিদেশি রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রকে বিতর্কিত করতে চায়, তাদের প্রতিটি ষড়যন্ত্রের জবাব সচেতন নাগরিকদের মাধ্যমেই দিতে হবে।

শ্রমিকদের প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী নিজেকেও দেশ গড়ার একজন কারিগর হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, নির্মাণ শ্রমিক বা পোশাক শ্রমিকরা যেভাবে নিজেদের শ্রম দিয়ে দেশ গড়ছেন, একইভাবে তাঁর মন্ত্রিসভাও দেশ গঠনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সমাবেশের শেষে তিনি উপস্থিত সকলকে কেবল সাধারণ নাগরিক নয়, বরং দেশ গড়ার নিবেদিতপ্রাণ শ্রমিক হিসেবে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের সমাবেশে তারেক রহমান

পল্টনে শ্রমিক সমাবেশ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ মে, ২০২৬ ১৭:৪২
নিজস্ব প্রতিবেদক

মহান মে দিবস পালন করতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছান এবং প্রধান অতিথি হিসেবে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের আগেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে দুপুর আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে সমাবেশের মূল কার্যক্রম শুরু হয়। তবে অনুষ্ঠানের শুরুতে দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়াতে ও উজ্জীবিত করতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে দুপুর ১টা থেকেই ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে শ্রমিক ও দলীয় নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন।

সমাবেশস্থলে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মীদের মাথায় ছিল লাল টুপি এবং পরনে লাল টি-শার্ট, যা পুরো এলাকায় এক বৈপ্লবিক পরিবেশের সৃষ্টি করে। ঢোল-তবলা ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে রাজপথ। এই আয়োজনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মজীবী নারীর অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। শ্রমিক দল নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মূল কর্মসূচির সূচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তায় গোটা এলাকা নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে ঢাকা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও ডিবি সদস্যদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্য পুরো এলাকায় সতর্কাবস্থান নিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের মতো যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাও মোতায়েন রাখা হয়েছে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সমাবেশটি সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।


হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত সহস্রাধিক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে অসুস্থ হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৮৫ জন রোগী। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হামের প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে, হাম হতে পারে এমন সন্দেহজনক লক্ষণে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন মোট ২৩১ জন। প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় ধারাবাহিকতা উদ্বেগজনক।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১৫ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এই নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশে মোট ৫ হাজার ১৪৬ জন ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে হামে আক্রান্ত হলেন।


banner close