বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
আলোচনা সভায় সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল

বঙ্গবন্ধু পরিষদ আর আওয়ামী লীগ অবিচ্ছেদ্য অংশ

আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
২ জুলাই, ২০২৪ ১৭:১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২ জুলাই, ২০২৪ ১৭:১৬

আদর্শ, মেনোফেস্টো, নেতৃত্ব ও কর্মী বাহিনী— এই চার জিনিস সংগঠনের জন্য প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগে এর সবই আছে। বঙ্গবন্ধু পরিষদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোনো অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠন নয়। বঙ্গবন্ধু পরিষদ আর আওয়ামী লীগ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পদার্পণ (প্লাটিনাম জয়ন্তী) উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর কলাবাগানের বশির উদ্দিন রোডে বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

সরদার মাহামুদ হাসান রুবেল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর ৭৫ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ দ্বি-ধারায় বিভক্ত হয়ে গেল। এক পক্ষ বললেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ কাজেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইতে হবে। অন্যপক্ষ বললেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনের শেষ কর্মসূচি বাকশাল কাজেই বাকশালের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাইতে হবে। এই সময়ে ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলো বঙ্গবন্ধু পরিষদ। তখন কিন্তু আর আওয়ামী লীগ আর বাকশাল দ্বিধারা বিভক্ত থাকলো না। সকল ধারা বঙ্গবন্ধু পরিষদের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে গেল। বঙ্গবন্ধু পরিষদের প্রাণপুরুষ প্রয়াত নেতা ডা. এস এ মালেক ৮১ পূর্ববর্তী সময়ে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার জন্য সবসময় উৎসাহ দিয়েছেন, যা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নিজেই স্বীকার করেছেন।’

আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত

এ সময় সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতি মানুষের সমর্থন, গ্রহণযোগ্যতা, আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা সৃষ্টি করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি অধ্যায় যদি বিবেচনা করি দেখা যাবে, ১৯৪৯ সালের প্রতিষ্ঠার পর নানা লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দান, ১৯৭৫ সালের জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা এবং পরবর্তী পাঁচ বছর। এই পাঁচ বছর অনেক কিছু ঘটেছিল। দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নির্যাতন-নিপীড়ন, জেল-জুলম, হত্যা এবং দলীয় ভাঙন।’

তিনি বলেন, তৃতীয় যে অধ্যায় সেটি হলো- এসব প্রতিকূলতা ভেদ করে আওয়ামী লীগ কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন সে লক্ষ্য কি অর্জিত হবে? ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দলীয় সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে বিদেশে নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার পর বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ধাপে ধাপে নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন। রাষ্ট্রক্ষতায় এসে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার হাত দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন ইলিয়াস বলেন, তৎকালীন আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল সামন্ততান্ত্রিক, জমিদারি শাসনব্যবস্থা। জনগণের কথা বলার সুযোগ ছিল না। বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করেছিলেন, মানুষের অধিকার আদায় করতে গেলে আগে দরকার বাকস্বাধীনতা। এরপর অধিকার আদায়ের জন্য রাজনৈতিক দল দরকার। কথা বলার স্বাধীনতা এলে গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা আদায় করা সম্ভব।

সহসভাপতি মাহাতাব আলী বলেন, বঙ্গবন্ধু চার হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে জেল খেটেছেন। এমন ত্যাগ অন্য কেউ করে নাই। ধাপে ধাপে বহু আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। জনমত গঠন করেছেন। এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী সভা, সমাবেশ, জনসভা করেছেন। প্রতিষ্ঠার ২২ বছরের মাথায় স্বাধীনতা দিয়েছে আওয়ামী। স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে কিন্তু অর্থনৈতিক মুক্তি এখনও আসেনি। শেখ হাসিনার হাত ধরে এ লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে দেশ।

আলোচনা সভায় উপস্থিত সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত

সহসভাপতি সঞ্জীব কুমার রায় বলেন, বঙ্গবন্ধুর দুটি লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি জাতি। একটি লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে, স্বাধীনতা। অন্যটি অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের এগুতে হবে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে অর্থনৈতিক মুক্তির পথে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে। সমৃদ্ধ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল রঞ্জন বলেন, নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে অধিকার আদায়ের কণ্ঠস্বর হিসেবে আওয়ামী লীগের জন্ম। এ দেশের যত আন্দোলন-সংগ্রাম সবগুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগ জড়িত। বাংলাদেশের যে কোনো সাফল্য ও অর্জনের কথা বললে আওয়ামী লীগের নাম চলে আসবে।

বিষয়:

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বসানো হবে সোলার প্ল্যান্ট: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্ল্যান্ট বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে দুই হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের।’

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ওমেরার সঙ্গে সোলার প্ল্যান্টসংক্রান্ত চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী করে গড়ে তুলতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে ৬০০ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতাসম্পন্ন ‘অন-গ্রিড ওপেক্স মডেল সোলার সিস্টেম’ প্রকল্পের উদ্বোধন ও এই চুক্তি সই হয়েছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো শিক্ষা। সে জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে দক্ষ, নৈতিক ও দেশপ্রেমিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার প্রাধান্যের তালিকায় প্রথম বিষয় শিক্ষা, দ্বিতীয় বিষয় শিক্ষা এবং তৃতীয় বিষয়ও শিক্ষা।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা, উন্নত অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছে। রাষ্ট্র শিক্ষার্থীদের জন্য যা প্রয়োজন তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। প্রতিদানে শিক্ষার্থীদেরও দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাবের হোসেন, মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জির সিইও মাসুদুর রহিম।


টিকা নয়, এই মুহূর্তে শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিতকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘টিকা ব্যবস্থাপনায় কোনো ভুল বা অব্যবস্থাপনা হয়ে থাকলে তা তদন্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সংকট কাটার পর কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ তবে দোষী ব্যক্তি নির্ধারণের চেয়ে এই মুহূর্তে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বুধবার সরকারি টিকার বর্তমান অবস্থা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তদন্ত করব না, সেটা বলিনি। এখন আমরা সংকটকাল অতিক্রম করছি। এই ক্রাইসিসটা (সংকট) শেষ হলেই আমরা কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেব।’

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে ৪০০–এর বেশি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাম ও হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া শিশুর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিভিন্ন জটিলতায় টিকা কেনা হয়নি। শিশুরা সময়মতো টিকা না পাওয়ায় দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে অভিযোগ করে এ জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছে বিভিন্ন দল ও সংগঠন। এ জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিচার দাবিতে বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ‘ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ আইনজীবীবৃন্দ’–এর ব্যানারে মানববন্ধন করেছেন একদল আইনজীবী। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ (সিপিবি) বিভিন্ন দল ও সংগঠন এর মধ্যে এ বিষয়ে নানা কর্মসূচি পালন করেছে ও বক্তব্য বিবৃতি দিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘টিকা নিয়ে কী ভুল করেছে, সেটা খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে। আমরা এটাই চেষ্টা করছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, দেশে বর্তমানে হামের চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান। আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য আইসোলেশন, আইসিইউ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং চিকিৎসকরাও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন হামের পরই অনেকের নিউমোনিয়া হয়ে যায়। ভেন্টিলেশনই এই রোগের শেষ চিকিৎসা। আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে সেই ভেন্টিলেশন দিয়েছি। আমাদের হাতে আজ এই মুহূর্ত পর্যন্ত আমেরিকা থেকে আরও ১০টি ভেন্টিলেটর দান করেছে একজন বেসরকারি ফার্মাসিউটিউক্যালস উদ্যোক্তা। সেগুলো বণ্টন করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের হামের চিকিৎসা চলছে, আইসোলেশন চলছে, আইসিইউ আছে, চিকিৎসকরাও সচেষ্ট আছেন, আমরাও চেষ্টা করছি। আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন।’

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ভিটামিন এ ক্যাপসুলটা একটু কম আছে। জুন নাগাদ আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও পেয়ে যাব। পূর্বনির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আমরা বছরে দুইবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেব। এই সেক্টরে কোনো ঘাটতি রাখা যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেসব শিশু এখনো টিকার আওতায় আসেনি, তাদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে এবং নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।’


প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো স্থাপন, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এসব নির্দেশ দেন। প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতে করণীয় ঠিক করতে এ সভা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মর্যাদা ও সক্ষমতাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। এমন বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের সব কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

সভায় উপস্থিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা এবং অপ্রতুল সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবন নির্মাণ নীতিমালায় হাসপাতাল, রেস্টুরেন্টসহ সরকারি ও বেসরকারি সব স্থাপনায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের যাতায়াতের উপযোগী অবকাঠামো ও টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। কক্ষের দরজা এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে, যাতে হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীরা সহজেই প্রবেশ করতে পারেন।

নারীদের জন্য চালুর পরিকল্পনায় থাকা ইলেকট্রিক বাসেও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের ওপর জোর দেন তিনি।

এছাড়া সারা দেশে পরিচালিত প্রতিবন্ধী স্কুলগুলো সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ প্রতিযোগিতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রাথমিকভাবে ১০ জেলার ১০ উপজেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করতে ‘শিশু স্বর্গ’ প্রকল্প চালু করা হবে। দ্রুত এ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানানো হয়।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলালও সভায় অংশ নেন।


পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন, সম্পাদক শামীমা পারভীন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) শামীমা পারভীন।

বুধবার (১৩ মে) বিকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামে বার্ষিক সাধারণ সভায় কণ্ঠভোটে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে বলেও জানা গেছে।

এর আগে গতবছরের মে মাসে গঠিত সর্বশেষ কমিটিতে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএসএ) সভাপতি নির্বাচন হন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) তৎকালীন কমিশনার (প্রত্যাহার হয়ে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত) ড. নাজমুল করিম খান এবং সাধারণ সম্পাদক হন ঢাকা জেলার তৎকালীন পুলিশ সুপার (বর্তমানে কুমিল্লার পুলিশ সুপার) মো. আনিসুজ্জামান। তবে একাধিক বিতর্কিত ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে পদস্থগিত ছিল নাজমুল করিমের।

এদিকে গত ১৬ মার্চ পুলিশ সদরদফতরে কর্মরত মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে বদলি করে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান করা হয়। ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। চাকরি জীবনে তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কুষ্টিয়া, ভোলা ও শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন UNAMID-এও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০২৪ সালের ২৪ অক্টোবর ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার) পদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হন মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।

আর ৩০ এপ্রিল শামীমা পারভীনকে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) পদে পদায়ন করা হয়। ঢাকায় প্রথমবারের মতো কোনো নারী কর্মকর্তা এসপি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। শামীমা পারভীন খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি দলের হুইপ রকিবুল ইসলামের স্ত্রী।

বিসিএস ২৫ ব্যাচের কর্মকর্তা শামীমা সর্বশেষ পুলিশ সদরদফতরের অ্যাডুকেশন স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারের এআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তাকে পুলিশের কম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পদায়ন করে রাখা হয়েছিল। শামীমা পারভীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেত্রী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কমিটিতে ছিলেন।


ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও এক বাংলাদেশি নিহত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় শুভ কুমার দাস (২৮) নামে সাতক্ষীরার কলারোয়ার আরও এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে লেবানন সংঘাতের গত দুই দিনে সাতক্ষীরা জেলার মোট তিন জন প্রবাসী প্রাণ হারালেন।

নিহত শুভ কুমার দাস কলারোয়া উপজেলার শ্রীপ্রতিপুর গ্রামের সুরঞ্জন দাসের ছেলে। পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে তিন বছর আগে তিনি লেবানন যান। সেখানে তিনি একটি বাড়ি ও ফলের বাগান দেখাশোনার কাজ করতেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১১ মে) রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় চলাচলের সময় ড্রোন হামলার শিকার হন শুভ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

শুভর বাবা সুরঞ্জন দাস জানান, তার ছেলের আয়ের ওপরই পুরো পরিবার নির্ভরশীল ছিল।

একই দিনে লেবাননের নাবাতিহ জেলার জেবদিন এলাকায় পৃথক ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার আরও দুইজন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন- সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম (৪০) ও আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের মো. নাহিদুল ইসলাম (২০)।

বৈরুতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস শফিকুল ও নাহিদুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে নিজ আবাসস্থলে অবস্থানকালে বিমান হামলায় তারা প্রাণ হারান।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল ইসলাম জানান, শুভর মৃত্যুর বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে পরিবারের খোঁজ নিতে লোক পাঠানো হয়েছে। তথ্য পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল বলেন, একই দিনে জেলার তিনজন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। আমরা তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে পরিবারের পাশে থাকার এবং সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরের ১১তম এবং সরকারের তৃতীয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়, ১৯৬০-এর দশক থেকেই ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি ওঠে। পরে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অনুমোদনকে।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিশন কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী বাজেট ঘোষণার পরই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।


অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেললো দালাল, প্রাণ গেলো ৭ মাস বয়সি শিশুর

অভিযুক্ত এনায়েত করিম
আপডেটেড ১৩ মে, ২০২৬ ১৫:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

অক্সিজেন মাস্ক না খোলার চিকিৎসকের কড়া নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার আশায় রংপুর থেকে আসা সাত মাস বয়সি শিশু মিনহাজকে বেসরকারি হাসপাতালে ভাগিয়ে নিতে সেই মাস্ক খুলে ফেলেন এক দালাল। অক্সিজেনের অভাবে বাবার কোলেই প্রাণ হারায় শিশুটি। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনায়েত করিমকে আটক করেছে পুলিশ। এনায়েত ঢামেক হাসপাতালেরই সাময়িক বরখাস্ত হওয়া একজন অফিস সহকারী।

স্বজনরা জানান, নিহত মিনহাজ কিডনি জটিলতায় ভুগছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর থেকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। হাসপাতালে শয্যা খালি হলে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন এনায়েত। তবে এর আগপর্যন্ত কাঁটাবন এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন ২৫ হাজার টাকা খরচে রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে রোগীকে বের করে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার উদ্দেশে মিনহাজের মুখের অক্সিজেন মাস্ক খুলে ফেলেন এনায়েত। মাস্ক ছাড়াই প্রায় ২০ মিনিট হাসপাতালের ভেতরে ঘোরাঘুরি করেন তিনি। পরে ২ নম্বর ভবনের গেট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় স্বজনরা বুঝতে পারেন, শিশুটি আর বেঁচে নেই।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এনায়েত করিমের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের সার্টিফিকেট দেওয়ার নামে অর্থ দাবি করায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল কর্তৃপক্ষ। বরখাস্ত হয়েও তিনি হাসপাতালের দালালি ও প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

ঢামেক হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, অতিরিক্ত রোগীর চাপের সুযোগ নিয়ে হাসপাতালে প্রায় অর্ধশত দালাল সক্রিয় রয়েছে। তারা আইসিইউ প্রয়োজন–এমন মুমূর্ষু রোগীদের লক্ষ্য করে বেসরকারি ক্লিনিকে ভাগিয়ে নেয়। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও এই চক্রের মূল হোতারা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।


হাম সংকটে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আপডেটেড ১৩ মে, ২০২৬ ১৩:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে হামের ভয়াবহ সংক্রমণ পরিস্থিতিকে একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে তুলনা করে এর পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, হাম পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হলেও সরকার তা নিয়ন্ত্রণে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশির ভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরও টিকার আওতায় আনা হবে।” মন্ত্রী আরও জানান যে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আগামী জুন মাসের মধ্যেই দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এবং সরকারি তথ্য অনুযায়ী মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। এক সময় যে রোগটি প্রায় নির্মূলের পথে ছিল, সেখানে কেন এত প্রাণহানি ঘটছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন যে দুর্যোগ পরবর্তী তদন্তের মাধ্যমে সংকটের প্রকৃত কারণ ও অবহেলার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে। তাঁর মতে, “হামের এই ভয়াবহ দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার পর, এমন সংকটময় পরিস্থিতির পেছনে কারা দায়ী, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার” বিষয়ে সরকার আপসহীন থাকবে।

এদিন ইপিআই কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন উপহার দেয় চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা প্রদানের ঘাটতিই হামের এই মহামারির মূল কারণ। যদিও বর্তমানে ৯৮ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তবুও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা চলছে।

বুধবার (১৩ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজন মাহমুদ। তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।


নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা সহজ করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন যাত্রীরা এবং দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি। টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে এবারও সমস্ত আসনের টিকিট শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীরা তাদের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যবহার করে ২৩ মে’র টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। রেলওয়ের ঈদ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী দিনগুলোর টিকিট বিক্রির সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, ২৪ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৭ মে। তবে ২৮ থেকে ৩০ মে’র টিকিট বিক্রির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।

টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী আরোপ করা হয়েছে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারের প্রচেষ্টায় চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। অগ্রিম যাত্রার এসব টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ডযোগ্য হবে না। এদিকে যারা অনলাইন টিকিট পাবেন না, তাঁদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আবহাওয়ায় আজ মেঘলা ভাব বিরাজ করতে পারে। সেই সাথে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে যে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে পুরোপুরি মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোরে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৬টায় তা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, গতকাল রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে।

সারা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু স্থানে মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে বৃষ্টিহীন এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।


রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসির সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা—ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর জোরালো সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানো হয়।

সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল ও ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে তাদের সমর্থনের জন্য সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের গড়ে ওঠা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ভবিষ্যতে তা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সমর্থনও প্রত্যাশা করেন তিনি।

এ সময় সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার মিশনপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্রসচিব মু. ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান সেখানে রুমন উপস্থিত ছিলেন।


আন্দোলনকারীদের হত্যার পর হাসিনার কান্নার নাটক ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায়: স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের হত্যার পর হাসিনার কান্নার নাটক ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে লিখিত থাকবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১২টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজ পরিদর্শনকালে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দীন আহমদ বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ, জুলাই অভ্যুত্থানসহ গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ইতিহাস জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে স্থান পেয়েছে। আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে এ জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন স্পিকার।

স্পিকার জানান, গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তারা হাসিমুখে গণতন্ত্রের জন্য জীবন দেয়া বীরদের উদাহরণ।

স্পিকার আরও জানান, জুলাই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে গণভবন দখলের চিত্র, শহিদদের পকেটে রাখা চিঠি এবং হাসিনার খুনের নির্দেশের কল রেকর্ডসহ গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির দীর্ঘ আন্দোলনের নানা চিত্র।


banner close