শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

ফাইল ছবি
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১ আগস্ট, ২০২৪ ১৮:৪৫

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলাকারীরা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে যেভাবে পাক হানাদার বাহিনীদের সঙ্গে এদেশের দোসর রাজাকার, আলবদর, জামায়াত-শিবির তাণ্ডব চালিয়েছে, ঠিক তেমনি কোটা আন্দোলনে নামে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। ১৯৭১ সালের সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি-জামাতের ইন্ধনে মানুষ হত্যা, নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি সম্পদ ধ্বংসের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক বলেন, যারা দেশে তাণ্ডব চালিয়েছে তারা কখনো ছাত্র হতে পারে না। তারা ছিল বিএনপি-জামায়াত রাজাকারের দল। তাদের কার্যকলাপে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি, শিবির, ছাত্রদলসহ স্বাধীনতা বিরোধীরা এত শক্তি কোথা থেকে পেল। এটা আমাদের খুঁজে দেখতে হবে। যেখান থেকেই হোক, যত বড় শক্তিশালী হোক, আইনের মাধ্যমে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। আর তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজ উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তর করেছেন। তিনি দেশি ও আন্তর্জাতিক সব ষড়যন্ত্র আর নানা প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করে উন্নত-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। মন্ত্রী সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অন্যান্যর মধ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব) হেলাল মোর্শেদ খান, বীর বিক্রম, বাংলাদেশ সড়ক ও পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ওসমান আলী, শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদ হোসেন মতিন, সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম সুলতান আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিকুর রহমান শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামসহ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধন শেষে হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অগ্নিসংযোগ ও সরকারি সম্পদ ধ্বংসের প্রতিবাদে একটি মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে শুরু করে পল্টন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।


জ্বালানি সংকটে বন্ধ থাকা ইস্টার্ন রিফাইনারি ফের চালু

ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জ্বালানি সংকটের কারণে টানা ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড। শুক্রবার (৮ মে) ভোর ৬টা থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারে আবারও উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

রিফাইনারি সূত্র জানায়, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানির নতুন চালান দেশে পৌঁছানোর পর শোধন কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার সকালে ফায়ার্ড হিটারে ক্রুড অয়েল প্রসেসিং শুরু হয় এবং কিছু সময়ের মধ্যেই পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন কার্যক্রম চালু করা হয়।

বর্তমানে শোধনাগারে ক্রুড অয়েল পরিশোধনের মাধ্যমে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনসহ বিভিন্ন জ্বালানি উৎপাদন করে নির্ধারিত ট্যাঙ্ক ফার্মে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিফাইনারির জেটিতে থাকা লাইটারেজ জাহাজ থেকেও অপরিশোধিত তেল খালাসের কাজ চলছে।

ইস্টার্ন রিফাইনারির উপমহাব্যবস্থাপক (অপারেশনস) মামুনুর রশীদ খান জানান, ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার টন ক্রুড অয়েল নিয়ে কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। সেখান থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ায় আবারও উৎপাদন সচল করা সম্ভব হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কারিগরি সমন্বয়ের কাজ শেষ হলে উৎপাদন আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে গত ১৪ এপ্রিল ইস্টার্ন রিফাইনারির তিনটি ইউনিটের মধ্যে দুটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে মজুত ফুরিয়ে গেলে পুরো উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে নতুন চালান আনা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে যে পরিমাণ ক্রুড অয়েল মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আগামী ২০ থেকে ২৫ দিন উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে নতুন চালান আনার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। আগামী ২০ মে’র দিকে আরও একটি জ্বালানি চালান দেশে পৌঁছাতে পারে বলেও জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইস্টার্ন রিফাইনারিকে সচল রাখতে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ক্রুড অয়েল আমদানির বিকল্প নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নতুন চালান না এলে আবারও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমানে রিফাইনারিটির দুটি ইউনিটে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার টন জ্বালানি উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ায় দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া উদ্বেগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

আজ শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ইং এবং ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। দিনের শুরুতেই বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চাঁদপুর ও যশোরে, ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রাজারহাটে, ১৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে সমুদ্রবন্দর কিংবা দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এখন পর্যন্ত কোনো সতর্কবার্তা বা সংকেত দেখানো হয়নি।

আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ১৯ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে


উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অপারেশনাল স্টেজে প্রবেশ করেছে। অর্থাৎ কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে। যদিও পরমাণু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। তার ওপর বাংলাদেশ এ খাতে একেবারেই নতুন। তাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা ও শঙ্কা রয়েছে। তবে পরমাণু বিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকদের দাবি, থ্রি-প্লাস জেনারেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করায় রূপপুরে রয়েছে বিশ্বের আধুনিকতম নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফলে চেরনোবিল বা ফুকুশিমার মতো দুর্ঘটনার ঝুঁকি এখানে নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রূপপুরে যে থ্রি-প্লাস জেনারেশন প্রযুক্তির ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর বসানো হয়েছে, সেটি অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাসম্পন্ন। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম বলেন, এখন আর ফুকুশিমা বা চেরনোবিলের মতো উদ্বেগ নেই। কারণ প্রযুক্তির অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ওই কেন্দ্রগুলোর ডিজাইন ছিল ১৯৭০-এর দশকের, আর রূপপুরের ডিজাইন ২০১৫ সালের। এমনকি চরম বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতেও যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে, সেই ধরনের প্রযুক্তি এখানে ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে কোর ক্যাচার ও ডাবল কন্টেইনমেন্ট স্ট্রাকচার থাকায় রিঅ্যাক্টরের কোর বিপর্যয়ের সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিঅ্যাক্টর ভবনে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করেই দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ।

রুশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোসাটম বলছে, পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত রূপপুরের পারমাণবিক চুল্লি থেকে বাইরে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি নেই। এমনকি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, ৮ মাত্রার ভূমিকম্প, বন্যা কিংবা বিমান হামলার মতো পরিস্থিতিতেও কেন্দ্রটি নিরাপদ থাকবে।

টারবাইন শপ অপারেশনের ডেপুটি ম্যানেজার সেগেই অ্যানোসিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক সুরক্ষা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, যা যেকোনো পরিস্থিতিতে মানুষ ও প্রকৃতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

নীতিনির্ধারকরাও বলছেন, সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই অন্তত ৬০ বছর রূপপুর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, থ্রি-প্লাস জেনারেশনের এই প্রকল্পে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আর কোনো দুর্ঘটনা ঘটলেও আশপাশের মানুষের ক্ষতি না হয়, সেই ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তি যত আধুনিকই হোক, নিরাপত্তা নিশ্চিতে দক্ষ পরিচালন ব্যবস্থাপনাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বলেন, যন্ত্র ও প্রযুক্তি উন্নত হলেও ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা থাকলে কেন্দ্র পরিচালনা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। এমনকি অর্থনৈতিক ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

আগস্টে জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ধাপে ধাপে আগামী বছরের শেষ নাগাদ ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার পুরো কেন্দ্রটি পূর্ণ উৎপাদনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।


রাষ্ট্র আর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে রাষ্ট্র এখন আর গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না এবং বর্তমান সরকারের জবাবদিহিতার বাইরে থাকার কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, বিগত সরকারের মুক্ত গণমাধ্যম তৈরির প্রতিশ্রুতি ছিলো কেবলই গালভরা বুলি, তবে বর্তমান সরকার একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম কমিশনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ‘ইন্টারন্যাশনাল কেবল টিভি, ব্রডকাস্টিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) দ্বিতীয়বারের মতো এই মেলার আয়োজন করেছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, কমিউনিকেশন পাওয়ার, ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শুধু রাজনীতিকেই নয়, ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকেও পরিবর্তন করেছে। এই মাধ্যম এখন এতোই শক্তিশালী যে রাষ্ট্র কখনও একে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না। আমি এটি বুঝি বলেই প্রথম দিন থেকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান যুগে জনগণ অনেক সচেতন। বড়ো কোনো অসন্তোষ তৈরি হলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তারা দ্রুত ঐক্যবদ্ধ হয়ে যেতে পারে। সরকার ও প্রধানমন্ত্রী এই বাস্তবতা বুঝেন বলেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ওপর জোর দিচ্ছেন।

জহির উদ্দিন স্বপন জানান, একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম কমিশন ছাড়া এই খাতের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা এমন একটি মেধাভিত্তিক নীতিমালা তৈরি করতে চাই যেখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তবে তথ্য সরবরাহে সরকার সবসময় দায়িত্বশীল থাকবে। সঠিক সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, যেকোনো তথ্যই সংবাদ নয়। সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের জন্য ‘ফ্যাক্ট চেক’ বা তথ্য যাচাই করা এখনকার সময়ের সবচেয়ে বড়ো দাবি।

জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, এবারের নির্বাচন ছিল বিগত ১৩টি নির্বাচনের মধ্যে সবচেয়ে কম বিতর্কের এবং সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন নির্বাচন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়াব নেতারা অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতি সরকারের কঠোর পদক্ষেপ এবং ডিজিটাল প্রাইভেসি সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।

দেশের ব্রডকাস্ট, কেবল অপারেটর, টেলিভিশন চ্যানেল ও আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে আয়োজিত এই প্রযুক্তি প্রদর্শনী চলবে আগামী ৯ মে পর্যন্ত।


টিকাদানের মধ্যেও থামছে না হামে মৃত্যু

* আরও ১২ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৬ * এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে ৩৩৬ মৃত্যু
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক 

হাম প্রতিরোধে টিকার জোগান বাড়ছে। এ ছাড়া দেশব্যাপী চলছে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি। তবু হামে শিশুমৃত্যু থামছে না। ৫৩ দিনে হাম ও এর উপসর্গে ৩৩৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের পাশাপাশি হাম প্রতিরোধে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে।

মার্চের মাঝামাঝি থেকে হামে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকে সরকার দেশব্যাপী ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের এমআর-১ বুস্টার ডোজ টিকা প্রদান শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সরকারের নেওয়া টিকা কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ। কিন্তু টিকা কার্যক্রম শুরুর এক মাসের মাথায় হামে একদিনে সর্বোচ্চ ১৭ মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে চিন্তার কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার প্রধানত টিকা কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে, যা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ সতর্কতা বাস্তবে এক ধরনের মহামারিরই ইঙ্গিত দেয়। এ পরিস্থিতিতে আরও আগেই ‘জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা’ ঘোষণা করা দরকার ছিল, কিন্তু সরকার সেটি করেনি। পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতা এবং শক্তিশালী রোগ নজরদারি ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। এছাড়া, আক্রান্ত এলাকা চিহ্নিত করে কঠোর আইসোলেশন ব্যবস্থা করা উচিত ছিল, কিন্তু সরকার সেটিও করেনি।

এদিকে, হাম ও হামের উপসর্গে বুধবার (৬ মে) সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ৮টা দেশে আরও ১২ শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে এক শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল ১১ শিশুর। এ সময়ে সারাদেশে আরও ১ হাজার ২৩৮ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

হাম শনাক্ত হয়ে শিশুটি ঢাকায় মারা গেছে। আর হামের উপসর্গে বরিশালে ১ জন, ঢাকায় ৫, খুলনায় ১, ময়মনসিংহে ১, রাজশাহীতে ২ জন ও সিলেটে ১ জন মারা গেছে। এর আগে ৪ মে হাম ও হামের উপসর্গে সর্বোচ্চ ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে মৃত্যু দাঁড়াল ৩৩৬ জনে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্যগুলো জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩১ হাজার ৯১২ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ২৮ হাজার ২৩৮ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র টিকাদান কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করা পর্যাপ্ত নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ সতর্কবার্তা মহামারির ইঙ্গিত দেয়। এই পরিস্থিতিতে আরও আগেই ‘জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা’ ঘোষণা এবং আক্রান্ত এলাকা চিহ্নিত করে কঠোর আইসোলেশন ব্যবস্থা করা প্রয়োজন ছিল, যা সরকার করেনি।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা, জনস্বাস্থ্য ও মহামারি বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, হাম সারা বিশ্বেই বেড়েছে। কিন্তু আমাদের মতো এত শিশু মৃত্যু কোথাও হয়নি, এমনকি আফ্রিকাতেও না। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সমন্বিত এবং বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ না থাকার কারণেই এতগুলো শিশুকে আমাদের হারাতে হলো।

জনস্বাস্থ্য ও টিকা বিশেষজ্ঞ ডা. তাজুল ইসলাম বারী বলেন, বর্তমানে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে। এতে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সি শিশুদের শরীরে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৫০ শতাংশ এবং ৯ থেকে ১২ মাস বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে ৮৫ শতাংশ। তবে, কার্যকারিতা পেতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সময় লাগে। এছাড়া ক্যাম্পেইনে ৫ বছরের পরিবর্তে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত করা গেলে, যেমনটি ২০১৪ সালের ক্যাম্পেইনে করা হয়েছিল, আক্রান্তের হার কিছুটা কমতে পারত। কারণ, শিশুদের পাশাপাশি হামে বড়রাও আক্রান্ত হচ্ছে। শরীরে র‌্যাশ আসুক আর না আসুক জ্বর ও পাতলাপায়খানা দেখার সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে পারলে হামে আক্রান্তের হার হ্রাস পাবে।


প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে পুশ নোটিফিকেশন ও মোবাইল বার্তা পাঠানো হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে মাঠপর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতে প্রচারণা জোরদার করা হচ্ছে। মোবাইল এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে টিকার তথ্য পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। সমন্বিত এ উদ্যোগের ফলে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ডিএনসিসির মিলনায়তনে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), ইউনিসেফ বাংলাদেশ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ‘বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোশনের অংশীজনদের সমন্বিত কার্যক্রমের চ্যালেঞ্জ ও করণীয় এবং ২০২৬ সালের হামের প্রকোপ মোকাবিলা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রশাসক এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএনসিসি প্রশাসক আরো বলেন, নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও সিটি করপোরেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

সভায় ইউনিসেফের প্রতিনিধি ড. মালালাই আহমেদজাই বলেন, ‘শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

সরকারের টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল, হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সম্প্রতি ৯৩ শতাংশ এইচপিভি (HPV) ও ৯৭ শতাংশ টিসিভি (TCV) টিকার কভারেজ অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের নগর এলাকায় টিকাদান কভারেজ ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে কভারেজ ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

সভায় ২০২৬ সালের চলমান হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ৪৪ হাজার ২৬০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী, ৬ হাজার ৯৯ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী এবং ২৬৮ জন সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতিকে জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু, বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

সভায় আরও জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ৬-৫৯ মাস বয়সি শিশুদের লক্ষ্য করে জরুরি এমআর (MR) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। এছাড়া ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকাতেও এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার টিকাদান কর্মসূচিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে টিকাদান কার্যক্রমে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। কার্যকর টিকাদানের মাধ্যমে শিশু ও নারীদের মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব প্রতিরোধে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ইউনিসেফের ইমিউনাইজেশন ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. নিজাম উদ্দীন আহমেদ।

সভা সঞ্চালনা করেন ডা. মাহমুদা আলী এবং সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।


আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর

আপডেটেড ৭ মে, ২০২৬ ২২:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, নাগরিক তখনই কর দিতে আগ্রহী হবে, যখন সে বুঝতে পারবে করের বিনিময়ে রাষ্ট্র তাকে সেবা দিচ্ছে। রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে সামাজিক আস্থার সম্পর্ক তৈরি না হলে কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি কমবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে করদাতাকে এমন রসিদ দেওয়া হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে, তার দেওয়া করের কত অংশ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে ব্যয় হয়েছে। আগামী বাজেট থেকেই এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর আশা করছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সিএ ভবনে আয়োজিত এক প্রাক-বাজেট গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. তিতুমীর। ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ও দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস যৌথভাবে এ আলোচনার আয়োজন করে।

ড. তিতুমীর বলেন, দেশে কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি বাড়ার পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি বড় কারণ। তার ভাষায়, ‘গোষ্ঠীতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় রাখবে, আর বিনিময়ে কর খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। কর ফাঁকি ও জালিয়াতির মূল শেকড় এখানেই।’

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ, যা বিশ্বের অন্যতম নিম্ন হার। ‘উন্নয়নের বড় বড় বুলি আওড়ানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে করব্যবস্থার ভিত্তি দুর্বলই থেকে গেছে’-বলেন তিনি।

কর ব্যবস্থায় ‘সংযুক্তি’ ও ‘বিযুক্তি’ দুই ধরনের সংস্কারের কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘বিযুক্তি’ মানে করদাতা ও কর্মকর্তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ কমিয়ে আনা, আর ‘সংযুক্তি’ মানে নাগরিককে জানানো-তার করের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার করের হার বাড়াতে চায় না; বরং অর্থনীতির আকার বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়াতে চায়। প্রত্যক্ষ কর বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

ড. তিতুমীর জানান, সরকার ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য তিনটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে। একই সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক খাতকে মূল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা, বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে প্রণোদনা এবং এসএমই নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ উদ্যোগের মাধ্যমে সমতাভিত্তিক আঞ্চলিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতি বা অরেঞ্জ ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়ে শিল্পী, ডিজাইনার, গেম নির্মাতা ও ফ্যাশন উদ্যোক্তাদেরও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জরুরি। বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংক রিফাইন্যান্সিং স্কিম ও বিশেষ ঋণ কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান টি রহমান, অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ, আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মবিন এবং দ্য ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ বক্তব্য দেন।


ওয়াকফ সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ৭ মে, ২০২৬ ১৬:৩৬
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ওয়াকফ সম্পত্তির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এসব সম্পদের আয় থেকে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়াতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে সচিবালয়ে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক সাফিজ উদ্দিন আহমেদ সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি কোনোভাবেই অনৈতিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ নেই। এ বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাক্ষাৎকালে ওয়াকফ প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার বর্তমান চিত্র ও চলমান কার্যক্রম তুলে ধরেন।

এ সময় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, শামীম কায়সাল লিংকন এমপি এবং ধর্ম সচিব মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।


মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনা: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে এই আবেদন করেন নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং সাবেক শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের। এছাড়া প্রতিরক্ষা সচিব, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মোহাম্মদ খায়ের উল আফসার ও গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকুসহ রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও আসামি করা হয়েছে।

মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের মধ্যে গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম এবং স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবীর নামও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর আইনজীবী এ কে এম শরীফ উদ্দিন জানান, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চরম অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং প্রত্যেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিচারক ইতোমধ্যে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন এবং মামলাটি আমলে নেওয়ার বিষয়ে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।


বৈশ্বিক সংকটে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি, চাপে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের মানুষ

* মূল্যস্ফীতিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব * জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশে সংকট তীব্র হওয়ার শঙ্কা * এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাবে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে জাতিসংঘ। এসব অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে শঙ্কার কথাও বলেছে সংস্থাটি। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে- পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও খাদ্যের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথা বলেছে। এ যুদ্ধের সংকটে উদ্ভুত বেশি বেকায়দায় পড়েছে এশিয়ার দেশগুলো, যারা জ্বালানি তেলের প্রায় পুরোটাই উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আমদানি করে।

এরই প্রভাব পড়ছে আমাদের অর্থনীতিতে। দেশে মূল্যস্ফীতি আবারও বেড়ে ৯ শতাংশ অতিক্রম করেছে। সর্বশেষ এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এতে পড়েছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর নতুন করে চাপ বেড়েছে।

বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এপ্রিল মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে। এর আগে মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। টানা চার মাস মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চে কিছুটা কমলেও এপ্রিল মাসে আবার তা বেড়েছে। ফলে গত ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে অবস্থান করছে।

গত ১৯ এপ্রিল সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়। সে অনুযায়ী, ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং পেট্রলের দাম ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা করা হয়।

আইএমএফ ও জাতিসংঘের তথ্যে জানা যায়- ইরান-ইসরাইল ও মার্কিন যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে সারের আকাশচুম্বী দাম এবং তীব্র ঘাটতি দেখা দেবে, যা পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়ে ফসলের উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। এই উৎপাদন ঘাটতি খুব দ্রুতই কৃষিপণ্যের মূল্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। যতদিন এই সংকটের সমাধান না হবে, সময়ের সাথে সাথে খাদ্য সংকটের এই ঝুঁকি আরও ঘনীভূত ও তীব্রতর হবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি পায়, উৎপাদন খরচ বাড়ে এবং এর প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজারেও পড়ে। এতে ভোক্তাদের আগের তুলনায় বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকাতেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি বাড়লে সীমিত ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যায়। আয় না বাড়লে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।

গত দুই সপ্তাহে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর শাকসবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাছ ও মাংসের দামও বেড়েছে, তবে চালের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।

এদিকে এপ্রিল মাসে জাতীয় গড় মজুরি হার বেড়েছে ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। ফলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ভোগান্তি বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতির তুলনায় আয় না বাড়লে মানুষকে ধারদেনা করতে হয় কিংবা খাবার, পোশাক, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাতে বাধ্য হতে হয়।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) হিসাব বলছে, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আর্থিক ক্ষতির কারণ হিসেবে পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও খাদ্যের ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ইউএনডিপি পূর্বাভাস দিয়েছে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যার ৮৮ লাখই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।

ইউএনডিপি সতর্ক করে বলেছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দেওয়া এবং সরকারি ব্যয় ধরে রাখার চাপ দিন দিন বাড়বে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আলাদা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় খাদ্য সংকট বিপর্যয়কর পর্যায়ে চলে যেতে পারে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সবশেষ পূর্বাভাস বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি চলতি ও আগামী বছরে হ্রাস পাবে নামতে পারে। এছাড়া আঞ্চলিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাবে।


প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়, এটি মানুষের সেবার মাধ্যম: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। সেই কাজটি আপনাদের ভূমিকার ওপরই অনেকখানি নির্ভর করে। সরকার এমন একটি জনমুখী প্রশাসন চায়, যেখানে সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষ সম্মানের সাথে দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্তভাবে সেবা পাবে। এ বিষয়টি আপনাদেরকেই নিশ্চিত করতে হবে। আইন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মানবিকতা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।

বুধবার (৬ মে) রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ‘ত্রৈমৈত্রী’ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মিলন অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন বৃদ্ধ কিংবা অসুস্থ মানুষ যখন আপনাদের অফিসে আসেন কিংবা সেবার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন, তখন তাদের বিষয়গুলো আইনগত উপায়ে সমাধানের পাশাপাশি তাদের প্রতি মানবিক আচরণও জরুরি। সেবাগ্রহীতার প্রতি আপনাদের আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল ব্যবহার তাদের মনে রাষ্ট্র এবং সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার জন্ম দেয়। হয়তো এই বিষয়গুলো ছোট, কিন্তু জনমনে এর প্রভাব অনেক বেশি বলেই আমি মনে করি। ভবিষ্যতে এসব বিষয়ের প্রতি আরও মনোযোগী এবং যত্নবান থাকার জন্য আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। সরকার এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনমনে এই বিশ্বাস গড়ে ওঠে। এই ব্যাপারেও আপনারা যত্নবান থাকবেন বলে আমি আশা করি। আমাদের মনে রাখা দরকার, প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়; এটি মানুষের সেবার একটি মাধ্যম।

তিনি বলেন, দেশ এবং জনগণের কল্যাণে আমরা দলীয়ভাবে যেসকল ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলাম, সেই ইশতেহারের পক্ষে দেশের জনগণ সমর্থন জানিয়েছে। সুতরাং, এটি এখন আর বিএনপির দলীয় ইশতেহার নয়; এটি এখন দেশের জনগণের ইশতেহার। এটি এখন জনগণের জন্য সরকারের ইশতেহার। সুতরাং, এখন ইশতেহার বাস্তবায়নের পালা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া আমাদের অঙ্গীকারগুলো এই মুহূর্তে আপনাদের সামনে আমি পুনরায় বিস্তারিত তুলে ধরতে চাই না। শুধু এটুকু বলব, জনস্বার্থে নেওয়া সরকারের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব জনপ্রশাসনের ওপর বর্তায়। সুতরাং, সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনপ্রশাসনের সাফল্যই শেষ পর্যন্ত সরকারের সাফল্য হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণেই আমি বলি, জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, বিশেষ করে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকগণ হচ্ছেন মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রশাসনিক ‘অ্যাম্বাসেডর’।

বর্তমান সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের সকল যৌক্তিক প্রত্যাশা সাধ্যমতো পূরণ করতে বদ্ধপরিকর। এটি জনগণের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার। আমরা কথায় কথায় বলি, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক।

তিনি বলেন, জনগণ যদি মালিক হয়, তাহলে এই মালিক অর্থাৎ সেবাগ্রহীতারা যখন অফিস-আদালতে তাদের সমস্যা নিয়ে যান, তারা যেন আপনাদের সেবায় কিছুটা হলেও রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন; সেটি নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব বলেই আমি মনে করি।

একজন সাধারণ মানুষ যখন কোনো সরকারি অফিসে যান, তখন তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কিংবা সংশ্লিষ্ট অফিস ব্যবস্থাপনার মধ্যেই পুরো সরকার ব্যবস্থাকে মূল্যায়ন করেন। ধরা যাক, একজন সাধারণ নাগরিক কিংবা একজন দিনমজুর যখন জন্মনিবন্ধন সনদ সংশোধন করার জন্য আপনাদের অফিসে যান, তিনি হয়তো জানেন না কোন টেবিলে যেতে হবে কিংবা কোন কর্মকর্তাকে কী বলতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে সেবাগ্রহীতা যদি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আন্তরিক ব্যবহার পান, তবে এটি রাষ্ট্র এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি করে। আর যদি হয়রানির শিকার হন, তবে তিনি শুধু একটি সেবা থেকেই বঞ্চিত হলেন না, বরং রাষ্ট্র এবং সরকারের প্রতি তার শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস নষ্ট হয়। সুতরাং, রাষ্ট্র এবং সরকারের সঙ্গে জনগণের আস্থা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের কার্যক্রম মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি একটি বিষয় গভীরভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের সমস্যা অসংখ্য হলেও সম্ভাবনাও কিন্তু কম নয়। আমাদের দেশের ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’-এর সুযোগ নিয়ে আমরা যদি তরুণ এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তবে এই জনসংখ্যাই হবে আমাদের ‘জনসম্পদ’। এরাই বদলে দিতে পারবে আমাদের বাংলাদেশ।

যথাসম্ভব মানুষের উপকার করার মানসিকতা থাকতে হবে। রাষ্ট্র এবং সমাজের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে জাগিয়ে রাখতে আমাদের সম্ভাব্য সকল উপায় বের করতে হবে। আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে হবে। আমাদের মনে করা দরকার, একটি রাষ্ট্রের ক্ষুদ্র ইউনিট হলো একটি পরিবার। একইভাবে অনেকগুলো পরিবারের সম্মিলনই হলো আমাদের রাষ্ট্র। সুতরাং, পরিবারগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত থাকলে রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধও সুসংহত হয়। দেশ এবং জনগণের কল্যাণে আপনারা নির্ভয়ে ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন। সরকার আপনাদের যেকোনো আইনগত এবং মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় সহায়তা দেবে।


গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা গেলেই এ খাতের বিদ্যমান অনেক সমস্যার সমাধান স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে যাবে। তবে সরকার জনগণকে অবাধ ও সঠিক তথ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা দিতে এবং অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দিতে বদ্ধপরিকর।

বুধবার (৬ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে এ কথা বলেছেন তিনি।

বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের পলিসি হচ্ছে এনালগ কিন্তু চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ডিজিটাল। ডিজিটাল যুগের দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে প্রচলিত নীতিমালার আধুনিকায়ন প্রয়োজন। সরকার কোনো কিছু চাপিয়ে না দিয়ে বরং ‘ফেসিলিটেটর’ বা সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে একটি ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠন করা হবে। তবে এক্ষেত্রে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সুস্থ ঐকমত্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপন আশা প্রকাশ করে বলেন, অংশীজনদের গঠনমূলক পরামর্শ এই কমিশনকে কার্যকর করতে সহায়ক হবে।

সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় বিজেসি চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ, সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন এবং ট্রাস্টি সদস্য রেজোয়ানুল হক, তালাত মামুন ও নূর সাফা জুলহাজ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রতিনিধি দলের নেতারা ব্রডকাস্ট মিডিয়ার ডিজিটালাইজেশনের প্রয়োজনীয়তা, সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন সংকটের কারিগরি ও নীতিনির্ধারণী দিক তুলে ধরেন।


জমা পড়েনি লাইসেন্সকৃত ১০ হাজার অস্ত্র

* আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটতে পারে * অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালানের নির্দেশনা * লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে হবে মামলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত যাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তাদের ওই বছর ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গোলাবারুদসহ আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে বলা হয়েছিল। এ অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এসব অস্ত্র দিতে বলা হলেও, তেমন একটা সাড়া পাওয়া যায়নি। এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটাতে পারে-এমন শঙ্কার দিকটি উঠে এসেছে ডিসি সম্মেলনে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশে এখন বৈধ অস্ত্রের সংখ্যা কমবেশি ৫০ হাজার। এর মধ্যে ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র রয়েছে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হাতে। তাদের বেশির ভাগই আবার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

নিয়ম অনুযায়ী, অস্ত্র প্রদর্শন ও গুলি করে ভয় দেখানো হলে থানা-পুলিশ অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করার জন্য জেলা প্রশাসনে প্রতিবেদন দেবে। জেলা প্রশাসন লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থা নেবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার অস্ত্র এখনো জমা পড়েনি। এসব অস্ত্র উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সময় স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‍্যাব মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে জমা নেওয়া অনেক অস্ত্র এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি। এসব অস্ত্র দ্রুত ফেরত দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজনৈতিক বিবেচনায় বা নীতিবহির্ভূতভাবে ইস্যু করা অস্ত্র ফেরত না দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে প্রাক-নির্বাচনী সময়ে যেসব লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র জমা প্রদান করতে বলা হয়েছিল জনসাধারণকে, সেই অস্ত্রগুলো এখনো ফেরত প্রদান করা হয়নি। সেই বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটা চিঠি দেওয়া হয়েছে যাতে যথাশিগগিরই সেগুলো ফেরত প্রদান করা হয়।

চিঠিতে নিম্নলিখিত ৩ ক্যাটাগরিতে আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত প্রদান করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: এক. ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির পূর্বের লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র। দুই. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর পর লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র। তিন. ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যুকৃত লাইসেন্সসমূহ যাচাই-বাছাই এর লক্ষ্যে ইতোপূর্বে গঠিত কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই অন্তে যে সকল লাইসেন্স নীতিমালা মোতাবেক ইস্যু হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হবে সে সকল লাইসেন্সভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র।

মন্ত্রী আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জমা না দেওয়া প্রায় ১০ হাজার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান চালাতে হবে।


banner close