বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
২ বৈশাখ ১৪৩৩

বিপদে পড়লে সেনাবাহিনীর যেসব নম্বরে কল দেবেন

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৭ আগস্ট, ২০২৪ ১৫:৫৪

দেশে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। আজ বুধবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় বলা হয়েছে, যে কোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, হানাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকির সম্মুখীন হলে নিকটস্থ সেনাবাহিনী ক্যাম্পে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। এক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান ও গুজবে আতঙ্কিত হয়ে সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকুন।

সেনাবাহিনী ক্যাম্পের সহায়তা প্রাপ্তির লক্ষ্যে নিম্নলিখিত নম্বরসমূহে যোগাযোগ করুন:

বরিশাল বিভাগ

১। বরিশাল
০১৭৬৯০৭২৫৫৬
০১৭৬৯০৭২৪৫৬

২। পটুয়াখালী
০১৭৬৯০৭৩১২০
০১৭৬৯০৭৩১২২

৩। ঝালকাঠি
০১৭৬৯০৭২১০৮
০১৭৬৯০৭২১২২

৪। পিরোজপুর
০১৭৬৯০৭৮২৯৮
০১৭৬৯০৭৮৩০৮

চট্টগ্রাম বিভাগ

১। নোয়াখালী
০১৬৪৪-৪৬৬০৫১
০১৭২৫-০৩৮৬৭৭

২। চাঁদপুর
০১৮১৫-৪৪০৫৪৩
০১৫৬৮-৭৩৪৯৭৬

৩। ফেনী
০১৭৬৯-৩৩৫৪৬১
০১৭৬৯-৩৩৫৪৩৪

৪। লক্ষীপুর
০১৭২১-৮২১০৯৬
০১৭০৮৭৬২১১০

৫। কুমিল্লা
০১৩৩৪-৬১৬১৫৯
০১৩৩৪-৬১৬১৬০

৬। ব্রাক্ষণবাড়িয়া
০১৭৬৯-৩২২৪৯১
০১৭৬৯-৩৩২৬০৯

৭। কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম জেলার লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা
০১৭৬৯১০৭২৩১
০১৭৬৯১০৭২৩২

৮। চট্টগ্রাম (লোহাগড়া, পটিয়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালী এবং সাতকানিয়া উপজেলা ছাড়া)
০১৭৬৯২৪২০১২
০১৭৬৯২৪২০১৪

ঢাকা বিভাগ

১। মাদারীপুর
০১৭৬৯০৭২১০২
০১৭৬৯০৭২১০৩

২। কিশোরগঞ্জ
০১৭৬৯১৯২৩৮২
০১৭৬৯২০২৩৬৬

৩। টাঙ্গাইল
০১৭৬৯২১২৬৫১
০১৭৬৯২১০৮৭০

৪। গোপালগঞ্জ
০১৭৬৯-৫৫২৪৩৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৪৮

৫। রাজবাড়ী
০১৭৬৯-৫৫২৫১৪
০১৭৬৯-৫৫২৫২৮

৬। গাজীপুর
০১৭৮৫৩৪৯৮৪২
০১৭৬৯০৯২১০৬

৭। মুন্সিগঞ্জ
০১৭৬৯০৮২৭৯৮
০১৭৬৯০৮২৭৮৪

৮। মানিকগঞ্জ
০১৭৬৯০৯২৫৪০
০১৭৬৯০৯২৫৪২

৯। নারায়ণগঞ্জ
০১৭৩২০৫১৮৫৮

১০। নরসিংদী
০১৭৬৯০৮২৭৬৬
০১৭৬৯০৮২৭৭৮

১১। শরীয়তপুর
০১৭৬৯০৯৭৬৬০
০১৭৬৯০৯৭৬৫৫

১২। ফরিদপুর
০১৭৬৯০৯২১০২
০১৭৪২৯৬৬১৬২

ঢাকা মহানগর
১। ঢাকার লালবাগ, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, আগারগাঁও, মহাখালী, তেজগাঁও, এলিফ্যান্ট রোড এবং কাঁটাবন
০১৭৬৯০৫১৮৩৮
০১৭৬৯০৫১৮৩৯

২। ঢাকার গুলশান, বারিধারা, বনানী, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, শাহজাহানপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান এবং বনশ্রী
০১৭৬৯০১৩১০২
০১৭৬৯০৫৩১৫৪

৩। ঢাকার মিরপুর-১ হতে মিরপুর-১৪, খিলক্ষেত, উত্তরা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
০১৭৬৯০২৪২১০
০১৭৬৯০২৪২১১

৪। ঢাকার মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, কাকরাইল, শান্তিনগর, ইস্কাটন, রাজারবাগ, পল্টন, গুলিস্তান এবং পুরান ঢাকা
০১৭৬৯০৯২৪২৮
০১৭৬৯০৯৫৪১৯

ময়মনসিংহ বিভাগ

১। শেরপুর
০১৭৬৯২০২৫১৬
০১৭৬৯২০২৫২৪

২। নেত্রকোণা
০১৭৬৯২০২৪৭৮
০১৭৬৯২০২৪৪৮

৩। জামালপুর
০১৭৬৯১৯২৫৪৫
০১৭৬৯১৯২৫৫০

৪। ময়মনসিংহ
০১৭৬৯২০৮১৫১
০১৭৬৯২০৮১৬৫

খুলনা বিভাগ

১। বাগেরহাট
০১৭৬৯০৭২৫১৪
০১৭৬৯০৭২৫৩৬

২। কুষ্টিয়া
০১৭৬৯-৫৫২৩৬২
০১৭৬৯-৫৫২৩৬৬

৩। চুয়াডাঙ্গা
০১৭৬৯-৫৫২৩৮০
০১৭৬৯-৫৫২৩৮২

৪। মেহেরপুর
০১৭৬৯-৫৫২৩৯৮
০২৪৭৯৯২১১৫৩

৫। নড়াইল
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৬
০১৭৬৯-৫৫২৪৫৭

৬। মাগুরা
০১৭৬৯-৫৫৪৫০৫
০১৭৬৯-৫৫৪৫০৬

৭। ঝিনাইদহ
০১৭৬৯-৫৫২১৫৮
০১৭৬৯-৫৫২১৭২

৮। যশোর
০১৭৬৯-৫৫২৬১০
০১৭৬৯-০০৯২৪৫

৯। খুলনা
০১৭৬৯-৫৫২৬১৬
০১৭৬৯-৫৫২৬১৮

১০। সাতক্ষীরা
০১৭৬৯-৫৫২৫৩৬
০১৭৬৯-৫৫২৫৪৮

রাজশাহী বিভাগ

১। রাজশাহী
০১৭৬৯১১২৩৮৬
০১৭৬৯১১২৩৮৮

২। চাঁপাইনবাবগঞ্জ
০১৭৬৯১১২০৭০
০১৭৬৯১১২৩৭২

৩। পাবনা
০১৭৬৯১২২৪৭৮
০১৭৬৯১১২৪৮০

৪। সিরাজগঞ্জ
০১৭৬৯১২২৪৬২
০১৭৬৯১২২২৬৪

৫। নাটোর
০১৭৬৯১১২৪৪৬
০১৭৬৯১১২৪৪৮

৬। নওগাঁ
০১৭৬৯১২২১১৫
০১৭৬৯১২২১০৮

৭। জয়পুরহাট
০১৭৬৯১১২৬৩৪

৮। বগুড়া
০১৭৬৯১১২৫৯৪
০১৭৬৯১১২১৭০

রংপুর বিভাগ

১। রংপুর
০১৭৬৯৬৬২৫৫৪
০১৭৬৯৬৬২৫১৬

২। দিনাজপুর
০২৫৮৯৯২১৪০০
০২৫৮৯৬৮২৪১৪

৩। নীলফামারী
০১৭৬৯৬৮২৫০২
০১৭৬৯৬৮২৫১২

৪। লালমনিরহাট
০১৭৬৯৬৮২৩৬৬
০১৭৬৯৬৮২৩৬২

৫। কুড়িগ্রাম
০১৭৬৯৬৬২৫৩৪
০১৭৬৯৬৬২৫৩৬

৬। ঠাকুরগাঁও
০১৭৬৯৬৬৬০৬২
০১৭৬৯৬৭২৬১৬

৭। পঞ্চগড়
০১৯৭৩০০০৬৬২
০১৭৬৯৬৬২৬৬১

৮। গাইবান্ধা
০১৬১০৬৫২৫২৫
০১৭৫৪৫৮৫৪৮৬

সিলেট বিভাগ

১। সিলেট
০১৭৬৯১৭৭২৬৮
০১৯৮৭৮৩৩৩০১

২। হবিগঞ্জ
০১৭৬৯১৭২৫৯৬
০১৭৬৯১৭২৬১৬

৩। সুনামগঞ্জ
০১৭৬৯১৭২৪২০
০১৭৬৯১৭২৪৩০

৪। মৌলভীবাজার
০১৭৬৯১৭৫৬৮০
০১৭৬৯১৭২৪০০


ভার্চুয়ালি এজেক প্লাস সম্মেলনে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এশিয়া জিরো এমিশন কমিউনিটি (এজেক) প্লাসের এক অনলাইন সম্মেলনে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি তিনি এ বক্তব্য রাখেন।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচিসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা বক্তব্য রাখেন।

অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ছিল ভারত, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, তিমুর-লেস্তে, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র (আরওকে), অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনেই, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।


কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে শিগগিরই: সংসদে বিমানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া চলছে। এজন্য বিশ্বের বিভিন্ন নামী এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যে সব ধরনের কারিগরি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো হচ্ছে, বড় ও সুপরিসর বিমান অবতরণ নিশ্চিত করতে রানওয়ে ৯ হাজার ফুট থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য ১৭ হাজার ৯৫৫ বর্গমিটার আয়তনের একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতি ও উপযুক্ততা যাচাই করে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও) থেকে প্রয়োজনীয় সনদপত্র গ্রহণ করা হয়েছে।

বিরোধী দলের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে বিমানবন্দরের অপারেশনাল সুবিধাদিসহ টেস্টিং ও কমিশনিং কার্যক্রম চলমান। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করবে।

সরকার দলীয় এমপি সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়ে বিমান বড় অংকের রাজস্ব আয় করছে।

তবে উড়োজাহাজ স্বল্পতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, বিমানের নেটওয়ার্ক ও ফ্লিট প্ল্যান অনুযায়ী নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন এবং পুরাতনগুলো বাদ দেওয়ার কাজ চলছে। নতুন বিমান কেনা পর্যন্ত লিজের মাধ্যমে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া অনলাইন টিকেটিং ও তদারকি বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে বিমানের অন টাইম পারফরম্যান্স (ওটিপি) ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলেও তিনি জানান।

সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বগুড়া, লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁও স্টালপোর্ট থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নোয়াখালী জেলায় একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের বিষয়ে বেবিচক (CAAB) কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০২০ ও ২০২১ সালে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা ড্যাশ৮-৪০০ এবং বোয়িং ৭৮৭-৯ উড়োজাহাজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য বিমানের কাছে নেই। সবকিছু যথাযথ নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।


১ জুলাই থেকে ৫ বছর মেয়াদি প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

১ জুলাই থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শুরু হতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে অবশিষ্ট শিক্ষকদের ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ (বুধবার) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী প্রশ্ন রাখেন, দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ইংরেজি বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না? হলে, কবে নাগাদ তা করা হবে?

জবাবে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের ইশতেহারে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাদানের মান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে মোট শিক্ষকের সংখ্যা তিন লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার চারশত ঊননব্বই জন এবং এর মধ্যে চলমান ‘চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’র আওতায় ইতোমধ্যে এক লাখ ত্রিশ হাজার শিক্ষককে ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ বছর মেয়াদি ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি’শুরু হতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে অবশিষ্ট শিক্ষকদের ইংরেজি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম প্রশ্ন রাখেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় ভৌগলিক গুরুত্ব, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং এই অঞ্চলের বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে সরকার কর্তৃক পৃথক একটি ‘উপকূল বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করা হবে কিনা?

জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতির বিকাশ এবং জাতীয় সুনীল অর্থনীতি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে। এ ছাড়াও ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার ‘উপকূলীয় অঞ্চল নীতি ২০০৫’ প্রণয়ন করে, যা উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বর্তমান সরকার Maritime Spatial Planning (MSP) বা সমুদ্র অঞ্চল পরিকল্পনা কার্যক্রম ও এ থেকে দেশের সম্ভাব্য অর্জিতব্য বিষয়াদি বিবেচনার জন্য ইতোমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে। সামুদ্রিক সম্পদ, মৎস্য, পর্যটন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে সমন্বিত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সুনীল অর্থনীতির টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজন হলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।


৫ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীন দফতর ও সংস্থাগুলোতে শূন্য পদের বিপরীতে ২৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, সারাদেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে কর্মকৌশল নির্ধারণে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটি কাজ করছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলায় যথাক্রমে ৮ বিঘা ও ১০ বিঘা করে উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। হাই-টেক/সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপালের কার্যক্রম আরম্ভে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারকে প্রাধান্য দিয়ে বেতন কাঠামোর আওতায় জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম ধাপে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ল্যাংগুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকায় উন্নিত করা হয়েছে। জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসাপ্রাপ্তির আগেই সার্টিফিকেট অব ইলিজিবেলিটির ভিত্তিতে এ ঋণ দেয়া সহজ করা হয়েছে।


প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে আধুনিক হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনী: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সময়োপযোগী শক্তিতে রূপান্তর করার নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নত্তোর পর্বে সংসদ সদস্য আলফারুক আব্দুল লতীফের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। অধিবেশনের ১৪তম দিন সকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে। এ জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, কলেবর বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন ও প্রশিক্ষণের উন্নয়নসহ আধুনিক, দক্ষ ও সময়োপযোগী শক্তিতে রূপান্তর করার নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীকে এমন সক্ষমতায় উন্নীত করা, যাতে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়। এ লক্ষ্যে একটি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ও আধুনিক প্রতিরক্ষানীতি প্রণয়ন, সেনাবাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, নৌবাহিনীর মাধ্যমে সমুদ্রপথ, সামুদ্রিক সম্পদ ও ব্লু ইকোনমি সুরক্ষা এবং বিমান বাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা, নজরদারি ও দ্রুত মোতায়েন সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘ম্যাড ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশিয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তুলতে আত্মনির্ভরতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি নির্বাচনি ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে সশস্ত্র বাহিনীকে মডার্ন, কুইক, সেল্ফ কনটেইন্ড, রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকা এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পন্ন বাহিনী হিসাবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান নিরাপত্তা বাস্তবতায় সরকার শুধু প্রচলিত অস্ত্র সংযোজনেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। বরং সাইবার স্পেস, তথ্যযুদ্ধ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উপকূলীয় নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষা এবং আন্তঃবাহিনী সমন্বয়ের মতো নতুন ক্ষেত্রেও সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। বিমান বাহিনীতে ৪.৫ প্রজন্মের আধুনিক যুদ্ধবিমান সংযোজনের কথাও গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা, কল্যাণ, অবসরোত্তর মর্যাদা এবং ওয়ান র‌্যাংক ওয়ান পেরশন ওয়ান পেনশনের মতো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে একটি আধুনিক, জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিমুখী ও জনআস্থাসম্পন্ন সশস্ত্র বাহিনী গড়িয়া তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘এছাড়াও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর জন্য উন্নত অস্ত্রশস্ত্র, আধুনিক যুদ্ধবিমান, নৌযান ও সাবমেরিন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি সংযোজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ আধুনিকায়ন কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তুলবে।’’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী বিভিন্ন বন্ধুপ্রতীম দেশের সঙ্গে নিয়মিত যৌথ প্রশিক্ষণ ও মহড়া পরিচালনা করছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিয়মিত স্টাফ পর্যায়ে বৈঠক, প্রতিরক্ষা সংলাপ এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হচ্ছে।


জুনের মধ্যে হেলথ কার্ড প্রদানের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুলের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের স্বাস্থ্য খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত লোকজ মেলার উদ্বোধনকালে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।

নতুন বছরে জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে কৃষক কার্ড প্রদান শুরু হয়েছে এবং আগামী জুন মাসের মধ্যে দেশের সকল নাগরিককে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে। এছাড়া বর্তমান সরকারের গৃহীত কৃষিঋণ মওকুফ, দুস্থদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ, টিআর-কাবিখা ও খাল খননসহ বিভিন্ন যুগান্তকারী উদ্যোগের কথাও তিনি এই সময় উল্লেখ করেন।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই ৩০টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনগুলোতে হামের ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলছে। আগামী ২০ তারিখ থেকে সারাদেশে একযোগে শিশুদের হামের টিকা ও ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর আগে মনোহরদী উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয় যা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এই আয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। মেলা উদ্বোধন শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


পহেলা বৈশাখের উৎসবে ধর্ম, বর্ণ বিভেদের স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখের উৎসবে ধর্ম, বর্ণ বা কোনো প্রকার বিভেদের স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ মূলত আনন্দের উৎসব এবং এই আনন্দের মাঝে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। এটি কেবল তাত্ত্বিক সমাজ বিশ্লেষণের বিষয় নয়, বরং এটি বাঙালির হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক চেতনার একটি অনন্য মিলনমেলা।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে একটি সম্ভাবনাময় বছর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকার আগামী বছরজুড়ে বাংলাদেশের কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানান, হিজরি ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষ প্রবর্তনের মূল উদ্দেশ্যই ছিল বাংলার কৃষি ও কৃষকের অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করা।

বর্তমান সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির উদাহরণ দিয়ে তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী এবার টাঙ্গাইলে সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করছেন এবং সেখানে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদও তাদের বক্তব্য প্রদান করেন।


টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছান তিনি। দেশের প্রখ্যাত এই রাজনৈতিক নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তাঁর টাঙ্গাইল সফরের বিশেষ একটি অংশ সম্পন্ন করেন।

মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমে মওলানা ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর তিনি মওলানা ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনায় সুরা ফাতেহা পাঠ করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।জিয়ারত শেষে উপস্থিতদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মওলানা ভাসানী ছিলেন এদেশের গণমানুষের নেতা।

তাঁর আপসহীন আদর্শ ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বর্তমান সরকার তাঁর দেখানো গণমুখী পথ অনুসরণ করেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের যে স্বপ্ন ভাসানী দেখেছিলেন, সেই লক্ষ্যেই আজ টাঙ্গাইল থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে সন্তোষ মাজার এলাকায় কয়েকদিন আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্তোষ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয় এবং মাজার চত্বরে সাধারণ দর্শনার্থীদের চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত রাখা হয়। উল্লেখ্য যে, মওলানা ভাসানীর এই মাজারটি টাঙ্গাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দেশ-বিদেশ থেকে আসেন।


গাছে আম-জাম যখন ধরবে পাঠাবেন, আমি খাবো

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-এর প্রথম দিনে কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

কৃষক কার্ড ও গাছের চারা বিতরণের সময় উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলেন, ‘উনাদের গাছের চারা দিচ্ছি। কয়েকজনকে জামগাছ দিয়েছি, আমগাছ দিয়েছি। আমি উনাদের বলেছি, এটি বাসার সামনে রোপণ করতে হবে। যারা আম ও জামগাছ পেয়েছেন, আমি তাদের বলেছি, আম, জাম যখন ধরবে আমি খাবো, আমাকে পাঠাবেন।’

তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং চার কোটি পরিবারের কোনো না কোনো সদস্য এই খাতের সঙ্গে জড়িত। ‘আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সঙ্গে জড়িত। দেশের চার কোটি পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত। এ দেশের প্রধান পেশাই হলো কৃষি। ২২ হাজার কৃষককে আমরা প্রথম পর্যায়ে কৃষক কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দিতে চাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ অন্যতম ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, যেসব কৃষকের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ ছিল, তা প্রথম সপ্তাহেই মওকুফ করা হয়েছে এবং এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক উপকৃত হয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ২২ হাজার কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হলেও আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে সরাসরি কৃষির সঙ্গে যুক্ত ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের কাছে ‘কৃষক কার্ড’ পৌঁছে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষিনির্ভর অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পান। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তারা কোল্ডস্টোরেজ স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছেন, এ বিষয়ে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে সবসময় কৃষকদের সহায়তায় কাজ করেছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের আস্থার মূল্যায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব রফিকুল-ই মোহামেদ।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে ১৫ জন কৃষকের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেন এবং তাদের মাঝে গাছের চারা তুলে দেন।


কৃষক কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি কিংবা দুর্নীতির অবকাশ নেই: আইনমন্ত্রী

কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো.আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন যে, কৃষক কার্ড বিলি করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি কিংবা দুর্নীতির অবকাশ রাখা হয়নি। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপার আবাইপুরে বিশেষ এই কার্ড বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী গণমাধ্যমকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, রাষ্ট্র পর্যায়ক্রমে সকল ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের এই আধুনিক সুবিধার আওতায় নিয়ে আসবে। তিনি বলেন, “পর্যায়ক্রমে সারাদেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র কৃষকদের মাঝে এই কৃষক কার্ড বিতরণ করবে সরকার। এখানে রাজনৈতিক বিবেচনার সুযোগ নেই, এমনকি কোনো প্রকার অনিয়মেরও সুযোগ নেই।”

বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে আসাদুজ্জামান বলেন যে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসন প্রতিটি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে সচেষ্ট রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারা দেশে বড় ধরনের খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার শপথ নেওয়ার পর থেকে নির্বাচনী প্রতিটি প্রতিশ্রুতি পালন করে যাচ্ছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করেছে সরকার। আজ কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করা হলো। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।”

উল্লেখ্য যে, দুপুর দেড়টার দিকে শৈলকুপার কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। আইনমন্ত্রী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা উপস্থিত ছিলেন। পাইলট প্রকল্পের আওতায় এই প্রথম ধাপে আবাইপুর ইউনিয়নের ১ হাজার ৬৭৯ জন কৃষক-কৃষাণীকে এই বিশেষ সেবার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।


আগামী বৈশাখ থেকে দেশব্যাপী গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা

কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ আর ঢাক-ঢোলের সংমিশ্রণে এক উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাজধানীর পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী ‘কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব’ আয়োজন করা হয়। দীর্ঘ দুই দশক পর এমন আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এই উৎসবে গ্রামীণ জনপদের হারিয়ে যাওয়া মোট ১২টি ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা প্রদর্শিত হয়। প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দেশীয় লোকজ ক্রীড়াকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আগামীতে এই ধরণের আয়োজনের ব্যাপ্তি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘‘মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সহযোগীদের সমন্বয়ে আগামী বৈশাখ থেকে দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরণের গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব আয়োজন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের কাছে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে পরিচিত করা।’’ প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে নারী ক্রীড়াবিদদের বিকাশে সরকারের বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, নারী ক্রীড়া সংস্থার জন্য খুব শীঘ্রই একটি বিশেষ ঘোষণা বা চমক আসতে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘‘নারী ক্রীড়াবিদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হবে।’’

সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে আমিনুল হক তরুণ প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। একটি শৃঙ্খলিত সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘‘খেলাধুলা ও উৎসবের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মের মদ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে। সমাজের সব বিশৃঙ্খলা দূর করে একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মননশীলতা, আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে একটি সুন্দর সমাজ গঠন করে এগিয়ে যাব।’’ এই আনন্দঘন আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম এবং এশিয়ান আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজীব উদ্দিন চপলসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিকে নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উৎসর্গ করছে সরকার

দেশবাসীকে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান তথ্যমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৪
অনলাইন ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে কৃষিপ্রধান অর্থনীতির ওপর বর্তমান সরকারের বিশেষ গুরুত্বারোপের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বছরের প্রথম দিনে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন যে, কৃষকদের অনন্য অবদান ও আত্মত্যাগের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবেই এবারের নববর্ষটি তাদের জন্য নিবেদিত। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “কৃষকদের সম্মান ও অবদানকে স্বীকৃতি দিতে সরকার নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩-কে দেশের কৃষক সমাজ ও কৃষি অর্থনীতিকে উৎসর্গ করছে।”

বাংলা নববর্ষের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন যে, এই উৎসবের মূল শেকড় মূলত গ্রামীণ জনপদ ও কৃষিকাজের সঙ্গে মিশে আছে। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরও বলেন, “বাংলা নববর্ষের প্রচলন শুরু হয়েছিল কৃষকদের ফসলের হিসাব রাখার সুবিধার্থে। বাংলা নববর্ষ একদিকে যেমন আমাদের বাংলা সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে, তেমনি কৃষি অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করে।” আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কৃষি খাতকে রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। এছাড়া ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক রূপরেখা তৈরিতে কৃষিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষিকে অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।”


ঝিনাইদহে ভার্চ্যুয়ালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ভার্চ্যুয়ালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল সফরকালীন এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঝিনাইদহের এই কর্মসূচির সূচনা করেন। শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে অংশগ্রহণ করেন।

পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের আওতায় আবাইপুর ইউনিয়নের কৃপালপুর ব্লকের মোট ১,৬৭৯ জন নিবন্ধিত কৃষককে এই বিশেষ কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। কৃষি সেবাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।


banner close