রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
১ চৈত্র ১৪৩২

কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: প্রধান উপদেষ্টা

বুধবার সন্ধ্যায় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের এক মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২১:২৭

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কেউ সমাজে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করলে আমরা তাকে অবশ্যই শাস্তির আওতায় নিয়ে আসবো। আজ বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের এক মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা আর যেন কোনো স্বৈরাচারের হাতে পড়তে না হয় উল্লেখ করে বলেন, আমাদের সন্তানদের জন্য একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রূপরেখা তৈরি করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমরা যাতে বলতে পারি আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশে বসবাস করি, আমরা যাতে সকলেই দাবি করতে পারি যে এই দেশটি আমাদের- আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ড. ইউনূস তার ভাষণে বলেন, আমরা সংস্কার চাই। আমাদের একান্ত অনুরোধ, আমাদের ওপর যে সংস্কারের গুরু দায়িত্ব দিয়েছেন, সেই দায়িত্ব দিয়ে আপনারা দর্শকের গ্যালারিতে চলে যাবেন না। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন। আমরা একসঙ্গে সংস্কার করবো। এটা আমাদের সবার দায়িত্ব।

দেশবাসীকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সংস্কার আনার আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আপনারা নিজ নিজ জগতে সংস্কার আনুন। একটা জাতির সংস্কার শুধুমাত্র সরকারের সংস্কার হলে হয় না। আপনি ব্যবসায়ী হলে আপনার ব্যবসায় সংস্কার আনুন। ব্যবসায়ী গোষ্ঠিরা তাদের নিজ নিজ সমিতির মাধ্যমে সংস্কার আনুন। সমিতিতে সংস্কার আনুন। নতুন করে সমিতির গঠনতন্ত্র সংশোধন করুন।

তিনি আরও বলেন, আপনি শ্রমিক হলে আপনার ক্ষেত্রে আপনি সংস্কার করুন। আপনি রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হলে আপনার ক্ষেত্রে সংস্কার করুন। আপনি প্রতিষ্ঠান প্রধান হলে আপনার প্রতিষ্ঠানে সংস্কার আনুন। আমি এটাকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এই সংস্কারের মাধ্যমে আমরা জাতি হিসেবে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করতে চাই। আমাদের এই যাত্রা আমাদের পৃথিবীর একটি সম্মানিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করুক এটাই আমাদের সবার কাম্য।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিগত মাসে আমি বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পৃথকভাবে বসেছি। তাদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করেছি। তারা আমাদের উৎসাহিত করেছেন। ছাত্র, শ্রমিক জনতার বিপ্লবের লক্ষ্যের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। সংস্কারের কাজে পূর্ণ সহযোগতিা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, ব্যবসায়ীদের কাছে আমাদের সরকারের লক্ষ্যগুলি ব্যাখ্যা করেছি। তারাও আমাদের লক্ষের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র শ্রমিক জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মুখে এবং হাজারো মানুষের আত্মদানের বিনিময়ে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে। এই গণঅভ্যুত্থানের বার্তা ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য একটি অভূতপূর্ব সময় ও সুযোগ আমরা এর মধ্যে দিয়ে অর্জন করেছি। এখন বাংলাদেশে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা রোধ এবং জনমালিকানা ভিত্তিক, কল্যাণমুখী ও জনস্বার্থে নিবেদিত একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে কিছু জাতীয়ভিত্তিক সংস্কার সম্পন্ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব সংস্কার ভাবনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন, আমরা যেহেতু জনগণের ভোটাধিকার ও জনগণের মালিকানায় বিশ্বাস করি, সেহেতু নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে আমাদের সংস্কার ভাবনায় গুরুত্ব পেয়েছে। আমরা মনে করি নির্বাচনের নামে সংখ্যাগরিষ্ঠতার একাধিপত্য ও দুঃশাসন মানুষের ওপর চাপিয়ে দেয়া বা এর মাধ্যমে এক ব্যক্তি বা পরিবার বা কোনো গোষ্ঠীর কাছে সকল ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব আশঙ্কা রোধ করার জন্য নির্বাচনের সাথে সম্পর্কিত নির্বাচন কমিশনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের কথা আমরা ভাবছি।

ড. ইউনূস বলেন, নির্বাচনব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রশাসন, বিচার প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন এই চারটি প্রতিষ্ঠানের সংস্কার করা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য। এসব প্রতিষ্ঠানের সংস্কার জনমালিকানা ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায়ও অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এর পাশাপাশি করে সমাজের সকল স্তরের মানুষের প্রতিনিধিত্ব ও স্বার্থ নিশ্চিত করার জন্য এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্তাকে প্রতিফলিত করার জন্য সাংবিধানিক সংস্কারের প্রয়োজন আমরা অনুভব করছি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে উল্লেখ করেন, এসব বিষয়ে সংস্কার করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে সরকার প্রাথমিকভাবে ছয়টি কমিশন গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব কমিশনের কাজ পরিচালনার জন্য বিষয়ভিত্তিক অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে ছয়জন বিশিষ্ট নাগরিককেএই কমিশনগুলো পরিচালিনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পর আরও বিভিন্ন বিষয়ে কমিশন গঠন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

এসব কমিশনের অন্য সদস্যদের নাম কমিশন প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করা হবে। কমিশনগুলোর আলোচনা ও পরামর্শসভায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ছাত্র, শ্রমিক, জনতা আন্দোলনের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

পূর্ণাঙ্গভাবে গঠিত হওয়ার পর কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাজ আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু করতে পারবে বলে প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন এবং এটি পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকার পরবর্তী পর্যায়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে পরামর্শসভার আয়োজন করবে।

চূড়ান্ত পর্যায়ে ছাত্র সমাজ, নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সরকারের প্রতিনিধি নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক তিন থেকে সাত দিনব্যাপী একটি পরামর্শসভার ভিত্তিতে সংস্কার ভাবনার রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। এতে এই রূপরেখা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তার একটি ধারণাও দেওয়া হবে।

ড. ইউনূস বলেন, এই আয়োজন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্তা বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্র পুনঃনির্মাণ তাগিদের ঐক্যবন্ধনে গোটা জাতিকে শক্তিশালী ও আশাবাদী করে তুলবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয় বারের মতো জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন ড. ইউনূস। এর আগে ২৫ আগস্ট তিনি জাতির উদ্দেশে প্রথমবারের মত ভাষণ দেন।


সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

গত ২০ নভেম্বর ওই রায় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত।


সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বৈরাচার সরকারের আমলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রদত্ত ভাতা গ্রহণকারীদের তালিকায় সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। তিনি বলেছেন, ইতিমধ্যে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম দূর করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের ভাতা নিশ্চিতে কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অবৈধ ও মনগড়া কর্মসূচিগুলো সংশোধন করা হবে।

রবিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুক ও শাহাজাহান চৌধুরীর করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১১টায় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এ অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত সব স্বৈরাচারের বিদায় হয়ে একটি সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য সংসদ থেকে জনগণকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনার সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ফারজানা শারমিন বলেন, স্বৈরাচার সরকারের আমলে সমাজকল্যাণ বিভাগ যত অবৈধ এবং মনগড়া কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, সেগুলো অচিরেই সংশোধন করা দরকার। ওই সময়ে দেশে একটি অস্থির সময় বিরাজ করেছে। আমাদের হাতে বর্তমানে যে তালিকাগুলো আছে, সেগুলো আমরা রি-চেক (পুনরায় যাচাই) করছি। কারা সত্যিকার অর্থে এই উপকার পাওয়ার যোগ্য, আমরা তা দেখছি।

ফ্যামিলি কার্ডের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যুতে ১৪টি ইউনিটে আমরা কাজ শুরু করার পর সেখান থেকে ফিডব্যাক নিচ্ছি। ভাতার কার্ডগুলোতে যেসব অনিয়ম আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে আমরা সমাধানের দিকে যাচ্ছি। এ ছাড়া বিগত সময়ে যেসব আইন ও নীতিমালা করা হয়েছে, সেগুলো যাচাই করে একটি সুষ্ঠু নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

দেশে ভাতা কর্মসূচি চালুর কৃতিত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দিয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রগ্রাম প্রথম চালু করেন আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরবর্তী সময়ে অন্য সরকারগুলো এটি বাস্তবায়ন করে।

তবে বিগত সময়গুলোতে এসব তালিকায় ব্যাপক স্বজনপ্রীতি করা হয়েছিল। আমাদের মূল লক্ষ্য তালিকা নয়, বরং কারা প্রকৃত সুবিধাভোগী হওয়ার যোগ্য, তা চিহ্নিত করা।

মাঠ পর্যায়ে তালিকা সংশোধনের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এরই মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কমিটির মাধ্যমে তালিকাগুলো যাচাই-বাছাই করে সত্যিকার অর্থে যারা বেনিফিশিয়ারি (সুবিধাভোগী), তারাই যেন কার্ড ও সুযোগ-সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করা হবে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই যাদের প্রকৃত প্রয়োজন, তাদের কাছেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।


এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করেছে।

মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই তাকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলার এখনই কোনো সুযোগ নেই বলে সকালে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

এরআগে, মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল জানান, দুপুর ১২টার দিকে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। তাকে বহন করতে যাওয়া এয়ার এম্বুলেন্সটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, মির্জা আব্বাসের সঙ্গে যাবেন তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র মির্জা ইয়াসির আব্বাস।

গত বৃহস্পতিবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয়।


পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী পয়লা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ প্রমুখ।


সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান, সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি। এখানে সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই। জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়নের কথা বলছে আগে সংশোধনী আনতে হবে।

রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নেয়ার আগে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন রোববার পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছিলেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের কার্যসূচিতে প্রশ্নোত্তর পর্ব, জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে।

সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন বসবে।

শনিবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের সময়সূচি ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। বিধি-৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের ২৭টি নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।


জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুখবর, সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অবশেষে জ্বালানি তেল বিতরণের ওপর আরোপিত রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ রোববার (১৫ মার্চ) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সকল বিতরণ কেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিতরণ স্বাভাবিক থাকবে।

রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে, জ্বালানি তেল বিতরণে সাময়িকভাবে রেশনিং পদ্ধতিসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হলো। ইতোমধ্যে আমদানি করা জ্বালানি তেলবাহী বেশ কয়েকটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, আসন্ন ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচকাজের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে দেশের সব বিতরণ কেন্দ্র থেকে গ্রাহকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন, যা জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।


ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে মির্জা আব্বাসকে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ দুপুর ১২টায় সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। তাকে বহন করতে যাওয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় অবতরণ করেছে। দুপুর ১২টায় এটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে।

জানা গেছে, মির্জা আব্বাসের সঙ্গে যাবেন তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র মির্জা ইয়াসির আব্বাস।

গত বৃহস্পতিবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।

অস্ত্রোপচার পরবর্তী নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয় এবং চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।


সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু হয়েছে। দুই দিন বিরতির পর রোববার বেলা ১১টার পর এ অধিবেশন শুরু হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হয়। ওই দিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংসদ মুলতবি ঘোষণা করেছিলেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাওয়া দিনের কার্যসূচিতে রয়েছে—প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়)। জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১)-এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশসমূহ নিষ্পত্তি। রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

এর আগে প্রথম অধিবেশনের শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে সমর্থিত হয়।

একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান।


খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে কাল দিনাজপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে আগামীকাল সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দিনাজপুর সফরে আসছেন।

রোববার (১৫ মার্চ) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আব্দুর গফুর সরকার বলেন, আগামীকাল সকাল ৯টায় বিমান যোগে তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পোঁছাবেন। সেখানে থেকে তাকে বহনকারী বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাস যোগে তিনি সৈয়দপুর শহর হয়ে দিনাজপুরের দিকে রওনা হবেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমনমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া নামকস্থানে ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে একযোগে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি দেশের ৫৩টি জেলার খাল খনন কর্মসূচিরও উদ্বোধন করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাবেন। সেখানে তিনি তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ (চকলেট) নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন।

অপরদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে।


সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বারবার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের হাতে সরকারি সম্মানী তুলে দিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফারমার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে চালু হলো খতিব-ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষ তথা প্রত্যেক নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, তাহলে আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব ইনশা আল্লাহ।

তিনি বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী আমরা সবাই মিলেই ভালো থাকব।

বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক হস্তান্তরের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস সিস্টেমে ‘সেন্ট বাটন’ প্রেস করে সম্মানীর টাকা নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের খতিব মুফতি সাইফুল ইসলাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মহিবুল্লাহি বাকি, শায়েখে চরমোনাই ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে। এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় ৪ হাজার ৯০৮ মসজিদ, ৯৯০ মন্দির এবং ১৪৪ বৌদ্ধ বিহারের ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা' কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরো কিভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া, এই সকল বৈশিষ্টগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি।

‘যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই’ পবিত্র হাদিসের এই উক্তি টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজ এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।

তিনি বলেন, ‘প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা; মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব সমাজের গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরীর ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মা ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে কারীমে রয়েছে। ইহকালীন পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কিভাবে আরো বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।


শুধু অন্যায় নয়, আমার ওপর জুলুম করা হয়েছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি কারামুক্ত হয়েছেন।

জামিনে মুক্তি পাওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শুধু অন্যায় নয়, আমার সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে। আপনি আমাকে বলতেছেন যে আমার সমালোচনা করেন, তারপর সমালোচনা করার ফলে আমাকে জেলে দিয়ে দিলেন। এটা তো বড় বাটপারি। এর থেকে তো বড় বাটপারি গত এক হাজার বছরে কেউ দেখেনি। সমালোচনা করলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জেলে দিচ্ছেন। সমালোচনা কী কখনো সন্ত্রাস হতে পারে। আমি কি কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত আছি?’

কারাগারটির সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আনিস আলমগীরের জামিন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এক দিন আগেই কারাগারে পৌঁছায়। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে গত বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় আদালত আনিস আলমগীরকে জামিন দেন। এর ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই তিনি জামিন পান। তার আইনজীবী তাসলিমা জাহান জানান, উভয় মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি ব্যায়ামাগার থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিয়ে যায় ঢাকা মহানগর পুলিশর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাকে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরে ওই মামলায় তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত ৫ মার্চ উচ্চ আদালত তাকে জামিন দেন।


নোয়াব সভাপতি হলেন মতিউর রহমান চৌধুরী

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ০০:০২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-নোয়াব এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

শনিবার (১৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত সভায় ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে কমিটির সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। নোয়াব নির্বাচন বোর্ড এর চেয়ারম্যান এম. মাশরুর রিয়াজ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন সহ-সভাপতি নিউএজ-এর সম্পাদকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ দৈনিক সংবাদের প্রকাশক আলতামাশ কবির, সদস্য দৈনিক সমকালের প্রকাশক এ কে আজাদ, প্রথম আলো সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, আজাদী সম্পাদক এমএ মালেক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী ও দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস এর প্রকাশক নাসিম মনজুর।


দেশে ফিরেছেন কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে কাতারে আটকে পড়া ৪৩০ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরানো হয়েছে। গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে কাতার এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে তারা ঢাকায় পৌঁছান বলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগীব সামাদ জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের মধ্যে ট্রানজিটে থাকা যাত্রী ও দূতাবাসের কর্মীরা ছিলেন।

ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তারা দেশে ফিরতে পারছিলেন না। এমন অবস্থায় কাতার সরকার এবং কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের দেশে ফেরাতে এই বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ সরকার।

গত বুধবার কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশি যাত্রীদের ঢাকায় ফেরাতে এই বিশেষ ফ্লাইটের উদ্যোগের কথা বলেছিল বাংলাদেশ দূতাবাস।

নারী এবং বয়স্ক সদস্যদের এই বিশেষ ফ্লাইটে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তুলে ধরে আগ্রহী যাত্রীদের তালিকা করার জন্য দূতাবাসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং অন্যান্য সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি গুগল ফর্ম শেয়ার করে আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যের পেট্রোলিয়াম সমৃদ্ধ দেশ কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকের সংখ্যা ৪ লাখের বেশি, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ১২.৫ শতাংশ।


banner close