সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
২ চৈত্র ১৪৩২

সাবেক সংসদ সদস্য জান্নাত আরা হেনরী স্বামীসহ গ্রেপ্তার

সাবেক সংসদ সদস্য জান্নাত আরা হেনরি ও তার স্বামী লাবু তালুকদারকে সোমবার মৌলভীবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২০:২৯

সিরাজগঞ্জ সদর এলাকায় গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জান্নাত আরা হেনরি ও তার স্বামী লাবু তালুকদারকে মৌলভীবাজারের একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

আজ সোমবার দুপুরের দিকে তাদের গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস। এ সময় তিনি জানান, গত ৪ আগস্ট সিরাজগঞ্জ সদর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন ছাত্র-জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জান্নাত আরা হেনরী ও তার স্বামী লাবু তালুকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মৌলভীবাজার জেলার বর্ষিজোড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জান্নাত আরা হেনরী গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন।

তার পেশা ছিল শিক্ষকতা। তবে ২০০৮ সালে সিরাজগঞ্জের সবুজ কানন উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা থেকে সরাসরি সংসদ নির্বাচনের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন তিনি। কিন্তু সেবার সিরাজগঞ্জ-২ আসনে নৌকার মাঝি হলেও বিএনপির রুমানা মাহমুদের কাছে পরাজিত হন। তবে এরপর থেকে রাজনীতির মাঠেই ছিল তার বিচরণ। ওই আসন থেকেই তিনি আবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হন।

এর আগে প্রথম নির্বাচনে জয় না পেলেও শেখ হাসিনার সুনজরেই ছিলেন হেনরি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামল শুরু হওয়ার পর সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হন জান্নাত আরা হেনরী। এর কিছুদিনের মধ্যেই সোনালী ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিসহ নানা ঘটনায় আলোচনায় আসে তার নাম। এর মধ্যে বহুল আলোচিত ছিল হলমার্ক কেলেঙ্কারি। সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন পর্যায়ে পদ পাওয়ার পেছনে আওয়ামী লীগের বেশ কয়জন জ্যেষ্ঠ নেতার আশীর্বাদ পেয়েছেন হেনরী।

২০০৮ সালে শিক্ষকতা পেশা ছেড়ে দেওয়া হেনরী পরে ঠিকাদারি শুরু করেন। তার প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স লাম এন্টারপ্রাইজ। তার স্বামী লাবু তালুকদার এই ঠিকাদারি দেখাশোনা করতেন। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও শাসক দলের ক্ষমতাধর ব্যক্তি হওয়ায় এই দম্পতি বরাবর ছিলেন আইনের ঊর্ধ্বে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে দেওয়া হলফনামা অনুসারে, শিক্ষকতা পেশায় মাসে ১০ হাজার টাকা বেতনে বছরে আয় ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কৃষি খাত থেকে আয় বছরে দুই হাজার টাকা। অর্থাৎ তার বছরে আয় ছিল ১ লাখ ২২ হাজার টাকা। গত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সময় তার জমা দেওয়া হলফনামা অনুসারে, হেনরীর বছরে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

হলফনামায় জান্নাত আরা দেখিয়েছেন, নিজের ও তার স্বামীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ৬৬ কোটি টাকা। অথচ ২০০৮ সালের হলফনামায় দুজনের সম্পদ ছিল সাড়ে ১৩ লাখ টাকারও কম।

২০০৮ সালে সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচন করে হেরে যাওয়ায় ও ব্যাংক কেলেঙ্কারি ও ঠিকাদারির নানা দুর্নীতিতে নাম আসায় ২০১৪ সালে দল তার ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সেই আসনে প্রথমবার মনোনয়ন পেয়েই সংসদ সদস্য পদে জয়ী হন সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জামাতা ডা. হাবিবে মিল্লাত। সেই আসন থেকে ২০১৮ সালেও জয়ী হন মিল্লাত। তবে ২০২৩-২৪ এ অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে মিল্লাতকে বাদ দিয়ে ফের জান্নাত আর হেনরির ওপর আস্থা রাখে আওয়ামী লীগ। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে হেনরি প্রথমবার সরাসরি জয়ী হলেও জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে ভূমিকা রেখে সমালোচিত হন। ওই আন্দোলন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিলে ৪ আগস্ট ছাত্রদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনার জন্য তাকে দায়ী করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও দায়ের হয়েছে।

বিষয়:

ঢাকা–১৭ আসনে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হলেন আবদুর রহমান সানী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় আসনের জনগণের দৈনন্দিন কার্যক্রমের সুবিধার্থে ঢাকা-১৭ আসনের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আবদুর রহমান সানী। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিনিধি নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন তারেক রহমান। পরে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি।

আজ প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়, ‘ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য তারেক রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় আসনের (ঢাকা-১৭) জনগণের দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পাদনের সুবিধার্থে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আবদুর রহমান সানীকে এই আসনের প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হলো।’


র‍্যাব-পুলিশের শীর্ষপদে বড় রদবদল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল হয়েছে। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এডিশনাল আইজিপি) ও উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার আটজন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি সরদার নুরুল আমিনকে বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। র‍্যাবের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পাওয়া) মো. আহসান হাবীব পলাশ।

এছাড়া পুলিশ অধিফতরের অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিগবাত উল্লাহকে পুলিশ অধিদফতরের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে মহানগর পুলিশের কমিশনার হাসিব আজিজকে এপিবিএনের অতিরিক্ত আইজিপির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীকে চট্টগ্রামে মহানগর পুলিশের কমিশনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশের বিশেষ শাখার ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


নানা-নানির কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুর সফরকালে স্বজনদের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া এলাকায় খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে তিনি নানি বেগম তৈয়বা মজুমদার, নানা ইস্কান্দার মজুমদার এবং বেগম খালেদা জিয়ার খালাতো বোন মীমের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি কবরস্থানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

জিয়ারতের সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

এর আগে একই দিনে কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং খালের পাড়ে গাছ রোপণ করেন। পরে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও দিনাজপুর জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশেও যোগ দেন তিনি।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার।

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।


সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আইয়ুব মিয়ার পদত্যাগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রমালিকানাধীন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

সোমবার (১৬ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বরাবর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া উল্লেখ করেছেন, ব্যক্তিগত কারণে তিনি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করছেন। গত বছরের ৭ ডিসেম্বর তাকে এই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি সরকারের সাবেক সচিব।

তারল্য–সংকটে থাকা এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক—এই পাঁচ ব্যাংক মিলে গঠিত হয়েছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক।

ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধনের মধ্যে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে।


খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪৬
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

একই সঙ্গে এসময় তিনি ভার্চুয়ালি দেশের ৫৪টি জেলার খাল খনন কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।

সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।


প্রস্তুত জাতীয় ঈদগাহ, প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, মুসল্লিদের ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য জাতীয় ঈদগাহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে ঠিক করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। তবে বৃষ্টি হলে সময়ের পরিবর্তন হবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।

প্রশাসক বলেন, জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন। যেহেতু আবহাওয়া গরম তাই কিছু অংশে শীতাতপ নিয়ন্ত্রের চেষ্টা করবো ঈদগাহে।এছাড়া পর্যাপ্ত ফ্যান, লাইটের ব্যবস্থা থাকবে। সবার জন্য ওযুখানাসহ মহিলাদের জন্য আলাদা প্রবেশ পথের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন, সেকারণে এখানকার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এবার জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন, এটা ঢাকার নাগরিকদের জন্য আনান্দের। নগরবাসী যারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ে জাতীয় ঈদগাহে আমন্ত্রণ জানাই। যারা এখানে নামাজ আদায়ে আসবেন, তারা নির্দেশনা মেনে নিরাপত্তায় ব্যহত হয় এমন কিছু সঙ্গে বহন করবেন না, ঈদগাহে প্রবেশের সময়।

জাতীয় ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে ক্রিকেট দলকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পাকিস্তানের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজও জিতেছে।

মিরপুর স্টেডিয়ামে রোববার (১৫ মার্চ) এই ঐতিহাসিক জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এক বিবৃতিতে তিনি ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সাহসী তরুণেরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আজকের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ১১ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতে প্রমাণ করেছে, ঐকান্তিক এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকলে জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে ক্রিকেট দলের নজরকাড়া পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে গর্বিত করেছে। আমি আশা করি, আমাদের তরুণদের এই সাফল্য জয়যাত্রা অব্যাহত থাকবে।


ভারত থেকে মোংলা বন্দরে এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারত থেকে আমদানি করা চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। ভারতের কোলকাতা বন্দর থেকে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার মেট্রিক টন এবং ভিয়েতনাম পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে ৫ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে।

রোববার বিদেশি জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’র ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানিয়েছেন, উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এই চাল আমদানি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোলকাতা বন্দর থেকে মোংলা বন্দরে আসা জাহাজ দুটি থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোববার সকাল থেকে চাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরপর ছোট লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে খালাস করা চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি গুদামে পাঠানো হচ্ছে। চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে মোংলা বন্দরে আসা বিদেশি দুটি জাহাজ থেকে পুরোপুরি চাল খালাসের কাজ শেষ হবে।

মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেন, জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে সরকার ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে ৮ লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোংলা বন্দরে আমদানি হওয়া চালের এটি নবম চালান।

তিনি আরও বলেন, দেশের বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি শুরু হয়েছে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত এই চালের মধ্যে নন-বাসমতি চালের পরিমাণই বেশি, যা দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে।

এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে নিয়মিতভাবে ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল দেশে প্রবেশ করছে, যা দ্রুত দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।


বাজারের মূল্য তারতম্য অনুসন্ধানে কমিটি করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্যের দামের অযৌক্তিক ব্যবধানের কারণ অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গঠিত এ কমিটি বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।

রোববার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজারে দ্রব্যমূল্যের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি সংক্রান্ত পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে অনেক ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য দামের ব্যবধান দেখা যায়। এই ব্যবধানের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রশাসনের সদস্য এবং অন্যান্য পেশাজীবীদের নিয়ে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখনো আমদানি নির্ভর দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি বা পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেলে এর প্রভাব দেশের বাজারে পড়া স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রণজনিত কোনো কারণে যেন পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি না পায় সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

বিদেশি ফল আমদানির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছু ফল রয়েছে যা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকা প্রয়োজন, যেমন আপেল, আঙুর ও কমলা। এসব ফলের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার প্রয়োজনে নীতিগত পদক্ষেপ বিবেচনা করবে। তবে অত্যধিক দামি বিলাসী ফলের ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয়তা নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল চালিকাশক্তি ব্যবসায়ীরাই। সরকারের কাজ হলো ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত এবং বাজার যেন বাধাহীন ও স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হতে পারে তা নিশ্চিত করা।

রমজান মাস উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা যদি মানুষের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করেন, তবে তা সমাজে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

চলতি রমজান মাসে ভোজ্যতেলের বাজার তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে উল্লেখ করে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও সীমিত বিক্রির অজুহাতে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রবণতার বিষয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং চট্রগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।


জ্বালানি সংকটে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানা, মাসে লোকসান একশত পঁয়ষট্টি কোটি টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সার কারখানায় প্রাকৃতিক জ্বালানি বাষ্পের তীব্র সংকটের কারণে প্রায় এক বছর ধরে সার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। দেশের পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে থাকায় রাষ্ট্র প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। কারখানা সূত্র অনুযায়ী, উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার সমমূল্যের সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, যার ফলে প্রতি মাসে লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় একশত পঁয়ষট্টি কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই যাবতীয় উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, দীর্ঘ সময় ধরে কারখানাটি অচল অবস্থায় পড়ে থাকায় এর কোটি কোটি টাকা মূল্যের মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সচল অবস্থায় না থাকলে এই ব্যয়বহুল যন্ত্রাংশগুলো স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করে অবিলম্বে উৎপাদন শুরু করার দাবিতে কারখানার শ্রমিক ও কর্মচারীরা দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা বিভিন্ন সময় প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করলেও এখন পর্যন্ত কারখানা চালুর বিষয়ে দায়িত্বশীল মহলের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, বিদেশ থেকে সার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি অসাধু চক্র পরিকল্পিতভাবে দেশের ভেতরের সার উৎপাদন ব্যাহত করছে। তাঁদের দাবি, কারখানার পূর্ণ উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও স্রেফ অবহেলার কারণে এটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

আশুগঞ্জ সার কারখানাটির দৈনিক বিপুল পরিমাণ সার উৎপাদনের ক্ষমতা রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এই কারখানাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ পার্শ্ববর্তী সাতটি জেলার কৃষকদের সারের চাহিদা মিটিয়ে আসছিল। কিন্তু কারখানাটি পুরনো হওয়ার কারণ দেখিয়ে বর্তমানে সরকার এখানে জ্বালানি সরবরাহে অনাগ্রহ দেখাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে কারখানার কারিগরি কর্মকর্তাদের মতে, প্রয়োজনীয় জ্বালানি বাষ্পের সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে মাত্র পনেরো থেকে কুড়ি দিনের মধ্যেই পুনরায় পুরোদমে উৎপাদনে ফেরা সম্ভব।

সার কারখানাটি দ্রুত সচল করা না হলে রাষ্ট্রকে কেবল বিশাল অংকের অর্থই হারাতে হবে না, বরং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের সামগ্রিক কৃষি খাতেও। স্থানীয় পর্যায়ে সারের সরবরাহ কমে গেলে কৃষকদের চাষাবাদের ব্যয় যেমন বাড়বে, তেমনি সারের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে। এই জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি রক্ষায় এবং দেশের কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।


পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি পবিত্র এই রাতের তাৎপর্য অনুধাবন করে সবাইকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করি এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাতের পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রোববার এ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।’

তিনি বলেন, ‘লাইলাতুল কদর মহিমামন্ডিত ও বরকতময় এক রাত। পবিত্র কুরআনুল কারিম রমজান মাসের এই মহিমান্বিত রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে। মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ বলে ঘোষণা করেছেন। এ রাত মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের বার্তা নিয়ে আসে।’

বাণীতে তিনি আরও বলেন, ‘এই রাতে ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়। রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলির জাগরণের মাস। পবিত্র লাইলাতুল কদরের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে।

আসুন, আমরা সবাই এই রাতের তাৎপর্য অনুধাবন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করি এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করি-তিনি যেন পবিত্র লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত আমাদের সবার ওপর বর্ষিত করেন। আমাদের দেশ ও জাতিকে অগ্রগতি, শান্তি, সম্প্রীতি এবং কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন।’

তিনি আশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘পবিত্র লাইলাতুল কদরের মহিমা আমাদের জীবনে শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ বয়ে আনুক-এই কামনা করি।’


নতুন ২ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ডা. জাহেদ উর রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের উপদেষ্টাদের দপ্তর পুনর্বণ্টনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দুটি নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনি এখন থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ দায়িত্ব পালনে ডা. জাহেদ উর রহমান সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে নিজের ফেসবুক পোস্টে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ডা. জাহেদ উর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সম্প্রতি তাকে নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলো।


৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন

পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (অ্যাড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।


banner close