সোমবার, ১১ মে ২০২৬
২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

আশুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে সহিংসতা করা হয়েছে: শ্রম উপদেষ্টা  

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১ অক্টোবর, ২০২৪ ২১:২৬

আশুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে সহিংসতা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে ‘আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা’ শেষে তিনি এ দাবি করেন।

ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় সোমবার তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিতে এক শ্রমিক নিহত হন এবং আহত হন কয়েকজন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘আশুলিয়ায় গার্মেন্টস কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে কাজ করে যাচ্ছিল। কিন্তু প্রথম থেকেই দেখছি, সুনির্দিষ্ট কিছু মানুষ উসকানি দিয়ে আসছে। গতকালও (সোমবার) যে ঘটনা ঘটেছে, সেটার মূল ঘটনা সবার জানা দরকার। একজন শ্রমিক সেখানে নিহত হয়েছেন, আমরা দুঃখিত। আমাদের তরফ থেকে এরই মধ্যে ১৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া যারা আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে সরকার, বিজিএমইএ ও মালিকপক্ষের তরফ থেকে ১৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া যারা আহত হয়েছেন, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শ্রম উপদেষ্টা বলেন, ‘একটি গুজবের ভিত্তিতে গতকালের (সোমবার) ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল। গুজবের ভিত্তিতে কারখানাগুলো থেকে শ্রমিকদের নামিয়ে আনা হয়েছিল। এরপর সেখানে শ্রমিকরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গাড়ি ভাঙচুর ও তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু শ্রমিকদের মধ্য থেকে কোনো একজন অনুপ্রবেশকারী বা এ রকম কেউ গুলি ছুড়েছিল প্রথম। প্রথম গুলিটি শ্রমিকদের ভেতর থেকে দুষ্কৃতকারীরা ছুড়েছিল। সেখান থেকেই গোলাগুলির সূত্রপাত হয়। সেখানে দুঃখজনকভাবে এক শ্রমিক নিহত হন। আরও সাতজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরও ১৩ সদস্য আহত হয়ে চিকিৎসাধীন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রম উপদেষ্টা বলেন, গুলিটা এসেছিল শ্রমিকদের ভেতরে অনুপ্রবেশ করা কারও পক্ষ থেকে। ইতোমধ্যে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদেরও আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

উপদেষ্টা বলেন, সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান থাকবে এ ধরনের ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে হলো এবং কীভাবে এই পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছাল, সেটা উপস্থাপন করবেন। তিনি বলেন ‘আমরা এই পরিস্থিতি কখনোই চাই না। আমরা শ্রমিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাই না।’


জাল নোট প্রতিরোধে পশুর হাটে বসবে নোট শনাক্তকরণ বুথ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাটে জাল নোটের বিস্তার রোধ করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বিশেষ বুথ স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পশুর কেনাবেচায় যাতে কেউ প্রতারিত না হয়, সেজন্য প্রতিটি হাটে নোট শনাক্তকরণ সেবা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে প্রতিটি ব্যাংককে আগামী ১৭ মের মধ্যে একজন সমন্বয়কারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে তার নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বর ই-মেইলে পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, রাজধানীর অনুমোদিত পশুর হাটগুলোতে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত কোনো বিরতি ছাড়াই নোট যাচাইয়ের এই বিশেষ সেবা প্রদান করতে হবে। সুষ্ঠুভাবে এই কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, পৌরসভা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিবিড়ভাবে সমন্বয় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকার বাইরের পশুর হাটগুলোর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাংলাদেশ ব্যাংক অফিস এবং যেসব জেলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক দায়িত্ব বণ্টন ও তদারকি করবে।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পশুর হাটগুলোর জন্য সুনির্দিষ্ট ব্যাংকের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন হাটগুলোতে ইসলামী ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংক তাদের বুথ পরিচালনা করবে। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, যমুনা ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক এবং বেসিক ব্যাংক।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩টি পশুর হাটে মোট ১৯টি ব্যাংককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও ওয়ান ব্যাংক উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি মধুমতি ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হাটে নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপন ও পরিচালনা করবে।


বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। সোমবার (১১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশের মতো দেশকে এখন ডর দেখানোর মতো কোনো জায়গা নেই। বাংলাদেশে মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না, সরকারও কাঁটাতার ভয় পায় না।যেখানে আমাদের কথা বলা দরকার, আমরা কথা বলব।’

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেন, ‘হাসিনা সরকারের আমলে যেভাবে সীমান্তে অনেক মানুষকে গুলি করে হত্যা বা কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার মতো বিষয়গুলো আমরা দেখেছি, সীমান্ত কোনো দিন ওই নমুনায় আসবে না, ইনশাআল্লাহ। আর ওই নমুনায় যদি কেউ বর্ডার করতেও চায়, এই বাংলাদেশ সেই গোলামির বাংলাদেশ না যে, বসে দেখবে। কী করতে হবে সে বিষয়ে এই বাংলাদেশের পরিকল্পনা আছে।’

প্রতিবেশী দেশগুলোকে অবশ্যই আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংলাপ চাই। যেখানে আমরা সবাই ‘ভারসাম্যমূলক’ একটি জায়গায় থাকতে চাই। তবে চ্যালেঞ্জ অবশ্যই থাকবে, আছে এবং থাকবেই। যেমন দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসী শেখ হাসিনা এখন ভারতে আশ্রয়ে আছে।

তবে শেখ হাসিনা ভারতে বসে যেন বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাস না করতে পারে সে বিষয়টি আমরা ভারত সরকারকে বলেছি এবং তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভারত সরকার।”

পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠন প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রাইমারিলি (প্রাথমিকভাবে) কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক থাকবে। আমরা তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে চাই না।’

সম্প্রতি চীন সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চীন সফর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিস্তা নিয়ে আলোচনায় ভালো অগ্রগতি হয়েছে, ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।’

এ সময় চীনের এক্সিম ব্যাংক অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি।


উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে ‘জাতীয় কর্মশালা’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১১ মে, ২০২৬ ১৬:০৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসইভাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে আগামীকাল মঙ্গলবার (১২ মে) শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে জাতীয় কর্মশালা।’ কর্মশালার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে

কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে। কর্মশালার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মশালার উদ্বোধন উপলক্ষে ইউজিসি আজ বিকেল সাড়ে তিনটায় সংবাদ সম্মেলন করবে।

সোমবার (১১ মে) দুপুরে ইউজিসির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কর্মশালার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে— ‘বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষের রূপরেখা।’

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় সরকারের নীতিনির্ধারক, ইউজিসির সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, গবেষক, শিল্পখাতের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন সহযোগীরা অংশ নেবেন।

এদিকে কর্মশালা উপলক্ষে সোমবার বিকেল ৩টায় ইউজিসি ভবনে (আগারগাঁও) জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদসহ কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।


নারীর ক্ষমতায়ন ও কন্যার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডা. জুবাইদা রহমানের জোরালো আহ্বান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সামাজিক ও পারিবারিক কাঠামোর উন্নয়নে নারীদের অপরিহার্য ভূমিকার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি মনে করেন, গ্রামীণ অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়নে নারীরাই মূল চালিকাশক্তি হতে পারেন। সোমবার রাজধানী ঢাকায় পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির (পুনাক) এক বিশেষ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পুনাক-এর সদস্যদের জনহিতকর কাজের প্রশংসা করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, “আপনার আপনারা আপনাদের কর্মের মাধ্যমে আগামীর প্রজন্মকে সমাজে অবদান রাখার পথ দেখিয়ে দিতে সহায়তা করছেন। অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত সমাজসেবামূলক আপনাদের পরিকল্পনাগুলো সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর সুস্থ মানবিক সমাজ গঠনের ভিত্তি। আমরা সকলে যদি নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সমাজ গঠনে অবদান রাখি। তাহলে নিশ্চয়ই সেটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব ইনশাআল্লাহ।” তিনি সমিতির মানবিক উদ্যোগগুলোকে একটি সুস্থ সমাজ গঠনের ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করেন।

কন্যা শিশুদের সুরক্ষা ও তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “নারীরা পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেন্দ্রে থেকে স্বাস্থ্য–গ্রামীণ উন্নয়নে অংশ নিতে পারে। কন্যা শিশুদের নিরাপত্তা ও সুন্দর মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিটি মেয়ে যে ভবিষ্যৎ নিজের জন্য গড়তে চায়, সেই পথে রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পরিবর্তে তা এগিয়ে নেবে।” তিনি মনে করেন, সরকারের দায়িত্ব হলো নারীর অগ্রযাত্রার পথকে আরও মসৃণ ও বাধামুক্ত করা।

এছাড়া নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষে তিনি একগুচ্ছ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “স্বনির্ভরতার লক্ষ্যে ক্ষুদ্র কুটির ও মাঝারি শিল্পে যোগ্যতার ভিত্তিতে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান। যেমন- প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং ডেভেলপমেন্ট ও মার্কেটিং সাপোর্ট প্রদান। ফলে পারিবারিক সচ্ছলতা বৃদ্ধি ও সন্তানদের শিক্ষা এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ সুগম করা সম্ভব হবে।” অনুষ্ঠানের শেষে তিনি পুনাক-এর সকল সদস্যকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।


গর্ভের সন্তানের লিঙ্গপরিচয় প্রকাশ করা যাবে না, হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মায়ের গর্ভে থাকা অনাগত শিশুর লিঙ্গপরিচয় প্রকাশ করাকে সংবিধান পরিপন্থী এবং নারীর প্রতি চরম বৈষম্যমূলক হিসেবে ঘোষণা করে এক ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশ করা কেবল অনৈতিক চর্চাই নয়, বরং এটি কন্যাশিশু হত্যার মতো জঘন্য প্রবণতাকে উসকে দিয়ে সামাজিক ভারসাম্য বিপন্ন করে।

রায়ে আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড “নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও চরম লঙ্ঘন।” হাইকোর্টের মতে, এই প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। আদালত আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, দেশে দীর্ঘদিন ধরে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে কার্যকর কোনো জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা ও তদারকি ছিল না। ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশে এ সংক্রান্ত কঠোর আইন থাকলেও বাংলাদেশে কেবল গাইডলাইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয় বলে আদালত মত দেন।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে এক বিশাল ও সময়োপযোগী নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ছয় মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেখানে দেশের সকল নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালিত পরীক্ষার রিপোর্ট সংরক্ষিত থাকবে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে পারবে। আদালত এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে ‘ধারাবাহিক তদারকি’ বা ‘continuous mandamus’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যাতে এর বাস্তবায়ন আদালত নিজেই সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান জনস্বার্থে এই জনগুরুত্বপূর্ণ রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে হাইকোর্ট এই যুগান্তকারী রায় প্রদান করলেন। রিট আবেদনের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান নিজে শুনানি করেন এবং তাঁকে সহায়তা করেন তানজিলা রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে এই শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।


বেড়েই চলছে হামের ভয়াবহতা, মৃত্যু ছাড়াল ৪০০

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক
    * সঠিক সময়ে টিকা ও ভিটামিন-এ পায়নি শিশুরা * কমে গেছে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর হার * পুষ্টিহীন শিশু টিকা না পেলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে

দেশে সঠিক সময়ে টিকা ও ভিটামিন-এ না পাওয়ায় হামে শিশুর মৃত্যু থামেছেই না। আক্রান্তও বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপুষ্টি শিশুদের অবস্থাকে বেশি নাজুক করে তুলেছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর হারও কমে গেছে। এ অবস্থায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে চারজন ও উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪০৯ জনে দাঁড়িয়েছে। গতকাল রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল আটটা থেকে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত) হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। বাকিরা হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৫ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৪৪ জন। অর্থাৎ হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা হয়েছে ৪০৯। এছাড়া ২০৫ জনের নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ হাজার ৮১৯ জনে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন ১ হাজার ৫০৩ সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে। এতে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ১৫৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগের দিনের তুলনায় সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। শনিবার এই সংখ্যা ছিল ২৯১, রোববার ৩৪৪। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে।

শিশুস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, হাম প্রতিরোধযোগ্য রোগ। ঠিক সময় ঠিক পদক্ষেপ নিলে এত শিশুর মৃত্যু হতো না। টিকার পাশাপাশি শিশু পুষ্টিও তাদের সুরক্ষা দেয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন বলেন, শিশুদের ওপর একের পর এক অন্যায় করা হয়েছে। মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর পক্ষে প্রচার নেই, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন নেই, কৃমিনাশক ঠিকমতো খাওয়ানো হয়নি। এসবই অপুষ্টি বাড়িয়েছে। এর মধ্যে ঠিক সময়ে হামের টিকা না পেয়ে শিশুরা অরক্ষিত অবস্থায় চলে যায়। তারই পরিণতি এই প্রাদুর্ভাব, এত মৃত্যু।

জানা গেছে, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে নিয়মিতভাবে দেশের ৯ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকার প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। টিকাকে কার্যকর করতে হলে ৯৫ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা দরকার; কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। ২০২৩ সালের ইপিআইয়ের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, টিকা পেয়েছে ৮২ শতাংশ শিশু। অর্থাৎ প্রতিবছর ১৮ শতাংশ বা এর বেশি শিশু টিকার বাইরে থেকে যায়।

গত বুধবার ইউনিসেফের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক রিয়াদ মাহমুদ সম্প্রতি এক বৈঠকে বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ৮৫ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী। আরও উদ্বেগজনক তথ্য হলো, আক্রান্ত শিশুদের ৬৫ শতাংশ কোনো টিকাই পায়নি, আর ২১ শতাংশ আংশিক টিকাপ্রাপ্ত। এভাবে টিকা থেকে বাদ পড়া শিশুর সংখ্যা কয়েক বছর ধরে বেড়েছে। এই বাদ পড়া শিশুর সংখ্যা এক বছরে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যার সমান বা কাছাকাছি হলে হামের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় বলে রোগতত্ত্ববিদেরা জানিয়েছেন।

শিশুস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগের সাবেক প্রধান আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, ভিটামিন এ-এর অনেক কাজ। শরীরে কোষের কাজ ঠিকঠাক রাখে ভিটামিন এ। ভিটামিন এ চোখের পানি তৈরিতে সহায়তা করে। ভিটামিন এ কম থাকলে রাতকানা রোগ থেকে শুরু করে মানুষ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন এ রোগ প্রতিরোধক।

পুষ্টিবিদেরা জানিয়েছেন, দেশের সব বয়সি সাড়ে ৭ শতাংশ মানুষের ভিটামিন এ-এর ঘাটতি আছে। শিশুদের মধ্যে এই হার বেশি। শিশুদের ভিটামিন এ-এর ঘাটতি দূর করার জন্য প্রতি বছর দুবার ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন করা হয়। সেই ক্যাম্পেইনও বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ঠিকমতো হয়নি।

সরকারের জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. ইউনুস আলী বলেন, সর্বশেষ ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন হয়েছে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। এরপর ২০২৫ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু তা হয়নি। ভিটামিন এ-এর মতো শিশুরা মায়ের বুকের দুধের ক্ষেত্রেও বঞ্চিত হচ্ছে।

টিকাবিশেষজ্ঞ ও ইপিআইয়ের সাবেক উপকর্মসূচি ব্যবস্থাপক তাজুল এ বারি বলেন, মায়ের দুধ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শিশুদের শুধু বুকের (এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং) দুধ খাওয়ানো দরকার; কিন্তু বিরাটসংখ্যক শিশু তা পাচ্ছে না; বরং তা কমছে।

সর্বশেষ জনমিতি ও স্বাস্থ্য জরিপ (২০২২) বলছে, ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খায়, এমন শিশুর হার ৫৩ শতাংশ। এর চার বছর আগে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। অর্থাৎ দেশের বিপুলসংখ্যক শিশু বুকের দুধ পাচ্ছে না।

শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, অপুষ্টি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়। পুষ্টিহীন শিশু টিকা না পেলে তার সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। সে যদি ঠিক চিকিৎসা না পায়, তার মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়ে।


কোনো দলের হয়ে নয়, পুলিশ চলবে আইন অনুযায়ী : প্রধানমন্ত্রী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১১ মে, ২০২৬ ০০:৪৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগত হবে না; বরং প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। গতকাল রোববার ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মিলনায়তনে আয়োজিত ‘কল্যাণ প্যারেডে’ প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে একটি ‘ফ্যাসিবাদী সরকার’ নিজেদের স্বার্থে পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে এখন জনগণের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার করাই পুলিশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, থানায় গিয়ে সাধারণ মানুষ যেন রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন এবং কোনো ভয় বা সুপারিশ ছাড়াই অভিযোগ জানাতে পারেন—এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের বিপদ কমবে—এই বিশ্বাস জনগণের মধ্যে তৈরি করাও পুলিশের দায়িত্ব।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ চাইলে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানবিক আচরণ পুলিশের ভাবমূর্তি উন্নত করবে।
মাঠপর্যায়ে পুলিশকে সরকারের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক ও মানবিক পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডেটা অ্যানালাইসিস, সাইবার সক্ষমতা ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত পদ্ধতির বিস্তৃত ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশকে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাহিনীতে রূপান্তর করতে হবে।
সাইবার অপরাধ, কিশোর গ্যাং, আর্থিক জালিয়াতি, অনলাইন জুয়া ও মাদক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে, সাইবার বুলিং নারীদের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মাদক সরবরাহকারী ও মাদকের উৎসকে লক্ষ্য করে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম, অপহরণ কিংবা বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা পুলিশের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তিনি জানান, পুলিশের বদলি, পদোন্নতি ও নিয়োগে মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সততাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসাসেবা, রেশন ও ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দুর্নীতি, দুঃশাসন, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেই সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিও অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে। তবে ধাপে ধাপে সব অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, অস্ত্রের শক্তির চেয়ে মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতাই বড় শক্তি। একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়াই সরকারের লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইজিপি আলী হোসেন ফকির। পরে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা তাদের দাবি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী পুলিশ সপ্তাহের কেক কাটেন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।


হামে ৩৫২ শিশুর মৃত্যু: প্রতি পরিবারের জন্য ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হামে মারা যাওয়া ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে।

রোববার মানবাধিকার সংস্থা ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পল্লব, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওসার ও মো. মাকসুদুর রহমান এ রিট আবেদন করেছেন।

আবেদনে বিবাদী হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও আইইডিসিআরের পরিচালকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে দেশের প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসিইউ, পিআইসিইউ ও প্রয়োজনীয় রোগনির্ণয় সুবিধাসহ বিশেষায়িত হাম চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের জন্য নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি, ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১০ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানানো হয়েছে রিটে।

আদালতের অনুমতি নিয়ে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশিস রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিট আবেদন দাখিল করা হয়।

আবেদনে আরও প্রার্থনা করা হয়েছে যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ৭ দিনের মধ্যে সারাদেশে হাম ও জলাতঙ্কের টিকার মজুত, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে একটি হলফনামা দিতে বলার জন্যও আদালতের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে রিটে।


দিল্লিকে অবশ্যই সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে: রুহুল কবির রিজভী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বারবার সীমান্তকে রক্তাক্ত করতে থাকলে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্ক কখনোই গড়ে ওঠে না। দিল্লিকে অবশ্যই এই রক্তপাত বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে চাইলে তাদের সহিংসতার মনবৃত্তি পরিহার করতে হবে।

রোববার ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ৪৫তম জাতীয় কাউন্সিল ২০২৬ এ বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেছেন।

রিজভী বলেন, এত সুন্দর বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক, অনেকেই বলেন, ‘অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান ঢাকা-দিল্লির’। তারপরেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এগুলো কিসের আলামত? এটা তো পৃথিবী, এটা তো বাংলাদেশ। আমাদের দেশের মানুষ যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করবে। তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই পরিচালনা করবে। তেমনি ভারত আরেকটি দেশ তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা পরিচালনা করবে। তারা সুখে শান্তিতে থাকুক আমরা সুখে শান্তিতে থাকবো একটি সৎ প্রতিবেশী সুলভ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। তাই জনসমাজের প্রতিটি পেশার মানুষ, যাদের উন্নয়ন ও উৎপাদনে অবদান রয়েছে, তাদের স্বার্থ রক্ষা করেই সরকার কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এ বিষয়ে কোনো ব্যত্যয়ের সুযোগ নেই। যদি এটি স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট কিংবা বিনা ভোটের অগণতান্ত্রিক সরকার হতো, তাহলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

রিজভী বলেন, প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর পর দেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি, সংগ্রাম, রাজপথের আন্দোলন, নিপীড়ন-নির্যাতন, গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মতো নির্মম পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই সংগ্রাম চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করেছে। তাই এই সরকার সবক্ষেত্রেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


ঈদযাত্রার নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে : রেলমন্ত্রী

আপডেটেড ১০ মে, ২০২৬ ১৫:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে সরকার সড়ক, রেল ও নৌপথের ব্যবস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার সকালে রাজধানীর ইস্কাটন রোডের লেডিস ক্লাবে আয়োজিত ‘নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, দেশের নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিষ্ঠা ও ত্যাগের সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সাধারণ মানুষের ঈদযাত্রা যাতে কোনো ধরণের প্রতিবন্ধকতার মুখে না পড়ে, সে লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

একই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান ফিটনেসবিহীন ও অনুমোদনহীন নৌযানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেন। তিনি ঈদের আগে এই ধরণের ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করতে নৌপুলিশকে জরুরি নির্দেশ প্রদান করেছেন। প্রতিমন্ত্রীর মতে, চালক ও যাত্রীদের সচেতনতা এবং সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে নৌপথের দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব।


শুধু রাজনীতিতে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকার অর্থনীতি গণতন্ত্রীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যারা মূলধারার অর্থনীতির বাইরে আছে, তাদের অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে চাই। নাগরিক হিসেবে এটি সবার অধিকার।

শুধু রাজনীতিতে গণতন্ত্র থাকলেই হবে না, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র থাকতে হবে।’

রোববার (১০ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনানুষ্ঠানিক খাতের উন্নয়নে পিকেএসএফ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ প্রকল্প ‘রেইজ’-এর ২য় পর্যায়ের কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিগত সময়ে দেশের অর্থনীতিতে অলিগার্ক শ্রেণি (অত্যন্ত ধনাঢ্য) সুবিধা নিয়েছে যাতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল না বলে দাবি অর্থমন্ত্রীর। সরকার সেটি ভাঙছে বলেও দাবি তার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নারীরা পুরো পরিবারকে আগলে রাখেন এবং কিভাবে সঞ্চয় করতে হয়, তা তারা ভালোভাবে জানেন। এ জন্য ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদের আর্থিকভাবে কিছুটা স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। এই অর্থ গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ সৃষ্টি করবে।

একইভাবে কৃষক কার্ডও দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।


পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১০ মে, ২০২৬ ১৩:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার (১০ মে) সকাল ৯টার পর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে আয়োজিত চারদিন ব্যাপী এই সপ্তাহের বার্ষিক প্যারেড অনুষ্ঠানের যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক প্যারেড অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চারদিনব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।

সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এসে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্যারেড কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত আইজিপি একেএম আওলাদ হোসেন এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির তাঁকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী একটি লাল-সবুজ খোলা জিপে চড়ে পুলিশের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের সুশৃঙ্খল, দৃষ্টিনন্দন ও বর্ণাঢ্য প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য রাখবেন।

এ সময় পুলিশ বাহিনীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ব্যাকগ্রাউন্ড উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়।

এবারের বার্ষিক প্যারেডে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপি সরকারের আমলে এটিই প্রথম পুলিশ সপ্তাহ।

বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিগণ, বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপারসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত রয়েছেন।

আজ শুরু হওয়া পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচি আগামী ১৩ মে পর্যন্ত চলবে।


রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা ও ফেরার প্রটোকল নিয়ে নতুন নির্দেশনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে অনুসরণীয় প্রটোকল (রাষ্ট্রাচার) সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির বিদেশ যাওয়া ও দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত ব্যক্তিদের তালিকায় কাটছাঁট করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে গত ৪ মে পাঠানো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি চিঠিতে এ নতুন নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকালে বিমানবন্দরে ৭ জন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি উপস্থিত থাকবেন। তারা হলেন: মন্ত্রিসভার একজন সদস্য, ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান, স্বাগতিক দেশের মিশন প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান।

এর আগে, সবশেষ ২০১৭ সালের ১৬ মে রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা ও দেশে ফেরার রাষ্ট্রাচার নিয়ে নির্দেশনাবলি জারি করা হয়েছিল। সেই সময়কার নিয়ম অনুযায়ী, বিমানবন্দরে মোট ১৩ জন কর্মকর্তার উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা ছিল।


banner close