মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
১০ চৈত্র ১৪৩২
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন

অক্টোবরে ৪৪৩ দুর্ঘটনায় নিহত ৪৬৯, মোটরসাইকেলে মৃত্যু বেশি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
১০ নভেম্বর, ২০২৪ ১৭:৩২
ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৪ ১৭:২৯

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে ৪৪৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ৪৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় ৮৩৭ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭৪ জন নারী এবং ৬৬ জন শিশু। মোট ২০৮টি মোটরবাইক দুর্ঘটনায় ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা মোট মৃত্যুর ৪১.৭৯ শতাংশ এবং মোটরবাইক দুর্ঘটনার হার ৪৬.৯৫ শতাংশ।

এছাড়া, ১০২ জন পথচারী (২১.৭৪ শতাংশ) এবং ৬৭ জন যানবাহন চালক বা তাদের সহকারী (১৪.২৮ শতাংশ) নিহত হন। এ সময়, ৪টি নৌ দুর্ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু এবং ৩ জন আহত হন, আর ২১টি রেল দুর্ঘটনায় ১৮ জন মারা যান এবং ৬ জন আহত হন।

আজ রোববার রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সংগঠনটি জানায়, ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন সংবাদ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং এর নিজস্ব রেকর্ডের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

যানবাহন অনুযায়ী মৃত্যুর হিসাব

যানবাহনের ধরন অনুযায়ী মৃত্যুর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোটরবাইক চালক বা যাত্রীদের মধ্যে ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে (৪১.৭৯ শতাংশ)। বাস যাত্রীদের মধ্যে ৩১ জন (৬.৬০শতাংশ) মারা গেছেন এবং ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, ট্রলি বা লরির যাত্রীদের মধ্যে ২০ জন (৪.২৬ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

এছাড়া প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স যাত্রীদের মধ্যে ১২ জন (২.৫৫ শতাংশ) মারা গেছেন, আর তিন চাকার যান (যেমন অটো রিকশা, সিএনজি, টমটম) যাত্রীদের মধ্যে ৯৪ জন (২০.০৪ শতাংশ) প্রাণ হারিয়েছেন।

নসিমন ও করিমনের মতো স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন দুর্ঘটনা ১০ জন (২.১৩ শতাংশ) এবং সাইকেল চালক ও রিকশা যাত্রীদের মধ্যে ৪ জন (০.৮৫ শতাংশ) নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার স্থান অনুযায়ী সড়কের ধরন

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৭৩টি (৩৯.০৫ শতাংশ) দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে, ১৬২টি (৩৬.৫৬ শতাংশ) আঞ্চলিক সড়কে, ৬৪টি (১৪.৪৪ শতাংশ) গ্রামীণ সড়কে এবং ৩৮টি (৮.৫৭ শতাংশ) শহুরে এলাকায় এবং এছাড়া অন্যান্য অপ্রত্যাশিত স্থানে ৬টি (১.৩৫ শতাংশ) দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনার ধরন

দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ছিল ১১২টি (২৫.২৮ শতাংশ) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৭১টি (৩৮.৬০ শতাংশ) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৪টি (২৩.৪৭ শতাংশ) পথচারীকে আঘাত, ৪২টি (৯.৪৮শতাংশ) পেছন থেকে ধাক্কা এবং ১৪টি (৩.১৬শতাংশ) অন্যান্য কারণে ঘটে।

দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহন

দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে ২৫.৪৮ শতাংশ ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, ট্র্যাক্টর, ট্রলি, লরি ও ড্রাম ট্রাক জড়িত ছিল।

মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপ দুর্ঘটনা ছিল ৪.৩৯ শতাংশ, যাত্রীবাহী বাস ছিল ১৪.৪৮ শতাংশ, মোটরবাইকের ছিল ২৮.০৭ শতাংশ এবং তিন চাকার যান (যেমন অটো-রিকশা) ছিল ১৭.৫৯ শতাংশ।

এছাড়া স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ছিল ৫.৪৩ শতাংশ, সাইকেল ও রিকশা ছিল ১.৮১ শতাংশ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ছিল ২.৭১ শতাংশ।

যানবাহনের সংখ্যা

মোট ৭৭৩টি যানবাহন দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। এর মধ্যে ১১২টি বাস, ১১৯টি ট্রাক, ২২টি কাভার্ড ভ্যান, ২৫টি পিকআপ, ৭টি ট্র্যাক্টর, ৬টি ট্রলি, ৯টি লরি, ৮টি ড্রাম ট্রাক, ১টি ১৮-চাকার লরি, ১২টি মাইক্রোবাস, ১৪টি প্রাইভেট কার, ৫টি অ্যাম্বুলেন্স, ৩টি জিপ, ২১৭টি মোটরবাইক, ১৩৬টি তিন চাকার যান, ৪২টি স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন, ১৪টি সাইকেল বা রিকশা এবং ২১টি অজ্ঞাত যানবাহন।

দুর্ঘটনার সময়

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৫.৪১ শতাংশ দুর্ঘটনা হয়েছিল ভোরে, ২৬.৬৩ শতাংশ সকালে, ১৬.৯৩ শতাংশ দুপুরে, ১৫.৫৭ শতাংশ সন্ধ্যা, ৯.২৫ শতাংশ গোধূলি এবং ২৬.১৮ শতাংশ রাতে।

বিভাগ অনুযায়ী দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান

বিভাগীয় পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোট দুর্ঘটনার ২৯.৫৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর ৩০.৭০ শতাংশ গটেছে ঢাকা বিভাগে। মোট দুর্ঘটনার ১৫.৩৪ শতাংশ ও মৃত্যুর ১৩.৮৫ শতাংশ হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। দুর্ঘটনার ১৭.৮৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর ১৭.২৭ শতাংশ ঘটেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। মোট দুর্ঘটনার ৯ শতাংশ ও মৃত্যুর ৮ দশমিক ১০ শতাংশ গয়েঠে খুলনা বিভাগে, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনার ৪ দশমিক ০৬ শতাংশ থেকে ১০ দশমিক ৮৩ শতাংশ এবং মৃত্যুর ৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ থেকে ১১ দশমিক ০৮ শতাংশ হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে ১৩১টি ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট। সেখানে ২২টি ঘটনা এবং ২৪ জন মারা গেছে।

বিভিন্ন জেলা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সর্বোচ্চ দুর্ঘটনা ও মৃত্যু হয়েছে। সেখানে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ৩৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অপরদিকে, মাগুরা, ঝালকাঠি, বরগুনা ও পঞ্চগড়ে দুর্ঘটনা ঘটলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

রাজধানী ঢাকা শহরে ২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জনের মৃত্যু এবং ৩৪ জন আহত হয়েছেন।

মৃত্যুর পেশাগত বিশ্লেষণ

প্রকাশিত গণমাধ্যম তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে তিনজন পুলিশ সদস্য, দুইজন আনসার সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নয়জন শিক্ষক এবং চারজন সাংবাদিক ছিলেন।

দুর্ঘটনা ও হতাহতের এসব ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে সড়ক নিরাপত্তা উন্নত করতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।


জুলাই দায়মুক্তির অধ্যাদেশের বিষয়ে সবাই একমত: সালাহউদ্দিন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে জুলাই দায়মুক্তি অধ্যাদেশের বিষয়ে সবাই একমত প্রকাশ করেছে। প্রথম দিনে অন্তত ৪০টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে জুলাই জনআকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সংবিধান পরিপন্থী কোনো অধ্যাদেশ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশেষ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ. এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান ও জি এম নজরুল ইসলাম।

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা ও মোনাজাত করা হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

এরমধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব ছিল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ-২০২৬’। এই অধ্যাদেশের বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত সবাই একমত প্রকাশ করেন। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ অন্তত ৪০টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়। অধ্যাদেশগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট আকারে তা জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে এক মিটিংয়ে ফয়সালা করা সম্ভব না। তাই আরো কয়েক দফা বৈঠকে বসতে হবে। তবে অনেক বিষয়ে একমত হওয়া গেছে। জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সংক্রান্ত অধ্যাদেশের বিষয়ে সবাই একমত প্রকাশ করেছেন। আগামীতে কোন অধ্যাদেশ গ্রহণ করা যায়, কোনটা সংশোধন করে নেওয়া যায়, আর কোনটার ক্ষেত্রে আরো পরিবর্তন লাগবে, সেগুলো নিয়েই আলোচনা হবে।

অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কিছু সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে। আবার কিছু অধ্যাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। যাচাই-বাছাইয়ে জনআকাঙ্ক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। আমরা ২ এপ্রিলের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি করব। সংবিধান এবং জনআকাঙ্ক্ষা দুইটাকে সমন্বয় করে এগিয়ে যেতে চাই। সংবিধান অবশ্যই সবার থেকে এগিয়ে থাকে।

তিনি বলেন, সব সিদ্ধান্ত এখনই জানানো যাবে না। রিপোর্ট যখন প্রকাশ হবে তখন বলা যাবে। আমরা মধ্যপথে আছি, এগোচ্ছি।

বিশেষ কমিটির সুপারিশের সঙ্গে সঙ্গে অধ্যাদেশ সরাসরি আইনে পরিণত হয় না, উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, কমিটি তাদের মতামত ও সুপারিশ সংসদে পেশ করবে, পরে সংসদই চূড়ান্তভাবে ঠিক করবে কোন অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত হবে।

সংসদ সচিবালয়ের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। পরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিনের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ১৫ মার্চ সংসদ অধিবেশনে সংসদে উত্থাপিত অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠিয়ে ২ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করলে এরপর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে ওই অধ্যাদেশ তুলতে হয়। সংসদ গ্রহণ না করলে অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়।


জ্বালানি তেল আমদানিতে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে ভারত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারত থেকে জ্বালানি আমদানির প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে বাংলাদেশ—এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। একইসঙ্গে ভারতে পলাতক আসামি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ফেরত আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতিতে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলায় বাংলাদেশ ভারত থেকে জ্বালানি আমদানির আগ্রহ জানায়। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে ভারতের পক্ষ থেকে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, ভারতে গ্রেফতার হওয়া শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এখনো কনস্যুলার অ্যাক্সেস পায়নি বাংলাদেশ। তবে দ্রুতই এ অ্যাক্সেস পাওয়া যাবে বলে আশা করছে সরকার। তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনা সরকারের অগ্রাধিকার বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ভারতে অবস্থানরত ব্যক্তিদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়েও কাজ করছে সরকার। তিনি জানান, ইরানে অবস্থানরত দুই হাজারের বেশি বাংলাদেশি বর্তমানে নিরাপদে আছেন। তবে কেউ দেশে ফিরতে চাইলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এ সময় ১৯৭১ সালের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।


২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আগামী ২৬ মার্চ সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

গতকাল (২৩ মার্চ) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন।

আইএসপিআর জানায়, এই অনুষ্ঠান সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রবেশের জন্য নির্ধারিত গেট হলো ২, ৩, ৪, ১০ ও ১১।


ঢাকার যানজট কমাতে উদ্যোগ, প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সভায় রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও যানজট কমাতে বিভিন্ন করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে আজ (মঙ্গলবার) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন।

এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং অর্থসচিব মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।


তেলের মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে এসে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, হঠাৎ তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মূলত সংকট দেখা দিয়েছে। তবে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, তাই জনগণকে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ডিমান্ড অ্যান্ড সাপ্লাইয়ের মধ্যে একটা গ্যাপ তৈরি হয়েছে। ডিমান্ড বেড়ে গেছে। আমরা একইভাবে সাপ্লাই করতাম সে সাপ্লাই চলছে। ডিমান্ড বেড়ে গেল তো সেখানে তো একটু ক্রাইসিস হবে। ক্রাইসিস হচ্ছে, এটা তো সাধারণ জ্ঞান।

তিনি আরো বলেন, সবাই প্রয়োজনমতো তেল পাবেন এবং শঙ্কার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল না নিলে সরবরাহ ঠিক থাকবে। তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে কাজ করে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন, তবে সরকার এখনো তেলের দাম বাড়ায়নি।


অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টে একটি মোশন (প্রস্তাব) উত্থাপন করা হয়েছে। মোশনটি উত্থাপন করেছেন সংসদ সদস্য অ্যাবিগেইল বয়েড। সোমবার (২৩ মার্চ) দেশটির সংসদে মোশন উত্থাপন করা হয় বলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. রাশেদুল হক।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার সংসদে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন অ্যাবিগেইল বয়েড।

অস্ট্রেলিয়ার এমপি অ্যাবিগেইল বয়েড তার প্রস্তাবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রস্তাবে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর এটিই ছিল প্রথম নির্বাচন। এ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিজয়ী হয়েছে।

অ্যাবিগেইল বয়েড তার প্রস্তাবে নির্বাচন কমিশনের তথ্য তুলে ধরে জানান, এবারের নির্বাচনে রেকর্ড ৫৯ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি ছিল।

নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই ন্যাশনাল চার্টার’ বা জুলাই জাতীয় সনদের ওপর অনুষ্ঠিত সাংবিধানিক গণভোটের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে বলা হয়, ৬০ শতাংশ ভোটার এ সনদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এ সনদে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারে ৮০টিরও বেশি প্রস্তাবনা রয়েছে, যা নতুন সরকার বাস্তবায়ন করবে।

প্রস্তাবটির শেষে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় বিএনপি এবং নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানো হয়।


জুলাই যোদ্ধাদের দেওয়া ইনডেমনিটি সরকার গ্রহণ করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে’ বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের যে ‘ইনডেমনিটি’ (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে, তা সরকার গ্রহণ করবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। আজকের বৈঠকে এসব অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে এই বিষয়গুলোর চূড়ান্ত সুরাহা করতে হবে। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।”

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক নামকরণের বিষয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি আজকের আলোচনার অন্যতম প্রধান এজেন্ডা। জনগণের দাবির মুখে বিতর্কিত সব নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এরই মধ্যে সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শুরু হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সরকারি দল ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়েছেন।


প্রধানমন্ত্রী দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন: ভূমিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মত একটি দেশ, একটি জাতিকে পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সততার সাথে। নিষ্ঠার সাথে। সহজ-সরল পথে।সকলের সাথে বন্ধুত্ব রেখে।

সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে খুরশেদ মোল্লা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সূবর্ণ জয়ন্তী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মিনু।

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার আমলে দেশ শিক্ষায় ব্যাপক উন্নতি করে। অনেক এগিয়ে যায়।’

দেশের মানুষ কোনোরকম উগ্রবাদকে সমর্থণ করেনা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘একটি দেশ তখনই এগিয়ে যায়, যখন সে দেশের মানুষ শিক্ষা সংস্কৃতিতে ভাল করে। সুশিক্ষিত হয়। আর দেশের নারীরা যখন শিক্ষায় অগ্রসর হয় তখন সে দেশ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে যায়।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ ও সাবেক এমপি আমিনুল ইসলাম।

আলোচনা সভার পূর্বে দু’দিনব্যাপী বিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উৎসবের শেষ দিনে বর্ণাঢ্য শোভযাত্রায় অংশ নেন প্রধান অতিথি সহ অনান্য অতিথিবৃন্দ। রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফ এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালকের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্ত‌রে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে জানায়, আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন।

এ সময় অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপ‌স্থিত ছি‌লেন।


২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক-আউট’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আগামী ২৫ মার্চ রাতে সারাদেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক-আউট’ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (২৩ মার্চ) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। খবর বাসস।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৫ মার্চ (বুধবার) রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত এই ব্ল্যাক-আউট পালন করা হবে। ১৯৭১ সালের সেই কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত গণহত্যার শিকার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তবে নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই), হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎসহ সকল জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মিশনসমূহ এই প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে।


ঈদের ছুটি শেষে অফিস খুলছে আজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শেষে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে খুলছে সরকারি অফিস, ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠান। আজ সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে অফিস-আদালতের কার্যক্রম চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

ঈদ শেষে গ্রামের বাড়ি থেকে অসংখ্য কর্মজীবী মানুষ ঢাকায় ফিরছেন। এ জন্য ট্রেন, বাস ও লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

গত ২১ মার্চ (শনিবার) সারা দেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয় মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বড় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট সাত দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

এদিকে ঈদকে কেন্দ্র করে সংবাদপত্র শিল্পেও টানা পাঁচ দিনের ছুটি ছিল। নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত এ ছুটি ঘোষণা করে। সেই ছুটিও সোমবার শেষ হয়েছে।


সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুষ্ঠিত হবে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক বসবে। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

গত ১৫ মার্চ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি সংসদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন বিষয়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার দায়িত্ব পেয়েছে বিশেষ কমিটি। কোন অধ্যাদেশ বহাল থাকবে এবং কোনটি বাতিল হবে তা যাচাই-বাছাই করা হবে। পর্যালোচনা শেষে বিষয়গুলো নিয়ে কমিটিতে আলোচনা হবে এবং পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


২৫ মার্চ গণহত্যার স্মরণে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করবে দেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল গণহত্যার স্মরণে আগামী বুধবার সারা দেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের অংশ হিসেবে ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত দেশব্যাপী এ কর্মসূচি চলবে। তবে কেপিআইভুক্ত এলাকা, জরুরি স্থাপনা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মিশনগুলো এ কর্মসূচির বাইরে থাকবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দিবসটির পবিত্রতা ও গাম্ভীর্য অক্ষুণ্ন রাখতে ২৫ মার্চ রাতে দেশের কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত কিংবা বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা যাবে না।

এর আগে ৮ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসেও দেশব্যাপী আলোকসজ্জা করা হবে না।

২৫ মার্চের এই প্রতীকী অন্ধকার একাত্তরের কালরাতে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্যের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে পালন করা হবে।


banner close