মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
৭ মাঘ ১৪৩২

গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নে বিশেষ সেল গঠন

ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৪ ২০:৩৮

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের চূড়ান্ত তালিকা সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকার। গতকাল রবিবার তথ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, ‘সরকার জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করতে “গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেল” গঠন করেছে। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও জেলা কমিটির মাধ্যমে প্রাপ্ত শহিদদের নামের তালিকা www.hsd.gov.bd এবং www.dghs.gov.bd ওয়েব পেজ দুটিতে প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ‘গণঅভ্যুত্থানকালিন ১৫ জুলাই হতে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখের মধ্যে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন বা বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করা হয়েছে বা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মারা গেছেন বা আন্দোলনে সম্পৃক্ত থেকে অন্য কোনোভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন কিন্তু উল্লিখিত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন ব্যক্তির নাম তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন আহ্বান করা যাচ্ছে।’

এতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট মৃত ও নিখোঁজ ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং উপযুক্ত প্রমাণকসহ তাঁর পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়কে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক অথবা বিশেষ সেলের দলনেতা বরাবর আবেদন করতে হবে। আগামী ১২ নভেম্বর হতে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন সরাসরি- ২য় তলা, ভবন নং-২, বিএসএল অফিস কমপ্লেক্স (হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল), ১ মিন্টু রোড, ঢাকা- ১০০০ ঠিকানায় পাঠানো যাবে। তবে, ই-মেইল আবেদন [email protected] ঠিকানায় পাঠাতে হবে।


জঙ্গল সলিমপুরে অপরাধী নির্মূলে র‍্যাব মহাপরিচালকের হুঁশিয়ারি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় নিহত র‍্যাব কর্মকর্তা মোতালেব হোসেনের জানাজা শেষে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় র‍্যাব-৭ এর সদর দপ্তরে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহাপরিচালক জানান যে, জঙ্গল সলিমপুর বর্তমানে অপরাধীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে এবং খুব দ্রুতই সেখানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ অস্ত্রধারী ও দখলদারদের নির্মূল করা হবে।

নিহত কর্মকর্তার স্মৃতিচারণ ও বিচার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, “সুবেদার মোতালেব শহীদ হয়েছেন। এজন্য যারা দায়ী, তাদের আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব। বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে যেন তাদের শাস্তি নিশ্চিত হয়, সেটি আমরা যেকোনো মূল্যে নিশ্চিত করব। আপনাদের কথা দিতে চাই, এই ঘটনা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন। বিচারের রায় না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন পুরো বিষয়টি মনিটরিং করবে এবং রায় কার্যকর হওয়া পর্যন্ত আমরা এটি মনিটর করব। আমরা সবসময় আপনাদের পাশে আছি এবং আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাব।” একইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে তিনি আরও বলেন, “শহীদ মোতালেবের পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তার স্ত্রী স্বামী হারিয়েছেন, সন্তানরা পিতা হারিয়েছে। আমরা সেই পিতা বা স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, এই পরিবারের দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করেছি এবং মোতালেবের পরিবারের পাশে থাকব।”

ঘটনার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় ইয়াসিন নামক এক তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর উপস্থিতির খবর পেয়ে অভিযানে যায় র‍্যাবের একটি দল। সেখানে ইয়াসিন গ্রুপের অনুসারীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে র‍্যাব সদস্যদের অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়। পরবর্তীতে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিজিবি থেকে প্রেষণে আসা নায়েব সুবেদার মোতালেব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। এই বর্বরোচিত হামলায় র‍্যাবের আরও তিন সদস্য ও একজন তথ্যদাতা গুরুতর জখম হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মূলত জননিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর এমন জঘন্য হামলার সুষ্ঠু বিচার ও অপরাধীদের সমূলে বিনাশে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে র‍্যাব।


রেশম উন্নয়ন বোর্ডে নতুন মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে ডাটা অ্যান্ড পার্সোনালাইজেশন সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আদেশ কার্যকর করা হয় এবং একইসঙ্গে তার চাকরি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

প্রশাসনিক এই রদবদলের ধারাবাহিকতায় পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে মো. আসাদুজ্জামানকেও নতুন দায়িত্ব প্রদান করেছে সরকার। ইতিপূর্বে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বদলির আদেশাধীন থাকলেও বর্তমানে তাকে 'বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের ৭টি আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ' শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তার বর্তমান চাকরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। মূলত প্রশাসনিক গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই পদায়ন ও বদলির আদেশ জারি করেছে।


গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সূচিত নতুন যাত্রায় রাষ্ট্রে জনগণের প্রকৃত মালিকানা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জুলাই সনদ’-এর পক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর। সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জুলাই সনদের গুরুত্ব এবং আসন্ন গণভোটের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম জাহাঙ্গীর বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার যে অভূতপূর্ব অভ্যুত্থান ঘটেছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই অভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে ইতিহাস সৃষ্টিতে সাধারণ মানুষই প্রধান চালিকাশক্তি। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের জনগণ তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত ছিল। তবে এবারের গণ-অভ্যুত্থান অতীতের সব জঞ্জাল ও বাধা অতিক্রম করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নঈম জাহাঙ্গীর দেশবাসীকে দায়িত্বশীল ও সচেতন ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান। তিনি ‘জুলাই সনদ ২০২৫’-কে জাতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তার মতে, এই সনদ কেবল একটি দলিল নয়, বরং এটি অধিকার, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি রক্ষাকবচ। পাশাপাশি, দেশে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান রোধ এবং একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই সনদ প্রণীত হয়েছে। সনদের বাস্তবায়নের মাধ্যমেই মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য অর্জন আরও সহজতর হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক আরও উল্লেখ করেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করা মানে ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং দেশের উন্নয়নের পথে অগ্রসর হওয়া। এটি দেশকে গণতান্ত্রিক পন্থায় ঐক্যবদ্ধ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, গণভোটটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, স্বতঃস্ফূর্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে জুলাই সনদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নাগরিক দায়িত্ব পালন করার এবং একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।


স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ একীভূত করার অনুমোদন দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা দুটি পৃথক বিভাগকে পুনরায় একীভূত করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ফলে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে একত্রীকরণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে নতুন করে পুনর্গঠন করা হবে।

রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিকারের সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন এবং মন্ত্রণালয়ের কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, অতীতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে বিভাজন করার মূল উদ্দেশ্য ছিল দাপ্তরিক কাজ ও সেবার মান সহজ এবং গতিশীল করা। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যে, এই দ্বিমুখী কাঠামো আশানুরূপ ফলাফল বয়ে আনতে পারেনি।

প্রেস সচিব ব্যাখ্যা করেন যে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং ইনস্টিটিউট ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি পরিচালনার দায়িত্ব আলাদা বিভাগের অধীনে ন্যস্ত করায় প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছিল। বিভাজনের ফলে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা উভয় খাতেই মানের উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে বলে সরকার পর্যবেক্ষণ করেছে। তাই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে পুনরায় গতিশীলতা ও আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী বিভাগ দুটিকে একত্রীকরণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, এই পুনর্গঠনের ফলে স্বাস্থ্যখাতের প্রশাসনিক জটিলতা কমবে এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী হবে।

স্বাস্থ্যখাতের এই বড় পরিবর্তনের পাশাপাশি নিকারের সভায় আরেকটি মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাংলা নাম পরিবর্তন করে এখন থেকে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় করা হয়েছে। তবে প্রেস সচিব নিশ্চিত করেছেন যে, নাম পরিবর্তন হলেও মন্ত্রণালয়টির ইংরেজি নাম মিনিস্ট্রি অব উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন অ্যাফেয়ার্স অপরিবর্তিত থাকবে। প্রশাসনিক কার্যক্রমে আধুনিকতা ও জেন্ডার সংবেদনশীলতা নিশ্চিত করতেই এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।


নতুন ৪ থানার অনুমতি দিলো অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেটেড ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে চারটি নতুন থানা স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, গাজীপুরে ‘পূর্বাচল উত্তর’, নারায়ণগঞ্জে ‘পূর্বাচল দক্ষিণ’ এবং কক্সবাজারের মহেশখালীতে ‘মাতারবাড়ী’ নামে তিনটি নতুন থানা স্থাপন করা হবে। এছাড়া নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলাকে প্রশাসনিকভাবে ভেঙে সেখানে আরও একটি নতুন থানা স্থাপনের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে কমিটি।

মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় নিকারের ১১৯তম সভা অনুষ্ঠিত হয়, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এই কমিটির প্রথম সভা। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টাসহ সরকারের মোট ছয়জন উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ১৪ জন সচিব ও সিনিয়র সচিব বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মোট ১১টি প্রস্তাব সভায় উত্থাপন করা হয় এবং সবকটিই অনুমোদিত হয়।

সভায় সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোতে বেশ কিছু বড় ধরনের সংস্কার আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিশেষ করে রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং গতিশীলতা নিশ্চিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘রাজস্ব নীতি বিভাগ’ এবং ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ নামে দুটি পৃথক প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এ বিষয়ে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে আগেই ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে ‘স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ’ এবং ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ’-কে একীভূত করে পুনরায় একটি একক ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ হিসেবে পুনর্গঠন করার প্রস্তাবেও সায় দিয়েছে নিকার।

এছাড়া মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন ও জেলার মর্যাদা বৃদ্ধির বিষয়েও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে বাংলায় ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, তবে মন্ত্রণালয়টির ইংরেজি নাম ‘মিনিস্ট্রি অব উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন অ্যাফেয়ার্স’ অপরিবর্তিত থাকবে। অন্যদিকে পরিবেশগত বৈশ্বিক ঐতিহ্য, পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় নিয়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলী জেলা সাতক্ষীরাকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরির জেলায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার।


চট্টগ্রামে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত: সলিমপুরে যৌথ অভিযানের ঘোষণা প্রেস সচিবের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানের সময় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওই এলাকায় যৌথ অভিযান বা কম্বাইন্ড অপারেশন চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য জানান। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভা শেষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রেস সচিব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, এই হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কোনোভাবেই বাহিনীর মনোবল ভাঙতে দেওয়া যাবে না।

সলিমপুরের ঘটনার প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত সোমবার সন্ধ্যায় জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নিহত এবং আরও তিনজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। র‍্যাব-৭ এর তথ্যানুযায়ী, একটি আভিযানিক দল সেখানে পৌঁছালে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অপরাধীদের ধরতে সরকার এখন সেখানে সমন্বিত অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনিক সংস্কার ও আসন্ন নির্বাচন নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রেস সচিব জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তার বাসভবন যমুনায় নিকারের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুটি পৃথক প্রশাসনিক বিভাগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে চারটি নতুন থানার অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। একইসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা লুট হওয়া অস্ত্রগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগাদা দিয়েছেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রেস সচিব বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৬ হাজার ৫৫২টি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ২১ হাজার ৯৪৬টি কেন্দ্রকে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কমপক্ষে ৬টি করে ক্যামেরা বসানো হবে। যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, এমন ২৯৯টি কেন্দ্রে জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে ক্যামেরা সচল রাখা হবে। বাকি কেন্দ্রগুলোতেও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


তারেক রহমানের সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন। মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সকালে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির ধারাবাহিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে দলের উচ্চপর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক। এছাড়া বৈঠকে বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও উপদেষ্টা মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আগামী নির্বাচনের আগে পরাশক্তি দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যানের এই বৈঠকগুলোকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কূটনীতিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তারেক রহমান, যার ধারাবাহিকতায় আজ রুশ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলো।


ভারতে যাবে না বাংলাদেশ: ক্রীড়া উপদেষ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুব ও ক্রীড়া এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি চাইলেই অযৌক্তিক কোনো শর্ত চাপিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে ভারতে খেলতে বাধ্য করতে পারবে না। মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং ভারতের ভেন্যু নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার প্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, নিরাপত্তার অজুহাত বা কূটনৈতিক কারণে ভেন্যু পরিবর্তনের নজির ক্রিকেট বিশ্বে নতুন নয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অতীতে পাকিস্তানের দাবির মুখে আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিল। তাই বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। ভারতের চাপে নতি স্বীকার না করে বাংলাদেশ নিজেদের যৌক্তিক দাবিতে অটল থাকবে এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও দেশের মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেট পাড়ায় গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, বাংলাদেশ যদি ভারতে গিয়ে খেলতে রাজি না হয়, তবে তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ক্রীড়া উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের পরিবর্তে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হচ্ছে—এমন কোনো দাপ্তরিক তথ্য বা বার্তা তারা পাননি। তিনি বিষয়টিকে ভিত্তিহীন জল্পনা হিসেবে উড়িয়ে দেন এবং এ ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। সরকারের পক্ষ থেকে আইসিসির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার এবং দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখার বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


সাভারের সিরিয়াল কিলার ‘সম্রাট’-এর আসল পরিচয় মিলল: ৭ মাসে ৬ খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের বহুল আলোচিত সিরিয়াল কিলার সম্রাট নাম ও পরিচয় গোপন রেখে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভবঘুরে নারীদের নির্জন স্থানে নিয়ে যেত এবং পরবর্তীতে তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করত। পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, এই ভয়ংকর অপরাধীর আসল নাম সম্রাট নয়, বরং সবুজ শেখ। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে আসামি যেসব চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে, সেগুলোর সত্যতা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সবুজের বাবার নাম পান্না শেখ এবং তার পৈতৃক নিবাস মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার হলুদিয়া ইউনিয়নের মোসামান্দা গ্রামে। তিন ভাই ও চার বোনের পরিবারে সে দ্বিতীয় সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে সাভারে অবস্থান করা সবুজ নিজেকে কখনো ‘কিং সম্রাট’ আবার কখনো স্থানীয় এক কাউন্সিলরের নামের সঙ্গে মিল রেখে ‘মশিউর রহমান খান সম্রাট’ হিসেবে পরিচয় দিত। সে মূলত সাভার মডেল থানা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং পাকিজা মোড় এলাকায় ভবঘুরে হিসেবে জীবনযাপন করত এবং রাত কাটাত।

হত্যাকাণ্ডের ধরণ সম্পর্কে তদন্তে উঠে এসেছে লোমহর্ষক তথ্য। সবুজ স্বীকার করেছে যে, সে নারীদের শারীরিক সম্পর্কের কথা বলে নির্জন ও পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে আসত। ওই নারীরা যদি অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্কে জড়াত বা অনৈতিক কাজ করত, তবে ক্ষোভ থেকেই সে তাদের হত্যা করত। সর্বশেষ ঘটনার কয়েক দিন আগে তানিয়া ওরফে সোনিয়া নামের এক তরুণীকে সে পৌর কমিউনিটি সেন্টারে এনে রেখেছিল। ওই তরুণীর সঙ্গে অপর এক ভবঘুরে যুবকের সম্পর্ক গড়ে উঠলে ক্ষিপ্ত হয়ে সবুজ প্রথমে যুবকটিকে হত্যা করে এবং পরবর্তীতে তরুণীকে খুন করে দুজনের মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে। গত রোববার সিসিটিভি ফুটেজে তাকে লাশ সরাতে দেখা যাওয়ার পরই পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সবুজ শেখ গত সাত মাসে সাভার এলাকায় সংঘটিত ছয়টি হত্যাকাণ্ডে নিজের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ৪ জুলাই সাভার মডেল মসজিদের সামনে আসমা বেগম নামের এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধারসহ আগস্ট, অক্টোবর ও ডিসেম্বরে পৌর কমিউনিটি সেন্টার এলাকা থেকে একাধিক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সাভার মডেল থানার ওসি আরমান আলী জানিয়েছেন, আসামি মানসিকভাবে বিকৃত এবং সাইকোপ্যাথ প্রকৃতির।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা সবুজকে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ভবঘুরে হিসেবেই দেখতেন। অপরিচ্ছন্ন পোশাকে থাকা এবং মানুষের কাছে হাত পেতে টাকা নেওয়াই ছিল তার নিত্যদিনের কাজ। মাঝেমধ্যে তার আচরণে উগ্রতা দেখা যেত এবং সে উচ্চস্বরে গালাগাল করত। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মীদের অনেকে তাকে মাঝেমধ্যে চা-সিগারেটও খাওয়াতেন। কিন্তু এই সাধারণ ভবঘুরে বেশের আড়ালে যে একজন ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার লুকিয়ে ছিল, তা স্থানীয়দের কল্পনারও বাইরে ছিল। পুলিশ বর্তমানে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।


পে স্কেলে বৈশাখী ভাতা বাড়ছে ৫০ শতাংশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলে বড় ধরনের সুখবর আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় বেতন কমিশন বাংলা নববর্ষ বা বৈশাখ উদযাপনকে আরও আনন্দমুখর ও উৎসবমখর করার লক্ষ্যে বৈশাখী ভাতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ অনুযায়ী, এখন থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ হারে এই ভাতা প্রাপ্য হবেন।

আগামী বুধবার ২১ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে বেতন কমিশন তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে যাচ্ছে। কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, প্রতিবেদন প্রস্তুতের যাবতীয় কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং অনুমোদনের জন্য তা প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নতুন এই সুপারিশ কার্যকর হলে সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সুবিধায় বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন। তবে জীবনযাত্রার ব্যয় ও উৎসবের সার্বজনীন আমেজ বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে কমিশন এই হার বাড়িয়ে মূল বেতনের অর্ধেক করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। তবে কমিশনের একজন সদস্য জানিয়েছেন যে, বৈশাখী ভাতার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনা হলেও পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার উৎসব বোনাসের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসছে না। ঈদের বোনাস পূর্বের নিয়মেই বহাল থাকবে বলে সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


ফের গ্রেফতার ইভ্যালির রাসেল-শামীমা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে আবারও গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) মধ্যরাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ ও পণ্য বুঝিয়ে না দেওয়ার অসংখ্য অভিযোগের পাহাড় জমেছিল তাদের বিরুদ্ধে, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে।

ধানমন্ডি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। গ্রেফতারের পর ডিবির পক্ষ থেকে ধানমন্ডি থানাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তবে ঠিক কোন বাসা থেকে বা কোন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই দম্পতির বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায়, বিশেষ করে ধানমন্ডি, কাফরুল ও সাভার থানায় একাধিক মামলা দায়ের করা আছে। এসব মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র ধানমন্ডি থানাতেই শতাধিক পরোয়ানা ঝুলে আছে। মূলত এই বিপুল সংখ্যক পরোয়ানার ভিত্তিতেই ডিবি পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে।

উল্লেখযোগ্য যে, এর আগেও গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা ও হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর শামীমা নাসরিন ২০২২ সালের এপ্রিলে এবং মোহাম্মদ রাসেল পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। জামিনে বের হওয়ার পর তারা আবারও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করলেও পুরোনো মামলা ও নতুন পরোয়ানার জেরে তাদের আবারও আইনের মুখোমুখি হতে হলো।


গুম–নির্যাতনের বিবরণ দিলেন হুম্মাম কাদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় জবানবন্দি দিয়েছেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরী। জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেছেন, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে তাকে গুম করে রাখার সময় তিনি বারবার নির্যাতনের শিকার হতেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গতকাল সোমবার এই জবানবন্দি দেন হুম্মাম। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। তার বাবা বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর।

গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিলেন হুম্মাম।

এর আগে এই মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটির বিচার শুরু হলো। সূচনা বক্তব্যের পর হুম্মামের সাক্ষ্যগ্রহণ (জবানবন্দি) শুরু হয়।

জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেন, ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট তাকে গুম করা হয়। গুম থাকা অবস্থায় তিনি দিন–রাতে পার্থক্য বুঝতে পারতেন না। তিনি দিন গুনতেন খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আনলে বুঝতে পারতেন, নতুন দিন শুরু হয়েছে। দুপুর ও রাতের খাবারে থাকত ভাত, এক পিস মাছ অথবা এক পিস মুরগি, সঙ্গে কিছু সবজি। একদিন বিরিয়ানি দেওয়া হলে তিনি বুঝতে পারেন, সেটি ঈদের দিন ছিল।

জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেন, প্রথম দুই মাস তিনি একটি পেরেক দিয়ে দেয়ালে দাগ দিয়ে দিনের হিসাব রাখতেন। দুই মাস পর তিনি হিসাব রাখা বন্ধ করে দেন। পেরেকটি তিনি জানালার কোনায় পেয়েছিলেন।

কক্ষের ভেতর দেয়ালে অনেক কিছু লেখা ছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন হুম্মাম। হুম্মাম বলেন, তিনি বুঝতে পারেন, তার আগে যারা এই কক্ষে বন্দী ছিলেন, সেগুলো তাদের লেখা। একজন লিখেছিলেন, ‘আপনাকে কত দিন এখানে রাখা হবে, তা কেউ আপনাকে বলবে না।’

অন্য পাশের দেয়ালে বাংলাদেশের পতাকা আঁকা ছিল বলে উল্লেখ করেন হুম্মাম। হুম্মাম বলেন, তিনি যে কক্ষে ছিলেন, তার দৈর্ঘ্য ১৫ থেকে ১৮ ফুট। প্রস্থ ৮ থেকে ১০ ফুট। তিনি দেয়ালের এক কোনায় তার ইনিশিয়াল (এইচকিউসি) ও তার গুম হওয়ার তারিখ পেরেক দিয়ে লিখে রেখেছিলেন।

জবানবন্দিতে হুম্মাম বলেন, গুম থাকাকালে মাঝেমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে মারধর করা হতো। তার বাবার রাজনীতির বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতো। তিনি আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করেন কি না, বিদেশি কোনো গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে কি না, এসব বিষয়ে তাকে বারবার জিজ্ঞাসা করা হতো।

এই মামলার আসামি ১৩ জন। এর মধ্যে ১২ জনই বর্তমান–সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

আসামিদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার আছেন। তারা হলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক তিন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী। তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

মামলার বাকি ১০ আসামি পলাতক। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

পলাতক আসামিদের মধ্যে আরও আছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।

এ ছাড়া গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এই মামলার আসামি।


বায়ুদূষণের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বায়ুদূষণের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রাজধানী ঢাকা। আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের গতকাল সোমবার সকালের তথ্য অনুযায়ী, ২৭২ স্কোর নিয়ে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ছিল ঢাকার বাতাস।

একই সময়ে ৫৪১ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এছাড়া ৩১২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর।

চতুর্থ অবস্থানে থাকা ভারতের আরেক শহর কলকাতার বায়ুমান ২০৪। আর, পঞ্চম অবস্থানে আছে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা বায়ুমানকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে আইকিউএয়ার। যা শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের জন্য আশঙ্কার কারণ হতে পারে।

আর বায়ুমান ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে গণ্য হয়। যা নির্দিষ্ট একটি এলাকার বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।


banner close