রোববার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
১২ মাঘ ১৪৩২

থার্টিফার্স্ট নাইট নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশনা

ছবি: সংগৃহীত
ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১৯:০৭

থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনে এবারও আতশবাজি পোড়ানো ও ফানুশ ওড়াতে নিষেধ করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আজ রোববার বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘অনেক সময় থার্টিফার্স্ট নাইটে আমাদের তরুণদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। আপনারা যদি আগে থেকে তাদের বুঝান যে, এটা করা ঠিক না, তাহলে তারা সাবধান হবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক সময় তারা বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের পানি-টানি (মদ্যপান) খায়। এ বিষয়ে আপনারা তাদের নিষেধ করতে পারেন।’

থার্টিফার্স্ট নাইটে যে নরমাল বারগুলোর আছে সেগুলো বন্ধ রাখা হবে বলে জানান উপদেষ্টা।

এ সময় তরুণদের পানি-টানি খাওয়ার বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘কনফাইন্ড (ঘরের মধ্যে বসে খেতে হবে), রাস্তাঘাটে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়।’


সাবেক এমপি রুবিনা ও তাঁর স্বামীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার এবং তাঁর স্বামী মোশাররফ হোসেন সরদারের আয়কর সংক্রান্ত যাবতীয় নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুদকের করা পৃথক দুটি আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। দুদকের উপপরিচালক রাসেদুল ইসলাম তদন্তের স্বার্থে এই নথিগুলো জব্দের আবেদন করেছিলেন। আবেদনে বলা হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রুবিনা আক্তার ‘নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৫৭ লাখ ১৮ হাজার ৪৪ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে’ অর্জন ও ভোগ করছেন।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, রুবিনা আক্তারের ব্যাংক হিসাবে ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ’ ১৩৯ কোটি ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৯৬৪ টাকার ‘অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক’ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তকারী সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, ‘অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর করায়’ গত বছরের ১৪ মে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে আবেদনে জানানো হয়েছে যে, ‘রুবিনা আক্তার একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির শুরু হতে সর্বশেষ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর রিটার্নের মূলকপি ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।’

একইভাবে তাঁর স্বামী মোশাররফ হোসেন সরদারের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের আবেদনে বলা হয়, ‘তারা একে অপরের সহায়তায় ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৫০৮ টাকার সম্পদ অর্জন করে দখলে রাখেন।’ এছাড়া তাঁর ব্যাংক হিসাবেও ১৮ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ৪০৪ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আদালতকে জানানো হয় যে, ‘মোশাররফ হোসেনও একজন আয়কর দাতা। তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আয়কর নথির শুরু হতে সর্বশেষ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর রিটার্নের মূলকপি ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।’ শুনানি শেষে আদালত উভয় ব্যক্তির আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র জব্দের অনুমতি প্রদান করেন।


আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ নয়, অপরাধীদের জামিনের বিপক্ষে সরকার: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, সরকার আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ নয় বরং অপরাধীদের জামিন প্রাপ্তির বিপক্ষে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কৃষির সার্বিক বিষয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কৃষির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে সাংবাদিকরা বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পরও তাঁর প্যারোলে মুক্তি না মেলার ঘটনা এবং এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া সমালোচনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শুরুতে উপদেষ্টা কেবল কৃষি সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বাইরে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করে বলেন, ‘না, আমি কৃষি ছাড়া কোনো উত্তর (দেব না)।’ তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে জানান, ‘না, স্বরাষ্ট্রের সময় আমি ডাকবো।’ সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হলে তিনি পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘না, আমি দায়বদ্ধ না। আজকে আমি কৃষির জন্য ডেকেছি। আমি কৃষি ছাড়া বলবো না। আপনারা কৃষির ওপর জিজ্ঞেস করবেন। যেহেতু কৃষকদের সমস্যাগুলো আপনারা বলেন না। এগুলো হলো সমস্যা।’ একপর্যায়ে ছাত্রলীগ বা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের জামিন না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার প্রেক্ষিতে উপদেষ্টা নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগ নয়, সরকার ক্রিমিন্যালদের (অপরাধী) জামিন দেওয়ার বিরুদ্ধে।’ পরিশেষে যশোরের একটি ঘটনা নিয়ে পুনরায় প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।


একনেকে ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংশোধনী প্রস্তাবসহ মোট ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। এই বিশাল বাজেটের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ৮৮১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ থেকে ৩২ হাজার ৯৮ কোটি টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ২ হাজার ২৯১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বৈঠক শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য ও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর তালিকায় অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নদীশাসনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নীলফামারীতে চীন সরকারের অনুদানে ১ হাজার শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ, যা ওই অঞ্চলের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর মানুষের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ, চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের রানওয়ের উন্নয়ন এবং লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের মতো মেগা প্রকল্পগুলোও তালিকায় স্থান পেয়েছে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত যুবকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ, সিলেটে টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন এবং বিদ্যালয়বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষার সুযোগ তৈরির প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। পাশাপাশি নদী ভাঙন রোধে শরীয়তপুর, বরিশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার নদীগুলোর তীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। কুমিল্লার অবকাঠামো উন্নয়ন, আশুগঞ্জ-পলাশ সবুজ প্রকল্প এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় নির্মাণের মতো বিষয়গুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ প্রকল্পের মেয়াদ ও বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, যেসব প্রকল্পের মেয়াদ আগামী জুন বা ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা, সেগুলো আবশ্যিকভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। অন্যথায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেগুলোর বরাদ্দ বন্ধ হয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এখন থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর মূল্যায়ন করা হবে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যয় বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় টাকার অঙ্কে ব্যয় ২৫ হাজার কোটি টাকা বাড়লেও ডলারের হিসাবে মূল ব্যয় খুব একটা বাড়েনি।

বৈদেশিক ঋণের বিষয়ে সরকার যে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তা উপদেষ্টার বক্তব্যে ফুটে উঠেছে। তিনি জানান, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রস্তাবিত ক্লিন এয়ার প্রকল্পটি একনেক অনুমোদন দেয়নি। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, এক হাজার কোটি টাকার ওই প্রকল্পে দূষণ কমানোর চেয়ে দূষণ পরিমাপের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যৌক্তিক মনে হয়নি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার অহেতুক বৈদেশিক ঋণ নিয়ে ঋণের ফাঁদে পড়তে চায় না। তাই এখন থেকে সামাজিক খাতের পরিবর্তে যেসব প্রকল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে সরাসরি অর্থনৈতিক সুফল ও রিটার্ন আসবে, সেসব ক্ষেত্রে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।


শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানোর বদ-অভ্যাস বন্ধ করতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেটেড ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকাকে শব্দদূষণমুক্ত বা ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে কার্যকর করতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তর, ডিএমপি, বিআরটিএ ও ডিএনসিসির সমন্বয়ে এক বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান অকারণে হর্ন বাজানোর প্রবণতাকে একটি ‘বদ-অভ্যাস’ হিসেবে অভিহিত করে তা পরিবর্তনের তাগিদ দেন। জনসমাবেশে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন, ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। অকারণে হর্ন বাজানোটা আমাদের বদ-অভ্যাস। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।’ উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন যে, এই সংকট নিরসনে কেবল প্রশাসন নয়, বরং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য, কারণ তাঁর মতে, ‘শব্দদূষণ কমানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে না।’

অভিযান চলাকালে হর্ন বাজিয়ে শব্দদূষণ করার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতজন চালককে মোট ৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। কর্মসূচি চলাকালে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান আইন প্রয়োগের কঠোরতা সম্পর্কে জানান, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা শুধু হর্নের ওপরে জোর দিচ্ছি। কোনো অজুহাতেই হর্ন বাজানো যাবে না ‘। তিনি আরও বলেন, ‘অন্যান্য আইন ভাঙলে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পুলিশ যেভাবে গাড়ির ব্যাপারে দণ্ড আরোপ করে, একইভাবে হর্নের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।’ শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫-এর যথাযথ বাস্তবায়নে পুলিশ ও ভলান্টিয়ারদের সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি জোর দেন। বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি তথ্য প্রদান করেন যে, উচ্চশব্দের প্রভাবে ঢাকার প্রায় ৬৫ শতাংশ চালক শ্রবণশক্তি সংকটে ভুগছেন এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের ওপরও এটি মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘জাতিগতভাবে আমাদের সকলকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

অভিযানে উপস্থিত পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ শব্দদূষণ বিধিমালা বাস্তবায়নে সরকারের দৃঢ় সংকল্পের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ডিএনসিসি-র প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ আশা প্রকাশ করেন যে, বিমানবন্দর এলাকাকে হর্নমুক্ত রাখার এই উদ্যোগ পুরো নগরীর জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, ‘সকলে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হলে টেকসই হর্নমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। বিমানবন্দর এলাকায় হর্নমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। এই এলাকা হর্নমুক্ত রাখার এই উদ্যোগ দেশের অন্যান্য এলাকায়ও উদাহরণ হয়ে উঠবে।’ সমন্বিত এই অভিযানে বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন এবং ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে শব্দদূষণমুক্ত ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।


বায়ুদূষণে বিশ্বজুড়ে শীর্ষে ঢাকা: বাতাসের মান ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। রবিবার ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল থেকেই ঢাকার বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ অবস্থায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা আইকিউএয়ার-এর লাইভ সূচকে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। ছুটির দিনেও দূষণের মাত্রা কমেনি, বরং তা অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতির চরমে পৌঁছেছে।

রবিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার স্কোর ছিল ২৯৯। আইকিউএয়ার-এর মানদণ্ড অনুযায়ী, বাতাসের মান যখন ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকে, তখন তাকে খুবই অস্বাস্থ্যকর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ২৯৯ স্কোর নিয়ে ঢাকা দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা নগরবাসীর জন্য বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দূষণের এই তালিকায় ঢাকার ঠিক পরেই অবস্থান করছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতা। ২১৮ স্কোর নিয়ে কলকাতা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ঢাকার মতো কলকাতার বাতাসও বর্তমানে খুবই অস্বাস্থ্যকর ক্যাটাগরিতে পড়ছে। তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের হেংঝু এবং চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু। দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোতে শীত মৌসুমে বায়ুদূষণ বেড়ে যাওয়ার যে প্রবণতা, তা এই পরিসংখ্যানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

বায়ুমান সূচকের বা একিউআই স্কোরের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসকে ভালো বা স্বাস্থ্যকর বলা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয় হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকলে তা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা সবার জন্যই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত হয়। আর স্কোর ৩০১ অতিক্রম করলে তাকে দুর্যোগপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যেখানে জরুরি স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করার প্রয়োজন পড়ে। ঢাকার বর্তমান পরিস্থিতি সেই দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।


বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ১২৫ টন বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের পাথর উত্তোলন ও খনন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ভারত থেকে বড় একটি বিস্ফোরক দ্রব্যের চালান আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে ৮টি ট্রাকযোগে প্রায় ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক দ্রব্য বেনাপোল স্থলবন্দরে এসে পৌঁছায়। দেশের একমাত্র এই পাথর খনির খনন কাজে ব্যবহারের লক্ষ্যেই এই চালানটি আনা হয়েছে, যার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের সুপার সিভা শক্তি কেমিক্যাল প্রাইভেট লিমিটেড। দাপ্তরিক তথ্যানুযায়ী, সম্পূর্ণ সরকারি অনুমোদনের ভিত্তিতে শিল্পকারখানায় ব্যবহারের জন্য এই সংবেদনশীল পণ্যটি আমদানি করা হয়েছে।

আমদানিকৃত এই পণ্যের নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন বলেন, ‘বিস্ফোরক দ্রব্যের চালানটি সরকারি অনুমোদনের আওতায় আনা হয়েছে। বন্দর এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি রয়েছে। নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।’ বর্তমানে বিস্ফোরকবাহী ট্রাকগুলো বন্দর এলাকায় কড়া পাহারায় রাখা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন জানিয়েছেন যে, দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি প্রকল্পের কাজ সচল রাখার স্বার্থে মোট ১২৭ মেট্রিক টন বিস্ফোরক আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, পণ্যবোঝাই ভারতীয় ট্রাকগুলো বর্তমানে বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পাহারায় অবস্থান করছে। সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিরা পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করেছেন। দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা এবং নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো বাংলাদেশি বিশেষ পরিবহন ব্যবস্থায় দিনাজপুরের খনি এলাকায় পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই আমদানির মাধ্যমে খনির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে বলে মনে করছে।


তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা স্টেশন এলাকায় শনিবার দুপুরে একটি তেলবাহী মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলপথে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়েছে। খুলনা থেকে ৩০টি ওয়াগন নিয়ে আমনুরা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি সরবরাহের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এই ট্রেনটির দুটি ওয়াগন দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে রেললাইন থেকে বিচ্যুত হয়। এর ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে যাতায়াতকারী শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এবং অনেকে বিকল্প উপায়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

আমনুরা স্টেশনের স্টেশন মাস্টার হাসিবুল ইসলাম জানান যে, ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে দুপুর ১টার রাজশাহীগামী কমিউটার ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ে স্টেশন ছেড়ে যেতে পারেনি এবং বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রেলওয়ের কারিগরি দল বিশেষ যন্ত্রপাতিসহ উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনায় জ্বালানি তেল ছিটকে পড়া বা অগ্নিকাণ্ডের মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, তবুও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

আমনুরা রেলের স্টেশন মাস্টার হাসিবুল ইসলাম উদ্ধার তৎপরতার সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে বলেন, ‘লাইনচ্যুত ওয়াগন দুটি পুনরায় লাইনে ওটানের জন্য কাজ চলমান রয়েছে। আশা করি, রাত ৮টার মধ্যে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।’ রেললাইনটি পুনরায় সচল না হওয়া পর্যন্ত এই রুটে যাত্রীবাহী সকল ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।


নৌবাহিনীর বিশেষ অভিযানে কোটি টাকার মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে বাংলাদেশ নৌবাহিনী তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও অভিযান পরিচালনা করছে। এই ধারাবাহিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্ট বিভিন্ন স্থানে সাড়াসি অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ৬ কোটি টাকা মূল্যের ক্রিস্টালম্যাথ আইস, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি জুনায়েদ ওরফে মুন্না এবং তার রোহিঙ্গা সহযোগী হামিদুল্লাহকে আটক করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ধৃত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জুনায়েদ ও স্থানীয় মো. ইউনুসের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ৬ কোটি টাকা বাজারমূল্যের ১২৫০ গ্রাম ক্রিস্টালম্যাথ আইস, ১২৬ পিস ইয়াবা, ১টি এক নলা বন্দুক, ২টি ওয়াকি-টকি, ৪৭ রাউন্ড তাজা গোলা এবং ৮টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, উদ্ধারকৃত এই মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রগুলো রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বাসায় মজুত করে রাখা হয়েছিল।

একই সময়ে পৃথক আরেকটি অভিযানে বরগুনার বামনা এলাকা থেকে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী সালমা পারভীনকে আটক করা হয়, যার কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ নগদ ৬৪,৪৮০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ভোলার দৌলতখানে পরিচালিত অন্য একটি অভিযানে ১০টি ককটেল ও ১টি দেশীয় পাইপগান উদ্ধার করে নৌবাহিনী। অভিযান পরবর্তী সময়ে জব্দকৃত মালামালসহ আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নৌবাহিনীর এমন সক্রিয় ভূমিকার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নয়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে।


অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে পুলিশকে নিরপেক্ষ থাকার কঠোর নির্দেশ আইজিপির

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বাহিনীর সকল স্তরের সদস্যদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সের সিভিক সেন্টারে আয়োজিত এক প্রাক-নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের সময়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা, ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা যায়।’

আইজিপি তাঁর বক্তব্যে জনগণের জান-মাল রক্ষা এবং দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পেশাদারিত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি জনবান্ধব পুলিশিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় কার্যকর পুলিশি সেবা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান। মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব পালনের সময় বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি পাবে এবং জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন। তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের প্রস্তুতি এবং নিরপেক্ষ ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় উপস্থিত পুলিশ অফিসার ও ফোর্স সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। মূলত একটি অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে পুলিশ বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এই সভা থেকে।


গণতন্ত্রের সুসংহতকরণ ও গণভোট সফল করতে আইন উপদেষ্টার উদাত্ত আহ্বান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) মাদারীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আসন্ন নির্বাচনকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে অভিহিত করেন। মাদারীপুরের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের পর তিনি জানান যে, "এ নির্বাচনে দুটি বৈশিষ্ট্য আছে, পোস্টাল ব্যালট ও গণভোট।" দীর্ঘ ১৭ বছর পর আয়োজিত এই জাতীয় নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা আছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি জাতীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। এটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে করার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রস্তুত আছে।"

নির্বাচনের বিশেষ দিকগুলো আলোচনা করতে গিয়ে তিনি জানান যে, এবারের নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং একই সাথে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক ধারা ও আইনের শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে তিনি দেশবাসীকে গণভোটে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "বাংলাদেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন শক্ত হোক। অনেক বেশি দৃঢ়তর হোক, এজন্য হ্যাঁ ভোট দেওয়া জরুরি।" এ সময় মাদারীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রোকনুজ্জামান, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


কর্ণফুলী টানেলে রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য ট্রাফিক ডাইভারসন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালনাধীন কর্ণফুলী টানেলের সুষ্ঠু ও নিরাপদ রুটিন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের স্বার্থে আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ট্রাফিক ডাইভারসন ও যানচলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, উক্ত দিনগুলোতে দিবাগত রাত ১০:০০টা হতে ভোর ০৪:০০টা পর্যন্ত প্রয়োজন অনুযায়ী 'পতেঙ্গা হতে আনোয়ারা' অথবা 'আনোয়ারা টু পতেঙ্গা' টিউবের মাধ্যমে ট্রাফিক ডাইভারসন করা হবে এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে যান চলাচল অব্যাহত থাকবে। এই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলাকালে বিদ্যমান যানবাহনের চাপ বিবেচনায় নিয়ে যাত্রীদের টানেলের উভয় প্রবেশমুখে সর্বনিম্ন ০৫(পাঁচ) হতে সর্বোচ্চ ১০(দশ) মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষমাণ থাকার প্রয়োজন হতে পারে। সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো: মাসুদ রানা শিকদার স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তিতে টানেলের নিরাপদ ও কার্যকর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।


ভবিষ্যৎ সরকারের প্রতি ৭ দফা ‘পরিবেশ অ্যাজেন্ডা’ দিলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাধীনতার ৫৪ বছরে পুঞ্জীভূত পরিবেশগত সংকট ও অব্যবস্থাপনা মাত্র ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে সম্পূর্ণ সমাধান করা অবাস্তব বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সমস্যার বিশাল পাহাড় রাতারাতি সরানো সম্ভব না হলেও বর্তমান সরকার একটি সুসংহত সমাধানের ভিত্তি তৈরি করছে। তাঁর মতে, "চীন যে সমস্যা ১০ বছরে শেষ করতে পারে না, তা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেড় বছরে প্রত্যাশা করা যুক্তিযুক্ত নয়।" তবে এই দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য সাত দফার একটি সুনির্দিষ্ট ‘পরিবেশ অ্যাজেন্ডা’ উপস্থাপন করেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতির আধিক্য থাকলেও বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পথরেখা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক সস্তা জনপ্রিয়তার বাইরে এসে প্রকৃত দায়বদ্ধতা প্রদর্শন জরুরি। তিনি আগামী সরকারের জন্য বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্লকের ব্যবহার বাড়ানো, শব্দদূষণ রোধে পুলিশকে সরাসরি জরিমানার ক্ষমতা প্রদান, দখলকৃত বনভূমি উদ্ধার এবং প্রাকৃতিক বনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন। একইসাথে বন্যপ্রাণী কল্যাণ, অনলাইন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিল্প দূষণ রোধ, তিস্তা ও পদ্মার মতো আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণের মাধ্যমে সার উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করেন। তাঁর মতে, ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ হলেও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া স্পষ্ট না হলে সাধারণ মানুষ তার সুফল পায় না।

অন্তর্বর্তী সরকারের বর্তমান অর্জনগুলো তুলে ধরে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান যে, ইতিমধ্যে দেশে প্রথমবারের মতো পূর্ণাঙ্গ ‘যানবাহন স্ক্র্যাপ পলিসি’ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের জন্য ১০০টি ইলেকট্রিক বাস আমদানির প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া বেজা ও প্রশাসনের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের জন্য বরাদ্দকৃত প্রায় ২০ হাজার একরের বেশি বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে এবং সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বুড়িগঙ্গার তলদেশে জমে থাকা কয়েক মিটার পলিথিন স্তরের ভয়াবহতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি পলিথিনমুক্ত বাজার নিশ্চিতে জনগণের আচরণগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

পরিশেষে ভবিষ্যৎ সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, "যদি পরিবেশবান্ধব কাজ করা হয়, আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু পরিবেশের বিরুদ্ধে গেলে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান সরকার পরিবেশগত যে মজবুত ভিত্তি স্থাপন করছে, আগামী নির্বাচিত সরকার তা আরও সুদৃঢ় করবে। পরিবেশ রক্ষা কোনো প্রান্তিক বিষয় নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের মূল অ্যাজেন্ডায় পরিণত হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। অন্তর্বর্তী সরকার কেবল সংস্কারের পথ দেখাচ্ছে, তবে দীর্ঘমেয়াদী সাফল্য নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ প্রশাসনের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর পদক্ষেপের ওপর।


সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সম্মিলিত দায়িত্ব পালনের আহ্বান সুজনের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে অংশীজনদের ভূমিকা নিয়ে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। উক্ত সম্মেলনে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার গুরুত্বারোপ করেন যে, নির্বাচন পরিচালনার প্রধান দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও একটি সার্থক নির্বাচনের জন্য সরকার, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। অংশীজনদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, "নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হলেও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সঙ্গে বহু অংশীজন জড়িত। সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম ও ভোটার সবার সম্মিলিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব।"

সংবাদ সম্মেলনে সুজনের পক্ষ থেকে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রতি শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার দাবি জানানো হয়। একইসাথে নির্বাচন কমিশনকে কালোটাকা ও পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত হয়ে কঠোরভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয় এবং অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রয়োজনে ভোট স্থগিত বা ফলাফল বাতিলের ক্ষমতা প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়। গণমাধ্যমকে অনুসন্ধানী ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের এবং পর্যবেক্ষকদের নিরপেক্ষ প্রতিবেদন প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে ভোটারদের প্রতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। দুর্নীতিবাজ ও অপরাধীদের বর্জনের আহ্বান জানিয়ে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলিপ কুমার সরকার বলেন, "জনগণ যেন কোনও দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মানবতাবিরোধী, নারী বিদ্বেষী ও নির্যাতনকারী, মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, ঋণখেলাপী, বিলখেলাপী, সাম্প্রদায়িক ব্যক্তি, ভূমিদস্যু, পরিবেশ ধ্বংসকারী, কালোটাকার মালিক অর্থাৎ কোনও অসৎ, অযোগ্য ও গণবিরোধী ব্যক্তিকে ভোটদানে বিরত থাকেন।"

নির্বাচনী সংস্কার প্রসঙ্গে বদিউল আলম মজুমদার কিছু অপ্রাপ্তি ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো আরপিওতে অন্তর্ভুক্ত না হওয়া এবং তৃণমূল পর্যায়ে প্রার্থী মনোনয়নের বিধান বাস্তবায়িত না হওয়ার বিষয়টিকে তিনি নেতিবাচক হিসেবে চিহ্নিত করেন। এই প্রেক্ষাপটে তিনি মন্তব্য করেন যে, "নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো কার্যকর করা হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নির্বাচন আরও গ্রহণযোগ্য হতো।" পরিশেষে, বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করার পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং সকল অংশীজন নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


banner close