মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

আগরতলা অভিমুখে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের লংমার্চ শুরু

ছবি: সংগৃহীত
ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১৩:০০

ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকা থেকে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ শুরু করেছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।

আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রতিবাদে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আজ বুধবার সকাল ৯টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বিশাল গাড়িবহর নিয়ে তিন সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে এ লংমার্চ শুরু করেন।

কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

লংমার্চ শুরুর আগে রিজভীসহ তিনটি সংগঠনের শীর্ষ নেতারা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তারা ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমের আধিপত্যবাদী মনোভাব এবং মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টাকে নিন্দা জানান।

পরে কয়েকশ গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টন থেকে কাঁচপুরের দিকে লংমার্চ শুরু করেন।

কনভয়টি হানিফ ফ্লাইওভার, ফকিরাপুল, মতিঝিল ও ইত্তেফাক মোড় অতিক্রম করে যাত্রাপথে যায়।

কাঁচপুর থেকে ভৈরবের দিকে যাত্রা করে আগরতলার কাছে আখাউড়া স্থলবন্দরে পৌঁছানোর আগে একটি পথসভা করবে।

নেতারা বলেন, তারা আখাউড়া ভারতীয় সীমান্তে তাদের শান্তিপূর্ণ লংমার্চ শেষ করবেন।

এর আগে কর্মসূচিতে যোগ দিতে সকাল ৭টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা গেছে।

গত রোববার (৮ ডিসেম্বর) বিক্ষোভ মিছিলের পর ভারতীয় হাইকমিশনে স্মারকলিপি দেয় বিএনপির তিনটি সংগঠন।

এর এক দিন পর তারা আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


রোজ গার্ডেন কেনায় রাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩২ কোটি টাকা 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত ‘রোজ গার্ডেন’ কেনায় রাষ্ট্রের ৩৩২ কোটি টাকা ক্ষতি সাধনের অভিযোগে বিভিন্ন নথিপত্র হাতে পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদক। শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের তলব করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এদিকে, রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাস্টমস হাউসের গুদাম থেকে ৫৫ কেজি স্বর্ণ চুরির নথিপত্র সংগ্রহ করছে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিষয়গুলো নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, ১৯৩০ সালের দিকে ঋষিকেশ দাস নামের এক ব্যবসায়ী পুরান ঢাকায় ২২ বিঘা জমির ওপর রোজ গার্ডেন নামের এ বাড়িটি নির্মাণ করেন। তবে এই ভবনটি আলোচনায় আসে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসাবে ৩৩২ কোটি টাকায় সরকারি সস্পদ হিসাবে ক্রয় করে।

এদিকে দুদকের কাছে অভিযোগ আসে যে এটি রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক সত্যতা মেলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্তর থেকে নথিপত্র সংগ্রহ করেছে। এবার অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদের কথা জানিয়েছে দুদক।

এ ছাড়াও , ২০২৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস হাউসের গুদাম থেকে ৫৫ কেজির বেশি সোনা চুরির ঘটনায় অনুসন্ধান করছে দুদক। নথিপত্র পেতে বিভিন্ন দফতরে পাঠানো হয়েছে চিঠি বলেও জানান আকতারুল ইসলাম।

সংস্থাটি জানায়, সোনা গায়েব তাদের তফসিলভুক্ত অপরাধ হওয়ায় ২০২৫ সালে পিবিআই থেকে মামলাটি দুদকে পাঠানো হয়।


বিদ্যমান আইন ও সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বিদ্যমান আইন অনুসারে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে আছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কোস্টগার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেছেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের বিদ্যমান আইন অনুসারে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী সেনাবাহিনী মাঠে আছে। তবে পর্যায়ক্রমে তা তুলে নেওয়া হবে।

দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই। তবে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করত। একইসাথে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠির বিষয়ে তিনি অবগত নন বলে জানান।

রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় বলে জানান মন্ত্রী।

এর আগে, সকালে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদর দপ্তরে বাহিনীটির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন শুরু হয়।

বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল জিয়াউল হক গত এক বছর নদী পথে বাহিনীর সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাহিনীর ১৬ জন জীবন দিয়েছে উল্লেখ করে কোস্টগার্ডে জনবলের ঘাটতি রয়েছে বলে জানান মহাপরিচালক।

পরে বাহিনীর কর্মকর্তা, নাবিক ও অসামরিক সদস্যদের মধ্যে মোট ১৪ জনকে বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদকে ভূষিত করবেন। এর মধ্যে চারজন বাংলাদেশ কোস্টগার্ড পদক, চারজন কোস্টগার্ড (সেবা) পদক, তিনজন প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড পদক ও তিনজনকে ‘প্রেসিডেন্ট কোস্টগার্ড (সেবা) পদক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে কোস্টগার্ডের জনবল বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে সরকার বদ্ধ পরিকর বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


জলবায়ু অভিবাসীদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে যারা বাস্তুচ্যুত হয়ে শহরে আসছে; তাদের সমস্যাকে কেবল মানবিক বা আপৎকালীন সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এটি জননীতির (পাবলিক পলিসি) গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে চলমান উন্নয়নপ্রক্রিয়ার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।’

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (আরএমএমআরইউ) আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।

সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশনের (এসডিসি) সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশে জলবায়ুসংক্রান্ত অভিবাসীদের অভিযোজনগত প্রতিবন্ধকতা এবং স্থানীয়ভাবে নেতৃত্বাধীন সমাধান’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি রাজনৈতিক দুর্যোগও অভিবাসনের একটি বড় কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সমস্যাকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। আমরা জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন করেছি।জনমানুষের প্রতিটি সমস্যা সমাধানে আমাদের সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’

বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ আমাদের সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করতে হবে। বিজ্ঞান এখনো পৃথিবীর বাইরে মানুষের বাসযোগ্য কোনো গ্রহ আবিষ্কার করতে পারেনি। তাই আমাদের এই গ্রহকে রক্ষা করতে হবে এবং বাসযোগ্য করেই রাখতে হবে।’

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরএমএমআরইউয়ের নির্বাহী পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী। কর্মশালায় গবেষণার যুক্তি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের আঞ্চলিক কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নাজিয়া হায়দার।

গবেষণা তথ্য তুলে ধরে ড. সিদ্দিকী বলেন, ‘মাইগ্রেশন মানেই শুধু ঢাকা নয়। আমাদের নীতিনির্ধারকদের বুঝতে হবে যে, এটি সঠিক সময়ে সঠিক পলিসি গ্রহণের বিষয়।

খুলনা বা অন্যান্য অঞ্চলের শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে ঢাকায় আসছে। যদি বিভাগীয় শহর বা জেলা পর্যায়ে ইন্ডাস্ট্রি ছড়িয়ে দেওয়া যায় এবং রিজনাল গ্রোথ সেন্টার তৈরি করা যায়, তবে মানুষ নিজের এলাকাতেই তাদের আয় বাড়াতে পারবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অভিবাসীরা কেবল অর্থনৈতিক কারণেই আসে না, বরং অনেকে রাজনৈতিক হয়রানি থেকে বাঁচতেও শহরমুখী হন।’ জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বাধীন সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এছাড়া অভ্যন্তরীণ স্থানচ্যুতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের গবেষণা উপদেষ্টা ড. ফ্রাঙ্ক ভলমার দুর্যোগজনিত বাস্তুচ্যুতির মানবিক মূল্য নিয়ে একটি উপস্থাপনা পেশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এবং অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অভিবাসন ও সুরক্ষা বিষয়ক আঞ্চলিক উপদেষ্টা লিসা-তানিতা গ্রেমিঙ্গার বক্তব্য দেন।

আরএমএমআরইউয়ের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওবায়দুল হকের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক, বিশিষ্ট স্থপতি ইকবাল হাবিব, ক্যারিতাসের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধান আলেকজান্ডার ত্রিপুরা এবং গ্লোবাল ইনসাইটস ম্যানেজার ড. থান্নালেচিমি হাউসেট।

কর্মশালায় যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি, বাস্তুচ্যুতির মানবিক মূল্য এবং অভিবাসীদের জন্য স্বল্পমূল্যের আবাসন নিশ্চিতে নাগরিক সমাজ ও স্থানীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।


গাছ না কেটে মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গাছ না কেটে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কারণে প্রায় তিন হাজার গাছ রক্ষা পেয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়ন রক্ষায় একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত ২১ এপ্রিল সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলমন্ত্রী রবিউল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

কলাতলী থেকে টেকনাফের সাবরাং জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ককে চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলমান। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, সড়ক প্রশস্ত করতে বিপুলসংখ্যক গাছ কাটতে হবে। তবে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে গাছ কেটে পরিবেশের ক্ষতি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বর্তমান উদ্যোগে পরিবেশ সংরক্ষণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের সড়ক প্রশস্তকরণে প্রায় তিন হাজার গাছ কাটার প্রয়োজন হতে পারে, এই সংবাদ জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে একটি গাছও না কেটে রাস্তার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম গাছ না কেটে সড়ক প্রশস্তকরণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর তিন হাজার গাছ না কেটে সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয়।

এ বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, শুধু বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণই নয়, পুরো মেরিন ড্রাইভকে আরও দৃষ্টিনন্দন, পরিবেশবান্ধব ও পর্যটকবান্ধব করতে সড়কের দুই পাশে নতুন সৌন্দর্যবর্ধক বৃক্ষরোপণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এই সম্প্রসারণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ও ১৭ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে রাস্তা প্রশস্তকরণ, রেজু খালের ওপর ৩০৫ মিটার দীর্ঘ দুই লেনের সেতু নির্মাণ, আরসিসি রিটেইনিং ওয়াল, সিসি ব্লক স্থাপন এবং ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পের কাজ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রকৃতি রক্ষার এমন দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতের জন্যও নতুন বার্তা দিচ্ছে।


উৎপাদন শূন্য ৪২ কোটির বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ বিভাগ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে, এরই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জে ২০১৮ সালে ৪২ কোটি ব্যয়ে বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু কাজ শেষ হলেও ছয় বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শূন্য নয়, উল্টো প্রকল্পে ব্যবহার হচ্ছে বিদ্যুৎ। উৎপাদন তথ্য নিয়ে লুকোচুরি করছে নেসকোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সিরাজগঞ্জ শহরের মালশাপাড়ায় যমুনা নদীর পশ্চিম পাড়ঘেঁষে ক্রসবার-৩ (চায়নাবাঁধ -৩)এ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ৪২ কোটি ব্যয়ে বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মিত ৮টি টাওয়ার দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু টাওয়ারের পাখাগুলো ঘুড়ছে না, ফলে কোনো প্রকার বিদ্যুৎও উৎপাদন হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার (ক্রসবাঁধ-৩) চায়না বাদে যমুনার তীরে নির্মিত বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রেটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ব্যস্তবায়ন করা হয়, এ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন প্যান এশিয়া পাওয়ার সার্ভিস লিমিটেড। যাতে ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ৪২ কোটি টাকা। ৮টি টাওয়ারের মাধ্যমে ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে টাওয়ার গুলো স্থাপন করা হয়েছিল। যা জাতীয় গ্রিড সরবরাহের আশায় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটি নির্মাণ করা হয়েছিল, বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সিরাজগঞ্জ নেসকোর সহকারী প্রকৌশলী মাহফুজ রহমান জানান, বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পটি এখনও আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় কিনা জানি না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্যান এশিয়া পাওয়ার সার্ভিস লিমিটেড ম্যানেজার মাসুদ জানান, আমাদের এই প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কী পরিমাণ উৎপাদন হচ্ছে এর কোনো উত্তর দিতে পারেনি।

নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী অশীথ পর্দ্দার কাছে, কী পরিমাণ বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উৎপাদন হয় আর কী পরিমাণ বিদ্যুৎ এ প্রকল্পে ব্যবহার করছে কিংবা সমন্বয় করা হচ্ছে জানতে চাইলে, তিনি জানান কোনো তথ্য তার কাছে নেই। তিনি বগুড়া বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন, তার কাছে এ তথ্য রয়েছে।

এবিষয়ে বগুড়া বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আপনাকে সিরাজগঞ্জ নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী সঠিক তথ্য দেয়নি। কী পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার হচ্ছে তার তথ্য নির্বাহী প্রকৌশলী অশীথ পর্দ্দারের কাছে রয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্যান এশিয়া পাওয়ার সার্ভিস লিমিটেড স্বত্বাধিকারী ফজলুর সঙ্গে মুঠোফোনের একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

সিরাজগঞ্জ নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আমি নতুন এসেছি। বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে কিনা আমি জানি না। এ সময় তিনি উৎপাদন ও সমন্বয় নিয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।


বিদেশে পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকার ক্রিপ্টো উদ্ধার সিআইডির

* সাইবার অপরাধ দমনে দক্ষতা, সক্ষমতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত * আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত সিআইডি   
আপডেটেড ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার করে দেশের ইতিহাসে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। ‘মেটাভার্স ফরেন এক্সচেঞ্জ’ (এমটিএফই) নামক অনলাইনভিত্তিক প্রতারণামূলক বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাচার হওয়া প্রায় ৪৪ কোটিরও বেশি টাকার সমমূল্যের ডিজিটাল মুদ্রা গত ৩০ মার্চ ফেরত আনা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞিপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, এই সাফল্য দেশীয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রশংসা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে। ঢাকাস্ত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই সাফল্যের খবর প্রকাশ করে। তারা এই সাফল্যকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বের ইতিবাচক ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করেছে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসও তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিষয়টি তুলে ধরে সিআইডির সঙ্গে দীর্ঘদিনের যৌথ প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার ফল হিসেবে এই অর্জনকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

এছাড়া অর্থ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার স্বীকৃতিস্বরূপ সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে সিআইডি প্রধানের পক্ষ থেকে একটি ‘অ্যাপ্রিসিয়েশন লেটার’ দেয়।

এ বিষয়ে সিপিসির ডিআইজি মো. আবুল বাশার তালুকদার বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তাদের নিরলস প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতার ফলে এই প্রথম বিদেশে পাচার হওয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। এটি সাইবার অপরাধ দমনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান দক্ষতা ও সক্ষমতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সাফল্যের খবর প্রকাশের পর দেশ-বিদেশে যে ইতিবাচক সাড়া ও প্রশংসা পাওয়া যাচ্ছে, তা আমাদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। ভবিষ্যতে আরও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ যোগাচ্ছে।’

এমটিএফই একটি ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীদের কৃত্রিম লাভের তথ্য দেখিয়ে বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হতো। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্ল্যাটফর্মটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থ বিভিন্ন ক্রিপ্টো ওয়ালেটে পাচার করা হয়।

সিআইডির তদন্তের এক পর্যায়ে প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের ইউএসডিটি আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জে শনাক্ত করা হয়। উন্নত ব্লকচেইন বিশ্লেষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই অর্থ জব্দ করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনায় এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় উক্ত অর্থ বৈধ মুদ্রায় রূপান্তর করে সোনালী ব্যাংকের সরকারি হিসাবে জমা করা হয়েছে।

এই সাফল্যের মাধ্যমে সিআইডি আবারও তাদের পেশাদারিত্ব, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং সততার প্রমাণ দিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বাংলাদশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় করেছে।


বিএনপির হাত ধরেই সব সংস্কার বাস্তবায়ন হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ‘বিএনপি দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সংস্কারের ধারায় দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এবং ভবিষ্যতেও সব বড় সংস্কার ও বিচারিক প্রক্রিয়া দলটির হাত ধরেই বাস্তবায়িত হবে।’

তিনি মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজের নির্বাচনী এলাকা নগরকান্দা-সালথাবাসীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে স্মরণ করেন।

তিনি বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমদের সংসদ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এখানে গুম, নির্যাতন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার হয়ে ফিরে আসা সংসদ সদস্যরা আছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাস রাজনৈতিক দল নয়, বরং ইতিহাসবিদদের লেখা উচিত। কারণ দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি ইতিহাস বিকৃতির ঝুঁকি তৈরি করে।’ তিনি অতীতের বিভিন্ন সরকার ও রাজনৈতিক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং তা থেকে উত্তরণের জন্য নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রয়োজন।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপি জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। তার ভাষায়, দলটি কখনো আপস করে রাজনীতি করেনি এবং নেতা-কর্মীরা দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে নির্যাতন ও কারাবরণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ’ একটি জাতীয় সংস্কারের রূপরেখা, যা বিএনপির নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।’ তিনি আশ্বাস দেন, জুলাই আন্দোলন ও অতীতের গুম-খুনের ঘটনাগুলোর বিচারও ভবিষ্যতে বিএনপির হাত ধরেই নিশ্চিত করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকে কোনোভাবেই অন্য কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। এটি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন এবং এর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।’


ওয়াসার পানি নিয়ে মির্জা ফখরুলের অসন্তোষ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ওয়াসার পানির মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এক আলোচনা সভায় তিনি এই অসন্তোষের কথা জানান।

বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমার খুব কষ্ট হয় যখন শুনি ওয়াসার পানি খারাপ।’ তিনি বলেন, ‘সেদিন চিফ হুইপ বললেন, সংসদের পানি খাওয়া যায় না। ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় সংকট এখন নিরাপদ পানি। বাংলাদেশকে বাঁচাতে এসব নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে সবাইকে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই। এ বিষয়গুলো আমাদের ঠিক করতে হবে এবং পরিবর্তন আমাদেরই আনতে হবে। আমরা যে বড় বড় দামি গাড়িতে চড়ি, তা সব জনগণের করের টাকায়। তাই জনগণের সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ডিপ টিউবওয়েল ব্যবহারের পরিবর্তে সারফেস ওয়াটার ব্যবহারে অভ্যস্ত হতে হবে। সে ক্ষেত্রে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণেও জোর দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বে নিরাপদ পানির অভাব রয়েছে। নিরাপদ পানির জন্য অনেক যুদ্ধ-বিগ্রহও হয়। পরবর্তী বিশ্বযুদ্ধ নিরাপদ পানির জন্য হওয়ার আলামত দেখা যাচ্ছে।’


পরিস্থিতি বিবেচনায় ধাপে ধাপে ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও বিশেষ দায়িত্ব পালনে মাঠে থাকা সেনাবাহিনী পরিস্থিতি বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকারের চাহিদা ও বিদ্যমান আইন মেনেই সেনাবাহিনী বর্তমানে মাঠে দায়িত্ব পালন করছে এবং প্রয়োজন শেষ হলে তাঁদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।’

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের বিদ্যমান আইন অনুসারে এবং সরকারের বিশেষ প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে তারা স্থায়ীভাবে মাঠে থাকবে না। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এবং দায়িত্বের ধরন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে তাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামে। নির্বাচনের আগে ও পরে মিলিয়ে মোট সাত দিন তাদের দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এখনো তারা মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রয়েছে।

এদিকে কোস্ট গার্ডের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বাহিনীর কার্যক্রমের প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের নদীপথ ও সমুদ্রসীমা রক্ষায় কোস্ট গার্ডের ভূমিকা অনন্য। অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল জিয়াউল হক জানান, গত এক বছরে নদীপথে চোরাচালান রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে।

তবে এই সাফল্যের মধ্যেও কিছু সংকটের কথা উঠে এসেছে। মহাপরিচালক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত এক বছরে ১৬ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া বাহিনীটিতে এখনো জনবল-সংকট রয়েছে, যা কার্যক্রম পরিচালনায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

সাহসিকতা ও সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ডের ১৪ জন সদস্যকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পদক, কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক এবং প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক অন্তর্ভুক্ত ছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আশ্বস্ত করেন, কোস্ট গার্ডের জনবল বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। অদূর ভবিষ্যতে এই বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।


শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ: ফজলুর রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক কেউ জামায়াত করতে পারে না, শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘এ বাংলায় শুধু বেলি-চামেলি আর জুঁই ফুল ফোটে না, রক্ত জবাও ফোটে। এ দেশে শুধু কোকিল ডাকে না, এদেশের জঙ্গলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারও থাকে।’

‘যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধা জিতবে, রাজাকার কোনোদিন এই দেশে জয়লাভ করতে পারবে না। আমি চ্যালেঞ্জ করে বললাম,’ বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বক্তব্যের পরে তারা বলবে আমরা কি মুক্তিযুদ্ধ করি নাই! বিরোধী দলে যারা বসে আছেন, অনেকেই আমাকে “ফজা পাগলা” বলে ডাকে, তারা নাকি সভ্য।’

‘বিরোধী দলের নেতা বলেছেন উনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোক, শহীদ পরিবারের লোক এবং উনি জামায়াতে ইসলামী করেন। এটা ডাবল অপরাধ।’

‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোকজন জামায়াত করতে পারে না। আর শহীদ পরিবারের লোক জামায়াত করলে ডাবল অপরাধ,’ বলেন তিনি।

ফজলুর রহমান বলেন, '৫ আগস্টের পরে কী হলো আপনারা জানেন। ইউনূস সরকার ছিল। আমি শিল্পকলার সামনে থাকি। সেখানে একটা গান হতে পারেনি, নাটক হতে পারেনি, লালন গীতি হতে পারেনি। সবকিছু কালো শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছিল।'

'তারা বলেছিল কোনো মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই। সাতচল্লিশ হয়েছে, আর চব্বিশে যুদ্ধ হয়েছে। আর গন্ডগোল হয়েছে। সেদিন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি বলেছিলাম, এখনো কিন্তু ফজলুর রহমানদের মতো মুক্তিযোদ্ধারা জীবিত আছে। এদেশে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ সত্য, ৩০ লাখ লোক জীবন দিয়েছে, এটাও সত্য,' বলেন তিনি।

এই সংসদ সদস্য আরো বলেন, 'আমার বাড়ির সামনে মব হয়েছে আমাকে হত্যা করার জন্য। সেদিনের জন্য আমি পুলিশকে ধন্যবাদ দেবো, মিলিটারিকে ধন্যবাদ দেবো। ১০ মিনিটের মধ্যে আমার বাড়ির সামনে তারা গিয়ে উপস্থিত হয়েছে আমাকে বাঁচানোর জন্য।'

'অনেক চক্রান্তের মধ্য দিয়ে ইলেকশন হয়েছে' মন্তব্য করে ফজলুর রহমান বলেন, 'ইলেকশনে তারা কী করেছে, আজকে যারা আমার ডানদিকে বসে আছে তারা কী করেছে? আমরা তো ভাই ছিলাম। তারা যা করেছে সেটা কল্পনা করার মতো না। যত চক্রান্ত করেছে, সেই চক্রান্তের ভেতর দিয়ে যখন তারা প্রচার করতে শুরু করল যে, তারা দুই-তৃতীয়াংশ মেজরিটি পেয়ে পাশ করবে। আমি হতভাগা ফজলুর রহমান বলেছিলাম জামায়াত জোট যদি মেজরিটি পায়, তাহলে আমি বিষ খাব। এই কথাটা আমি বলেছি। কথা সত্য তারা কোনোদিন যুদ্ধে জয় লাভ করতে পারে নাই, কারণ তাদের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ চায় নাই।'


প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছি: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান বিচারপ্রাপ্তির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের কারাবাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্দিজীবনে এমন বহু মানুষের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি, যারা কেবল আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে আইনি সহায়তা নিতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরে বিচার না পেয়ে কারাগারে আটক ছিলেন।

এই বাস্তবতাকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অন্যায্য বলে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, একজন মানুষ অর্থের অভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়া রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার বড় দুর্বলতার ইঙ্গিত বহন করে।

তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার কেবল আদালত বা আইনের বিষয় নয়। এটি একটি মানবিক, দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল ভিত্তি। একটি রাষ্ট্র ও সমাজের অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা ও শান্তি নির্ভর করে ন্যায়বিচারের ওপর। মানুষ সবসময়ই একটি বৈষম্যহীন সমাজ চেয়েছে, যেখানে সবাই সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বসবাস করতে পারে। সেই লক্ষ্যে সমতা, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক আস্থা অপরিহার্য উপাদান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং সমান আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সাংবিধানিক বিধান জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের সপ্তম অনুচ্ছেদের প্রতিফলন।

তিনি বলেন, ‘এক্সেস টু জাস্টিস’ প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। অর্থের অভাবে কেউ আইনের আশ্রয় বা ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত হবে এটি কোনোভাবেই একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কাম্য নয়।

তারেক রহমান বলেন, যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার নিশ্চিত হয় না, সেই রাষ্ট্র কখনোই প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনব্যবস্থার অবসানের পর বাংলাদেশ নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে এবং এই যাত্রাকে সুসংহত করতে হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।


দেশের ৩ জেলায় বন্যার পূর্বাভাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় আবারও বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিন জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, হাওর অববাহিকার সুরমা নদী-কুশিয়ারা নদী ও ধনু-বাউলাই নদীর পানি কিছুটা কমলেও ভোগাই নদী-কংস নদী নদীর পানি বাড়ছে। বর্তমানে এসব নদীর পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগামী তিন দিনেও এই অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিনে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়বে। বিশেষ করে তৃতীয় দিনে সুরমা নদী, কুশিয়ারা নদী, খোয়াই নদী ও জুড়ি নদী-এর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া ধনু নদী-বাউলাই ও ভোগাই নদী-কংস নদী অববাহিকায়ও পানি বাড়তে পারে। এতে নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার নদীগুলো তৃতীয় দিনে সতর্কসীমা ছুঁতে পারে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রোসাটমের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম-এর মহাপরিচালক (ডিজি) অ্যালেক্সি লিখাচেভ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহাবুব আনাম স্বপন, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে রেহান আসিফ আসাদ এবং ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন উপস্থিত ছিলেন।


banner close