শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
১৪ চৈত্র ১৪৩২

সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে আবারও কড়াকড়ি

ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ২১:৩২

সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। নতুন এ নির্দেশনায় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

এর আগে ডলার-সংকটের কারণে গত অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ সীমিত করে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গত ৯ ডিসেম্বর এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, সাধারণভাবে বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করা হবে, বছরের সম্ভাব্য বিদেশ ভ্রমণের একটা তালিকা জানিয়ে রাখতে হবে, বিদেশ ভ্রমণের জন্য মন্ত্রণালয়ভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, প্রধান উপদেষ্টার অফিস কাঠামো তৈরি করে দেবে এবং এর তথ্য সংরক্ষণ করবে।

আরও বলা হয়েছে, সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তারা একাধারে বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করবেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ও সচিব একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণ সাধারণভাবে পরিহার করবেন। তবে জাতীয় স্বার্থে অনুরূপ ভ্রমণ একান্ত অপরিহার্য হলে তেমন অপরিহার্যতার বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অধীনস্থ অধিদপ্তর বা সংস্থার প্রধানরা একান্ত অপরিহার্য জাতীয় স্বার্থ ছাড়া একসঙ্গে বিদেশ ভ্রমণে যাবেন না। বিদেশে সেমিনার বা ওয়ার্কশপ ইত্যাদিতে অংশ নিতে উপদেষ্টা ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়ার প্রস্তাবের ক্ষেত্রে আমন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কোন পর্যায়ের কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং অপরাপর অংশগ্রহণকারী দেশ থেকে কোন পর্যায়ের কর্মকর্তারা তাতে অংশ নিচ্ছেন সেই তথ্য জানাতে হবে।

বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তাব পেশ করার সময়ে ভ্রমণের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রস্তাবিত কর্মকর্তার ওই কার্যক্রমে সংশ্লিষ্টতা ও উপযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে। কেনাকাটা, প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন কিংবা ফ্যাক্টরি অ্যাকসেপ্টেন্স টেস্ট- ইত্যাদির ক্ষেত্রে কেবল সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ পাঠানোর বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

সরকারি অর্থে কম প্রয়োজনীয় ভ্রমণ অবশ্যই পরিহার করতে হবে, সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তারা বিদেশে বিনোদন ভ্রমণ পরিহার করবেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষণ ছুটিতে যাওয়া পরিহার করবেন। বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তাব পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত কর্মকর্তার আগের এক বছরের বিদেশ ভ্রমণ বৃত্তান্ত সংযুক্ত করতে হবে।

ডলার-সংকটের কারণে গত অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ সীমিত করে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল তৎকালীন সরকার।


সংসদ ভবনের মেডিক্যাল সেন্টার আধুনিকায়ন ও চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে সংসদ কমিটির সুপারিশ

সংসদ ভবনে সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ ভবনের মেডিক্যাল সেন্টারের আধুনিকায়ন ও চিকিৎসাসেবার পরিধি বাড়াতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংশ্লিষ্ট কমিটি।

শনিবার (২৮ মার্চ) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। সভায় কমিটির সদস্যবৃন্দ-রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়ার ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. সাইফুল আলম এবং মো. আবুল হাসনাত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে বিশেষ করে কার্ডিয়াক চিকিৎসা জোরদারে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন অ্যাম্বুল্যান্স সংযোজন, লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি ক্রয় এবং মানসম্মত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ সময় জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী-বিধির ২৫০ ও ২৫১ ধারা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্যদের আবাসিক ভবনের সংস্কার কাজের অগ্রগতি, শেরেবাংলানগরের এমপি হোস্টেলের ১৫৬টি অফিস কক্ষ সংস্কার এবং সিভিল, ই/এম ও কাঠের কারখানা বিভাগের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। সংসদ সদস্যদের জন্য ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মেডিক্যাল সেন্টারে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিক্যাল অফিসার নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আবাসন এলাকায় সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা জোরদার এবং নির্ধারিত জনবল পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী পদায়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) এমপির সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এছাড়া সংসদ সদস্যদের আবাসন ভবনের আসবাবপত্র দ্রুত প্রস্তুত ও সংস্কারের নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং প্রতিটি আসবাবের মান বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। সভায় সংসদ অধিবেশন কক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা নির্ণয়ে গঠিত কমিটিকে আগামী ৩ এপ্রিলের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।


বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারে মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে ডব্লিউটিওর এমসি-১৪ সম্মেলনের ‘বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেশন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাণিজ্য ডেস্ক

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সংস্কার প্রক্রিয়ায় সতর্কতা অবলম্বনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, “বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই সংস্কার যেন সংস্থাটির মৌলিক নীতিমালাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।”

ক্যামেরুনের ইয়াউন্দেতে বৃহস্পতিবার ডব্লিউটিওর মন্ত্রী পর্যায়ের চতুর্দশ সম্মেলনে (এমসি১৪) তিনি এ মন্তব্য করেন বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। ২৬ থেকে ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের ‘ডব্লিউটিও রিফর্ম: ফান্ডামেন্টাল ইস্যুজ’ শীর্ষক অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন তিনি। বক্তব্যে তিনি তুলে ধরেন, ডব্লিউটিওর মূল ভিত্তি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যনির্ভর উন্নয়নকে উৎসাহিত করা। বৈষম্যহীনতা ও অন্তর্ভুক্তির নীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ঐকমত্যভিত্তিক ও নিয়মভিত্তিক এই বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’ বা এমএফএন সুবিধা, শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা বা ডিএফকিউএফ বাজার প্রবেশাধিকার এবং স্পেশাল অ্যান্ড ডিফারেনশিয়াল ট্রিটমেন্ট বা এসঅ্যান্ডডিটি সুবিধা বিশ্ব বাণিজ্যে সমতা ও অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকট এবং কোভিড মহামারীর সময় ছাড়া গত তিন দশকে উন্নত দেশগুলোর মধ্যম আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বিদ্যমান বাণিজ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতা নির্দেশ করে। তবে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে ওঠা বর্তমান কাঠামো সংস্কারের নামে নষ্ট করা উচিত নয়, কারণ বিশ্বের অধিকাংশ অর্থনীতি এই নিয়মভিত্তিক বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।”

সংস্কার প্রক্রিয়া ‘অত্যন্ত সতর্কতার’ সঙ্গে পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এতে ব্যবস্থার অখণ্ডতা বজায় রাখা, পূর্বের অর্জন সংরক্ষণ এবং সব সদস্য দেশের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী ফল নিশ্চিত করা জরুরি। এবারের সম্মেলনে ডব্লিউটিও সংস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সদস্য দেশগুলো জেনিভায় আলোচনার পর একটি রূপরেখা প্রস্তুত করেছে, যা এমসি১৪-তে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি, উন্নয়ন ইস্যু, বিশেষ ও পার্থক্যমূলক সুবিধা, সমতাভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উদ্বোধনী দিনে ডব্লিউটিও মহাপরিচালক এনগোজি ওকনজো ইওয়েলা বলেন, বহুপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা বর্তমানে বড় চাপের মুখে রয়েছে। তার ভাষায়, সংস্থার বিরোধ নিষ্পত্তি কাঠামো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং ভর্তুকি সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। ২০২৫ সালের জন্য ১৬৬ সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৬৪টি দেশ ভর্তুকি নোটিফিকেশন জমা দিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পথে থাকায় বাংলাদেশের জন্য এই আলোচনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ডব্লিউটিওর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এলডিসি হিসেবে প্রাপ্ত বিশেষ ও পার্থক্যমূলক সুবিধা, শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং কিছু নীতিগত নমনীয়তা উত্তরণের পর আংশিকভাবে হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কৃষি, ট্রিমস, ভর্তুকি, ট্রিপস, ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন ও সেবা বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এলডিসিভুক্ত দেশগুলো অতিরিক্ত সুবিধা পেয়ে থাকে। এ কারণে ডব্লিউটিও সংস্কার প্রসঙ্গে বাংলাদেশের মতো দেশের ক্ষেত্রে উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং বিশেষ সুবিধা বজায় রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সম্মেলনে ১৬৬টি সদস্য দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিনিধিদলে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেনিভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।


ডিপো থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিপো থেকে তেল উত্তোলনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বিপিসি। এখন সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে সরবরাহ কার্যক্রম।

বিপিসির বিভিন্ন কোম্পানির ডিপো থেকে জ্বালানি তেল পেট্রোল পাম্পে সরবরাহের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সময়সূচিতে ২ ঘণ্টা এগিয়ে সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় জ্বালনি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিপণন কোম্পানিসমূহের মাধ্যমে সারাদেশে নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বালানি পণ্যের সরবরাহ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সে প্রেক্ষিতে, দেশব্যাপী ফিলিং স্টেশন, প্যান্ড পয়েন্ট ডিলার ও পাম্পসমূহে জ্বালানি পণ্য সঠিকভাবে সরবরাহ কার্যক্রম নিশ্চিতে বিপিসির অধীনের কোম্পানিসমূহের প্রধান স্থাপনা/ডিপো হতে জ্বালানি পণ্য সরবরাহের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান স্থাপনা/ডিপো হতে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হবে সকাল ৭টায়। আর প্রধান স্থাপনা/ডিপো হতে জ্বালানি পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম শেষ হবে বেলা ৩টায়।

এদিকে দেশব্যাপী জ্বালানি তেলের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সব পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে।


১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিদের আবাসন বরাদ্দ দেয়া হবে: চিফ হুইপ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে গুরুত্ব পেয়েছে সংসদ সদস্যদের আবাসন বরাদ্দ বিষয়ক আলোচনাসহ সংসদে অধিবেশন চলাকালীন অডিও তথা শব্দ বিভ্রাট ইস্যু। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিদের আবাসন বরাদ্দ দেয়া হবে বলে জানানো হয়।

শনিবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. আবদুল্লাহ তাহেরসহ কমিটির ১১ সদস্য।

বৈঠক শেষে সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, 'বৈঠকে সংসদ সদস্যদের আবাসন এবং চিকিৎসা সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের কাজের সুবিধার জন্য কাছাকাছি থাকা দরকার, সেজন্য তাদের সংসদের কাছাকাছি রাখার চেষ্টা হচ্ছে। সব সদস্যকে আবাসনের আওতায় আনার প্রত্যাশা করি। ১০ এপ্রিলের মধ্যে সংসদ সদস্যদের আবাসন বরাদ্দ শেষ হবে বলে প্রত্যাশা। আগামী ৩০ মার্চ হাউজ কমিটির আরেকটি বৈঠক আছে। বাসা বরাদ্দ নিয়ে সংসদ সদস্যরা সে বাসা নিজেরাই ব্যবহার করবেন বলে প্রত্যাশা, কারণ সেটিই সঙ্গত।'

তিনি আরও জানান, 'সংসদ অধিবেশনে অডিও বিভ্রাট এবং কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি ৩ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দিবে।'

এদিকে, বিকাল ৪টায় সরকারি দলের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ ভবনে সরকার দলীয় সভাকক্ষে ওই বৈঠক হবে। বিএনপি সংসদীয় দলের সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। এরপর থেকেই সংসদীয় কার্যক্রমকে নিয়মিত ও গতিশীল করতে বিভিন্ন প্রস্তুতি চলছিল। আজকের বৈঠকের মধ্য দিয়ে সংসদীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।


দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২৮ মার্চ) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, মরহুমা দিলারা হাফিজ একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী ছিলেন। তার মৃত্যুতে জাতি একজন সজ্জন শিক্ষাবিদকে হারালো।

উল্লেখ্য, দিলারা হাফিজ আজ (শনিবার) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমা দিলারা হাফিজ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশে শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিভিন্ন মেয়াদে ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।


সোমবার ক্রীড়া কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী সোমবার ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। প্রথমে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়াভাতা প্রদান করা হবে।

আজ শনিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

আমিনুল হক বলেন, ‘যারা জাতীয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশকে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাদেরকে বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হবে।

তাদেরকে সম্মানিত করতে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হবে।

যারা বিভিন্ন পদক পেয়েছে তাদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কে আমিনুল হক জানান, ৪৯৫ উপজেলায় ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করা হবে। ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় দখল হয়ে থাকা মাঠ উদ্ধারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মন্ত্রণালয়।


জ্বালানি তেলের ১৯ ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জ্বালানি তেল মজুদ প্রতিরোধ, বিপননে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবির সদর দপ্তর থেকে পাঠানো জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অননুমোদিতভাবে জ্বালানি তেল মজুদের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। জ্বালানি তেল মজুদের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, জ্বালানি তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

এতে আরো জানানো হয়, ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে মোতায়েন কার্যক্রম একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী স্থানে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে। গত ২৫ মার্চ থেকে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি, রংপুর জেলায় ৩টি, রাজশাহী জেলায় ৩টি, সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপোতে সর্বমোট ০৯টি জেলায় ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।

মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিয়মিত তদারকি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে।

যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং নাশকতা প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দায়িত্বাধীন ডিপো কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করছে। সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে আস্থা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বিজিবি।

এছাড়াও, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে সীমান্তে অতিরিক্ত টহল পরিচালনা, নৌ টহল জোরদার, চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সীমান্তবর্তী আইসিপি ও এলসিপিগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক-লরিসহ বিভিন্ন যানবাহনে নিয়মিতভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে।


দেশের সব পেট্রোল পাম্পে নিয়োগ করা হবে ট্যাগ অফিসার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে দেশে সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

শনিবার (২৮ মার্চ) এক বার্তায় মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সিদ্ধান্তে বলা হয়, দেশের সব পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করতে হবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা ব্যতীত জেলা ও বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকরা ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা তাদের অধিক্ষেত্রাধীন প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করবেন। ট্যাগ অফিসাররা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি নির্ধারিত পদ্ধতিতে কাজ করবেন ও দৈনিক প্রতিবেদন দেবেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগপূর্বক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে তথ্য পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর/সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে।


স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী দিলারা হাফিজ মারা গেছেন।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় সময় দুপুর ১ টা ২৯ মিনিটে তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।

দিলারা হাফিজ অনেকদিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঈদুল ফিতরের দিন দুপুরে এয়ার এম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার মরদেহ রোববার সন্ধ্যায় দেশে আনা হবে। এর পরদিন সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বেলা ১১ টার দিকে মরহুমার প্রথম নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে বনানী সামরিক বাহিনীর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এদিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের স্ত্রীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও চিপ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।


দেশজুড়ে অভিযান, একদিনে ২৯৩ মোবাইল কোর্টে ৭৮ মামলা ও তিন লাখ টাকা জরিমানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং এই খাতে যেকোনো ধরনের অনিয়ম রোধে দেশজুড়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দেশের ৬২টি জেলায় একযোগে ২৯৩টি বিশেষ অভিযান বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। জ্বালানি বিভাগের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের দায়ে মোট ৭৮টি মামলা দায়ের করা হয়। অভিযানে দণ্ডিতদের কাছ থেকে সম্মিলিতভাবে তিন লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং তদারকি জোরদার করতে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই মোবাইল কোর্টগুলো পরিচালিত হচ্ছে। শুক্রবারের অভিযানে ফিলিং স্টেশনসহ জ্বালানি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কারিগরি ত্রুটি, ওজনে কম দেওয়া কিংবা কৃত্রিম সংকট তৈরির মতো বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হয়। আইন অমান্যকারীদের তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন অঙ্কের আর্থিক দণ্ডে দণ্ডিত করার পাশাপাশি সতর্কতামূলক নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জ্বালানি বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটরা নিয়মিতভাবে তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও নিশ্চিত করেছে যে, ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এই অভিযান শিথিল করা হয়নি। শুক্রবারের ব্যাপক সফলতার পর আজ শনিবারও ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং জ্বালানি পণ্যের সঠিক সরবরাহ ও বণ্টন নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে। যেকোনো ধরণের কালোবাজারি বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকারের এই জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


পুলিশকে আগের পোশাকে ফেরাতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বর্তমান পোশাকে পুলিশ বাহিনী সন্তুষ্ট নয়, আগের ঐতিহ্যমণ্ডিত যেকোনো একটি পোশাক যাতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী পায় সেজন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) ‎দুপুরে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পুলিশ কোনো বিশেষ দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয়, পুলিশ হবে জনগণের বন্ধু। পুলিশ বাহিনীকে দলীয় প্রভাব মুক্ত করে আধুনিক সেবাধর্মী ও মানবিক বাহিনী হিসেবে জনগণের কাছে সেবা নিশ্চিত করাই এ সরকারের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সংস্কারে রাষ্ট্র কাঠামোর যে সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন। ‎পুলিশ বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত রাখতে পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে। অচিরেই এর সুফল সবাই পাবে।

৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে এবার মোট ৭২ জন এএসপি তাদের প্রশিক্ষণ শেষ করে চাকরিতে যোগ দেবেন।


কর্মব্যস্ত ঢাকায় ফিরছে মানুষ: কমলাপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটি এবং এর সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে দীর্ঘ এক অবকাশ যাপন শেষে প্রাণপ্রিয় কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল থেকেই রাজধানীর প্রধান প্রবেশদ্বার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ ছুটির পর এটিই ফেরার পথে সবচেয়ে বড় ভিড় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় বা বড় কোনো অব্যবস্থাপনার অভিযোগ না থাকায় যাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে।

এবারের ঈদের নির্ধারিত ছুটি আরও আগেই শেষ হলেও যাতায়াতের সুবিধার জন্য অনেকে গত ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছিলেন। এর ফলে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৭ মার্চ শুক্রবার এবং ২৮ মার্চ শনিবার—সব মিলিয়ে টানা কয়েকদিনের একটি বড় ছুটির সুযোগ তৈরি হয়। এই দীর্ঘ অবসরের শেষ দিনে আজ নাড়ির টান ছিঁড়ে জীবিকার তাগিদে রাজধানীতে ফিরছে লাখো মানুষ।

শনিবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রতিটি ট্রেনই ছিল যাত্রীবোঝাই। স্টেশনের প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে ছিল মানুষের জটলা। ট্রেনের ভেতরে নির্ধারিত আসনের অতিরিক্ত যাত্রী যেমন ছিল, তেমনই অনেককে কামরার করিডোরে দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে। এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়েও অনেককে ঢাকায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে। তবে যাত্রীদের দাবি, ঈদযাত্রার চরম ভোগান্তির তুলনায় ফেরার এই সফর কিছুটা হলেও সহনীয়।

চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রী রকিবুল বাশার গণমাধ্যমকে বলেন, "তেমন কোনো বড় ঝামেলা ছাড়াই ঢাকা আসতে পেরেছি। টিকিট আগেভাগেই কেটে রেখেছিলাম, তবে ট্রেনের যে প্রচণ্ড চাপ তাতে সিট পাওয়াটাই বড় ভাগ্যের বিষয় মনে হচ্ছে। যাত্রীর চাপ অনেক বেশি হবে চিন্তা করেই পরিবারের অন্য সদস্যদের গ্রামে রেখে এসেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কয়েকদিন পর তাদের নিয়ে আসব।"

একইভাবে পরিবার নিয়ে ঢাকা ফেরা রেদওয়ান নামে এক যাত্রী জানান, "স্টেশনে মানুষের প্রচুর ভিড়, ট্রেনে ওঠার সময় কিছুটা ধাক্কাধাক্কি পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করাটা বেশ কষ্টের। ট্রেনে বসার জায়গা মেলেনি, তবুও কোনো বিশৃঙ্খলা ছাড়াই যে নিরাপদভাবে ঢাকায় পৌঁছাতে পেরেছি, এটাই এখন বড় স্বস্তি।"

সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী কাজী ফয়সাল তাঁর অভিজ্ঞতায় বলেন, "গ্রামে পরিবারের সঙ্গে দারুণ সময় কাটিয়ে এখন কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরছি। ট্রেনে ভিড় থাকবে জানতাম, তবুও সড়কপথের দীর্ঘ যানজটের কথা চিন্তা করে রেলকেই বেছে নিয়েছি। গরমে কিছুটা অস্বস্তি লাগলেও কোনো শিডিউল বিপর্যয় না থাকায় সময়মতো ফিরতে পেরেছি, এটাই বড় পাওনা।"

কমলাপুর স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ দিনভর যাত্রীদের এই চাপ অব্যাহত থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ভোগান্তি কমাতে স্টেশনে শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বা ট্রেন বিলম্বে আসার বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে মানুষের এই রাজধানীমুখী যাত্রা অনেকটা সুশৃঙ্খলভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে।


৪ দিনের সফরে আজ পাবনা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

৪ দিনের সরকারি সফরে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) নিজ জেলা পাবনায় যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাষ্ট্রপতির প্রটোকল অফিসার আবুল কালাম মো. লুৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর এটাই রাষ্ট্রপতির প্রথম নিজ জেলা পাবনা সফর।

তার সফর ঘিরে ইতোমধ্যে পাবনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রহণ করেছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

প্রটোকল অফিসারের দেয়া তথ্যানুযায়ী, রাষ্ট্রপতি আজ শনিবার দুপুর ১টায় ঢাকার বঙ্গভবন থেকে হেলিকপ্টারযোগে পাবনার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। তিনি দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে পাবনা ক্যাডেট কলেজ মাঠে হেলিপ্যাডে অবতরণ করবেন। এরপর দুপুর ২টায় পাবনা সার্কিট হাউসে পৌঁছে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন এবং সেখানেই রাতযাপন করবেন।

পরদিন ২৯ মার্চ (রোববার) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে পাবনা সদর গোরস্থান আরিফপুরে গিয়ে তিনি তার বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় পাবনা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। রাত ৮টা ১০ মিনিটে সার্কিট হাউসে ফিরে রাতযাপন করবেন।

৩০ মার্চ (সোমবার) বেলা ১১টায় সদর উপজেলার ভবানীপুর মসজিদ পরিদর্শন করবেন। একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় পাবনা শহরে নিজ বাসভবনে যাবেন রাষ্ট্রপতি। সার্কিট হাউসে ফিরে রাতযাপন করবেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন। এরপর দুপুর ১২টায় পাবনা ক্যাডেট কলেজ মাঠের হেলিপ্যাডে পৌঁছে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার বঙ্গভবনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।


banner close