সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

এই বছরের মধ্যে নির্বাচন হওয়া জরুরি: ইইউ রাষ্ট্রদূতকে বিএনপি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান অফিসে রোববার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও চেয়ারপারসন ফরেন অ্যাফেয়ার্স এডভাইজরি কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ছবি: ফোকাস বাংলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ ২০:৫৯

এই বছরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া জরুরি বলে ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপী ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারকে জানিয়েছে বিএনপি। এমনকি একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা জরুরি বলেও মনে করে দলটি।

রোববার গুলশানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন বিএনপির নেতারা।

বৈঠকে বিএনপির চার সদস্যের প্রতিনিধির মধ্যে চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটি সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের বিষয় নিয়ে আমির খসরু বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে যে বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, সবার মনে প্রশ্ন আছে, সেই বিষয়গুলো বিশেষভাবে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে একটা হচ্ছে নির্বাচন। কবে নির্বাচন হতে যাচ্ছে? নির্বাচন নিয়ে আমাদের ভাবনা কী? মূলত, নির্বাচনের রোডম্যাপ- এই প্রশ্নটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

‘অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আসলে দেশ বেশি দিন চলতে পারে না। সুতরাং অগণতান্ত্রিক সরকারের রাজনৈতিক ওয়েট থাকে না, রাজনৈতিক মবিলাইজেশন থাকে না, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না এবং জনগণের ফিডব্যাক থাকে না। সেদিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি’- বলেন আমির খসরু।

তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইইউ) জানতে চেয়েছেন- আগামী দিনে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে কি না? আমাদের পক্ষ থেকে বিএনপির অর্থনৈতিক সফলতা সম্পর্কে পরিষ্কাভাবে বলেছি। অর্থনীতিকে গর্ত থেকে তুলে আনার জন্য যে প্রোগ্রাম বিএনপি এরই মধ্যে দিয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করব। এই সরকারের আমলে যদি কোনো অর্থনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেটা আমরা অবশ্যই সমর্থন করব এবং বাংলাদেশের স্বার্থে সেই কাজ অব্যহাত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিএনপির নিজস্ব প্রোগ্রাম আছে। নির্বাচিত হলে সেগুলো আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব। ওদের বিনিয়োগকারীরা এখানে আসছে, জানতে চাচ্ছে আগামী দিনে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যাবে কি না? এ ব্যাপারে আমরা বলেছি, আমরা বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাই। বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা আছে।’


ইউনূসের ‘ভিভিআইপি’ মর্যাদা ৬ মাস কমল, ১০ আগস্ট পর্যন্ত এসএসএফ নিরাপত্তা

আপডেটেড ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘ভেরি ভেরি ইমপরট্যান্ট পারসন’ বা ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ ছয় মাস কমানো হয়েছে। সে হিসাবে আগামী ১০ আগস্টের পর তিনি আর এ মর্যাদা পাবেন না। এরপর থেকে তাকে বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিকের মতোই চলতে হবে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদার মেয়াদ এক বছরের জায়গায় ছয় মাস করা হয়েছে। ফলে তিনি ১০ আগস্টের পর আর ভিভিআইপি নিরাপত্তা পাবেন না।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র কয়েক দিন আগে নিজেই নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা দেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হয়।

তবে সেটি এখন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (বিজি প্রেস) ওয়েবসাইটে নেই। সাধারণত সরকারের সব গেজেট এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পুরনো সব গেজেটও এখানে পাওয়া যায়।

তখনকার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই করা রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টা ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ড. ইউনূস দায়িত্ব ছাড়ার পর থেকে এসএসএফের নিরাপত্তাসুবিধা পাচ্ছেন। একজন ভিভিআইপি হিসেবে তার বাসভবন ও কর্মস্থলে দায়িত্বপালন করছেন এসএসএফ সদস্যরা। তার উপস্থিতিতে আয়োজিত সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা তল্লাশি থাকে এবং দেশ-বিদেশে ভ্রমণের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও দূতাবাসের সমন্বয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

নির্বাচিত নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করায় ওই দিনই ইউনূস সরকারের মেয়াদ শেষ হয়। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার।

এরপর প্রায় ১৮ মাস দায়িত্ব পালনের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছাড়েন।

ড. ইউনূসের দেড় বছরের শাসনামলে প্রভাবশালী বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে ‘গোলামি’ চুক্তি করাসহ পাহাড় সমান দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ক্ষমতায় এসেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে হওয়া অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত সব মামলা প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন। ব্যক্তিগত ও গ্রামীণ নামের প্রতিষ্ঠানের হাজার কোটি টাকা কর মওকুফের ঘটনা ঘটেছে। অর্থনীতিবিদদের অভিযোগ, ড. ইউনূস ও তার সরকারের উপদেষ্টারা দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেউলিয়া করে দিয়েছেন। যত দিন যাচ্ছে ততই বেরিয়ে আসছে অন্তর্বর্তী সরকারের নানা দুর্নীতি-অপকর্মের তথ্য।


শহীদ জিয়ার জন্যই আমরা রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কারণেই আমরা আজ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সংসদে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, ‘তার জন্য, তার পরিচয় দিয়ে এবং তার গঠন করা দল দিয়ে আমরা আজ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি।’

নিজ নির্বাচনী এলাকা নান্দাইলের মানুষের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘তিনি নান্দাইলের মানুষের সেবক। এলাকার সব শ্রেণিপেশার মানুষের স্বপ্নই তার স্বপ্ন। সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি নান্দাইলের সাধারণ মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় উপজেলার প্রায় সাড়ে ১২০০ কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টি সরকারের নজরে আনেন।’

বিরোধী দলের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মুখে একসঙ্গে কাজ করার কথা বললেই হবে না। মুখে মধু, অন্তরে বিষ রেখে লাভ নেই। দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, না হলে খাল কেটে কুমির আনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে দেশে আবার ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।’ বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘কাঙালের ধন চুরি করতে করতে তারা এমন অবস্থায় গিয়েছিল যে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল।’

বক্তব্যের সময় বিরোধী দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তার বক্তব্যের সমর্থন জানানোর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আপনারাও খেয়াল রাখবেন, যেন আপনাদের পরিণতি এমন না হয়।’

এছাড়া তিনি জানান, স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তিনি বলেন, ‘বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা বাস্তবায়ন করে। জুলাই সনদের ক্ষেত্রেও কোনো ‘ইফ’ বা ‘বাট’ নেই।’


জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য : চিফ হুইপ 

জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৫
বিশেষ প্রতিবেদক

জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। বলেছেন, ‘জুলাই সনদের অঙ্গীকার অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া বর্তমান সরকারের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই। এই নির্বাচনে যারা জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্যই হলো জুলাই সনদের প্রতিটি লাইন, সেমিকোলন ও দাঁড়ি-কমা হুবহু বাস্তবায়ন করা।’

সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু, জি কে গউছ ও আখতারুজ্জমান মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

চিফ হুইপ দেশের সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মূল দর্শন হলো দেশের প্রতিটি মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয়া এবং কামার, কুমার, তাঁতী, স্বর্ণকারসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।’

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘যদি আপনার ভাই কাজ না পায় এবং প্রতিবেশী না খেয়ে থাকে, তবে সেই রাষ্ট্রের সার্থকতা কোথায়? মানুষের জীবনের প্রথম মৌলিক চাহিদা হলো অন্ন। এই চাহিদা পূরণের জন্যই দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস থাকা প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে এবং সামাজিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পায়। যদি দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকে, তবে সাধারণ রিকশাচালক থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়ী কারো জীবনেরই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।’

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মণি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ শাসনামলে এ দেশের মানুষের ওপর চরম অত্যাচার চালানো হয়েছিল। সেই সময় বিচার বিভাগের কোনো স্বাধীনতা ছিল না এবং সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করে মাত্র চারটি পত্রিকা চালু রাখা হয়েছিল। বাকশালের সেই অন্ধকার সময়ে মানুষের কথা বলার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিল। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন এবং দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি জাতিকে তিন বছরের মাথায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। পরে বেগম খালেদা জিয়াও ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতি ও গণতন্ত্রকে সোজা করার কাজ করেছেন। কিন্তু বিগত দেড় দশকের শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতিকে আবারো চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়া হয়েছে। ২৭ লাখ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার হওয়ার ফলে অর্থনীতি এখন এক ভঙ্গুর অবস্থার মুখে দাঁড়িয়েছে।’রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সংসদ সংবিধানের ১১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ ও ১৫৩টি আর্টিকেলের ভিত্তিতেই পরিচালিত হচ্ছে। এমনকি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশনও এই সংবিধানের ভিত্তিতেই শপথ নিয়েছে। কিন্তু জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে এই সংবিধান সংশোধন করার বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান জুলাই সনদের প্রতিটি শর্ত মেনে চলার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সংসদে বর্তমানে ২২০ জন নতুন সদস্য রয়েছেন যাদের সংসদীয় রীতি-নীতি সম্পর্কে শিখতে আরো কয়েকটা অধিবেশন সময় লাগবে। তবে বিরোধীদের মধ্যেও অনেক চৌকস ও শিক্ষিত সদস্য আছেন। তাদের গঠনমূলক অংশগ্রহণ এবং জুলাই সনদের আলোকে কমিশন ও সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কাজ এগিয়ে নেব।’

চিফ হুইপ বর্তমান সরকারের কর্মতৎপরতা তুলে ধরে বলেন, ‘মাত্র ২ মাস ১২ দিন বয়সে সরকার প্রতিটি সেক্টরে পরিবর্তনের ছোঁয়া দিয়েছে। ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। মাত্র ৫ দিনে ১৩৩টি অর্ডিন্যান্সের ওপর কাজ করা একটি অসম্ভব কাজ ছিল, যা এই সরকার করে দেখিয়েছে। সরকার প্রধান সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত একটানা কাজ করে রাষ্ট্রকে একটি কাঠামোর ওপর দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে।’

সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘গণতন্ত্রের যে গাছটি আমরা রোপণ করেছি, সেটি পানি দিয়ে বড় করার দায়িত্ব আপনাদেরও। আপনাদের ৫ হাজার সাংবাদিকের কলম ও চিন্তা একটি দেশকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে।’ তাই দেশের স্বার্থে এবং গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।


রাত ১টার মধ্যে ২ অঞ্চলে ৮০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) আবহাওয়া অফিসের বিকেল ৪টা থেকে পরবর্তী দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই পূর্বাভাস জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এছাড়া এসব অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে ৪৯ বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মোট ৪৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন বিএনপির ৩৬ জন, তাদের সঙ্গে থাকা স্বতন্ত্র জোটের একজন এবং জামায়াত জোটের ১২ জন প্রার্থী রয়েছেন।

বিএনপির বৈধ প্রার্থীরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরীন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আরলী, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, সাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলোফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জীবা আমিনা খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিনজ, সুবর্ণা সিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার।

এ ছাড়াও রয়েছেন, ফেরদৌসী আহমেদ, বীথিকা বিনতে হোসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানসুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলো, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা। একইসঙ্গে বিএনপির সঙ্গে থাকা স্বতন্ত্র জোটের প্রার্থী হিসেবে ছাত্রদলের সাবেক (শ্রাবণ-জুয়েল কমিটির) সহ সভাপতি সুলতানা জেসমিন জুঁই-এর মনোনয়ন বৈধতা পায়।

জামায়াত জোটের বৈধ প্রার্থীরা হলেন- নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ, সামসুন নাহার, মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান, মাহবুবা হাকিম ও রোকেয়া বেগম।


কারারুদ্ধ সাংবাদিকদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান সিপিজের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। এ লক্ষ্যে সংস্থাটি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের কাছে ইমেইলে চিঠি পাঠিয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সিপিজে তাদের ওয়েবসাইটে এ চিঠিটি প্রকাশ করেছে।

চিঠিতে সিপিজে নতুন সরকারকে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এসব মামলা প্রত্যাহার, অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া এবং ফারজানা রূপা, শাকিল আহমেদ, মোজাম্মেল হক বাবু ও শ্যামল দত্তকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানায়।

সংস্থাটি জানায়, এই সাংবাদিকরা ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে হত্যা মামলায় আটক রয়েছেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং এখনো কোনও চার্জশিট দাখিল করা হয়নি।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, আগের সরকারের সময় সাংবাদিকদের গ্রেফতার তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার প্রতিশোধ হিসেবে হয়ে থাকতে পারে। প্রায় ৬০০ দিন পার হলেও আইনগত বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করে পুলিশ এখনও অভিযোগ প্রমাণে কোনও চার্জশিট দাখিল করতে পারেনি।

চিঠিতে আটক সাংবাদিকদের মানবিক পরিস্থিতির বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, শ্যামল দত্ত হৃদরোগ এবং গুরুতর স্লিপ অ্যাপনিয়া সমস্যায় ভুগলেও তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। মোজাম্মেল হক বাবু ২০২৩ সালের শেষের দিকে প্রস্টেট ক্যান্সারের বড় অস্ত্রোপচারের শিকার হলেও ফলো-আপ চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এছাড়া ফারজানা রূপাকে ২০২৪ সালের নভেম্বরে দুই সপ্তাহ ধরে মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের জন্য নির্ধারিত কনডেম সেলে রাখা হয়েছিল।


নিপীড়িতদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: আইনমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইনমন্ত্রী মো আসাদুজ্জামান বলেছেন, নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে ভ্রাম্যমাণ লিগ্যাল এইড ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

মিথ্যা মামলা দেয়ার সংস্কৃতি থেকে মানুষকে বের হবার আহ্বান জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, নিপীড়িত মানুষকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

লিগ্যাল এইড সেবা থেকে কেউ বঞ্চিত হলে আইন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আদালতে যাওয়ার আগে কোনো সমস্যার সমাধানে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মিমাংসা করার চেষ্টা করুন।

যারা যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কিন্তু আদালতে যেতে পারছেন না তারা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনি সহায়তা পাবেন আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা মামলা জট কমাতে চাই তাই লিগ্যাল এইড কর্মসূচির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আবার কেউ মামলার মাঝামাঝিতে সমঝোতা করতে চাইলে তারও ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।


অপতথ্য রোধে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভুল তথ্য এবং অপতথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

বৈঠক শেষে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ভুল তথ্য এবং অপতথ্য রোধ করা বাংলাদেশের জন্য একটি কঠিন পরীক্ষা এখন। এ সমস্যা বাংলাদেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও রয়েছে। এটি রোধে নৈতিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণসহ নানাভাবে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র।

‘গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে প্রশিক্ষণ এবং নৈতিক সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র’, যোগ করেন জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক যে সম্পর্ক রয়েছে-- তা আরও জোরালো করতে চায় দুই দেশ।

এমন একটি উন্নত দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী।


মা-বোনদের এলপিজি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
যশোর জেলা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, রান্নার কষ্ট লাঘবে নারীদের এবার এলপিজি কার্ড সেবা দেওয়া হবে।

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে যশোরের শার্শায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনর্খনন কাজ উদ্বোধন করেন তিনি। সেখানে বক্তব্যে বিষয়টি জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রান্নার কষ্ট লাঘবে নারীদের এলপিজি কার্ড সেবা দেয়া হবে। বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে মানুষকে ভালো রাখা।’

তিনি আরও জানান, ‘শার্শার উলাশী খালে পানি আসলে ৭২ হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওয়ানা হন। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এয়ারলাইন্সটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সফরসূচি অনুযায়ী, শার্শা উপজেলার উলশী খাল খননের পর আয়োজিত পথসভা বা সুধী সমাবেশে যোগ দেন তিনি। শার্শা থেকে ফিরে যশোর সার্কিট হাউসে স্বল্প বিরতির পর বিকালে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।

দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় যশোর বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে রাতে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটাই যশোরে প্রথম সফর। আর গত তিন মাসের মধ্যে যশোরে এটা তার দ্বিতীয় সফর।


উলশী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
যশোর জেলা প্রতিনিধি

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এক ধাপ এগিয়ে গেল দেশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় ঐতিহাসিক উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে অত্র অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন ও পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আজ সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি যশোর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে শার্শা যাওয়ার পথে রাস্তার দুই ধারে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মানুষ হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।

শার্শার কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী যশোর সার্কিট হাউসে সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবেন। এরপর বিকেলে তিনি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণের মাধ্যমে এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে। একে যশোরবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি বড় উপহার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সফরের শেষ পর্যায়ে বিকেলে যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলা আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো যশোর জেলাজুড়ে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। জনসভা শেষে আজ সন্ধ্যায় যশোর বিমানবন্দর থেকেই ঢাকার উদ্দেশ্যে আকাশপথে প্রধানমন্ত্রীর রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।


একনেকে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৫টি সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প, ৫টি সংশোধিত প্রকল্প এবং ৪টি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের ১০ম একনেক সভায় গৃহীত এই প্রকল্পগুলো দেশের যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

এই প্রকল্পগুলোর অর্থায়নের ক্ষেত্রে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৮ হাজার ৮৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ হিসেবে ৫ হাজার ৩৪০ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে আরও ১৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা জোগান দেওয়া হবে। সভায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পরিকল্পনামন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিশাল এই বাজেটের প্রকল্পগুলো দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে বলে সভায় জানানো হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকা শহরে জরুরি পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, ময়মনসিংহ বিভাগে পাঁচটি জলবায়ু সহনশীল সেতু নির্মাণ এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ের সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প। এ ছাড়া ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অবকাঠামো উন্নয়ন, মধুখালী থেকে মাগুরা পর্যন্ত ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ এবং বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়ক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ প্রকল্পগুলো এই তালিকায় রয়েছে। সামাজিক খাতের উন্নয়নে নগর জনগোষ্ঠীর জন্য সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পটিও এই সভায় সবুজ সংকেত পেয়েছে।

এবারের সভায় তিনটি নির্দিষ্ট সড়ক প্রকল্পের মেয়াদ পাঁচবার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয় এবং এর কারণ অনুসন্ধানে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৫০ কোটি টাকার নিচে ব্যয় ধরা হয়েছে এমন ৩৩টি ছোট প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী কর্তৃক পূর্বেই অনুমোদনের বিষয়টি একনেক সভাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং যথাযথ স্বচ্ছতা বজায় রেখে সম্পন্ন করা হয়।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন যে, অনুমোদিত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যোগাযোগ অবকাঠামো এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং কাস্টমস আধুনিকায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন গতির সঞ্চার হবে। সামগ্রিকভাবে এই বিশাল বিনিয়োগ প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং দেশের অবকাঠামোগত ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।


মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ

আপডেটেড ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৫৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর বর্তমান মূল্যে মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) হিসাবে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি দাঁড়াতে পারে ২ হাজার ৯১১ ডলার, যেখানে ভারতের ক্ষেত্রে তা হতে পারে ২ হাজার ৮১২ ডলার। পার্থক্য তুলনামূলক কম হলেও এর প্রতীকী গুরুত্ব বড় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতির আকারের বিচারে ভারত এখনো অনেক এগিয়ে। ২০২৫ সালের হিসাবে ভারতের অর্থনীতির আকার প্রায় ৩ হাজার ৯১৬ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের ৪৫৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় আট গুণ বড়। তবে মাথাপিছু আয়ের সূচকে ছোট অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু এই প্রবণতাকে ‘বিস্ময়কর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যদিও কিছু ভারতীয় বিশ্লেষকের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—এটি বাংলাদেশের প্রকৃত অগ্রগতি, নাকি কেবল বিনিময় হারভিত্তিক পরিসংখ্যানের প্রতিফলন।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পার্থক্যের অন্যতম কারণ মুদ্রার বিনিময় হার। ২০১৮ সালের পর কয়েক বছর ডলারের হিসাবে বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ে ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল। তবে ২০২৫ সালে টাকার অবমূল্যায়নের ফলে সেই অবস্থান কিছুটা পরিবর্তিত হয়।

ঐতিহাসিকভাবে, ১৯৮৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত সময়েও বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়ে ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল। পরবর্তীতে প্রায় দেড় দশক ভারত এগিয়ে থাকলেও ২০১৮ সালে আবারও বাংলাদেশ শীর্ষে উঠে আসে।

তবে আইএমএফের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ভারত পুনরায় এগিয়ে যেতে পারে এবং অন্তত ২০৩১ সাল পর্যন্ত সেই অবস্থান ধরে রাখতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ডলার মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি একটি পরিবর্তনশীল সূচক, যা বিনিময় হারের ওঠানামার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। কোনও দেশের মুদ্রার মান কমে গেলে উৎপাদন অপরিবর্তিত থাকলেও ডলারে তার মূল্য কমে যায়।

অপরদিকে ক্রয়ক্ষমতার সমতা (পিপিপি)-ভিত্তিক হিসাব ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। এই পদ্ধতিতে দেশীয় মুদ্রার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়া হয়। সেখানে ভারত এখনো স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালে ভারতের পিপিপিভিত্তিক মাথাপিছু আয় ছিল ১১ হাজার ৭৮৯ ডলার, যা বাংলাদেশের ১০ হাজার ২৭১ ডলারের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি।

আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩১ সাল নাগাদ এই ব্যবধান আরও বাড়তে পারে। তখন ভারতের পিপিপি-ভিত্তিক মাথাপিছু আয় দাঁড়াতে পারে ১৮ হাজার ৪৮৫ ডলার, বিপরীতে বাংলাদেশের হতে পারে ১৪ হাজার ৮৫৭ ডলার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারভিত্তিক মাথাপিছু আয়ের এই সাময়িক অগ্রগতি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও তা এককভাবে জনগণের জীবনমানের পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না। এজন্য পিপিপি, আয়বৈষম্য ও জীবনযাত্রার মানসহ অন্যান্য সূচক সমানভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।


একদিনে ১৫ দপ্তরে নতুন চেয়ারম্যান-ডিজি নিয়োগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। একদিনেই ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক (ডিজি) পদে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. নুর-এ আলম স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এসব নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ, খাদ্য অধিদপ্তর, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা), পরিবেশ অধিদপ্তর, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর, জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রাজা মো. আব্দুল হাইকে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার চাকরি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হয়েছেন অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলাম। শফিকুল ইসলাম বর্তমানে গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক। তার চাকরি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. জসীম উদ্দিন খানকে খাদ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাকে এই নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরে নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. লুৎফর রহমান। তার চাকরি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এম এম আরিফ পাশা। তার চাকরি কৃষি মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দিল আফরোজকে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক করা হয়েছে। তার চাকরি স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।

পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হয়েছেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। তার চাকরি শিল্প মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে নতুন মহাপরিচালক হয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের পরিচালক খোন্দকার আনোয়ার হোসেন। তার চাকরি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক হয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন। এজন্য তার চাকরি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তার চাকরি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামানকে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক করে তার চাকরি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পরিকল্পনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবুল হাসনাত মুহম্মদ আনোয়ার পাশা।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দেলোয়ার হোসেনকে গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিটের (জিআইইউ) মহাপরিচালক নিয়োগ দিয়ে তার চাকরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।

এছাড়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের রেজিস্ট্রার জেনারেল হয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসান মাহমুদ। তার চাকরি স্থানীয় সরকার বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।


banner close