বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
২০ ফাল্গুন ১৪৩২

ফখরুলের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেক এক-এগারোর আভাস: নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত
ইউএনবি
প্রকাশিত
ইউএনবি
প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ২১:০২

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটি ১/১১ সরকার গঠনের আভাস বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরোধী- এমন কিছু হলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক পোস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মূলত আরেকটা ১/১১ সরকার গঠনের ইঙ্গিত বহন করে। ১/১১ এর বন্দোবস্ত থেকেই আওয়ামী ফ্যাসিজমের উত্থান ঘটেছিল। বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যে সামনে আরেকটা ১/১১ সরকার, সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা এবং গুম-খুন ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ার আলামত রয়েছে।’

এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের এক আলোচনায় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। যদি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পক্ষপাতমুক্ত থাকতে না পারে, তাহলে নির্বাচনের সময় একটি নিরপেক্ষ সরকার দরকার। আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, বেশ কিছু বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষতা ধরে রাখতে পারছে না।’ সেই প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পরিবর্তন, সংস্কার, নতুন সংবিধান, জুলাই ঘোষণা সব ইস্যুতেই বিএনপি বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অথচ এগুলোর কোনোটিই ছাত্রদের দলীয় কোনো দাবি ছিল না। কিন্তু দেশের স্থিতিশীলতা, বৃহত্তর স্বার্থ এবং জাতীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য ছাত্ররা বারবার তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। কিন্তু এর মানে এই না যে গণতন্ত্রবিরোধী ও অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাবিরোধী কোনো পরিকল্পনা হলে সেখানে আমরা বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেব।

তিনি লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগ বিষয়ে ভারতের প্রধান দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সম্ভব হয়েছে অথচ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ বিষয়ে আমরা ঐক্য করতে পারিনি এত হত্যা ও অপরাধের পরেও। হায় এই ‘জাতীয় ঐক্য’ লইয়া আমরা কি রাষ্ট্র বানাব!’ তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশকে দুর্বল করা সহজ, কারণ বাংলাদেশকে সহজেই বিভাজিত করা যায়। এ দেশের বড় বড় লোকেরা অল্পমূল্যে বিক্রি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।’

৫ আগস্ট থেকে ছাত্রদের মাইনাস করার পরিকল্পনা

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা যেদিন ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যান, সেই ৫ আগস্ট থেকেই ছাত্র ও অভ্যুত্থানকারীদের মাইনাস করার পরিকল্পনা হয়েছে বলেও ওই পোস্টে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক অন্যতম এ সমন্বয়ক।

ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারে আসা তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা তার পোস্টে আরও লিখেছেন,‘ছাত্র এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্বকে মাইনাস করার পরিকল্পনা ৫ আগস্ট থেকেই শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট যখন ছাত্র-জনতা রাজপথে লড়াই করছে, পুলিশের গুলি অব্যাহত রয়েছে, তখন আমাদের আপসকামী অনেক জাতীয় নেতা ক্যান্টনমেন্টে জনগণকে বাদ দিয়ে নতুন সরকার করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত ছিলেন (অনেকে ছাত্রদের কথাও বলেছেন সেখানে)।’ নাহিদ পোস্টে আরও লিখেছেন‘৩ আগস্ট থেকে বলে আসছি, আমরা কোনো প্রকারের সেনাশাসন বা জরুরি অবস্থা মেনে নেব না। আমাদের বারবার ক্যান্টনমেন্টে যেতে বলা হলেও আমরা যেতে অস্বীকার করি। শেষ পর্যন্ত বঙ্গভবনে আলোচনা ও বার্গেনিংয়ের মাধ্যমে ড. ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।’ জুলাই আন্দোলনের এই নেতা লিখেছেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে একটা জাতীয় সরকার। জাতীয় সরকার হলে ছাত্রদের হয়তো সরকারে আসার প্রয়োজন হতো না। জাতীয় সরকার অনেকদিন স্থায়ী হবে, এই বিবেচনায় বিএনপি জাতীয় সরকারে রাজি হয়নি। কিন্তু অভ্যুত্থানের পরেই দেশে জাতীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল। অথচ বিএনপি জাতীয় সরকারের কথা বলতেছে সামনের নির্বাচনের পরে।’

নাহিদ লিখেছেন, ‘ছাত্ররাই এই সরকারের এবং বিদ্যমান বাস্তবতার একমাত্র ফ্যাক্টর; যেটা ১/১১ এর সরকার থেকে বর্তমান সরকারকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা করে। বিএনপি কয়েকদিন আগে মাইনাস টু-এর আলোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম করার জন্য নিরপেক্ষ সরকারের নামে আরেকটি ১/১১ সরকারের প্রস্তাবনা করছে। এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাবে এবং ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই এটা মেনে নেবে না। এবং আমি মনে করি এটা বিএনপির বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র।’ তথ্য উপদেষ্টা লিখেছেন,‘আর এই সরকার জাতীয় সরকার না হলেও সরকারে আন্দোলনের সব পক্ষেরই অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সবপক্ষই নানা সুবিধা ভোগ করছে। সরকার গঠনের আগেই ৬ আগস্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এবং পুলিশের আগের আইজির নিয়োগ হয়েছিল, যারা মূলত বিএনপির লোক। এরকমভাবে সরকারের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত নানা স্তরে বিএনপিপন্থি লোকজন রয়েছে। নির্বাচনের নিরপেক্ষতার কথা বললে এই বাস্তবতায়ও মাথায় রাখতে হবে।’


৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, কে পেলো কোন দফতরের দায়িত্ব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কার্যক্রমে গতিশীলতা ও সমন্বয় বাড়াতে মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকারের ৮ জন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনায় বেশ কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বভার সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. শরীফুল আলম এখন থেকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব। একই মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে থাকা মো. রাজিব আহসানকে দেওয়া হয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব।

এছাড়া অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এখন থেকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. নুরুল হক পেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের দক্ষতা ও সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।


চাঁদাবাজ-অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুদৃঢ় করতে এবার সারা দেশে চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি জেলায় চাঁদাবাজ, অবৈধ অস্ত্রধারী এবং দাগি আসামিদের তালিকা তৈরি করার কাজ চলছে। এই তালিকা ধরে খুব শিগগিরই দ্রুত ও কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা হবে, যাতে অপরাধীরা আইনের আওতায় আসে। এই উদ্যোগে দেশবাসীকে নিশ্চিন্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি অভিযানে জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা অটুট রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।

ডিএমপি সদর দপ্তর পরিদর্শনকালে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা। এ ক্ষেত্রে পুলিশকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে পুলিশের ওপর রাজনৈতিক দোষ চাপানোর বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে কিছু ব্যক্তির দায়ভার পুরো প্রতিষ্ঠানের ওপর বর্তাতে পারে না। পুলিশকে এখন জনগণের সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।

বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে দৃঢ় সংকল্প লক্ষ্য করেছেন। দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। অতীত ভুলে নতুন কৌশলে পুলিশ জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে মূলত সারা দেশে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী

আপডেটেড ৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর নেতিবাচক প্রভাবে বাংলাদেশেও জ্বালানি আমদানির আগের সব প্রতিশ্রুতি ও চালান আসা বন্ধ হয়ে গেছে। উদ্ভূত এই সংকট মোকাবিলায় এবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে জরুরি জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

বৈঠক শেষে জ্বালানিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের এই আহ্বানের প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রতিনিধি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন এবং এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। মূলত বৈশ্বিক যুদ্ধাবস্থার কারণে জ্বালানি সরবরাহের চেইন ভেঙে পড়ায় এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

দেশের বর্তমান জ্বালানি মজুদ ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বর্তমানে যে পরিমাণ জ্বালানি মজুদ আছে, তা দিয়ে মার্চ মাস পর্যন্ত চলা সম্ভব হবে। তবে সামনেই ঈদুল ফিতর, তাই ঈদের সময় পর্যন্ত এই সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মজুদকৃত জ্বালানি কীভাবে সাশ্রয়ী উপায়ে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প উৎস হিসেবে সব জায়গা থেকে জ্বালানি আমদানির জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

এদিকে আসন্ন গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন মন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে অসহনীয় পর্যায়ের কোনো বিদ্যুৎ সংকট হবে না। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং লোডশেডিং এড়াতে বিদ্যুতের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তিটি অপরিবর্তনীয় কিছু নয়; বরং প্রয়োজনে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

দুই দেশের বাণিজ্যের পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি হয় প্রায় পৌনে তিন বিলিয়ন ডলার। একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার হওয়ায় দুই দেশের এই সম্পর্কের সঙ্গে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নসহ অর্থনীতির নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত।

অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে যে সমালোচনা চলছে, সে বিষয়েও কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন, যেকোনো চুক্তিতেই উভয় পক্ষের স্বার্থ জড়িত থাকে এবং কিছু ধারা এক পক্ষের অনুকূলে গেলেও অন্য ধারা অপর পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। আলোচনার মাধ্যমে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, চুক্তিটিকে এখনই সম্পূর্ণ ইতিবাচক বা নেতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি একটি রাষ্ট্রীয় বাস্তবতা, তবে ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে এতে পরিবর্তনের পথ খোলা রয়েছে।

বৈঠকে ভিসা বন্ড ও শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়। মার্কিন আদালতে জরুরি ক্ষমতার আওতায় শুল্ক সংক্রান্ত রায়ের বিষয়টি সরকার পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানান মন্ত্রী। এছাড়া ভিসা বন্ড ইস্যুতে ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার চায় দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের যাতায়াত যেন সহজ ও বাধাহীন হয়। যুক্তরাষ্ট্র নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী এবং নন-ট্যারিফ বাধাগুলো দূর করা গেলে ভবিষ্যতে মার্কিন বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আনসার ও ভিডিপি মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। আজ বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় তাঁরা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

আনসার ও ভিডিপির দেশপ্রেম এবং পেশাদারত্বের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের শান্তি, নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থে জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি।

সাক্ষাতে আনসার ও ভিডিপির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত হন প্রধানমন্ত্রী। এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।


পাঁচদিনে শাহজালাল বিমানবন্দরে বাতিল হলো ১৭৩ ফ্লাইট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাবে বড় ধরণের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। গত পাঁচ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ১৭৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মূলত নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় এই নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) আজ বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বেবিচকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম দিনে ২৩টি ফ্লাইট বাতিল করার মধ্য দিয়ে এই অচলাবস্থার শুরু হয়। পরবর্তী দিনগুলোতে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে; ১ মার্চ ৪০টি এবং ২ মার্চ সর্বোচ্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। গতকাল ৩ মার্চ ৩৯টি এবং আজ ৪ মার্চ দুপুর পর্যন্ত আরও ২৫টি ফ্লাইটের যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে। ধারাবাহিক এই ফ্লাইট বাতিলের ফলে বিমানবন্দরের নিয়মিত শিডিউল পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যগামী হাজার হাজার যাত্রী বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

আজ বুধবার বাতিল হওয়া ২৫টি ফ্লাইটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৮টি ফ্লাইট রয়েছে এয়ার অ্যারাবিয়ার। এছাড়া এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ৫টি এবং কাতার ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৪টি করে ফ্লাইটের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। কুয়েত ও জাজিরা এয়ারলাইন্সের আরও ৪টি ফ্লাইটও এই তালিকায় রয়েছে। আকাশপথের এই অচলাবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। অনেকেরই ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকায় এবং নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পেরে তাঁরা গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

বেবিচকের জনসংযোগ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান দেশগুলোর আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো যাত্রীদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানিয়েছে এবং আকাশপথ নিরাপদ হওয়ার সাথে সাথে নতুন শিডিউল ঘোষণা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছে। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক এই ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের ওপর বড় ধরণের ছায়া ফেলেছে।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক: আলোচনাকে ‘ইতিবাচক’ বললেন পল কাপুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অত্যন্ত ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় পল কাপুর কেবল ‘আলোচনা ভালো হয়েছে’ বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘এখানে (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে) আসতে আমাদের সব সময় ভালো লাগে।’

এদিন উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি কৌশলগত প্রতিরক্ষা ইস্যুগুলো আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অস্ত্র কেনাকাটাবিষয়ক চুক্তি ‘আকসা’ (ACSA) এবং সামরিক গোপন তথ্য বিনিময় ও সুরক্ষার চুক্তি ‘জিসোমিয়া’ (GSOMIA) নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সাংবাদিকরা তা জানতে চেয়েছিলেন। তবে এসব সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের কোনো সরাসরি জবাব না দিয়ে পল কাপুর ইতিবাচক আলোচনার ইঙ্গিত দিয়ে মন্ত্রণালয় ত্যাগ করেন। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই সফরকে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শক্তিশালী কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার বিকেলেই মার্কিন এই শীর্ষ কূটনীতিক অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বসবেন। এসব বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাণিজ্যিক বিনিয়োগের বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে বলে জানা গেছে। এছাড়া সন্ধ্যায় তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

সফরের শেষ দিন অর্থাৎ আগামীকাল বৃহস্পতিবার পল কাপুর প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হবেন। এরপর দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরের ইতি টানবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। গত ৩ মার্চ ঢাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই পল কাপুরের এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারণে তাঁর এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে পল কাপুরের বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করার লক্ষ্য নিয়ে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। নবনির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর উচ্চপর্যায়ের কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গেও একান্ত আলোচনায় বসবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মধ্য দিয়ে পল কাপুরের তিন দিনের ঢাকা সফর শুরু হয়। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। বিশেষ করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার উপায়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাই তাঁর এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ দিনভর অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করবেন পল কাপুর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গেও পৃথক বৈঠকে বসবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতের সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সন্ধ্যায় তিনি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) আয়োজনে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তাঁর মতবিনিময় করার কথা রয়েছে।

সফরের শেষ দিনে পল কাপুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। মার্কিন এই শীর্ষ কূটনীতিকের আগমনে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যেমন নতুন মাত্রা পাবে, তেমনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে পল কাপুরের এই সফরটি ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের এক নতুন রূপরেখা তৈরি করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।


সিসা লাউঞ্জের আড়ালে মাদক ও অনৈতিক কাজ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর গুলশান ও বনানীসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় পরিচালিত অনুমোদনহীন সিসা লাউঞ্জ ও সিসা বারগুলো অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সিসা সেবন বন্ধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু।

হাইকোর্টের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজিপি, র‍্যাব মহাপরিচালক ও ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর গুলশান-বনানীসহ অভিজাত এলাকায় অবৈধ সিসা বার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

এরও আগে, গত ৮ জানুয়ারি অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়, যেখানে সিসা বারের আড়ালে মাদক ব্যবসার ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে।

সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় রাতের গভীরে ক্যাফে বা লাউঞ্জের আড়ালে সিসা বারের গোপন আড্ডা জমে ওঠে। প্রচলিত আইনে দেশে সিসা বার পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। আইনত নিষিদ্ধ হলেও তদারকির অভাবে এই সংস্কৃতি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাজধানীর প্রায় শতাধিক সিসা বার চালু রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টি তরুণ-তরুণীদের প্রধান আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এসব জায়গায় তামাকজাত সিসার সঙ্গে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল এমনকি লিকুইড কোকেনের মতো ভয়াবহ মাদক মিশিয়ে সেবন করা হয়। উচ্চ শব্দে সংগীত ও অ্যালকোহলের গন্ধে সেখানে এক বিভীষিকাময় পরিবেশ তৈরি হয়।

শুধু মাদক নয়, এসব সিসা বারে তৈরি করা হয়েছে সাউন্ডপ্রুফ গোপন কেবিন, যেখানে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের প্রবেশাধিকার থাকে। এসব কেবিনে মাদক সেবনের পাশাপাশি নানা ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চলে আসছিল, যা বন্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিলেন উচ্চ আদালত।


নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য: সারাহ কুক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলা‌দে‌শে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খ‌লিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলা‌মের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেছেন তি‌নি।

ব্রিটিশ হাইক‌মিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে উভয় দেশ অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।

সারাহ কুক বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। দেশের এই নতুন অধ্যায়ে আমরা একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী।


২ ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত এক ডিআইজিকেও বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বদলি করা কর্মকর্তারা হলেন ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।


বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় পল কাপুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ওয়াশিংটন–ঢাকা কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী মন্ত্রী এস. পল কাপুর ঢাকায় এসেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে দুই দিনের সফরে তিনি ঢাকা পৌঁছান। বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের প্রথম কোনো দ্বিপক্ষীয় সফর।

পল কাপুরের সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রায় জানান, পল কাপুরের সফরের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা। সফরকালে তিনি নতুন সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে (ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

সূত্র জানায়, পল কাপুরের সফরটি রাজনৈতিক হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ যে বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে, তা বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেবে ওয়াশিংটন। এ সফরে রাজনৈতিক বোঝাপড়া, দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়, মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সমস্যা, আঞ্চলিক ইস্যু—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতি—আলোচনার টেবিলে থাকবে।

পল কাপুর আজ বুধবার পল কাপুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।

সফরের শেষ দিন আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করবেন পল কাপুর।

এরপর রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে পলের। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইফতার পার্টিতে অংশ নেবেন তিনি।

পল কাপুরের ঢাকা সফর নিয়ে ঢাকা মার্কিন দূতাবাস গত সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই সফরের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা। সফরকালে মার্কিন সহকারী মন্ত্রী কাপুর নতুন সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।


চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের বাজারে মোটা চালের মূল্য বাড়ার খবর শুনেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লাগানো প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো ব্যানার, বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মোটা চাল যেটা প্রান্তিক মানুষের খাদ্য সেই চাল খুচরা বাজারে বৃদ্ধির সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে দ্রুত ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেছেন। দেখা গেছে যে, তাৎক্ষণিক এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।

এদিকে, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লাগানো প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো ব্যানার, বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী গুলশান এলাকা থেকে বের হওয়ার সময় হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনে তার ছবিসংবলিত ব্যানার দেখতে পান। তখনই তা সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেন এবং দ্রুত সেটি অপসারণ করা হয়।

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বিলবোর্ড ও এলইডি স্ক্রিনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনও দ্রুত সরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কয়েক দিন আগেও বিজয় সরণির সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার সময়ে একটি এলইডি স্ক্রিনে অভিনন্দন জানিয়ে তার ছবি প্রদর্শিত হচ্ছিল দেখে তিনি তখনই তা অপসারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল জিয়াউল হক। এ সময় উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি, অবৈধ পাচার রোধ এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত টহল বাড়াতে ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক সিগন্যাল মানার প্রবণতা বাড়ায় যানবাহনের গতি কিছুটা বেড়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের গতি–প্রকৃতি কেমন এ–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজ উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি এক কিলোমিটার বেড়েছে।’

আতিকুর রহমান বলেন, ‘রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিল ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার, যা হাঁটা গতির সমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন।’

প্রতিবেদনে গত ১৪ দিনের একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে, ভিভিআইপি প্রটোকলে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত না হওয়ায় যানবাহনের গতি ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর পর রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন।


banner close