রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নে শতাধিক ভুল, ফের নেয়ার দাবি শিক্ষক মহলেই

আপডেটেড
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ২১:৪২
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১৮:৪০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষার অনেকগুলো প্রশ্নপত্রে প্রায় একশ ভুল ধরা পড়েছে। কাঠামোগত অসঙ্গতি, পুনরাবৃত্ত প্রশ্ন, এবং ক্রমধারার অমিল ছাড়াও বানান, অনুবাদ, বাক্যগঠন ও ব্যাকরণে একাধিক ভুল লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া রয়েছে গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট বাক্যও।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ভুলেভরা প্রশ্নপত্রের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। এই প্রশ্নপত্র তৈরিতে যারা যুক্ত ছিলেন তারা পেশাদারত্ব এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেননি। প্রশ্ন প্রণয়নের পর এটি ভালোভাবে ক্রসচেক করে দেখা উচিত ছিল। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দৃষ্টিকটু ভুলগুলো হচ্ছে:

নির্দেশনাগত ভুল: ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সব বিষয়ের প্রশ্নে শিক্ষার্থীদের উত্তর করতে হয় না। প্রশ্নপত্রের শুরুতে যে ভুলটি লক্ষ করা গেছে সেটি হলো- নির্দেশনাগত ভুল। অর্থাৎ পরীক্ষার্থীকে কয়টি বিষয়ে উত্তর করতে হবে সেই নির্দেশনাই দেওয়া ছিল না। ফলে যেসব পরীক্ষার্থীর নির্দেশনা সম্পর্কে পূর্ব ধারণা ছিল না, পরীক্ষার হলে তারা বিভ্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন পরীক্ষার হলে দায়িত্বরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষকরা।

কাঠামোগত ভুল: পরীক্ষা শেষে বিভিন্ন সেটের প্রশ্নপত্র এক করে দেখা গেছে, এক সেটের সব প্রশ্ন একই হওয়ার কথা থাকলেও ‘এ’ সেটে দুই ধরনের প্রশ্ন এসেছে। এক ধরনে চারটি প্রশ্নের পুনারাবৃত্তি হয়েছে, অন্য ধরনে কোনো প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি হয়নি। ফলে যে ধরনে চারটি প্রশ্ন পুনরাবৃত্তি হয়েছে সেই ধরনে স্বভাবতই এমন চারটি প্রশ্ন অনুপস্থিত ছিল যেটি অন্য ধরনে উপস্থিত ছিল। আবার, একই সেটের সকল প্রশ্নের ক্রমধারা ঠিক থাকার কথা থাকলেও সেটিও ঠিক ছিল না।

তেমনিভাবে ‘বি’ সেটেও দুই ধরনের প্রশ্ন হয়েছে এবং এই সেটের সব প্রশ্নের ক্রমধারাও এক ছিল না। তবে দুই সেটেই এই ভুলগুলো হয়েছে শুধুমাত্র ইংরেজি ও অ্যাকাউন্টিং অংশে। সি এবং ডি সেটে এই ধরনের কোনো ভুল হয়নি।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ‘এ’ ও ‘বি’-এর প্রতিটি সেটে ১২টি প্রশ্নের ক্রমধারা ঠিক নেই। যেটি একজন পরীক্ষার্থীর ফলাফলে বড় ধরনের ধস নামিয়ে দিতে যথেষ্ট। কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ওএমআর অংশটি স্ক্যান করে কম্পিউটারের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয়। কম্পিউটারকে একটি সেটের জন্য একটি উত্তরপত্র দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ভুল-শুদ্ধ নির্ণয় করে কম্পিউটার নম্বর দেয়। ফলে একই সেটের প্রশ্নে এমসিকিউর ক্রমধারা ঠিক না থাকলে এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্ন থাকলে যেসব শিক্ষার্থীর হাতে ভুল প্রশ্ন গিয়েছে, তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

অনুবাদ ও ইংরেজি ব্যাকরণে ভুল: প্রশ্নপত্রের বাংলা ও ইংরেজি অংশ ছাড়া বাকিসব বিষয় অর্থাৎ অ্যাকাউন্টিং, বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং, ফিন্যান্স ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স অংশের করা প্রশ্ন বাংলা ও ইংরেজি ভাষা দুই ভাষাতেই করা হয়েছে।

প্রশ্নপত্র পড়ে দেখা যায়, কিছু প্রশ্নের ইংরেজি অনুবাদ ঠিকভাবে করা হয়নি। আবার এই অনুবাদ করতে গিয়ে কিছু ক্ষেত্রে ব্যাকরণগত ভুলও করা হয়েছে।

বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট

# ‘নিচের কোন ধরনের নেতৃত্বে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অন্যদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হয়? (Which type of leadership style give full freedom to take decision to others?)’

এখানে দুইটি ভুল করা হয়েছে। প্রথমত ‘সিদ্ধান্তগ্রহণ’ একশব্দে হবে। আর give এর সাথে s যুক্ত হয়ে gives হবে।

# ‘কোনটি স্থায়ী পরিকল্পনা? (Which one of the following is standing plan)’

এই প্রশ্নের সঠিক অনুবাদ হবে- Which is the standing plan?

প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং

# ‘পণ্যের জীবনচক্রের কোন স্তরে এসে বিক্রয় প্রবৃদ্দি কমতে থাকে? (At what stage is the product lifecycle do the sales growth start to slowdown?)’

এখানে ‘প্রবৃদ্দি’-এর স্থলে ‘প্রবৃদ্ধি’ হবে। আর ইংরেজিতে is এর স্থলে of, do এর স্থলে does এবং slowdown-এর স্থলে slow down হবে।

অ্যাকাউন্টিং (লিখিত অংশ)

# ‘কোন অনুপাতটি একটি কোম্পানির স্বল্পমেয়াদি দায় পরিশোধের ক্ষমতা পরিমাপ করে? (Which ratio measures a company’s ability to pay short-term liabilities)’

এখানে ইংরেজিতে ব্যাকরণগত ভুল হয়েছে। সঠিক ইংরেজি হবে, Which ratio Does measure a company’s ability to pay short-term liabilities?

বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (লিখিত অংশ)

# ‘কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে দ্বৈতকর বলতে কি বুঝায়? (What is the double taxation in the context of coporation?)’

এখানে ‘কী’ এর স্থলে ‘কি’ লিখা হয়েছে। এছাড়া অনুবাদও ভুলভাবে করা হয়েছে। সঠিক অনুবাদ হবে- ‘What is meant by double taxation in corporation?’

প্রোডাকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং (লিখিত অংশ)

# ‘পণ্য ও সেবার মধ্যে পার্থক্য কর। (What is the basic difference between product and service?)’ এটির সঠিক অনুবাদ হবে- Differentiate between product and service.

পুরো প্রশ্নপত্রে এই ধরনের আরও অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে।

বানানগত ভুল: প্রশ্নপত্রের বিভিন্ন অংশে ‘কি’, ‘কর’, ‘নীচের’, ‘একত্রিকরন’, ‘অধিগ্রহন’, ‘গড়ব্যায়’, ‘কাচামাল’, ‘স্বারকলিপি’, ‘স্বত্ত্বগত শব্দগুলো ভুল বানানে লেখা হয়েছে যেগুলোর শুদ্ধরূপ হবে যথাক্রমে- ‘কী’, ‘করো’, ‘নিচের’, ‘একত্রীকরণ’ ‘অধিগ্রহণ’, ‘গড়ব্যয় ‘,‘কাঁচামাল’,‘স্মারকলিপি’,‘স্বত্বগত’।

এছাড়া, লিখিত অংশে প্রশ্ন করা হয়েছে ‘মূলধনী লাভ বলিতে কি বুঝায়?’ এখানে গুরুচণ্ডালি দোষ হয়েছে। আর একাধিক জায়গায় ‘কী’ এর স্থলে লেখা হয়েছে ‘কি’।

ভর্তি পরীক্ষার এক প্রশ্নে এত ভুল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। তারা দ্বিতীয়বার এই পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র শিক্ষক বলেন, এই ধরনের ভুলেভরা প্রশ্নপত্র অপেশাদারত্বের ইঙ্গিত দেয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে। এটির দায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন কখনো এড়াতে পারেন না। তার উচিত সকল দায়-দায়িত্ব স্বীকার করে পদত্যাগ করে ক্ষমা চাওয়া। শিক্ষার্থী, দেশ, মেধার বিকাশ এবং ন্যায্যতার স্বার্থে এই পরীক্ষা দ্বিতীয়বার নেওয়া উচিত বলে মনে করেন এই শিক্ষক।

তিনি বলেন, দ্বিতীয়বারের পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ দায়িত্বে সকল খরচ বহন করা উচিত।

পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়কারী যা বলছেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে কাঠামোগত ত্রুটি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ও অনুষদের ডিন ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম। গতকাল তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘এ’ সেটের দ্বিতীয় পৃষ্ঠার কিছু প্রশ্ন ‘বি’ সেটে এবং ‘বি’ সেটের দ্বিতীয় পৃষ্ঠার কিছু প্রশ্ন ‘এ’ সেটে ছাপা হওয়ায় নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রশ্ন পুনরাবৃত্তি হয়েছে ও ধারাবাহিকতা বিঘ্নিত হয়েছে।

মাহমুদ ওসমান বলেছেন, ভুল প্রশ্নপত্র চিহ্নিত করার কাজ চলছে এবং এটি দ্রুত সমাধান করা হবে। শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না, বরং তাদের স্বার্থ নিশ্চিত করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কাঠামোগত এই ভুলের সমাধানের বিষয়ে গতকাল রোববার অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ডিন মাহমুদ ওসমান।

দ্বিতীয়বার পরীক্ষা নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে মাহমুদ ওসমান দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘না, দ্বিতীয়বার পরীক্ষা নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই। যেটি পরীক্ষা নেওয়া ছাড়াই সমাধানযোগ্য, সেখানে আমরা নতুন করে পরীক্ষা নিতে যাব কেন?’

তবে কী পদ্ধতি অনুসরণ করে এই কাঠামোগত ভুলের সমাধান করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আপাতত আমরা সেটি রিভিল (প্রকাশ) করছি না। সময় হলে আমরা আপনাদের জানাব।’

প্রশ্নপত্রে বানান, অনুবাদ এবং ব্যাকরণগত ভুলের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ডিন ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম বলেছেন, ‘ঠিক, এসবে আমাদের কিছু ভুল হয়েছে। সামনে আমরা এসব বিষয়ে আরও সতর্ক থাকব।’


নির্বাচিত

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের তদন্ত সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি

রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে সাইবার অপরাধ মামলা তদন্তসংক্রান্ত ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি) কোর্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইজিপি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্রমবর্ধমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও উদ্ঘাটনে পুলিশ সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং তদন্ত সক্ষমতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। রবিবার সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশে আয়োজিত সাইবার অপরাধ মামলা তদন্তবিষয়ক বিশেষ ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ (টিওটি) কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইজিপি উল্লেখ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপফেক প্রযুক্তি, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ এবং ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মতো আধুনিক আবিষ্কারগুলো জীবনযাত্রাকে সহজ করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নিত্যনতুন বহুমুখী চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এসব প্রযুক্তির অপপ্রয়োগের মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা আর্থিক জালিয়াতি, তথ্য চুরি, হ্যাকিং, ডিজিটাল চাঁদাবাজি এবং অনলাইনে হেনস্তার মতো মারাত্মক অপরাধ ঘটাচ্ছে। এই বাস্তবতায় অপরাধ দমনে পুলিশি কৌশলে যুগোপযোগী রূপান্তর এবং সাইবার তদন্তে আধুনিক সক্ষমতা অর্জন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, ‘এ কোর্সের মাধ্যমে আপনারা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করবেন না, একই সঙ্গে প্রশিক্ষণ প্রদান ও যোগাযোগ দক্ষতা অর্জনেও সক্ষম হবেন। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা অন্য তদন্তকারীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই কোর্সের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে সহকর্মীদের দক্ষ করে তুলতে পারলে দেশে কার্যকর সাইবার তদন্তকারীর সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে এ ধরনের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ মডিউল ও কারিকুলাম নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করার ওপর জোর দেন তিনি।

পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর ও অতিরিক্ত আইজিপি কাজী মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ডিআইজি (ট্রেনিং) মো. একরামুল হাবিব এবং প্রশিক্ষণের সার্বিক রূপরেখা ও রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত ডিআইজি ড. মোছা. শেহেলা পারভীন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রশিক্ষণ শাখার সহযোগিতায় পরিচালিত এই ১০ দিনব্যাপী কোর্সে অংশ নেওয়া ৩৩২ জন কর্মকর্তা পরবর্তীতে মাঠপর্যায়ের সাইবার তদন্তকারীদের দক্ষ করে তোলার দায়িত্ব পালন করবেন।


নির্বাচিত

সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে প্রতিটি নাগরিকের মতপ্রকাশ ও গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার রয়েছে। তবে গঠনমূলক সমালোচনা আর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চরিত্রহনন এক নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ’র সঙ্গে আজ দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে আন্তর্জাতিক রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী ।

আইআরআই’র রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি’র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, আইআরআই’র টেকনিক্যাল এডভাইজার রুকসানা হক এবং তরুণ রাজনীতিবিদ ও আইআরআই প্রশিক্ষণার্থী চামন ফারিয়া ও মোহাম্মদ প্রিন্স।

বৈঠকে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধ এবং প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন ২০২৬ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সাক্ষাৎকালে আইআরআই’র রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাদের চলমান যুব নেতৃত্ব গঠন ও সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক চর্চা সংক্রান্ত কর্মসূচির কথা অবহিত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও রাজনৈতিক কর্মীরা বর্তমানে সাইবার বুলিং এবং সংগঠিত অপপ্রচারের কারণে হয়রানি ও মানহানির শিকার হচ্ছেন। তিনি এই ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলগুলোর জন্য একটি সর্বসম্মত নীতি ও আইনগত সুরক্ষার আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করে বলেন, সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন।

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন পরিমার্জনের ক্ষেত্রে গত দুই মাস ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র সম্পাদক এবং সুশীল সমাজের অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হচ্ছে। আইনটির মূল লক্ষ্য হবে ডিজিটাল স্পেসে শালীনতা ফিরিয়ে আনা, নারী ও তরুণদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা করা এবং একই সাথে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাতে আইনের কোনো ধরনের অপব্যবহার না ঘটে।

মন্ত্রী সহিংসতামুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সুসংহত করতে সরকার আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের ইতিবাচক পরামর্শ সাদরে গ্রহণ করবে বলে জানান।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শেভরনের বেস অ্যাসেটস জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনকে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেভরনের বেস অ্যাসেটস ও উদীয়মান দেশবিষয়ক প্রেসিডেন্ট জাভিয়ার লা রোসার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সাক্ষাতে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে দেশে বিদ্যমান ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনের বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শু শিয়ংসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই : এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের ভিত্তি তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামো সুদৃঢ় করা সম্ভব নয়।’

আজ রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে শক্তিশালী ও কার্যকর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, স্থানীয় সরকারকে সত্যিকার অর্থে কার্যকর ও শক্তিশালী করতে প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। একই সঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার, গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, গ্রামীণ নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ নানা দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হয়।

সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও জনগণের কাছে জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং নারী ক্ষমতায়নের মতো ক্ষেত্রে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি গণতন্ত্র সুদৃঢ় করার নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ কওে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে দুই পক্ষ একমত পোষণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

দেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

ডা. জুবাইদা রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। আজ রবিবার রাজধানীর নভোথিয়েটারে আয়োজিত ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কোনো সুবিধা নয়; এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার।’

বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. জুবাইদা রহমান উল্লেখ করেন যে, মশাবাহিত এই রোগ প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ব্যক্তিগত পর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান। এ ছাড়া সামগ্রিক জাতীয় অগ্রগতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব’।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের নতুন তারিখ ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফেনী জেলা সফরের পূর্বনির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে পুনর্নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তিনি আগামী ১ অক্টোবর ফেনী সফরে যাবেন। রবিবার দুপুরে ফেনীর জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, সরকারপ্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানীয় জলের সংস্থান এবং উন্নত স্যানিটেশনসহ আনুষঙ্গিক যাবতীয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর সমন্বিতভাবে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। আগামী ১ অক্টোবরের আগেই সফরের যাবতীয় আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শতভাগ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে সফরের তারিখ পেছানো হলেও প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী পরশুরামে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) সম্প্রতি অনুমোদিত ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন। দীর্ঘপ্রতীক্ষিত এই বাঁধ ও নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে নদী অববাহিকার বিস্তীর্ণ জনপদের দীর্ঘদিনের বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে।


নির্বাচিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন (ইসি) গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্য-অযোগ্যতাটা তৈরি করে নির্বাচন কমিশন। এখন নির্বাচন কমিশন আমাদের আইন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা, সবকিছু নিয়ে ঠিক করবে যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন, কি পারবেন না।’

স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদণ্ড প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের জন্য কোনো ধরনের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতার আইনি বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। এর আগে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলির এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রতিমন্ত্রী নিজেও উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ গ্রেপ্তারেও বেপরোয়া মাদক কারবারিরা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়েও থামানো যাচ্ছে না মাদক কারবার। প্রতিদিন গড়ে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করছে পুলিশ।

টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হলেও বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, হেরোইনসহ নানা ধরনের মাদক। পুলিশের হিসাবে, গত এক মাসে বিভিন্ন অভিযোগে ১৫ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রয়েছে মাদক কারবারিও।

ডিএমপি সদর দপ্তর সূত্র জানায়, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২২ জন, লালবাগে ২৮, ওয়ারীতে ৬০, মতিঝিলে ৫২, তেজগাঁওয়ে ৯১, মিরপুরে ১৯৩, গুলশানে ৪১, উত্তরা বিভাগে ৪২, গোয়েন্দা বিভাগে ১২ এবং সিটিটিসিতে একজন রয়েছে। এ সময় ৫১টি মামলা করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন জানান, অভিযানে তিন হাজার ২৯১টি ইয়াবা, ৪৫ কেজি ৪৯০ গ্রাম গাঁজা, একটি শটগানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে চার শতাধিক শীর্ষ মাদক কারবারি রয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করে। তালিকা করে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশের তালিকায় থাকা শীর্ষ মাদক কারবারি মো. দিলদার ও তার সহযোগী শাকিরসহ অন্তত ৩৫ জন সীমান্ত থেকে মাদক এনে ঢাকায় বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পকেন্দ্রিক মাদক কারবার নিয়েও রয়েছে অভিযোগ।

ক্যাম্পের হুমায়ূন রোডসহ অন্তত ১২ স্পটে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ডিএমপির বিভিন্ন এলাকায় এমন চার শতাধিক মাদক বিক্রির স্পট রয়েছে।

সরেজমিনে গত কয়েক দিনে কারওয়ান বাজার রেলগেট, মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, মগবাজার রেলগেট, পল্লবী, খিলগাঁও ও উত্তর বাড্ডার কয়েকটি এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির চিত্র দেখা গেছে। মঙ্গলবার রাতে কারওয়ান বাজার রেলগেট এলাকায় কয়েকজন কিশোর-তরুণকে মাদকের ব্যাগ নিয়ে ঘুরতে দেখা যায়। ক্রেতাদের কাছে ইয়াবা বিক্রির পাশাপাশি রেলগেটের পাশে বসে অন্য বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করতে দেখা যায়।

মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পেও গত বুধবার ও গত বৃহস্পতিবার রাতে ইয়াবা, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির দৃশ্য দেখা যায়। কোথাও কোথাও মাদক কিনতে মানুষের সারিও দেখা গেছে। অথচ ক্যাম্পের চারপাশে পুলিশের একাধিক চেকপোস্ট রয়েছে এবং যৌথ বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালায়।

পুলিশের দাবি, ক্যাম্পের বড় একটি অংশের মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িত। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, দারিদ্র্য ও বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে মাদক কারবারিরা সেখানে ব্যবসা বিস্তার করেছে।

এ বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ রাজধানীতে মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কঠোরভাবে অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয়ে ছাড় না দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।


নির্বাচিত

নবম পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত, আসছে বড় পরিবর্তন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬’ বাস্তবায়নে নতুন বেতন কাঠামোর পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি চাকরিজীবীর জন্য ৭টি পৃথক বিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক আদেশ (এসআরও) জারি করতে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন অনলাইনে নির্ধারণে আইবাস প্লাস প্লাস ব্যবস্থাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রজ্ঞাপন জারির পরই পে-স্কেল বাস্তবায়নের কার্যক্রম দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইনগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ভেটিং শেষ হলে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে ৭টি পৃথক এসআরও থাকবে। এগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং সংশ্লিষ্ট বিধান আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে। ক্ষেত্রগুলো হলো-বেসামরিক প্রশাসন, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনী এবং বিচার বিভাগ।

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রজ্ঞাপন জারির পরই বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন কাঠামো প্রয়োগের ক্ষেত্রে কারিগরি ও প্রশাসনিক পার্থক্য বিবেচনায় নিয়ে পৃথক এসআরও প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রজ্ঞাপন জারির পর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে বাস্তবায়নের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। সাতটি পৃথক এসআরও-এর মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণির চাকরিজীবীর বেতন কাঠামো প্রয়োগের বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি আইবাস প্লাস প্লাসে তথ্য হালনাগাদ ও নতুন বেতন নির্ধারণের কারিগরি প্রস্তুতিও চলছে।

এর আগে, গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নবম পে-স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত হয়। এতে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে বলে সরকার জানিয়েছে।

এদিকে এবার নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে বড় পরিবর্তন আসছে বেতন নির্ধারণের ডিজিটাল ব্যবস্থায়। অর্থ বিভাগ সরকারি চাকরিজীবীদের ব্যক্তিগত তথ্য আইবাস প্লাস প্লাসের আওতায় আরও পূর্ণাঙ্গভাবে নিয়ে আসতে চায়।

নতুন ব্যবস্থায় প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী অনলাইনে আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে চাকরি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করবেন। এর মধ্যে পদ, গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, চাকরিতে যোগদানের তথ্য, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য থাকবে।

তথ্য পূরণ ও যাচাই শেষে নতুন পে-স্কেলের কাঠামো অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর মূল বেতন ও প্রযোজ্য ভাতা সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করা হবে। ফলে প্রত্যেক কর্মচারী নিজের তথ্যের ভিত্তিতে নতুন বেতন কাঠামোয় তার আর্থিক অবস্থান জানতে পারবেন।

বর্তমানে আইবাস প্লাস প্লাস সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বেতন, পেনশন, বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় অনলাইন বেতন বিল, জিপিএফ, ঋণ ও আয়কর-সংক্রান্ত হিসাব তৈরি এবং ইএফটির মাধ্যমে বেতন-পেনশন দেওয়ার সুবিধা রয়েছে।

নবম পে-স্কেলে গ্রেড, মূল বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, ইনক্রিমেন্ট এবং বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীর জন্য আলাদা বিধান থাকায় বিদ্যমান সফটওয়্যারকে নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হচ্ছে।

অর্থ বিভাগের লক্ষ্য হলো কাগজে-কলমে বেতন নির্ধারণের পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে বেতন পুনর্নির্ধারণ করা। এতে বেতন নির্ধারণের জন্য হিসাবরক্ষণ অফিসে বারবার যাওয়ার প্রয়োজন কমবে। পাশাপাশি ভুল হিসাব, দ্বৈত সুবিধা কিংবা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধের ঝুঁকিও কমানো সম্ভব হবে।


নির্বাচিত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সক্রিয় বৈশ্বিক উদ্যোগ চায় ঢাকা

*জান্তাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির সংঘাত চলমান *জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন কখনো টেকসই হয় না * প্রত্যাবাসন অবশ্যই নিরাপদ ও টেকসই হতে হবে
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিয়ানমারে সংঘাত চলমান থাকায় এখনো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরি হয়নি। বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের আবাসিক প্রতিনিধি জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন কখনো টেকসই হয় না। সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা চায় ঢাকা।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা সই হয় ২০১৭ সালে। ৯ বছরে কয়েক দফা কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফেরানোর উদ্যোগ নিলেও পরে তা ভেস্তে যায়। মিয়ানামের অভ্যন্তরীণ সহিংস সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে আশ্রিত ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যাচ্ছে না।

২৯ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপে যাবে ১ হাজার ৪৭৬ জন। তবে এ উদ্যোগ আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিয়ে সংশয়ের কথা জানান বাংলাদেশে থাকা ইউএনএইচসিআরের আবাসিক প্রতিনিধি।

ইউএনএইচসিআরের আবাসিক প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইজেন বলেন, মিয়ানমারের জান্তা সেনাবাহিনী এবং আরাকান আর্মির মধ্যে আবারও সংঘাত শুরু হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে মোটেও ইতিবাচক নয়। যদি আমরা দেখি যে শরণার্থীদের নিজেরা পরিস্থিতি মূল্যায়নের সুযোগ না দিয়েই তাদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তাহলে অবশ্যই আমরা উদ্বিগ্ন হব।

প্রত্যাবাসন প্রশ্নে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের দাবি নিশ্চিত হওয়া জরুরি বলে মনে করেন ইভো। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন অবশ্যই শরণার্থী-কেন্দ্রিক এবং স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ, নিরাপদ এবং সর্বোপরি টেকসই হতে হবে। জোর করে বা তাড়াহুড়ো করে ফিরিয়ে দেয়ার কোনো অর্থ নেই, যদি তারা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে না পারে। এতে যেমন বড় ধরনের মানবিক দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, তেমনি আর্থিক ব্যয়ও অনেক বেড়ে যাবে, যা অবশ্যই এড়ানো উচিত।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্বের কোনো দেশেই মানবিক কারণে এতো বিশাল জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার নজির নেই। আমরা মানবিক কারণে মানুষগুলোকে আশ্রয় দিয়েছি, যাতে তারা হত্যাযজ্ঞের শিকার না হয়। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে, এটি কেবল বাংলাদেশের সমস্যা। এটি পুরো বিশ্বের সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও দায়িত্ব। শুধু মুখে সমর্থন জানালেই হবে না, আর্থিক সহায়তা এবং সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।

টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই এ সমস্যার এক মাত্র সমাধান। এ জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরো সক্রিয় হওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ।


নির্বাচিত

সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ছাড়াল সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা

* ব্যাংক খাত থেকে ঋণ গ্রহণ বেড়েছে ৭০ শতাংশ * দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে * আয় বাড়ানোয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অভ্যন্তরে সরকারের ঋণের বোঝায় নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকায়। সদ্যসমাপ্ত এই অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা, ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১ লাখ ৩১ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার, যা ছিল মূল লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৬ হাজার ৯০৪ কোটি টাকা বেশি। সম্প্রতি সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণসংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু বাজেট ঘাটতি মেটাতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অতিরিক্ত অর্থ ধার করতে হয়েছে সরকারকে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে সরকারের মোট পুঞ্জীভূত অভ্যন্তরীণ ঋণের স্থিতি ছিল ১০ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকারের এই বিপুল অভ্যন্তরীণ ঋণের সিংহভাগই এসেছে দেশের ব্যাংকব্যবস্থা থেকে। শুধু ব্যাংক খাত থেকেই গত অর্থবছরে সরকার ঋণ নিয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা; যা এর আগের অর্থবছরে ছিল ৭৭ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ প্রায় ৭০ শতাংশ বেড়েছে।

গত বাজেটে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং ব্যাংকবহির্ভূত ক্ষেত্র থেকে ২১ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। তবে বছর শেষে ব্যাংক খাত থেকে স্থিতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকায়, যা এক বছরে পুঞ্জীভূত ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রে ২৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

অন্যদিকে ব্যাংকবহির্ভূত খাতে এই ঋণের স্থিতি প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। ব্যাংক খাত থেকে গৃহীত এই ঋণের বড় অংশই এসেছে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রির মাধ্যমে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৃথক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মার্চ শেষে সরকারের বিদেশি ঋণের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৯১ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে। প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ১২৫ টাকা হিসাব করলে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

সর্বশেষ ২০২৫–২৬ অর্থবছর শেষে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। এই প্রথমবারের মতো সরকারের অভ্যন্তরীণ পুঞ্জীভূত ঋণ সাড়ে ১১ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল। এক বছরে ঋণ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, সরকারের এখন বড় খরচের খাত হয়ে উঠেছে ঋণের সুদ পরিশোধ, সেটি দেশি ঋণ হোক বা বিদেশি ঋণ হোক। উভয় ক্ষেত্রেই সুদ পরিশোধে সরকারকে বাজেটে বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখতে হচ্ছে। চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান গণামাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এতে সুদ পরিশোধের চাপও বাড়ছে। এ কারণে সরকারের খরচের দ্বিতীয় শীর্ষ খাতে পরিণত হয়েছে ঋণ পরিশোধ। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে এখন ঋণ পরিশোধে আমাদের নতুন করে ঋণ করতে হচ্ছে। ফলে আমরা বিপজ্জনক এক ঋণঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছি। এছাড়া বিদেশি ঋণের সুদ বাড়ছে।’

মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, বড় কিছু ঋণের গ্রেস পিরিয়ডও শেষ হচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে ঋণের সুদ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। এ অবস্থায় চাপ সামাল দিতে সরকারের ব্যয়ের ক্ষেত্রে অপচয় কমাতে হবে। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে আয় বাড়ানোয়।


নির্বাচিত

পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে কারিগরি দল গঠন, শিগগিরই দিল্লিকে জানাবে ঢাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে একটি কারিগরি দল গঠন করেছে। দলটি শিগগিরই এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করবে।

গত শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

পানিসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিতুমীর বলেন, নদীতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি থাকলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সঠিকভাবে বজায় রাখা সম্ভব। এ কারণে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের অঙ্গীকার করেছে।

তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে একনেকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদ্মা ব্যারেজের মাধ্যমে শুধু পানির আধার তৈরি করা হবে না, সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

উজানের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, ৫৪টি নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহের সম্পর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ন্যায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার।

তিতুমীর বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুসরণ করে ভাটি অঞ্চলে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


নির্বাচিত

বাবা-মাকে সুরক্ষা দিতে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দিতে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। যশোর শহরের পিটিআই হলরুমে এক চাকরি মেলা উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। হেবা আইনে স্পর্শ করার ক্ষমতা ইহজাগতিক কারও নাই। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে আনা সাম্প্রতিক সংশোধনীকে হেবা আইনের লঙ্ঘন বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

আইনমন্ত্রী জানান, বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দিতে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে এই সংশোধনী আনা হয়েছে। আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, হেবা আইনসহ অন্য যেকোনো আইনের অধীনে দান, উইল বা অন্য কোনোভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই সংশোধনী কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। তিনি অভিযোগ করেন, সংশোধনীর এই অংশটুকু না পড়েই কেউ কেউ বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছেন।

‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে’ প্রতিপাদ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির আয়োজনে দিনব্যাপী এই চাকরি মেলায় ৩৭টি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মেলায় ২২ হাজার আবেদনের বিপরীতে এক হাজার ১১৫ জনকে চাকরি দেওয়া হয়। চাকরিপ্রাপ্তরা প্রধান অতিথির হাত থেকে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।

যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ও স্থানীয় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

banner close