বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
১৮ চৈত্র ১৪৩২

ঈদযাত্রাকে নিরাপদ-স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে রেলওয়ের নানা উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১৯ মার্চ, ২০২৫ ১৭:৩৭

বরাবরের মতো এবারও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ট্রেন। যাত্রীসেবা, অনলাইন টিকিট, নিরাপত্তা ও সময় বাঁচানোসহ নানা দিক বিবেচনায় রেলপথকে বেছে নিচ্ছে যাত্রীরা। ঈদযাত্রা উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট কাটতে অনলাইনে ব্যাপক সক্রিয় হয়েছেন তারা। ৩৫ হাজার ৯১৩টি টিকিটের জন্য ১৭ মার্চ রেলওয়ে অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে ভিজিটর হিট করেছে প্রায় আড়াইকোটি বার। এখন পর্যন্ত কোন টিকিট অবিক্রিত নেই।

এবারের ঈদযাত্রাকে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও উৎসবমুখর করতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঢাকার প্রধান দু’টি রেলওয়ে স্টেশন, গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের সকল আন্তঃনগর স্টেশনে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে পুলিশ ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, এবারের ঈদযাত্রায় রেলওয়ে স্টেশনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় থাকবেন। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হবে। এছাড়া, যাত্রীদের জন্য কমলাপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে মেডিকেল টিম থাকবে।

টিকিট কালোবাজারি, ছাদে ও বিনা টিকিটে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার কথা জানান রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী। বেসরকারি ট্রেনের মালিকরা যেন অতিরিক্ত টিকিট বিক্রি করতে না পারে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। কেউ লোকাল ট্রেনের টিকিট কেটে প্লাটফর্মে ঢুকে অন্য ট্রেনে যেন উঠতে না পারে সে সুযোগও বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

এদিকে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঈদযাত্রার বিশেষ দিনের আগেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসছেন অনেক ঘরমুখো মানুষ। যারা চাকরি করছেন তাদের অনেকের পরিবারকে আগে বাড়ি পাঠিয়ে দিতে দেখা গেছে। তারা স্টেশনের গেটগুলোতে সারিবদ্ধভাবে প্লাটর্ফমে প্রবেশ করছেন। কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি। বাহির পথেও যাত্রীরা নিরাপদে বের হচ্ছেন। টিকিটবিহীন যাত্রীদের জরিমানা করতে দেখা গেছে।

রেলওয়ে বিভাগ থেকে জানা গেছে, এবারের ঈদযাত্রায় রেলসেবাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দু’টি রেলওয়ে অঞ্চলের জন্য আলাদা আলাদা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জন্য সকাল ৮টায় ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জন্য দুপুর ২টায় টিকেট বিক্রি শুরু হয়। এই দু’সময়ে রেলওয়ে ওয়েবসাইট ও অ্যাপে ব্যাপক ট্রাফিক হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ে ও অনলাইনে টিকিট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সহজ.কম। তবে এবার ব্যাপক ট্রাফিকেও সার্ভার ডাউনের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

ট্রেনের টিকিট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সহজ ডট কমের সিইও বাসসকে জানান, এবারের অনলাইন সেবা অনেক আরামদায়ক হয়েছে। টিকিট কাটতে কোন ধরনের সার্ভার জটিলতায় পড়তে হয়নি। এক সেকেন্ডের জন্যও সার্ভার বন্ধ হয়নি। একসাথে কতজন টিকিট কাটার চেষ্টা করছে তা গ্রাহক দেখতে পাচ্ছেন। এছাড়া গ্রাহকের নির্দিষ্ট স্টেশনে টিকিট শেষ হয়ে গেলে তাকে আগে ও পরের স্টেশনের সাজেসন দেওয়া হয়। যা যাত্রীদের জন্য অনেক আরামদায়ক হয়েছে।

এবারের ঈদযাত্রায় ১৪ মার্চ থেকে অনলাইনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের জন্য দুপুর দুটায় ও পশ্চিমাঞ্চলের জন্য সকাল আটটায় দশদিন পরের টিকেট বিক্রি করা হয়। এবারের ঈদে সারাদেশে চলাচলকারী ১২০টি আন্তঃনগর ট্রেনের বাইরেও পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলবে। এছাড়া লোকাল, কমিউটার ও মেইল ট্রেনগুলো তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে চলাচল করবে।

রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর ঢাকা বিভাগীয় কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রায় রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য বর্তমান ৪৯০ জন রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বাইরে অতিরিক্ত ২০০জন আনসার সদস্য যুক্ত হবেন। বিনা টিকিটে ভ্রমণ বন্ধ করতে আমরা যথেষ্ট ভূমিকা পালন করবো। ইতোমধ্যে আমরা প্রবেশ ও বাহিরের জন্য আলাদা গেইট তৈরি করেছি। এতে করে বিনা টিকিটে কেউই ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। আর প্রবেশ ঠেকানো গেলে বগিতে অতিরিক্ত যাত্রী ও ছাদে ভ্রমণ বন্ধ করতে সক্ষম হবো।

কমলাপুর স্টেশনে তিন স্তরের নিরাপত্তা দেবে রেলওয়ে পুলিশ। এ বিষয়ে রেলওয়ে ঢাকা পুলিশের পলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বাসকে বলেন, ‘কমলাপুর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতকারী যাত্রীদের আমরা তিন স্তরের নিরাপত্তা দেবো। স্টেশনের প্রবেশপথে আমাদের পোশাকধারী পুলিশ, ডিবি, এপিবিএনের সদস্যরা থাকবেন।

সাথে সাদা পোশাকে আমাদের সদস্যরা থাকবেন, সার্বক্ষণিক সিসিটিভি মনিটরিং করা হবে। একই সেবা ঢাকা বিমানবন্দর ও জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশনেও থাকবে।’

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহাদাৎ হোসেন বাসসকে বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে স্টেশনে ইতোমধ্যে যাত্রীর আনাগোনা বেড়েছে। টিকিট করে প্লাটফর্মে ঢোকানো ও বের করা হচ্ছে। এবারের ঈদ যাত্রায় প্রত্যেক রুটে ট্রেনগুলো শিডিউল মেনে চলবে। সবমিলিয়ে ঈদযাত্রাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলতে রেলওয়ে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন বাসসকে বলেন, ‘এবারের ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে কাজ করছে। নিরাপদ ভ্রমণকে অনিরাপদ করে তোলে ছাদে ওঠা যাত্রীরা। এবার যেন ছাদে ও বিনা টিকিটে কেউ ভ্রমণ করতে না পারে সেক্ষেত্রে আমরা কঠোর হবো। বিশেষ করে কমলাপুর, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর স্টেশনে আমাদের নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা সেটি বাস্তবায়ন করবেন।’


সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সদস্যরা। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বানের প্রশ্নে সংসদে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা চললেও বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়নি। এর প্রতিবাদে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।

অনির্ধারিত আলোচনায় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, আইনমন্ত্রী সম্ভবত আমার বক্তব্যটি সঠিকভাবে খেয়াল করেননি; তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই না যে তিনি এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে করেছেন। মূলত গতকাল আমাদের আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল গণভোট এবং এর সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবিত পরিষদের সভা আহ্বান করা।

আলোচনার একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া একটি প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আমি বলেছিলাম যে, সংস্কার পরিষদকে কেন্দ্র করে যদি কোনো বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়, তবে আমরা সেটিকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব। সেই সঙ্গে আমি প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে, সংকট নিরসনের লক্ষ্যে গঠিত এই কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য রাখা হলে তা অনেক বেশি অর্থবহ ও কার্যকর হবে। আমরা এখানে এসেছি বিদ্যমান সংকট সমাধানের জন্য, নতুন কোনো সংকট তৈরির জন্য নয়।


সংসদ কমিটির ৩য় বৈঠক অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‘‌সংসদ কমিটি’র ৩য় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কমিটির সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. অলি উল্লাহ, মো. সাইফুল আলম ও মো. আবুল হাসনাত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবন ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত সংসদ সদস্য ভবনসমূহ বরাদ্দের নিমিত্ত সংস্কার ও মেরামত সম্পর্কিত সিভিল, ই/এম ও কাঠের কারখানা বিভাগের কাজের অগ্রগতি; শেরে-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত (এমপি হোস্টেল) ১৫৬টি অফিস কক্ষসমূহ বরাদ্দের নিমিত্ত সংস্কার ও মেরামত; সংসদ সদস্যদের জরুরি প্রয়োজনে (২৪ ঘণ্টা) চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণের জন্য জাতীয় সংসদের মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিকেল অফিসার পদায়ন/সংযুক্তি প্রদান; মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত ফ্ল্যাটসমূহে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণ; মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও নাখালপাড়ায় অবস্থিত ভবনসমূহের জন্য নির্ধারিত জনবল আগের রেওয়াজ অনুযায়ী সদস্য ভবন শাখায় পদায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে সংসদ অধিবেশন কক্ষে শব্দ তৈরি হওয়ার ১ সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে শোষণ করতে সক্ষম ও প্রতিধ্বনিবিহীন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া সংসদ অধিবেশন কক্ষে ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ ও আগামী ১০ তারিখের মধ্যে বাসা প্রস্তুতপূর্বক সংসদ সদস্যদের বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


আগামী ঈদে সড়ক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো হবে: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদুল ফিতরের চেয়ে ঈদুল আজহার যাত্রা চ্যালেঞ্জিং হবে মন্তব্য করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, আগামী ঈদে সড়ক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো হবে।

বুধবার সকালে রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মাদানি অ্যাভিনিউ সংযোগ সড়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

শেখ রবিউল আলম বলেন, এবারের ঈদুল আজহা আরো চ্যালেঞ্জিং, কারণ দেড় কোটি মানুষ ঢাকার বাইরে গেলেও ১ কোটি কোরবানির পশু ঢাকায় ঢুকবে। নতুন করে আরো একটি যমুনা সেতু করা যায় নাকি সেটি চিন্তা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, একটি ডেমু ট্রেন পরীক্ষামূলকভাবে আনা হবে, তবে সেটি কাজ না করলে প্রকল্প নেওয়া হবে না। এর জন্য কোনো অতিরিক্ত ব্যয় করবে না সরকার। উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে নতুন করে আরো একটি যমুনা সেতু করা যায় কি না সরকার সেটি নিয়ে ভাবছে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতের লক্ষ্যে গৃহীত এ কর্মসূচিকে ব্যক্তি পর্যায়ের আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বাংলাদেশকে উপযুক্ত বাসযোগ্য করে তুলতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করতে হবে মন্তব্য করেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এটি সরকারের একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি এবং একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ উদ্যোগের বিকল্প নেই। বৃক্ষরোপণকে আমরা শুধু একটি আনুষ্ঠানিক বা সামাজিক কর্মসূচি হিসেবে দেখতে চাই না; বরং এটিকে ব্যক্তি পর্যায়ের আন্দোলনে রূপ দিতে চাই। দেশের প্রতিটি দপ্তর, মন্ত্রণালয়, সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কেবল একটি সূচনা মাত্র—এটি যেন কোনোভাবেই আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ না থাকে। বরং আজ থেকেই সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন দেশের সকল সড়ক ও মহাসড়কে বাস্তবভিত্তিক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক পরিহার করে সাশ্রয়ী, অনাড়ম্বর এবং কার্যক্রমবান্ধব পদ্ধতিতে কাজ করার নির্দেশনা দেন তিনি।

সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’ গ্রহণ করা হয়েছে, যা একটি টেকসই ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কর্মসূচিটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যাতে প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার, ৭০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে (২০০৯-২০২৩ সাল) বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাচার হওয়া এই বিপুল অর্থ উদ্ধারে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে দেশে-বিদেশে প্রায় ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক ও ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার (১ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য উপস্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যের বরাতে জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থপ্রবাহের পরিমাণ ছিল বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১.৮ লাখ কোটি টাকা)। অর্থ পাচারের প্রধান গন্তব্য হিসেবে ১০টি দেশকে চিহ্নিত করা হয়েছে। দেশগুলো হলো— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও হংকং (চীন)।

তিনি আরও জানান, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে মালয়েশিয়া, হংকং ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ‘পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি’ (MLAT) স্বাক্ষরের বিষয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে। বাকি সাতটি দেশের সঙ্গে চুক্তিটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আদালতের নির্দেশে এখন পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশে ক্রোক হওয়া সম্পদের পরিমাণ ৫৭ হাজার ১৬৮ কোটি ৯ লাখ টাকা এবং বিদেশে ১৩ হাজার ২৭৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ, দেশ-বিদেশ মিলিয়ে মোট ৭০ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকার সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে।

অর্থ পাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে এ সংক্রান্ত ১৪১টি মামলা রুজু করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টির চার্জশিট দাখিল এবং ছয়টির রায় প্রদান সম্পন্ন হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী মোট ১১টি মামলাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করেছেন, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের বড় কয়েকটি শিল্পগ্রুপের নাম রয়েছে। তালিকায় রয়েছেন— শেখ হাসিনা ও তার পরিবার, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ, নাবিল গ্রুপ, এইচবিএম ইকবাল ও তার পরিবার এবং সামিট গ্রুপ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলের অর্থপাচার ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং দায়ীদের বিচার করা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার। বর্তমান সরকার দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিং দমনে সম্পদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।


আরও চার জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজবাড়ী, ঠাকুরগাঁও পাবনা ও রংপুর জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বুধবার (১ এপ্রিল) ওই ৪ জেলায় ডিসি নিয়োগ দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এরমধ্যে বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) পরিচালক (উপসচিব) আফরোজা পারভীনকে রাজবাড়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হককে ঠাকুরগাঁও ও আমিনুল ইসলামকে পাবনা এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সচিব (উপসচিব) মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে রংপুরের ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।


বড় শিল্পগ্রুপের কর ফাঁকির অভিযোগ পর্যালোচনা হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বড় শিল্পগ্রুপগুলোর সম্ভাব্য কর ফাঁকি পুনরায় পর্যালোচনা করছে সরকার। একইসঙ্গে সামষ্টিক অর্থনীতির সংকট মোকাবিলা, নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয়ের চাপ—এই তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রাজস্ব আহরণ জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কয়েকটি বড় শিল্পগ্রুপের কর ফাঁকির অভিযোগ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে তদন্ত শুরু হয়েছিল, তা এখন নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “এটা শুধু একটি বিষয় নয়, অনেকগুলো বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। সবকিছুই এখন পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে।”

২০২৪ সালের আগস্টে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল বেক্সিমকো, সামিট ও এস আলমসহ কয়েকটি শিল্পগ্রুপের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ তদন্ত শুরু করে। সে সময় কিছু বকেয়া কর আদায়ও করা হয়েছিল।

নতুন সরকারের সামনে বাজেট প্রস্তুতির চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, “আমরা যে অর্থনীতি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, তা খুব ভালো অবস্থায় নেই। সেখান থেকে অর্থনীতিকে উদ্ধার করতে হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনি ইশতেহারে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।”

তার ভাষায়, “একদিকে অর্থনীতিকে স্যালভেজ করতে হবে, অপরদিকে মেনিফেস্টোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। তার ওপর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে এটি একটি থ্রি-ওয়ে বা ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জ।”

এই পরিস্থিতিতে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে রিসোর্স মোবিলাইজেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, “রিসোর্স মোবিলাইজেশন করতে না পারলে এসব লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে না।”

চলতি বছর বাংলাদেশের সম্ভাব্য এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি বর্তমানে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসক) বিবেচনার জন্য যাবে এবং সেখান থেকে অনুমোদন পেলে তা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উপস্থাপন করা হবে।’’

কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর লক্ষ্যে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘সরকার টাকা ছাপিয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে চায় না; বরং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।’’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। আমাদের দেশে প্রায়ই দেখা যায়, একটি নীতি প্রণয়ন করার পর কিছুদিনের মধ্যেই তা পরিবর্তন করা হয়, যা বিনিয়োগকারীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা দেয়। আমরা চাই, নীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকুক, যাতে বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিন্তে পরিকল্পনা করতে পারেন।”

বৈঠকে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানসহ আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


জ্বালানি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সরবরাহ সংকটের কারণে জ্বালানি খাতে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।

ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরে দেশটির জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইটের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এ সময় মন্ত্রী এ সহায়তা চান।

জবা‌বে মার্কিন জ্বালানি সচিব বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং বিষয়টি বিবেচনার কথা জানিয়েছেন।

বুধবার (১ এপ্রিল) ওয়া‌শিংট‌নের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানি‌য়ে‌ছে।

বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ বর্তমানে জ্বালানি খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন তিনি।

জবাবে মার্কিন জ্বালানি সচিব বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়ে বলেন, এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।

বৈঠকে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি পণ্য আমদানির সম্ভাবনা বাড়ানোর বিষয়ে দুই পক্ষ মতবিনিময় করেন।

এ সময় উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।


সব দলকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা এগিয়ে নেবে বিএনপি

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সব দলকে সঙ্গে নিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা এগিয়ে নেবে বিএনপি। এমনটা জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বিগত সরকার (আওয়ামী লীগ) ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে বিকৃত করেছিল, কিন্তু বিএনপি কোনোভাবেই ইতিহাসের বিকৃতি হতে দেবে না।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘স্বাধীনতার ঘোষক ও রণাঙ্গনের জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, অতীতের ভুল সংশোধন করার জন্য অতীতের যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর আইন লঙ্ঘনকারীদেরকে আমরা অবশ্যই সাজার আওতায় আনব। আমরা প্রতিটি ঘটনাকে আইনের আওতায় আনবো। কিন্তু আইনের বাইরে এবং ইতিহাসকে বিকৃত করার কোন কাজের দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করবো না। আমরা মনে করি না যে এই দেশ শুধু আমাদের একার। আমরা মনে করি এই দেশ সকলের।

ইতিহাস থেকে শহীদ জিয়াকে মুছে ফেলা সম্ভব নয় মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সব দলকে সঙ্গে নিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে এগিয়ে নেবে বিএনপি।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বর্তমান সরকার সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে বলে জানান ইশরাক হোসেন।


স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি- সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীতে স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন এবং গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেছেন।

তিনি আরও জানান, রাজধানীতে স্কুলের সময়ে যেভাবে যানজট হয়, তা কীভাবে নিরসন করা যায় এবং এ বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে— তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, ‘উদাহরণ হিসেবে দেখা গেছে— রাজধানীর একটি স্কুলে ১৫০ শিক্ষার্থীর জন্য ১০০ গাড়ি স্কুলের সামনে ভিড় করে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়। সমস্যাগুলো অ্যাড্রেস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিকল্প খুঁজতে মন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন।’


সিইসি সংবিধান লঙ্ঘন ও শপথ ভঙ্গ করেছেন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সংবিধানের বাইরে গিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম বিতরণ করে শপথ ভঙ্গ এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি এই পুরো প্রক্রিয়াকে অবৈধ এবং বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি ‘প্রতারণার দলিল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেছেন। স্পিকারের অনুমতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও তফশিল উদ্ধৃত করে গত বছরের জারি করা ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’-এর আইনি অসারতা ব্যাখ্যা করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংবিধান সংরক্ষণের জন্য ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তিনি কোন আইন বলে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠালেন? এই ফরম দাখিল করার কোনো এখতিয়ার তার নেই। তিনি এটি করে শপথ ভঙ্গ ও সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন সংসদ সদস্যদের নির্বাচনের জন্য একটি ব্যালট দিয়েছিল। সেখানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হওয়ার জন্য কোনো আলাদা ব্যালট ছিল না। জনগণ সংসদ সদস্য হিসেবে আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে, অস্তিত্বহীন কোনো পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়।

বিগত সরকারের জারি করা আদেশটিকে ‘ভয়েড অ্যাব ইনিশিও’ (শুরু থেকেই বাতিল) আখ্যা দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিলের পর থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির কোনো ক্ষমতা নেই। সংবিধানের চতুর্থ তফশিলের ১৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সেই ক্ষমতা রহিত করা হয়েছে। সুতরাং যে আদেশের জন্মই অবৈধ, তার ভিত্তিতে কোনো অধিবেশন আহ্বান করা যায় না। এই আদেশটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রতারণার দলিল। এটি না অধ্যাদেশ, না আইন। এটি সার্বভৌম পার্লামেন্টের অধিকার ক্ষুণ্ন করার একটি ব্যর্থ চেষ্টা বলে জানান তিনি।


নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ৮ দাবি পেট্রোল পাম্প মালিকদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে হামলা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা বন্ধে নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ৮ দাবি জানিয়েছেন পেট্রোল পাম্প মালিকরা। এমন অবস্থায় দৈনিক ১১ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান মালিকরা। একই সঙ্গে জ্বালানি সংকটের গুজবে আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করতে জনসাধারণের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এই দাবি উত্থাপন করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল জানান, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে সরকার জ্বালানি রেশনিংয়ের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে পাম্প মালিকরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে পাম্পগুলোতে ভিড় ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

তাদের অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন স্থানে সঠিক তথ্য না জেনে পাম্পে হামলা, কর্মীদের ওপর নির্যাতন এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশেষ করে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের পাম্পগুলোতে পরিস্থিতি বর্তমানে বেশ নাজুক পর্যায়ে রয়েছে। এই অস্থিরতা নিরসনে পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করে আসছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু অনেক জায়গায় সঠিক তথ্য না জেনে পেট্রোল পাম্পে হামলা, কর্মীদের ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে—যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্যের বরাতে সংগঠনের নেতারা জানান, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো স্থায়ী সংকট নেই এবং বর্তমানে যে মজুত রয়েছে তা দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবের কারণে অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রতিযোগিতা শুরু করেছেন যা স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

মালিকরা স্পষ্ট করেছেন, সবাই যদি কেবল নিজের গাড়ির ট্যাঙ্ক পূর্ণ করার প্রতিযোগিতায় নামে, তবে জরুরি প্রয়োজনে অন্য কেউ তেল পাবে না। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির উত্থাপিত ৮ দফা দাবির মধ্যে প্রধান বিষয়গুলো হলো পেট্রোল পাম্পগুলোতে ২৪ ঘণ্টা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পাম্প কর্মীদের ওপর হামলা ও সহিংসতা বন্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এছাড়া তেল বিক্রির সময়সীমা নির্দিষ্ট করা, বাস্তবতার নিরিখে ডিপো থেকে তেল সরবরাহ সমন্বয় করা এবং ট্যাঙ্কলরির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি জ্বালানি নিয়ে অপপ্রচার ও গুজব রোধে সরকারি মনিটরিং জোরদার করা এবং রেশনিং পদ্ধতি বাস্তবায়নে পাম্প মালিকদের ওপর একতরফা দোষারোপ বন্ধ করার দাবি জানান নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং পাম্পে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পেট্রোল পাম্প মালিকদের ওপর একতরফা দোষারোপ না করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পাম্পে হামলা ও সহিংসতা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।


এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমদানি ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের মধ্যেও এপ্রিল মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার জ্বালানি বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসির) চেয়ারম্যানকে পাঠানো অফিস আদেশে জানানো হয়, ভোক্তাপর্যায়ে ডিজেলের বর্তমান মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রল ১১৬ টাকা ও কেরোসিন ১১২ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে এই মূল্য কার্যকর হবে।

এক দিন আগে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বিশ্ববাজার পরিস্থিতির আলোকে দাম সমন্বয়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জমা পড়েছে। সার্বিক বিশ্লেষণ শেষে সরকারের কাছে সঠিক বিশ্লেষণ তুলে ধরা হবে।

গত সোমবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, গত ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের গড় দরের তুলনায় ১-২৯ মার্চ সময়ে দাম ৯৮ শতাংশ বেড়েছে, অকটেনের বেড়েছে ২৬ শতাংশ। সরকার জনগণের স্বার্থে উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দিচ্ছে। এই দুটি জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে মার্চ-জুন প্রান্তিকে মোট ভর্তুকির প্রয়োজন হবে ডিজেলের ক্ষেত্রে ১৫ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা ও অকটেনের ক্ষেত্রে ৬৩৬ কোটি টাকা, মোট ১৬ হাজার ৪৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া পেট্রোবাংলার মাধ্যমে এলএনজি আমদানির জন্য এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ১৫ হাজার ৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে।


২ লাখ ৬০ হাজার টন জ্বালানি তেল ক্রয়ের সিদ্ধান্ত সরকারের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে বর্তমান অস্থিতিশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতি-বিশেষ করে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আবীর ট্রেড অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেটসের মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অপর এক প্রস্তাবের ভিত্তিতে এক্সন মোবিল কাজাখস্তান ইনকের (ইএমকেআই) কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল। ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের আরেক প্রস্তাবের ভিত্তিতে জিটুজি ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান পি.টি. বুমি সিয়াক পুসাকো জাপিন (বিএসপি জাপিন), ইন্দোনেশিয়া থেকে চুক্তির আওতায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল ০.৫ শতাংশ ‘এস’ (ডিজেল) ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


banner close