বর্তমানে দেশে দেখা দেওয়া তীব্র গ্যাস সংকট এবং এর প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহে তৈরি হওয়া অস্থিরতা জাতীয় অর্থনীতি, শিল্প উৎপাদন ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পোশাক খাত, টেক্সটাইল, সিরামিক, ইস্পাত এবং ওষুধসহ বিভিন্ন প্রধান উৎপাদনমুখী শিল্পে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, রাজধানীর একাধিক সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বাসাবাড়িতে লাইনে গ্যাস না থাকার ফলে দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হচ্ছে।
অবশ্য এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে কারিগরি ত্রুটি মেরামত, আমদানিকৃত গ্যাসের গতি বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় অনুসন্ধানের মতো সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দ্রুতগতিতে চলমান মেরামত কাজ শেষ হলে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাসের সার্বিক চাহিদা ও জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহের মধ্যে বিশাল ব্যবধান দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন যেখানে প্রায় ৪০০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প চাহিদা রয়েছে, সেখানে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে গড়ে মাত্র ২৬০ থেকে ২৬৫ কোটি ঘনফুট। এই বড় ধরনের ঘাটতি একদিনে তৈরি হয়নি; বরং স্থানীয় ক্ষেত্রগুলোর স্বাভাবিক অবক্ষয় এবং অতিসম্প্রতি মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার সম্মিলিত ফল এটি।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পরিচালিত এক্সিলারেট এনার্জির একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (FSRU) সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হওয়ায় সেখান থেকে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি (RLNG) সরবরাহ হঠাৎ করেই দৈনিক প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি (মিলিয়ন ঘনফুট) কমে যায়। জাতীয় গ্রিডে এলএনজির এই হঠাৎ সরবরাহের অভাবে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আওতাধীন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও আশুলিয়াসহ প্রধান প্রধান শিল্প এলাকায় মারাত্মক চাপহীনতা বা লো-প্রেশার তৈরি হয়।
পেট্রোবাংলার সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের প্রথাগত ২২টি গ্যাস ক্ষেত্রের উৎপাদন প্রাকৃতিকভাবেই দিনে দিনে কমে আসছে। ষাটের দশক থেকে এ পর্যন্ত দেশের ২৯.৭৪ টিসিএফ (ট্রিলিয়ন ঘনফুট) আবিষ্কৃত মজুতের মধ্যে ২২.১১ টিসিএফ গ্যাস ইতোপূর্বে উত্তোলন ও ব্যবহার করা হয়ে গেছে।
বর্তমানে দেশে অবশিষ্ট রিজার্ভ মাত্র ৭.৬৩ টিসিএফ। নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র আবিষ্কৃত না হলে এই মজুত দিয়ে বড়জোর ১২ থেকে ১৩ বছর চলা সম্ভব হবে। প্রধান ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে—
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র: একসময় দৈনিক ৫৪ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করলেও বর্তমানে তা কমে ৩৩ কোটি ৩৫ লাখ ঘনফুটে নেমে এসেছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ক্ষেত্র: পূর্বে দৈনিক ৪ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হলেও এখন উৎপাদিত হচ্ছে মাত্র ১ কোটি ৮৬ লাখ ঘনফুট।
বিবিয়ানা গ্যাস ক্ষেত্র: যুক্তরাষ্ট্রের শেভরন পরিচালিত এই বৃহৎ ক্ষেত্রটিতে দৈনিক ১২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হলেও তা বর্তমানে ৭৫ কোটি ৩০ লাখ ঘনফুটে সংকুচিত হয়েছে।
উৎপাদন বন্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র: মজুত নিঃশেষ হয়ে যাওয়ায় ঢাকার রূপগঞ্জ ক্ষেত্রের উৎপাদন ইতোমধ্যে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে এবং সুন্দলপুর ক্ষেত্রের উৎপাদন যেকোনো সময় বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।
গ্যাস সংকট ও সাথে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (REB) আওতাধীন এলাকায় দিনে ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টার অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ বা লোডশেডিংয়ের দরুন দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। শিল্পের চাকা মন্থর হয়ে পড়ায় পণ্য উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে।
প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলারের মূলধন থাকা টেক্সটাইল ও স্পিনিং খাত দেশের তৈরি পোশাকের কাঁচামাল সরবরাহের প্রধান উৎস। আশুলিয়া, গাজীপুর, সাভার ও নারায়ণগঞ্জের মিলগুলো প্রেশার না থাকায় ক্যাপটিভ জেনারেটর চালাতে পারছে না।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৩ লাখ স্পিন্ডলবিশিষ্ট একটি স্পিনিং মিলে যেখানে প্রতিদিন গ্যাসের বিল হতো প্রায় ২০ লাখ টাকা, সেখানে কারখানা সচল রাখতে কেবল বিকল্প ডিজেল কিনতেই দিনে প্রায় ৯০ লাখ টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
সাভারের আশুলিয়ার লিটল স্টার স্পিনিং মিলসের অনুমোদিত গ্যাসের চাপ ১০ পিএসআই (PSI) থাকার কথা থাকলেও তারা পাচ্ছে মাত্র ০.৫ থেকে ১.৫ পিএসআই। এর ফলে কারখানাটি তার মোট ক্ষমতার মাত্র ২৫ শতাংশ সচল রাখতে পারছে।
সক্ষমতা কমে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা শ্রমিকদের মাসিক বেতন, ইউটিলিটি বিল এবং ব্যাংকের ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চরম চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকার বায়ারদের কাছে পোশাকের শিপমেন্ট পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। বিদেশি ক্রেতারা সরবরাহকারীদের কাছে সার্বিক গ্যাস পরিস্থিতির খবরাখবর নিচ্ছেন এবং অর্ডার বাতিল বা অন্য প্রতিযোগী দেশে সরিয়ে নেওয়ার বার্তা দিচ্ছেন। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি সতর্ক করেছেন যে, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে দেশের সার্বিক রপ্তানি আদেশের একটি বড় অংশ হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
প্রসেস ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে গ্যাস প্রেশার ওঠানামা করলে পুরো ব্যাচের পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
সিরামিক: বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুযায়ী, সদস্যভুক্ত ৭০টি কারখানার মধ্যে ২৫টি কারখানা গ্যাসের অভাবে ইতোমধ্যে তাদের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।
ইস্পাত: দেশের প্রায় ৪০টি স্বয়ংক্রিয় ইস্পাত কারখানায় গ্যাসে চালিত জেনারেটরের মাধ্যমে কাজ চলে। উচ্চচাপের গ্যাস লাইনে টান পড়ায় বড় কারখানাগুলোর উৎপাদন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে। ফার্নেস একবার বন্ধ হলে নতুন করে চালুর জন্য অতিরিক্ত সময় ও জ্বালানি অপচয় হয়।
চামড়া: বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ট্যানারিগুলোতে চাহিদার তুলনায় মাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশ গ্যাস পৌঁছাচ্ছে। ফলে মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়ে নির্ধারিত ওভারহেড কস্ট বা পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।
ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের প্রায় ৩০০টি কারখানার অধিকাংশ ক্যাপটিভ পাওয়ার ব্যবহার করে। ঢাকার বাইরের কারখানাগুলোতে বর্তমানে দিনে গড়ে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুতের অপ্রতুলতা দেখা যাচ্ছে। ফলে স্বয়ংক্রিয় প্রোডাকশন লাইনে ব্যঘাত ঘটছে, যা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) তৈরির ওপর প্রভাব ফেলছে।
শিল্পের পাশাপাশি সাধারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন ও পরিবহন ব্যবস্থায় গ্যাস সংকটের প্রভাব অত্যন্ত প্রকট আকার ধারণ করেছে।
লাইনে গ্যাসের প্রেশার ৩ থেকে ৪ পিএসআইয়ের নিচে নেমে যাওয়ায় ঢাকার নিউমার্কেট, আজিমপুর, শাহবাগ ও ধানমন্ডি এলাকার অনেক সিএনজি ফিলিং স্টেশন সাময়িকভাবে পাম্প বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্যাক্সিক্যাব চালকদের প্রতিদিনের কাজ শুরুর আগেই ২ থেকে ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
চালকরা জানান, আগে দিনে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হলেও সিএনজি পাম্পের দীর্ঘ সারিতে দিনের সিংহভাগ সময় নষ্ট হওয়ায় আয় কমে ১ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছে। অনেকে কাঙ্ক্ষিত গ্যাস না পেয়ে ট্রিপ বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছেন।
গৃহস্থালি জীবন ও পারিবারিক বাজেট: রাজধানীর মিরপুর, মগবাজার, চানখাঁরপুলসহ বেশ কিছু আবাসিক এলাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ থাকছে। সকালে কিংবা দুপুরে পরিবারের জন্য খাবার রান্না করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ফলে নগরবাসী বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক হিটার, ইনডাকশন চুলা অথবা বাজার থেকে অতিরিক্ত দামে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার কিনে ব্যবহার করছেন। এটি সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাসিক সংসার খরচের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করছে।
সংকট মোকাবিলায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ: উদ্ভূত জ্বালানি সংকটকে অত্যন্ত অগ্রাধিকারের সঙ্গে বিবেচনা করে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে নীতিগত এবং প্রকৌশলগত পর্যায়ে ব্যাপক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে সরকার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, মহেশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটির মেরামতের কাজ দিনরাত দ্রুত গতিতে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রকৌশলীদের মতে, এই সাময়িক ত্রুটি কাটিয়ে উঠতে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে। টার্মিনালটি পুনরায় চালু হওয়ার সাথে সাথেই জাতীয় গ্রিডে আরএলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং তিতাস গ্যাসের আওতাভুক্ত এলাকাগুলোতে গ্যাসের চাপ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ফিরে আসবে।
ব্যবসায়ীদের উদ্বেগ দূর করতে এবং শিল্প উৎপাদন সচল রাখতে সরকার সরাসরি শিল্পনেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হন। প্রধানমন্ত্রী শিল্পখাতের সার্বিক গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সরকারের স্পষ্ট সদিচ্ছা প্রকাশ করেন এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের কৌশল নির্ধারণে বিটিএমএ নেতাদের আশ্বস্ত করেন।
আমদানির ওপর একমুখী নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উত্তোলন বাড়ানোর লক্ষ্যে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলা বিস্তৃত অনুসন্ধান পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ইতিপূর্বে ঘোষিত ১০০টি কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রাকে সম্প্রসারিত করে বর্তমানে ১৫০টি কূপ খননের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি কূপ খনন করা হয়েছে, যা থেকে দৈনিক ১২ কোটি ৫৩ লাখ ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। এই কর্মসূচি সম্পন্ন হলে দেশীয় ক্ষেত্রগুলোর স্বাভাবিক হ্রাস কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
ভবিষ্যতে একক টার্মিনাল দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে এবং গ্যাসের ধারণক্ষমতা বাড়াতে মহেশখালীর কুতুবজোমে তৃতীয় এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে। এটি চীন সরকারের সঙ্গে চুক্তি বা জিটুজি (G2G) কাঠামোর আওতায় ‘চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড’ (CNEE) কর্তৃক নির্মিত হবে। এই টার্মিনালটি চালু হলে দেশে গ্যাস আমদানির রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
সমুদ্রভাগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান: বঙ্গোপসাগরের গভীর ও অগভীর ব্লকে প্রাকৃতিক সম্পদের সন্ধানে সরকার ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র ডেকেছে। মার্কিন কোম্পানি শেভরনসহ একাধিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিতে এবং নতুন ব্লকে কূপ খনন করতে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
ভোলা ক্ষেত্র: বাপেক্স এর হিসাব অনুযায়ী ভোলার ক্ষেত্রে থাকা ২ থেকে ৩ টিসিএফ গ্যাস মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসতে পাইপলাইন নির্মাণের বিষয়ে সমীক্ষা ও পরিকল্পনা জোরদার করা হয়েছে।