পদ্মা পারের এক প্রত্যন্ত গ্রামের যুবক সুমনের চোখে ছিল একটাই স্বপ্ন—একটি মধ্যপ্রাচ্যের ভিসা। সেই স্বপ্নের পেছনে পুঁজি ছিল বাবার ভিটেমাটির একাংশ বিক্রি করা আর এনজিও থেকে নেওয়া চড়া সুদের ঋণ। সব মিলিয়ে খরচ চার লাখ টাকা। কিন্তু রিয়াদ বা কুয়ালালামপুরের কোনো আধুনিক কনস্ট্রাকশন সাইটে নয়, সুমনের ঠাঁই হয়েছিল তপ্ত মরুর এক অনিশ্চিত অন্ধকার গলিতে। কোনো কাজ নেই, আকামা নেই, পাসপোর্ট আটকে রেখেছেন নিয়োগকর্তা—যেটি আদতে কোনো কোম্পানিই নয়, বরং একটি ‘ভিসা ট্রেডিং’ বা ভিসা বাণিজ্যের সিন্ডিকেট।
সুমনের এই নিঃশব্দ হাহাকার কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি দেশে বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠানো লাখো ‘রেমিট্যান্স-যোদ্ধার’ প্রতিদিনের রূঢ় বাস্তবতা। বৈচিত্র্যময় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, জাতীয় অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও গ্রামীণ সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান কারিগর যারা, তাদের বিদেশে যাওয়ার পথটি আজও নিরাপদ, সহজ ও দালালমুক্ত করা যায়নি। নিয়োগ ব্যবস্থার এই ক্ষত, রিক্রুটিং এজেন্সির নামে ‘ভিসা বাণিজ্য’, আর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নীরবতা ও দায়সারা মনোভাবের ভেতর লুকিয়ে থাকা আসল কারণগুলো উন্মোচন করতেই আমাদের এই বিশেষ অনুসন্ধান।
লাইসেন্সের মহোৎসব ও ‘ভিসা বাণিজ্যে’ ধুঁকছে খাত: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) সর্বশেষ তথ্য বলছে, দেশে বর্তমানে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ২ হাজার ৮৪১টি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, প্রতিবেশী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা বা নেপালের তুলনায় বাংলাদেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা কেন এত অস্বাভাবিক বেশি?
সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট অনিয়ম, লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ ও প্রতারণার প্রমাণের ভিত্তিতে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে (যার মধ্যে ইউনিক ইস্টার্ন, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল উল্লেখযোগ্য)। বিশেষ করে রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতারণামূলকভাবে কর্মী পাঠানোর অপরাধে ৩টি এজেন্সির লাইসেন্স কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো, একদিকে যখন অনিয়মের দায়ে লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে, অন্যদিকে চলতি বছরই নতুন করে নিবন্ধন পেয়েছে আরও ২১৬টি এজেন্সি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যত্রতত্র লাইসেন্স প্রদান এবং তদারকির অভাবেই আজ শ্রম অভিবাসন খাতটি মধ্যস্বত্বভোগী ও ভিসা ব্যবসায়ীদের দখলে চলে গেছে। লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় অংশই সরাসরি কর্মী পাঠায় না; তারা ভিসা কিনে এনে গ্রাম্য দালালদের মাধ্যমে বিক্রি করে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সাবেক নেতাদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে—দেড় থেকে দুইশ এজেন্সি ছাড়া বাকিরা মূলত অন্যের চাহিদার ওপর নির্ভর করে ‘পরিবারের সদস্য’ হিসেবে সাব-এজেন্ট বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালায়।
বায়রার সাবেক এক মহাসচিব বলেছেন, ‘ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে একাধিক প্রতারক চক্র জাল ভিসা তৈরি করে শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। গ্রামাঞ্চল থেকে সহজ-সরল লোকজন সংগ্রহ করে তারা প্রতারণা করে আসছে। এই ধরনের একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। সৌদি আরব যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে অনেকে ধরা পড়ছে।’
বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, বিএমইটির একাধিক ডেটাবেজ পরস্পর সংযুক্ত নয়, ফলে শ্রমবাজারের সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থা শক্তভাবে গড়ে ওঠেনি। সংস্থাটির হিসাবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিদেশযাত্রার গড় খরচ প্রায় চার লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়, যার বড় অংশ যায় মধ্যস্বত্বভোগীর পকেটে। অন্যদিকে বোয়েসেলের চিত্র তুলে ধরে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে ১১ লাখের বেশি কর্মী বিদেশে গেলেও সরকারি এই এজেন্সির মাধ্যমে গিয়েছেন মাত্র ১৫,২৯৪ জন—যা মোট কর্মসংস্থানের মাত্র ১.৩ শতাংশ। আইটিইউসির জরিপও বলছে, গ্রামাঞ্চলে নিয়োগ প্রায়ই মৌখিকভাবে হয়; না থাকে রসিদ, না থাকে প্রমাণ। ফলে প্রতারিত হলে আইনি প্রতিকারের পথ কঠিন হয়ে পড়ে।
রেমিট্যান্সের মানবিক মূল্য: বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) ১২ মাসে দেশে বৈধ চ্যানেলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪ লাখ ৩৮ হাজার ১২৮ কোটি টাকার বেশি। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স এর আগে কখনো আসেনি।
আগের অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ।
প্রবাসী আয় বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয়, গ্রামীণ অর্থনীতি এবং লাখো পরিবারের জীবিকা—সব ক্ষেত্রেই প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। রাষ্ট্র তাদের অবদানকে সম্মান জানায়, উন্নয়নের পরিসংখ্যানে তাদের পাঠানো অর্থের হিসাব তুলে ধরে। কিন্তু সংখ্যার এই সাফল্যের আড়ালে যে মানুষটি আছেন, তার গল্প কতটা বলা হয়? তপ্ত মরুভূমি, নির্মাণশ্রমের ধুলোমাখা পরিবেশ কিংবা কারখানার দীর্ঘ শিফটে কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে অর্জিত প্রতিটি ডলারের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিচ্ছিন্নতা, একাকিত্ব, মানসিক চাপ ও অসংখ্য ব্যক্তিগত ত্যাগ। আমরা রেমিট্যান্সের পরিমাণ গণনা করি; কিন্তু সেই রেমিট্যান্সের মানবিক মূল্য খুব কমই হিসাব করি। অথচ অভিবাসনের প্রকৃত গল্প শুধু অর্থনীতির নয়; এটি মানুষের জীবন, সম্পর্ক ও ত্যাগেরও গল্প।
প্রতারণার নানা রূপ ও ধরন: বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতারণা একটি দীর্ঘস্থায়ী ও গভীর সংকট। সরকারিভাবে নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া, ভুয়া কাজের প্রতিশ্রুতি এবং মানবপাচারের মতো অপরাধের মাধ্যমে লাখ লাখ বিদেশগামী শ্রমিক প্রতিনিয়ত সর্বশান্ত হচ্ছেন। প্রতারণার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো-
অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় আদায়: সরকার-নির্ধারিত খরচের (যেমন মালয়েশিয়ার জন্য মাত্র ৭৮,৯৯০ টাকা) তোয়াক্কা না করে এজেন্সিগুলো সিন্ডিকেট তৈরি করে কর্মীদের কাছ থেকে ৪ থেকে ৫ গুণ বেশি টাকা (প্রায় ৪-৫ লাখ টাকা) হাতিয়ে নেয়।
ভুয়া বা অস্তিত্বহীন চাকরি ও ‘ফ্রি ভিসা’ ফাঁদ: মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উচ্চ বেতনের লোভ দেখিয়ে কর্মীদের পাঠানো হলেও সেখানে গিয়ে অনেকে দেখেন কোনো চাকরি নেই। সৌদি আরবসহ বিভিন্ন শ্রমবাজারে ‘ফ্রি ভিসার’ নামে ৮-৯ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়ার পর পদে পদে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অথচ আন্তর্জাতিক শ্রম আইনে ‘ফ্রি ভিসা’ বলে কোনো শব্দ নেই; প্রতিটি ভিসার বিপরীতে নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তা থাকা বাধ্যতামূলক। দালালরা ভিজিট ভিসা বা পর্যটন ভিসা দিয়েও সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, যা দিয়ে কাজ করার কোনো বৈধ সুযোগ নেই।
চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন ও ‘বন্দি’ জীবন: যে কাজের কথা বলে কর্মীকে বিদেশে নেওয়া হয়, সেখানে পৌঁছানোর পর সম্পূর্ণ ভিন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিদেশের মাটিতে বিমানবন্দরে কাউকে নিতে না আসা, থাকার জায়গা না থাকা, কম বেতন দেওয়া বা বেতন আটকে রাখা নিয়মিত ঘটছে। আকামা না করে দেওয়ায় অনেক শ্রমিক ‘অবৈধ’ হয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
বিপজ্জনক যুদ্ধক্ষেত্রে পাচার: সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রতারণাটি দেখা গেছে রাশিয়াগামী কর্মীদের ক্ষেত্রে। ক্লিনার, ইলেকট্রিশিয়ান বা বেসামরিক কাজের কথা বলে বাংলাদেশি যুবকদের রাশিয়ায় নিয়ে জোরপূর্বক ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রে সম্মুখ সমরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে বেশ কয়েকজন কর্মী মারাও গেছেন।
বিমানবন্দরে হয়রানি ও জাল ভিসা: আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার করে দালালরা হুবহু আসল ভিসার মতো দেখতে জাল কপি তৈরি করছে। কিউআর কোড স্ক্যান করলে ভুয়া ওয়েবসাইট বা পুরোনো তথ্য দেখায়। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে একজন বিদেশ যাওয়া ব্যক্তি বিমানবন্দর থেকে ফেরত আসছেন—যার পেছনে জাল ভিসা, বিএমইটি ছাড়পত্র জালিয়াতি, বা শেষ মুহূর্তে কফিল কর্তৃক ভিসা বাতিল করা অন্যতম কারণ। বিমানবন্দরে ভুয়া টিকিট দেওয়া বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত টাকায় অন্য যাত্রী বোর্ডিং করানোর ঘটনাও ঘটছে।
সম্প্রতি মক্কায় কর্মরত কুমিল্লার আবদুর রশীদ জানান, তার দুই আত্মীয় সৌদি আরব আসার জন্য এক ব্যক্তিকে ১২ লাখ টাকা দেন (চুক্তি ছিল আসার পর আরও ৪ লাখ)। শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্লাইটে ওঠার আগ মুহূর্তে জানতে পারেন ভিসাগুলো জাল। একইভাবে জেদ্দায় অবস্থানরত এক প্রবাসী জানান, ফ্রি ভিসায় এসে প্রতারিত হয়ে এখন নাদাফে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ করছেন, যা দিয়ে নিজের খরচই চলে না; তার ভাইও জাল ভিসার খপ্পরে সর্বস্ব হারিয়েছেন।
সরকারি পদক্ষেপ ও আইনি উদ্যোগ: অনিয়ম, অর্থপাচার ও রাশিয়া যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতারণামূলক কর্মী পাঠানোর দায়ে ৪৯টি এজেন্সির লাইসেন্স পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।
দুদকের মামলা: মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মীদের কাছ থেকে ২,২২৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২৫টি মামলা দায়ের করেছে, যেখানে সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ ৬৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ঢাকার এসবি ও পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মতে, ভিসা জালিয়াতি রোধে কঠোর অভিযান চলছে এবং জনশক্তি রপ্তানি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রতারণা থেকে বাঁচতে বিদেশগামীদের করণীয়: এই খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাকা লেনদেনের আগে বিএমইটি অনুমোদিত এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স সচল আছে কি না তা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বা বিএমইটি ডাটাবেজ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। যেকোনো আর্থিক লেনদেন সরাসরি এজেন্সির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে করা উচিত এবং অবশ্যই বৈধ রসিদ সংগ্রহ করতে হবে। বিএমইটি থেকে দেওয়া স্মার্ট কার্ডের কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে, সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভিসার সত্যতা এবং কাজের বিবরণ নিজে পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি যেকোনো সন্দেহ বা প্রয়োজনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেল্পলাইন এবং জেলা কর্মসংস্থান অফিসের সহায়তা নেওয়া উচিত।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর মাইগ্রেশন স্টাডিজের সহযোগী অধ্যাপক ও সমন্বয়ক ড. সেলিম রেজা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘একজন মানুষকে বিদেশে পাঠানোই রাষ্ট্রের দায়িত্বের শেষ নয়, বরং সেখান থেকেই শুরু হয় প্রকৃত দায়িত্ব। প্রবাসীদের সংকট কেবল ব্যক্তিগত বা পারিবারিক নয়; এটি একটি জাতীয় নীতিগত প্রশ্ন।’
বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের অবদান তখনই পূর্ণ অর্থ পাবে, যখন রেমিট্যান্সের পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতা সুরক্ষিত থাকবে। এ জন্য প্রয়োজন- ভাষা ও পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি আর্থিক পরিকল্পনা, পারিবারিক যোগাযোগ এবং মানসিক সুস্থতা অন্তর্ভুক্ত করা। দেশে থাকা পরিবারের জন্য আর্থিক সচেতনতা, দাম্পত্য সম্পর্ক, সন্তান প্রতিপালন ও দায়িত্ব ভাগাভাগি নিয়ে কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচি চালু করা। সম্পত্তিসংক্রান্ত বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি, সহজলভ্য আইনি সহায়তা, ডিজিটাল সেবা এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করা।