সোমবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

সমাবেশ নির্বিঘ্নে হচ্ছে: পুলিশ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১০ ডিসেম্বর, ২০২২ ১৬:১৬
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিএনপির সমাবেশে তাদের কর্মী-সমর্থকরা নির্বিঘ্নে যেতে পারছেন বলে মনে করছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশিদ।

শনিবার সকালে নয়াপল্টনের পরিস্থিতি দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হারুন।

পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত চলাফেরা করছে কোথাও কোনো যানজট-ঝামেলা ঝামেলা নেই। অনুষ্ঠানটি ঘিরে আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। ২০ হাজারের উপরে পুলিশ কাজ করছে। আমরা মনে করি সমাবেশটি সুন্দরভাবে সমাপ্ত হবে। যেহেতু সমাবেশটি হচ্ছে গোলাপবাগ মাঠে । সামনে অনেকগুলো স্থাপনা আছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গোলাপবাগ মাঠ তো আমরা অনুমতি দিয়েছি সেখানে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য অবস্থান করছে এবং এইটা তো কোনো অবৈধ সমাবেশ না।

তিনি বলেন, সমাবেশটি সুন্দরভাবে করার জন্য যা যা করা দরকার সবরকম ব্যবস্থা আমরা করেছি। কোনো বিশৃঙ্খলা নেই। সুন্দরভাবে কিন্ত মানুষ চলাচল করছে। তারপরও আমরা আশা করি কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটবে না। এ ছাড়া আজ শনিবার এমনিতে মানুষের চলাচল সীমিত।

ডিবি প্রধান বলেন, কিছু দিন আগে এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে এখানে উত্তেজনা ছিল। এই উত্তেজানার কারণে হয়তো যাদের কাজকর্ম নেই তারা এখন বের হচ্ছে না।

জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে এমন কোনো গোয়েন্দা তথ্য আছে কি না জানতে চাইলে ডিবি প্রধান বলেন, না এমন কোনো তথ্য নেই, আমরা সিকিউরিটি দিচ্ছি আমরা চাই সমাবেশটা শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হোক। সমাবেশ ঘিরে যে শর্ত দেওয়া হয়েছে সেই শর্ত মেনে সমাবেশ শেষ করে তারা চলে যাবে। এছাড়া নাশকতার এ ধরনের কোনো আশঙ্কা নেই।

বিএনপি এই সমাবেশ নয়াপল্টনে তাদের দলীয় কার্যালয়ের সামনে করতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দেয়নি।

এর মধ্যে নয়াপল্টনে জড়ো হওয়া বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় পুলিশের। সংঘর্ষে নিহত হন একজন। এরপর পুলিশ বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকে বিএনপির কয়েক শ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করে, পরে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে।

এরপর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে গোলাপবাগে সমাবেশের অনুমতি পায় বিএনপি। সমাবেশ গোলাপবাগে হলেও নয়াপল্টনেও পুলিশ পাহারা বসিয়েছে।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করছে। তার ধারাবাহিকতায় ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে সমাবেশের ঘোষণা দেয় দলটি।

বিষয়:

তুরস্কে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত গাজিয়েনতেপ শহর। ছবি: গার্ডিয়ান
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ খাহরামানমারাসের ভূমিকম্পে এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন। বগুড়ার গোলাম সাইদ রিংকু নামের ওই শিক্ষার্থী খাহরামানমারাস ইউনিভার্সিটির ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী।

তুরস্কের বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ওমর ফারুক হেলালী এ কথা জানিয়েছেন।

এর আগে দুইজন বাংলাদেশির নিখোঁজ হওয়ার খবর গণমাধ্যমে আসে। পরে নিখোঁজ আরেক শিক্ষার্থী নূরে আলমকে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে পাওয়া যায় বলে জানান ওমর ফারুক।

নূরে আলম ও রিংকু যে ভবনে থাকতেন সেটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

তুরস্কের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলটি সিরিয়া সীমান্ত থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে ছিল। তাই ভয়াবহ হতাহতের শিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশটিও। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের মধ্য-দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ গাজিয়ানতেপের শহর নুরদায়ির ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সমতলের ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।

নুরদায়ি শহরটি তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এই দুটি দেশ ছাড়াও লেবানন ও সাইপ্রাসে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ৮০০ কিলোমিটার দূরের গাজা উপত্যকায়ও অনুভূত হয়েছে কম্পন।

তুরস্কে সোমবারের এই ভূমিকম্পকে ১৯৩৯ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেবার একই মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। বিগত ২৫ বছরে সাতবার তুরস্কে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে এবারের ভূমিকম্প সবচেয়ে শক্তিশালী বলছেন ভূতত্ত্ববিদরা।

কম্পনের তীব্রতা এবারে এতই বেশি ছিল যে মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত ৬৬টি পরাঘাত অনুভূত হয়।

বিষয়:

ছাত্রদল নেতা হত্যা: ১৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

রাজধানীর খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান জনিকে হেফাজতে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে ঘটনার আট বছর পর পুলিশের ১৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে জনির বাবা মো. ইয়াকুব আলী এ আবেদন করেছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল দৈনিক বাংলাকে জানান, এ দিন আদালতে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত। পরে মামলা গ্রহণের উপাদান না থাকায় আদালত তা খারিজ করে দেন।

আদালতে বাদীপক্ষে শুনানি করেন ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী নুরুল ইসলাম জাহিদ ও হান্নান ভূঁইয়া। অন্যদিকে ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল শুনানিতে বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ঘটনার আট বছর পর মামলা করতে আসা মানে রাজনৈতিক ফায়দা আছে। এতদিন তারা মামলা করেননি। এখন রাজনৈতিক ফায়দার জন্য এ মামলার আবেদন করা হয়েছে।

মামলার আবেদনে যেসব পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল তারা হলেন ডিএমপির তৎকালীন পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া; ডিবির উপপুলিশ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়; ডিবির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার হাসান আরাফাত ও মো. জাহিদুল হক তালুকদার; ডিবির পুলিশ পরিদর্শক ফজলুর রহমান, ওহিদুজ্জামান ও এস এম শাহরিয়ার হাসান; ডিবি রমনা জোনের এসআই দীপক কুমার দাস; ডিবির এসআই শিহাব উদ্দিন, বাহাউদ্দিন ফারুকী ও মো. জাহাঙ্গীর হোসেন; ডিবির কনস্টেবল মো. সোলাইমান, আবু সায়েদ ও মো. লুৎফর রহমান; এবং খিলগাঁও থানার এসআই মো. আলাউদ্দিন। ঘটনার সময় সবাই ডিএমপিতে কর্মরত ছিলেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়েছিল, রাজধানীর খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান জনিকে ২০১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ১৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ২০ জানুয়ারি ভোর ৪টা পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে ছিলেন জনি। একই বছরের ২০ জানুয়ারি ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যা করে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ডিএমপির ওই সময়ে কর্মরত ১৫ পুলিশ কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয় আবেদনে।

বিষয়:

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে মোংলায় জাহাজ ভিড়তে দেয়া হয়নি

মারিয়া জাখারোভা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সরঞ্জাম বহনকারী জাহাজ ‘উরসা মেজর’ ভিড়তে না দেয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী বলে জানিয়েছে রাশিয়া। গত ডিসেম্বরে মোংলা বন্দরে রাশিয়ার জাহাজটি ভিড়তে দেয়া হয়নি। আর এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপকেই দায়ী করছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়াবিরোধী নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে মস্কোয় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন।

ঢাকায় রাশিয়া দূতাবাসের ফেসবুক পেজে সোমবার বিবৃতিটি তুলে ধরা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজটি গ্রহণের জন্য আগের দেয়া সম্মতি বাংলাদেশ বাতিল করেছে মার্কিন চাপে। এতে সরঞ্জামগুলো পৌঁছানো মাসখানেক পিছিয়ে গেল। এটা বাংলাদেশের স্বার্থের জন্য অনুকূল নয়।

রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে মার্কিনিরা প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে, অন্য দেশের রাজনীতিক ও জনগণকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এমন অভিযোগ করে মারিয়া জাখারোভা বলেন, ‘অনেক দেশের এসব চাপ মোকাবিলার সক্ষমতা নেই। চাপের মুখে রাশিয়াবিরোধী নিষেধাজ্ঞায় অন্য দেশগুলোকে যোগদান করতে বাধ্য করাকে বেআইনি উল্লেখ করে বিবৃতিতে এসব তৎপরতা বন্ধ করতে বলা হয়।’

গত মাসের মাঝামাঝি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সরঞ্জাম বহনকারী রাশিয়ার জাহাজ ‘উরসা মেজর’ ভারতের বন্দরেও মালামাল খালাস করতে পারেনি।

গত ২৪ ডিসেম্বর রূপপুর প্রকল্পের সরঞ্জাম নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটির। তার চার দিন আগে ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে জানানো হয়, জাহাজটি আসলে ‘উরসা মেজর’ নয়। এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ‘স্পার্টা-৩’। জাহাজটির আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) সনদ নম্বর: ৯৫৩৮৮৯২, যা প্রকৃতপক্ষে ‘স্পার্টা-৩’ জাহাজের সনদ নম্বর। বিষয়টি যাচাই করে নিশ্চিত হয়ে জাহাজটিকে বন্দরে ভিড়তে দেয়নি বাংলাদেশ। অবশ্য রাশিয়া দাবি করেছে, জাহাজটি ‘স্পার্টা-৩’ ওরফে ‘উরসা মেজর’।

পরে জাহাজটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দরে গিয়ে পণ্য খালাসের চেষ্টা করে। সংশ্লিষ্ট স্থানীয় এজেন্ট সেখান থেকে পণ্য সড়কপথে বাংলাদেশের রূপপুরে পৌঁছাতে চেয়েছিল। তাও সম্ভব হয়নি। সপ্তাহ দুয়েক হলদিয়ায় অপেক্ষা করে ১৬ জানুয়ারি ভারতের জলসীমা ছেড়ে যায় জাহাজটি। পরে সেটি চীনের উদ্দেশে যাত্রা করে।

এ দিকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় থাকা জাহাজের নাম ও রং পরিবর্তন করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সরঞ্জাম পাঠানোর কাজটি রাশিয়া জেনেশুনেই করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘রাশিয়ার শত শত জাহাজ আছে। এর মধ্যে ৬৯টি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আছে। এগুলো ছাড়া যে কোনোটিতে মালামাল পাঠাতে পারত।’


এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হলেন আখতার হোসেন

আখতার হোসেন।
আপডেটেড ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:৩৩
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আখতার হোসেনকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

এই কর্মকর্তার অভোগকৃত অবসরোত্তর ছুটি এবং এ সংক্রান্ত সুবিধা স্থগিতের শর্তে দুই বছরের জন্য ওই পদে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়ে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক পদের নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা পাবেন তিনি।

এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব জুয়েনা আজিজের চাকরির মেয়াদ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিবের পদ থেকে অবসরে যাওয়া আখতার হোসেন জুয়েনা আজিজের স্থলাভিষিক্ত হলেন।


তুরস্ক-সিরিয়ার পাশে আছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে অসংখ্য মানুষ হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তুরস্ক ও সিরিয়ার এই বিপদের সময় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ পাশে আছে। তার সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী নিজতের সংখ্যা ১৮০০ ছাড়িয়েছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলসহ বিভিন্ন দেশ বিধ্বস্ত এই দেশদুটির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তুরস্কও আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে।

বিষয়:

রাজধানীতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মিঠু শেখ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:৩৪
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

রাজধানীর কদমতলীর জুরাইন এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মিঠু শেখকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তিনি বাগেরহাটের মোল্লারহাট থানার ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি।

সোমবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার বিকেলে র‌্যাব-১০-এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এনায়েত কবির সোয়েব বিষয়টি জানিয়েছেন।

এনায়েত কবির সোয়েব জানান, গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায় বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট থানার ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মিঠু শেখ জুরাইন এলাকায় অবস্থান করছে। এ তথ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে গ্রেপ্তার আসামিকে মোল্লারহাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


এবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

সবশেষ ২০২০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: বঙ্গভবন
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

করোনার কারণে গত দুই বছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সশরীরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনার সংক্রমণ কমায় এবার শহীদ দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সভাপতিত্বে সোমবার সচিবালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এ বছর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। শহীদ মিনারে তাদের আগমন, অবস্থান ও প্রত্যাগমনের সময় যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সবশেষ ২০২০ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত দুই বছর তাদের পক্ষে কর্মকর্তারা শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা বলয়ে নিয়ে আসা হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকা ভিডিও সার্ভিলেন্সের আওতায় আনা হবে। প্রবেশ, বহির্গমন পয়েন্টসহ প্রয়োজনীয় এলাকায় সিসিটিভি, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও আর্চওয়ে থাকবে।’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর এবং আজিমপুর কবরস্থান এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, অপ্রতিকর অবস্থা রোধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ডিএমপি ব্যবস্থা নেবে। ঢাকা মহানগরের বাইরের অন্যান্য মেট্রোপলিটন শহর, বিভাগীয় ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মসূচিতেও সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিদেশি দূতাবাসের প্রতিনিধিরা যাতে শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন সেজন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে পারেন সেজন্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রস্থানের পর ৩০ মিনিট বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা রাখা হবে।

অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা অগ্নিনির্বাপন গাড়ি, যন্ত্রপাতি ও লাইটিং ইউনিট নিয়ে মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, নার্স, এম্বুলেন্স ও ওষুধসহ দুইটি চিকিৎসা ক্যাম্প থাকবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।


‘হিরো আলমকে নিয়ে প্রধান দুই দলের বক্তব্য শিষ্টাচার বহির্ভূত’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
আপডেটেড ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:০৩
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিএনপির ছেড়ে দেয়া সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে কেন্দ্র করে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দলের বক্তব্যে হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সর্বোপরি দেশের একজন সাধারণ নাগরিককে নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের বা কারোরই এমন উপহাস করার কোনো অধিকার নেই বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে জানা যায়, আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অবমাননা ও উপহাসমূলক পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয়ার ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে।’

দেশের দুটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত বলে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে।” উল্টোদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “...এই আওয়ামী লীগ হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায়। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তার সঙ্গে জিততে হয়।” দুই ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলমকে অবজ্ঞা বা তাচ্ছিল্যসূচক বিবেচনায় পরস্পরকে আক্রমণ করেছেন দুই নেতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক রীতি অনুযায়ী পরস্পরকে নিয়ে বিষোদ্গার নতুন কিছু নয়। কিন্তু সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আশরাফুল আলমের ব্যক্তি পরিচয় ও অবস্থাকে মানদণ্ড হিসেবে দাঁড় করিয়ে দুই দল একে অপরকে আক্রমণ করেছেন। সেই মানদণ্ড যে ইতিবাচক কিছু নয়, বরং এর মাধ্যমে আলম এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে তা বলাই বাহুল্য। পাশাপাশি দেশের “সাধারণ” একজন নাগরিকের প্রতি দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিকের এমন আচরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির স্থুলতাকেই জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করে।’

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তার বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে, কোনো উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হলে, দেউলিয়া না হলে, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ না করলে বা আনুগত্য স্বীকার না করাসহ কিছু শর্ত পূরণে তিনি সংসদ সদস্য হতে পারবেন। সংবিধানের শর্ত পূরণের পরও আলমকে কেন্দ্র করে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দলের বক্তব্য শুধুমাত্র রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারকেই ভুলুণ্ঠিত করে না, বরং তার সাংবিধানিক অধিকার অবজ্ঞার নামান্তরও বটে। “হিরো আলম নির্বাচিত হলে সংসদকে ছোট করা হতো” এমন বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকারন্তরে সংসদকে ছোট করা হয়েছে। কারণ, সংসদীয় গণতন্ত্রের চেতনা ও চর্চায় মানুষে-মানুষে বৈষম্যের প্রকাশ অগ্রহণযোগ্য। ’


পোল্যান্ড পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন ‘প্রতারক’

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম পরাগ। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:০১
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডে পাঠানোর কথা বলে মানুষের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম পরাগ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

গত রোববার দিনগত রাতে তাকে রাজধানীর উত্তরা গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাবের দাবি, মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজেই পোল্যান্ডে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন প্রতারণাকারী।

সোমবার বিকেলে বিষয়টি জানিয়েছেন র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ।

আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গত রাতে অঙ্গীকার বিডি নামে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের পরিচালক পরিচয় দেয়া প্রতারক সাইফুল ইসলাম পরাগকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি অঙ্গীকার বিডি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পোল্যান্ড পাঠানোর নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

র‌্যাব অধিনায়ক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সাইফুল ইসলাম ও তার বন্ধু মিলে পোল্যান্ড পাঠানোর নামে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এই টাকা দিয়ে তারা দুজনই পোল্যান্ডে পাড়ি জমানোর বন্দোবস্ত করেন। ইতোমধ্যে তার অপর সহযোগী সে দেশে চলে গেছেন। কিন্তু সাইফুলের ভিসা পেতে দেরি হওয়ায় তিনি অপেক্ষায় ছিলেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

বিষয়:

ফারদিন হত্যায় বুশরাকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন

বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলায় তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরার অব্যাহতি চেয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি মামলাটির ধার্য তারিখ রয়েছে।

সোমবার রামপুরা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ইয়াসিন শিকদার মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

আদালতের রামপুরা থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা দৈনিক বাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এসআই সেলিম বলেন, ফারদিন হত্যা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। সেখানে মামলা থেকে বুশরার অব্যাহতি চাওয়া হয়েছে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি মামলাটির ধার্য তারিখ রয়েছে। ওইদিন প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পূর্ব পর্যন্ত বুশরা জামিন পান। পরদিন কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

বুয়েট ক্যাম্পাসে যাওয়ার কথা বলে গত বছরের ৪ নভেম্বর ঢাকার ডেমরার কোনাপাড়ার বাসা থেকে বের হন ফারদিন। ওই দিনই তিনি নিখোঁজ হন। সেদিন ফারদিনের সঙ্গে ছিলেন বুশরা।

৫ নভেম্বর রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ফারদিনের বাবা কাজী নূর উদ্দিন। নিখোঁজের তিন দিন পর ৭ নভেম্বর বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

এ ঘটনায় আমাতুল্লাহ বুশরাসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় ফারদিনের বাবা মামলা করেন। মামলার পর গত ১০ নভেম্বর রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্তভার পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর মাদকসংশ্লিষ্টতা, মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে খুন, কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয় সামনে আসে। সর্বশেষ তদন্তসংশ্লিষ্ট ডিবি ও র‌্যাব জানায়, স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ বা আত্মহত্যা করেছেন ফারদিন। ডিবি পুলিশ জানায়, ফারদিনের মৃত্যুর ঘটনায় জেলে থাকা বুশরা নির্দোষ।


রাজধানীতে কোটি টাকার হেরাইনসহ দুজন গ্রেপ্তার

পুলিশের অভিযানে হেরাইনসহ আটক দুজন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২০:৩৭
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান ৮৯ লাখ টাকা মূল্যের (৮৯০ গ্রাম) হেরোইনসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. আব্দুল বারী ও মো. জহিরুল ইসলাম।

রোববার দিনগত রাত বিমানবন্দরের ইর্শ্বাল কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক মিঞা এ তথ্য জানিয়েছেন।

মো. আজিজুল হক মিঞা বলেন, গোয়েন্দা তথ্য আসে, দুইজন মাদক কারবারি ঢাকা ইর্শ্বাল কলোনী এলাকার একটি খাবারের হোটেলের সামনে হেরোইন বিক্রির জন্য অবস্থান করছেন। এ সময় অভিযান চালিয়ে ৮৯০ গ্রাম হেরোইনসহ আব্দুল ও জহিরুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হেরোইনের মূল্য প্রায় ৮৯ লাখ টাকা। এ ঘটনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।

ওসি আজিজুল হক মিঞ্জা আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা নিজেদের বাহক বলে স্বীকার করেছেন। সোমবার তাদের আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদলত ২ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন। তদন্তের পর বলা যাবে এই মাদক পাচারের মূলহোতা কারা।

বিষয়:

চূড়ান্ত হিসাবে জনসংখ্যা বেড়েছে ৪৬ লাখের বেশি

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৮:৫১
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

চূড়ান্ত হিসাবে দেশের জনসংখ্যা জনশুমারির প্রাথমিক তথ্যের চেয়ে বেড়েছে ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ২৯৫ জন। ফলে জনশুমারির পর প্রাথমিক হিসাবে দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন বলা হলেও চূড়ান্ত হিসাবে দেশের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জনে।

সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। এরপর সেই পরিসংখ্যানের যথার্থতা যাচাইয়ে আরেকটি পরীক্ষামূলক জরিপ করা হয়। সেই জরিপের ফলাফল পাওয়ার পর যাচাই শেষে সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জনশুমারির চূড়ান্ত তথ্য জানালেন।


তুরস্ক-সিরিয়ার বিপদে বাংলাদেশ পাশে আছে: রাষ্ট্রপতি

রস্কের আদানার একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে অসংখ্য মানুষ হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তুরস্ক ও সিরিয়ার এই বিপদের সময় বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ পাশে আছে।

তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের মধ্য-দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ গাজিয়ানতেপের শহর নুরদায়ির ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সমতলের ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।

নুরদায়ি শহরটি তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এই দুটি দেশ ছাড়াও লেবানন ও সাইপ্রাসে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ৮০০ কিলোমিটার দূরের গাজা উপত্যকায়ও অনুভূত হয়েছে কম্পন।

তুরস্কে সোমবারের এই ভূমিকম্পকে ১৯৩৯ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেবার একই মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। বিগত ২৫ বছরে সাতবার তুরস্কে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে এবারের ভূমিকম্প সবচেয়ে শক্তিশালী বলছেন ভূতত্ত্ববিদরা।

কম্পনের তীব্রতা এবারে এতই বেশি ছিল যে মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত ৬৬টি পরাঘাত অনুভূত হয়।


banner close