মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
৮ বৈশাখ ১৪৩৩

হঠাৎ সুযোগে এমপি হতে দৌড়ঝাঁপ

আপডেটেড
১৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ১২:৫৩
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ১২:৫৩

আগাম আভাস ছাড়াই বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশে দলটির সাত সংসদ সদস্য (এমপি) পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরদিন তাদের মধ্যে ছয়জন জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। হঠাৎ তৈরি হওয়া এই সুযোগে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এমনকি একটি আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য এখনো পদত্যাগ না করলেও সেখানেও তৎপরতা দেখা গেছে।

বিএনপির পদত্যাগ করা ছয় সংসদ সদস্য হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবদুস সাত্তার, বগুড়া-৪ আসনের মো. মোশাররফ হোসেন, বগুড়া–৬ আসনের জি এম সিরাজ, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান এবং সংরক্ষিত আসনের রুমিন ফারহানা। এই আসনগুলো শূন্য ঘোষণা করে গত রোববার গ্যাজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। শূন্য হওয়া এসব আসনে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য দলটির যুগ্ম মহাসচিব মো. হারুনুর রশীদ বিদেশে থাকায় তিনি এখনো পদত্যাগ করেননি। দেশে ফিরে তারও পদত্যাগ করার কথা রয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আ.লীগে চাঙাভাব

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, শূন্য হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট) আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে তৎপর হয়ে উঠেছেন। বিদেশ থেকে ফিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদেরও পদত্যাগ করার কথা রয়েছে। তবে তিনি পদত্যাগ করার আগেই উপনির্বাচন মাথায় রেখে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। অবশ্য এই দুই আসনের উপনির্বাচন নিয়ে অন্য দলগুলোর আগ্রহ তেমন নেই।

আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠেয় এ উপনির্বাচন সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। এ উপনির্বাচনে অন্য কোনো দল অংশ নেবে না। আওয়ামী লীগের প্রার্থীই বিজয়ী হয়ে আসবেন।

সেখানে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতাদের বিলবোর্ড টাঙানো শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে কর্মী-সমর্থকদের প্রচার।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বেশি আলোচনায় আছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের দৌড়ে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য মু জিয়াউর রহমান, গোমস্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা, যুবলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল আলম সৈকত জোয়ার্দার, ভোলাহাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ, রাজশাহী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা খুরশিদ আলম বাচ্চু, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা কামরুল হাসান লিংকনসহ বেশ কয়েকজন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ বলেন, তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে এমপি ছিলাম। গত চার বছরে তেমন কিছুই হয়নি। অনেক উন্নয়ন প্রকল্পই থমকে গেছে। এ সময়ে আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারলে গত চার বছরের যে স্থবিরতা, সেটি অনেকটাই কাটিয়ে তুলতে পারব।’

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘উপনির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা চেষ্টা করবেন এটাই স্বাভাবিক। নেত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই আমরা মেনে নেব।’

বগুড়ায়ও শুরু হয়েছে দৌড়ঝাঁপ

বগুড়া প্রতিনিধি জানান, বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হয়েছে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসন। এর পরপরই আসন দুটিতে নির্বাচনী হাওয়া লেগেছে। তবে এখানেও সে হাওয়া বইছে শুধু আওয়ামী লীগেই। এই উপনির্বাচনে অংশ নেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে সিপিবি বা বামজোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও উপনির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে।

বগুড়া-৬ আসনটি বরাবরই ছিল বিএনপির দখলে। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি টি জামান নিকেতারের নাম শোনা যাচ্ছে জোরেশোরে। তিনি এর আগে ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর নামও শোনা যাচ্ছে।

বগুড়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু বলেন, বগুড়া-৬ আসনে অনেক দক্ষ ও যোগ্য আওয়ামী লীগ নেতা রয়েছেন। সবাই এমপি হওয়ার মতো যোগ্যতা রাখেন। আমি ছাড়াও অন্তত ১৭ জন আওয়ামী লীগ নেতা উপনির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন।

বগুড়া-৪ আসনে সরব হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা জাসদ সভাপতি রেজাউল করিম তানসেন, নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন রানা, নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ, কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলালউদ্দিন কবিরাজসহ বেশ কয়েকজন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন মোস্তফা কামাল ফারুকও সক্রিয় হয়েছেন। আলোচনায় আছেন জাতীয় পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য ও সম্মিলিত নাগরিক জোটের বগুড়ার সদস্যসচিব, বগুড়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক উত্তরের দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুস সালাম বাবুও।

রেজাউল করিম তানসেন বলেন, এর আগে আমি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ১৪ দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এমপি হয়েছিলাম। তাই এবারও আমি আশাবাদী।

কাহালু পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলালউদ্দিন কবিরাজ বলেন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যাচ্ছি। মতবিনিময় করছি সবার সঙ্গে।

ঠাকুরগাঁওয়ে সক্রিয় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানান, শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে এরই মধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইমদাদুল হক এবং সংসদীয় নারী সংরক্ষিত-১ আসনের সাবেক সদস্য সেলিনা জাহান লিটা। এ ছাড়া পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব ও রানীশংকৈল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সহিদুল হকও আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী। এ দিকে ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ইয়াসিন আলী এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ও দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজ উদ্দীন আহমেদও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

ইমদাদুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিন রাজনীতি করছি। আমি দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে চলেছি। আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।’

সেলিনা জাহান লিটা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার বাবা ছিলেন এই আসনের প্রথম সংসদ সদস্য। এ আসনের নারী ভোটারসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আমার যোগাযোগ রয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তৎপর বিভিন্ন দল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, শূন্য হওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি কয়েকটি দলের প্রার্থী সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মঈন উদ্দিন মঈন, জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক রেজাউল ইসলাম ভূইয়াসহ বেশ কয়েকজন।

মঈন উদ্দিন মঈন বলেন, ‘১৯৭৩ সালের পর এখানে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নেই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন যেন এখানে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়। এতে পিছিয়ে পড়া এলাকা এগিয়ে যাবে।’


জ্বালানির সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম সমন্বয় করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে জ্বালানি তেলের দাম যতটা বেড়েছে সে অনুযায়ীই পণ্যের দামের সমন্বয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত বা সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবে প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হচ্ছে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে সৃষ্ট অযাচিত ভীতি। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাব সব দেশেই পড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবুও সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ছে। তবে সরকার চেষ্টা করছে যেন জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর কম পড়ে।

অর্থনৈতিক দিক থেকে সাম্প্রতিক ব্যাংক ঋণ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, গত দুই মাসে সরকার প্রায় ৭৩ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে। এতে কিছুটা চাপ তৈরি হতে পারে এবং এর প্রভাব জনগণের ওপরও পড়তে পারে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, পরিস্থিতি এখনো সংকটজনক বা ‘রেড জোন’-এ পৌঁছায়নি। সরকারের নেওয়া ঋণ জনগণের কল্যাণমূলক কাজেই ব্যয় করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাংস্কৃতিক দিক থেকেও নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ মিয়ানমার, কম্বোডিয়া এবং ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে আঞ্চলিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী বছরের নববর্ষের আগেই এ বিষয়ে একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা গ্রহণের কথা রয়েছে। এছাড়া পুরো বৈশাখ মাসজুড়ে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, গত ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এক লাখ ২২ হাজার ৬৩৩ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে, যা বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় স্থিতিশীল অবস্থানে আছে।


পুলিশের পোশাক ফের পরিবর্তনের উদ্যোগ, ফিরছে আগের রং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকের রং পরিবর্তন নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে আবারও নতুন রং নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, পুলিশের পোশাকে গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণ ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫ সংশোধনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগে জারি করা এসআরও অনুযায়ী পুলিশের শার্ট গাঢ় ধূসর এবং প্যান্ট গাঢ় নীল থেকে পরিবর্তন করে শার্ট লৌহ রং ও প্যান্ট কফি রং নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ে এ পরিবর্তন নিয়ে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে বাহিনীর ভেতরে-বাইরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর নতুন করে রং নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সব মেট্রোপলিটন (মহানগর) পুলিশের শার্ট হবে হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের। এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি ও র‍্যাব ছাড়া অন্যান্য ইউনিটের শার্টের রং হবে গাঢ় নীল। উভয় ক্ষেত্রেই প্যান্টের রং নির্ধারণ করা হয়েছে টিসি টুইল খাকি।

পুলিশের পোশাক বদলের বিরুদ্ধে ছিলেন এসপিরাপুলিশের পোশাক বদলের বিরুদ্ধে ছিলেন এসপিরা

এই পরিবর্তন কার্যকর করতে পুলিশ ড্রেস রুলস, ২০২৫-এর একাধিক বিধি সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের খসড়াও এরই মধ্যে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পোশাক সরবরাহ প্রাপ্যতার ভিত্তিতে হওয়ায় এ পরিবর্তনে সরকারের অতিরিক্ত কোনো আর্থিক ব্যয় হবে না।


রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা ও তাদের দ্রুত নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

স্থানীয় সময় সোমবার (২০ এপ্রিল) সেনেগালের রাজধানী ডাকারে ‘ডাকার ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম অন পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি ইন আফ্রিকা’-শীর্ষক সম্মেলনের সাইড লাইনে জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ওনিশি ইয়োহির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই সহযোগিতা চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, প্রযুক্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আইসিটি, অবকাঠামো, ফার্মাসিউটিক্যালস, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উৎপাদনের মতো খাতে বৃহত্তর জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জাপানের অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করেন এবং মিয়ানমারে তাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের সুবিধার্থে আরও সহায়তা কামনা করেন।


চট্টগ্রাম বন্দরে এলো আরও ১ লাখ টন ডিজেল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে এক দিনেই চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আমদানিকৃত এই জ্বালানি দিয়ে দেশের টানা আট দিনেরও বেশি সময়ের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

বন্দর ও শিপিং সূত্র জানায়, সোমবার (২০ এপ্রিল) ভোররাত ২টার দিকে ওমান থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘গোল্ডেন হরাইজন’ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। এটি দিনের প্রথম চালান হিসেবে দেশে পৌঁছায়।

এর ধারাবাহিকতায় বিকেলেই আরো দুটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছায়। এর মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দুপুর ২টায় জাহাজ ‘এফপিএমসি ৩০’ পৌছায়। একই সময়ে ভারত থেকে সমপরিমাণ ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসছে ‘প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ নামের অন্য একটি জাহাজ।

জ্বালানি খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য মতে, দেশে দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৫০০ টন ডিজেলের চাহিদা রয়েছে।

সেই হিসাবে আজ আসা ১ লাখ ১ হাজার টন ডিজেল দিয়ে আট দিনেরও বেশি সময় দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে।

জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে দ্রুত তেল খালাসের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আগে থেকেই লাইটার জাহাজ প্রস্তুত রেখেছি। বড় জাহাজগুলো বহির্নোঙরে ভেড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই খালাস কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, আমদানির এই প্রবাহ গত কয়েক দিন ধরেই অব্যাহত রয়েছে। গত শুক্রবারও ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চারটি জাহাজ বন্দরে এসেছে, যেগুলোর খালাস কার্যক্রম এখনো চলমান।

এদিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের আরো বড় দুটি চালান পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং অন্যটিতে ৩৪ হাজার ৬০০ টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) রয়েছে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে। ধারাবাহিকভাবে এই আমদানির ফলে দেশের বাজারে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে পণ্যের দাম খুব বেশি বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট প্রতিনিধি

বিশ্বজুড়েই জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়েছে উল্লেখ করে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আমরা যে খাদ্য খাই, তা জ্বালানি তেলে তৈরি না। এর দাম উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয়ের সঙ্গে জড়িত। ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতেও জ্বালানি খরচ হয় মোট উৎপাদন খরচের ৭ থেকে ৮ শতাংশ। তাই পণ্যমূল্য খুব বেশি বাড়বে না।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সিলেট নগরীর অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে মাসব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন।

এ সময় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির যৌক্তিকতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সামগ্রিক প্রেক্ষাপট, অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান বিশ্ববাস্তবতার প্রেক্ষাপটে তেলের মূল্য খুব সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এইটুকু বৃদ্ধি না করলে চলছিল না। কেননা, আমদানি ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। আমদানি মূল্য বাড়লে ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য বাড়বে এটিই স্বাভাবিক। পুরো বিশ্বজুড়েই জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়েছে। উন্নত দেশগুলোতেও বেড়েছে।

তিনি বলেন, কৃষককে ডিজেলের জন্য সরকার ভর্তুকি দেয়। অন্যান্য ক্ষেত্রেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তুলনায় সিলেট এখনো নানা সামাজিক সূচকে পিছিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। তবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া হলে অচিরেই দেশব্যাপী হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিক এর প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। সিসিক ও স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী পরিচালক ডা. নূরে আলম শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা ডা. সুফি মো. খালিদ বিন লুৎফুর, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং ইউনিসেফের সিলেট ফিল্ড অফিসের প্রধান মির্জা ফজলে এলাহী প্রমুখ।


জুলাই সনদের প্রত্যেকটি শব্দ, অক্ষর বাস্তবায়ন করবে বিএনপি: তারেক রহমান

* প্রতিষ্ঠার দেড়শ বছর পর সিটি করপোরেশনের মর্যাদা পেল বগুড়া * বগুড়াসহ ৭ জেলায় ই-বেলবন্ড কার্যক্রম শুরু * বাগবাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন  
সোমবার (২০ এপ্রিল), বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বিএনপির জনসভায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২১ এপ্রিল, ২০২৬ ০০:২৮
বগুড়া প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই সনদে বিএনপি সই করেছে এবং এর প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন বাস্তবায়ন করা হবে। আমি এই হাজারো মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে পরিষ্কারভাবে আবারও বলে দিতে চাই—সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যে জুলাই সনদে সই করে এসেছে, সেই জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি অক্ষর আমরা এক এক করে বাস্তবায়ন করব ইনশা আল্লাহ। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে বিএনপির জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১১টি কমিশন করেছিল। ১১টি কমিশনের মধ্যে সংবিধান আছে, বিচারের বিষয় আছে, প্রশাসনিক, স্বাস্থ্য এবং নারী আছে। আজকে আমরা ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। খেয়াল করে দেখবেন- যারা এই সংস্কার সংস্কার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, জুলাই সনদের সম্পর্কে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা কিন্তু নারীর স্বাধীনতা অথবা নারীর উন্নয়ন নিয়ে কোনো কথা বলে না।

বাংলাদেশের মানুষের চিকিৎসার জন্য যে চিকিৎসা কমিশন করা হয়েছিল, বাংলাদেশের মানুষ যাতে সহজে ওষুধ পেতে পারে, চিকিৎসা পেতে পারে সেটির ব্যাপারে তারা কোনো কথা বলে না। কীভাবে প্রশাসনকে ঠিক করতে হবে, সেটির কথা তারা বলে না। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে হবে, সেইটির কথাও তারা বলে না। তারা শুধু সংবিধান সংবিধান বিষয়ে কথা বলে।

এদিকে জনসভা শুরুর আগেই দুপুর থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জনসভায় আসতে শুরু করেন। বেলা ৩টার মধ্যে পুরো মাঠ প্রাঙ্গণ জনসমুদ্রে রূপ নেয়। মাঠ প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও নেতা-কর্মীদের অবস্থান নিতে দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা বগুড়ায় এটিই তার প্রথম সফর। সকালে তিনি সড়কপথে ঢাকার গুলশান থেকে রওনা হয়ে সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান। সেখানে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৬ বছর বিএনপির অসংখ্য নেকাকর্মী অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করেছেন। মিথ্যা মামলার আসামি হয়েছেন। সেসময় দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা এবং ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার সাথে দেশর মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল। গণআন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পারাতে বাধ্য হয়েছিল।

তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকার মেগা প্রজেক্টের মাধ্যমে মেগা দুর্নীতি করেছে। লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। আমরা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে দেশটাকে নতুন করে সাজানোর কাজ শুরু করেছি। নির্বাচনের আগে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করেছি। মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের ধর্মগুরুদের সম্মানী

দিয়েছি। সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কাজ শুরু হয়েছে। স্বল্প খরচে বিদেশে জনশক্তি রপ্তারির জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে আলোচনা চলছে। অচিরেই সুখবর আসবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া জাতির সামনে সংষ্কার প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। পরবর্তীতে আমরা জাতির সামনে ৩১ দফা সংষ্কার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বগুড়াসহ উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির সুবিধার্থে বগুড়া বিমান বন্দরে কার্গো বিমান চলাচলের ব্যবস্থা করবেন বলে ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং সেখানে কৃষিসহ বিভিন্ন বিভাগ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশার সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর পত্নী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

এরপর তারেক রহমান বগুড়া প্রেসক্লাবের নবনির্মিত ভবন এবং

বাইতুর রহমতান সেন্ট্রাল জামে মসজিদের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। এর আগে বগুড়ায় এসে দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১১টায় বগুড়া বার সমিতির নবনির্মিত বহুতল ভবনের নাম ফলক উন্মোচন করেন। এরপর তিনি বগুড়াসহ ৭ জেলায় ই-বেলবন্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসকের কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় পৌর ভবনে তিনি এ ফলক উন্মোচন করেন। এর ফলে প্রতিষ্ঠার প্রায় দেড়শ বছর পর বগুড়া পৌরসভা সিটি করপোরেশনের মর্যাদা পেল। এটি দেশের ১৩ তম সিটি করপোরেশন।

ফলক উন্মোচন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের অনেকদিনের দাবি ছিল, সেটি আজ পূরণ হলো। বগুড়া সিটি কর্পোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরু করল। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বগুড়া সদর (বগুড়া-৬) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, স্থানীয় সরকার সচিব শহীদুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সেখানে গাছের চারাও রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ৯১১ জনের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন। দুপুরে উপজেলার বাগবাড়ীতে শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে এ কার্ড বিতরণ করেন সরকার প্রধান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। গাবতলীর বাগবাড়ীতে জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে সোমবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে সরকার প্রধান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পিতৃভূমি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা পৌনে ৪টার দিকে নশিপুরে সরকার প্রধান কোদাল দিয়ে মাটি কেটে চৌকিদহ খালের খনন কার্যক্রমের সূচনা করেন। এ সময় বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোরশেদ মিলটন, জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু উপস্থিত ছিলেন।


হাম ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল প্রতিনিধি

হাম ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে বলে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ‘আমরা এমন এক সময় জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছি, যখন দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হয়। এতে সারা বিশ্বে জ্বালানির সংকট দেখা দেয়। এরপরই আমাদের শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় তা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে আমরা গণমাধ্যমের খবরে জেনেছি, আমাদের সচেতনতার কিছুটা ঘাটতির কারণে কীভাবে বেশ কিছু শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।’

সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেছেন তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান।

দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে শিশুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব আছে জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বিগত দিনে যেসব সরকার দায়িত্ব পালন করেছে, তারা এই টিকাদান কর্মসূচিকে যথাযথভাবে পরিচর্যা করেনি। এ কারণেই আজ যখন সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে, তখন এর প্রাদুর্ভাব থেকে আমরা শিশুদের সুরক্ষা দিতে অনেকটা ব্যর্থ হয়েছি।’

তথ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘দেশে প্রচুর প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত থাকলেও বিগত স্বৈরাচার সরকার নিজেদের ব্যবসার স্বার্থে দেশীয় গ্যাস উত্তোলনের কোনো ব্যবস্থা না করে আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতি তৈরি করেছিল। এটা কেবলই নিজেদের ও দলীয় স্বার্থে করা হয়েছিল। আজ যদি আমাদের নিজস্ব গ্যাস উত্তোলনের সক্ষমতা থাকত, তাহলে হরমুজ প্রণালির এই সংকটে আমাদের পড়তে হতো না।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল যখন গণবিরোধী ও জনবিচ্ছিন্ন হয়, তখন এর পরিণতি যে কতটা সুদূরপ্রসারী ও খারাপ হতে পারে, তার প্রমাণ হচ্ছে এই জ্বালানিসংকট। এ জন্য প্রধান অপরাধী হচ্ছে, পলাতক স্বৈরাচার সরকার। তারা রপ্তানি আয়ের বৈদেশিক মুদ্রার বাড়তি ব্যয় করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করেছে।’

রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে সংস্কার আনতে না পারলে এসব সংকট থেকে জনগণকে উদ্ধার করা যাবে না উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রসংস্কারের কর্মসূচি দিয়েছেন। সেই কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জ্বালানিসংকট ও হামের মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করা হচ্ছে।


দুর্নীতি করলে ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবেন, তিনি ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবেন না।’ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) শুরু হতে যাওয়া চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের এক পর্যায়ে সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না। এখনো করছি। আজকেও একজনকে বিদায় দিয়েছি।’

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী পরবর্তী এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা বলেন। অবশ্য এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তের কথা বলেননি তিনি।

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।

গতবার ফল প্রকাশের যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল, তাতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৯ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি। অর্থাৎ গতবারের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী অনেক কম। সারাদেশে মোট ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রথম পাবলিক পরীক্ষা।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।


নিরাপত্তা চাইলেন হান্নান মাসউদ, থানায় মামলা-জিডির পরামর্শ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজের এবং দলের নেতাকর্মীদের জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে জাতীয় সংসদে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা আবদুল হান্নান মাসউদ। সোমবার (২০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৭তম দিনে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি তার ওপর হওয়া একের পর এক হামলার চিত্র তুলে ধরেন।

সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ বলেন, তিনি একটি দুর্গম দ্বীপাঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, যেখানে ভূমিদস্যু ও জলদস্যুদের দৌরাত্ম্য প্রকট। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে ও পরে অন্তত পাঁচবার সরাসরি হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি আরও জানান, তার জন্য মসজিদে দোয়া করার অপরাধে এক ইমামের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে, যিনি এখনো চিকিৎসাধীন।

সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করে হান্নান মাসউদ বলেন, ‘আমাকে অস্ত্র হাতে কোপাতে আসার ভিডিও ও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। ফেসবুক লাইভে এসে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং আমাকে এলাকায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন সংসদ সদস্য হয়েও যদি তিনি ও তার কর্মীরা নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হতে পারে? তিনি ঘটনার সুষ্ঠু সংসদীয় তদন্ত ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

যদিও কার্যপ্রণালী বিধির কারিগরি সীমাবদ্ধতার কারণে হান্নান মাসউদের নোটিশটি সংসদে গৃহীত হয়নি, তবে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল উল্লেখ করে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের ওপর এ ধরনের হামলা ও হুমকি কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘যদি হামলার ঘটনাগুলো সত্য হয়, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সরকার কোনো অপরাধীকে ছাড় দেবে না।’ মন্ত্রী পরামর্শ দেন যে, হামলা বা হুমকির ঘটনায় ভুক্তভোগী সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা বা জিডি করা প্রয়োজন। অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে তিনি জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু হান্নান মাসউদ নন, সংসদের যেকোনো সদস্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা স্থানীয় থানাকে অবহিত করতে হবে। সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’


পিসিএ চুক্তির প্রাথমিক স্বাক্ষর করলো বাংলাদেশ ও ইইউ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সমন্বিত অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো চুক্তির (পিসিএ) প্রাথমিক স্বাক্ষর ক‌রে‌ছে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

স্থানীয় সময় সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে এ চুক্তি সই হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও ইউরোপীয় কমিশনের হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ কালা কালাসের উপ‌স্থি‌তি‌তে চু‌ক্তি‌তে সই ক‌রেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম ও ইইউর এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা প্যাম্পালোনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপ‌দেষ্টা হুমায়ুন ক‌বির উপ‌স্থিত ছি‌লেন।

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ ও বিকাশের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর নতুন করে ইইউ-বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। ব্রাসেলসে ওই অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন উপস্থিত ছিলেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির প্রথম দফার আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে বাংলাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় পিসিএ চুক্তির আলোচনা স্থগিত করেছিল ইইউ। পরবর্তী সময়ে ইইউ বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে পিসিএ সই করার সিদ্ধান্ত নিলে নভেম্বরে ঢাকায় অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হয়েছিল। এরপর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে গত বছরের এপ্রিলে (২০২৫) পিসিএ নিয়ে বাংলাদেশ ও ইইউর উচ্চপর্যায়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। সবশেষ, পিসিএ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারিতে (২০২৬) আরেক দফা ঢাকা ও সিলেটে আলোচনা হয়। সেসময় আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ চুক্তিটির খসড়া চূড়ান্ত করেছে।

পিসিএ হলো-আইনগত বাধ্যতামূলক চুক্তি, যা ইইউ ও একটি অংশীদার দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করে। অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে ইইউ অংশীদার দেশগুলোতে রাজনৈতিক সংলাপ, শান্তি ও নিরাপত্তা, সুশাসন ও মানবাধিকার, বাণিজ্য, অর্থনীতি, আর্থিক সহযোগিতাসহ বিভ্ন্নি বিষয় এর মধ্যে থাকে।


দেশ-বিদেশ সফর: মন্ত্রী -প্রতিমন্ত্রীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ সফরকে ঘিরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার বা প্রটোকল নির্ধারণ করে নতুন নির্দেশাবলি জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত দায়িত্ব ও উপস্থিতির বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের দেশ-বিদেশ সফরকে ঘিরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার (প্রটোকল) সংক্রান্ত নির্দেশাবলি প্রকাশ করা হয়, যা গত ১৬ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হয়।

বিশেষ নির্দেশাবলি

  • মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের বিদেশ গমন ও দেশে ফেরার সময় মন্ত্রণালয়/বিভাগের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব/যুগ্ম সচিব বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।
  • দেশের অভ্যন্তরে সফরকালে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী তার ঢাকা ত্যাগ ও প্রত্যাবর্তনস্থলে মন্ত্রণালয়/বিভাগের মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর একান্ত সচিব উপস্থিত থাকবেন।
  • জেলা সদরে যথাসম্ভব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর আগমন ও বিদায়ের স্থানে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন।
  • জেলা সদরে উপস্থিত থাকার জন্য জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারের নিজের সরকারি সফর বাতিল বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হবে না। এ ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রী ইচ্ছা প্রকাশ করলে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপার তাঁর সফরসূচি বাতিল করবেন।
  • উপজেলা সদর বা উপজেলার অন্য কোনো স্থানে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর সফরকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। আবশ্যক না হলে জেলা প্রশাসক কিংবা পুলিশ সুপারের এক্ষেত্রে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।
  • আগমন ও প্রস্থানের সময় আবশ্যক না হলে বিমানবন্দর বা রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা/চট্টগ্রাম/কক্সবাজার/যশোরের জেলা প্রশাসকের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই। যশোর ও কক্সবাজারের পুলিশ সুপার/মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
  • কোনো জেলা/উপজেলায় আগমন/প্রস্থানের সময় আশপাশের জেলার বিমানবন্দর/রেলস্টেশন ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হলে ট্রানজিট স্থানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের উপযুক্ত প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।
  • বিভাগীয় কমিশনার, সদরদপ্তরে উপস্থিত থাকলে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর আগমনের পর সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করতে পারেন।
  • মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
  • রেলযোগে ভ্রমণের ক্ষেত্রে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশ সুপার তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট রুটের সকল পুলিশ স্টেশন/ফাঁড়িকে অবহিত করবেন। যে স্টেশনে ট্রেন থেকে অবতরণ এবং ট্রেনে পুনরায় আরোহণ করবেন বা কোনো জংশনের যে স্থানে ট্রেন বদলের প্রয়োজন হবে সেসব স্থানে পুলিশের একজন পরিদর্শক/উপপরিদর্শক উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও রেলযোগে চট্টগ্রামে গমন ও প্রস্থানের সময় সেখানে চট্টগ্রাম রেলওয়ের পুলিশ সুপার উপস্থিত থাকবেন।

সাধারণ নির্দেশাবলি

  • মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের সফরসূচি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে যথাসময়ে পাঠাতে হবে। সফরসূচিতে কোনো পরিবর্তন হলে তাও যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাতে হবে।
  • সার্কিট হাউজ/সরকারি রেস্ট হাউজ ছাড়া নিজ বাড়ি কিংবা অন্যত্রে অবস্থানের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রাচার সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশাবলি প্রযোজ্য হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
  • সফরসূচি প্রণয়নের সময় সফরটি, সরকারি নাকি ব্যক্তিগত তা মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। সরকারি সফরের সময় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীদের জন্য যানবাহন ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ব্যক্তিগত সফরের জন্য যানবাহন ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হলে এ সংক্রান্ত সেবার মূল্য পরিশোধের প্রচলিত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
  • মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর একান্ত সচিব/সহকারী একান্ত সচিবগণ মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী এ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট এ সংক্রান্ত জারি করা নির্দেশাবলির জায়গায় নতুন এই নির্দেশাবলি কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।


৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি আরবে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যু করার প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

বৈঠককালে তারা দুদেশের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার (মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

মন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জনশক্তি রপ্তানি ছাড়াও বাংলাদেশের জ্বালানি ও পর্যটন খাতে সৌদি আরবের বিনিয়োগের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

তিনি এসব খাতে বিনিয়োগসহ দুদেশের সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন।

সৌদি আরবে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যুর প্রসঙ্গ তুলে রাষ্ট্রদূত এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস বা প্রমাণক সাপেক্ষে ইতোমধ্যে ২২ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হয়েছে।

এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ থেকে বিশেষ টিম পাঠানো হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী কঠোর হুঁশিয়ারি দেন, পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, যেসব মিয়ানমার নাগরিকের বাংলাদেশি ডকুমেন্টস রয়েছে বা যারা প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেছে, তাদের দ্রুত পাসপোর্ট প্রদান করতে হবে।

এক্ষেত্রে সৌদি আরব থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিয়ে পুনরায় যাচাই-বাছাই করার জন্যও তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান।

মন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে তিনি সৌদি আরব সফর করতে পারেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


হামের টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিগত সরকার হামের টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল এবং সঠিক সময়ে টিকা আনার ব্যবস্থা করেনি।

সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা ১১টায় টাঙ্গাইল পৌর শহরের পৌর উদ্যানে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বর্তমান সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা এই টিকার ব্যবস্থা করেছেন। এজন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকারের দায়িত্বহীনতার কারণে জনগণ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছিল। এ ধরণের অবহেলার জন্য তিনি তাদের নিন্দা জানান। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে ইতোমধ্যে সারা দেশে হামের টিকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া মানুষের জীবনে স্বাস্থ্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তাই সবাইকে সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো ধরণের অবহেলা না করার পাশাপাশি, আগামী দিনে স্বাস্থ্য সচেতনতা আরও বাড়াতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক, সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মাহবুবুল আলম মঞ্জু, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইলের ১২০টি কেন্দ্রে ৩৯০টি ওয়ার্ডে হাম-রুবেলার টিকা পাবে তিন লাখ ৮৭ হাজার ৩৬৯ জন শিশু। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তিন হাজার ১২০ টি কেন্দ্রে এই টিকা দেয়া হবে। এ কার্যক্রম আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে।


banner close