শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

দেশের মানুষ শান্তি ও আইনের শাসন চায়: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৪৪
  • *মৎস্য রপ্তানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে * নারীদের স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা * বিভ্রান্তকারীদের সমুচিত জবাব দেওয়ার আহ্বান * ১০ বছরে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা * জেলেদের পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম চলমান * বিদেশে নিত্যনতুন পণ্যের বাজার খোঁজার আহ্বান

বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের মানুষ শান্তি ও আইনের শাসন চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য, আমাদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন। বাংলাদেশের মানুষ, বিশেষ করে গ্রাম ও উপজেলায় থাকা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, এমন পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ আমরা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে চাই।’

রোববার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে নতুন বাজার খুঁজে বের করার জন্য দেশের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশে বহু নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর ও হাওর অলস পড়ে রয়েছে। সরকার এসব জলাশয় সংস্কার করে মৎস্য পোনা ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার বেকার তরুণদের মধ্যে এসব জলাশয় ব্যবহারের সুযোগ বণ্টন করা হবে, যাতে তাদের কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।’

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের এ অনুষ্ঠানে ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণপদক) প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘রুপালী মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় হাওর ও জলাশয়ের পরিবেশ রক্ষার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ হয়তো মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত। মাছকে যদি আমরা বাঁচাতে চাই, তাহলে পরিবেশের সুরক্ষার প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি পরিবেশকে রক্ষা করতে পারি, তাহলে যেমন একটি সুস্থ পরিবেশে বসবাস করতে পারব, তেমনি আমাদের সন্তানরাও আগামীতে সুস্থ পরিবেশে বসবাস করতে পারবে। একইভাবে আমাদের মৎস্য ও পশু-সম্পদসহ সবকিছু একটি সুস্থ পরিবেশে গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন আবর্জনা, বিভিন্ন রকম টিস্যু পেপার ও প্লাস্টিকের পানির বোতল ফেলার কারণে ধীরে ধীরে আমাদের খাল-বিল, নদী-নালা এবং হাওর-জলাশয়ের পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে আমরা যদি পরিবার, পরিবেশ, মাছ ও পানি রক্ষা করতে চাই এবং পরিবেশ দূষণ রোধ করতে চাই, তাহলে সবাইকে সচেতন হতে হবে।’

মৎস্য খাতের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্বের প্রায় ৫২টি দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট জলজ প্রাণী উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৫ম এবং অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ আহরণে ২য় স্থান অর্জন করেছে।’

মৎস্য খাতে বিভিন্ন আধুনিক ও যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুলনা অঞ্চলে ৩০০টি ক্লাস্টার গঠনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৫০০টি ঘেরে উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি কক্সবাজারের চকরিয়ায় ৭ হাজার একর জমিতে ‘শ্রিম্প সিটি’ বাস্তবায়নে মাস্টারপ্ল্যান ও অবকাঠামো উন্নয়ন চলছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান প্রায় ১০ শতাংশ, যা জাতীয় জিডিপির ১ শতাংশেরও বেশি। বিগত বিএনপি সরকারের সময় প্রবর্তিত ‘ইলিশ ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট অ্যাকশন প্ল্যান’-এর ধারাবাহিকতায় দেশে ইলিশ উৎপাদন অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।’

মৎস্যজীবী ও জেলেদের সুরক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বর্তমানে প্রায় ২ কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই খাতের ওপর নির্ভরশীল। মৎস্য চাষিদের কৃষক কার্ড প্রদান, জেলেদের নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো সুন্দরবন ও হাওর অঞ্চলে মাছ ধরা নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদের ভিজিএফ সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে।’

মৎস্য ও পশুসম্পদ যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গত জুন মাসে নাইজেরিয়াতে হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করা হয়েছে। এভাবে বিদেশে নিত্য নতুন পণ্যের বাজার খুঁজে বের করার জন্য আমি উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ীদের প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই। এক্ষেত্রে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।’

তারপর বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ অনুষ্ঠানে যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে নজরদারিতে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না।

বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।

এ অনুষ্ঠানে জেলার নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মধ্যে সন্মানী প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া অসচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক অনুদানের চেকও দেন তিনি। একজন প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেন চাকরির নিয়োগপত্র।

জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে পেছনে রেখে বা তাদর সঠিকভাবে তৈরি করতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারা যাবে না। আমরা যত যতই বড় স্লোগান দেই না কেন, মানুষকে যদি আমরা আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি, দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে যদি আমরা অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে কখনোই আমরা দেশকে গড়ে তুলতে পারব না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এমন এক বাংলাদেশ তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি শ্রেণির মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে তার প্রাপ্য মর্যাদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পেছনে ফেলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে। নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। সে লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ১৩ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।

সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সমাজের দিকনির্দেশক হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আগামীতে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। সেজন্য আমরা জনগণের কল্যাণে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।’

জনসাধারণের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আপনারা হাজার হাজার মানুষ সমর্থন দিয়ে বলেছেন যে এই পরিকল্পনাগুলো যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বাংলাদেশের মানুষ উপকৃত হবে। তাই আপনাদেরকে বলতে চাই, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আপনারা যে দলের ওপর আস্থা রেখেছেন, সেই আস্থা ধরে রাখুন। বিএনপি আপনাদের সাথে ছিল, বিএনপি বাংলাদেশের জনগণের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের অপরিকল্পিত বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপ বর্তমান সংকট তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে। আগামী ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশন শুরু হবে। সেখানে সরকার আগামী ১০ বছরে দেশের বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা তুলে ধরবে।

তিনি বলেন, ‘আজকে সবাই প্রতিজ্ঞা করি যে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যারা কাজ করবে, যারা বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে, যারা জনগণের স্বার্থে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করবে, তাদেরকে জনগণ সকল শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করবে।’

দেশের মানুষ এখন শান্তি চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন আইনের শাসন চায়, কর্মসংস্থান চায়, সন্তানদের জন্য শিক্ষা চায়, পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যব্যবস্থা চায়। এই কাজগুলো যদি করতে হয়, আমাদেরকে ধৈর্য ধরতে হবে। একই সাথে যারা বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে, তাদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানসহ পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

শাহজালালে সোয়া কোটি টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৮৬২ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছে এপিবিএন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. নাসির মোল্লা (৪০), সোহাগ শেখ (২৪) ও মো. হাছান মিয়া (২৩)।

এপিবিএন জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশের ফুটপাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন ওই তিনজন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে ৮৬১ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৬০ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ে যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি (১)(বি)/২৫-ডি ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে এপিবিএন সক্রিয় রয়েছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


নির্বাচিত

ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

রিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে টেকসই করতে ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ভালো রাজনীতিবিদ তৈরি করতে না পারি, তাহলে আমরা যে স্বপ্নের কথাই বলি না কেন, তা টেকসই হবে না।’

আজ সংসদ ভবনের এলডি হলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিজেএ) আয়োজিত ‘আগামীর বরিশাল বিভাগ : সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা এমন একটা জায়গায় চলে আসছি, কোয়ালিটি ডেভেলপমেন্ট যদি আনতে হয়, তাহলে ভালো মানুষদের নেতৃত্বে আসতে হবে।’

আন্দালিভ রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে নেতৃত্বের বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ভালো ও মেধাবী তরুণরা রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছে। রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এমনকি অনেক রাজনীতিবিদের সন্তানও রাজনীতিতে আসতে চায় না।

তিনি বলেন, রাজনীতি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো উপাদান থাকলেও ভালো বাবুর্চি না থাকলে যেমন ভালো খাবার পাওয়া যায় না, তেমনি ভালো মানুষ নেতৃত্বে না এলে উন্নয়ন ও অগ্রগতির সুফল টেকসই করা সম্ভব নয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বরিশালের ঐতিহ্য অতুলনীয়। ফুটবল থেকে শুরু করে রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরিশাল এবং বরিশালের মানুষ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে। পাকিস্তান আমল থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পর্যন্ত এ অঞ্চল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা উঠে এসেছেন এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, বরিশালকে সত্যিকার অর্থে স্বপ্নের নগরী ও স্বপ্নের শহরে পরিণত করতে হলে আগামী দিনে ভালো রাজনীতিবিদ তৈরি করতে হবে। এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, বরিশালের আশপাশের সব নির্বাচনী এলাকা ও জেলাগুলো থেকে মেধাবী ও ভালো ছেলেমেয়েদের রাজনীতিতে আসতে উৎসাহিত করতে হবে। এজন্য রাজনীতিতে আসার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আগামী প্রজন্মের জন্য ভালো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারি, তাহলে কোনো ধরনের উন্নয়নই টেকসই হবে না। এটা শুধু বরিশালের সমস্যা নয়, সারা বাংলাদেশেই এই সংকট রয়েছে।’

আন্দালিভ রহমান বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্যাস সরবরাহ ও শিল্পায়ন এক ধরনের উন্নয়ন। কিন্তু এখন দেশের প্রয়োজন মানসম্মত ও টেকসই উন্নয়ন। আর সে জন্য ভালো মানুষকে নেতৃত্বে আসতে হবে।

তিনি বলেন, যারা বর্তমানে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের দায়িত্ব হলো পরবর্তী প্রজন্ম থেকে যোগ্য ও মেধাবীদের রাজনীতিতে নিয়ে আসার পথ তৈরি করা। তরুণদের রাজনীতিতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের জন্য রাজনীতির পরিবেশ সহজ করতে হবে, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে রাজনীতিতে আসতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হয়তো অনেক কিছু তৈরি করে যেতে পারব, কিন্তু ভালো নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারলে সেগুলো ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তাই এ বিষয়গুলোতে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।’

বরিশাল থেকে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকসহ অনেক বড় নেতা উঠে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও এ অঞ্চল থেকে যোগ্য ও ভালো নেতৃত্ব সামনে আসতে হবে।

তিনি বলেন, তরুণরা ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী, সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়া কিংবা বিদেশে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের সবচেয়ে মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণদের কেউ যদি রাজনীতিতে এসে দেশ পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে, সেটিই হবে দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

দুর্ঘটনায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং মহড়া চলাকালে ট্যাংক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার দুপুরে তিনি হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসাধীন ওই কর্মকর্তার সর্বশেষ শারীরিক পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নেন।

সিএমএইচে পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহত কর্মকর্তার উন্নত ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় তিনি আহত কর্মকর্তার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য কামনা করেন। হাসপাতালে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসাধীন কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গভীর সান্ত্বনা ও সহমর্মিতা জানান।

এর আগে গত বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিয়মিত সামরিক ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের অংশ হিসেবে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত হন এবং একজন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হলে তাঁকে দ্রুত সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনাসদস্যের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।


নির্বাচিত

ভারতের সঙ্গে করা ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: চিফ হুইপ

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত শতাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সরকার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ সংক্রান্ত পর্যালোচনার চূড়ান্ত ফলাফল খুব দ্রুতই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। শুক্রবার সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্তি-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে সরকারদলীয় অন্যান্য হুইপ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগসংক্রান্ত চুক্তি এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নৌযান চলাচলবিষয়ক চুক্তি বাতিলের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা চুক্তিগুলো, মানে সব—১০১টা এমওইউ নিয়ে আলোচনা করছি এবং সেটার ফল অনতিবিলম্বে আপনারা পাবেন।’ এ ছাড়া ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্তির পর তা বাদ দেওয়ার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, দেশের আর্থিক কাঠামো মজবুত করার লক্ষ্যেই প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবে সংশ্লিষ্টদের আগ্রহ না থাকায় পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করে বিলটি পাস করা হয়।

নয় কার্যদিবসের এই অধিবেশনে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হওয়া ছাড়াও সংসদীয় বিধিতে ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নিজে ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দেন। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের অবস্থান তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি জানান, সরকারি ব্যয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত ৩৯টি স্থায়ী কমিটির মধ্যে ২৪টিতেই বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের আনুপাতিক হারের চেয়েও বেশি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি কমিটিতে তিনজন করে এবং বাকিগুলোতে দুজন করে সদস্য রাখা হয়েছে।

অধিবেশনে পাস হওয়া আইনগুলোর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনীকে অত্যন্ত মানবিক ও কার্যকর হিসেবে আখ্যায়িত করেন চিফ হুইপ। এই আইনের ফলে বৃদ্ধ পিতা-মাতারা সন্তানদের সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করার পরও আজীবন তা ভোগদখল করার আইনি অধিকার পাবেন, যা প্রবীণদের আশ্রয়হীন হওয়া রোধ করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন অংশীজন, বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, আইনজীবী, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং ১৬ জন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের পরামর্শের ভিত্তিতে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এটি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক আমন্ত্রণ, কোনো ব্যক্তিগত নিমন্ত্রণ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সমমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশ সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রক্ষা করবে।

সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে চিফ হুইপ জানান, পূর্ববর্তী হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া বৈদেশিক দায়ের বিপরীতে গত পাঁচ মাসে জনগণের করের ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বিগত আমলের বিদ্যুৎ খাতের দায়মুক্তি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনহীন ক্যাপাসিটি চার্জের তীব্র সমালোচনা করেন। সবশেষে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অবিচল অঙ্গীকার ব্যক্ত করে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি বিষয় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সনদের মৌলিক সংস্কারগুলো কার্যকর করতে সংবিধান সংশোধনকে একমাত্র আইনি পথ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে অতীতে যেভাবে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা হবে।


নির্বাচিত

বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দি রয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে যশোর-৫ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য কাজী এনামুল হকের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভিনদেশে আটক নাগরিকরা স্থানীয় আইনের আওতায় থাকায় সংশ্লিষ্ট দেশের বিচারিক নিয়মনীতির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা বজায় রেখেই তাদের মুক্তির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়। বিদেশে কোনো বাংলাদেশির বন্দি থাকার সংবাদ মিললে কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট কারাগার বা বন্দিশিবির পরিদর্শন করে সরাসরি বন্দির খোঁজখবর নেন। পরবর্তী সময়ে আটক ব্যক্তির প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইনি পরামর্শ ও সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়। কোনো বন্দির নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকলে আদালতের মাধ্যমে সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয় এবং পরিবার নিজে আইনজীবী নিয়োগে ইচ্ছুক হলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

কারামুক্তির জন্য জরিমানা পরিশোধ এবং দেশে ফেরার উড়োজাহাজের টিকিটের বিষয়ে বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পরিবার ব্যয় বহনে অপারগ হলে সরকারি অর্থায়নে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সাজা ভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই তাদের দ্রুত দেশে পাঠাতে জরুরি ট্রাভেল পাস প্রদানসহ বিমানবন্দরে প্রটোকল সহায়তা দেওয়া হয়। এসব মানবিক ও আইনি সেবা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মধ্যে সার্বক্ষণিক প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বজায় রাখা হয়।

এ ছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের কাছে বন্দিদের জন্য সাধারণ ক্ষমার আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আবেদন জানানো হয়। এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আটক প্রবাসীদের পাশাপাশি মিয়ানমারে বন্দি থাকা তিন বাংলাদেশি জেলেকে মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রবাসে আটক নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার সামগ্রিক প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি বিশেষায়িত অনলাইন পোর্টাল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


নির্বাচিত

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

২০২৭ সালের পবিত্র হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জনের নিবন্ধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এরপর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসার আবেদন, টিকাদান, হজ প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

নিবন্ধন ও হজসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীকাল শনিবার থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সকল বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তি বাতিল ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের আমলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রচলিত দায়মুক্তির সুযোগ বাতিল করে এ খাতের যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও চুক্তিকে পূর্ণাঙ্গ আইনি জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। শুক্রবার বেলা ১১টায় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্তি-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষমতা সংকুচিত করে সরাসরি নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির যে অপচর্চা ছিল, বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেছে।

চিফ হুইপ জোর দিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ বা সংকট নিয়ে প্রশাসনকে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না—এমন অগণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা বহাল থাকা উচিত নয়। অতীতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অসংগতি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ আইনের ছত্রচ্ছায়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল এবং উৎপাদন ছাড়াই বছরের পর বছর ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এক ইউনিট বিদ্যুৎ না পাওয়া সত্ত্বেও প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা পরিশোধের কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বিপুল অর্থের অপচয় ঘটেছে। অথচ এই অর্থ দেশের শিল্পকারখানার প্রসার ও উৎপাদনশীল খাতে প্রণোদনা হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হতো।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উত্তরণের বাস্তব প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে নূরুল ইসলাম মনি জানান, একটি সাধারণ পাঁচতলা ভবন নির্মাণেও যেখানে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন, সেখানে নতুন একটি ৫০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত করতে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লেগে যায়। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানির সংস্থান এবং প্ল্যান্ট নির্মাণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হওয়ায় সরকার গঠনের পরপরই রাতারাতি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ কাঠামোর পুঞ্জীভূত ঘাটতি ও অনিয়ম দূর করে টেকসই সমাধান অর্জনে বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো দলের পক্ষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শুক্রবার বেলা ১১টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র কর্তৃক যে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাদের পক্ষে দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রশ্নই ওঠে না। দলটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কোনো স্তরের নির্বাচনেই তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আওয়ামী লীগকে ঘিরে যেকোনো জিজ্ঞাসাকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিব্রতকর বলেও আখ্যা দেন।

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম জানান, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে দলীয় প্রতীক বা প্রাতিষ্ঠানিক মনোনয়ন বরাদ্দের কোনো অবকাশ নেই। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিটি পদের নির্বাচনে একজন করে একক প্রার্থীকে সমর্থন জোগাবে।

জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখাকে প্রশাসনের মূল অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো বিশেষ দল বা মহলের অভিপ্রায়ে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ রায়ের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ জনপ্রতিনিধি নির্ধারিত হবেন। অনুষ্ঠান চলাকালে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রপ্তানিতে আশার আলো, আড়ালে বড় সংকট

# যুদ্ধের মধ্যেও পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি # চামড়া খাতেও বেড়েছে রপ্তানি আয় # বাজার বহুমুখীকরণ সময়ের দাবি
ছবি: চট্টগ্রাম বন্দর।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দুর্বল চাহিদা ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। একই সময়ে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবু এই সাফল্যের আড়ালে রয়েছে বড় কিছু দুর্বলতা। ইউরোপের প্রধান বাজারে প্রবৃদ্ধি মন্থর, চামড়া খাত আটকে আছে আন্তর্জাতিক সনদের সংকটে, আর সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাড়ছে ঘাটতি।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সাময়িক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, উৎপাদন ব্যয় ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক বাজারে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগ দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে রূপ নাও নিতে পারে।
যুদ্ধের মধ্যেও পোশাকে প্রবৃদ্ধি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ হাজার ৪৯৫ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭ হাজার ১৩০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার। তবে এই প্রবৃদ্ধি খাতসংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত ১৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জিত হয়নি।
খাতভিত্তিক হিসাবে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। আয় হয়েছে ৪ হাজার ১৯৩ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার। ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ, আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩০১ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলার।
বাজারভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জুলাই-আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ। অন্যদিকে অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে ৯৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। জার্মানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ। ফ্রান্স ও পর্তুগালে রপ্তানি কমেছে। একইভাবে রাশিয়া, চীন ও ভারতেও পোশাক রপ্তানি কমেছে। এতে স্পষ্ট, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজার। বিপরীতে ঐতিহ্যগত বড় বাজারগুলোতে চাহিদা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে।
চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে: পোশাকের বাইরে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে চামড়া খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৫৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
চামড়া খাতের মোট রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে চামড়ার পাদুকা থেকে। অর্থাৎ কাঁচামালকে উচ্চমূল্যের পণ্যে রূপান্তরের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন প্রয়োজন পরিবেশগত মান নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক সনদের বাধা দূর করা।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, অর্থনীতির জন্য স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে প্রবাসী আয়। জুলাইয়ে প্রবাসীরা ২ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহের কারণেই বড় বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যেও দেশের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত রয়েছে। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বর্তমানে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের রপ্তানির বড় দুর্বলতা হলো পণ্য ও বাজার—দুই ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত নির্ভরতা। তৈরি পোশাক একাই রপ্তানি আয়ের বড় অংশ জোগান দেয়। ফলে পোশাকের কোনো বড় বাজারে চাহিদা কমলে সামগ্রিক রপ্তানিতে তার প্রভাব পড়ে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও সেই বাস্তবতা দেখাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ভালো করলেও ইউরোপের বড় বাজারগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধীর। এ অবস্থায় অপ্রচলিত বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ সেখানে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করলেও রপ্তানি করেছে মাত্র ১০৮ মিলিয়ন ডলারের। পরের অর্থবছরে রপ্তানি বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার হলেও ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।

এই ঘাটতি কমাতে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ প্রিমিয়াম ফল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের পণ্য হংকংয়ের বাজারে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা এখন আগের চেয়ে কঠিন। শুধু কম শ্রম ব্যয় দিয়ে বাজার ধরে রাখা সম্ভব হবে না। উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি, কর, পরিবেশগত অনুবর্তিতা, বন্দরসেবা এবং দ্রুত পণ্য সরবরাহ—সব ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াতে হবে।


নির্বাচিত

নতুন দায়িত্ব পেলেন দুই মন্ত্রী, প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে মন্ত্রীবিহীন মন্ত্রণালয়-বিভাগসহ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আওতাধীন দপ্তরগুলোর সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের দায়িত্বের পরিধি বৃদ্ধি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে এই দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টি জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সংসদ চলাকালীন যেসকল মন্ত্রণালয় কিংবা বিভাগে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেই এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বাধীন যেসকল দপ্তর রয়েছে, সেগুলোর যাবতীয় সংসদ বিষয়ক কার্যাবলি নির্দিষ্ট এই মন্ত্রীদের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সংসদীয় কার্যক্রম নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ওপর। কোনো কারণে তিনি অধিবেশনে উপস্থিত থাকতে না পারলে তাঁর অবর্তমানে এই দায়িত্ব পালন করবেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংসদবিষয়ক যাবতীয় কার্যাবলি দেখভালের দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খানের ওপর। তাঁর অনুপস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে এই দায়িত্ব সামলাবেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।


নির্বাচিত

উত্থাপিত ৬ বিল পাসের মাধ্যমে শেষ হলো সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার। গত ২৭ আগস্ট শুরু হয়ে এ অধিবেশন শেষ হয় আজ। এ দিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সমাপনী বক্তব্য দেন। এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অধিবেশন সমাপনী-সংক্রান্ত নোটিশ পাঠ করে শোনান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তৃতীয় অধিবেশনে ৯ কার্যদিবসের বৈঠকে মোট ৬টি বিল উপস্থাপিত হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি বিলই পাস হয়েছে।

বিরোধী দলের আপত্তির পরও র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ বিল পাসবিরোধী দলের আপত্তির পরও র‍্যাব বিলুপ্ত করে ‘এসআরবি’ বিল পাস

আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির অধিক সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালির বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন। ৬৮ বিধিতে ৭টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২টি নোটিশ গৃহীত ও আলোচিত হয়েছে। ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয় এবং এর মধ্যে ১৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭১ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদানের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। এ ছাড়া, ১৪৭ বিধিতে ২টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১টি নোটিশের ওপর আলোচনা হয়েছে এবং ৩০২ বিধিতে ১টি নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সদস্যরা সর্বমোট ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ প্রদান করেছেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা এ অধিবেশনে মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন।


নির্বাচিত

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ

বক্তব্য দিচ্ছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বর্তমান আর্থিক বরাদ্দ ৬ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ কোটি টাকায় নির্ধারণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত সুরক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবটি মন্ত্রণালয়ে নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিক ভাই-বোনদের কল্যাণের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ আছে, তা এই মুহূর্তে ৬ কোটি টাকা। সেটা ২৫ কোটি টাকায় বৃদ্ধি করার জন্য ইতোমধ্যে আমরা প্রস্তাব করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা এই অর্থবছরে পুরোটা দিতে না পারি, আগামী অর্থবছরের মধ্যে ইনশাআল্লাহ ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ আমাদের সাংবাদিক ভাই-বোনদের জন্য অনুমোদন করা যাবে।”

অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে সংগঠনটির সার্বিক অগ্রগতি ও সাফল্য কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন।


নির্বাচিত

banner close