বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

আ.লীগ ৩০০ আসনেই ইভিএম চায়, সম্ভব কি না ইসির ব্যাপার

মঙ্গলবার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাজধানীর বকশীবাজারে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ১২:৪০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

আওয়ামী লীগ আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ চায় জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘এটা সম্ভব কি না নির্বাচন কমিশনের ব্যাপার।’

মঙ্গলবার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বকশীবাজারে নবকুমার ইনস্টিটিউটশন ও ডক্টর শহীদুল্লাহ্ কলেজ প্রাঙ্গণে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের বেদিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কাদের এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনেরও ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি। তাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই। তাদের আন্দোলন নেতাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’

কাদের আরও বলেন, ‘বিএনপি স্বাধীনতা আন্দোলন-সংগ্রামের কোনো দিবস পালন করে না, মানেও না।’

‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত মাইলফলক। বিএনপি ৭ মার্চ, ৭ জুন, ১৪ এপ্রিল, ১০ জানুয়ারি, ২৪ জানুয়ারি মানে না, পালন করে না।’

কাদের এ সময় আরও বলেন, ‘একাত্তরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, অন্যরা পাঠকমাত্র।’

আরও পড়ুন: ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট হচ্ছে না

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শাজাহান খান, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও সংসদ সদস্য হাজী সেলিম প্রমুখ। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে এক আলোচনার সভার আয়োজন করা হয়।

আগামী জাতীয় নির্বাচন ইভিএমে করার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এই প্রকল্পে ইভিএম মেশিন কেনার কথা ছিল। কিন্তু গত রোববার পরিকল্পনা কমিশন এক চিঠির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে জানায়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে ইভিএম কেনার প্রকল্প আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। পরে সোমবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

প্রকল্প স্থগিত হওয়ায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ দেড় শ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের যে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিয়েছিল সেটি আর হচ্ছে না। পরবর্তী সংসদ নির্বাচনে প্রচলিত ব্যালট পদ্ধতি এবং বিদায়ী নুরুল হুদা কমিশনের রেখে যাওয়া ইভিএমের ওপর ভরসা রাখতে হবে বর্তমান কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশনের। বর্তমান কমিশনের হাতে থাকা ইভিএম দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০টি সংসদীয় আসনে ভোট করা সম্ভব।


রাজশাহীতে জনসভা মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে দলের জনসভা মঞ্চে হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
আপডেটেড ২৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৫:৩৯
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ) আওয়ামী লীগের জনসভাস্থলে পৌঁছেছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার বিকেল সোয়া ৩টায় জনসভাস্থলে পৌঁছালে মঞ্চ থেকে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এরপর তিনি মঞ্চে উঠে হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। তার সঙ্গে মঞ্চে প্রবেশ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও।

রাজশাহীর জনসভা থেকে ২৬টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৬টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে— রাজশাহী তথ্য কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ কাজ, রাজশাহী আঞ্চলিক পিএসসি ভবন নির্মাণ কাজ, শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান বালক উচ্চবিদ্যালয়ে ১০ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিকেএসপি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, শহীদ জননী জাহানারা ইমাম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ১০ তলাবিশিষ্ট একাডেমি ভবন নির্মাণ, রাজশাহী ওয়াসা ভবন নির্মাণ, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ষষ্ঠ থেকে দশম তলা পর্যন্ত সম্প্রসারিত নির্মাণ কাজ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের হেড কোয়ার্টার নির্মাণ, জেলা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন ভবন উদ্বোধন, মোহনপুর উপজেলায় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন, রাজশাহী সরকারি শিশু হাসপাতালের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি উদ্বোধন।

এ ছাড়া রয়েছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক, মোহনপুর রেলক্রসিং ফ্লাইওভার, নগরীর বন্ধগেট-সিটি বাইপাস পর্যন্ত অযান্ত্রিক যানবাহন লেনসহ চার লেন সড়ক নির্মাণ কাজ, নগরীর কল্পনা সিনেমা হল থেকে তালাইমারী সড়ক প্রশস্তকরণ ও সম্প্রসারণ কাজ, ভদ্রা রেলক্রসিং থেকে পারিজাত লেক হয়ে নওদাপাড়া বাস টার্মিনাল পর্যন্ত চার লেন সড়ক উদ্বোধন, হাইটেক পার্ক থেকে ঢালুর মোড় পর্যন্ত কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণ, পুঠিয়া-বাগমারা মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ, রাজশাহী সমাজসেবা কমপ্লেক্স নির্মাণ, চারঘাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাল্টিপারপাস ভবন, রাজশাহী সিভিল সার্জন অফিস, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজের ৬ তলাবিশিষ্ট ছাত্রীনিবাস, রাজশাহী সদর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন, বাগমারার ভবানীগঞ্জ-কেশরহাট সড়ক, পদ্মা নদীর ড্রেজিং প্রকল্প, রাজশাহী পিটিআইয়ের বহুমুখী অডিটোরিয়াম নির্মাণ, চারঘাট ও বাঘায় পদ্মা নদীর বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্প।

এর আগে দুপুর ১২টায় চারটি ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর বক্তব্য দিতে শুরু করেন স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।

প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে ও জনসভায় অংশ নিতে ভোর থেকেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঢল নামে জনসভাস্থল অভিমুখে। রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে বাস, ট্রাক, পিকআপ, ভটভটি, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে আসেন তারা। পায়ে হেঁটেও দলে দলে জনসভাস্থলে যোগ দেন মানুষ।


প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় অংশ নিতে শত শত বাস-ট্রাকে যাত্রা আ.লীগকর্মীদের

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৬:১৩
প্রতিনিধি, নওগাঁ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে বাস-ট্রাক নিয়ে রাজশাহীর পথে যাত্রা করেছেন নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা। রোববার ভোরেই জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তারা রওনা দিয়েছেন জনসভার উদ্দেশ্যে।

রোববার দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় পাঁচ থেকে সাত লাখ মানুষের জনসমাগম হবে বলে ধারণা করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা এরই মধ্যে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী এই জনসভা থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চাইবেন।

নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রায় ২৫০ বাস ও ১৫০ ট্রাকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেগুলোতে করেই জেলার ৯৯ ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা জনসভায় যাচ্ছেন। নেতা-কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট টি-শার্ট ও ক্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জানান, নওগাঁ থেকেই ৭০ হাজারের মতো লোক অংশ নেবেন জনসভায়। জেলা আওয়ামী লীগ থেকে দেয়া বাস-ট্রাক ছাড়াও ব্যক্তিগত যানবাহনে হাজার হাজার মানুষ যাচ্ছেন রাজশাহীতে। প্রধানমন্ত্রী জনসভায় যে দিকনির্দেশনা দেবেন, সেগুলো অনুসরণ করে আরও গতিশীল হবে জেলা আওয়ামী লীগ।


বিএনপির আন্দোলন চলে অদৃশ্য নির্দেশে: কাদের

শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভায় বক্তব্য রাখেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি জোটের আন্দোলন চলে রিমোট কন্ট্রোলে অদৃশ্য নির্দেশে। বিএনপি ও তার দোসররা দেশে আজগুবি খবর ছড়াচ্ছে।

শুক্রবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি জোট বিদেশীদের দিকে তাকিয়ে আছে, লবিং করছে বাংলাদেশকে নিষেধাজ্ঞা দিতে। আওয়ামী লীগ বিরোধী সকল শক্তি এবং বেশ কিছু অপশক্তি আওয়ামী লীগ বিরোধী জোট গঠন করেছে বিএনপির নেতৃত্বে।

জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার পাঠক, ঘোষক নয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ’৭৫ সালে হত্যাকাণ্ড ঘটানোই হয়েছে আওয়ামী লীগকে ও মুক্তিযুদ্ধকে ধ্বংস করার জন্য।

কাদের বলেন, বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর কর্মসূচিতে কোনো সংঘাতের উসকানি না দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি জানান, আগামী নির্বাচন পর্যন্ত প্রতিদিন কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ।

যৌথ সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আবদুস সবুর, সহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনসমূহের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা।


বিএনপির লোকেরাও শেখ হাসিনার জনসভায় আসবে: দাবি নানকের

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের জনসভার মাঠ পরিদর্শনের আগে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ২৭ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:৫৭
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গোটা উত্তরবঙ্গের মানুষের পাশাপাশি বিএনপির সমর্থকরাও যোগ দেবে বলে দাবি করেছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় আসতে গোটা উত্তরবঙ্গের মানুষ অধীর আগ্রহে বসে আছেন। ২৯ জানুয়ারি ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে উন্নয়নের বার্তা শুনতে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হবে। আমরা বিশ্বাস করি, বিএনপির লোকেরাও এই সভায় উপস্থিত হবেন। কারণ, যারা বিএনপি করেন তারা বিচ্ছিন্ন কোনো দ্বীপের নাগরিক নয়।’

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার মাঠ পরিদর্শনের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।

নানক বলেন, ‘রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভাও হবে ঐতিহাসিক। রাজশাহীর এ জনসভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে এক গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেবেন। এজন্য শুধু নেতাকর্মীই নয়, সারা দেশের মানুষই অপেক্ষা করছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাজশাহীর নেতাকর্মীদের ধরপাকড় করা হচ্ছে; বিএনপির এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নানক বলেন, ‘বিএনপি মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে, মানুষকে তারা বিভ্রান্ত করছে। এখানে বিএনপি আমাদের কাছে সাবজেক্ট নয়।’

অনুষ্ঠানে দলের অপর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ‘ সুষ্ঠু, অবাধ এবং নিরপেক্ষ কোনো নির্বাচনে বিএনপি মানুষের ভোটে নির্বাচিত হবে না। সুতরাং আগামী নির্বাচন ভণ্ডুল করতেই বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো একটি অসাংবিধানিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে। কিন্তু বিএনপির এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিকে এই দেশের মানুষ পাত্তা দিচ্ছে না। তাই নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে এবং সেই নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হবে।’

বিএনপি কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিল উল্লেখ করে আব্দুর রহমান বলেন, ‘বিএনপি কোনদিনও নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেনি। ১৯৯১ সালে সুক্ষ্ম কার্চুপির মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় এসেছিল। ২০০১ সালেও বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্যাস রপ্তানির কথা বলে ক্ষমতায় এসেছিল। তবে সে গ্যাসও তারা দিতে পারে নাই। পরে তারা সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতাও হস্তান্তর করতে পারে নাই।’

বিএনপির উদ্দেশে সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, ‘বিএনপি একটা দেউলিয়া রাজনৈতিক দল, নেতৃত্বহীন দল। বেগম খালেদা জিয়া-তারেক জিয়া দুজনই সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সুতরাং নেতাকর্মীদের মাঝে-মধ্যে একটু উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার জন্যই বিএনপি নেতারা নানা উল্টা-পাল্টা কথা বলেন।’


বিরোধীদের মধ্যে অনৈক্য দেখছেন ক্ষমতাসীনরা 

আওয়ামী লীগের দলীয় লোগো।
আপডেটেড ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩ ১২:০৮
আমানউল্লাহ আমান

সরকার পতনের ডাক দিয়ে যুগপৎ আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন বিরোধীরা। জোটবদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি একই দিনে একই ধরনের কর্মসূচি দিচ্ছে রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো। বিরোধীদের এসব কর্মসূচির মাঝে অনৈক্য আছে বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা।

তারা বলছেন, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা থেকেই যুগপৎ নামে জগাখিচুড়ি পাকাচ্ছে বিএনপি ও তার সঙ্গীরা। আদর্শহীন ও লক্ষ্যহীনভাবে কোনো আন্দোলন এগোতে পারে না। বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুগপৎ এ আন্দোলনে কোনো ঐক্য দেখছেন না আওয়ামী লীগ নেতারা।

বিএনপি ও তার সঙ্গীদের সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনকে লক্ষ্যহীন ও আদর্শহীন দাবি করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক দৈনিক বাংলাকে বলেন, কিছু লক্ষ্যহীন, আদর্শহীন ডান-বাম মিলে যে কর্মকাণ্ড করছে তা কখনোই আলোর মুখ দেখবে না। যারাই আজকে আদর্শহীনভাবে কথা বলছেন, তারা আসলে লক্ষ্যভ্রষ্ট-আদর্শহীন। তারা কার্যকরভাবে জনগণের জন্য কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের শীর্ষ এক নেতা দৈনিক বাংলাকে বলেন, বিরোধীরা যত আন্দোলন করুক তাতে সরকারের কোনো কিছুই হবে না। ওনাদের সবচেয়ে বড় ঘাটতি নেতৃত্ব। কার নেতৃত্বে তারা ঐক্যবদ্ধ, সেটাই হচ্ছে মুখ্য বিষয়। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব সাজাপ্রাপ্ত। একজন নির্বাহী আদেশে বাসায় থাকার সুযোগ পাচ্ছেন। আরেকজন লন্ডনে পালিয়ে আছেন। এই নেতৃত্ব দিয়ে বিরোধীরা যুগপৎ বা যে নামেই আন্দোলন করুক না কেন, ঐক্য সৃষ্টি করতে পারবে না। ঐক্য সৃষ্টি করতে না পারলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের কোনো কিছুই করতে পারবে না।

গত ১৭ জানুয়ারি রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘৫৪ দল ৫৪ মতে বিভক্ত। হতাশায় বিএনপির বাজার ভেঙে যাচ্ছে, বিএনপির জোটের বাজার ভেঙে যাচ্ছে, এ হতাশার জোট দিয়ে শেখ হাসিনার সরকার হটানো দুরাশার বাণী।’

গত ১৬ জানুয়ারি সরকার ও শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৪ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে যুগপৎ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেয়নি মঞ্চের শরিক দল নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণ-অধিকার পরিষদের কেউ।

গণ-অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘বিরোধী ৫৪ দল আমাদের রাজপথের সহযোদ্ধা, আমাদের মাঝে ফাটল ধরাতে সরকার পরিকল্পিতভাবে আমাদের মাঝে সন্দেহ তৈরি করছে। সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন দমন করার জন্য নানা অপকৌশল হাতে নিয়েছে, তাই সবাইকে বলব সরকারের ফাঁদে পা দেবেন না। সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির পুরোনো জোটের সঙ্গীদের অনেকেই শেষ পর্যন্ত আন্দোলনে নাও থাকতে পারে। নতুন করে আন্দোলনে যুক্ত হওয়া অনেক দলেরই সাংগঠনিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। সবকিছু মিলিয়ে বিরোধীদের অবস্থা অনেকটাই হ-য-ব-র-ল। বিরোধীদের যুগপৎ আন্দোলনে শক্তি সঞ্চয় করতে পারেনি, দানা বাঁধতে পারেনি।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ছাড়েন বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী। তার পর থেকে আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতিতেই সরব ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের এই নেতা। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না ও আবদুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন দল মিলে জোট গঠন করে। ওই জোট নির্বাচনকে ভোটারবিহীন দাবি করে বয়কটের ঘোষণা দেয়। পরবর্তী সময়ে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপিসহ অন্যান্য দল নিয়ে গঠিত হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ওই জোটে সরব ভূমিকা পালন করেন কাদের সিদ্দিকী। টাঙ্গাইলের আসন থেকে তার মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী বিএনপির দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে অনেকটাই নীরব ছিলেন তিনি।

গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সপরিবারে সাক্ষাৎ করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আবদুল কাদের সিদ্দিকী। নতুন করে আলোচনায় আসেন এই নেতা।

গত ৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন ১৪-দলীয় জোট শরিক আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি জেপির সম্মেলনে যোগ দেন কাদের সিদ্দিকী। ওই সভায় তিনি বলেন, ‘কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জোট করা ছিল জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ততদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগ নেতারা মনে করছেন, ৫৪টি দল শুধু সংখ্যাই বাড়িয়েছে। তার ওপর নেই নেতৃত্ব। এভাবে এলোমেলো বিরোধী শক্তির আন্দোলনে সংগঠিত সরকারের পতন হয় না। বিরোধীরা আন্দোলনে হতাশ হয়ে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনেই অংশ নেবে বলে মনে করছেন দলটির নেতারা।


শর্ত সাপেক্ষে ক্ষমা পেলেন গাজীপুরের জাহাঙ্গীর

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বরখাস্ত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিতর্কিত মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম শর্ত সাপেক্ষে দলের কাছ থেকে ক্ষমা পেয়েছেন ।

গত ১ দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ক্ষমার বিষয়টি জানানো হয়। ওই চিঠি বিষয়টি শনিবার গণমাধ্যমে আসে। দলীয় ওই চিঠিটি জাহাঙ্গীর বরাবর পাঠানো।

চিঠিতে বলা হয়, জাহাঙ্গীরের আবেদনের পরিপেক্ষিতে আবেদন পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতে সংগঠনের স্বার্থ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করার শর্তে তার প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করা হলো। ভবিষ্যতে কোনো প্রকার সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে, তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গোপনে ধারণ করা জাহাঙ্গীর আলমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন।

ওই বছরের ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় জাহাঙ্গীরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ২৫ নভেম্বর তাকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ক্ষমা পেলেও জাহাঙ্গীর দলের সদস্যপদ ফিরে পেয়েছেন কিনা সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।


বিএনপি অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলে মরিয়া: কাদের

ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ২১ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৪:০৭
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

নির্বাচনে জনগণের কাছে বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি এখন অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাংবিধানিক পন্থায় একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতা পরিবর্তন হতে পারে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্যের’ অভিযোগ তুলে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান কাদের।

‘সরকার পালানোর পথ পাবে না’ বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যে দলের নেতৃত্ব মুচলেকা দিয়ে রাজনীতিকে চিরবিদায় জানিয়ে দেশ ত্যাগ করে, আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামি হিসেবে বিদেশে পালিয়ে বেড়ায়, সে দলের নেতাদের মুখে এ ধরনের বক্তব্য শোভা পায় না।’

কাদের বলেন, ‘নির্বাচনে জনগণের কাছে বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি এখন হত্যা-ক্যু-যড়যন্ত্রের মাধ্যমে অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করে বিদেশি প্রভুদের কাছে গিয়ে দেশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে দেশের জনগণের বিরুদ্ধে স্যাংকশন আরোপের ক্রমাগত ষড়যন্ত্র করছে।’

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির দুর্নীতিবাজ নেতৃত্ব বিদেশে বসে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে দল চালায়। তাদের নেতাকর্মীদের নাশকতার উসকানি দেয়। কিন্তু বিশ্ববাসী ও দেশের জনগণের কাছে গুজব রটনাকারীদের ষড়যন্ত্র আজ ধরা পড়েছে, সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে। তাই বিএনপি নেতারা দিশেহারা।’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি-যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামায়াত দেশের মানুষের কোনো মঙ্গল চায় না। তাই দেশের গণতন্ত্র উন্নয়ন-অগ্রগতি তাদের চোখে পড়ে না। অথচ আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আন্তইনেত মনসিও সায়েহ বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সফলতার কথা উল্লেখ করে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।’

ইউরোপে যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বের তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘এ কারণে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে পৌনে তিন গুণ। বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে ইউনিটপ্রতি তিন টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। পিডিবি বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জনগণের কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও সরকার নিরুপায় হয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। আমরা বিএনপির কাছ থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করি। রাজনৈতিক ফয়দা লোটার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও গুজব না ছড়িয়ে তাদের আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানাই। সাংবিধানিক পন্থায় একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রক্ষমতা পরিবর্তন হতে পারে।’


বিএনপির নেতাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না: কাদের

শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের। ছবি: ফোকাস বাংলা
আপডেটেড ২০ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৫:০৮
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিএনপির নেতাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি মানায় না মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতন্ত্রকে নষ্টকারী বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের বুলি শোভা পায় না। আমাদের গণতন্ত্র আমরাই চালাব। বিদেশি কারও ফরমায়েশে চলবে না। শত বাধা-বিপত্তির মধ্যেও শেখ হাসিনা গণতন্ত্র বিকাশে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন কাদের।

মন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন হবে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অংশীদারত্বমূলক। সরকার শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় তিনি বিএনপিকে নির্বাচনের অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকা আওয়ামী লীগের সাত দশকের ইতিহাস, এটাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য। আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে না, ষড়যন্ত্রের শিকার হয়, আওয়ামী লীগ হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না কিন্তু বারবার হত্যা রাজনীতির শিকার হয়। এটাই বাস্তবতা। আজকে বিএনপি কখন যে কী বলে! তাদের ভেতরে গণতন্ত্র নেই। সম্মেলন হয় না কতদিন তাদের। নিজেরাই কমিটি দেয়। তারা কীভাবে গণতন্ত্র শেখাবে আওয়ামী লীগ কে?

বিএনপির আমলে ভোটচুরির হয়েছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, তাদের (বিএনপি) আমলে ভোটচুরির রেকর্ড হয়েছে, ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার করেছিল, ওয়ান ইলেভেনের জন্য এটা অন্যতম কারণ। তারা গণতন্ত্রের বস্ত্রহরণ করেছে। তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি মানায় না। এ দেশে গণতন্ত্রের যত অর্জন ৭৫ পরবর্তী গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে তার অগ্রভাগে ছিলেন শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বেই গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ-বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, দলের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা।


জনসেবা করতে গিয়ে নিজে কী পেল তা ভাবে না আ.লীগ

বুধবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর উদ্বোধন করেন দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
আপডেটেড ১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৬:১৬
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়ে কী পেল, তা নিয়ে কখনো ভাবে না বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, জনগণের কল্যাণে আমরা কী করতে পারি, তাই বিবেচনা করা হয়। এ কারণেই গত ১৪ বছরে দেশ ও জনগণের ভাগ্যের ব্যাপক পরিবর্তন করেছি।

বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর উদ্বোধনকালে বক্তৃতায় সরকারপ্রধান এ কথা বলেন। খবর বাসসের।

প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি সারা দেশের ১৩টি জেলায় আরও ৪৫টি কমিউনিটি ভিশন সেন্টার উদ্বোধন করেন। এসব সেন্টারে বিনামূল্যে দেশের মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হবে। এ নিয়ে মোট কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৫টিতে।

উদ্বোধন শেষে সরকারপ্রধান ভোলার চরফ্যাশন, বরগুনার আমতলী, চট্টগ্রামের বাঁশখালী এবং কক্সবাজারের পেকুয়ার কমিউনিটি ভিশন কেন্দ্রে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্থানীয় উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বাঁশখালীতে উপকারভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি শেখ হাসিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় উদ্বোধন করেন।

আওয়ামী লীগকে গণমুখী দল হিসেবে আখ্যায়িত করে সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের পাশে থাকবে। সরকার ও দলের নেতা-কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে গত ১৪ বছরে দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে এবং জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবাসহ সব ধরনের পরিসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনায় দেশবাসী ও জনগণকে ধন্যবাদ। আমরা জনগণের জন্য সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে চাই।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা কমিউনিটি ভিশন সেন্টারের কার্যক্রম সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেন।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটি আই ভিশন সেন্টার থেকে বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা প্রদান সংক্রান্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

কমিউনিটি ভিশন সেন্টার থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৭৭ ব্যক্তি চোখের চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ২ লাখ ১০ হাজার ৮৬৮ জন কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে চশমা পেয়েছেন।


আওয়ামী লীগ কোটি টাকার রাজনীতি করে না: মতিয়া চৌধুরী

মতিয়া চৌধুরী। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৮ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৫:১৭
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ কোটি টাকা দিয়ে রাজনীতি করে না। সবাই হালাল রুজিতে, পরিশ্রম করে চলে এবং পার্টি করে। পার্টিকে দিন দিন এগিয়ে নিয়ে যায়।

বুধবার রাজধানীর লালবাগ শহীদ নগর খেলার মাঠে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। ২৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মো. জামিল হোসেনের ব্যবস্থাপনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আওয়ামী লীগের সভাপতিণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘মা-বোনরা যদি উৎসাহ না দেয়, বাড়িতে তারা সহযোগিতা না করে, আমার ভাইয়েরা, চাচারা কি শান্তিতে রাজনীতি করতে পারবেন? কাজে মা-বোনদেরও সালাম জানাই। শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাই।’

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আজকে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে সেটা না, আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে ছিল, তখনো জনগণ থেকে দূরে সরে যায়নি। সামর্থ্য অনুযায়ী জনগণের মাঝে ছিল। শুধু রিলিফের সময় তা নয়, রোজা বলেন, ঈদ বলেন, সব সময় ছোট উপহারের ব্যবস্থা করেন। আজকে এই কম্বল জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপহার।’

রসুল (সা.) দান-খয়রাত করতে উৎসাহিত করেছেন উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘একদিকে রসুলেপার্কের শিক্ষা, অন্যদিকে মানবতার শিক্ষা, সব মিলে জনগণের সেবা করা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ সেটাই গ্রহণ করেছে। লালবাগ আওয়ামী লীগ তার অনুসারী। আপনারা দোয়া কইরেন আরও যেন তৌফিক দেয় বঙ্গবন্ধুর কন্যারে, আমরা সবাই মিলে যেন একে অপরকে সাহায্য করতে পারি। হাতে হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সহসভাপতি শরফুদ্দিন আহমেদ সেন্টু, আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আকতার হোসেন, লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান জামাল উপস্থিত ছিলেন।


মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা শুনে বিএনপি অসুস্থ হয়ে গেছে: কাদের

কেআইবিতে বক্তব্য রাখছেন ওবায়দুল কাদের
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ঢাকা সফরে আসা মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা শুনে বিএনপি অসুস্থ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপির হতাশা থেকে অসুস্থতা শুরু হয়েছে। আসল নেতারা হাসপাতালে, আর পাতিনেতারা বলছে সুনামি নামিয়ে সরকার হটাবে।’

মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বিএনপির নেতৃত্বে যুগপৎ আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে কাদের আরও বলেন, ‘৫৪ দল ৫৪ মতে বিভক্ত। হতাশায় বিএনপির বাজার ভেঙে যাচ্ছে, বিএনপির জোটের বাজার ভেঙে যাচ্ছে, এ হতাশার জোট দিয়ে শেখ হাসিনার সরকার হটানো দুরাশার বাণী।’

সরকারের পরিবর্তন চাইলে বিরোধীদের নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামাবে না। নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কথা ভুলে যান, আইন দ্বারা গঠিত নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ, প্রশ্নই আসে না। বিএনপির অস্বাভাবিক আবদার পরিবর্তনে সাপোর্ট না দেয়ার কারণেই তারা নির্বাচন কমিশন চায় না।

‘বিএনপি নির্বাচনে আসবেই, সব হারিয়ে আসবে’ মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলনের টাকা আসে কোথা থেকে সেটা আমরা জানি। যারা শেখ হাসিনার সরকারকে হটানোর জন্য টাকা দিচ্ছে, তাদের খবর আছে।’

স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট কর্মী বাহিনী দরকার মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য সুশৃঙ্খল আওয়ামী লীগ চাই। যারা চাঁদাবাজি ও মাস্তানি করবে, তাদের সঙ্গে কোনো আপস নয়।’

কাদের বলেন, ‘মুখে বলি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, নেতা হয়ে মঞ্চে উঠলে আদর্শের কথা মনে থাকে না। নেতাদের ভিড়ে আসল কর্মী চেনা দায়। মুখে আওয়ামী লীগের আদর্শ লালন করবেন, অন্তরে সে আদর্শ লালন করবেন না, তেমন নেতার দরকার নেই।’

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য আব্দুল বাতেন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ।


অসুস্থ রাজনীতি করে নেতাদের পাশাপাশি বিএনপিও অসুস্থ হয়ে গেছে: কাদের

ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৫:১২
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

অসুস্থ রাজনীতি করে নেতাদের পাশাপাশি বিএনপিও অসুস্থ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিএনপিকে হাসপাতালে পাঠানো প্রয়োজন।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এ দেশে ভেসে আসা দল নয়, এ দলের শেকড় অনেক গভীরে। সরকার পতন করবেন শেখ হাসিনাকে হটাবেন, বাংলার মানুষ চুপ করে বসে থাকবেন না।

সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর ঢাকা সফর প্রসঙ্গে কাদের বলেন, তার (ডোনাল্ড লু) সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে এবং নির্বাচন নিয়েও কথা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল টানেলসহ উন্নয়নের একের পর এক প্রকল্প বাস্তবায়নে বিএনপি চোখে সর্ষে ফুল দেখছে। কারণ তারা এসব উন্নয়ন কখনোই দেখাতে পারেনি। খাদ্যে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ, কিন্তু তাদের মনে জ্বালা। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, শত শত সেতু, সেটাও তাদের জ্বালা।

কাদের জানান, সামনে ৩১ কিলোমিটার আরেকটি মেট্রোরেল হবে এবং পাতাল রেলের উদ্বোধন হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬টি এমআরটি লাইন গড়ে তোলে ঢাকার আশপাশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।


banner close