শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৯ আশ্বিন ১৪৩৩

খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসছেন আ.লীগ নেতা-কর্মীরা

খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৪:১৫
প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত
প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১৩:১৯

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হেলিপ্যাডে সুধী সমাবেশের আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। দলের এ সমাবেশে যোগ দিতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হতে শুরু করেছেন নেতা-কর্মীরা। এ ছাড়া আশপাশের জেলাগুলো থেকেও আসছেন আওয়ামী লীগ কর্মীরা।

বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর থেকে আসা প্রবীণ আওয়ামী লীগ কর্মী শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘আমার এলাকা থেকে অনেকেই মিঠামইন হাওরে এসেছেন। পিকআপে করে একসঙ্গে আমরা ৫০ জন এসেছি। খুব সকালে খাওয়া-দাওয়া করে বের হয়েছি। অনেক দিন পর জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর কথা শুনতে পারব। এ জন্য খুব ভালো লাগছে।

জনসভায় প্রধানমন্ত্রী হাওরের উন্নয়নসহ দেশের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরবেন বলে জানা গেছে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে পুনরায় বিজয়ী করতে দলীয় নেতা-কর্মীসহ জনগণের কাছে ভোট চাইবেন।

এর আগে তিনি সকাল সোয়া ১১টায় মিঠামইন সদরের ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হামিদ সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন।

মিঠামইন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শরীফ কামাল জানান, হাওরের উন্নয়নে সব করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অলওয়েদার সড়ক, সেনানিবাসসহ সব উন্নয়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এবার হাওরে হবে উড়াল সড়ক। এটা হাওরবাসীর সৌভাগ্য। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবদুল হকের সভাপতিত্বে ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বৈষ্ণবের সঞ্চালনায় সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং রাষ্ট্রপতিপুত্র কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বক্তব্য রাখবেন।

এর আগে ১৯৯৮ সালের ৩ অক্টোবর প্রথমবার মিঠামইন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন মো. আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও ডেপুটি স্পিকার ছিলেন। দীর্ঘ ২৫ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর মিঠামইন সফরকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে মিঠামইনে।


নির্বাচিত

আ.লীগ ফিরলে আবারও জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্র পুনর্গঠনের ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া হলে দেশ আর কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, একাত্তরের ঘাতক এবং চব্বিশের পরাজিত শক্তি আজ একাট্টা হয়ে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে ভবিষ্যতে জামায়াত নেতাদেরই আবারও ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ শিশু কুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান বলেন, সরকার যখন রাষ্ট্র পুনর্গঠনের মূল ধারায় আলোকপাত করছে, ঠিক তখনই একটি মহল পতিত আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

জামায়াত আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার হুমকির মধ্যে স্পষ্ট যোগসূত্র রয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার বদলে জামায়াতের নেতৃত্বে গঠিত ছায়া মন্ত্রিসভা সরকারের যৌক্তিক সংস্কারকাজে বাধা সৃষ্টি করছে। এমনকি জ্বালানি সংকটের মতো বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ইস্যুকে পুঁজি করে তারা লংমার্চের নামে রাজপথ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।

জামায়াত নেতৃত্বের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রাশেদ খান বলেন, নির্বাচনের আগেই আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার যে মনোভাব জামায়াত দেখাচ্ছে, তা আত্মঘাতী। তাদের এই ইন্ধনেই নিষিদ্ধঘোষিত ও গণধিকৃত ছাত্রলীগ-যুবলীগ রাজপথে মিছিল করার দুঃসাহস পাচ্ছে। জামায়াত নেতাদের মনে রাখা উচিত যে আওয়ামী লীগকে তারা ফেরাতে চাচ্ছে, সেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে আবারও তাদের নেতাদের ফাঁসি দেবে। সুতরাং এই দেউলিয়া রাজনীতি বন্ধ করে জামায়াত নেতাদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

এর আগে সকালে শিশু কুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাশেদ খান। প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই আয়োজনে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

কাদের মির্জাসহ স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুল ও ছেলে মির্জা মাসরুর কাদের তাশিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

দুদক সূত্র জানায়, আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, এ সম্পদ অর্জনে স্বামী আবদুল কাদের মির্জা সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুদক আইনের ২৭(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাসরুর কাদের তাশিকের বিরুদ্ধে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বাবার সহায়তায় তিনি এসব সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ঘটনায়ও দুদক আইনের ২৭(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালী দুদকের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। মামলার অনুমোদনের কাগজপত্র হাতে পৌঁছালে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের সংশ্লিষ্টতায় মোট তিনটি পৃথক মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুল ও ছেলে মির্জা মাসরুর কাদের তাশিকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

দুদক সূত্র জানায়, আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে ১ কোটি ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৯৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তার স্ত্রী আখতার জাহান বকুলের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৪০০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, এ সম্পদ অর্জনে স্বামী আবদুল কাদের মির্জা সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুদক আইনের ২৭(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাসরুর কাদের তাশিকের বিরুদ্ধে ৮১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৪৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, বাবার সহায়তায় তিনি এসব সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ঘটনায়ও দুদক আইনের ২৭(১) ধারা ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নোয়াখালী দুদকের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। মামলার অনুমোদনের কাগজপত্র হাতে পৌঁছালে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের সংশ্লিষ্টতায় মোট তিনটি পৃথক মামলা করার প্রক্রিয়া শুরু হলো। তবে এসব অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।


নির্বাচিত

এক কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী এক কোটি দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে কাজ করছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। দেশের মানুষকে দক্ষ করে গড়ে তুলে জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে পরিণত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।

বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন দেশে কী ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী কর্মী পাঠানো হবে। বিভিন্ন দেশের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে। দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তোলা হবে।

বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে দালালদের দৌরাত্ম্য প্রসঙ্গে নুরুল হক বলেন, প্রবাসে যেতে গিয়ে অনেক মানুষ দালালের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হন। এ ধরনের হয়রানি ও প্রতারণা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশগমন প্রক্রিয়ার আমলাতান্ত্রিক জটিলতা সহজ করার কাজও চলছে।

তিনি বলেন, দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কার্যক্রম অনলাইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এতে বিদেশে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি কমবে।

এ ছাড়া জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোকে জবাবদিহির মধ্যে আনতে বিভিন্ন এলাকায় স্বীকৃতভাবে সাব-এজেন্সি দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এর মাধ্যমে বৈধ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় বিদেশগামী কর্মীদের সেবা দেওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও প্রতারণা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

পলাতক ও গুপ্ত-সুপ্তদের নিয়ে রিজভীর বিস্ফোরক মন্তব্য

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতে অবস্থান করা পলাতক ব্যক্তিরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে এবং দেশের ভেতরে থাকা কিছু মানুষ তাদের সহযোগিতা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘পলাতকরা ভারতে গিয়ে কলকাঠি নাড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে, আর দেশের ভেতর গুপ্ত-সুপ্তরা সেখানে পাখা দিয়ে বাতাস দিচ্ছে।’ তাঁর দাবি, দেশের মানুষ অতীতেও বিভিন্ন চক্রান্ত মোকাবিলা করেছে এবং ভবিষ্যতেও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সত্য, বীরত্ব ও ঐতিহ্যের দেশ। মিথ্যার জাল তৈরি করে এ দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।

বিএনপির এই নেতা বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, তারা বিএনপির নেতা এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

রিজভী প্রশ্ন তোলেন, যারা এসব কথা বলছেন তারা সংবাদপত্র পড়েন কি না এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে কি না। তাঁর ভাষ্য, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে গণমাধ্যমে নিয়মিত তথ্য প্রকাশ হচ্ছে।

দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, নানা সংকটের মধ্যেও সরকার জনগণের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।

তাঁর দাবি, দেশের নিজস্ব উৎপাদন এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে পাওয়া জ্বালানি দিয়ে সরকার বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করছে। অথচ সরকারের বিরুদ্ধে ‘সব শেষ হয়ে গেছে’ ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।

রিজভী বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করার আগে দেশের বাস্তব পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রিজভী এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) বিভিন্ন মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এডিবির প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নতির দিকে যাওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

তবে তাঁর বক্তব্যে এডিবির নির্দিষ্ট প্রতিবেদন বা সূচকের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। ফলে অর্থনীতি নিয়ে তাঁর এ মূল্যায়নকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর নিয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি দাবি করেন, আগের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ সফরে ১৫০ থেকে ২০০ জনের বড় বহর নিয়ে যেতেন। বিপরীতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রায় ৩৫ জনের প্রতিনিধিদল নিয়ে নিউইয়র্ক সফর করছেন।

রিজভীর প্রশ্ন, সফরসঙ্গীর সংখ্যা কমিয়ে সরকারি অর্থ সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হলে এর মাধ্যমে সরকারের ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংযমের বিষয়টি প্রতিফলিত হয় কি না।

তিনি শেখ হাসিনার বিদেশ সফর নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগও করেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সভায় কোনো নথি বা নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

রিজভী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও সরকার দেশের অর্থনীতি সচল রাখার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংকট মোকাবিলায় ব্যয় কমানো এবং সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরও স্বল্পসংখ্যক সফরসঙ্গী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। কয়েক দিনের কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রিজভী আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংকট মোকাবিলার প্রচেষ্টা দেখতে হলে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো বিবেচনায় নিতে হবে।

সভায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের কার্যক্রম এবং বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দেন দলটির নেতারা।


নির্বাচিত

কুষ্টিয়া যুবদলের নতুন কমিটি গঠন, সংগঠন শক্তিশালী করার প্রত্যয়

* পরীক্ষিত ছাত্রনেতারাই যুবদলকে সুসংগঠিত করবে: ফুহাদ রেজা ফাহিম
ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
​কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের নবনির্বাচিত আংশিক কমিটির সভাপতি ফুহাদ রেজা ফাহিম ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জনিসহ নতুন কমিটির নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে একটি জমকালো শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় কুষ্টিয়া পৌরসভা চত্বর থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

​মিছিলে জেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং যুবসমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় নেতা-কর্মীরা নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।​

​নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি ফুহাদ রেজা ফাহিম তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই কমিটিতে যারা এসেছে তারা সবাই সাবেক ছাত্রনেতা এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে মাঠে রাজনীতি করে এসেছেন। যেহেতু সবাই ছাত্ররাজনীতি করে এসেছি, তাই সবাই মিলে এই যুবদলকে সুসংগঠিত করব।

​অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ফাহিম আরও বলেন, গত নির্বাচনে বিশেষ করে ১২ ফেব্রুয়ারিতে কুষ্টিয়ার ৪টি আসনের মধ্যে ৩টি আসন হারিয়েছি। এই কমিটির মাধ্যমেই আমরা ইনশাআল্লাহ আগামীতে সংগঠনকে আরও বেশি সুসংগঠিত করব।

​কুষ্টিয়া জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি জাকারিয়া আনসার মিলন বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই নেতাদের হাত ধরে কুষ্টিয়া জেলা যুবদল আরও গতিশীল হবে। অতীতের সকল শূন্যতা ও দুর্বলতা কাটিয়ে আগামী দিনে সংগঠনটিকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধভাবে গড়ে তোলা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

​​কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এ ছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

​মিছিলে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ফুহাদ রেজা ফাহিম, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জনি, সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, সহসভাপতি জাকারিয়া আনসার মিলন, এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাক্কির রহমান রাব্বিসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

দেশর সংকটে এমপি-মন্ত্রীদের ভাতা বৃদ্ধির প্রশ্নই ওঠে না: ডা. শফিকুর রহমান

রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং সংসদ সদস্যদের আর্থিক সুবিধা বা ভাতা বৃদ্ধির যেকোনো উদ্যোগের বিরোধিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি স্পষ্ট জানান, সাধারণ মানুষ যখন দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নানা সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে, তখন জনপ্রতিনিধিদের নিজেদের সুবিধা বাড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিট সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী বেতনের মোহে নয়, বরং জনগণের সেবা করতেই সংসদে এসেছে। দল হিসেবে সংসদ সদস্যদের সরকারি প্লট ও শুল্কমুক্ত গাড়ি না নেওয়ার পূর্বঘোষিত নীতি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি সরকারি দলের একই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। এছাড়া গণপরিষদকে শাসক নয়, বরং সেবকদের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের আহ্বান জানান। সংসদে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একাধিক বিষয়ে নোটিশ দিলেও সব নোটিশ নিয়ে আলোচনার সুযোগ না পাওয়ার বিষয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে তিনি জ্বালানি সংকট সমাধানে গঠিত ১০ সদস্যের যৌথ কমিটির ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরেন।

শিল্প ও তৈরি পোশাক খাতের বর্তমান সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, উৎপাদন কমে গেলে শিল্পমালিকদের পাশাপাশি শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঝুঁকি বাড়ে, যা পুরো পরিবারকে অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়। সম্প্রতি পেট্রোল ও ডিজেলের মতো জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর কঠোর সমালোচনা করে তিনি জানান, এর সুদূরপ্রসারী প্রভাবে নিত্যপণ্যের দাম ও পরিবহন খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। জামায়াতের সাম্প্রতিক কর্মসূচি নিয়ে করা সমালোচনার জবাবে তিনি সকল আন্দোলন নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ ছিল দাবি করে বলেন, কর্মসূচি বানচাল করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা যেকোনো বিশৃঙ্খলার দায় বিরোধীদের ওপর বর্তায়।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীন ও সত্যনিষ্ঠ ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে জামায়াত আমির গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী অভিভাবক বা 'চতুর্থ স্তম্ভ' হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি কোনো বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ বা লেজ-মুড়ো ছাড়া তৈরি 'ফটোকার্ড' এড়িয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি সাংবাদিকদের বকেয়া বেতন-বোনাস ও পেশাগত অধিকার রক্ষায় সংসদে সোচ্চার থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। নিজের সরকারি সফরের খরচে রাষ্ট্রীয় তহবিলের ব্যবহার না করার বিষয়টি উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান জানান, দেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণই তাদের প্রধান রাজনৈতিক অগ্রাধিকার।


নির্বাচিত

জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনে জামায়াতের ভূমিকা নেই : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণার কারণে দলটি কখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি।

পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে সকালে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে মিছিলটি ফার্মগেট পুলিশ বক্সের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে এ্যাবের নেতাকর্মীসহ কয়েক শত কৃষিবিদ অংশ নেন।

এ্যাবের নেতারা জানান, দেশে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির যে কোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কৃষিবিদ ও কৃষি পেশাজীবীরা ঐক্যবদ্ধ। দেশের কৃষি ও অর্থনীতির স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ডা. জাহিদুল কবিরসহ এ্যাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।


নির্বাচিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের করা হয়। পরে মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মজিবুল্লাহ মুজিব। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর দক্ষিণের নেতা ডা. নাঈম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আখতার হোসেন, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আবেদ হোসেন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইয়াসিন বাবু।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোল্লা সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। সঞ্চালনা করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।’ তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

পাটওয়ারীকে ধরলেই জানা যাবে বাসে ককটেল মেরেছে কারা: রাশেদ খান

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই বাসে আগুন ও ককটেল হামলা করছে কারা, তা বের হয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খান বলেন, ১১ দলীয় জোট ও আওয়ামী লীগ-এই দুই বিরোধী দলকে সামলে বিএনপিকে সরকার পরিচালনা করতে হচ্ছে। বিএনপি বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

তিনি খান বলেন, এ বিরোধীদল আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামী ডিসেম্বর থেকে কর্মসূচি শুরু করতে চায়। যেমন শেখ হাসিনাও ডিসেম্বরে ফিরতে চান।

তিনি আরও বলেন, দেশকে অশান্ত করতে জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগ একত্রিত হয়ে বাস ও ট্রেনে আগুন দিচ্ছে এবং ককটেল ফোটাচ্ছে।

রাশেদ খান আরও বলেন, এনসিপির এক নেতা স্বীকার করেছেন- আওয়ামী লীগ ও জামায়াত মিলে আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। একই দলের এক নেতা দাবি করেছেন- ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ককটেল আর ফুটবে না।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা নির্বাচিত সরকারকে ব্যর্থ করতে চায়, তারা কি অপরাধ করছে না? জুলাইয়ের সময়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন রাশেদ।

এই নেতা আরও বলেন, সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি কোনো স্বাভাবিক কর্মসূচি নয়। লংমার্চের নামে পিকনিক স্টাইলে ছবি তুলে ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করা হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে রাশেদ খান বলেন, সমগ্র বিশ্বে জ্বালানি সংকট চলছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়েছে। সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট থাকবে না।

আওয়ামী লীগকে ফেরাতে অনেকে সক্রিয় বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, চুক্তি থাকলেও আদানি কখনো বিদ্যুৎ দিচ্ছে, আবার কখনো দিচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ঘিরে আওয়ামী লীগ অপতৎপরতা ও অসৌজন্যতায় মেতেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিদেশের মাটিতে তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


নির্বাচিত

গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে টিআইবির ক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

কিশোরী মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, পদে নিয়োগের প্রলোভন এবং পরবর্তীতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় চার দিনের রিমান্ডে থাকা সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের পদে বহাল থাকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

​দলীয় তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হওয়ায় নিজ দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও তার সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকাকে জাতীয় সংসদের জন্য মর্যাদাহানিকর হিসেবে বর্ণনা করেছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে, নিরপেক্ষ তদন্ত সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের জন্য অবিলম্বে বিশেষায়িত ও বাধ্যতামূলক ‘নৈতিক আচরণবিধি’ প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে টিআইবি।

​মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, কিশোরী মরিয়ম খাতুনকে চাকরি দেওয়া ও তার বাবাকে ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন, পরবর্তীতে তাকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করা এবং মরিয়মের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক যে অভিযোগ উঠেছে—তা সংসদের সম্মানের জন্য অবমাননাকর।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। তবে পদ ও প্রভাব ব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ, দলীয় বহিষ্কার এবং রিমান্ডের পরও একজন ব্যক্তির সংসদ সদস্যপদ অব্যাহত থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফৌজদারি দায় নির্ধারণ করবে আদালত, কিন্তু নৈতিকতা ও জন-আস্থার প্রশ্নে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংসদের। তার পদে থাকা নিয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা সংসদ ও নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করতে হবে।

​বিজ্ঞপ্তিতে সংবিধানের ৬৬(২) (ঘ) অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে ড. জামান জানান, নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড হলে সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়। ফলে বর্তমান আইনি কাঠামোর কারণে নজরুল ইসলামের পদ নিজে থেকে বাতিল হচ্ছে না। তবে এই আইনি সীমাবদ্ধতাকে যেন নৈতিক স্খলনের ‘রক্ষাকবচ’ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়, সেদিকে নজর দিয়ে আইনি বিধান স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।

টিআইবি আরও জানান, এমপিদের আচরণবিধি প্রণয়নের দাবি দীর্ঘদিনের। ২০১০ সালে টিআইবির খসড়ার ওপর ভিত্তি করে ‘The Members of Parliament Conduct Bill, 2010’ সংসদে উত্থাপিত হলেও তা আইনে পরিণত হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৪-পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কার প্রস্তাবে, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন এবং দুদক সংস্কার কমিশনের সুপারিশেও জনপ্রতিনিধিদের জন্য আচরণবিধি ও বার্ষিক সম্পদ বিবরণী প্রকাশের জোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যার প্রতি সব দল ঐকমত্য প্রকাশ করেছিল।

সংসদের মর্যাদা বজায় রাখতে মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনা ও সেক্সটরশনের (যৌন ব্ল্যাকমেইল) নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি অবিলম্বে ‘Member of Parliament Conduct Act’ পাসের জোর দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।


নির্বাচিত

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যার সময় বাসায় ছিলেন এমপি গাজী নজরুল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর সময় তিনি ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাটেই ছিলেন বলে ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় তিনি এলাকার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। খাওয়া শেষে মরিয়ম খাবার খেয়েছেন কি না, তা জানতে তাঁর কক্ষের সামনে গিয়ে দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

মরিয়মের বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার গাজী নজরুল ইসলামকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। গত রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টো দিকে ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৯ বছর বয়সী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ফ্ল্যাটটি গাজী নজরুল ইসলামের। সেখানে তিনি প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মকে নিয়ে থাকতেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুল বলেছেন, ঘটনার দিন সকালে তিনি বাসা থেকে বের হন। বিভিন্ন কাজ শেষে দুপুর ২টার দিকে বাসায় ফেরেন। এরপর এলাকার কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁর বাসায় আসেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলার পর একসঙ্গে দুপুরের খাবার খান।

খাওয়া শেষে মরিয়ম খাবার খেয়েছেন কি না, তা জানতে তাঁর কক্ষের সামনে যান গাজী নজরুল। তখন কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি পুলিশকে খবর দেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য।

এর আগে মরদেহ উদ্ধারের পর গাজী নজরুল জানিয়েছিলেন, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। তবে কীভাবে মরিয়মের মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছিলেন।

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকেও আসামি করা হয়েছে। আদালত তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয় এবং আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে মাকছুদা দাবি করেছেন, ঘটনার আগে মরিয়মের সঙ্গে তাঁর কোনো ঝগড়া হয়নি। মরিয়ম কেন আত্মহত্যা করেছেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন।

ডিবি কর্মকর্তারা গাজী নজরুল ও মাকছুদাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করছেন। তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার মো. জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ জানিয়েছেন, তাঁরা কিছু তথ্য দিয়েছেন এবং সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে।

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও করা হয়েছে। ওবায়দুর রহমান এখনো গ্রেপ্তার হননি; তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মামলাটি শেরেবাংলা নগর থানা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। গাজী নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত। তদন্তের অংশ হিসেবে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি।

গত জুলাইয়ে গাজী নজরুল ও মরিয়মের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে গাজী নজরুল ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বলে পরিচয় দেন। এর পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। দলটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হয়।

এদিকে মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এবং এর পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখছে ডিবি। এখন পর্যন্ত তদন্তে পাওয়া তথ্য যাচাই ও ময়নাতদন্তসহ অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।


নির্বাচিত

ককটেল বিস্ফোরণ: পাটওয়ারীর গ্রেপ্তার দাবি যুবদল সভাপতির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। এসব ঘটনার সঙ্গে পাটওয়ারীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

মোনায়েম মুন্না বলেন, পাটওয়ারী বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসতে চান। তার ভাষ্য, পাটওয়ারী বলেছেন, ১১ দলের দাবি মেনে নিলে ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ বন্ধ হয়ে যাবে। এ বক্তব্যের সূত্র ধরে মুন্না প্রশ্ন তোলেন, তাহলে ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত।

তিনি বলেন, ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেওয়ার সব ঘটনায় তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। এসব ঘটনার ‘হোতা’ হিসেবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তিনি।

এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মিছিল শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন, ১১ দলীয় জোটের তিনটি দাবি রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণভোটের বিচার এবং আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার জন্য সংস্কার। সরকার এসব দাবি মেনে নিলে ঢাকায় আর ককটেল ফুটবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাটওয়ারীর বক্তব্যের উদ্দেশ্য ছিল—তাদের দাবি বাস্তবায়িত হলে আওয়ামী লীগের কর্মীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর সুযোগ পাবে না—এমন বক্তব্য দেওয়া। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা গ্রেপ্তারের তথ্য ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

সমাবেশে জামায়াতের এমপি গাজী নজরুলের প্রসঙ্গও তোলেন যুবদল সভাপতি। তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর কারণে ১৯ বছরের এক তরুণী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের শিকার হয়েছেন। ওই তরুণী আত্মহত্যা করেছেন, নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।

মুন্না বলেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব ছিল। গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে তরুণীটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় গাজী নজরুল বর্তমানে রিমান্ডে থাকায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান যুবদল সভাপতি।

সমাবেশে জামায়াতের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডেরও সমালোচনা করেন মোনায়েম মুন্না। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে অতীতে আঁতাত করেছে এবং এখনো গোপনে আঁতাত করছে।

তার দাবি, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির নামে অন্যায়-অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটি তাদের রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর প্রশ্ন তৈরি করে। তবে এসব বক্তব্যকে তিনি রাজনৈতিক সমালোচনা হিসেবেই তুলে ধরেন।

দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে যুবদল সভাপতি বলেন, জনগণকে সজাগ করতে হবে। যুবদল রাজপথে রয়েছে এবং যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সংগঠনটির সক্ষমতা রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের ঘটনার নিন্দা জানান তিনি। একই সঙ্গে ওই স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সালাউদ্দিন আম্মারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনামের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নের সঞ্চালনায় সমাবেশে যুবদলের সহসভাপতি রেজাউল করিম পল, সহসভাপতি (দপ্তর) নুরুল ইসলাম সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেকসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে নেতাকর্মীরা মিছিল করেন।


নির্বাচিত

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পটুয়াখালী জেলা শাখার উদ্যোগে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে’ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী পৌর শহরের ঝাউতলায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি। বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন জেলা বিএনপি নেতা ও সাবেক পৌর মেয়র মোশতাক আহমেদ পিনুসহ জেলা-উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘৫ আগস্টের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতার প্রভাব সৃষ্টি করে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু জনসাধারণ তা মেনে নেয়নি। জনসাধারণ ভোট দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠভাবে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। বর্তমানে সেসব দলগুলো সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ঘৃণ্য পায়তারা চালাচ্ছে। বিএনপি ও দেশের আপামর জনসাধারণ তা মেনে নেবে না। চলমান সন্ত্রাস নৈরাজ্য বন্ধ না করা হলে জনসাধারণকে সাথে নিয়ে বিএনপি তা প্রতিহত করবে।’

বক্তারা আরও বলেন, ‘দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠনের কমিটি প্রদান করা হচ্ছে এসব কমিটিতে হাইব্রিড নেতা, মাদকসেবী, মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো স্থান হবে না। কমিটিতে নির্যাতিত নিপীড়িত ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হবে। দেশকে মাদকমুক্ত করতে মাদকের বিরুদ্ধে বিএনপি ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অব্যাহত রাখবে।’

সমাবেশ শেষে একটি মিছিল শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল থেকে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।


নির্বাচিত

banner close