সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
৮ চৈত্র ১৪৩২

জাতীয় পার্টির অশান্তির নেপথ্যে: জোটের রাজনীতিতে কদর বাড়াতে নতুন কৌশল

জাতীয় পার্টির লগো। ছবি: সংগৃহীত
আমানউল্লাহ আমান
প্রকাশিত
আমানউল্লাহ আমান
প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৭:৫১

জাতীয় পার্টির সাম্প্রতিক গৃহদাহের পেছনে দলের নীতিনির্ধারকদের ভবিষ্যৎমুখী রাজনীতির কৌশল হিসেবে ভাবছেন দলটির নেতা-কর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আগামী নির্বাচনে দলটির ভূমিকা কী হবে সেটা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে দেবর জি এম কাদের ও ভাবি রওশন এরশাদের মধ্যে মতভেদ সাম্প্রতিক অশান্তির কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

গত কিছু দিন যাবত দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর কণ্ঠে সরকারের সমালোচনা প্রকটভাবে শোনা যায়। অনেকে মনে করছেন, জোট আর ভোটের রাজনীতিতে নিজেদের কদর বাড়াতেই তারা সরকারবিরোধী ভূমিকা নিচ্ছেন।

অন্যদিকে দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও এরশাদপত্নী রওশন এরশাদ অনেকটাই সরকারঘেঁষা হিসেবে পরিচিত। জি এম কাদেরসহ সরকারবিরোধী অংশের তৎপরতা ঠেকাতে অসুস্থ হয়ে দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন হঠাৎই সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সাব্বির আহমেদ দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘এ ধরনের দলগুলোতে স্বার্থের দ্বন্দ্বই প্রকট থাকে। মূলত নিজেদের স্বার্থ ঠিক রাখতেই দলের ভেতর এই জটিলতা।’

রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি গঠন করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৯৮২ সালে সামরিক শাসনের মাধ্যমে ক্ষমতা নেয়া এরশাদ দেশ শাসন করেছেন ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

রাষ্ট্রপতি থেকে পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার পরও আমৃত্যু নির্বাচনী রাজনীতিতে অনেকটা শক্ত অবস্থান নিয়েই বেঁচে ছিলেন তিনি। রাজনীতির নানা মেরুকরণে তার জীবদ্দশাতেই জাতীয় পার্টি ভেঙেছে ৯ বার। দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান ও এরশাদের ছোট ভাই জি এম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিতে আবারও বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, নতুন করে আবারও ভাঙনের মুখে পড়তে যাচ্ছে দলটি। তবে জাতীয় পার্টি মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, যখন আমাদের চেয়ারম্যান জি এম কাদের জাতীয় পার্টির রাজনীতির কৌশল পরিষ্কার করছেন, যখন তিনি বলছেন, আমরা এখন আর কোন জোটে নেই, জাতীয় পার্টি কারও দালালি করবে না, তখন হয়তো কারও কারও কষ্ট হতে পারে।

চুন্নু বলেন, যারা দালালি করতে চায় তারা কখনোই সফল হবে না। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতি থেকে দেশের মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায়।

জাতীয় পার্টির নেতারা বলছেন, ৯০ সালের পর এত বড় সংকটে কখনো পড়তে হয়নি দলটিকে। ভোটের রাজনীতিতে নিজেদের যেমন প্রভাব ছিল, তেমনি দলও ছিল চেয়ারম্যানের একক নিয়ন্ত্রণে। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতীয় পার্টি নতুন সংকটে পড়ে। সেবার এরশাদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির একটি অংশ ওই নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনের পর রওশন এরশাদ হন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা।

সেই সুবাদেই জাতীয় পার্টিতে একক নিয়ন্ত্রণ হারান দলটির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এতে জাতীয় পার্টি যেমন সাধারণ মানুষের কাছে ইমেজ সংকটে পড়েছে তেমনি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ হয়েছেন হাস্যরসের পাত্র। তাই জাতীয় পার্টির হারানো ইমেজ পুনরুদ্ধার ও দলে চেয়ারম্যানের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন জি এম কাদের।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, জি এম কাদেরের উদ্যোগে পার্টির সরকারঘেঁষা অংশটি পড়েছে বেকায়দায়। ওই অংশটি এরশাদের নেতৃত্ব অস্বীকার করে রওশনের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হওয়ায় তারাই সবচেয়ে বড় বিপদে পড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের স্বার্থরক্ষায় ওই অংশটিই আবার ভর করেছে অসুস্থ রওশনের ওপর।

রওশন এরশাদ-জি এম কাদেরের দ্বন্দ্ব পুরোনো। এরশাদ তার মৃত্যুর আগে সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ভাগ করে দিয়ে যান। গোলাম মোহাম্মদ কাদেরকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ঘোষণা করে একটি প্রেস রিলিজ প্রকাশ করেন এরশাদ। তবে ওই সময়ে রওশনপন্থিদের অভিযোগ ছিল, অসুস্থ এরশাদকে ব্ল্যাকমেইল করে ওই স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে।

এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টির দ্বিধাবিভক্ত কমিটি ঘোষণা হয়। ওই সময় জি এম কাদেরপন্থিদের দাবি ছিল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার দুটি পদই পাবেন জি এম কাদের। তবে ঐক্যের স্বার্থে বৈঠকে বসেন ভাবি আর দেবর। জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতার পদ রওশনকে দিয়ে সমঝোতা হয় দুজনের। পার্টির চেয়ারম্যান পদে থেকে যান জি এম কাদের।

এরশাদের সময় থেকে জি এম কাদের পর্যন্ত দলটির মহাসচিব পরিবর্তন করা হয় বারবার। সাবেক মহাসচিবদের নেতৃত্বে কয়েকটি উপদল সক্রিয় রয়েছে নিজেদের অবস্থান ঠিক রাখার জন্য। আর জি এম কাদের চেয়ারম্যান হওয়ায় অনেক নেতাই পড়ে গেছেন সাইডলাইনে। রওশন এরশাদকে কেন্দ্র করে জি এম কাদেরের সঙ্গে দরকষাকষি করতে চান ওই নেতারা।

গত ৩০ আগস্ট জাতীয় পার্টির সম্মেলন আহ্বান করে চিঠি পাঠান দলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। গত ১ সেপ্টেম্বর দলের ২৩ জনের সংসদ সদস্যের স্বাক্ষর নিয়ে রওশনকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে সরাতে স্পিকারকে চিঠি দেন জি এম কাদের। তবে ওই চিঠির বিষয়ে সব সংসদ সদস্য একমত ছিল না বলে গণমাধ্যমে প্রকাশ করায় দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় মসিউর রহমান রাঙ্গাকে।

এ বহিষ্কারের পর নতুন করে আলোচনায় আসে জাতীয় পার্টির গৃহবিবাদ। এ প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির সূত্রগুলো বলছে, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ কিছু নেতা রওশন এরশাদকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টিতে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করতে চান।

দলের বেশির ভাগ নেতা জি এম কাদেরের সিদ্ধান্তে একমত বলে সূত্র জানিয়েছে। তারা বলছেন, সুবিধাবাদীদের বাদ দিয়ে জাতীয় পার্টিকে চালাতে হবে। রওশন এরশাদ যে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ঘোষণা করেছেন তাতে জাতীয় পার্টির সাবেক কয়েকজন সংসদ সদস্য ও প্রেসিডিয়াম সদস্য আছেন। এদের কেউ কেউ ২০১৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে পারেননি। তারাই রওশন এরশাদের ওপর ভর করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছেন বলে দলীয় সূত্রের অভিযোগ।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আলমগীর সিকদার লোটন দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘জাতীয় পার্টি একটা নিজস্ব ধারায় রাজনীতি করতে চাচ্ছে জি এম কাদেরের নেতৃত্বে। উনি এককভাবে দলটাকে সংগঠিত করতে চাচ্ছেন। চেয়ারম্যানের লক্ষ্য একক নির্বাচনের দিকে। যদি কোনো জোট হয় সেটা নির্বাচনী সমঝোতা হতে পারে।’

তিনি বলেন, কারও ইন্ধনে বা তৃতীয় পক্ষ জড়িত আছে। সুবিধাবাদী একটা গোষ্ঠী তো সব দলেই থাকে। আমাদের দলে সুবিধাবাদীদের সংখ্যাটা একটু বেশি। আমাদের নিজস্ব পরিচয় আছে। যদি আমাদেরকে দালাল বলে তা হলে জাতীয় পার্টি করে লাভ কী? তা হলে আওয়ামী লীগই করি।

অব্যাহতির প্রত্যাহার চান রাঙ্গা, চুন্নু বললেন এখতিয়ার চেয়ারম্যানের

দলের সব পদ থেকে নিজের অব্যাহতির আদেশে অখুশি নন জানিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা। তবে কাউকে পার্টিতে ফেরানোর এখতিয়ার শুধু জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

পৃথক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন দলটির দুই নেতা। গত বুধবার মসিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেন দলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে রাঙ্গার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের রংপুরে কীভাবে রাজনীতি করে সেটা দেখে নেয়ার হুমকি প্রসঙ্গে। রাঙ্গা বলেন, অব্যাহতির আদেশ পাওয়ার পরে আমি একটু রাগান্বিত ছিলাম। এটা অস্বীকার করব না। আমি চেয়ারম্যানকে যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম, সেটা তুলে নিয়েছি। রংপুরেও আর কোনো ঝামেলা হবে না। সেটা গতকাল (বুধবার) রাতেই বলে দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমি কোনো অন্যায় করিনি। এটা বলার জন্য আজকে এই সংবাদ সম্মেলনে ডেকেছি। আমি আমার বহিষ্কারাদেশে অখুশি নই। আমি চাই দলটা যেন সুন্দরভাবে চলে। না ভেঙে যায়। দলটাকে ছোট করা ঠিক হবে না। প্রয়োজনে আমি নিজেই দলে থাকব না।

কেন আপনাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে রাঙ্গা বলেন, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে সরিয়ে জি এম কাদেরকে করার বিষয়ে যে চিঠি দেয়া হয়েছে তার প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না। এটা আমি একটা টেলিভিশনকে বলেছিলাম, এই জন্য আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে মনে করছি।

আগামীতে জাতীয় পার্টির রাজনীতি না করতে পারলে অন্য কোনো দলে যাবেন না বলেও দাবি করেন তিনি। রাঙ্গা বলেন, আগামীতে জাতীয় পার্টি রাজনৈতিক দল হিসেবে থাকবে। আগামীতে শুধু দুটি রাজনৈতিক দল থাকবে। কোন দুটি থাকবে, সেটা আমি বলব না। তবে সেখানে আমরা (জাতীয় পার্টি) থাকব না।

এ দিকে বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্যই মসিউর রহমান রাঙ্গাকে দলের পদ-পদবী থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, গেল এক বছর ধরে গণমাধ্যম, সংসদ ও বিভিন্ন ফোরামে মসিউর রহমান রাঙ্গা সংগঠনের নীতি ও অবস্থানবিরোধী কথা বলছিলেন। গেল এক মাস আগেও এমন একটি অবস্থার প্রেক্ষিতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা। তখন সংগঠনবিরোধী কোনো কাজ করবেন না বলেও অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি। তবে মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রতি পার্টির সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র ও বিধি মোতাবেক হয়েছে।

তিনি বলেন, যদি জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান চান তবেই মসিউর রহমান রাঙ্গা জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন। কারণ, কাউকে পার্টিতে ফেরানোর এখতিয়ার শুধু জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের। এ সময় তিনি বলেন, কেউ দল থেকে চলে যেতে পারে তাতে দলের কোনো ক্ষতি হয় না।

তিনি বলেন, এখন গঠনতন্ত্রের বিশ ধারার সমালোচনা করছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা, কিন্তু যখন মহাসচিব ছিলেন তখন তো এই ধারার কথা কখনোই বলেননি তিনি।


বরগুনায় চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি―র সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

দল-মত নির্বিশেষে 'সবার আগে বাংলাদেশ' দেশের উন্নয়ন ও ঐক্যমতের ভিত্তি গড়ার লক্ষ্যে আলোচনা
আপডেটেড ২২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪৫
বরগুনা জেলা প্রতিনিধি

বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি বরগুনায় এক তাৎপর্যপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হারুন, সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছালেহ, জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ মামুন, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা এস.এম.আফজালুর রহমান, উপজেলা আমীর হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাসুদুল আলম, উপজেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, জেলা সভাপতি মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান, বরগুনা জেলার ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে বরগুনা-১ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ অলি উল্লাহ নোমান।

রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সাক্ষাতকালীন সময় চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকার জনগণের সরকারে রূপান্তরিত হয়েছে। এই সরকারের মূল দৃষ্টি হলো দল-মত নির্বিশেষে সবার আগে বাংলাদেশ।

সকল রাজনৈতিক দলকে নিয়ে ঐক্যমতের ভিত্তি তৈরি করা দেশের সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন,দেশের উন্নয়ন, সামাজিক সংহতি এবং রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য সকল পক্ষের সহযোগিতা অপরিহার্য।

সাক্ষাতে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এই সাক্ষাতকে দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা এবং রাজনৈতিক সংলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। তারা বলেন,জাতীয় ঐক্য এবং সামাজিক শান্তি নিশ্চিত করতে সকল দলকে একসাথে কাজ করতে হবে। সাক্ষাতটি স্থানীয় গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংলাপের দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির কর্মসূচি ঘোষণা

সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রোববার নয়াপল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

গৃহীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৬শে মার্চ রোববার ভোরে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ওই দিন ভোর ৫টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরবর্তীতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে ফাতেহা পাঠ ও জিয়ারত অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ২৫শে মার্চ বুধবার রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সারা দেশেই আলোচনা সভা আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, “ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে দলীয় নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”


নন্দীগ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুমন 

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

সম্প্রতি বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বৈলগ্রামের কৃষক খলিলুর রহমানের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হন কৃষক খলিলুর রহমানের পরিবার। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন নন্দীগ্রাম পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম শফিউল আলম সুমন।

শুক্রবার (২০ মার্চ) বিকেলে নন্দীগ্রাম পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম শফিউল আলম সুমন দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক খলিলুর রহমানের পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার তুলে দেন। যাতে তারা কিছুটা স্বস্তিতে ঈদ উদযাপন করতে পারে।

সেসময় তিনি বলেন, মানুষ মানুষের জন্য। একটি পরিবার যখন বিপদে পড়ে, তখন আমাদের সবারই দায়িত্ব তাদের পাশে দাঁড়ানো। আমি সেই দিকটা বিবেচনায় করে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমি প্রত্যাশা করি ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক। আর আমি মানুষের সুখেদুঃখে পাশে আছি এবং আগামীদিনেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।

এ সহায়তা ও ঈদ উপহার প্রদানের সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সানাউল বাকিসহ স্থানীয় নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন এবং এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।


ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে ঈদ অত্যন্ত আনন্দের: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে ঈদকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও আনন্দময় বলে অভিহিত করেছেন। শনিবার সকালে হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে ঈদ উদ্‌যাপন করতে পারা দেশবাসীর জন্য বড় প্রাপ্তি। এই বিশেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় হওয়ার বিষয়টিকে তিনি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এক নতুন যাত্রা হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে আনন্দের এই আবহে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতির কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল এই ঈদকে কিছুটা বিষাদময় বলেও অভিহিত করেন। তিনি জানান, দেশের মানুষের দীর্ঘ লড়াই ও আকাঙ্ক্ষার পর আজ যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, সেই পথ ধরেই দেশ আগামীতে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্যান্ডেলে ৩৫ হাজার মুসল্লিসহ আশপাশের সড়ক মিলিয়ে প্রায় এক লাখ মানুষ নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির শান্তি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।


সরকার দেশের সব ধর্মের মানুষের মর্যাদা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর: ডেপুটি স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য কায়সার কামাল বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে ওঠা বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা সেই বাংলাদেশেই ফিরে এসেছি, যেখানে সাম্য, মানবিকতা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে সমাজ গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে নেত্রকোনার কলমাকান্দা সদরের রামকৃষ্ণ আশ্রমের আয়োজনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, দেশের অগ্রগতির জন্য দল-মত, পথ, জাতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের কাছে কে হিন্দু, কে মুসলিম-এটা মুখ্য নয়; মানুষ হিসেবে আমাদের কর্মই সবচেয়ে বড় পরিচয়। কর্মের মাধ্যমেই একজন মানুষ ও একটি সমাজের মূল্যায়ন হয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের সব ধর্মের মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। মুসলিমদের ইমাম-খতিব, হিন্দুদের পুরোহিত ও সেবাইত, খ্রিস্টানদের ধর্মগুরুসহ সব ধর্মীয় নেতাদের সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মানবজীবনের প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাগতিক জীবনে মানুষ অনেক কিছু অর্জন করলেও তা সঙ্গে নেওয়া যায় না। ধর্মীয় শিক্ষার মূল কথা হলো মানবতা, ন্যায়, সততা ও পাপ থেকে বিরত থাকা। সব ধর্মই সাম্য ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। তাই একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে সমান অধিকার দিতে হবে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, দেশে প্রতিটি ধর্মের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ- সবাই যেন গর্ব করে বলতে পারে, এই দেশ আমার বাংলাদেশ- সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ধর্মভেদ না করে সবাই দেশের জন্য রক্ত দিয়েছিল। তখন কেউ দেখেনি কে কোন ধর্মের। ঠিক তেমনি এখন সময় এসেছে দেশ গড়ে তোলার, আর সে কাজে সবার অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দেশে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলমাকান্দা রামকৃষ্ণ আশ্রমের সভাপতি অনুজ চক্রবর্তী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোপেশ চন্দ্র সরকার।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলমাকান্দা উপজেলার হরিশ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে স্কুল মাঠে আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

সেখানে তিনি বলেন, একটি কার্যকর ও গঠনমূলক বিরোধী দল ছাড়া কোনো দেশের গণতন্ত্র পূর্ণতা পায় না। সরকার ও বিরোধী দল-এই দুই শক্তির সমন্বিত ভূমিকার মাধ্যমেই একটি দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো দৃঢ় ও কার্যকর হয়। বিরোধী দল যদি দায়িত্বশীলভাবে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে, তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয় এবং দেশ এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে।

তিনি বলেন, একটি দেশের গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে সরকার ও বিরোধী দল-দুই পক্ষই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে গত ১৫-২০ বছর দেশে প্রকৃত অর্থে বিরোধী মতপ্রকাশের পরিবেশ ছিল না। জাতীয় সংসদ অনেকটা তৎকালীন সরকারের ‘রাবার স্ট্যাম্পে’ পরিণত হয়েছিল এবং বিরোধী দল ছিল নামমাত্র। এই পরিস্থিতির কারণেই দেশে ফ্যাসিবাদের সৃষ্টি হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশরপাশা হরিশ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোপাল চন্দ্র সাহা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল জব্বার খান, বিদ্যালয়ের জমিদাতা মিল্টন ঘোষ, জালাল উদ্দিনসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


লক্ষ্মীপুরে ১৩৯ অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লক্ষ্মীপুরে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ১০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে শহরের গোহাটা সড়কের চৌধুরী ভিলায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সুবিধাভোগীদের হাতে চেক তুলে দেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই আয়োজনে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেথুয়াই প্রোপ্রো মারমা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মোট ১৩৯ জন অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ জনকে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে এবং অবশিষ্ট ৭৮ জনকে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তার চেক দেওয়া হয়। চেক বিতরণকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন যে সরকারের পক্ষ থেকে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই ধারাবাহিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সাবলম্বী করতে এবং তাদের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে এই ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুবিধাভোগীরা সরকারের এই উদ্যোগের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে: নাটোরে হুইপ দুলু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাটোর প্রতিনিধি

বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয় সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে উল্লেখ করে সরকার দলীয় হুইপ এবং নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, প্রত্যেক পরিবারের নারীরা ফ্যামিলী কার্ডের আওতায় আসবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামেলী কার্ড বিতরন উদ্বোধনের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে নাটোরের একডালায় শুভেচ্ছা ফার্মের বাগানবাড়ীতে দরিদ্রদের মাঝে শাড়ী লুঙ্গি ও নগদ অর্থ বিতরন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন । এসময় তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় নেতারা এই সমাজের সবচেয়ে সম্মানিত মানুষ। তারাও মাসে মাসে মাসে সম্মানি ভাতা পাওয়া শুরু করেছেন। এছাড়া কৃষি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তি পর্যায়ের কৃষকরাও উপকৃত হবেন। সবার পাশে দাঁড়িয়ে বিএনপি জনবান্ধব সরকারে পরিণত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সংকট মোকাবিলায় বিএনপি সরকার সফল: মির্জা ফখরুল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই কিছু না কিছু বৈশ্বিক ঝামেলা তৈরি হয়। এবারও দায়িত্ব নেয়ার পরপরই ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের মতো বড় সংকট সামনে এসেছে। কিন্তু সরকারের যোগ্যতার কারণে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি এবং তেলের দামও বাড়েনি। এমনকি সংকটের মধ্যেও গার্মেন্টস খাতের শ্রমিকদের বেতন সঠিক সময়ে পরিশোধ করা সম্ভব হয়েছে।’

বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

দলীয় কর্মকাণ্ড নিয়েও তিনি জানান, বর্তমানে ছোটখাটো পরিসরে দলের কার্যক্রম চললেও এ বছরের মধ্যেই বিএনপির দলীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দ্রুত কাজ চলছে এবং এ বছরের মধ্যেই যত দ্রুত সম্ভব এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সরকারের সামগ্রিক মূল্যায়ন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘এক মাসে আমরা সরকারের সব ক্ষেত্রেই সাফল্য দেখছি। এরইমধ্যে পার্লামেন্ট অধিবেশন বসেছে এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। তবে আমাদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশের অর্থনীতিকে পুনরায় সুস্থ ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা। সরকার এই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।’

সান্তাহারে ট্রেনের লাইনচ্যুতির মতো দুর্ঘটনাগুলো নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই রেল চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ হবে।


নিখোঁজের তিন দিন পর যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ইউসুফ খান (৩২) নামে এক যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের ঘাগরাই গ্রামের আলমাসের ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ইউসুফ আজগানা ইউনিয়নের ঘাগরাই গ্রামের দুলাল খানের ছেলে। তিনি আজগানা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

ইউসুফ খানের ভাতিজা নীরব খান জানান, তার চাচা ইউসুফ খান শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে মাটির সাইড দেখতে যান। তার পর থেকে তিনি বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় ইউসুফ খানের বোন পান্না আক্তার মির্জাপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

ইউসুফ খান নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ ঘাগরাই গ্রামের আলমগীরের ছেলে রিজন এবং একই গ্রামের সৌদিপ্রবাসী হানিফকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ সন্ধ্যায় ঘাগরাই গ্রামের আলমাসের ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে ইউসুফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার একটি মাটির ট্রাকের ধাক্কায় হানিফের একটি গাছ ভেঙে যায়। এ ঘটনায় হানিফের সঙ্গে ইউসুফের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। মাটির ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ইউসুফ হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাদের ধারণা।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, ইউসুফ নিখোঁজের ঘটনায় আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইটভাটার মাটির স্তূপের নিচ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।


ফেসবুক পোস্টে জারা লিখলেন ‘আমি মারা যাইনি’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লিংকডইনে (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) ডা. তাসনিম জারার অ্যাকাউন্টটি আজ ‘মেমোরাইলাইজড’ বা মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এনিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এ বিষয়ে সোমবার বিকালে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন তাসনিম জারা।

ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, আপনারা অনেকেই লক্ষ করেছেন যে আজ সকালে আমার লিংকডইন অ্যাকাউন্টটি ‘মেমোরাইলাইজড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

সম্ভবত আমার অ্যাকাউন্টে করা কোনো ভুল বা বিদ্বেষমূলক রিপোর্টের কারণে এমনটি ঘটেছে।

তিনি আরও লিখেছেন, আমি বেঁচে আছি এবং সুস্থ আছি। আমি লিংকডইনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং আশা করছি শিগগিরই সমস্যাটির সমাধান হবে।


মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে আগামী কাল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ রোববার সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে। এদিন বেলা ১১টায় একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে। শনিবার (১৪ মার্চ) মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তার (মির্জা আব্বাসের) সঙ্গে সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ সন্তান মির্জা ইয়াসির আব্বাস সিঙ্গাপুর যাবেন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা-এ চিকিৎসাধীন এই বর্ষীয়ান নেতার মস্তিষ্কে গত শুক্রবার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এরপর থেকে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে তার মস্তিষ্কের একটি সিটি স্ক্যান করা হয়। বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সিটি স্ক্যানের প্রতিবেদন ইতিবাচক এসেছে।

তবে চিকিৎসকদের পরামর্শে অধিকতর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিবার।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার ইফতারের সময় পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয় এবং বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুই দফায় তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে ৭২ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার খোঁজ নেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।


ঝিনাইদহে কৃষকদল নেতার লাশ নিয়ে বিএনপির বিক্ষোভ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে নিহত কৃষক দল নেতা তরু মুন্সীর লাশ নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে ঝিনাইদহ মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে হামদহ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, দলটির নেতা-কর্মী ছাড়াও নিহতের স্বজনরা বক্তব্য দেন।

সে সময় জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. এম এ মজিদ বলেন, ‘জামায়াত ও শিবিরের নেতা-কর্মীরা কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে। তার মাথায় বাশ দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। যে কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা এই ন্যক্কারজনক হত্যার বিচার চাই।’

এদিকে তরু মুন্সীর মৃত্যু স্টোকজনিত কারণে হয়েছে বলে দাবি করেছে জামায়াত। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা জামায়াতের থানা আমীর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মাধবপুর গ্রামে মহিলা জামায়াতের ইফতার মাহফিল ছিল। সেখানে বিএনপির লোকজন গিয়ে নারীদের মারধর ও শ্লীলতাহানী করে। যে কারণে স্থানীয় জামায়াত নেতা-কর্মীদের সাথে তাদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়।’ তরু মুন্সীর মৃত্যু স্টোকজতিন কারণে হয়েছে উল্লেখ করে ড. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘তরু মুন্সী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মারামারির কারণে তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে স্টোক করেন।’ যে কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যু নিয়ে অপরাজনীতি করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও দোকানপাট ভাঙচুর করা হচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে জামায়াতের মহিলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দুপুরে ইফতারের আয়োজন নিয়ে নারীকর্মীদের সাথে স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাক-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মহিলাকর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সাথে বিএনপিকর্মীদের সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে কৃষকদল নেতা তরু মুন্সীর অবস্থা গুরুতর হলে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়। সেখানে রাত ৮টার দিকে মারা যায় তরু মুন্সী। নিহত তরু ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।


সৈয়দপুরে বিএনপির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শহরের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সৈয়দপুর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার শাহীনের সঞ্চালনায় ও সভাপতি আব্দুল গফুর সরকারের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু (এমপি)।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ (এমপি)।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম। নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. সাইফুল্লাহ রুবেল, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পঞ্চগড় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম।

ইফতার ও আলোচনা সভায় এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর বিএনপিরসহ সভাপতি এসএম ওবায়দুর রহমান, শফিকুল ইসলাম জনি, জিয়াউল হক জিয়া, সি. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন পাপ্পু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, হাফিজ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবু সরকার, উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান কার্জন, পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ রশিদুল হক সরকার, সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবলু প্রমুখ।


banner close