বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
১ মাঘ ১৪৩২

নাহিদ ইজাহার খান সম্ভবত মায়ের বইটাও পড়েননি: ফখরুল

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
১৪ মে, ২০২৩ ২২:১২
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২৩ ১৫:৪৯

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তিন সেনা কর্মকর্তা হত্যার অভিযোগে মামলায় আসামি করায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মামলার বাদী সংসদ সদস্য নাহিদ এজাহার খানের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, নাহিদ ইজাহার খান সম্ভবত তার নিজের মায়ের লেখা বইটাও পড়ে দেখেননি। ওই বইয়ে সুস্পষ্টভাবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে (জাসদ নেতা) কর্নেল আবু তাহেরের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে উঠে এসেছে।

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে রোববার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।

বিএনপির আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, চলমান ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে এই সরকার নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী সংসদ সদস্য, কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদার মেয়ে নাহিদ ইজাহার খানের মামলা সেই লাগাতার ষড়যন্ত্রের একটি ঘৃণ্য উদাহরণ মাত্র।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আগামীতে এ ধরনের ষড়যন্ত্র চলমান থাকবে। বিশেষ করে সরকার পতনের সময়কাল যত এগিয়ে আসবে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ বিএনপির বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের মাত্রা আরও বাড়বে। আমরা দ্বার্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষদের সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সব ধরনের ষড়যন্ত্রের জাল নস্যাৎ করে দেব।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের অন্যতম সহযোগী ছিলেন কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা। অভ্যুত্থানে সক্রিয় নেতৃত্ব দিতে তিনি ঢাকায় আসেন। খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে তৎকালীন সেনাপ্রধান (পরবর্তী সময় রাষ্ট্রপতি) মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়। মূলত খালেদ মোশাররফ ও তার সহযোগীদের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাসের সুযোগে প্রথমত ইতিহাসের নৃশংস জেলহত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।’

ফখরুল আরও বলেন, ‘খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানের ফলে সেনাছাউনিতে চরম বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। যে সুযোগের অপব্যবহার করে কর্নেল তাহের-ইনু গংয়ের নেতৃত্বে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা ও জাসদ গণবাহিনীর মাধ্যমে পাল্টা-অভ্যুত্থান সংঘটিত করে। তারা সেনাবাহিনীতে সেনা অফিসার-সৈনিক বিরোধ সৃষ্টি করে নির্মম সেনা অফিসার হত্যার সুদূরপ্রসারী দেশি-বিদেশি চক্রান্তে শামিল হয়। যার নির্মম শিকার হচ্ছেন খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সংঘটিত অভ্যুত্থানের অন্যতম সহযোগী কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা।’

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতালোভীদের চক্রান্তে সংঘটিত শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড, ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থান ও ৭ নভেম্বর জাসদ গণবাহিনী ও বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক আদর্শে কর্নেল তাহের-ইনু গংদের নেতৃত্বে পাল্টা সেনাঅভ্যুত্থান এবং সৈনিক-অফিসার বিরোধ উসকে দিয়ে নৃশংস সেনা অফিসার হত্যার নীলনকশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর অস্তিত্ব বিলীন করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র রূখে দিতে জিয়াউর রহমান জাতির ক্রান্তিলগ্নে সাহসী ভূমিকা অবতীর্ণ হন।

ফখরুল বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সকালে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত দশম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের কার্যালয়ে আশ্রয় নেয়া কর্নেল নাজমুল হুদাকে হত্যার ঘটনায় তার মেয়ে নাহিদ ইজহার খান ৪৮ বছর পর যে মামলা দায়ের করেছেন, সেখানে সেই হত্যার আদেশদাতা হিসেবে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন। অত্যন্ত রূঢ় সত্যি হচ্ছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের সুবিধাভোগী একজন সদস্য নাহিদ ইজাহার খান সম্ভবত তার নিজের মায়ের লেখা বইটাও পড়ে দেখেননি। দায়েরকৃত মামলার বাদী নাহিদ ইজাহার খানের মায়ের লিখিত বইয়ে ১৩৪ পাতায় সুস্পষ্টভাবে হত্যাকাণ্ডের পেছনে কর্নেল তাহেরের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে উঠে এসেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এতে আরও উঠে এসেছে কর্নেল তাহেরের নির্দেশে হত্যাকাণ্ডের চার দিন পূর্ব থেকে কর্নেল হুদাসহ অন্যদের ভারতের চর হিসেবে সেনাবাহিনীতে প্রচার করেছিল জাসদ গণবাহিনী। মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরীও একই কথা লিখেছেন বইটির ভূমিকায়।

এ সময় ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবিলায় জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান বিএনপির মহাসচিব। দলীয়করণ না করে মোখা মোকাবিলায় সরকারকে সবার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বানও জানান মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।


তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন ভারতের হাইকমিশনার। ৫টা ৩৫ মিনিটে বৈঠক শেষে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান প্রণয় ভার্মা।

সাক্ষাৎর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবীর খান। দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে ভারতীয় হাইকমিশনারকে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়।

এই সাক্ষাতকালে তারেক রহমানের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির। তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সাক্ষাৎ দুই পক্ষের মধ্যে ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। কূটনৈতিক মহলে এই নিয়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎর আগে একই দিনে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ড. ইভারস আইজাবস। সেই সাক্ষাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ও যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। একদিনে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সাথে বিএনপির এই সাক্ষাতকে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হলেন মাহদী আমিন। তিনি দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপদেষ্টা।

রোববার (৪ জানুয়ারি) গুলশানে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এখন থেকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবে মাহদী আমিন নিয়মিত ব্রিফিং করবেন।’

এর আগে গুলশান ৯০ নম্বর রোডের বিএনপি নির্বাচনী অফিসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা বিষয়ক কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

সংসদ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে গত বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে।


ওসমান হাদির মৃত্যুতে বিএনপির শোক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বার্তায় এ শোক প্রকাশ করা হয়।

শোক বার্তায় বলা হয়, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে আমরা গভীর শোকাহত।’

এর আগে ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে পোস্ট দেওয়া হয়।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।


খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ নিয়োগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিএনপি মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এর আগে বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তাবিষয়ক টিমের চিফ কো-অর্ডিনেটর পদে নিয়োজিত ছিলেন।


বিএনপির মনোনয়ন চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন জাহাঙ্গীর মোল্লা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ–৩ (তাড়াইল–করিমগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন চান জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে জেলা শহরের একটি হোটেলের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে জাহাঙ্গীর মোল্লা বলেন, ৩ নভেম্বর দলের ঘোষিত প্রাথমিক মনোনয়ন তালিকায় এ আসনে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুকের নাম রয়েছে। পরে ৬ নভেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় আসেন। ছয় দিনের বিশ্রামের পর ১২ নভেম্বর করিমগঞ্জে নিজ বাড়িতে আসেন এবং তিন দিন অবস্থান করে আবার ঢাকায় ফিরে যান।

জাহাঙ্গীর মোল্লার দাবি, ওই সময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তারা মনোনীত প্রার্থীর ‘শারীরিক, মানসিক ও স্মৃতিশক্তিজনিত দুর্বলতা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিলে মাঠের নির্বাচনী কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থীর ভোট কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ড. এম ওসমান ফারুকের রাজনৈতিক তৎপরতা এলাকায় দৃশ্যমান নয়। এতে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে এবং প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি উঠছে বলে দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জাহাঙ্গীর মোল্লা নিজের মনোনয়ন পাওয়ার পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন। এ সময় করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফীউজ্জামান শফীসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।


‘শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান এবং তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এমনটি জানিয়েছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, ‘ডা. জুবাইদা রহমান রাজনীতিতে আসবেন কি না তা একান্তই তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’

তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করছে তার বিদেশ যাত্রা।

চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তই এখানে চূড়ান্ত। খুব শিগগিরই জোটের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

আমীর খসরু আরও বলেন, নির্বাচনী জোট ও আসন নিয়ে আলাপ-আলোচনা এখনো শেষ হয়নি। সংলাপ, আলাপ-আলোচনা সব সময়ই গণতন্ত্রের অংশ।

আলোচনা, সংলাপ চলতে হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া চলমান আছে। নির্বাচনের দিকে পুরো জাতি যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বেগম জিয়া প্রথম ব্যক্তি, যিনি চান গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে। নির্বাচন হোক। নির্বাচন না হওয়ায় সবাই বিভিন্ন সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা।


খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

আপডেটেড ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:১১
নিজস্ব প্রতিবেদক  

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটের দিকে হাসপাতালে পৌঁছান তিনি। তার আগমনকে কেন্দ্র করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

জুবাইদা রহমান হাসপাতালের ইমার্জেন্সি লিফট দিয়ে খালেদা জিয়া যেখানে চিকিৎসাধীন, সেখানে যান। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে জুবাইদা রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি লন্ডন থেকে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। শাশুড়িকে দেখতে সেখান থেকে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যান তিনি। বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটের দিকে জুবাইদা রহমান হাসপাতালটিতে পৌঁছান। তার আগমনকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

এরও আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১২টায় এবং লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় হিথরো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩০২ ফ্লাইটে করে তিনি দেশের উদ্দেশে রওনা করেন। এ সময় মা জুবাইদাকে বিদায় জানান মেয়ে জাইমা রহমান।

খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে দেখার পর সেখান থেকে ধানমন্ডির পৈতৃক বাসভবনে পৌঁছান জুবাইদা রহমান। আড়াই ঘন্টার বেশি সময় এভারকেয়ারে ছিলেন তিনি। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে হাসপাতাল ত্যাগ করেন তিনি।


খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় সারাদেশে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে তিঁনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জুমার নামাজের পর মসজিদগুলোতে দলের পক্ষ থেকে এই দোয়ার আয়োজন করা হয়। দোয়া অনুষ্ঠানে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাসহ স্থানীয় জনসাধারণ অংশগ্রহণ করে।

একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনা করার জন্যও অনুরোধ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিএনপির পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

নয়াপল্টনের মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলের অংশ নেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সিনিয়র নেতারা। এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আগামীকাল কাতারের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স পৌঁছালে রোববার লন্ডনে নেওয়া হবে বেগম জিয়াকে। তবে তিঁনি ফ্লাই করতে পারবেন কি না সেটা চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বেগম জিয়া গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। কারাগার থেকেই তার রোগের সূচনা। চিকিৎসার অভাবে গুরুতর অসুস্থ হন তিনি।’

এ সময় তিনি বেগম জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

এদিকে কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স দেশে না পৌঁছানোয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে লন্ডন নিয়ে যাওয়ার সময় পিছিয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কারিগরি ত্রুটির কারণে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুল্যান্স শুক্রবার ঢাকায় আসছে না। সব ঠিক থাকলে সেটা শনিবার (৬ ডিসেম্বর) পৌঁছাতে পারে।

দলটি পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, খালেদা জিয়ার শরীর যদি যাত্রার উপযুক্ত থাকে এবং মেডিক্যাল বোর্ড যদি সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে রোববার (৭ ডিসেম্বর) তাকে লন্ডন নেওয়া হবে।


খালেদা জিয়া কখনো স্বৈরাচারের সঙ্গে আপস করেননি: আমিনুল হক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনো স্বৈরাচারের সঙ্গে আপস করেননি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
গতকাল বৃহস্পতিবার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে ঢাকা-১৪ আসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দলমত নির্বিশেষে দেশের মানুষের কাছে একজন অভিভাবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি দাবি করেন, শুধু ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী নয়, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রের মাতা’ হিসেবেও জাতি তাকে শ্রদ্ধা করে।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ৯০’এর গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব থেকে শুরু করে গত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের দাবিতে তিনি লড়াই করে গেছেন এবং মিথ্যা মামলায় কারাবন্দী হয়েছেন। গণতন্ত্রের জন্য তিনি কখনো স্বৈরাচারের সঙ্গে আপস করেননি।
অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, দেশের শান্তি সমৃদ্ধি, নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান। ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলির সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ড. মাহদী আমিন, যুবদল-ছাত্রদল-স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় আলেম-ওলামা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।


তফসিল ঘোষণায় আপত্তি নেই, যথাসময়ে নির্বাচন হোক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, খোদা না করুন- অনিবার্য কোনো পরিস্থিতি ছাড়া আমরা এই (নির্বাচন) প্রক্রিয়ার বাইরে যেতে চাই না। আমরা চাই যথাসময়ে নির্বাচন হোক। তফসিল ঘোষণা করার যে সময় নির্ধারণ করা আছে, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠকে বসে বিএনপির প্রতিনিধিদল এ কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন- চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাত্রার পরই আসন্ন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নেত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে এবং সম্ভবত কাল (শুক্রবার) ভোরেই তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনপ্রক্রিয়ায় থাকা এবং যথাসময়ে নির্বাচনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে দলটি।
বৈঠকে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য এবং কোনো ভোটার যেন তার অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিএনপি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে এবার সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দুটি ব্যালট থাকায় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কায় পোলিং বুথে ভোটারের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটের সময়কে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত করা যায় কিনা, তা বিবেচনা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রতি বুথে ভোটারের সংখ্যা কমানো এবং মার্কিং প্লেসের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে ভোট দেওয়ার কাজটি দ্রুত সম্পন্ন হয়। এছাড়া প্রয়োজনে ব্যালট বাক্সের সংখ্যাও বাড়ানোর কথা বলেছে দলটি।
বিএনপির উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছেন এবং আগামী রোববারের মিটিংয়ে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কমিশনও চাইছে সব ভোটার যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।
তিনি জানান, বৈঠকে ভোটার আইডি তৈরির ক্ষেত্রে ন্যাশনাল আইডি কার্ডের বিকল্প হিসেবে পাসপোর্টকে ভ্যালিড ডকুমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করার জন্য জোরালো অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যুক্তি হিসেবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অনেক নাগরিকের, বিশেষ করে বিদেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ন্যাশনাল আইডি নেই, কিন্তু তাদের সবারই পাসপোর্ট আছে। ন্যাশনাল আইডি ও পাসপোর্ট উভয়ই সরকারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ভ্যালিড ডকুমেন্ট। প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোট দিতে চাইলেও ন্যাশনাল আইডি না থাকায় পারছেন না। এ জন্য পোস্টাল ব্যালটের রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও পাসপোর্টকে বিবেচনা করার অনুরোধ করা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যালট পেপার ছাপানোর ক্ষেত্রে কোনো বেসরকারি (প্রাইভেট) প্রেস ব্যবহার না করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অতীতে সরকারি প্রিন্টিং প্রেসেই ব্যালট ছাপা হয়েছে এবং দলটির আশঙ্কা, প্রাইভেট প্রেসে ছাপানো হলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করেছে যেকোনো প্রাইভেট প্রেসে ব্যালট পেপার ছাপানো হবে না।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও দেশের বাইরে চিকিৎসার বিষয়ে দলটির অবস্থান জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, তার সুচিকিৎসার জন্য চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তারা আছেন এবং যথাসময়ে নির্বাচন হোক- এই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে, তারেক রহমান বাংলাদেশের নাগরিক এবং ভোটার তালিকায় নাম না থাকার বিষয়টি বড় কোনো সংকট নয়, কারণ কমিশন চাইলে এখনো নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ দিতে পারে বলে জানান তিনি।


বিএনপি ক্ষমতায় আসলে শিক্ষিত বেকার যুবকদের চাকরি নিশ্চিত করা হবে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে ১ কোটি শিক্ষিত যুবকের চাকরি নিশ্চিত করে বেকারত্ব দুর করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ এই সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এদেশে কোন মানুষ বিনা চিকিৎসার মৃত্যু বরণ করবেনা। সকলের জন্য চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে। দরিদ্রদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। কৃষকদের জন্য ঋণ ও নানান সুবিধা সম্বলিত কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে প্রচুর পরিমাণে লবনের উৎপাদন হলেও ন্যায্যমূল্য না থাকায় হতাশায় পড়েছে চাষীরা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পথসভায় বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, বাংলাদেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং ঐক্যের প্রতীক হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আর এই দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক হলো ধানের শীষ। তাই এই দেশ এবং গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে হবে এবং ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইতে হবে।

একই দিনে তার নির্বাচনী এলাকা ও নিজ জন্মস্থান পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া মগনামা এবং উজানটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। সকালের তিনি বিএনপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মরহুম মাহমুদুল করিম চৌধুরীর কবর জেয়ারত করেন। পরে তিনি মগনামা ইউনিয়নের ফুলতলা এলাকায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।


আসন্ন নির্বাচনে আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিএনপির

আপডেটেড ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪২
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আরও ৩৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তাদের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ডা. আব্দুস সালাম, দিনাজপুর-৫ এ কে এম কামরুজ্জামান, নওগাঁ-৫ জাহিদুল ইসলাম ধলু, নাটোর-৩ মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ-১ সেলিম রেজা, যশোর-৫ এম ইকবাল হোসেন, নড়াইল-২ মনিরুল ইসলাম, খুলনা-১ আমির এজাজ খান, পটুয়াখালী-২ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম তালুকদার, বরিশাল-৩ জয়নাল আবেদীন, ঝালকাঠি-১ রফিকুল ইসলাম জামাল, টাঙ্গাইল-৫ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ময়মনসিংহ-৪ মো. আবু ওয়াহাব আখন্দ ওয়ালিদ, কিশোরগঞ্জ-১ মোহাম্মদ মাজরুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মজিবর রহমান ইকবাল।

এ ছাড়া মানিকগঞ্জ-১ এস এ জিন্নাহ কবির, মুন্সিগঞ্জ-৩ মো. কামরুজ্জামান, ঢাকা-৭ হামিদুর রহমান, ঢাকা-৯ হাবিবুর রশিদ, ঢাকা-১০ শেখ রবিউল আলম, ঢাকা-১৮ এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, গাজীপুর-১ মো. মুজিবুর রহমান, রাজবাড়ি-২ মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, ফরিদপুর-১ খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম, মাদারীপুর-১ নাদিরা আক্তার, মাদারীপুর-২ জাহান্দার আলী খান, সুনামগঞ্জ-২ নাসির হোসেন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম।

সিলেট-৪ আরিফুর হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া, কুমিল্লা-২ মো. সেলিম ভুঁইয়া, চট্টগ্রাম-৩ মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৬ গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৯ মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১৫ নাজমুল মোস্তফা আমীন, কক্সবাজার-২ আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।


খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি, দেশে আসছেন জোবাইদা রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে তিঁনি সংকটাপন্ন অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

দলটির উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পরামর্শ ও লজিস্টিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই কাতারের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ও চিকিৎসক জোবাইদা রহমান লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি ঢাকায় পৌঁছে খালেদা জিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন এবং অবস্থা অনুকূল থাকলে তার সঙ্গেই লন্ডন যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে কাতার জানায়, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তারা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দিতে প্রস্তুত। চিকিৎসকদের সম্মতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরেই তা রওনা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকসহ ১৪ জন তাঁর সঙ্গে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তার শারীরিক অবস্থায় তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। চিকিৎসকরা অবস্থাকে ‘স্থিতিশীল’ বলছেন। তার চিকিৎসায় যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ রিচার্ড বিলসহ দেশি–বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড কাজ করছে।

বুধবার (৩ আগস্ট) যুক্তরাজ্য এবং চীন থেকে বিশেষজ্ঞের নতুন দুটি দল এই বোর্ডে যুক্ত হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে কিডনি জটিলতা, হৃদরোগ ও নিউমোনিয়ায় তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। ১ ডিসেম্বর তাকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হয় বলে দলীয় সূত্র জানায়।

এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) ঘোষণার পর হাসপাতাল এলাকাজুড়ে নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে এসএসএফ ও পিজিআর সদস্যদের।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানিয়েছে, এয়ার ট্রান্সপোর্ট প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে হাসপাতালের নিকটস্থ উন্মুক্ত মাঠে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারের পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড্ডয়ন পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ করেছে কার্যালয়।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরেই আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি ও ফুসফুসজনিত জটিলতাসহ নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর মুক্তি পেয়ে তিনি চলতি বছরের জানুয়ারিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং ১১৭ দিন অবস্থান শেষে মে মাসে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্যও তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।


banner close