সোমবার, ৯ নভেম্বর ২০২৬
২৪ কার্তিক ১৪৩৩

জাতির ক্রান্তিকালে জিয়ার নেতৃত্ব ছিল অবিস্মরণীয়: ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
আপডেটেড
২৯ মে, ২০২৩ ১৬:৫০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২৩ ১৬:১৩

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘জাতির ক্রান্তিকালে জিয়াউর রহমানের সাহসী নেতৃত্ব ছিল অবিস্মরণীয়।’

৩০ মে জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার এক বাণীতে ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জিয়াউর রহমান জাতীয় সব সংকটে দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান নেন। মহান স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা, স্বাধীনতাযুদ্ধের ময়দানে বীরোচিত ভূমিকা এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণে তার অনবদ্য অবদানের কথা আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।’

ফখরুল বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী নেতার জনপ্রিয়তা দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা কখনো মেনে নিতে পারেনি। এই চক্রান্তকারীরা ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশবাসী একজন মহান দেশপ্রেমিককে হারায়। তবে চক্রান্তকারীরা যতই চেষ্টা করুক, কোনো ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ককে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিলেই তিনি বিস্মৃত হন না, বরং নিজ দেশের জনগণের হৃদয়ে চিরজাগরুক হয়ে অবস্থান করেন।’

বর্তমান সরকার দেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে অভিযোগ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, “কর্তৃত্ববাদী শাসনের নির্মমতা চারদিকে বিদ্যমান। বিরোধী দলের অধিকার, চিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সবচেয়ে বড় শত্রু মনে করে বর্তমান সরকার। সে জন্য ‘গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী’ খালেদা জিয়াকে ‘মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা’ দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তার ‘মিথ্যা মামলা ও সাজা’ প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।”


নির্বাচিত

রাজনীতি যখন জনকল্যাণের, অপরাজনীতি তখন কোণঠাসা : নূরুল ইসলাম মনি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি একধরনের সংকীর্ণ বৃত্তে আবর্তিত হয়ে আসছে। ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করা, ব্যক্তিস্বার্থ উদ্ধার এবং পেশিশক্তির ব্যবহারই যেন রাজনীতির মূল চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছিল। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে রাজনীতি মানেই ছিল এক ভীতি ও অনাস্থার জায়গা। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বড় পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর রাজনৈতিক কৌশল ও কার্যক্রম গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি রাজনীতিকে জটিল করছেন না; বরং একে সহজ করে তুলে অপরাজনীতির পথকে রুদ্ধ করে দিচ্ছেন।
​রাজনীতি মূলত হওয়ার কথা জনকল্যাণমুখী, নীতিভিত্তিক এবং স্বচ্ছ। ঐতিহাসিক ও তাত্ত্বিকভাবে এটাই রাজনীতির মূল চরিত্র। কিন্তু আমাদের দেশের একশ্রেণির রাজনীতিবিদ এই সুন্দর চরিত্রটিকে ধারণ না করে একে অপব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিলেন। ক্ষমতার অপব্যবহার, দমন-পীড়ন এবং লুটপাটকে তারা রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ বানিয়ে ফেলেছিলেন। তারেক রহমান ঠিক এই সংস্কৃতিকেই কঠিন করে তুলছেন। তিনি এমন এক রাজনৈতিক ধারা প্রবর্তন করতে চাইছেন, যেখানে জবাবদিহিতা, জনমত এবং নীতিই হবে মূল ভিত্তি।
​তাঁর এই সুদূরপ্রসারী ও ইতিবাচক রাজনীতির ধারা যদি আগামী চার বছর একইভাবে বেগবান থাকে, তবে তা অপরাজনীতিবিদদের জন্য এক বিশাল রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এলে একসময় একটি সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হতে বাধ্য। এমনকি একসময় অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকেও, বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদের চর্চা করেছে, তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে এবং সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরতে পরিবারের বলয় ও একনায়কতন্ত্র ঝেড়ে ফেলতে বাধ্য হতে হবে।
​বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুশাসন ও জবাবদিহিতার যে দীর্ঘদিনের আক্ষেপ, তা দূর করার মোক্ষম সময় এখনই। আগামী দিনে যদি এই ধারার রাজনীতি অবিরাম গতিতে চলতে থাকে, তবে অপরাজনীতিবিদদের কপালে নেমে আসবে শনির দশা। আর এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের রাজনীতি ও অর্থনীতির আকাশে উদিত হবে নতুন সম্ভাবনার এক আলোকচ্ছটা। পরিবর্তনের এই অগ্রযাত্রায় তারেক রহমান হয়ে উঠুন গণমানুষের আস্থার প্রতীক—এটাই আজ সময় ও জনগণের প্রত্যাশা।


নির্বাচিত

তারেক রহমানের সাথে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের সাক্ষাৎ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং সদস্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন।

​রবিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
​সাক্ষাৎকালে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবগঠিত কমিটির নেতাদের অভিনন্দন জানান এবং সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সুসংগঠিত করার তাগিদ দেন। একই সাথে তিনি দলের আদর্শ ও কর্মসূচি ছড়িয়ে দিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সঠিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য নবগঠিত আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
​শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নবগঠিত কমিটির নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং অর্পিত দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নতুন আহ্বায়ক আবদুস সালাম, সদস্যসচিব রবিন

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৪২
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংগঠনিক শক্তি জোরদার করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। পুনর্গঠিত এই কমিটিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামকে আহ্বায়ক এবং তানভীর আহমেদ রবিনকে সদস্যসচিব পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রবিবার দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

ঘোষিত এই কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আ ন ম সাইফুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে আরও গতিশীলতা সঞ্চার এবং আন্দোলন-সংগ্রামে নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রাখার উদ্দেশ্যেই নতুন করে এই আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

ক্ষমতার লোভে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য নষ্ট করেছে জামায়াত: মুফতি রেজাউল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার সম্ভাবনা জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতার লোভের কারণেই নষ্ট হয়ে গেছে বলে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘সীরাত গবেষক সংবর্ধনা ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ইসলামের নীতি ও আদর্শ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ইসলামী দলগুলোকে, বিশেষ করে কওমি ঘরানার দলগুলোকে এক মঞ্চে আনার আন্তরিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ উদ্যোগে জামায়াতে ইসলামীসহ আরো কয়েকটি দলও যুক্ত ছিল।

জামায়াতের অবস্থানের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে এমনটি বুঝতে পেরেই জামায়াত দেশের স্বার্থ, জনগণের স্বার্থ এবং ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে ইসলামি দলগুলোর মধ্যকার সেই ঐক্যের সুন্দর পরিবেশ নষ্ট করে দিয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ইসলামের নীতি ও আদর্শ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা গেলেই কেবল দেশে প্রকৃত শান্তি, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব। অথচ গত ৫৫ বছর ধরে যে নীতি ও আদর্শের মাধ্যমে দেশ পরিচালিত হতে দেখা গেছে, সেই একই পুরোনো নীতি ও আদর্শের মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার আশা করা সম্পূর্ণ অমূলক ও অযৌক্তিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুধীজন ও সাংবাদিকদের উদ্দেশে পীর সাহেব চরমোনাই পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দেশের মানুষকে সত্যিকারের মুক্তি ও শান্তি দিতে হলে ইসলামের সুমহান নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নের আর কোনো বিকল্প নেই।


নির্বাচিত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের চাঁদপুর জেলা সভাপতিসহ গ্রেপ্তার ৬২

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদসহ ৬২ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ ছাড়া মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ নভেম্বর) জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিরা নূর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর শহরের মুক্তিযোদ্ধা সড়কে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসংলগ্ন ৩৬ জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভের বেদিতে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়। এ ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়। পরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যায় পুরানবাজারের দক্ষিণ শ্রীরামদী এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নাদিরা নূর বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ৬১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে চাঁদপুর সদর মডেল থানা থেকে ৩১ জন, ফরিদগঞ্জ থানা থেকে ৬ জন, শাহরাস্তি থানা থেকে ৬ জন, হাজীগঞ্জ থানা থেকে ৭ জন এবং মতলব উত্তর থানা থেকে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গাঁজা ও ১৬৬টি ইয়াবাসহ ১২ চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ডিসেম্বরেই ‘আপা’দেশে আসার সুযোগ নেই, এলেও ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত: নাহিদ ইসলাম

নোয়াখালীতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম এমপি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘কোনও ডিসেম্বরেই “আপা” দেশে আসার সুযোগ নেই। এলেও তার জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে।’

শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে জাতীয় ছাত্রশক্তি আয়োজিত নবীনবরণ ও ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভাবনা’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা এখনও ঘুমিয়ে পড়েনি, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও ঘুমিয়ে পড়েনি। আপনাদের সেটার প্রমাণ দিতে হবে। আপনারা শুধু নোয়াখালী বিভাগ চাই বলে আন্দোলন করবেন না। আপনারা পুরো দেশ নিয়ে ভাববেন, পুরো বিশ্ব নিয়ে ভাববেন- এর নামই বিশ্ববিদ্যালয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে কোথায় কী চিন্তা হচ্ছে, কী ঘটছে- একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে সেসব বিষয়ে জানতে হবে। গ্লোবাল মার্কেটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। চাকরির বাজার শুধু দেশে নয়, পুরো বিশ্বে নিজেকে কোথায় প্রতিষ্ঠিত করা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।’

৭ নভেম্বর প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘৭ নভেম্বরকে আমরা ধারণ করি। ৭ নভেম্বর বিপ্লব, কিন্তু জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কি বিপ্লব নয়? বর্তমান সরকার যা তাদের পক্ষে যায়, সেটাকে বিপ্লব বলে, আর যা তাদের পক্ষে যায় না কিংবা যেখানে তাদের নেতৃত্ব ছিল না, সেটাকে বিপ্লব না বলে কেবল আন্দোলন বা গণ-অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যা দেয়।’

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আমরা ৭ নভেম্বরকেও বিপ্লব মনে করি, আবার জুলাই বিপ্লবকেও বিপ্লব মনে করি, ঠিক কি না বলেন?’

আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে কারও ফিরে আসার প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বর মাসে নাকি কেউ দেশে আসতে চাচ্ছেন, আপনারা কি জানেন? আমরা কি প্রস্তুত আছি? জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যেভাবে প্রস্তুত ছিলাম, এবার কি আছি? এবার প্রতিরোধ আগের চেয়ে বেশি হবে, না কম হবে?’

বিচার না পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আগেরবার আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি, আমরা ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। আমরা ওসমান হাদির ভাষায় বলেছিলাম- শত্রুর প্রতিও আমরা ইনসাফ করবো, ন্যায়বিচার করবো। কিন্তু গত দুই বছরে আমরা কোনও বিচার পাইনি। ওসমান হাদি হত্যার বিচার পাইনি, জুলাইয়ের শহীদ ভাইবোনদের হত্যার বিচার পাইনি। জনগণ যখন ন্যায়বিচার পায় না, তখন তারা নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শুরু করে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি আবু বাকের মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।


নির্বাচিত

গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান এনসিপির

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে এক বিবৃতিতে দলটি এই আহ্বান জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান। এই ঐতিহাসিক দিনে আমরা স্মরণ করছি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। তার স্মৃতির প্রতি এনসিপি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছে।

স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বতন্ত্র রাজনৈতিক বিকাশ ও এ দেশের জনগণের আত্মত্যাগকে বারবার আঞ্চলিক পরাশক্তি আত্মসাৎ করতে চেয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের অকুতোভয় জনগণ কখনো সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান, কখনো জুলাই বিপ্লবের মতো ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়ে আধিপত্য ও দাসত্বের জিঞ্জির নস্যাৎ করে দিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সামরিক শাসকদের মধ্যে বিরলতম ব্যক্তিত্ব জিয়াউর রহমান যিনি সামরিক পটভূমি থেকে উঠে এসে একদলীয় বাকশালী রাজনীতি বাতিল করে দেশে বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃস্থাপন করেছেন।

এনসিপি জানান, জিয়াউর রহমান বাকশালি কাঠামোর মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী করে গণতন্ত্র প্রবর্তন করতে চেয়েছিলেন। এই গণবিরোধী ফ্যাসিস্ট কাঠামো সুযোগ পাওয়া মাত্রই সেই পঞ্চম সংশোধনীকে আদালতের মাধ্যমে বাতিল করে দিয়েছিল। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি ইতিহাসে থেকে কোনো ঐতিহাসিক, রাষ্ট্রনৈতিক কিংবা সাংবিধানিক শিক্ষা নেয়নি। তারা জুলাই সনদের মতো সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনকে আবারও অষ্টাদশ সংশোধনীর মধ্যে সংকুচিত করতে চাচ্ছে যা ভবিষ্যতে যেকোনো সময় আদালত বা পরবর্তী সংসদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

বিএনপির কাছে আহ্বান, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সংবিধানের মৌলিক কাঠামোগত সংস্কারকে সংবিধান সংশোধনের ক্ষুদ্র খোপে আঁটানোর অপচেষ্টা থেকে সরে আসুন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জনগণের গণভোটের গণরায়কে সম্মান করে অবিলম্বে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিন। গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করুন। জুলাই বিপ্লবের বদৌলতে প্রাপ্ত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে গণরায় অস্বীকার করলে ইতিহাসের কাঠগড়ায় একদিন দাঁড়াতে হবে।


নির্বাচিত

জামায়াতের হাতে নারীরা নিরাপদ নয়, নেতারা জড়াচ্ছেন  কেলেঙ্কারিতে: রাশেদ খাঁন

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি  

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘জামায়াতের নেতারা একের পর এক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ছেন। সাতক্ষীরার গাজী নজরুলের ঘটনা এখনো আলোচিত। এরই মধ্যে কুষ্টিয়ার এমপি জামায়াত নেতা মুফতি আমির হামজার অডিও রেকর্ড আমার কাছে এসেছে। আমি সেটির ফ্যাক্ট চেক করে সত্যতাও পেয়েছি।’ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই মোড়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশলবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের হাতে দেশের নারীরা নিরাপদ নয়। এসব ঘটনা বারবার সামনে এলেও জামায়াত তাদের এসব এমপিদের ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এভাবে আদর্শের বাইরে গিয়ে চলতে থাকলে জামায়াত ধ্বংস হয়ে যাবে।

জামায়াত ও এনসিপির আদর্শ তেল ও জলের মতো উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এটা কখনো একটার সঙ্গে আরেকটা মিশে না। তারা একসঙ্গে রাজনীতিও করতে পারে না। এটা তাদের রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে মেলে না।’

এনসিপি ও জামায়াতের সম্পর্ক টিকবে না দাবি করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এনসিপি নতুন দল হিসেবে সংসদীয় রাজনীতি করার জন্য জামায়াতের সঙ্গে জোটে গিয়েছিল। সেই সময় ডা. তাসনিম জারার মতো তরুণ নেতৃত্বরা এনসিপি থেকে বের হয়ে যান। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট তরুণ নেতৃত্বরা মেনে নিতে পারেনি। এখন আবার সামান্তা শারমিন এনসিপি থেকে বের হয়ে গেলেন। এনসিপি যদি জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে না আসে, তাহলে সামান্তা শারমিনদের মতো যারা গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব আছেন, তারা এভাবেই এনসিপি থেকে দিনে দিনে বের হয়ে আসবে। নাহিদ ইসলামকে বলব, জামায়াত থেকে বের হয়ে রাজনীতি করুন।’

এর আগে ঢাকা থেকে সকালে ঝিনাইদহে এসে পৌঁছান রাশেদ খাঁন। পরে শহরের পাগলাকানাই মোড়ে সায়াদাতিয়া জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে স্থানীয় বাসিন্দা ও মুসল্লিদের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন তিনি।

এ সময় জেলা বিএনপির সহসভাপতি কে এম ওয়াজেদ, সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি জাহিদ জোয়ার্দ্দার, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

জামায়াতকে দমন করতে না পারলে দেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে: নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভায় দলটির সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি করে জামায়াত ইসলামী নতুন ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায় উল্লেখ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, তাদের দমন করতে না পারলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর বিজয়নগরে গণঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন।

নুর অভিযোগ করেন জামায়াতে ইসলামী তরুণদের ওপর ভর করে বিজেপির মতো পদ্ধতিতে দেশকে উগ্রবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়।

তিনি জামায়াতের কোল থেকে নেমে প্রগতিশীল রাজনীতি করতে এনসিপিকে পরামর্শ দেন। জুলাই-পরবর্তী সময়ে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে সরকারকে আন্তরিক হতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, সরকারে থাকলেও শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে পিছপা হবেন না। তিনি আরও জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ এককভাবে অংশ নেবে।

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।


নির্বাচিত

আন্দোলনে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ চেষ্টা করে লাভ হবে না: রিজভী

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শ্রমিক আন্দোলনে উসকানি দিয়ে উত্তেজনা তৈরি করে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ চেষ্টা করলে কেউই লাভবান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘একটি কৃত্রিম সংকট তৈরির জন্যই এসব করা হচ্ছে। পলাতক শক্তিও আত্মগোপনে থেকে নানা কাজ করছে।’ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শ্রমিক আন্দোলনের প্রতি বিরোধী দলের সংহতি প্রকাশের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের সঙ্গে তাদের গোপন সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায় বলেও দাবি করেন রিজভী। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে দলীয় কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানান, শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীসহ সারা দেশের অধিকাংশ জেলা ও মহানগরে শোভাযাত্রা (র‌্যালি) হবে। সকাল সাড়ে ৮টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এরপর তিনি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করবেন। পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের আড়ালে সহিংসতা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন রিজভী। তার দাবি, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ এসব ঘটনায় উসকানি দিয়ে ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থানের চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগসংশ্লিষ্ট কারখানার মালিকরাও এই অরাজকতার সঙ্গে জড়িত।’ প্রতিবেশী দেশ থেকেও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।


নির্বাচিত

আওয়ামী লীগ মাটির নিচে চলে গেছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সংক্ষিপ্ত সফরে উপজেলা কেন্দ্রীয়া জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায়কালে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়াামী লীগ মাটির নিচে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে সংক্ষিপ্ত সফরে উপজেলা কেন্দ্রীয়া জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায়া শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শেখ হাসিনা দেশের কোনো কাজই করে নাই। শুধু ব্রিজ আর ফ্লাইওভার করেছে। বাংলাদেশের ব্যাংকের টাকা খালি করে দিয়েছে । বলছে নিজস্ব টাকা দিয়ে করছে। ঢাকা থেকে ময়ামনসিংহ বিদ্যুৎ লাইন এটাও করে নাই। আমরা এসে ১০ মাসে করলাম এখন ময়ামনসিংহে লোডশেডিং কমে গেছে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আপনাদের ভোটেইতো আমরা নির্বাচিত হয়েছি, মন্ত্রী হয়েছি। এখন এই যে সরকার আপনারা বসাইছেন, এ সরকার তো আপনাদের সরকার। কড্ডা থেকে জামতৈল পর্যন্ত রাস্তাটি প্রশস্ত করা হবে এটা টেন্ডার হয়ে গেছে টেন্ডার ড্রপ হলেই দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যাবে।

জ্বালানি তেলের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আপনাদেরকে বুঝতে হবে আজকে দেশের কি পরিস্থিতি। যে জায়াগা থেকে জ্বালানি নিয়ে আসে তেল-গ্যাস পেট্রোল যেখান থেকে আসে সেখানে যুদ্ধ লিপ্ত হয়েছে। ফলে সারা বিশ্বে আজকে জ্বালানির সংকট শুরু হয়েছে এই জ্বালানি ক্রাইসিস এর মধ্যেও আমরা দেশের যাতে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ ঠিক থাকে আমরা বিদেশ থেকে বেশি দাম দিয়ে গ্যাস কিনছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা এভাবে যদি দিতে থাকি তাহলে যে সামাজিক প্রকল্পগুলো আছে যেমন রাস্তাঘাট করা, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়াা স্কুল উন্নত করা, টাকা যদি আমরা সব এখানে খরচ করি তাহলে এই যে কাজগুলো কিভাবে হবে, আপনার যদি সহযোগিতা না করেন তাহলে আমরা এই কঠিন পরিস্থিতি কিভাবে পার করব।

বিদ্যুতের বিষয়ে টুকু আরো বলেন, আমরা একটা সহজ পদ্ধতি পেয়েছি আল্লাহর দেওয়া সূর্য। সে সূর্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করব। আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই ঘরে ঘরে বিদ্যুতের সোলার বসান। বিদ্যুতের বিলও কম থাকবে প্রিপেইড মিটার নিয়ে জ্ঞান জ্ঞান করা লাগবে না। কিছুই করা লাগবেনা। আপনার বিদ্যুৎ আপনি উৎপাদন করবেন আপনি ব্যবহার করবেন তার জন্য আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব।


নির্বাচিত

সামান্তার পদত্যাগে এনসিপি বেকায়দায় পড়বে না: সারোয়ার তুষার

ছবি: সারোয়ার তুষার ও সামান্তা শারমিন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নারী অধিকার ও দলীয় গণতন্ত্র, জামায়াতের সঙ্গে জোটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মতপার্থক্যের জেরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন পদত্যাগ করেছেন তবে এটি দলকে খুব বেশি বেকায়দায় ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলের আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। তিনি বলেছেন, পদত্যাগের আগে দীর্ঘ সময় ধরে সামান্তা দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। তার পদত্যাগ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন সামান্তা শারমিন। পদত্যাগের পেছনে প্রধান চারটি কারণ তুলে ধরে তিনি জানান, গত ১১ মাস ধরে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ, প্রস্তাব ও আলোচনার মাধ্যমে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি।

সামান্তা বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে এনসিপি গঠিত হয়েছিল। শাসক পরিবর্তনের বদলে শাসনকাঠামোর পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুরোনো রাজনৈতিক পক্ষগুলো এক হয়ে নির্বাচনকে আবারও ক্ষমতা বদলের নির্বাচনে পরিণত করার চেষ্টা করেছে।’

তার মতে, এনসিপি জোট গঠনের মধ্যদিয়ে সেই প্রচেষ্টার অংশ হয়েছে। পদত্যাগের বিষয়ে সারোয়ার তুষার বলেন, ‘নির্বাচনের সময় জোট গঠনের সিদ্ধান্তে সামান্তার দ্বিমত ছিল। তবে দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও তিনি দলে ছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় দেখা গেছে।’ সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতেই দলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তুষার আরও বলেন, ‘সামান্তা ও রাজনৈতিক পরিষদের কয়েকজন সদস্য দল পুনর্গঠনের সময় পরিষদে থাকতে চাননি।’ পুনর্গঠনের পর তিনি দলীয় সভায় অংশ নেননি বা বক্তব্য দেননি বলেও দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, সামান্তা ব্যক্তিগতভাবে দলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন, তবে তাতে সমর্থন পাননি।

তুষার আরও বলেন, ‘নতুন পুনর্গঠন কমিটি গঠনের সময় সামান্তাকে আবারও দলে থাকতে চান কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তখন তিনি আপত্তি জানাননি। এখন পদত্যাগ করেছেন, যা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এ সিদ্ধান্ত ঠেকানোর কিছু নেই।’

উল্লেখ্য, এনসিপির প্রথম কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন সামান্তা শারমিন। গত ২৩ অক্টোবর কমিটি পুনর্গঠনের পর তাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়।


নির্বাচিত

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের বিক্ষোভ

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর। দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে মানুষের আয় সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ বাড়ছে উল্লেখ করে অবিলম্বে বাজারে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার দাবি জানিয়েছে দলটি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মিছিলে শত শত নারী হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে তারা রাজপথে নেমেছেন। মানুষের আয় ও দ্রব্যমূল্যের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে মানুষের আয় বাড়ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, অবিলম্বে বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ন্যায্যমূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। বাজার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

শ্রমিকদের অধিকার প্রসঙ্গে সেলিম উদ্দিন বলেন, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ন্যায্য। তাদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও চাকরিচ্যুতি বন্ধ করতে হবে। যথাসময়ে বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ন্যায্য আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাঙচুর কিংবা কারখানায় অগ্নিসংযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রমিকদের আন্দোলনে কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন স্বার্থ হাসিলের সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং শিল্পাঞ্চলে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত ও আতাউর রহমান সরকার। এ সময় জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তারা।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি বাড্ডার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন হাতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে মিছিলটি বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়।


নির্বাচিত

banner close