মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
৭ মাঘ ১৪৩২

বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র নিয়ে এগুচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
১৮ জুন, ২০২৩ ২০:৫১
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৩ ২০:৪৯

দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি দুটি ষড়যন্ত্র নিয়ে এগুচ্ছে। একটি হচ্ছে শেখ হাসিনাকে ‘এলিমিনেট’ করা, আরেকটি হচ্ছে দেশে একটি অস্বাভাবিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে দেশটাকে অপশক্তির হাতে তুলে দেয়া। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ সেটি হতে দেবে না। সিরাজগঞ্জে শেখ হাসিনাকে হুমকি দেয়ায় তীব্র নিন্দা জানাই। বিএনপিরই উচিত ছিল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। সেটি না করে বরং তার পক্ষ অবলম্বন করে বিএনপি স্বীকার করে নিয়েছে এটি তাদেরই বক্তব্য।’

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এর আগে রাজশাহী বিএনপির আহ্বায়ক শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল হাসান রঞ্জন প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। আসলে বিএনপি ভেতরে ভেতরে যে ষড়যন্ত্রটা করছে, সেটিরই বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে তাদের বিভিন্ন নেতার এই সমস্ত বক্তব্য।’

বিএনপির উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর স্বাধীনতাবিরোধী দেশি ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি মিলে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে হত্যার পথ বেছে নিয়েছিল। আজকেও বিএনপিসহ যে রাজনৈতিক অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারা শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছে। পরপর তিনবার জনগণের রায় নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিলো আজকে বিএনপি সেই একই পথে হাঁটছে, একই পরিকল্পনা করছে, বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতাদের এ সমস্ত বক্তব্য তারই বহিঃপ্রকাশ।’

বিএনপি মহাসচিবের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেবকে ‘তত্ত্বাবধায়ক রোগে’ পেয়ে বসেছে। এটি মির্জা ফখরুল সাহেবের গতানুগতিক প্রতিদিনের বক্তব্য। সংবিধান অনুযায়ী চলতি সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশ যেমন ভারত, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড এবং কন্টিনেন্টাল ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেভাবে চলতি সরকার নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করে, আমাদের দেশেও তাই হবে। সংবিধানের কোনো ব্যত্যয় হবে না।’

বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এই দাবিটা আন্তর্জাতিকভাবে কারো সমর্থন পায়নি। এমন কি যুক্তরাষ্ট্রও তাদের এই দাবিকে সমর্থন করেনি। এটা শুধু মির্জা ফখরুল সাহেবের মুখের মধ্যেই আছে। আশা করি তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার রোগ থেকে মুক্তি লাভ করবেন।’

মার্কিন ভিসা নীতি নিয়ে চীনের মন্তব্য বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র নীতি হচ্ছে সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের দ্বিমুখী অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে আমরা বিভিন্ন সময় দেখি। এই ক্ষেত্রেও চীন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি নিয়ে মন্তব্য করেছে, আমরা সেটা পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের সঙ্গে দু’দেশেরই অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, গত ৫১ বছরে আমাদের পথচলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। একইসঙ্গে চীনও আমাদের উন্নয়ন সহযোগী এবং এ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সুতরাং সব দেশের সঙ্গেই আমাদের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক।’

‘যাদের হাতে ইতিহাস-ঐতিহ্য নিরাপদ নয়, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ হতে পারে না’

এর আগে সকালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জামালখান মোড়ে বিএনপির তারুণ্যের সমাবেশের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রামের বীরদের প্রতিকৃতি ও ইতিহাস-ঐতিহ্যের ছবি ভাঙচুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যাদের হাতে বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য নিরাপদ নয়, তাদের হাতে কখনো দেশ নিরাপদ হতে পারে না। সেই বিএনপি না কি আবার দেশ পরিচালনা করার কথা স্বপ্ন দেখে!’

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি তারুণ্যের সমাবেশের কথা বলে এদিক দিয়ে যাবার সময় বঙ্গবন্ধুর সমস্ত ছবি এবং বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালসহ মুক্তি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া অন্যান্যদের ছবিও ভাঙচুর করেছে। এই দায় দলটির নেতারা কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। এ ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ইতিমধ্যে মামলা হয়েছে। জড়িতদের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে যারা তাদের নেতা, যারা তরুণদের এ ধরনের নৈরাজ্য শিক্ষা দিচ্ছে এবং এগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা দায় এড়াতে পারে না। তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।’


বাংলাদেশকে যারা অতীতে স্বীকার করে নাই, তারাই বেশি দুষ্টামি করছে: মির্জা ফখরুল

আপডেটেড ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫২
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, অতীতে যারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব স্বীকার করেনি, তারাই বর্তমান সময়ে দেশের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ষড়যন্ত্র বা দুষ্টামি করছে। মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে, একটি বিশেষ মহল পরিকল্পিতভাবে বিএনপির বিরুদ্ধে নানামুখী অপপ্রচার ও কুৎসা রটাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিই এখন ওই সব অপশক্তির সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি বা যারা একসময় বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি, তারাই এখন নানামুখী চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে এবং তারাই বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই নির্বাচনই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করে দেবে। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমেই চূড়ান্ত ফয়সালা হবে যে বাংলাদেশ কি একটি উদার গণতান্ত্রিক বা লিবারেল ডেমোক্রেসির ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হবে, নাকি উগ্রবাদী ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাতে চলে যাবে। দেশের সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে এই নির্বাচনকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা 'টার্নিং পয়েন্ট' হিসেবে অভিহিত করেন। আলোচনা সভায় দলের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দর্শনের ওপর আলোকপাত করেন।


জামায়াত নেতা ডা. খালিদুজ্জামানকে বিএমডিসির শোকজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চিকিৎসকদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) অনুমোদনহীন ডিগ্রি ব্যবহারের অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করেছে। ডা. খালিদুজ্জামান বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হাসপাতালের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সোমবার সংস্থাটির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এই ব্যাখ্যা তলব করা হয়।

বিএমডিসির নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ডা. খালিদুজ্জামান তার প্রচারপত্রে নিজের নামের পাশে ভারত থেকে অর্জিত এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি অ্যান্ড প্রি-ইমপ্লান্টেশন জেনেটিক্স ডিগ্রি উল্লেখ করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আবদুল কাদের নামের এক ব্যক্তি ডা. খালিদুজ্জামানের প্রচারপত্রের কপিসহ বিষয়টি কাউন্সিলকে অবহিত করেন। বিএমডিসি স্পষ্ট জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন কোনো ডিগ্রি ব্যবহার করা রোগীর সঙ্গে চিকিৎসকের প্রতারণার শামিল এবং এটি বিএমডিসি আইনের পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আইনগত ভিত্তি তুলে ধরে নোটিশে বিএমডিসি আইন, ২০১০-এর ১৩ ও ২৯ নম্বর ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। ১৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, দেশ বা বিদেশের যেকোনো মেডিকেল প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত ডিগ্রি বাংলাদেশে ব্যবহার করতে হলে তা অবশ্যই কাউন্সিলের স্বীকৃত হতে হবে। অন্যদিকে, ২৯ নম্বর ধারায় জাল পদবি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক এমন কোনো পদবি বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না, যা তার অতিরিক্ত পেশাগত যোগ্যতা নির্দেশ করে, যদি না তা স্বীকৃত হয়। এই আইন লঙ্ঘনে তিন বছরের কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

নোটিশে ডা. খালিদুজ্জামানকে পত্র প্রাপ্তির ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে বিএমডিসি কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন ডিগ্রি ব্যবহারের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করে জবাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে জানিয়েছে যে, রোগীদের বিভ্রান্ত করা এবং আইনের লঙ্ঘন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ডা. এসএম খালিদুজ্জামান জানান, তিনি এখনো নোটিশটি হাতে পাননি। তিনি দাবি করেন, এই অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্তা করার উদ্দেশ্যেই এমন অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি নিজের পেশাগত দক্ষতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের সেবায় সফলতার হার সর্বোচ্চ এবং তারা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।


দ্বন্দ্বের জেরে এনসিপির রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটি স্থগিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী ব্যুরো 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে রাজশাহী জেলা ও মহানগরের আহ্বায়ক কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হলো। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রমে জড়িত থাকায় দুই কমিটির ব্যাপারে এ সিদ্ধান্ত। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

এর আগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর এনসিপির রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক কমিটি এবং একই বছরের ২৯ নভেম্বর রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। মহানগরের আহ্বায়ক করা হয়েছিল মোবাশ্বের আলীকে আর জেলার আহ্বায়ক করা হয় সাইফুল ইসলামকে।

মহানগরের নেতা মোবাশ্বের আলী ও তার অনুসারীরা অভিযোগ করেছিলেন, জেলার নেতা সাইফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দোসর। এ নিয়ে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছিল। আর সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেছিলেন, মোবাশ্বের আলী মহানগরের নেতা হলেও তিনি জেলাও নিয়ন্ত্রণ করতে চান। দুপক্ষের এ দ্বন্দ্বের জেরে শেষ পর্যন্ত দুই কমিটির কার্যক্রমই স্থগিত করা হলো।


তারেক রহমান আন্তর্জাতিক মহলের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ নেতা: হুমায়ূন কবির

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১১ জন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, "২৫ ডিসেম্বরের ঐতিহাসিক রিটার্নের পরে বিএনপির চেয়ারম্যানকে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা মনে করছেন আন্তর্জাতিক মহলের সদস্যরা।"

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বিএনপির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "আজকের সূচিতে ১১ জন রাষ্ট্রদূত উনার (তারেক রহমান) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আগামীতে সরকার গঠন করলে বিএনপি কী ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনা উনি নিচ্ছেন। উন্নয়ন ভাবনা, আমাদের ৩১ দফার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। উনার (তারেক রহমান) ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানে, উন্নয়ন প্ল্যানে, কী কী থাকছে এই বিষয় নিয়ে আলাপ হয়েছে।" হুমায়ুন কবিরের মতে, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি বিশেষ আস্থা ও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া ইতিবাচক পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়ে আলোকপাত করে তিনি জানান যে, "অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরও কিছু প্রোগ্রেস আছে। এখানে আমাদের একটা কন্টিনিউটি থাকবে এবং বিভিন্ন পজিটিভ এক্সচেঞ্জেস তারেক রহমানের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতদের অত্যন্ত ফলপ্রস আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেছে, কীভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন করা যায়।" আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিদেশি কূটনীতিকদের সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, "সামনে ১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন। আসলে নির্বাচন আমরা খুবই এক্সাইটেড। এটা ডেমোক্রেটিক ট্রানজিশন এখন হচ্ছে এবং হতে যাচ্ছে। তারাই এনভায়রনমেন্ট নিয়ে সন্তুষ্ট এবং ভালো একটা প্রসেসের দিকে বাংলাদেশ যাচ্ছে। তাই যেভাবে বাংলাদেশের মানুষ এখন নির্বাচন নিয়ে এক্সাইটেড।" এই মতবিনিময় সভায় বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় রাজনীতি: তারেক রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক 

দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না। মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ানো সবচেয়ে বড় রাজনীতি। রাজনীতি হওয়া উচিত দেশের মানুষের জন্য। আমরা অতীতে দেখেছি মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক রাজনৈতিক দল অন্য দলের বিভিন্ন কাজের সমালোচনা করছে, দোষারোপ করছে। বহু বছর ধরে রাজনীতির এই ধারাবাহিকতা চলে আসছে। তবে, একটি পরিবর্তন প্রয়োজন। বিএনপি সেই পরিবর্তনের শুরুটা করেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে যশোরের আলোচিত শিশু আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। যশোর সদর উপজেলার বাজুয়াডাঙ্গা গ্রামে এই আয়োজন করে যশোর জেলা বিএনপি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আফিয়ার মতো দেশে এমন অসংখ্য অসহায় পরিবার আছে। বিএনপি প্রচলিত রাজনীতির বাইরে এমন আফিয়াদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা সব সময় করে আসছে। তবে, শুধু একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে এই বিশাল দায়িত্ব বহন করা বিএনপির জন্য অত্যন্ত কঠিন। সেজন্য আমরা বলেছি, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন পেলে আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এই সেবাগুলো নিশ্চিত করব।’

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘কৃষকদের জন্য আমরা কৃষিকার্ডের কথা বলেছি। শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামের প্রত্যন্ত মানুষের সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কথা বলেছি।’

ভারি বর্ষণ কিংবা সীমান্তের ওপার থেকে পানি ছেড়ে দিলে বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়। এজন্য শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন প্রকল্প ফের চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কিংবা প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়া সব সময়ই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে কাজ করেছেন। আমিও সেই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। এজন্য বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন প্রকল্প শুরু করা হবে। বেগম জিয়া নারীদের শিক্ষার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার সুফল এরই মধ্যে বাংলাদেশের নারী সমাজ পেয়েছে। সেই শিক্ষিত নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য আমাদের বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে।’

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা পর্ব শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আফিয়ার পরিবারের কাছে ঘর হস্তান্তর করেন বিএনপি নেতারা।


৯০তম জন্মবার্ষিকী: শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা

আপডেটেড ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:০২
নিজস্ব প্রতিবেদক

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলসহ (বিএনপি) সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম।

সকাল থেকেই রাজধানী বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির মহানগর থানা ওয়ার্ডের শতশত নেতাকর্মীরা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে এসে জড়ো হন।

বেলা ১১টায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো পর সংগঠনগুলো একে একে শ্রদ্ধা জানায়।


গণভোটের প্রচারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইসি: নাহিদ ইসলাম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারের সিদ্ধান্ত নিলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, গণভোটের প্রচারণার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব না।

গতকাল সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই অভিযোগ করেন।

পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচনের দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে পড়বে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে নিরপেক্ষ আচরণ প্রয়োজন, তা আমরা মাঠে দেখছি না। ইসির পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে। এমন নির্বাচন হলে এর দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপরে পড়বে।’

দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপির প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ বলেন, ‘দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে ইসি বিএনপির চাপে তাদের বৈধতা দিয়েছে। দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপি কোন দলের, সেটা বিষয় না; আইনের প্রয়োগ যাতে সুষ্ঠু হয়। আমরা চাই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। ইসিকে কোনো দল বা শক্তির সামনে নতজানু না হওয়ার আহ্বান জানাই।’

ইসি একটা দলের চাপে পড়েছে জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘একটা দলের চাপে পড়ে আইনের অবস্থান থেকে সরে এসে তাদের বৈধতা দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে ইসি। আইনি লড়াইয়েও বাধার চেষ্টা আছে। আমাদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে উল্টো আমাকেই শোকজ দেওয়া হলো।’

মাঠে নামার হুঁশিয়ারি দিয়ে নাহিদ বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসিকে চাপ প্রয়োগ করা তারেক রহমানের পরিকল্পনা কি না, সে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ইসি এমন আচরণ অব্যাহত রাখলে আমরা মাঠে নামতে বাধ্য হব।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন ও আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।


তারেক রহমানের আহ্বানে কুমিল্লায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

আপডেটেড ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৫০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লা-৬ (সদর, সদর দক্ষিণ ও সিটি করপোরেশন) আসনে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী নেতা হাজি আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগরপাড়ে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার স্বতন্ত্র প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কথা জানান। তিনি দলীয় প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর প্রতি অনানুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানান।

হাজি ইয়াছিন বলেন, ‘তিনি দীর্ঘ ৩৪ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।’ ১৫ জানুয়ারি দলের চেয়ারম্যানের সঙ্গে গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সেখানে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে দলীয় স্বার্থে তাকে সহযোগিতা করতে আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে তাকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

হাজি ইয়াছিন বলেন, ‘দলের আদর্শ প্রতিষ্ঠা ও দেশ-জাতির কল্যাণে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার লক্ষ্যে তিনি রাজনীতি করেন। দলীয় দায়িত্ব ও নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে তার স্বতন্ত্র মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলাম।’

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘হাজি ইয়াছিনের এই সিদ্ধান্ত কুমিল্লার রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে কুমিল্লা যে বঞ্চনা ও সংকটে পড়েছে, এই সমঝোতার মাধ্যমে তা কাটিয়ে ওঠার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কায়ুম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানসহ জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

প্রসঙ্গত, এর আগে কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চেয়ে অনেকবার আন্দোলন করেছেন হাজি ইয়াছিন সমর্থকরা। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র নেন।


নিরাপত্তা সংকট ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমির হামজার সব মাহফিল স্থগিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সামগ্রিক সংকট বিবেচনা করে মুফতি আমির হামজা তাঁর পূর্বনির্ধারিত সকল ওয়াজ ও তাফসির মাহফিল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে মাহফিল আয়োজনে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশ্যে লেখেন, ‘প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম। আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, নিরাপত্তা সংকট ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমার ওয়াজ বা তাফসির মাহফিলের সব শিডিউল (সময়সূচি) আজ থেকে স্থগিত ঘোষণা করছি।’ এমন আকস্মিক সিদ্ধান্তে আয়োজক কমিটি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের যে অসুবিধা হবে, সেটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে তিনি আরও বলেন, ‘এমন কঠিন সিদ্ধান্তের জন্য আমার তাফসির মাহফিলের সিডিউল নেওয়া আয়োজক কমিটির কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। আপনাদের দোয়ায় শামিল রাখবেন।’ মূলত ব্যক্তিগত ও জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই আজ থেকে তাঁর সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সূচি স্থগিত রাখার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।


বক্তব্য প্রদানকালে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াত আমিরের ইন্তেকাল

আপডেটেড ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আবুল হাশেম হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতি আমির হামজাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই দুর্ঘটনার শিকার হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বক্তৃতা করার একপর্যায়ে তিনি হঠাৎ শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করেন এবং মঞ্চেই বসে পড়েন। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শহরের মান্নান হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট থেকে জানা যায় যে, ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজাকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই প্রতিবাদে জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। কুষ্টিয়া পৌরসভার বিজয় উল্লাহ চত্বর থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক তারার মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের জন্য মিলিত হয়। সেখানে সভাপতির বক্তব্য দেওয়ার সময়ই মূলত অধ্যাপক আবুল হাশেম অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন।

অধ্যাপক আবুল হাশেম ব্যক্তিগত জীবনে পোড়াদহ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে ওই অঞ্চলে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।


এনসিপির ক্রাউড ফান্ডিং শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অর্থায়নে স্বচ্ছতা আনতে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয়ভাবে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনো বড় ধনী ব্যক্তি বা করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অর্থের ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষের ছোট ছোট অনুদানের মাধ্যমেই নির্বাচনী প্রচারণা ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি বিশেষ অনলাইন ডোনেশন প্ল্যাটফর্ম ও ক্রাউড ফান্ডিং কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল এই প্রক্রিয়ার কারিগরি ও স্বচ্ছতার দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিটি প্রার্থীর পোস্টারে একটি করে নির্দিষ্ট কিউআর কোড সংযুক্ত থাকার পরিকল্পনা রয়েছে। ভোটার বা সমর্থকরা যদি কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীকে, যেমন নাহিদ ইসলামকে সরাসরি সহায়তা করতে চান, তবে তারা সহজেই সেই কিউআর কোড স্ক্যান করে অনুদান পাঠাতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো, একজন প্রার্থী জনগণের কাছ থেকে মোট কত টাকা অনুদান পেলেন এবং সেই অর্থ রাজনৈতিক প্রয়োজনে কীভাবে ব্যয় করছেন, তার একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক চিত্র জনগণের সামনে উপস্থাপন করা।

অর্থনৈতিক স্বচ্ছতার মাধ্যমেই দেশে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন এনসিপির নেতারা। তারা জানান, প্রার্থীরা যাতে বিজয়ের পর কোনো বিশেষ গোষ্ঠী বা ব্যবসায়ীর কাছে নয়, বরং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচন কমিশনের বর্তমান প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই কার্যক্রমকে ‘নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে ফরহাদ সোহেল সমালোচনা করেন যে, সেখানে হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপিদের বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। এনসিপি পরিষ্কার জানিয়েছে, তারা হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপি বা জোরজবরদস্তিমূলক পেশিশক্তি ব্যবহারকারী কোনো প্রার্থীকে সংসদে দেখতে চায় না এবং অনৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে কেউ তাদের দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেবে না।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ দলের নীতিগত অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন। তিনি জানান, রাজনৈতিকভাবে কোনো ধরনের পরাধীনতা বা ‘বাইন্ডিংস’ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে তারা নীতিগতভাবে কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অনুদান গ্রহণ করবেন না। এর পরিবর্তে সাধারণ মানুষের ১০ টাকা বা ১০০ টাকার মতো ক্ষুদ্র অনুদানকেই তারা প্রাধান্য দিচ্ছেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের এই ক্ষুদ্র অংশগ্রহণই হবে দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমের মূল চালিকাশক্তি। অনুদান প্রক্রিয়াটিকে সহজ করতে চালু করা ওয়েব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে যে কেউ স্বচ্ছভাবে অর্থ প্রদান করতে পারবেন, যা দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়তে সহায়তা করবে।


আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিচার দেশের মাটিতেই হবে: ছাত্রদল সম্পাদক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ তুলে তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই করার হুশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির। তিনি দাবি করেছেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এই ছাত্র প্রতিনিধি পরবর্তী সময়ে উপদেষ্টা হয়ে বিপুল পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন, যা এখন দেশের মানুষের কাছে ‘ওপেন সিক্রেট’। সোমবার দুপুরের দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

নাছির উদ্দিন নাছির তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দুটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, তিনি এখন নির্বাচন কমিশনে এসে চোখ রাঙানোর চেষ্টা করছেন। ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, কারও চোখ রাঙানি বা হুমকিতে কমিশনের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি কমিশনকে সংবিধান, আইন ও জনগণের দেওয়া ক্ষমতার বলে মেরুদণ্ড সোজা করে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে দেন যে, আসিফ মাহমুদের হুমকি-ধমকিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভীত নয় এবং তারা মাঠেই থাকবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) চলমান ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও উপাচার্যের ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন ছাত্রদল সম্পাদক। তিনি শাবিপ্রবি উপাচার্যকে ‘মিথ্যাবাদী’ আখ্যা দিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এতটা মিথ্যাচার করেননি। অভিযোগের স্বপক্ষে তিনি বলেন, গত ৫ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠির মাধ্যমে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু উপাচার্য সেই চিঠি গোপন রাখেন এবং কোনো ছাত্র সংগঠনকে তা জানাননি। নাছির উদ্দিনের দাবি, উপাচার্য পরবর্তীতে ঢাকায় এসে তদবির করে তার পছন্দের সংগঠন ছাত্রশিবিরকে জেতানোর উদ্দেশ্যে নির্বাচনের তারিখ ২০ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছেন।

শাবিপ্রবি নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগে টানা ছয় দিন প্রচারণা বন্ধ রাখা হয়েছে, যা একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের অন্তরায়। তিনি জানান, শাবিপ্রবিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য গঠিত ১৫ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের মধ্য থেকে ইতিমধ্যে আটজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিতর্কিত কমিশন ও বিতর্কিত উপাচার্যকে দায়িত্বে রেখে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। উপাচার্যকে ‘ভণ্ড ও প্রতারক’ অভিহিত করে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অনতিবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করেন নাছির উদ্দিন। দাবি আদায় ও তিনটি বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি রাত পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।


বাগাতিপাড়ায় খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে ব্যারিস্টার পুতুল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার পাঁকা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল।

এ সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ নেকবর হোসেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন মিঠু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সা: সম্পাদক রশীদ চৌধুরী এবং উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শফিকসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, দেশের জন্য তার অবদান এবং স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।


banner close