শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘লিভার প্রতিস্থাপনে খালেদাকে জরুরি বিদেশে নেয়া দরকার’

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের কনফারেন্স হলে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
৯ অক্টোবর, ২০২৩ ১৮:১২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৯ অক্টোবর, ২০২৩ ১২:৩৫

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা। তারা বলছেন, লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য খালেদা জিয়াকে জরুরিভিত্তিতে বিদেশে নেয়া দরকার।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালের কনফারেন্স হলে সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা এসব কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মেডিকেল বোর্ডের সমন্বয়ক ডা. এস এম সিদ্দিকী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার পেটে ও বুকে পানি জমেছে। সেই পানি ঝরছে। লিভার জীবাণু আক্রান্ত হয়ে গেছে। অসুস্থ খালেদা জিয়াকে বাসায় নেয়ার মতো অবস্থা নেই। তাকে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে। তিনি মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যে আছেন।’

খালেদা জিয়াকে আরও আগেই বিদেশে চিকিৎসা দেয়া উচিত ছিল উল্লেখ করে এস এম সিদ্দিকী বলেন, ‘সাধ্য মতো চেষ্টা করছি। কিন্তু সীমাবদ্ধতা আছে। খালেদা জিয়ার ভালো চিকিৎসার সুযোগ আছে, সেটা দেশের বাইরে। তাকে বিদেশে মাল্টি ডিসিপ্লিনারি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া দরকার।’

খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। জরুরিভিত্তিতে তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। না হলে যেকোনো সময় তিনি মারা যেতে পারেন। লিভারের সংক্রমণে বারবার পেটে পানি জমছে তার। উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দিয়েও কাজ হচ্ছে না।’

খালেদা জিয়া ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে জানিয়ে চিকিৎসক এস এম সিদ্দিকী বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হওয়ায় খালেদা জিয়াকে এ পর্যন্ত চার ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসাই একমাত্র ভরসা। দুই বছর আগে টিপস পদ্ধতিতে চিকিৎসা হলে তার পেটে ও হৃদযন্ত্রে রক্তক্ষরণ হতো না। এত আশঙ্কাজনক হতো না।’

বাংলাদেশে টিপস ও লিভার প্রতিস্থাপন হয় না উল্লেখ করে মেডিকেল বোর্ডের সমন্বয়ক বলেন, ‘২০০৬ ও ২০০৮ সালে বারডেমে পরীক্ষামূলকভাবে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট চালু হলেও সেটি অব্যাহত রাখা যায়নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু দিন আগে পরীক্ষামূলক চালু হয়েও আবার বন্ধ হয়ে গেছে।’

দেশে খালেদা জিয়ার আর কোনো চিকিৎসা নেই জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় শুধু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে তিনি অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তীতে তার ওপর হয়ত আর কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করবে না। পানি বের করার জন্য কিছুদিন পরপর তাকে সিসিইউতে নেয়া হচ্ছে।’


নির্বাচিত

মাঠের ‘ক্লান্তিহীন সেনাপতি’ থেকে বঙ্গভবনের পথে

* বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে প্রার্থিতা চূড়ান্ত * ছাড়লেন দলীয় মহাসচিবের পদ * ইসিতে মনোনয়ন দাখিল
দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিকূল রাজনৈতিক স্রোতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হাল ধরে রাখা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ০০:১৬
বিশেষ প্রতিবেদক

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিকূল রাজনৈতিক স্রোতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হাল ধরে রাখা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবার অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দলের প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়নপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করা হয়েছে। বেলা আড়াইটার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে বিএনপির শীর্ষ নেতারা এই মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর আগে, বঙ্গভবনের এই সর্বোচ্চ পদের জন্য মনোনীত হওয়ার পরপরই মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন।

এর আগে দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত করা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তার নাম প্রস্তাব করলে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করেন। নির্বাচনে তার পক্ষে প্রস্তাবক হয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এবং সমর্থক হয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করায় এই পদটি শূন্য হয়, যার পর থেকে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমান জাতীয় সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া এখন কেবলই সময়ের ব্যাপার। তবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের পক্ষে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় দীর্ঘ ৩৫ বছর পর (১৯৯১ সালের পর) আগামী ২০ আগস্ট ব্যালটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে যাচ্ছে দেশ।

একযোগে শূন্য ৩ পদ: উত্তরসূরি নিয়ে জল্পনা

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই ঐতিহাসিক উত্তরণের হাত ধরে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে এক নতুন সমীকরণ। তার প্রস্থানে একযোগে শূন্য হচ্ছে দলের মহাসচিবের পদ, সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দপ্তর এবং ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন। রাজনৈতিক মহলে এখন মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কে হচ্ছেন এই তিন হেভিওয়েট পদের সম্ভাব্য উত্তরসূরি?

বিএনপির মহাসচিব পদ: ২০১১ সাল থেকে প্রথমে ভারপ্রাপ্ত এবং ২০১৬ সাল থেকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব হিসেবে বিএনপির চালিকাশক্তি ছিলেন মির্জা ফখরুল। তার শূন্যস্থানে দলের মহাসচিবের গুরুদায়িত্ব কে পাবেন, তা এই মুহূর্তের সবচেয়ে সংবেদনশীল প্রশ্ন। দীর্ঘ রাজপথের লড়াই আর ত্যাগী ভূমিকার কারণে এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। জাতীয় কাউন্সিলের আগে তার ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন কিংবা হাবিবুন নবী খান সোহেলের নামও বিকল্প হিসেবে মূল আলোচনায় রয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে রদবদল: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় দেশের প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। মির্জা ফখরুলের পদত্যাগের পর এই প্রভাবশালী দপ্তরের দায়িত্ব কার কাঁধে অর্পিত হবে, তা নিয়ে সচিবালয়ের করিডোরে নানামুখী গুঞ্জন। ধারণা করা হচ্ছে, মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের অংশ হিসেবে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে এই দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। আর সে ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর পদের নতুন মুখ হিসেবে বর্তমান পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানির নাম রাজনীতিতে বেশ জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও-১ আসন: সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করলে তার সংসদীয় আসনটি পদাধিকারবলে শূন্য হয়ে যায়। উত্তরাঞ্চলের এই ঐতিহ্যবাহী আসনে উপনির্বাচনে তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার কে হবেন, তা নিয়ে স্থানীয় মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। এক্ষেত্রে মির্জা ফখরুলের সুযোগ্য কন্যা, চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও সমাজসেবক ড. শামারুহ মির্জার নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতিতে জনপ্রিয় ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীনের নামও রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরপর ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ কক্ষে সংসদ সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান।

এদিকে, জাতীয় সংসদে দলটির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এবং সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনো নাটকীয় বিপর্যয় না ঘটলে মির্জা ফখরুলই হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ১৯তম ব্যক্তি এবং মেয়াদ ও সময়ক্রমের বিচারে ২৩তম রাষ্ট্রপতি। মাঠের রাজনীতির একজন ক্লান্তিহীন সেনাপতি থেকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তার এই উত্তরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করছে।

পারিবারিক ঐতিহ্য ও রাজনীতির প্রাক-কথন

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁওয়ের এক সম্ভ্রান্ত এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী পরিবারে জন্ম নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার ধমনীতে রাজনীতির রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল পারিবারিক উত্তরাধিকার সূত্রেই। তার পিতা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন দেশভাগের আগে ও পরে ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের একজন প্রখ্যাত আইনজীবী এবং একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, যিনি স্বাধীন বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

কেবল পিতাই নন, মির্জা ফখরুলের পারিবারিক পরিমণ্ডল ছিল দেশের ইতিহাসের নানা বাঁকের সাথে যুক্ত। তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দেশের একজন প্রখ্যাত আইনবিদ। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে ভূমিমন্ত্রী, দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে স্পিকার এবং পরবর্তীতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অপর চাচা উইং কমান্ডার এস আর মির্জা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত ঐতিহাসিক মুজিবনগর সরকারের ‘ডাইরেক্টোরেট অব ইয়ুথ ক্যাম্প’-এর পরিচালক হিসেবে তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

শিক্ষা, ছাত্র রাজনীতি ও শিক্ষকতার সোনালী দিনগুলো

পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রেখে মির্জা ফখরুল পড়াশোনায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তার ভেতরে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটে। ষাটের দশকের সেই উত্তাল সময়ে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (বর্তমান বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন) সক্রিয় সদস্য হিসেবে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। মেধা ও নেতৃত্বের কারণে তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৬৯-এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন।

তবে ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি সরাসরি মূলধারার রাজনীতিতে না গিয়ে বেছে নেন আলো ছড়ানোর পেশা। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি নিজের স্মৃতিবিজড়িত ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। এরপর বেশ কয়েকটি সরকারি কলেজে সুনামের সাথে অধ্যাপনা করেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সরকারি পরিদর্শন ও আয়-ব্যয় পরীক্ষণ অধিদপ্তরে নিরীক্ষক হিসেবেও দক্ষতার সাথে কাজ করেন।

১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে মির্জা ফখরুল তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস) হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৮২ সালে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সামরিক আইন জারি করে ক্ষমতা দখল করলে এবং উপপ্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে, ফখরুল পুনরায় তার প্রিয় শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান এবং ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়ে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তরুণদের আলো ছড়াতে থাকেন।

শ্রেণিকক্ষ থেকে রাজপথ: মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ

শৈশব ও কৈশোরের রাজনৈতিক চেতনা মির্জা ফখরুলকে বেশিদিন চার দেয়ালের শ্রেণিকক্ষে আটকে রাখতে পারেনি। ১৯৮৬ সালে তিনি শিক্ষকতা পেশা থেকে চিরদিনের মতো ইস্তফা দিয়ে সরাসরি নামেন জনমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। ১৯৮৮ সালের পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং তৃণমূলের মানুষের মন জয় করেন।

পরবর্তীতে এরশাদের সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতা ১৯৯২ সালে বিএনপির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন এবং একই সাথে জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান।

সংসদীয় রাজনীতি ও মন্ত্রিত্বের অভিজ্ঞতা

সংসদীয় রাজনীতির শুরুর পথটা মির্জা ফখরুলের জন্য মসৃণ ছিল না। ১৯৯১ সালের পঞ্চম এবং ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। তবে দমে না গিয়ে তিনি মাঠের সংযোগ ধরে রাখেন। যার সুফল মেলে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীকে পরাজিত করে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ ভোট পেয়ে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় তার প্রশাসনিক দক্ষতা মূল্যায়িত হয়। তিনি প্রথমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের হাওয়াতে তিনি পরাজিত হলেও, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি একই সাথে ঠাকুরগাঁও-১ ও বগুড়া-৬ আসনে দলীয় মনোনয়ন পান এবং বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। তবে দলীয় কৌশলগত সিদ্ধান্তের কারণে তিনি সে সময় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

সংকটে দলের কাণ্ডারি: মহাসচিব পদে আরোহন

২০০৮ সালের পর বিএনপির রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় শুরু হয়। আর ঠিক এই সময়েই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে তিনি জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। একই সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি দলের ও বিরোধী জোটের প্রধান মুখপাত্র হিসেবে গণমাধ্যমে অত্যন্ত মার্জিত, যুক্তিপূর্ণ ও জোরালো বক্তব্য দিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমাদর পান।

২০১১ সালের ২০ মার্চ তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলওয়ার হোসেনের আকস্মিক মৃত্যুর পর এক রাজনৈতিক শূন্যতার তৈরি হয়। দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়া তখন মির্জা ফখরুলকে দলের ‘ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব’ হিসেবে ঘোষণা করেন। শুরুতে এই পদায়ন নিয়ে দলে কিছুটা আলোচনা-বিভ্রান্তি তৈরি হলেও, ২০১১ সালের ২১ মার্চ বেগম খালেদা জিয়া বিদেশ সফরে যাওয়ার প্রাক্কালে পুনরায় তার ওপর আস্থা পুনর্ব্যক্ত করলে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে। দীর্ঘ পাঁচ বছর দক্ষতার সাথে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালনগের পর, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হন।

মামলা, কারাজীবন ও সহনশীলতার জীবন্ত প্রতীক

বিগত দেড়-দুই দশকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হয়ে উঠেছেন এক ক্লান্তিহীন লড়াকু এবং চরম সহনশীলতার প্রতীক। বিরোধী দলের শীর্ষ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করতে গিয়ে তিনি ক্রমাগত রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হয়েছেন। তার রাজনৈতিক জীবনের এক বিশাল অংশ কেটেছে আদালতের বারান্দায় অথবা কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে।

গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের কাজে বাধা, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড কিংবা বোমাবাজির মতো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ১০০টিরও বেশি মামলা দেওয়া হয়েছে তার নামে। রাজপথের লড়াই পরিচালনা করতে গিয়ে তাকে অন্তত ১১ বার কারাগারে যেতে হয়েছে এবং জীবনের মূল্যবান প্রায় সাড়ে তিন বছর সময় কাটাতে হয়েছে কারান্তরালে। ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের আন্দোলনের সময় যেমন তাকে মাসের পর মাস বন্দি রাখা হয়েছে, তেমনি ২০১৬ সালে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার ঠিক পরদিনই একটি পুরোনো মামলায় তাকে জেলে যেতে হয়েছিল।

এমনকি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে নয়াপল্টনের সমাবেশের আগে গভীর রাতে উত্তরার বাসভবন থেকে ডিবি পুলিশ কর্তৃক তাকে তুলে নেওয়া কিংবা ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের সমাবেশের পরদিন ভোরে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস কারাগারে থাকার ঘটনাগুলো তার ওপর নেমে আসা ধারাবাহিক নিগ্রহেরই প্রমাণ। বয়স ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা, হৃদ্‌রোগের জটিলতা এবং নানা শারীরিক প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও তাকে দিনের পর দিন স্যাঁতসেঁতে কারাগারে কাটাতে হয়েছে। রাজপথে বহুবার টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড এবং তার গাড়িবহরে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সকল নির্যাতন, উসকানি আর কারাবাসের পরও রাজনীতি থেকে পিছিয়ে না গিয়ে ধীরস্থির, মার্জিত ও অহিংস নীতি অবলম্বন করে তিনি দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন

রাজনৈতিক ঝড়-ঝাপটার মাঝে মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিগত জীবন শান্ত ও ছিমছাম। তিনি রাহাত আরা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। এই দম্পতির দুই কন্যা সন্তান রয়েছেন। বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করে সেখানেই শিক্ষকতা করেছেন এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কর্মরত। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহ-ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বর্তমানে ঢাকার একটি নামি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছেন।

শ্রেণিকক্ষের অর্থনীতি পড়ানোর অধ্যাপক থেকে রাজপথের তপ্ত রোদে স্লোগান দেওয়া, কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ থেকে কোটি মানুষের দলের নেতৃত্ব দেওয়া—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জীবন যেন এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান। এবার দলীয় রাজনীতি এবং মহাসচিবের পদ ছেড়ে তিনি পদার্পণ করতে যাচ্ছেন বঙ্গভবনে, দেশের এক নম্বর নাগরিক হিসেবে। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে একজন সর্বজনগ্রাহ্য, অভিজ্ঞ এবং সহনশীল অভিভাবক হিসেবে তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণের।


নির্বাচিত

ভারত শেখ হাসিনাকে দিয়ে স্বার্থ হাসিল করতে চায়: রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ওপর দিল্লির যে আগ্রাসী আকাঙ্ক্ষা সেটা পূরণ করার জন্যই তারা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। ভারত শেখ হাসিনাকে দিয়ে তাদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়।’

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘তারেক রহমান সরকার ন্যায় নিষ্ঠার উপর দাঁড়ানো সরকার। আমরা শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন চাই তাকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য।’

বিএনপির এ সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘ভারত শেখ হাসিনাকে আত্মীয় মনে করে। কারণ শেখ হাসিনা ভারতের মন মতো সব করতেন। এদেশের সার্বভৌমত্বকে বিক্রি করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ফেরাউন, নমরুদের ইতিহাস পড়েননি। তিনি নিজেকে ক্ষমতাশালী মনে করেছেন। তিনি আল্লাহর শক্তি, জনগণের শক্তিকে ভয় পাননি। সবশেষ তিনি সবশক্তির কাছে পরাজিত হয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘তারেক রহমানের সরকার ন্যায় নিষ্ঠার উপর দাঁড়ানো সরকার। বিগত দিনে যারা গুম করেছে, খুন করেছে, তাদের বিচার জনগণ দেখতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শেখ হাসিনার বিচার বাস্তবায়ন দেখতে চাই। যিনি এত মানুষ হত্যা করেছেন, তিনি আবার প্রেস কনফারেন্স করে বলছেন ডিসেম্বরে ফিরে আসবেন। রাজনীতি করবেন এটা যেন মামার বাড়ির আবদার।’

রিজভী বলেন, ‘যারা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে, তারা তাকে দিয়ে তাদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়। শেখ হাসিনা জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করতে চেয়েছে।’


নির্বাচিত

আরাফাত রহমান কোকোর জন্মদিনে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:০৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মদিন আজ বুধবার (১২ আগস্ট)। দিবসটি পালন উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকালে বনানী কবরস্থানে কোকোর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবরের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ মোনাজাত করেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। এর পাশাপাশি রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাঁর স্মরণে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে পরিচিত থাকা কোকোর স্মরণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) দোয়া মাহফিলের উদ্যোগ নিয়েছে। আজ বিকাল সাড়ে ৫টায় মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মিডিয়া সেন্টারে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় এই দোয়া অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হবে।

আরাফাত রহমান কোকো ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কনিষ্ঠ ভ্রাতা। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন। আজ তাঁর জন্মদিনে রাজনৈতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের মানুষ তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।


নির্বাচিত

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে জনগণ আর সুযোগ দেবে না : রিজভী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, এ দেশের সচেতন জনগণ আর কখনোই কোনো মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফেরার সুযোগ দেবে না। বুধবার সকালে বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় রিজভী অভিযোগ করে বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন শেখ হাসিনা। সে কারণেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের পরিবার নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করেন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের দেশপ্রেমকে কোনোভাবেই বরদাশত করতে পারেননি বিগত সরকারের প্রধান। তাঁর মতে, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হওয়ার কারণেই পরিকল্পিতভাবে শহীদ জিয়ার উত্তরসূরিদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল।

আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো।” রিজভী অভিযোগ করেন যে, পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি নির্দিষ্ট পরিবারকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে হেন কোনো হীন পদক্ষেপ নেই যা গ্রহণ করেননি। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, জনরোষের মুখে অগণতান্ত্রিক শক্তির পতন অনিবার্য এবং “এখন সে জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে।”


নির্বাচিত

ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা-হাঙ্গামা করছে: রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা–হাঙ্গামা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সমাবেশে এ অভিযোগ করেন তিনি।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ছাত্রশিবির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দাঙ্গা–হাঙ্গামা শুরু করেছে। ৭১–এ পাকিস্তানিদের সাথে আঁতাত এবং পরবর্তীতর এরশাদের সাথে মিল দেশের ক্ষতি করেছে জামায়াতে ইসলামী।

৭১–এর চেতনা বুকে ছিল বলেই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে এ দেশের সন্তানরা তাড়িয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ২০০৮ সালের পাতানো নির্বাচনের পর থেকে একই পন্থায় ক্ষমতা ধরে রেখেছে একটি বড় দল। বর্তমানে তারা পার্শ্ববর্তী দেশেকে আকড়ে ধরে দেশের বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

জামায়াতের উদ্দেশে করে তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করে দেশের গেরিলা যুদ্ধের আস্তানা খুঁজে দিতো দলটি। তাদের বীরত্বের ইতিহাস নাই, আছে শুধু দালালির ইতিহাস।


নির্বাচিত

গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি: রিজভী

রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ আয়োজিত ‘নির্বাচনী সহিংসতা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন: বাংলাদেশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ আয়োজিত ‘নির্বাচনী সহিংসতা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন: বাংলাদেশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘দেশের মানুষ আশা করেছে, অতীতে যা হয়েছে তা পেছনে ফেলে নতুন করে গণতন্ত্রের পথচলা শুরু হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নত হবে, বিচার বিভাগ সত্যিকার অর্থে স্বাধীনভাবে কাজ করবে, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করবে এবং নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র শুধু রাজনীতি বিজ্ঞান বা ইতিহাসের বিষয় নয়। এটা কোনো যুক্তির বিষয়ও নয়। এটা হচ্ছে মনস্তত্ত্বের বিষয়। আপনার মনস্তত্ত্ব যদি ঠিক না হয়, আপনি কিছুই করতে পারবেন না।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বিরোধী দল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র, তীক্ষ্ণ ও কঠোর সমালোচনা করবে এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক চর্চা। তবে সেই সমালোচনা হতে হবে গঠনমূলক, পারস্পরিকভাবে উপকারী ও ভবিষ্যৎমুখী। তাহলেই গণতন্ত্রের পথচলা মসৃণ হবে এবং রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটবে।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য প্রত্যেককে নিজের দিকেও তাকাতে হবে। এক হাতে কখনো তালি বাজে না। সরকার ও বিরোধী দল- উভয় পক্ষের ভূমিকা রয়েছে। একতরফাভাবে শুধু একটি পক্ষের কথা বললে গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি হবে না।’

রিজভী বলেন, ‘ভাষা, শব্দ প্রয়োগ ও বাক্য বিন্যাসের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতারা সতর্ক থাকলে নেতাকর্মীদের মধ্যে সহিংস মনোভাব গড়ে উঠবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যত আইন-কানুনই করা হোক না কেন, মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন না হলে তা কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। প্রত্যেকের মধ্যে আইন মেনে চলার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।’

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিচারকরা তাদের মত প্রকাশ ও রায় প্রদানের ক্ষেত্রে সুবিবেচনা প্রসূত ভূমিকা পালন করবেন, এটাই প্রত্যাশা। অতীতে বিচার বিভাগে যে ধরনের পরিস্থিতি দেখা গেছে, তার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকেও নিজেদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডের দিকে নজর দিতে হবে।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদসহ অন্যরা।


নির্বাচিত

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ছাত্রদলের অভিনন্দন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সোমবার (১০ আগস্ট) সংগঠনের দফতর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ অভিনন্দন জানানো হয়।

বিবৃতিতে এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ উল্লেখ করে বলা হয়, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।

একইসঙ্গে যারা কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের প্রতিও রইলো সহমর্মিতা এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা।

বিবৃতিতে বলা হয়, তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ। আজকের তরুণরাই আগামী দিনে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ছাত্রদল আশা করে, তরুণ প্রজন্ম রাজনীতিবিমুখতার পরিবর্তে রাজনীতি সচেতন হয়ে উঠবে।

গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে দেশীয় ও আধিপত্যবাদী যেকোনও ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে। তাদের মেধা, যোগ্যতা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটি মর্যাদাপূর্ণ আসনে প্রতিষ্ঠিত করবে। নতুন প্রজন্মের সুন্দর, নিরাপদ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন ভবিষ্যৎ নির্মাণে সর্বদা তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছে সংগঠনটি।


নির্বাচিত

রেজিস্টার্ড হকার ছাড়া অন্য কেউ রাস্তায় বসতে পারবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৩৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

রেজিস্টার্ড হকার ছাড়া কেউ রাস্তায় বসতে পারবে না জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে হকার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতে হকারদের বসার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনতে নিবন্ধিত হকার ছাড়া অন্য কাউকে রাস্তায় বসতে দেওয়া হবে না। এক সপ্তাহের মধ্যে হকার সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের কবি কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ‘হকার পুনর্বাসন ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নীতিমালার বিকল্প নাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘হকার সমস্যা দীর্ঘদিনের। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে হকারদের সহযোগিতা প্রয়োজন। অতীতে হকারদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা স্থায়ী সমাধান আনতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘হকার পুনর্বাসনের বিষয়ে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন হকার্স সমিতির দুজন করে প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাদের মতামত নিয়ে সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা হবে।’

হকারদের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনতে নিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ‘হকারদের তালিকা তৈরি করে প্রত্যেককে আইডি কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নিবন্ধিত হকারদের চিহ্নিত করা সম্ভব হবে এবং রাস্তায় অনিবন্ধিত ব্যক্তিদের বসার সুযোগ থাকবে না।’

এ ছাড়া হকারদের জন্য হলিডে মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তার মতে, পরিকল্পিতভাবে হকারদের পুনর্বাসন করা গেলে একদিকে যেমন তাদের জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।


নির্বাচিত

জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। জোট থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করা হয়েছে।

আজ রবিবার দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে বৈঠক শেষে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। এর আগে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেন। এতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নির্বাচন ছাড়াও পারস্পরিক রাজনৈতিক সমঝোতা এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া অলি আহমদ ১৯৭১ সালে কর্মরত ছিলেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। এর অবস্থান ছিল চট্টগ্রামের ষোলশহরে। ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন মুক্তিযুদ্ধে। প্রতিরোধযুদ্ধ শেষে ভারতে পুনরায় সংগঠিত হওয়ার পর নিয়মিত মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্সের অধীনে যুদ্ধ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে উন্নীত হয়ে অবসর নেন। পরে রাজনীতিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (বাংলাদেশ) এর প্রেসিডেন্ট।

এদিকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি।


নির্বাচিত

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: ডা. শফিকুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদরা জীবন দিয়ে দেশের মানুষকে মুক্ত করে দিয়েছেন। যে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ জীবন দিয়েছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাওয়া যাবে না। এখনো পর্যন্ত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানির শামিল। দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা না হলে সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

নেজামে ইসলাম পার্টির আমির (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সুবহানীর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মুফতি মূসা বিন ইযহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইযহার প্রমুখ।

সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, সরকার এখন একদলীয় শাসনের দিকে হাঁটছে। তারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া অন্যের বিষয়ে সামান্য পরিমাণও ভ্রুক্ষেপ করছে না। তারা ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়। ফ্যাসিবাদীদের নিয়ে সরকার ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠন করতে চায়—এটি হাস্যকর। তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও নাগরিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে।

ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভোটের আগে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এখন ক্ষমতায় এসে সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গেলে চলবে না। ক্ষমতার স্বাদে যদি জনগণের সঙ্গে করা ওয়াদা ভুলে যাওয়া হয়, তাহলে জনগণও একদিন ভুলে যাবে যে তিনি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে যারা অযোগ্য ও স্বার্থান্বেষী লোকজন রয়েছে, তাদের সরাতে হবে। আপনার চারপাশের স্ক্রাব লোকগুলোকে সরান, না হলে তারা আপনাকে ডুবাবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রতি অটল থাকতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থের চেয়ে জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

মামুনুল হক বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে আবারও নতুন করে বিপ্লবের ডাক দেওয়া হবে। শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। এক জুলাই রক্ষার প্রয়োজনে আরও হাজার জুলাই সংগঠিত হতে পারে। তাই কোনো ধরনের টালবাহানা না করে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।


নির্বাচিত

অহেতুক আমাকে গালি দিলে আমার কিছু গুনাহ মাফ হবে: জামায়াত আমির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত আইডিইবি ভবনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় উলামা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় একটি বিশেষ প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে আয়োজিত এই সমাবেশে 'মতবিরোধ নয়, ঐক্যেই গড়ি আগামীর বাংলাদেশ' শীর্ষক মূল প্রতিপাদ্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সমসাময়িক রাজনীতি, সামাজিক অবক্ষয় এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

সমালোচনা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ মোকাবিলায় ধৈর্য ধারণের পরামর্শ দিয়ে জামায়াত আমির জানান, "আমরা সবাইকে সম্মান করি, গালি দিলে আমার কিছু আসে যায়না, তবে লাভ আছে- কেউ আমাকে অহেতুক গালি দিলে আমার কিছু গুনাহ মাফ হবে"। ইসলামের প্রচার নিয়ে অপপ্রচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "আজকে ইসলামের বিরুদ্ধে অনেক খারাপ ধারণা সমাজকে দেওয়া হয়। যদি ইসলাম কায়েম হয় তাহলে নাকি হাত একটাও থাকবে না, কারণ সবাই তো চুরি করে, অন্তত এক হাত তো চলে যাবে।"

ব্যক্তিগত আঘাত বা গালমন্দকে তিনি আধ্যাত্মিক দিক থেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন উল্লেখ করে বলেন, "যে বিষয়ে আমাকে গালি দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে যদি আমি সম্পৃক্ত না হই, নিশ্চিত আমার গুনাহ মাফ হবে। হাসি মুখে আমি বরণ করে নেব, বরং আমার উপকার হবে।" দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বিনয়ী আচরণের তাগিদ দেন এবং জানান যে, বিরুদ্ধাচরণকারীদের কথার মধ্যে যুক্তি থাকলে তা গ্রহণ করা উচিত, আর না থাকলেও অত্যন্ত নম্রতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হবে।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন যে, বর্তমানে মানুষের জীবন, সম্পদ এবং ব্যক্তিগত সম্মানের কোনো সুনিশ্চিত নিরাপত্তা নেই। তিনি মনে করেন, মেজাজের ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু সেই কারণে একে অপরের অস্তিত্ব অস্বীকার করা উচিত নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, কোনো ভাই গালি দিলেও তাকে পাল্টা গালি দেওয়া যাবে না, বরং সহনশীলতার মাত্রা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। একইসাথে উস্কানিমূলক বক্তব্যের মাধ্যমে সমাজে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা না ছড়ানোর জন্য তিনি সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

এই সম্মেলনের আগে ডা. শফিকুর রহমান মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে জুলাইয়ের গণআন্দোলন সংশ্লিষ্ট একটি প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। সেই সফর শেষে তিনি অভিযোগ করেন যে, ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার পর নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলো তাদের পূর্বের সংস্কারের প্রতিশ্রুতিগুলো ক্রমশ ভুলে যাচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে দেশের স্বার্থে এবং একটি সুন্দর আগামীর জন্য আলেম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।


নির্বাচিত

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে ভারত, প্রত্যাশা জামায়াতের

ফাইল ছবি
আপডেটেড ৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৩
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার একে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনার মতো একজন দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামির বাংলাদেশবিরোধী অবস্থান ঠেকাতে ঢাকার কূটনৈতিক আহ্বানকে ভারত সরকার আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত সাড়ে ১৬ বছরের জুলুম-নির্যাতন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের গণহত্যায় প্রায় দেড় হাজার মানুষ শহীদ ও ৩০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন, যা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন তদন্তেও প্রমাণিত। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বারবার চিঠি দেওয়া সত্ত্বেও তাকে আশ্রয় দেওয়া দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বন্দি বিনিময় চুক্তির স্পষ্ট অবমাননা। জামায়াত প্রত্যাশা প্রকাশ করে যে, ভারত সরকার তাদের অনড় অবস্থান সংশোধন করবে এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে অবিলম্বে বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করতে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে।

একই সাথে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের তাগিদ দিয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি ও জাতিসংঘের সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে দেশের মুক্তিকামী জনগণকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, রক্তে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে কোনো পুরোনো বা নব্য ফ্যাসিবাদের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না এবং একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই এখন প্রধান লক্ষ্য।


নির্বাচিত

জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের খুলনা মহানগর ও জেলা পূর্ণাঙ্গ কমিটি

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা ব্যুরো

জিয়া শিশু-কিশোর সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, শক্তিশালী ও তৃণমূলভিত্তিক করার লক্ষ্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনক্রমে খুলনা মহানগর ও খুলনা জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত ৩৩ সদস্যবিশিষ্ট খুলনা মহানগর কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নিয়াজ আহমেদ তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন।

মহানগর কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহসভাপতি এ. কে. এম. শফিকুল হোসেন, শেখ মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, এস. এম. আবু সাইদ, বনানী সুলতানা ঝুমু, এ. এ. কে. আলমগীর, খাইরুল আলম, কাউসারী জাহান মঞ্জু; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস. এম. রায়হান আলমগীর, নুরুন নাহার নাজমুন নেছা জেবা, ফখরুল ইসলাম শিবলু, গাজী হাসান রুমি; সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল রহমান মিলন; সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান; কোষাধ্যক্ষ সোহেল হোসেন; দপ্তর সম্পাদক ফরহাদ হোসেন; প্রচার সম্পাদক সৈকত সোহাগ; মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ফরিদা পারভীন পলি; সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক শেখ জাহিদ হোসেন; ক্রীড়া সম্পাদক ইউনুছ মিয়া; আইনবিষয়ক সম্পাদক ফারহানা বিনতে হাসান; শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সোয়েব খান; তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এনরোজ খান বাহার; শিল্প, চারু ও কারুকলাবিষয়ক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম; সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল। নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন আদনান হাসান, তানভীর মনিরুজ্জামান মানিক, মাহবুব হোসাইন, মোহাম্মদ সবুর, সুলতান মাহমুদ জনি এবং রনি সানা।

অন্যদিকে, খুলনা জেলা কমিটিতে সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোল্লা মেজবাউল ইসলাম।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন মুন্সী; সহসভাপতি হাফিজুর রহমান শেখ, শিকদার গোলাম রসূল, শেখ ফেরদৌস হোসেন, শিহাবুল ইসলাম শিহাব; যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুন মোড়ল, সাদ্দাম হোসাইন, নাজমুছ সাকিব, রাসেল আহমেদ রিপন, ফয়সাল আহমেদ; সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. মনিরুজ্জামান মিলন; সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইমরান, মোহাম্মদ জামাল মোল্লা; দপ্তর সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির; সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল হাদী; প্রচার সম্পাদক মিরাজ মল্লিক; সহ-প্রচার সম্পাদক সোহাগ; স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. তৌকির আহমেদ; কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ শেখ; ক্রীড়া সম্পাদক মোস্তায়িন বিল্লাহ এবং মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মোছাম্মৎ তাসলিমা বেগম।


নির্বাচিত

banner close