মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

নির্বাচন ভন্ডুল করতে বিএনপি সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে: কাদের

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২৯ অক্টোবর, ২০২৩ ১৭:৫১

‘বিএনপি নির্বাচন ভন্ডুল করতে আবার মজ্জাগত সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগস্ত করার লক্ষ্যে বিএনপি জামায়াত চিরাচরিতভাবে সন্ত্রাসী কমকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। বিএনপির তথাকথিত সমাবেশ ঘিরে যে আশঙ্কা ছিল সেটা আজ সত্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় বলে সহিংসতা করেছে।’

‘বিএনপি পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে’ অভিযোগ করে কাদের বলেন, ‘গত দুদিনে বিএনপি কী করেনি। আন্দোলনের নামে সবই করেছে। সব অপকর্মের নির্লজ্জ প্রদর্শন করেছে।’

তিনি বলেন, “বিএনপি প্রকাশ্যে পুলিশ হত্যা করেছে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে, হাসপাতালে অগ্নিসংযোগ করেছে। এগুলো তারেক জিয়ার ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশে’র স্বরূপ।”

‘বিএনপি ঐতিহ্যগতভাবে সন্ত্রাসী দল’ মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে শতশত মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে তারা।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ সময় বিএনপি এবং জামায়াতকে সন্ত্রাসের পথ ছেড়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে আসার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন প্রমুখ।


বিএনপি বাংলাদেশের অস্তিত্বের মূলে আঘাত করতে চায় : ওবায়দুল কাদের

আপডেটেড ১৫ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:৫৩
বাসস

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশের অস্তিত্বের মূলে আঘাত করতে চায়। একাত্তরে তাদের যে ভূমিকা, হঠাৎ করে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে এমনিই তিনি ঘোষক হয়ে গেলেন! ২৪ বছরের যে আন্দোলন, এসবের কোনো দাম নেই?’

আজ সোমবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মী কারাবন্দি দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন দাবি নাকচ করে দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবকে এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি বিএনপির এসব কারাবন্দির তালিকা চান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি মির্জা ফখরুল ইসলামকে চ্যালেঞ্জ করছি। ছিল ২০ হাজার, হয়ে গেল ৬০ লাখ! অবিলম্বে ৬০ লাখ বন্দির তালিকা প্রকাশ করুক। না হয় মিথ্যাচারের জন্য জাতির কাছে মির্জা ফখরুলকে ক্ষমা চাইতে হবে।’

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘১৭ এপ্রিল মুজিব নগর দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ দিবস, সেই দিনটিকে তারা অস্বীকার করে। ১০ এপ্রিল প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের সকার গঠন হয়, সেটা অস্বীকার করে। বিএনপি বাঙালি সংস্কৃতির চেতনা নিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করবে, এটা আমি বিশ্বাস করি না।’

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রমজানে সরকারের বেশ কিছু কার্যক্রম চলমান ছিল। তা অব্যাহত থাকবে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যতদিন জনগণের প্রয়োজন থাকবে, ততদিন এ প্রোগ্রাম থাকবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি এম মোজাম্মেল হক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান।


বিএনপি হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা : ওবায়দুল কাদের

আপডেটেড ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:০৮
বাসস

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'বিএনপি হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। বিএনপি বাঙালির সংস্কৃতিকে সহ্য করতে পারে না।'

তিনি বলেন, 'এদের চেতনায় পাকিস্তান, এদের হৃদয়ে পাকিস্তান। এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বাংলার চেতনা ও বাংলাদেশের জন্মের চেতনা বিরোধী।'

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, "বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই দিন বাঙালি জাতি পরম ভালোবাসায় তাদের হৃদয়ে ধারণ করে, চেতনায় ধারণ করে। আজকের এই দিনে বেশি কথা বলার সুযোগ নেই। এটা আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য, কারা বৈশাখের চেতনা বিরোধী, কারা বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী কায়দায় ’১৪ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার শোভাযাত্রাকে বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। সেই অপশক্তি আজও বাংলার মাটিতে আছে।"

তিনি বলেন, 'আজকের ঐতিহাসিক এই বাহাদুর শাহ পার্ক। এখানে আমাদের ইতিহাসের অনেক স্মৃতি। বাহাদূর শাহ পার্কটি ঐতিহাসিক স্থানটি সংরক্ষণ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে বলব এখানে বাঙালির ইতিহাসের অনেক স্মৃতি, অনেক লড়াই সংগ্রামের স্মৃতি। এই স্মৃতি ধরে রাখতে হবে এবং স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।"

সেতুমন্ত্রী বলেন, 'আজকে বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে বাঙালি সংষ্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে আমাদের চেতনায় ধারণ করে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। হাজার বছরের সবার সেরা বাঙালি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য এই বাংলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি সংস্কৃতির বহমান ধারাকে আমরা বহতা নদীর মতো এগিয়ে নিয়ে যাব বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার অভিমুখে।'

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'বিএনপি হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের, চেতনার, মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ, শত্রু। আসুন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, বাঙালির ঐহিত্যবাহী চেতনায় এই শত্রুপক্ষকে আমরা প্রতিহত করি। পরাজিত করি এবং বিজয়ের লক্ষ্য অভিমুখে এগিয়ে যাই।'

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

পরে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায়, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড, ইউনিয়নসহ যুবলীগ, ছাত্রলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।


বিএনপি ‘গুম-নির্যাতনের’ কাল্পনিক তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ ২০:২৭
বাসস

বিএনপি ‘গুম-নির্যাতনের’ কাল্পনিক তথ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সর্বোস্তরের জনগণ যখন পবিত্র ঈদ উৎসব উদযাপন করছে, নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে প্রতিটি গৃহকোণে পরিবার-পরিজন নিয়ে উৎসবে মাতোয়ারা ঠিক সে সময়ে বিএনপি তথাকথিত ‘গুম-নির্যাতনের’ কাল্পনিক তথ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।’

আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুলের দেয়া বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গুম, হত্যার ঘটনা সর্বৈব মিথ্যা এবং দায়েরকৃত মামলার সংখ্যার তথ্য সম্পূর্ণ বানোয়াট। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপির সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর তারা এখন মনগড়া তথ্য দিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।’

তিনি বলেন, তথাকথিত গুম, খুন ও মামলার সংখ্যা নিয়ে বিদেশী প্রভুদের কাছ থেকে করুণা ও রাজনৈতিক সমর্থন লাভের আশায় বিএনপি নেতারা ধারাবাহিকভাবে সরকার বিরোধী এ অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম ঢালাওভাবে অপপ্রচার না চালিয়ে রাজনৈতিক কারণে তথাকথিত নিপীড়ন-নির্যাতনের কোন ঘটনা ঘটলে সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ বিএনপি নেতাদের সম্পূর্ণ তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশের দাবী জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে মৃত্যুবরণকারী যুবদল নেতা একজন স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মাদকসেবী এবং তার বিরদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকা-ের অভিযোগে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। কোন প্রকার আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সরকার গুরুত্বসহকারে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কিন্তু মির্জা ফখরুল একজন মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ীর মতো একজন অপরাধীর স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনাকে ‘বিরোধীদলের উপর সরকারের নির্যাতন’-এর অভিযোগ এনে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা নেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

সরকার দেশে যেকোন মূল্যে দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধ পরিকর জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল তখন ২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র চালায়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে অপারেশন ক্লিনহার্টসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে মোট ১২২৩ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে ক্রস ফায়ার এবং পুলিশ হেফাজতে হত্যা করে। আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না।


আয়ারল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নবনির্বাচিত আইরিশ প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

নবনির্বাচিত আইরিশ প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা এক চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আমি, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আপনি যে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছেন- নির্বাচনে আপনার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা তার প্রমাণ।’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় আইরিশ সমর্থনের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের জনগণ ১৯৭১ সালে আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের সময় আইরিশ জনগণ ও রাজনীতিবিদদের সমর্থনকে গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি। সাবেক আইরিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেন ম্যাকব্রাইড ও আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্পর্ককে আরো জোরদার করেছিলেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, তখন থেকেই বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সহনশীলতা ও অন্তর্ভুক্তির অভিন্ন মূল্যবোধের পাশাপাশি চলমান বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহযোগিতার ক্ষেত্রে দু’দেশের যৌথ আকাক্সক্ষার গভীরে নিহিত রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে আয়ারল্যান্ডে আমাদের গতিশীল উদ্যোক্তা প্রবাসী বাংলাদেশীরা।’

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তিনি আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও শান্তির পাশাপাশি আগামী দিনে আয়ারল্যান্ডের বন্ধুপ্রতীম জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।


আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বৃহষ্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘সবাইকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। এটি বাংলাদেশ এবং মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পবিত্র ঈদুল ফিতরের মহিমান্বিত আহবানে শান্তি সুধায় ভরে উঠুক বিশ্ব সমাজ। আর মানবতাবাধের বহ্নিশিখা জেগে উঠুক প্রতিটি মানব হৃদয়। আসুন,সমাজের ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র, জাতি-গোষ্ঠী সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের খুশি ভাগাভাগি করে নিই।

সেতুমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ জ্বালানী সংকট আজ বিশ্বব্যাপী। বাংলাদেশও এর থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। এগুলো সাশ্রয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির কাছে আহবান জানিয়েছেন। এই আহবানে সাড়া দিয়ে কৃচ্ছ্রতাসাধনের জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, আসুন, সংযমের শক্তি থেকে আমরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই। উৎসবের এই শক্তি সংহত হোক সকল ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত-সমৃদ্ধ-স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার যে লড়াই, তা অব্যাহত গতিতে এগিয়ে যাক সকল প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসুন, সুখী-সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও উন্নত ‘স্মার্ট বংলাদেশ’ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি। মনের গহীনে আলো জ্বালিয়ে অমানিশার আঁধার দূর করি। সহমর্মিতার সহজাত বাঙালি চেতনায় জাগিয়ে তুলি নিজেকে, সমাজকে, দেশকে। অপেক্ষা করি পরবর্তী সকালের বর্ণময় আরেকটি ঈদের।

ঈদ যাত্রা নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে ঘরমুখো মানুষের বাঁধভাঙ্গা জন¯্রােত দেখা গিয়েছে এবারও। অনেকেই ঈদযাত্রা নিয়ে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা করেছিলেন। তবে সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় সকল সংশয় ও শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এবারের ঈদ যাত্রা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক হয়েছে। ঈদ যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে যারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, আমি তাদের সকলকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।


জিম্মি নাবিকরা ভালো আছেন, উদ্ধারের দিনক্ষণ বলা কঠিন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াইএনটি সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৬:২১
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে আটক বাংলাদেশি নাবিকরা ভালো আছেন, তবে তাদের উদ্ধারের দিনক্ষণ বলা কঠিন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর লেনস্থ ওয়াইএনটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছে আটক জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও নাবিকদের কখন উদ্ধার করা সম্ভব - সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জলদস্যুদের হাত থেকে নাবিক এবং জাহাজ দুটোই উদ্ধার করার ক্ষেত্রেই অল্প সময়ের মধ্যে অনেক অগ্রগতি হয়েছে, আশা করছি শিগগির তাদেরকে মুক্ত করতে পারব। তবে উদ্ধারের দিনক্ষণ বলাটা কঠিন।

‘নাবিকদের পরিবারকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, সরকার সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা করছে, প্রথমত যারা অপহরণ করেছে তাদের সঙ্গে বিভিন্ন পক্ষের মাধ্যমে আলোচনা চলছে। দ্বিতীয়ত তাদের ওপর মনস্তাত্বিক প্রচুর চাপ তৈরি করা হয়েছে। নাবিকরা ভালো আছেন, নিয়মিতভাবে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, এমনকি ভিডিও কলেও কথা বলছে। সুতরাং যে উদ্বেগটা কিছুদিন আগে ছিল সেটি এই মুহূর্তে নেই। আমরা আশা করছি তাদেরকে শিগগির মুক্ত করতে পারব’- বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির নেতা ড. আবদুল মঈন খানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, ‘যাদের জন্মটাই অগণতান্ত্রিক আর প্রতিনিয়ত গণতন্ত্র ধ্বংস করার জন্য অপচেষ্টা চালায়, সেই বিএনপি এখন গণতন্ত্রের কথা বলে, এটিই হচ্ছে দুঃখজনক। এটি যেন, চোরের মায়ের বড় গলা।’

তিনি বলেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করেছিল, ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়েছিল, ড. মঈন খান আর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তাদের শীর্ষস্থানীয় নেতারা যারা আছেন, তারা সেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করার জন্য সন্নিবেশিত হয়ে বিএনপি গঠন করেছিলেন।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শুধু বিএনপির জন্মই অগণতান্ত্রিক নয়, তারা দেশে সবসময় গণতন্ত্র হরণ করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়েছে এবং এখনো চালিয়ে যাচ্ছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর বিডিআর বিদ্রোহের পিছনে তাদের হাত ছিল। নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার উদ্দেশেই সেটি ঘটানো হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ১৩ সালে কী ধরনের সন্ত্রাসী ও জঘন্য মানুষ পোড়ানোর মহোৎসব করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা তারা চালিয়েছিল, আপনারা জানেন। ১৪ সালের নির্বাচনে ৫০০ নির্বাচনি কেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছিল এবং নির্বাচনি কর্মকর্তা ও বিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের হত্যা করা হয়েছিল। সেটির উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনকে ভণ্ডুল করা, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা। ১৮ সালের নির্বাচনেও একই প্রচেষ্টা ছিল। সর্বশেষ ২৪ সালের বিগত নির্বাচন বর্জন করার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালানো হয়।’

চট্টগ্রামে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বৃদ্ধি এবং কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকরা পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘গত মন্ত্রিসভার মিটিংয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় কিশোর গ্যাং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে বিভিন্ন জেলা শহরে এই কিশোর গ্যাং তৈরি হচ্ছে। তাদের ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যাতে যথাযথ পদক্ষেপ নেয় সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘কিশোর গ্যাংদেরকে গ্রেপ্তারের পর স্বাভাবিক জেলে না রেখে সংশোধনাগারে পাঠানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কারণ, সাধারণ জেলে যদি তাদেরকে পাঠানো হয় সেখানে থাকা অন্যান্য সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা আরো ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হয়ে উঠতে পারে। দেশে এটি নতুন সমস্যা, এটিকে দূরীভূত করার জন্য সরকার কাজ করছে। কিশোর গ্যাংয়ের সাথে নেপথ্যে যেই থাকুক, সে যেই দলেরই হোক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং হচ্ছে।’

সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের দেশে রমজান আসার আগে এবং রমজানের সময় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করার জন্য একটি অসাধু চক্র ও কিছু মজুদদার সবসময় সক্রিয় হয়। এবারও তার ব্যত্যয় হয়নি। সেটির সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত হয়েছিল বিএনপির ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাজারকে অস্থিতিশীল করা, পণ্যের মূল্য যাতে বাড়ে। কিন্তু সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এবার রমজানের সময় বাজার স্থিতিশীল ছিল এবং অনেক পণ্যের দাম কমেছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। কয়েক কোটি মানুষ যার যার গন্তব্যে যাচ্ছেন। এই সুযোগে পরিবহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ কেউ বাড়তি ভাড়া আদায় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সরকার বিষয়টি নজর রাখছে। এ ধরনের বাড়তি বাড়া আদায় অযৌক্তিক ও কোনভাবেই সমীচীন নয়।’


বিএনপি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অগণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিভূ বিএনপি সর্বদাই গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি’র নীতি, আদর্শ ও কর্মপন্থা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। রাজনীতির মঞ্চে বিএনপির অবস্থান গণতন্ত্রের বিপরীত মেরুতে। তারা এদেশের গণতন্ত্রের শত্রু ও আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত একটি সন্ত্রাসী দল।

তিনি বলেন, সামরিক স্বৈরাচারের হাতে প্রতিষ্ঠিত বিএনপি গায়ে গণতন্ত্রের আলখেল্লা জড়ালেও, ভেতরে অগণতান্ত্রিক প্রেতাত্মাকে ধারণ করে। তাই সাংবিধানিক ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রতি তাদের কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই। অগণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিভূ বিএনপি সর্বদাই গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিল। বিএনপি তাদের মজ্জাগত সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে আড়াল করার অপচেষ্টা করে। কিন্তু তাদের স্বরূপ আজ জাতির কাছে এবং আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে স্বীকৃত। কানাডার ফেডারেল আদালত কর্তৃক বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত হয়েছে।
তিনি বলেন, লাগাতারভাবে ভুল নীতি ও ভুল কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি ভুলের চোরাবালিতে নিমজ্জিত। এখান থেকে উত্তরণের জন্য তাদের স্বভাবজাত পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তারা আরও গভীরে পড়ে যায়। বিএনপি’র রাজনীতি চরমভাবে দুর্দশাগ্রস্ত। ভুল রাজনীতির কারণে তাদের নেতাকর্মীরা হতাশাগ্রস্ত।

কাদের বলেন, ব্যর্থ বিএনপির উদ্ভ্রান্ত নেতাকর্মীরা জনগণের মাঝে হতাশার বীজ বপনের অপচেষ্টা করছে। তাদের সামনে কোনো স্বপ্ন নেই। তাই বিএনপির নেতারা ইতিবাচক কোনো কিছু দেখতে পায় না। বরং নেতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে দেশ ও জনগণের ক্ষতি সাধনে সর্বদা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। তাদের এ ধরনের কর্মকান্ড দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এ দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সকল প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। আগামীর বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ স্মার্ট বাংলাদেশ।


বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি এবং শিক্ষার পরিবেশ দু'টিই থাকা উচিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১৯:৫০
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বুয়েটে যেমন অবশ্যই ছাত্র রাজনীতি থাকা উচিত তেমনই শিক্ষার পরিবেশ যেন বজায় থাকে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

বাংলাদেশের সমস্ত অর্জনের সাথে ছাত্র রাজনীতি এবং ছাত্রলীগ যুক্ত উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, আমাদের স্বাধীনতাসংগ্রামে, স্বাধীনতাযুদ্ধে, স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে দেশ গঠনে এবং এরশাদ এবং জিয়া যখন আমাদের গণতন্ত্রকে শিকল পরিয়েছিল, গণতন্ত্রকে বন্দী করেছিল সেই গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লক্ষ্যে ছাত্রলীগ ভূমিকা রেখেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বুয়েটে ছাত্র রাজনীতিই অবদান রেখেছে, সেই ছাত্র রাজনীতি থেকে অনেক দেশ বরেণ্য রাজনীতিবিদের জন্ম হয়েছে যারা দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে, দিচ্ছে। কিন্তু আমি অবাক সেখানে একটি দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা হয় এবং ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার জন্য আবার সেখানে আন্দোলনও হয়। এটা কোনভাবেই গণতান্ত্রিক নয় এবং হঠকারী সিদ্ধান্ত বলেই আদালত বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই আদেশ বাতিল করেছে এবং সেখানে ছাত্র রাজনীতি দুয়ার খুলেছে।

ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ছাত্রলীগকে বলবো সেখানে যেন নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতি হয়, হিংসা-বিদ্বেষের রাজনীতি যেন না ঢোকে। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মতান্ত্রিক ছাত্র রাজনীতি থাকা প্রয়োজন, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের নেতা তৈরি হয়।

এ সময় নিজের জীবনের উদাহরণ দিয়ে হাছান বলেন, আমি ১৫ বছর বয়সে ক্লাস টেনে পড়ার সময় থেকে ছাত্রলীগের কর্মী, ১৬ বছর বয়সে ছাত্রলীগের কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক হয়েছি।

মন্ত্রী হাছান বলেন, রাজনীতি যে দেশ ও মানুষের সেবা এবং সমাজ পরিবর্তনের একটি ব্রত, সেটি অনেক রাজনীতিবিদরা ভুলে গেছে, প্রকৃতপক্ষে রাজনীতি কারো পেশা হওয়া উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বস্তুগত উন্নয়নের সাথে একটি মানবিক ও সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করতে চাই। সেই লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধুকন্যা বহু কল্যাণ ভাতা চালু করেছেন। সেই ব্রত ধারণ করেই আজকে ছাত্রলীগ দুস্থ অসহায় মানুষের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছে এজন্য তাদেরকে অভিনন্দন।
সভাশেষে সামগ্রী নিতে সমবেত মানুষের মাঝে উপহার বিতরণ করেন মন্ত্রী।


গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই: কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তারা এ দেশে গণতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়নের প্রধান প্রতিবন্ধক।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি নেতৃবৃন্দের মিথ্যাচার ও দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এই বিবৃতি প্রদান করা হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্রের হত্যাকারীরা যখন গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলে তখন বুঝতে হবে, তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য তাদের মায়াকান্না ছাড়া আর কিছু নয়। গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য তাদের এই আহাজারি মূলত একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড, হাওয়া ভবন-খোয়াব ভবনের অধিপতি, দুর্নীতি-সন্ত্রাস ও দুর্বৃত্তায়নের বরপুত্র তারেক রহমানের দুঃশাসনের যুগে দেশকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য। এ দেশের গণতন্ত্রকামী দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ এই অন্ধকারের অপশক্তির বিরুদ্ধে আজ ঐক্যবদ্ধ।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, স্বৈরাচারের গর্ভে জন্ম নেওয়া বিএনপি সুপরিকল্পিতভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও মূল্যবোধ এবং গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপিই এ দেশে গণতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়নের প্রধান প্রতিবন্ধক। বিএনপি নেতৃবৃন্দের উচিত ছিল তাদের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের জন্য জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করা। অথচ তারা সেটা না করে বরাবরের ন্যায় দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘জিয়ার তথাকথিত গণতন্ত্র ছিল কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র! লাগাতার সামরিক শাসন বলবৎ রেখে জনগণের ওপর দুঃশাসনের স্টিমরোলার চালানো হয়েছিল। ১৯৭৮ সালের ৩ জুন একইসঙ্গে সেনাপ্রধানের দায়িত্বে থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করে গণতন্ত্রকামী জনগণের সঙ্গে নির্মম তামাশা করেছিল স্বৈরাচার জিয়া; অবৈধভাবে একই সঙ্গে সেনাপ্রধান, প্রধান সামরিক আইন কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রপতির পদ দখল করে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করেছিল।’

তিনি বলেন, স্বৈরাচার জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন করেছিল। জাতিকে মিরপুর ও মাগুরা মার্কা উপ-নির্বাচন উপহার দিয়েছিল বিএনপি! নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারায় আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন গঠন এবং ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার সৃষ্টি করেছিল বিএনপি।

তিনি বলেন, ২০০১ পরবর্তী সময়কালে বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনামলে ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বাংলাদেশ স্বপ্নের পথে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতে মানবসভ্যতার ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করা হয়েছিল। পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করা হয়েছিল। একইভাবে হন্তারকের দল ৩রা নভেম্বর জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছিল।

তিনি বলেন, সেদিন ঘাতকচক্র অসহায় নারী, শিশুকে নির্বিচারে হত্যা করেছিল। সেদিন কোথায় ছিল গণতন্ত্র? কোথায় ছিল মানবাধিকার? ১৯৭৫-এর নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের পর খুনি জিয়ার হাতে জন্ম নেওয়া বিএনপি যখন গণতন্ত্রের কথা বলে, মানবাধিকারের কথা বলে, ইতিহাস তখন বিদ্রূপের হাসি হাসে।


পাহাড়ে কুকিচিনের সশস্ত্র তৎপরতা বিচ্ছিন্ন ঘটনা: ওবায়দুল কাদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পাহাড়ে কুকিচিনের সশস্ত্র তৎপরতা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সরকার এ নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক এবং শক্ত অবস্থান নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কুকিচিন পুরো পাহাড়ে অশান্তি তৈরি করতে পারবে না। সরকার শক্ত অবস্থান নিয়েছে। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। সার্বিকভাবে পাহাড়ে শান্তি বিঘ্নিত হবে না।’

ওবায়দুল কাদের আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওই এলাকা ঘুরে এসেছেন। সেখানে যৌথ অভিযান চলছে। বিএনপি তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে ইস্যু খোঁজে। মিয়ানমার ইস্যুতে ব্যর্থ এখন কুকিচিন ইস্যু। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এর দ্বারা গোটা পাহাড়ের সার্বিক শান্তি পরিস্থিতিতে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। কাজেই এটা নিয়ে নতুন ইস্যু খুঁজেও ব্যর্থ হবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন করার সামর্থ্য নেই। শক্তি সামর্থ্য সবই তারা হারিয়ে ফেলেছে। নেতা-কর্মীরা দলটির নেতৃত্বের উপর হতাশ। তারেকের উপর হতাশ। তাদের নেতা দেশে নেই, রিমোট কন্ট্রোলে আন্দোলন হবে? এটা কি সম্ভব! আন্দোলন করতে হলে রাজপথে এসে করতে হবে। রিমোট কন্ট্রোলের ডাকে জনগণ সাড়া দেবে না।’

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘একটা রাজনৈতিক দল যারা তাকে দেশনেত্রী বলেন, তাকে মুক্তির জন্য মির্জা ফখরুল কি আন্দোলন করেছেন? পাঁচশত লোকের একটা মিছিলও করতে পারেননি। আইনি লড়াইয়ে আদালত উপেক্ষা করে বার বার সময় ক্ষেপণ করেছেন। এটা না করলে বিষয়টা অনেক আগেই সেটেল হয়ে যেত। বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ। বেগম জিয়ার আইনি লড়াইয়েও ব্যর্থ। তাদের এখন চোখের পানি, কান্না, দীর্ঘশ্বাস- এগুলো সম্বল।’

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রার্থিতা উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। নির্বাচন উন্মুক্ত মানে উন্মুক্ত পরিবেশে নির্বাচন করার ইচ্ছা বাসনা অনেকেরই থাকতে পারে। আমাদের বক্তব্য এমপি সাহেবরা বা মন্ত্রী মহোদয়রা কোথাও কোন প্রভাব বিস্তার করবেন না। প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকবে। প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে কেউ হস্তক্ষেপ করলে তা যেন সফল করতে না পারে। আর প্রার্থিতা চূড়ান্ত হওয়ার পর কেউ দলীয় নির্দেশ অমান্য করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের আগাম সম্মেলন হবে কিনা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সম্মেলন করবে। এটা বিএনপি নয়। সময় মতো আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে, আগাম নয়।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া এবং উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন।


বিএনপি মূলধারার রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন: জাহাঙ্গীর কবির নানক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপি মূলধারার রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। রাজনীতি থেকে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে বিএনপি এখন সমালোচনার জন্য শুধু সরকারকে বেছে নিয়েছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঘরে বসে বসে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলে। ভুল সিদ্ধান্তের কারণে দলটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

জাহাঙ্গীর কবির নানক শনিবার ঢাকা-১৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত মোহাম্মদপুর, শেরেবাংলা নগর ও আদাবর থানার বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নানক বলেন, ‘আপনারা দোয়া করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশমতো রমজানে আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটি নেতা-কর্মী আগে যেমন সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, তেমনি এখনো আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে।’

ওই সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমান, স্থানীয় কাউন্সিলর, আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


বিএনপি একটি রাজনৈতিক দৈত্যের দল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, হরর বা ভয়ের সিনেমায় দেখা যায় যে, দৈত্য মানুষ পোড়ায়। বিএনপি যেভাবে মানুষের ওপর হামলা পরিচালনা করেছে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, তাতে করে এসব বিএনপির বেলায়ও প্রযোজ্য।

হরর মুভির মতোই বিএনপি একটি রাজনৈতিক দৈত্যের দল। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘একটি দৈত্য সবকিছু খেয়ে ফেলছে’ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আজ শনিবার চট্টগ্রাম নগরীর ওয়াইএনটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে ধ্বংস করার জন্য তারেক জিয়াই যথেষ্ট, আর কাউকে লাগবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যতদিন তারেক জিয়া তাদের নেতা থাকবে ততদিন বিএনপির কোনো সম্ভাবনা নেই।

মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বাজার অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিএনপি ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছিল; কিন্তু তাদের এই ডাকে দেশের কেউ সাড়া দেয়নি, এমনকি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও সাড়া দেয়নি। বাজার আমরা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি। অনেক পণ্যের দামও কমেছে।’ ঈদকে সামনে রেখেও অসাধু সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় হওয়া কঠোরহস্তে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর এবং এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও বিরাট ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো পণ্যের দাম বাড়লে যেমন প্রচারিত হয়, দাম কমলে সেটিও গণমাধ্যমে প্রচার হওয়া দরকার।’

কেএনএফের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান

ওই সময় পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ বিদেশি সহযোগিতা নিয়ে ব্যাংক লুঠ, ডাকাতিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে -এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্য চাইলে ড. হাছান সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আশেপাশের সন্ত্রাসীদেরও যোগাযোগ আছে, পার্শ্ববর্তী দেশে যারা এরই মধ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছিল তাদের অস্ত্রশস্ত্র এদের কাছে এসেছে বলে জানা গেছে। আপনারা দেখছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে, ইতোমধ্যে ব্যাংক ম্যানেজারকে মুক্ত করা হয়েছে। তাদের নির্মূল করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

নাবিক ও জাহাজ উদ্ধারে আলোচনা-চাপসহ সর্বমুখী প্রচেষ্টা

সোমালি জলদস্যুদের হাতে আটক এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের নাবিকদের ঈদের আগে কাছে পেতে স্বজনদের আবেদন, ‘নাবিক ও জাহাজের মুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান বলেন, সর্বমুখী প্রচেষ্টা পরিচালনা করা হচ্ছে। যারা হাইজ্যাক করেছে তাদের সাথে আলাপ আলোচনা চলছে। নাবিকরা ভালো আছে। তাদের খাবার-দাবারেরও কোনো অসুবিধা নেই, তারা কেবিনে আছে। যেহেতু আলোচনা অনেকদুর এগিয়েছে, আমরা আশা করছি সহসা তাদের মুক্ত করা সম্ভব হবে।’ দস্যুদের ওপর চাপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেই জাহাজের আশেপাশে বিদেশি জাহাজও প্রস্তুত আছে। আলোচনার পাশাপাশি হাইজ্যাকারদের ওপর নানা চাপও রয়েছে। দিনক্ষণ বলা সম্ভব নয়, তবে এ ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। নাবিকদের ছুটির বিষয়টিও পরিষ্কারভাবে তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাহাজে যারা চাকরি করেন ঈদের আগে পরে হিসেব করে তাদের ছুটি হয় না। তারা যান ৬ মাস কিংবা এক বছরের জন্য। এই জাহাজ যদি হাইজ্যাক নাও হতো, ঈদের আগে জাহাজ ছেড়ে তাদের পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার কথা ছিল না।


সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: শেখ পরশ

মতিঝিলের টিঅ্যান্ডটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শনিবার সকালে যুবলীগের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, ইতিহাসের কী নিদারুণ নিটোল পরিণতি; একজন পিতা হাজারো অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করে বিশ্বের বুকে আদর্শিক একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন, আবার তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা ওই স্বাধীন দেশকে অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ সব দিক থেকে বিশ্বের বুকে সফল রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করেছেন। পিতা ও কন্যার এমন সাফল্য, সুযোগ্য নেতৃত্ব বিশ্বের ইতিহাসে সত্যিই বিরল। দুই প্রজন্ম ধরে এমন কৃতিত্বের ফলে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সংগঠন, আওয়ামী লীগের গভীর বন্ধন সৃষ্টি হয়েছে।

মতিঝিলের টিঅ্যান্ডটি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আজ শনিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যুবলীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত ১৫ বছরে এত অর্জন সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজকে যে ষড়যন্ত্র চলছে সেটা এ দেশের উন্নয়ন ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, এ দেশের মেহনতি-কর্মজীবী মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, আপনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। সব ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় আমাদের অসম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি, পঁচাত্তরের ঘাতক এবং তাদের দোসরদের সামনে একমাত্র বাধা শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে ছলে-বলে-কৌশলে দুর্বল করতে পারলেই পরাজিত শক্তি উত্থান হতে পারে। সে কারণে এই সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণের এক পরিকল্পিত নীলনকশার বাস্তবায়ন চলছে। এই নীলনকশার অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে মিথ্যাচার এবং অপপ্রচার। সারাক্ষণ শেখ হাসিনার গণমানুষের সরকারকে ফ্যাসিবাদী, কর্তৃত্ববাদী এবং আধিপত্তবাদি দানব সরকার বলে লেবেল করে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল সাহেবরা। ফ্যাসিবাদের প্রকৃত সংজ্ঞাই মানুষ এখন ভুলে গেসে এদের মিথ্যাচারের ফলে।

শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, ’৭১-এর ঘাতক এবং ’৭৫-এর ঘাতকদের নিয়ে যেই দলের সৃষ্টি, যেই দল যখনই ক্ষমতা দখল করেছে সর্বদা এ দের মানুষকে শোষণ, নিপীড়ন এবং নির্যাতন করেছে, তারা এখন শেখ হাসিনার জনগণের সরকারকে সারাক্ষণ গালিগালাজ করে যাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমে এত গালি-গালাজ করেও মিথ্যাচার করছে, ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নাই”! বলে এই ওদের চরিত্র। জনসমর্থন অর্জন করার ক্ষমতা নাই কিন্তু স্বপ্ন দেখছে যে জনগণ ওই খুনিদের ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর থেকে বেড় হয়ে আসবে।

প্রধান অতিথির ওবায়দুল কাদের বলেন, এরা ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব গিলে খাবে, গণতন্ত্র গিলে খাবে, মানুষের নিরাপত্তা গিলে খাবে, গোটা বাংলাদেশ গিলে খাবে। বিএনপি এখন গলার জোড় আর মুখের বিষ ছাড়া শক্তিহীন হয়ে পড়েছে। শক্তি যখন কমে যায় তখন মুখের বিষ বেড়ে যায়। শক্তি কমে গেছে, নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, আন্দোলনের ব্যর্থ হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিয়ে বিএনপির মাথা ব্যথার কারণ নেই মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় আছেন ততদিন গণতন্ত্র, স্বাধীনতা নিরাপদ থাকবে এই কথা আমি গভীর প্রত্যয়ের সঙ্গে বলতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে উঠে পত্রিকায় তাকালেই দেখি মির্জা ফখরুল বলছেন দেশে এক ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে, কোথায়? বাংলাদেশের একটা লোক না খেয়ে মরেছে? সংকট আছে, কষ্টে আছে। দুনিয়ার অনেক দেশের চেয়ে আমরা ভাল আছি, আল্লাহর রহমতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের সংকট কেটে যাবে আশা করি।’

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, তারা (বিএনপি) সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে পাকিস্তানি রাষ্ট্র বানানোর স্বপ্ন দেখে। যারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল, যারা জাতির পিতাকে হত্যা করেছিল, তারা সংবিধানকে পদদলিত করেছিল, যারা বহু দলীয় গণতন্ত্রের নামে বাংলাদেশের মানুষের অধিকারকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল সেই বিএনপি-জামায়াত এখনো বাংলাদেশের মানুষকে বিপথগামী করতে চায়, অপরাজনীতি ও সাম্প্রদায়িক শক্তি বিএনপি-জামাতের বিপক্ষে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে তাদের বিষদাঁত ভেঙে দিতে হবে।

সঞ্চালকের বক্তব্যে মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী যুবলীগের নেতা-কর্মী নির্দেশনা দিয়েছেন নিজেরা দামি দামি খাবার দিয়ে ইফতার না করে ইউক্রেন-রাশিয়ার এই যুদ্ধের মধ্যে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে; মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। বঙ্গবন্ধুকন্যার নির্দেশেই বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ দেশের সব জেলা-মহানগরের সাধারণ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করছে; অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. হাবিবুর রহমান পবন, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, আবু মনির মো. শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল, মশিউর রহমান চপল, অ্যাডভোকেট ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক কাজী সারোয়ার হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মো. শামছুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, ক্রীড়া সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মো. হারিছ মিয়া শেখ সাগর, ধর্ম সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান সরদার, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. রাশেদুল হাসান সুপ্ত, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া শামীমসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।


banner close