শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

নির্বাচনে বাধা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা নীরব কেন : ওবায়দুল কাদের

ফাইল ছবি
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ২৯ নভেম্বর, ২০২৩ ২২:০৭

যারা প্রকাশ্যে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে কর্মসূচি দিচ্ছে তাদের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা ও দেশের তথাকথিত সুশীল সমাজ নীরব কেন এ প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে বাধা দিতে হরতাল, অবরোধ, নাশকতা চালানোর পর তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে কেউ কথা বলছে না। তার প্রশ্ন, তারা যা করছে এটা কী আন্দোলন? এটা তো নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করা। নির্বাচনকে যারা বাধাগ্রস্ত করছে, তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আসার কথা। এসব যে চলছে, এ ব্যাপারে কারো কোনো কথা নেই, সভ্য গণতান্ত্রিক দেশ অনেক বিষয়ে কথা বলে, কিন্তু এখানে নীরব কেন?

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে যারা মানবাধিকারের কথা বলে, বাংলাদেশের সুশাসনের কথা বলে, যারা ফ্রি ফেয়ার নির্বাচনের কথা বড় গলায় বলে, তারা আজকে একটা পক্ষের এসব অপকর্ম, গণতন্ত্র ও সংবিধানবিরোধী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে কেন নীরব। এটা নিয়ে তো কেউ কিছু বলছে না। নির্বাচনকে যারা প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, যারা বাধা দিচ্ছে, তাদের ব্যাপারে তারা কেন নীরব? আমাদের দেশে যারা সুশীল সমাজ যারা মানবাধিকারের কথা বলেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন।’

বিএনপি অবরোধ কার বিরুদ্ধে করছে প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা হরতাল ডাকছে কার বিরুদ্ধে, এটা তো নির্বাচনের বিরুদ্ধে, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে এসব কর্মকাণ্ড করছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা শুনেছিলাম আন্তর্জাতিকভাবে, নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে এমন কোনো কর্মকাণ্ড হলে, সেটা নির্বাচনবিরোধী কর্মকাণ্ড বলে বিবেচিত হওয়ার কথা। এখন তো সবাই নীরব। এখন কেউ কিছু বলে না। ইউরোপও কিছু বলে না, আমেরিকাও কিছু বলে না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হরতাল অবরোধকে কি কোনোভাবে ঢেকে রাখা যায়? পুলিশ হত্যাকে কী কোনোভাবে ঢেকে রাখা যায়? প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা, গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করছে, এগুলো কী অন্ধকারে ঢেকে রাখা যাবে? এগুলো তো প্রকাশ্যে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আজকের বিশ্বে এখানকার খবর সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে যেতে কতক্ষণ লাগে? এখানকার কোনো খবর ল্যাটিন আমেরিকার কোনো দেশ বা দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো দেশে পৌঁছতে কি দেরি হচ্ছে? ওয়াশিংটনের পৌঁছতে কি দেরি হচ্ছে? এসব নিয়ে তো কোনো কথা আমরা শুনছি না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা অপকর্ম ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা তো হবে। আপনি প্রকাশ্যে পুলিশকে খুন করেছেন, সেটার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে না? তাদের জেলে পাঠানো হবে না? এটা কোন সভ্য দেশে আছে?
তিনি বলেন, ‘একটি পক্ষ নিজেরাই নির্বাচনের বাইরে আছে। কেউ তাদের বাইরে রাখেনি। আমরা বারবার বলে যাচ্ছি, আমরা চাই না কেউ নির্বাচনের বাইরে থাকুক।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে সংবিধানে একটি সময়সীমা আছে, সেই সময়সীমা অতিক্রম করে তফসিল পরিবর্তন আমরা কখনো সমর্থন করব না। সময়সীমাকে অতিক্রম করবে এমন কোনো পদক্ষেপ, এমন কোনো পরিবর্তন আমরা সমর্থন করব না।’

১৪ দলের শরিকদের আসন ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘শরিক হলেই তাকে নমিনেশন দেয়া হবে না। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার যোগ্য প্রার্থী না হলে শুধু শরিক বলেই কাউকে মনোনয়ন দেবে না আওয়ামী লীগ।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।


আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীতে লাখো মানুষের ঢল নামিয়ে দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (প্লাটিনাম জুবিলি) উপলক্ষে ‘বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও শোভাযাত্রা’ করেছে উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আগামী ২৩ জুন দলটির ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে দলটি। যানজট এড়াতে শোভাযাত্রাটি ছুটির দিন আজ শুক্রবার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগরীর ১৫টি নির্বাচনী এলাকা, ৪১টি থানা এবং শতাধিক ওয়ার্ড থেকে অজস্র মিছিলের স্রোত এসে মিশেছে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে। পুরো রাজধানীই পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। ৫২ বছর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের যে স্থানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল ঠিক সেই স্থান থেকেই শোভাযাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ।

দলের প্লাটিনাম জুবিলি উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড এবং মিরপুর রোড হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি-বিজড়িত বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান-সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের সামনে রাস্তার ওপর স্থাপিত মঞ্চে শোভাযাত্রা-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও সুজিত রায় নন্দী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমদ মন্নাফি, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট-সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে শোভাযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে বিএনপি-জামায়াতসহ দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন দলের নেতারা।

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় দলীয় নেতা-কর্মীসহ নেমেছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষের ঢল। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে একযোগে বিজয় শোভাযাত্রা করে মিলিত হয় সোহরাওয়ার্দীর সামনে। অজস্র মিছিলের স্রোতে দুপুর ২টার আগেই শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন মোড় পর্যন্ত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় বিভিন্ন ট্রাকে লাগানো মাইকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করা হয়।

শোভাযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি সংবলিত পোস্টার, প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সামনে হাজির হয় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে লাল-সবুজ টি-শার্ট, ক্যাপ, শাড়ি পরে, হাতে নৌকা, ফেস্টুন ও ব্যানার নিয়ে, নেচে-গেয়ে জনতার স্রোত নামে রাজপথে।

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, তাঁতী লীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় অংশগ্রহণ করেন।

শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শাখা থেকে নেতা-কর্মীরা নানা সাজে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করেন। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় দেখা মিলেছে দুটি হাতির, যা শোভাযাত্রায় আসা নেতা-কর্মীদের বিশেষ দৃষ্টি কেড়েছে। হাতি দুটির ওপর দুইজন করে চারজন মাহুতকে দেখা গেছে।

দলীয় কোনো নেতা-কর্মী হাতির পিঠে না চাপলেও হাতির মাথার সামনে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিমের ছবি সংবলিত পোস্টার। এ ছাড়া হাতির পিঠে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে তৈরি করা বিশাল ব্যানার বাঁধা হয়েছে।

বিষয়:

আওয়ামী লীগ কচুপাতার ওপর শিশির বিন্দু নয়: কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ জুন, ২০২৪ ১৭:৩৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছেন- পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ। কচুপাতার ওপর শিশির বিন্দু আওয়ামী লীগ নয় যে একটু টোকা লাগলেই পড়ে যাবে। একটু ধাক্কা লাগলে সরে যাওয়ার পাত্র নয় আওয়ামী লীগ। বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপি হচ্ছে ভুয়া। ভুয়া দলের সঙ্গে জনগণ নেই।

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার বিকেলে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধনীতে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, আন্দোলন করবেন? ২৮ অক্টোবরের মতো পালিয়ে যাবেন না তো? বিএনপির আন্দোলন ভুয়া। বিএনপির নেতৃত্ব ভুয়া। এই ভুয়া দলের ভুয়া আন্দোলনে জনগণ নেই। আগেও ছিল না ভবিষ্যতেও থাকবে না। যে আন্দোলনে জনগণ নেই সেই আন্দোলন, আন্দোলন নয়।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়, ব্যক্তি অপরাধ করলে দুদক স্বাধীন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার করার সৎ সাহস আছে শেখ হাসিনার। আজকে যে চক্রান্ত চলছে এটা আওয়ামী লীগকে হটানোর জন্য কি না এটা ভেবে দেখতে হবে। আজকে আন্দোলনের নামে যদি আবার আগুন নিয়ে মাঠে নামে, খুনের রাজনীতি করেন, আওয়ামী লীগ তার জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।

নেতাকর্মীদের গুজবের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাবধানে থাকবেন, সতর্ক থাকবেন। ফখরুলরা আজ গুজব ছড়াচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে৷ সেনাবাহিনীর প্রতিও তাদের সেই মতলব আছে। তারা আজকে গুজব ছড়িয়ে আওয়ামী লীগকে দুর্নীতিবাজ দল বানানোর চক্রান্ত চলছে।

আওয়ামী লীগ বিরোধী অপপ্রচারে গণমাধ্যমও জড়িত দাবি করে তিনি বলেন, কিছু কিছু মিডিয়া সেই অপপ্রচারে নেমেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তি নিয়ে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আছে। আওয়ামী লীগ মাথা নত করার দল নয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।


‘জিয়া-খালেদা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বৈরী করে দেশের ক্ষতি করেছে’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করে দেশের ক্ষতি করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের সঙ্গে সব সমস্যা আলোচনার টেবিলে সমাধান করবো। বন্ধুত্বপূর্ণ, ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানজনক সম্পর্ক চাই। জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে কারও সঙ্গে সম্পর্ক রাখবো না।

সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সিলেটে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ত্রাণ কার্যক্রম এবং উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে। সিলেট অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিদের পানিবন্দি মানুষকে সাধ্যমতো সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার ছাড়া আমাদের তিন দিক ভারত বেষ্টিত। তাই যেকোনো সমস্যার সমাধান করব আলোচনার মাধ্যমে। আমাদের যে সীমান্ত সমস্যা ছিল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তা পার্লামেন্টে তুলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সে সমস্যা সমাধানে সম্পূর্ণভাবে কাজ করছেন।

কাদের বলেন, পৃথিবীর কোথাও কখনো শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু আমাদের দেশে তা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে, কারণ আমরা সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই। সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ থাকলে আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো সমস্যার সমাধান করা যায়। অথচ জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ভারতের সঙ্গে বৈরিতাপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। খালেদা জিয়া তো ভারতে গিয়ে গঙ্গার পানিচুক্তির কথা বলতেই ভুলে গিয়েছিলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভাসহ ১০ দফা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। রাজধানীতে শুক্রবার (২১ জুন) বেলা ৩টায় শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।


সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই বেশি ব্যথা লাগবে: কাদের

সচিবালয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বুধবার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চান‌ আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াই‌। তাদের উসকানির ফাঁদে আমরা পড়তে পারি না। আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ, এ জাতির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিকার লড়াইয়ে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

সচিবালয়ে সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে আজ বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যদি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন করে, তবে বাংলাদেশ বসে বসে আঙুল চুষবে না বলেও এসময় মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল তখন (মুক্তিযুদ্ধের সময়) কী করেছেন, কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন, তা জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে।’

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে বলে বিএনপি যে অভিযোগ করেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দলের একটা ভাষা আছে– সরকারি দলের সিদ্ধান্তকে তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি।’

যেকোনো উসকানির মুখে বাংলাদেশ যুদ্ধে না জড়িয়ে আলাপ-আলোচনায় সমাধানে বিশ্বাসী বলেও মত দেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

কাদের বলেন, ‘সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়েছে সে জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সবশেষ যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনও অনেকে উসকানি দিয়েছিল। আমাদের আকাশসীমা কখনো কখনো অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন ওয়াশিংটনে। তখন বাহিনী প্রধানদের তিনি ফোন করে নির্দেশ দেন, যেকোনো অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে না যাই। মিয়ানমার উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করব। একটা সমাধান বের করব, যুদ্ধে জড়াব না।

তিনি বলেন, সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়, যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকব, আমরা বসে বসে আঙুল চুষব? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে। তাদের (মিয়ানমার) অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে, এটা সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন না। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। সেটার জন্য কেনো মিয়ানমার সরকারকে দায় দেব? যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা দেখব।


যতই প্রভাবশালী হোক দুর্নীতি করলে কারো ছাড় নেই: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ ঘোষণা দিয়েছেন এবং দুদককেও স্বাধীন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যতই প্রভাবশালী হোক দুর্নীতি করলে কারো ছাড় নেই।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। যে যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, দুর্নীতি করলে তদন্ত হবে। দুদক এটি করবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়তে চায় না। সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তেমন অভিযোগ আসেনি। তবে দুর্নীতি হলে তদন্ত হবে, বিচার হবে। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুদকও স্বাধীন। যে যতো প্রভাবশালী হোক তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত করা যাবে। তদন্ত শেষে মামলা করা যাবে, মানে বিচারের আওতায় আসবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আছাদুজ্জামান মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত করেনি। তার ব্যাপারে কি করে জানবো? সরকারের নজরে আসার আগে সরকার কিভাবে ব্যবস্থা নেবে? যখনই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নজরে এসেছে ব্যবস্থা নিয়েছি। গণমাধ্যমে আসার পর কিংবা সরকারের নজরে আসার পর সরকার কারো দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি এমন ঘটনা ঘটেনি।

মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ঈদের আনন্দ নেই, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এতো কিছুর পরেও মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদের আনন্দ নেই, বিএনপির এমন মন্তব্য ঠিক নয়। পবিত্র ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও সমালোচনা করতে ছাড়েননি তারা।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে ১ কোটি ৪ লাখের বেশি গবাদিপশু কোরবানি হয়েছে। গতবারের চেয়ে এবার প্রথম দিনেই ৩ লাখের বেশি কোরবানি হয়েছে। মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে, বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সমালোচনা করে বিএনপিসহ তাদের সমর্থকরা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। মূল্যস্ফীতি আছে তবে এটা কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে। আলোচনার বিষয়বস্তু প্রধানমন্ত্রী নিজেই ঠিক করে রেখেছেন। তিস্তা বা গঙ্গা চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে কি-না এটি এখনও জানা নেই।

মিয়ানমারের ব্যাপারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সার্বভৌমত্বেও কোথায় আঘাত করছে তারা? বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের কোনো লঙ্ঘন মিয়ানমার সরকার করেনি।


‘কোরবানির তাৎপর্য অনুধাবন করে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোরবানির তাৎপর্য ও মর্মার্থ অনুধাবন করে সমাজে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ সোমবার দেওয়া এক শুভেচ্ছা ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদে আমি দেশবাসীসহ প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি সবাইকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা- ঈদ মোবারক।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, বছর ঘুরে আবার এসেছে ঈদ-উল-আজহা। ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের নিদর্শনে ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। আমাদেরকে কোরবানির তাৎপর্য এবং মর্মার্থ অনুবাধন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে। আর এজন্য সবাইকে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হওয়ার বিকল্প নেই।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অর্জনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভারসাম্যপূর্ণ, শোষণহীন, ন্যায়নিষ্ঠ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তা সফল করতে প্রয়োজন নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগ। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ত্যাগের আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলে প্রতিষ্ঠিত হবে প্রত্যাশিত শান্তি ও সৌহার্দ্য।

দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একটি অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কর্ম ও চিন্তায় ত্যাগ, আনুগত্য এবং সততা চর্চায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘ঐক্যের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অভিমুখে এগিয়ে যাওয়ার পথ রচনা করতে হবে।’


সেন্টমার্টিন দখল হয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সেন্টমার্টিন দখল হয়ে যাচ্ছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত এসব গুজব ছড়াচ্ছে। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা যারা অনুপ্রবশ করেছিলো,তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিএনপি পারে শুধু অর্বাচীনের মতো হাস্যকর মন্তব্য করতে। এখনও সেটাই করছে। সেনাবাহিনীসহ দায়িত্বপ্রাপ্তরা সতর্ক অবস্থায় আছে।

আজ রোববার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়ানমার সীমান্ত সরকারের কঠোর নজরদারিতে রয়েছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ কারও সঙ্গে কখনও নতজানু আচরণ করেনি। মিয়ানমার সীমান্তে কঠোর নজরদারি করছে বাংলাদেশ, আমরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছি।’

তিনি যোগ করেন, সেন্টমার্টিন পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিয়েছেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। সেন্টমার্টিনে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটা করেছে আরাকান আর্মি। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় বাহিনী সেটা করেনি।

সেন্টমার্টিনে খাদ্যবাহী জাহাজ নিয়মিত যাতায়াত করছে জানিয়ে ওবায়দুর কাদের বলেন, আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাই। গায়ে পড়ে মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধ বাঁধানোর কোনো প্রয়োজন নেই বাংলাদেশের।

তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ফিরে যেতেই হবে। সেই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত আছে। আমরা কোনো নতজানু আচরণ করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে প্রায়ই মর্টার শেল ও ভারী গোলার বিকট আওয়াজে কেঁপে ওঠে কক্সবাজারের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা আক্রান্ত হলে ছেড়ে দেবো না। তবে আমরা আক্রমণ করব না, কিন্তু আমাদের প্রস্তুতি আছে।’

আজ শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার পরিবর্তনের জন্য গণঅভ্যুত্থান বা নির্বাচন করতে হবে। আমাদের দেশের সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমটা নির্বাচন। জনগণের ভোটে সরকার পরিবর্তিত হয়। ২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি নির্বাচন হয়ে গেছে। এখন প্রসঙ্গ হলো গণঅভ্যুত্থান। তারা তো বলে কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারের পতন ঘটবে। এটা হাস্যকর। তাদের নেতা-কর্মীরা তো এখন আন্দোলন করছেন না। তাদের পার্টির নেতাকর্মীদের আন্দোলনের মানসিকতা নেই। জনগণ যে আন্দোলনের সম্পৃক্ত থাকবে না, সেটা কোনদিন গণঅভ্যুত্থান হতে পারে না।

এদেশের ৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, এরপর কোনো গণঅভ্যুত্থান হয়নি। ’৯০ এর আন্দোলনকে আমি গণআন্দোলন বলব, এরশাদ সরকারকে যে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করতে হয়।

জাতিসংঘ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতিসংঘ এখন নখদন্তহীন। তাদের কথা ইসরায়েল শোনে না। বড় বড় দেশগুলোও শোনে না।

রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে এদেশ প্রশংসিত হলেও বিশ্ব সংকটের কারণে রোহিঙ্গাদের বিষয়টি এ দেশের জন্য বাড়তি চাপ। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে সরকার।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম উপস্থিত ছিলেন।


সড়কে যানজট নেই তবে চাপ আছে: ওবায়দুল কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদযাত্রায় সড়কে যানজট নেই তবে চাপ আছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ শুক্রবার এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, এবার চাপ আছে, যানজট নেই। সড়কে চাপ হবে। তবে রাস্তার জন্য যানজট হয়নি। গত কয়েকটি বছর ঈদ যাত্রা স্বস্তিকর হয়েছে। ফিরতি যাত্রা কয়েকটি দুর্ঘটনা হয়েছে। এবার আমরা আরও সতর্ক হয়েছি। রাস্তার জন্য যানজট হয়নি। কোরবানি ঈদের সময় পশুর হাট চাপ সৃষ্টি করে। পশুবাহী গাড়ি, পশুর হাট যত্রতত্র বসিয়ে জনদুর্ভোগ করবেন না।

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, বৃষ্টি হলে দুর্ভোগ এড়ানো খুব কঠিন। গতবারও বৃষ্টি ছিল। গতকালও হঠাৎ বৃষ্টি হয়েছে। যে ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে এসেছি ৩২ মিনিট নামতে পারেনি।

তিনি বলেন, আজকে আমাদের দেশে বাজেট সেশন চলছে। এই বাজেট নিয়ে আলোচনা আছে, সমালোচনা আছে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও বাজেট আছে। এই বছর ৬৪ দেশে নির্বাচন হওয়ার কথা। আমাদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও নির্বাচন শেষ হয়েছে। বাজেট বাস্তবতা ভারসাম্যমূলক বাজেট।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আবার আ.লীগের উপকমিটির সদস্য হলেন সাজ্জাদ চিশতী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির সদস্য হলেন সাংবাদিক সাজ্জাদ চিশতী।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও সংসদ সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ ও দলটির সাধারণ সম্পাদক ও যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের স্বাক্ষরিত কাগজের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হলেন সাবেক ছাত্রনেতা, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য ও সাংবাদিক জগতের পরিচিত মুখ সাজ্জাদ হোসেন চিশতী।

ছাত্রজীবন থেকে (৭ম শ্রেণির ছাত্র) বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সাজ্জাদ হোসেন চিশতি ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন। একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্রজীবন থেকে দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন।

তিনি যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন, ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপকমিটির সদস্যও।

দীর্ঘ ২০ বছর রাজধানীর রামপুরায় থেকে তিনি নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সাজ্জাদ হোসেন রাজনীতিতে যেমন সক্রিয় ছিলেন সাংবাদিকতায়ও বাংলাদেশের মধ্যে তিনি একটি পরিচিত মুখ।

সাংবাদিকতা পেশায় থেকেও তিনি আওয়ামীপন্থি সাংবাদিক রাজনীতি করেন। বর্তমানে তিনি সদস্য, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)সহ নানা সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। সহসভাপতি, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটি। ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল।

কর্মজীবনে সাজ্জাদ হোসেন চিশতি বর্তমানে রাইজিং বিডি ডটকম এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তার দীর্ঘ ২৪ বছরে গণমাধ্যমে কর্মজীবনে তিনি কাজ করেছেন দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম ডেইলি অবজারভার, দৈনিক আজকালের খবর, দৈনিক যুগান্তর, দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ, আমাদের সময় ডট কম, দৈনিক মানবকণ্ঠ, দৈনিক যায়যায়দিনসহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য মিডিয়ায়।

বিষয়:

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নজির বিএনপিতে নেই: নানক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবস্থা নিলেও বিএনপিতে এমন নজির নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সংবাদচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘ইতিহাসের গতিধারায় বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সংবাদচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘যেই দুর্নীতি করুক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেওয়ার নজির সৃষ্টি করতে পারেননি।’

‘আওয়ামী লীগ এখন ভোটাধিকার ও অবাধ নির্বাচনের প্রধান বাধা’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, হাওয়া ভবনের তারেক রহমান হাজার হাজার কোটি টাকা অর্থ পাচার করেছেন। লন্ডনে বসে রাজপ্রাসাদ থেকে দেশের টাকা লুটপাট করে উপভোগ করছেন। আর বিএনপি নেতাকর্মীদের ভুল-ভ্রান্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।

নানক বলেন, ফখরুল সাহেবের ভেতরের কথা বের হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সরকার বিএনপির প্রধান শত্রু। কারণ এই সরকার জনগণের সরকার, এই সরকার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সরকার, এ সরকার দেশের উন্নয়নের সরকার। কারণ এই সরকার আপনাদের (বিএনপি) বন্ধু একাত্তরের মানবতাবিরোধী ওই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছে, বিচারের রায় কার্যকর করেছে।

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শওকত শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবণ্য ও হাবিবুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


‘আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আমন্ত্রিত হবে’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনে দেশের সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, ঢাকা সিটির দুই মেয়র এবং ঢাকা জেলার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কে প্রতিপক্ষ তা বিবেচ্য নয়। প্লাটিনাম জয়ন্তীতে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানাবে আওয়ামী লীগ। ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে প্রস্তুতি গ্রহণের এই সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হতে যাচ্ছে। ২৩ তারিখ সকালে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে প্লাটিনাম জন্মজয়ন্তী উদ্‌যাপনের শুভ উদ্বোধন করবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।’

তিনি বলেন, ২৩ তারিখ বিকেল তিনটায় আলোচনা সভা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। শুরুতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর রবীন্দ্র সরোবরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও হাতির ঝিলে নৌকা বাইচ ও সাইকেল র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে।

সারা দেশে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হবে বলেও জানান কাদের। বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও মির্জা আজম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, দলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাঈদ খোকন এমপি ও ঢাকা ১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন চৌধুরী নিখিল এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


খালেদা জিয়াও কালো টাকা সাদা করেছেন: কাদের

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথসভায় রোববার বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

খালেদা জিয়াও কালো টাকা সাদা করেছেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপির সময়ের অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানও কালো টাকা সাদা করেছেন। তাহলে তারাও কি দুর্বৃত্ত?’

‘দুর্বৃত্তদের সুযোগ দিতে বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত যৌথসভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাজেটটা করা হয়েছে রাঘব-বোয়ালদের লুটপাট বন্ধ করার জন্য। বিএনপি আমলে যে লুটপাটের রাজত্ব সৃষ্টি হয়েছিল, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল, তা থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লুটপাট করে কেউ এখানে পার পাবে না। নিজের লোকদের শায়েস্তা করার সাহস বিএনপি নেই।’

বিএনপির সময়ে লুটপাটকারীদের বিচার হয়নি মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না, সে যেই হোক।’

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি আগুন সন্ত্রাসের যে সংস্কৃতি চালু করেছে, এর বিরুদ্ধে জনগণের জানমাল রক্ষায় আমাদের অবশ্যই শান্তি সমাবেশ করতে হবে। প্রতিরোধ করতে হবে। রাজপথে প্রস্তুত থাকতে হবে।’

ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরায়েলিদের গণহত্যা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চারজন অপহৃত ইসরায়েলিকে উদ্ধার করতে গিয়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ২১৩ জন বেসামরিক ফিলিস্তিনিকে হত্যার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া আর কেউ বলেননি। এসব শিশুর অপরাধ কী? এদের হত্যার বিচার হবে না? মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নিয়ে একটি কথাও বলেননি। আর আরব বিশ্ব মনে হয় তারা ঘুমাচ্ছে।’

যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ, জেলা আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা।


banner close