শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আলোচনার আগে জাপার সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে মন্তব্য নয়: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৮:৫৯

জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা হওয়ার আগে আসন ভাগাভাগি নিয়ে কিছু বলতে চান না আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি একসময় আমাদের মহাজোটে ছিল। তারা নির্বাচন করছে। সুতরাং আলোচনা হওয়ার আগে কিছু বলা সম্ভব নয়।’

ধানমন্ডিতে বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতিতে ভিন্নমত থাকাটাই হচ্ছে গণতন্ত্র। একমত হতে না পারা, সেটাই গণতন্ত্র। ১৪ দলের সঙ্গে এরই মধ্যে আলোচনা হয়েছে। দু-এক দিনের মধ্যেই আসনের বিষয়টি ঠিক হবে। আর জাতীয় পার্টি একসময় আমাদের মহাজোটে ছিল। তারা নির্বাচন করছে। সুতরাং আলোচনা হওয়ার আগে কিছু বলা সম্ভব নয়।’

জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল, সবাই সরকারের সঙ্গে মিশে যেতে চাইছে এবং নির্বাচনের নিশ্চয়তা চায়। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখানে মিশে যাওয়ার কোনো ব্যাপার নেই। জাতীয় পার্টি প্রায় ৩০০ আসনে প্রার্থী করেছে। আর আসন ভাগাভাগির ব্যাপারে বাস্তবতা রয়েছে। সেটা আলোচনার বিষয়।

তাহলে কি জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল আসন ভাগাভাগি করে বিরোধী দল হবে? জবাবে তিনি বলেন, সময় হলে বিরোধী দল দাঁড়িয়ে যাবে। তাছাড়া এখানে আরও অনেক দল আছে। তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, সুপ্রিম পার্টিসহ বিভিন্ন দল রয়েছে।

জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি হলে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ কারা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব প্রতিদ্বন্দ্বী আমাদের প্রতিপক্ষ। যারা নির্বাচন করছে, তারা সবাই পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। আমাদের দলের সভাপতির আসনে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিযোগিতা তো হচ্ছে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন নির্বাচন কমিশনের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যাপারে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই। এখন সরকার শুধু একটি রুটিন দায়িত্ব পালন করছে। সরকারের কাজ হচ্ছে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা।

১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সমাবেশ করছে না জানিয়ে দলটির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, নির্বাচন কমিশন মানবাধিকার দিবসে সমাবেশ করার অনুমতি দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। আওয়ামী লীগ সমাবেশ করবে না। তবে দিবসটি ঘিরে আওয়ামী লীগের ঘরোয়া কর্মসূচি থাকবে।

মানবাধিকারের কথা বলে জনসম্পৃক্ততার অভাবে নির্বাচনবিরোধী দলগুলোর আন্দোলন ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে অগ্নিসন্ত্রাস ও নাশকতা করে আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়। মানবাধিকার দিবসে সারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়ে তারা এগোচ্ছে। জামায়াতকে বিএনপি একান্তভাবে তাদের পাশে চায়।

মানবাধিকার দিবসে বিএনপি নাশকতা করতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা খোঁজখবর নিয়েই কথা বলছি। সরকারি দল হিসেবে আমাদের খোঁজ-খবর নেয়ার সুযোগটা বেশি। তা ছাড়া বিভিন্ন সূত্র থেকে আমরা এর আগে যেসব খবর পেয়েছি, বাস্তবেও সেগুলোর মিল পেয়েছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ।


আমাদের স্বপ্ন বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষায় রূপান্তরিত করা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৪:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের স্বপ্ন বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষায় রূপান্তরিত করা।

বুধবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যে প্রতিবাদ দিবস হবে সেই সিদ্ধান্তটা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু; তখনকার তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জেলাখানার মধ্যে বসে এই সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালিত হবে। সেই একুশে ফেব্রুয়ারিতে মায়ের ভাষার দাবিতে আমাদের পূর্বসুরিরা জীবন দিয়ে ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠা করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর পরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কানাডা প্রবাসী দুজন বাঙালি সালাম ও রফিকে উদ্যোগে এবং জাতিসংঘে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানোর পরিপ্রেক্ষিতে একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছে। এটি জাতির জীবনে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি বিশাল অর্জন।’

বাংলা পৃথিবীর অন্যতম ভাষা। যে ভাষায় ব্যাপক সংখ্যক মানুষ কথা বলে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজকে আমাদের লক্ষ্য, আমাদের স্বপ্ন হচ্ছে, বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষায় রূপান্তরিত করা।’


আজকে একমাত্র বাধা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা: ওবায়দুল কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১২:৫২
বাসস

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আজকে একমাত্র বাধা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা। আজকের এই দিনে সাম্প্রদায়িকতার যে বীজবৃক্ষ বিএনপির নেতৃত্বে ডালপালা বিস্তার করেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই বীজবৃক্ষকে সমূলে তুলে ফেলব আমরা। এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

বুধবার সকালে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। পরে স্বাধিকার সংগ্রামে বিভিন্ন মাইলফলক অতিক্রম করে একাত্তরের স্বত্ব জাতীয়তাবাদের দিকনির্দেশনা আসে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে। আমরা প্রথমে ভাষা যোদ্ধা। অতঃপর একাত্তরে আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যে বাংলাদেশের বিজয় হয়েছে, সেই বাংলাদেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি আজকে সারাবিশ্বে বিস্ময়ের।


শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার: ওবায়দুল কাদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বিএনপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেবে না সরকার। তবে আন্দোলনের সহিংসতার উপাদান যুক্ত হলে বাধা আসবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাধা দেওয়ার মতো সহিংস তৎপরতা, সন্ত্রাস, অগ্নি সন্ত্রাস এসব উপাদান যদি আন্দোলনে যুক্ত হয় তাহলে বাধা আসবে। তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিলে আমরা বাধা দিব কেন?’

বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বাংলাদেশে বিরোধী দলের রাজনীতির মূল ইস্যুই হচ্ছে ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’ সরকার। সরকারই সব অপরাধে অপরাধী। তারা নালিশ করতে যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বিএনপি নেতা মঈন খান মার্কিন দূতাবাসে গিয়ে নালিশ করেছেন, দেশে মানবাধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই। এ হচ্ছে আমাদের প্রধান বিরোধীদলের অবস্থা।”

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের কাছে জানতে চাই, ৫৪ দলের সরকার বিরোধী যে ঐক্য জোট, এ জোটের শরিকরা কোথায়? সেই ঐক্য কোথায়? জগাখিচুড়ি ঐক্যজোট কোথায়? এখন সরকারের উপর দোষ দিয়ে পার পাওয়া যাবে?’

‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরেছে, বিএনপি জিতেছে’— বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সবাই জানে নির্বাচনে কারা জিতেছে। নির্বাচনে অংশ না নিয়েই বিএনপি জিতে গেল? এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কী?’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ব্যবস্থা হচ্ছে, নতুন করে চিন্তা-ভাবনা করছি। দলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এসব ঘটনার পূনরাবৃত্তি রোধে যত কঠোর হওয়া দরকার, তাই হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে।

ভাষা শহীদদের স্মরণে ও ভাষার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে নেওয়া কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, রাত ১২টা ১ মিনিটে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন। ভোর সাড়ে ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু ভবনসহ সারাদেশে সংগঠনের সবগুলো শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এবং কালো পতাকা উত্তোলন।

এছাড়া, সকাল ৭টায় কালো ব্যাজ ধারণ, প্রভাতফেরি সহকারে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন। নিউ মার্কেটের দক্ষিণ গেট থেকে প্রভাতফেরি শুরু হবে।

পরের দিন বিকেল ৩টায় তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আলোচনা করবেন দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও জাতীয় নেতারা।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সবগুলো কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সব সহযোগী সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।


মির্জা আব্বাসের জামিন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা রেওলয়ে থানার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১ মামলার মধ্যে তিনি সব মামলাতেই জামিন পেয়েছেন। আব্বাসের বিরুদ্ধে আর কোন মামলা না থাকায় কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

আজ সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ নিয়ে তিনি সব মামলায় জামিন পেলেন।

তার আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরি বলেন, ‘মির্জা আব্বাস সব মামলায় জামিন পেয়েছেন। এখন কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই। জামিননামা কারাগারে পৌঁছালেই তিনি কারামুক্ত হবেন।’

গত ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা করা হয়। শাহজাহানপুর থানার নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদবাগ থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গত ৫ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গত ২৪ জানুয়ারি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা রেওলয়ে থানার আরেক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। ১ ফেব্রুয়ারি মির্জা আব্বাসের পল্টন থানার পাঁচ এবং রমনা মডেল থানার চার মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে ৫ ফেব্রুয়ারি পল্টন থানার চার ও রমনা মডেল থানার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরদিন ৬ ফেব্রুয়ারি শাহজাহান পুর, পল্টন ও রমনা মডেল থানার আরও তিন মামলায় ও গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রমনা মডেল থানার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পান তিনি।


মিউনিখ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ বাংলাদেশের গুরুত্বকেই তুলে ধরে

ওবায়দুল কাদের
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিমন্ত্রণ ও বক্তব্যে অংশ নেয়া বাংলাদেশের গুরুত্বকেই তুলে ধরে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচন নিয়ে সমালোচনামুখরও ছিল বহির্বিশ্বের একটা অংশ। তারপরও আজকে এই সংকটে সিকিউরিটির মতো সেনসেটিভ ইস্যুতে নিমন্ত্রণ করা ও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে অংশ নেয়া বাংলাদেশের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা যুদ্ধের বিরুদ্ধে ও শান্তির পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন। সবচেয়ে বেশি জোরালো বক্তব্য- যেটা আগে কোনো নেতা এই দুঃসাহস দেখাতে পারেননি ‘স্টপ জেনোসাইড ইন গাজা’। এখানে শেখ হাসিনার সাহসী কূটনীতিই আমরা দেখলাম।’

দেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও সার্বভৌমত্বে আওয়ামী লীগ আঘাত করেছে- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোনো বিবেকবান রাজনীতিবিদ এ ধরনের কথা বলতে পারেন না। এটা হচ্ছে পাগলের অসংলগ্ন প্রলাপ।

তিনি বলেন, বিএনপি রাজনীতিতে মিথ্যাচার চিরজীবনই। তাদের রাজনীতিতে মিথ্যাচার অপরিহার্য বিষয়। এটা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচারের ধারাবাহিকতা।’

দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ সরকার- বিএনপির এমন অভিযোগের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিরোধী দলের এখন আর কিছু নেই। জনগণ নেই, তাদের কর্মীরাও নেই। এখন কিছু না কিছু তো জনগণ ও কর্মীদের সামনে বলতে হবে। এজন্য কথামালার চাতুরি তারা করছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কিছু কিছু জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, আবার কিছুকিছু অন্যের দাম কমতির দিকে। বাজার ওঠানামা চিরদিনই আছে। বিশ্ব প্রতিক্রিয়ায় দ্রব্যমূল্য বাড়ছে বলে সরকার এখানে কোন উদাসীনতা দেখায়নি। সক্রিয় আছে, সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। নিষ্ক্রিয় হয়ে বসে নেই- যা করণীয় অবশ্যই করছি।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কারাগার থেকে বের হয়ে একই ধরনের সাজানো নাটকের পুনরাবৃত্তি শুরু করেছেন- দাবি করে কাদের বলেন, ‘তার একই বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শুনছি। এখন তারা নাকি আবার ঘুরে দাঁড়াবেন। তো প্রশ্ন হচ্ছে- কোথা থেকে কোথায় ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন, আবার কোথা থেকে কোথায় ঘুরবেন সেটা আমাদের জানা নেই। তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর বক্তব্য আমরা আগেও শুনেছি। কিন্তু কোন বছর ঘুড়ে দাঁড়াবেন? এ বছর, নাকি আগামী বছর? এই ডিসেম্বরে নাকি আগামী অক্টোবরে? কবে আবার ঘুরে দাঁড়াবেন? আসলে এসব কথা বিএনপি নেতারা বারবার বলে জনগণের কাছে নিজেদেরকেই খাটো করছেন।’

মানুষ জেনেশুনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মনে করেছিল, নির্বাচন প্রতিহত করতে পারবে। কিন্তু তাদের সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

‘তারা বলেছিলেন, নির্বাচনের পর আমরা সরকার গঠন করতে পারবো না। তারা আরও বলেছিলেন- সরকার গঠন করতে পারলেও কয়েক দিনের বেশি টিকবে না। তাদের এসব বক্তব্যের বাস্তবতা কতটুকু? আসলে হতাশা থেকে বিএনপি নেতারা এখন অনেক কিছুই বলছেন।’

মিয়ানমার ইস্যুতে কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মিয়ানমারের সব পক্ষের গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে। সেখানে যুদ্ধ পরিহার করে শান্তির জন্য ইন্টেলিজেন্ট ডিপ্লোম্যাসি নিয়ে কাজ করছে সরকার।’

‘গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে জাতীয় পার্টিকে ভাঙা হচ্ছে’- বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘জাতীয় পার্টির আজকে যারা সংসদে বিরোধী দল গঠন করেছে এর বাইরে যারা জাতীয় পার্টির নামে কোনো একটা ভাগ সৃষ্টি করছে- সেটা তাদের নিজেদের ব্যাপার। এতে জাতীয় সংসদে থাকা জাতীয় পার্টির কেউ নেই। জাতীয় সংসদে যারা বিরোধী দল তারা সংসদ সদস্য। এর বাইরে যারা করছেন, তারা কেউ সংসদ সদস্য নন। কাজেই এ নিয়ে আমাদের মাথা ঘামানো কিংবা উদ্বেগের কিছু নেই।’

রাজধানী ঢাকার বায়ু দূষণ নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বায়ু দূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বন ও পরিবেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে তিনি কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন। ইটের ভাটা বন্ধ করা একটা বড় কাজ।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান ও কার্যনির্বাহী সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


দেশে বিএনপি সবচেয়ে বড় উগ্রবাদী দল: ওবায়দুল কাদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দেশে বিএনপি সবচেয়ে বড় উগ্রবাদী দল।’

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশে উগ্রবাদের জন্ম বিএনপির হাত ধরে। সরকার আত্মশক্তিতে বলিয়ান।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বেফাস কথা বলে না, বিএনপিই বলে। বেপরোয়া গাড়ির চালকের মতো বেপরোয়া রাজনীতির চালক মির্জা ফখরুল। রাজনীতিতে বিএনপি দুর্ঘটনা ঘটাতে চায়। অতীতে তাদের এই ইতিহাস আছে। এই দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি তারা বারে বারে ঘটাতে চায়। এছাড়া রাজনীতিতে টিকে থাকার তাদের আর কোনো রসদ নেই।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে যাদের হাতে রক্তের দাগ, যারা এদেশে হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছিল, মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত হত্যাকান্ড ৭৫-এর ১৫ আগস্ট, যার মাস্টারমাইন্ড ছিল খন্দকার মোস্তাকের সঙ্গে জেনারেল জিয়াউর রহমান। অবাক লাগে নিজেরাই যেসব অভিযোগে অভিযুক্ত, তাদের উপর আরোপিত অভিযোগ নতুন করে আরোপ করতে চায় আওয়ামী লীগের উপর।’

তিনি বলেন, ‘৩ নভেম্বর জেলহত্যা, একুশে আগস্ট ২০০৪ সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশের উপর সন্ত্রাসী হামলায় ২৩ জনের প্রাণ ঝরে গেছে। এসব হত্যাকাণ্ড বিএনপির আমলে সংঘটিত করেছিল। এরপর মির্জা ফখরুল হঠাৎ এক বিবৃতিতে কোথা থেকে পেলেন যে, আওয়ামী লীগ নাকি হত্যা ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করেছে? উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপাচ্ছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি নিজেরাই নিজেদের নেতাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগের উপর দায় চাপিয়েছিল। একুশে আগস্ট জজ মিয়া নাটক সাজিয়েছিল তারা। এমন নাটক তারা বারে বারে সাজিয়েছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার জন্য। নিজেদের কৃতকর্মের দায় অপরের উপর চাপাতে তাদের অপকর্ম এখনো অব্যাহত আছে। জেল থেকে বের হয়ে মির্জা ফখরুল যা বলছেন, তাই এসব নাটকেরই প্রতিধ্বনি।’

বিএনপির ঘুরে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি কোথায় ঘুরে দাঁড়াবে, সেটা আমাদের জানা নেই। এ কথা আগেও শুনেছি। কোন বছর ঘুরে দাঁড়াবে? আন্দোলনের যে চৌকস কথার ফুলঝুরি অনেক শুনেছি। সে কথা বারে বারে বলতে গিয়ে বিএনপি নেতারা জনগণের কাছে নিজেদেরকেই খাটো করছেন। দেশে আন্দোলনের কোনো বস্তুগত ইস্যু নেই। তারা গায়ে পড়ে ইস্যু খুঁজে বেড়ায়। জনগণ জেনে শুনে শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়েছে। বাস্তবে হতাশা-নিরাশা থেকে নিজেদের আত্মতুষ্টির জন্য ও নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে দলটির নেতারা এসব বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সুজিত রায় নন্দী ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।


জাপার মনোনয়ন পেলেন সালমা ইসলাম ও নূরুন নাহার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ২ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় পার্টি। দলটির পক্ষ থেকে সালমা ইসলাম ও নূরুর নাহার বেগমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দলটির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের স্বাক্ষর করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় পার্টির পার্লামেন্টারি বোর্ড সালমা ইসলাম ও নূরুন নাহারকে মনোনয়ন প্রদান করেছে।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। এর মধ্যে এবার জাতীয় পার্টি পাচ্ছে ২টি আসন। বাকি ৪৮টি আসন পাচ্ছে আওয়ামী লীগ।


ফখরুল-খসরুর জামিনে মুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জামিনের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার পর কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তারা।

বিএনপির এই দুই নেতার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে; যেগুলোতে আগেই জামিন পেয়েছন তারা। সর্বশেষ বুধবার প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় জামিন পান তারা।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে রাজধানীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষের সময় পিটিয়ে হত্যা করা হয় এক পুলিশ সদস্যকে। ভাঙচুর ও আগুনও লাগিয়ে দেয়া হয় যানবাহনে। এক পর্যায়ে হামলা হয় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে।

পরদিন ২৯ অক্টোবর গোয়েন্দা পুলিশ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এবং ২ নভেম্বর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গুলশানের তাদের বাসা থেকে নিয়ে যায়। এর পর ২৮ অক্টোবর বিএনপিরর মহাসমাবেশের দিন প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাদের। এ ছাড়া আরও কয়েকটি মামলা হয় তাদের বিরুদ্ধে।


বিএনপিকে নিষিদ্ধ করার চিন্তা দলগতভাবে আওয়ামী লীগ করেনি: ওবায়দুল কাদের

আপডেটেড ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৩৭
বাসস

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অনেকেই চিহ্নিত করেছে। তবে তাদেরকে নিষিদ্ধ করার চিন্তা এখনো দলগতভাবে আওয়ামী লীগ করেনি।’

আজ দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সন্ত্রাসী দল- এটা কানাডার ফেডারেল আদালত রায় দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে তারেক রহমানের প্রবেশ নিষিদ্ধ। আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এটা দিয়েছে।’

‘বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে অনেকেই চিহ্নিত করেছে। তবে তাদেরকে নিষিদ্ধ করার চিন্তা দলগতভাবে আওয়ামী লীগ এখনো করে নি। এখানে আদালতের বিষয় আছে। আইন আদালত তো মানতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আদালত জামিন দিয়েছে। কাউকে জামিন দেওয়ার অর্থ এই নয়, তিনি অপরাধ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। মামলা তো আছে, মামলা চলবে।’

বিএনপি মহাসচিবের জামিনে মুক্ত হওয়ার পর দলটির আন্দোলন বেগবান হবে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন বেগবান হতে হতে পতন হয়ে যাবে। তখন পতনের গভীর খাদ থেকে কে উদ্ধার করবে? আমরা তো প্রস্তুত, রাস্তায় সদা জাগ্রত প্রহরী শেখ হাসিনার জন্য।’

ডামি নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তারা যাকে ডামি নির্বাচন বলছে, তারা প্রমাণ হয়ে গেছে তারাই ডামি বিরোধীদল। তারা নিজেরাই ডামি। নির্বাচনে অংশগ্রহণই করেনি।’

সংরক্ষিত মহিলা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড যাচাই-বাছাই করে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেছে।’


সংরক্ষিত নারী আসন: আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার কাল

আপডেটেড ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:২১
বাসস

দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল বুধবার অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, ‘আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারী বাসভবন গণভবনে এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘প্রার্থীগণকে গণভবনে প্রবেশের জন্য মনোনয়নপত্রের স্লিপের অংশটুকু প্রদর্শন করতে হবে।’

বিষয়:

আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ড সভা আগামীকাল

আপডেটেড ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:৩৩
বাসস

আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা আগামীকাল।

বুধবার দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিষয়:

বিএনপি-জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানালেন শেখ সেলিম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিনিধি

রাজনীতির নামে যাতে অরাজকতা, ষড়যন্ত্র করতে না পারে সে জন্য স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবেরর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। এ ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। বিএনপির শাসনামলে মাথাপিছু আয় ছিল ৩৭৪ মার্কিন ডলার। বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২৭৯২ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বিএনপির সময় বাজেট ছিল মাত্র ৬০ হাজার কোটি টাকা, এখন বাজেট ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সত্ত্বেও প্রবৃদ্ধি গড়ে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। বিএনপির সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট, বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ২৯ হাজার ৭২৭ মেগাওয়াট। বর্তমান বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম অর্থনীতির দেশ। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলি, আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করেছেন। কেউ কোনো দিন ভাবেনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হবে। প্রধানমন্ত্রী আপনার জীবনের ওপর হুমকি ছিল, বিদেশের চাপ ছিল, অনেক রাষ্ট্র প্ধান বিচার বন্ধ করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করেছিল। আপনি চাপ উপেক্ষা করে, বঙ্গবন্ধুর মতো সাহস দেখিয়ে মাথানত না করে খুনিদের বিচার করেছেন এবং রায় কার্যকর করেছেন। সাম্প্রদায়িকতা গণতন্ত্রের শত্রু, মানবতার শত্রু, রাষ্ট্রের শত্রু। জঙ্গি সন্ত্রাসীরা কখনো জনগণের কল্যাণ আনতে পারে না। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, খুনি, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি। আপনিই পারবেন, সেটা বঙ্গবন্ধু করেছিলেন বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধীরা রাজনীতি করতে পারবে না। আাপনি যদি এই বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধীদের নিষিদ্ধ করেন, তাহলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা সহজে গড়ে তুলতে পারব। বিএনপি-জামায়াত এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি আবারও ষড়যন্ত্র আরম্ভ করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে বিশ্বের বড় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করে।

শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র ছিল, অন্যান্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের সাহায্য ছিল। আজও সেই ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে। এই বাংলাদেশকে, স্বাধীনতাকে, মুক্তিযুদ্ধকে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাঁচাতে হলে আমাদেরকে ঐক্যবব্ধ থাকতে হবে, বাংলাদেশে যাতে কোনো স্বাধীনতাবিরোধী রাজনীতি করতে না পারে সে জন্য আমি বলছি এদের নিষিদ্ধ করে দেন। বঙ্গবন্ধু যেটা করেছিলেন, এরা যাতে বাংলাদেশে রাজনীতির নামে এই অরাজকতা, কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে। আর যাকেই ধরতে পারবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা করতে হবে, এখানে দয়া-মায়ার কোনো কারণে নেই। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলায় আসার পর যারা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র বলে, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, সমাজতন্ত্র তো সংবিধানে দিয়েছি। আমার দেশের সংবিধান আমার দেশের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী হবে, ধার করা সমাজতন্ত্র হবে না। সে দিন তারা বঙ্গবন্ধুকে মারার পথ করে দিয়েছিল। গণবাহিনী করে সেনাবাহিনীর ভেতর সৈনিক বিপ্লবী বাহিনী বলে বিভক্ত করে আর উচ্চ পর্যায়ে জিয়া, খালেদ মোশাররফ বলেন, শফিউল্লাহ বলেন, শাফায়াত জামিল বলেন একটা লোক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দেয় নাই। সেনাবাহিনীর একটা চক্র বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। এর জন্য একটা কমিশন গঠনের কথা আগেও বলেছি, কারা কারা জড়িত ছিল, কারা কারা ছিল বেরিয়ে যাবে। এটা হতে হবে পরবর্তী বংশধরদের জানার জন্য। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে পারে তারা যেকোনো সময় যেকোনো ঘটনা ঘটিয়ে দিতে পারবে। তাদের শক্তি, ষড়যন্ত্র শক্তি অনেক শক্তিশালী, সেই শক্তি সেখানে অর্থ থাকে, অস্ত্র থাকে, বিদেশের সহায়তা থাকে- এটা যেন বাংলাদেশে আর না ঘটে। যে গণতন্ত্রের ধারা আমরা উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে যেন আমরা অগ্রসর হই।


banner close