রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘কোরবানির তাৎপর্য অনুধাবন করে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২৪ ১৭:৪৫

কোরবানির তাৎপর্য ও মর্মার্থ অনুধাবন করে সমাজে শান্তি-কল্যাণের পথ রচনার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ সোমবার দেওয়া এক শুভেচ্ছা ভিডিও বার্তায় তিনি এই আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পবিত্র ঈদে আমি দেশবাসীসহ প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশি সবাইকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা- ঈদ মোবারক।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, বছর ঘুরে আবার এসেছে ঈদ-উল-আজহা। ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের নিদর্শনে ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। আমাদেরকে কোরবানির তাৎপর্য এবং মর্মার্থ অনুবাধন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে হবে। আর এজন্য সবাইকে সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হওয়ার বিকল্প নেই।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, অর্জনের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভারসাম্যপূর্ণ, শোষণহীন, ন্যায়নিষ্ঠ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তা সফল করতে প্রয়োজন নিষ্ঠা, সততা ও ত্যাগ। অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ত্যাগের আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলে প্রতিষ্ঠিত হবে প্রত্যাশিত শান্তি ও সৌহার্দ্য।

দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একটি অসাম্প্রদায়িক, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কর্ম ও চিন্তায় ত্যাগ, আনুগত্য এবং সততা চর্চায় নিবেদিত হওয়ার আহবান জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘ঐক্যের মন্ত্রে উজ্জ্বীবিত হয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অভিমুখে এগিয়ে যাওয়ার পথ রচনা করতে হবে।’


নির্বাচিত

অনলাইনে হুংকার না দিয়ে দেশে আসুন, ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জামালপুরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৬
জামালপুর প্রতিনিধি

অনলাইনে হুংকার না দিয়ে সাহস থাকলে দেশে এসে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, হত্যাকারীদের বিচারের জন্য দেশে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত আছে। বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত কেউ অপেক্ষা করতে চায় না।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালপুরে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে শহরের শফি মিয়ার বাজার মোড় এলাকায় এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে দেশ বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে, তাদের এখনই বাংলাদেশে আসতে হবে। অনলাইনে হুংকার দিলে হবে না। সাহস ও বুকের পাটা থাকলে এখনই দেশের মাটিতে আসুন। আপনাদের জন্য ফাঁসির মঞ্চ ও বিচার রেডি আছে।

বিগত সরকারের দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতে উন্নয়নের নামে ঢাকা শহরে কয়েকটি ব্রিজ ও ওভারপাস বানিয়ে তারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। এখনো তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এই ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসীদের কঠোরভাবে রুখে দেওয়া হবে। অপশক্তিকে আদালতের কাছে সোপর্দ না করা পর্যন্ত রাজপথের এই কর্মসূচি পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।

জামালপুর জেলা বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেছ আলী মামুন এবং জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুসহ দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন।


নির্বাচিত

গণহত্যায় জড়িতদের বিচারে প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানো হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর ধোলাইখালে মেয়র সাদেক হোসেন খোকা মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি করতে প্রয়োজন হলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, কোনো অপরাধীকে ক্ষমা করা হবে না এবং অভিযুক্ত প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করা হবে। গত ১৭ বছরে যারা গণতন্ত্রকে হরণ করেছে ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল, তাদের সকলকেই আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধোলাইখালে মেয়র সাদেক হোসেন খোকা মাঠে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে’ বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত পাঠানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো জবাব আসেনি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হোন—সরকার সেটাই চায়। অন্যান্য দেশে অবস্থানরত সাজাপ্রাপ্ত আসামিদেরও দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সরকারের স্বল্প মেয়াদের মধ্যেই বিরোধী কিছু রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ আন্দোলন ও লংমার্চ কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, সরকার সংবিধান সংস্কারে সবাইকে আহ্বান জানালেও একটি গোষ্ঠী তা উপেক্ষা করে রাস্তায় আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছে।

দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যে বিএনপি সাংবিধানিক কাঠামোর সংস্কার চায় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সমাবেশে আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও দেশীয় বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণও ব্যাখ্যা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সীমান্ত দিয়ে পাচার রোধ এবং বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গিয়ে সীমিত পরিসরে দাম বাড়াতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের সাময়িক দুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও তাৎক্ষণিকভাবে তা কমানো হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।


নির্বাচিত

নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আবিদ হোসেন বুলবুল, গাজীপুর

পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হাতে প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে গাজীপুর জেলা বিএনপি। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ী রোডস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে হাজার হাজার নেতা-কর্মী অংশগ্রহন করে। গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল বলেন, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বিনষ্ট করার যেকোনো ষড়যন্ত্র রাজপথে থেকে শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ফজলুল হক মিলন বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির দোসররা নানা কৌশলে দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। কিন্তু গাজীপুরের মাটি ও মানুষ কোনো ধরনের সন্ত্রাস ও বিশৃঙ্খলা বরদাশত করবে না।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ রিয়াজুল হান্নান, জেলা বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান পেরা, আব্দুল মোতালিব, হুমায়ুন কবির মাস্টার, আবু তাহের মুসল্লি, আক্তারুল আলম মাস্টার, সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সাখাওয়াত হোসেন সবুজ, আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাসিবুর রহমান মুন্না এবং গাজীপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান মোল্লা প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিশাল ও বর্ণাঢ্য বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে শিববাড়ী মোড়ে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

সাদিক কায়েমকে সতর্ক করে যা বললেন রফিকুল ইসলাম মাদানী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছাত্রীদের খেলাধুলা ও পোশাকের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী। এ বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় সংশয় দূর করতে এবং বিভ্রান্তি নিরসনে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সুস্পষ্ট অবস্থান ও নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রবিবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ সংক্রান্ত নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

ফেসবুক পোস্টে রফিকুল ইসলাম মাদানী উল্লেখ করেন, ডাকসু নির্বাচনে সাদিক কায়েমের বিজয়কে তিনি ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলেন। তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে, হলে সিট বাণিজ্য বন্ধ করা, মেধার ভিত্তিতে আবাসন নিশ্চিত করা, ছাত্রীদের জন্য যানবাহন সুবিধা বৃদ্ধি এবং সুপেয় পানির ব্যবস্থা করার মতো বহু ইতিবাচক ও প্রশংসনীয় কাজ করেছেন সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদরা। তবে একজন মুসলিম হিসেবে শুধু দুনিয়াবি সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে কাউকে শর্তহীন সমর্থন দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, যেকোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মকাণ্ডের চেয়ে ধর্মীয় অনুশাসন ও আল্লাহর বিধান মেনে চলা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত সাম্প্রতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি উল্লেখ করেন, মূল আপত্তিটি কেবল খেলার আয়োজন নিয়ে নয়; বরং ছাত্রীদের সংক্ষিপ্ত ও আঁটসাঁট পোশাক পরিধান করে খেলার আয়োজন এবং সেটিকে প্রকাশ্যে গর্বের সঙ্গে উৎসাহ প্রদান করার মধ্যেই মূল সমস্যা নিহিত। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সাদিক কায়েমকে বহু সাধারণ শিক্ষার্থী অনুসরণ করে থাকে। এছাড়া শায়েখ আহমদুল্লাহ, মিজানুর রহমান আজহারী, মামুনুল হক, আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের সঙ্গে এবং জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের সমাবেশে ডাকসু ভিপির উপস্থিতি দেখে তরুণ সমাজ তাঁর সকল কর্মকাণ্ডকে ইসলামসম্মত মনে করতে পারে। ফলে এসব বিষয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ডাকসু নেতৃত্বকে সতর্ক করতে সংশ্লিষ্ট আলেমদের জোরালো বক্তব্য দেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

বিগত সরকারের উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে তুলনা করে তিনি মন্তব্য করেন, আদর্শ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জলাঞ্জলি দিয়ে কেবল উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়ার রাজনীতি সমর্থনযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, পশ্চিমা বিশ্বের কাছে নিজেদের প্রগতিশীল প্রমাণ করতে গিয়ে যদি ইসলামের মৌলিক বিধিবিধানকে গৌণ করে ফেলা হয়, তবে সেই ক্ষমতার মাধ্যমে কখনোই ইসলামের প্রকৃত কল্যাণ সাধিত হবে না। পরিশেষে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, ধর্মীয় মূল্যবোধের বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হলে ভবিষ্যতে সেই রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধেও তাঁদের স্পষ্ট ও আপসহীন ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

ফ্যাসিস্টদের বাস-ট্রেনে আগুন দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে বিরোধীদল: রুহুল কবির রিজভী

রাজধানীতে বিএনপির ৩টি বৃহত্তম সংগঠন– যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধীদলগুলো ফ্যাসিস্টদের বাস ও ট্রেনে আগুন দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীতে বিএনপির ৩টি বৃহত্তম সংগঠন– যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত সমাবেশ ও মিছিলে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে’ এ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দিকে ইঙ্গিত করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘যেই দল গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, মানুষের অধিকার হত্যা করেছে, তাদের বর্বরতা সবকিছুকেই হার মানায়। এই তরুণদের আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।’

জামায়াত–এনসিপিকে ইঙ্গিত করে রিজভী বলেন, ‘ফ্যাসিস্টদের বাস-ট্রেনে আগুন দেওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে বিরোধীদল। যারা বাস ট্রেনে আগুন দেবে তাদের বিরোধিতা করছে বিএনপি। এই পরাজিত শক্তিদের আপনারা আশকারা দেবেন না।’

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমামদের ভাতা, বৃক্ষরোপণ, খাল খননের কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘ইতিমধ্যে বিএনপি সরকার দেশ ও জনগণের জন্য অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আপনারা সরকারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন, গালিগালাজ করছেন, লংমার্চ করছেন।’

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাংচুর এবং বিভিন্ন জায়গায় বাস–ট্রেনে আগুনের উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘এমন পরিস্থিতির জন্য তো আবু সাঈদ এবং মুগ্ধরা জুলাইয়ে জীবন দেয়নি।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জামায়াতের আমির বলছেন, রাষ্ট্রপতি–এমপি–মন্ত্রীদের বেতন বৃদ্ধির বিরোধীতা করবে। কিন্তু সরকার তো বেতন বৃদ্ধি করে নাই, আগে থেকেই এসব বলে জনমনে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সফরের বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘মাত্র ৩৫ জন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়েছে। এর আগে ১০০ থেকে ২০০ জন নিয়ে যাওয়ার প্রথা ছিল।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যেই মানবিক বক্তব্য দিয়েছেন তা সারা বিশ্বের শান্তিপূর্ণ মানুষের ও গনতন্ত্রকামী মানুষের। এমন সরকার কখনো সহিংসতার রাজনীতি করতে পারে না।’


নির্বাচিত

চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও দখলবাজদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে: চরমোনাই পীর

রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় যুব কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দেশথেকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও দখলবাজদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় যুব কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

এসময় রেজাউল করীম বলেন, আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ। দেশের আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত নিয়ে পৌঁছাতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর প্রমাণ হয়েছে, ইসলামের লেবেল লাগিয়ে যে দলটি মানুষের সঙ্গে ধোঁকাবাজি করে না, তার নাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ইসলামী যুব আন্দোলনকে দেশের আদর্শিক যুবকদের অনুপ্রেরণার সংগঠন হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের সহকারী সেক্রেটারি বুলবুল হত্যার বিচারসহ সব হত্যাকাণ্ড, খুন, গুম ও ধর্ষণ রুখতে যুব আন্দোলনকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান রেজাউল করীম। একই সঙ্গে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কনভেনশনে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২৫-২৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২৭-২৮ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে মুফতি মানসুর আহমদ সাকীকে সভাপতি, আ হ ম আলাউদ্দীন ও বায়েজিদ হোসাইনকে সহ-সভাপতি এবং মুফতি রহমাতুল্লাহ বিন হাবিবকে সেক্রেটারি জেনারেল করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও শায়খে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, আদর্শবান যুবকরাই সমাজ ও রাষ্ট্র পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। যুব আন্দোলনের কর্মীদের আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, রুহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বিত প্রয়াসে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হবে।

বিএনপি সরকারকে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর আহ্বান জানিয়ে ফয়জুল করীম বলেন, তা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে তারা বাধ্য হবেন।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, একটি দেশের টিকে থাকা ও অগ্রগতি অনেকাংশে যুবশক্তির ওপর নির্ভরশীল। ইসলামী যুব আন্দোলন শুধু রাজনৈতিক শক্তি নয়, নৈতিকতায় সমৃদ্ধ আদর্শিক নাগরিক তৈরির একটি প্ল্যাটফর্ম।

তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে এক কোটি যুবকের কর্মসংস্থানের কথা বললেও বর্তমানে যুবশক্তিকে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনেরও দাবি জানান তিনি।

সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, ইসলামের নামে ধোঁকাবাজি করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, ইসলামী রাজনীতির আদর্শ নিয়ে দেশের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। ইসলামের বিজয় ছাড়া মানবতার মুক্তি সম্ভব নয়।

ইসলামী যুব আন্দোলনের বিদায়ী সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামী যুব আন্দোলনের কর্মীরা ভূমিকা রেখেছেন। আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের চ্যালেঞ্জ গ্রহণে সংগঠনের প্রত্যেক কর্মীকে প্রস্তুত থাকতে হবে। ইসলাম, দেশ ও মানবতাকে ধারণ করে সব সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


নির্বাচিত

সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের কোনো চাকরি হবে না: হামিম

ছবি: শেখ তানভীর বারী হামিম।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের কোনো চাকরি হবে না, তাদের কোনো সমাজ হবে না উল্লেখ করে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলে জিএস পদে নির্বাচন করা শেখ তানভীর বারী হামিম বলেছেন, ছাত্রলীগের কোনো সামাজিকতা হবে না। কারণ ওরা এ দেশের শত্রু।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন হামিম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কবি জসীম উদ্‌দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক।

ফেসবুক পোস্টে হামিম লিখেছেন, সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের কোনো চাকরি হবে না, সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের সমাজ হবে না, সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের কোনো সামাজিকতা হবে না। কারণ ওরা এ দেশের শত্রু।

ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, ওদের হাতে লেগে আছে শহীদ আনাসের রক্ত, ওদের হাতে লেগে আছে শহীদ আবরার ফাহাদের রক্ত। বর্তমান ও সাবেক ছাত্রলীগের প্রতি একমাত্র প্রেম থাকবে যারা বিকৃত মনস্তাত্বিকতার অধিকারী তাদের। তবে কোনো দেশপ্রেমিক মেধাবী মানুষ যেন হেনস্তা না হয়।

ছাত্র শিবিরকে ছাত্রলীগের আশ্রয়স্থল দাবি করে হামিম বলেন, সাবেক ছাত্রলীগের পুনর্বাসনকেন্দ্র ছাত্রশক্তি ও সাবেক ছাত্রলীগের আশ্রয়স্থল ইসলামী ছাত্রশিবিরকে বলব- দেশপ্রেমিকতার পরিচয় দিন, জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবেন না।

অতীতে ৭১ এ মাফ পেয়েছেন; জুলাই অভ্যুত্থানের পর সরকারের অংশ হয়ে দুর্নীতি করেও মাফ পেয়েছেন। এবার কিন্তু আর মাফ হবে না।


নির্বাচিত

সংকট সমাধানে সরকারকে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত: মিয়া গোলাম পরওয়ার

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট সমাধানে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সরকারকে বারবার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। চলমান সংকট নিরসনে বিরোধী দল তাদের নিজ খরচে এক্সাপার্ট নিয়োগ করে সেই এক্সপার্টের পরামর্শ ও মতামত সরকারের কাছে প্রস্তাব আকারে পৌঁছে দিয়েছে। তবে সরকার বিরোধী দলের সেই প্রস্তাব নিয়ে কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি। তিনি বলেছেন, জামায়াতসহ বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করতে চায়, কিন্তু সরকার শুধু বিরোধীতার স্বার্থেই বিরোধী দলের বিরোধীতা করছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঝিনাইদহে সাংগঠনিক সফরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিং কালে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদের বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা সরকারকে সহযোগিতা করছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা বিরোধী দলে বসার পরে এ পর্যন্ত সরকারকে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় অন্তত ৩৮টি প্রস্তাবনা দিয়েছি। সরকারকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করার জন্যই ওই প্রস্তাবনাগুলো দেয়া হয়েছে। কিন্তু সরকার জামায়াতসহ বিরোধীদলের কোনো প্রস্তাবনা এখন পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা করার যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা হাস্যকর।

এর আগে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন মিয়া গোলাম পরওয়ার। অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ- ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর, জেলা সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, কুষ্টিয়া- ৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

জামায়াত-আওয়ামী লীগের পুরোনো প্রেম জেগেছে: রাশেদ খাঁন

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের পুরোনো প্রেম আবার জেগে উঠেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি নির্যাতন, গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। তাই বিএনপি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে চাইবে, এমনটি হওয়ার কথা নয়।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা মসজিদে জুমার নামাজ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে ঝিনাইদহ সফরে এসে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত যে অযৌক্তিক লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে, সরকার তাতে কোনো বাধা দিচ্ছে না।

জামায়াতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লোকজনকে প্রটেকশন দিয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো ধরনের ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়ে থাকলে তা জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষেই হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। সাধারণ মানুষ মনে করে না, জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জনগণের প্রকৃত ভোটে জয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে গেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের অন্যায়-অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি ঝিনাইদহের একটি সড়কের কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পরও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে দিল্লি থেকে শেখ হাসিনা যে ভাষায় কথা বলছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমীরও একই ভাষায় কথা বলছেন। এমনকি ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাদের বক্তব্যের মধ্যেও এখন কোনো পার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, দুটি দলের অপতৎপরতা সামাল দিয়েই সরকারকে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। তাই জামায়াতে ইসলামীকে দেশ অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতা বন্ধ করে সরকারকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।


নির্বাচিত

দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তির কোনো স্থান নেই: রিজভী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী কোনো অপশক্তির ঠাঁই হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেট ও বৈধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। মধ্যরাতের কোনো নির্বাচনে নয়।’

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যেকোনো আধিপত্যবাদী চক্রান্ত রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশ করতে চায়, তাবেদার রাষ্ট্র করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি কঠিন বেরিকেড তৈরি করবে।’

এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বমঞ্চে বলিষ্ঠ বক্তব্য তুলে ধরায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের অন্তরের কথা প্রতিধ্বনিত করেছেন তারেক রহমান।’


নির্বাচিত

‘বুকে পাথর চাপা দিয়ে’ নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছি: গোলাম পরওয়ার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

দেশের বৃহত্তর স্বার্থ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের তাগিদে ‘বুকে পাথর চাপা দিয়ে’ গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তৎকালীন নির্বাচনের ফলাফল পরিকল্পিতভাবে ম্যানিপুলেট করা হয়েছিল। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহে আয়োজিত খুলনা বিভাগীয় জামায়াতে ইসলামীর এক সাংগঠনিক কর্মসূচি শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, দেশ ও জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ এবং ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের চেতনা সমুন্নত রাখতেই জামায়াত প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টার বক্তব্য বিশ্লেষণ করে তাঁরা নিশ্চিত হয়েছেন যে নির্বাচনের ফল জালিয়াতি ও ম্যানিপুলেট করা হয়েছিল। সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ তোলেন, বর্তমান প্রশাসন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষা পূরণের পথ থেকে বহুলাংশে দূরে সরে গেছে।

সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘সরকারকে সহযোগিতা করে আসছে জামায়াতে ইসলামী। কিন্তু সরকার এটিকে দুর্বলতা হিসেবে দেখছে এবং রাজনৈতিক বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিচ্ছে।’ তিনি সরকারের এই নেতিবাচক মানসিকতা পরিহারের তাগিদ দেন। অনুষ্ঠানে ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ার জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্যসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ড মজবুত নয়, দুর্বল: ডা. শফিকুর রহমান

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ড মজবুত নয়, দুর্বল বলে মন্তব্য করে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই চেয়েছিলাম। এটা হলো কমিশনারদের সিলি আনসার। মুখ বাঁচানোর জন্য উনারা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ইসির যিনি চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য সদস্য যারা আছেন, তাদের বাড়ি বাংলাদেশে না। তাদের বাড়ি দুনিয়ার অন্য কোনো দেশে, যার কারণে বাংলাদেশের কোনো খোঁজখবর রাখেন না।

​ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশন (উনারা) আগে জানতেন না ডিসেম্বরে কিংবা জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষা বিভিন্ন লেভেলে থাকে এবং এটা সারা বছর চলতে থাকে।

ভারত তথা জাতিসংঘ উদ্যোগী হলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান সম্ভব জানিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু একটি আন্তর্জাতিক ইস্যু। মুক্তি পেতে একমাত্র সমাধান নিজ দেশে সসম্মানে ফিরে যাওয়া, কিন্তু এই অবস্থা এখনও তৈরি হয়নি। এই ইস্যুতে বাংলাদেশ কিছুই করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে আলাপকালে তাদেরকে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি। চীন, ভারত তথা জাতিসংঘ উদ্যোগী হলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান সম্ভব।

রোহিঙ্গাদের বিশাল জনগোষ্ঠী অনাদর, অবহেলা অশিক্ষায় বেড়ে উঠছে; যা আগামীর জন্য এ অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি বলেন বিরোধীদলীয় এই নেতা।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের কাছ থেকে স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন ও মতামত শুনেন এবং সেগুলোর উত্তর দেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে ডা.শফিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় দ্রব্যমূল্যই কেবল নয়, যাতায়াত খরচও বেড়েছে৷ বিরোধী দল রাজপথে সমাধান চায়নি, সংসদে চেয়েছিল। ৬৮ বিধিতে নোটিশ দিয়ে আলোচনা হয়েছিল। বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে এক্সপার্ট টেকনিক্যাল টিম দিতে চাইলেও সরকার গ্রহণ করেনি।

দেশের শান্তি ও গণতন্ত্র সুসংহত রাখতে সরকারকে অনুরোধ করে তিনি বলেন, সরকারের যেন দায়িত্বশীল বক্তব্য দেন। তার মতে, সরকারি দল যদি নিজেই আইনশৃঙ্খলার ভায়োলেন্স করলে কিছু বলার থাকে না।

মিডিয়ার ওপর 'ওপরের' চাপ আছে, এটা সবাই বুঝে 'ওপরের' চাপ কী। কিন্তু বলে না। গণমাধ্যম ভয়ের সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করছে বলেন তিনি।

সারাদেশে হামে শিশু মৃত্যুর বিষয়টি দুঃখজনক জানিয়ে তিনি বলেন, সারাদেশে নানা সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও সংসদে নেই। জেলা সদরের মতো নাকি উপজেলায় সদরেও আইসিইউ দিয়ে দিবে, এগুলো অবাস্তব কথা। সবকিছুতে লুকোচুরির মানসিকতা বিদ্যমান। হামের টিকা নিয়ে তেলেসমাতি করা হয়েছে।


নির্বাচিত

‘জামায়াত লীগ হয়ে ফিরে এসেছে জামায়াত’: রাশেদ খাঁন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জামায়াতে ইসলামী এখন ‘জামায়াত লীগ’ হয়ে ফিরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরানোর ক্ষেত্রে জামায়াত ভূমিকা রাখছে এবং সরকারের বিরুদ্ধে দলটি অবস্থান নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহের শিশু কুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত অতীতে কখনো প্রধান বিরোধী দল ছিল না। একসময় দলটি বিএনপির সঙ্গে জোট করেছিল এবং মন্ত্রিসভায়ও অংশ নিয়েছিল। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনেও জামায়াত অংশ নিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। তার দাবি, জামায়াতের আমির আওয়ামী লীগের সমালোচনার পরিবর্তে বিএনপির সমালোচনা করছেন। বিএনপিকে ‘নব্য ফ্যাসিস্ট’, ‘জুলাইবিরোধী’ এবং ক্ষমতায় গেলে ‘আরেকটি আওয়ামী লীগ’ হয়ে যাবে—এ ধরনের বক্তব্য জামায়াতের আমির দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের যে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল, জামায়াতের আমিরের ভূমিকার কারণে সেটি তিক্ততার দিকে গেছে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় দুই দলের মধ্যে আগে জোটগত সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে তাদের মধ্যে প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে। জামায়াতের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি দলটির বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

জামায়াতের ‘ছায়া প্রধানমন্ত্রী’ ও ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ প্রসঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।

রাশেদ খাঁন বলেন, সংকট মোকাবিলায় সরকারের কাজে সহযোগিতা করাই ছায়া মন্ত্রিসভার দায়িত্ব হওয়া উচিত। কিন্তু রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এই সময়ে জামায়াতের নেতৃত্বে গঠিত ছায়া মন্ত্রিসভা সরকারকে সহযোগিতা না করে বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার দাবি, জামায়াত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে। তবে এটি রাশেদ খাঁনের রাজনৈতিক অভিযোগ; বক্তব্যের স্বাধীন কোনো প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করেননি।

জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে জামায়াতের সাম্প্রতিক লংমার্চেরও সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মতো বিষয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত সরকারের বিরুদ্ধে লংমার্চ করছে এবং এর মাধ্যমে সরকার পতনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

তার দাবি, জামায়াতের ডাকে সাধারণ মানুষ আর রাজপথে নামবে না। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরাতে জামায়াত চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা জামায়াতের ইন্ধনে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সাহস পাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ আবার রাজনীতিতে ফিরলে জামায়াতের নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এর আগে একই অনুষ্ঠানে রাশেদ খাঁন বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কাজ সম্পন্ন না হলে ভবিষ্যতে এমন সুযোগ আর নাও আসতে পারে। তার দাবি, সরকার ইতোমধ্যে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পথে এগোচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকারের বিরুদ্ধে ‘একাত্তরের ঘাতক’ ও ‘চব্বিশের পরাজিত শক্তি’ এক হয়েছে। জামায়াতের আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সঙ্গে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণার রাজনৈতিক যোগসূত্র রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

অনুষ্ঠানে শিশু কুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। রাশেদ খাঁন সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।


নির্বাচিত

banner close