বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

গণতন্ত্রের জন্যও শিক্ষার্থীদের লড়াই করার আহ্বান আমীর খসরুর

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২৪ ২১:০৫

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের জন্য শিক্ষার্থীরা যেভাবে লড়াই করছেন, ঠিক সেভাবে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের জন্যও তাদের লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ শুক্রবার যুগপৎ আন্দোলন ঘোষণার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে গণতন্ত্র মঞ্চ।

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকার যেভাবে রাষ্ট্র চালাচ্ছে, এতে আগামী দিনে মেধাবী বাংলাদেশের কোনো সুযোগ নেই, বাংলাদেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ আমার মনে হয় না বাংলাদেশকে তারা মেধাবী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। কারণ মেধাবীরা সত্য কথা বলে, সত্যের পথে চলে, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করে।

সকালের টানা বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন স্থান ডুবে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা শহর তো ঢুকবেই। কারণ মেধাবী লোকজন তো কোথাও নেই। যারা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ করে, সেখানে মেধাবী লোকদের নিয়ে আসতে হবে। দলীয় লোকজন দিয়ে যদি চালানো হয় তাহলে ঢাকা ডুববে, সারা বাংলাদেশ ডুববে। আর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে তো এমনিতেই ডুবে গেছে, এখন শুধু পানির ডোবা দেখতে পাচ্ছেন। সবদিক থেকে বাংলাদেশ ডুবে গেছে।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ তাদের মালিকানা হারিয়ে ফেলেছে। এই মালিকানা কেউ কেড়ে নিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের মূল মালিকানা ফিরিয়ে আনতে একটি বড় বিষয় ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর জাতীয় ঐক্য। কোন প্রক্রিয়ায় এই মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে, তা আমাদের ৩১ দফায় ছিল। মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হলে সংবিধানে কী পরিবর্তন করতে হবে, বিচার ব্যবস্থায় কী পরিবর্তন আনতে হবে, সংসদের মধ্যে কী পরিবর্তন আনতে হবে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় কী পরিবর্তন আনতে হবে, সামাজিক ব্যবস্থায় কী পরিবর্তন আনতে হবে- এসব ছিল। আমরা যদি সবাই মিলে ৩১ দফা বাস্তবায়নের গ্যারান্টি দিতে পারি, তাহলে এই স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আজকের যে আন্দোলন, তা পরিপূর্ণতা লাভ করবে। মানুষের কাছে এই ৩১ দফা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনে কর্মসূচি নিতে হবে।

আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা যেসব রাজনৈতিক দল সরকারবিরোধী আন্দোলন করছি, তাদের মধ্যে মতবিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের সবাই মিলে একটি কাজই করতে হবে, এ সরকারের পতন। আমরা যদি অতীত দেখি, তাহলে দেখা যাবে আমরা কেউ কেউ আলাদা হয়ে গেছি। কিন্তু আমাদের বরং আরও বেশি যুক্ত হতে হবে এবং অন্যদেরও যুক্ত করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এখন এমন একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে আমাদের পেছনে ১৫ বছর আছে। এই ১৫ বছরে আমাদের সাফল্য ও ব্যর্থতা কতটুকু সেটা ভাবতে হবে। আমাদের আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে হবে। প্রয়োজনে এ কোটা সংস্কারের দাবিও আমাদের ৩১ দফার মধ্যে আনতে হবে যাতে আমরা ছাত্রদেরও আমাদের আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত করতে পারি এবং বড় আন্দোলনের পথে পা বাড়াতে পারি। সবাই মিলে লড়াইটা করতে হবে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, সমাজতান্ত্রিক দলের সহসভাপতি তানিয়া রব, অধিকার পরিষদের একাংশের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

বিষয়:

নির্বাচিত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আশাবাদী দুই দেশের মানুষ: ভারতীয় হাইকমিশনার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৯

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, সফরটি নিয়ে মানুষের প্রত্যাশার কারণেই এ নিয়ে এত আলোচনা ও সংবাদ হচ্ছে। তাঁর মতে, দুই দেশের সম্পর্কের বর্তমান পরিবেশ ইতিবাচক এবং সুবিধাজনক সময়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসবেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমদ আযম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সফরের তারিখ বা মাস নিয়ে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। তবে সফর হবে। এ নিয়ে তাড়াহুড়োরও প্রয়োজন নেই। সফরের আগে যথাযথ প্রস্তুতি প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাণিজ্য, পানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তবে দুই দেশের নেতারা যখন বৈঠকে বসবেন, তখন এমন কোনো বিষয় নেই যার সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। যথাযথ আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।

দুই দেশের সম্পর্কের পরিবেশকে ইতিবাচক উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে বৈঠক করবেন। দুই নেতা কোনো এক সময়ে বৈঠকে বসবেন—এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দুই নেতার চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে সাধারণ মানুষ এবং শেষ পর্যন্ত আলোচনার ফল সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক হবে বলে তিনি আশা করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী জানান, তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে। দুই নেতার অবস্থান ও চিন্তাভাবনায় মিল রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়া এবং নতুন অধ্যায় শুরুর বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করে তিনি নিজেকে ‘১০০ অ্যান্ড ১০০ শতাংশ’ আশাবাদী বলে জানান।

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না।

ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমদ আযম খান। তিনি বলেন, দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে তাঁর বৈঠকটি ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। সেখানে দুই দেশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে তাঁদের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা তাঁর মুখপাত্র জানাবেন। তাঁর ভাষায়, ‘শুধুমাত্রই আমাদের একটা সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল আজকে।’

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ঘিরে আগের পরিকল্পনার পরিবর্তে ফোয়ারা নির্মাণ করা হচ্ছে—এমন খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে আহমদ আযম খান বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ কীভাবে সম্পন্ন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের স্থানকে ঘিরে সেখানে ফোয়ারা নির্মাণের বিষয়ে তাঁদের কোনো আলোচনা হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সেখানে কী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার স্বাধীনতা স্তম্ভের মূল চেতনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেটি নিয়ে ভাবছে।

মন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাধীনতা স্তম্ভের অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার বিষয়ে তাঁরা কাজ করবেন। মূল নকশা অপরিবর্তিত থাকবে কি না—এ বিষয়ে তিনি বলেন, এখনো কাজ শুরু হয়নি। স্বাধীনতা স্তম্ভ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ রয়েছে। এটি সম্পন্ন করার বিষয়ে মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে চিন্তা করছে। ভবিষ্যতে নকশা অপরিবর্তিত থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে, তা স্পষ্ট হবে।


নির্বাচিত

লাল কালির চিরকুটে বিএনপির চার নেতাকে হত্যার হুমকি

জয়পুরহাটে বিএনপির চার নেতাকে হত্যার হুমকি দিয়ে লাল কালির চিরকুট। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় উড়ো চিরকুট পাঠিয়ে রায়কালী ইউনিয়ন বিএনপির চারজন নেতা হত্যার হুমকির খবর পাওয়া গেছে। চিরকুটে চার নেতার নামের নিচে লাল কালিতে লেখা রয়েছে হত্যা করা হবে, সময় ১৫ দিন। গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রায়কালী বাজারে দলীয় কার্যালয় পরিষ্কার করার সময় একটি খামের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় চিরকুটটি পাওয়া যায়।

জানা যায়, সন্ধ্যায় রায়কালী ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় খুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন দলীয় কর্মী মোজাম্মেল হক মোজাম। তিনি একটি খাম দেখতে পান। খাম খুলে পলিথিনে মোড়ানো একটি চিরকুট পাওয়া যায়।

চিরকুটে রায়কালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম.ইউ. আহমেদ মোশারফ, ইউনিয়ন বিএনপির যুববিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা হেলাল হোসেন এবং কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

রায়কালী ইউনিয়ন বিএনপির যুববিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, চিরকুটে আমারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। লাল কালি ব্যবহারের বিষয়টিও আমাদের কাছে উদ্বেগের। ঘটনাটি কারা ঘটিয়েছে, তা দ্রুত তদন্ত করে বের করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, দলীয়ভাবে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে কেউ ক্ষুব্ধ বা ঈর্ষান্বিত হয়ে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা দরকার। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

রায়কালী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম.ইউ. আহমেদ মোশারফ বলেন, এ ধরনের হুমকির ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুজ্জামান বুলু বলেন, ‘কার্যালয় পরিষ্কার করার সময় মোজাম্মেল হক চিরকুটটি দেখতে পান। পরে বিষয়টি আমাদের জানানো হয়। পুলিশ এসে চিরকুটটি নিয়ে গেছে। এটি সত্যিকারের হুমকি, নাকি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভয় দেখাতে এমন চিরকুট রেখেছে তদন্তে সেটিও পরিষ্কার হওয়া দরকার।

আক্কেলপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান মাসুদ বলেন, ‘রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চিরকুটটি জব্দ করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


নির্বাচিত

জামায়াত আমিরের সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিদায়ী সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করতে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

জামায়াতের পক্ষ থেকে দলের আমীর ও নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরিতে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময়ে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সংলাপের পরিবেশ তৈরিতে ইয়াও ওয়েন ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন বলে তারা উল্লেখ করেন। এ ভূমিকার জন্য রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।

বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিউ ইউয়িন, কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওপেং, অ্যাটাচে লিয়াং শুয়িং এবং পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স অ্যাটাচে ওয়াং ডাউয়েই উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

সাদিক কায়েম মেয়েদের প্যান্ট-জার্সি পরিয়ে মাঠে নামিয়ে গর্ব করে: চরমোনাই পীর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট নিয়ে মন্তব্য করেছেন। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম খেলোয়াড়দের প্যান্ট-জার্সি পরিয়ে মাঠে নামিয়ে ‘অসুন্দর পরিবেশ’ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন চরমোনাই পীর।

সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সাদিক কায়েম মেয়েদের প্যান্ট-জার্সি পরিয়ে মাঠে নামিয়ে অসুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করছে।’ এ নিয়ে সাদিক কায়েম গর্ব করে দেশের ইতিহাসে প্রথম এমন আয়োজনের কথা বলছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কত কায়দা! এই কায়দা কতদিন চলবে? এটা পরিবর্তনের জন্য আপনাদের ভেতরে ব্যথা আসে না? জজবা আসে না?’

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের আমির। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পার হয়ে গেছে। স্বাধীনতার জন্য মানুষ জীবন দিয়েছে এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। তবে এখনো মানুষ প্রকৃত মুক্তি পায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, একই নীতিতে দেশ পরিচালিত হতে থাকলে স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী ও শতবর্ষও উদযাপন করা হতে পারে। কিন্তু তাতে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজ, গুম ও খুনসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনাচার দিন দিন বাড়ছে। এসব সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, জনগণ বিভিন্ন দলকে ক্ষমতায় বসিয়ে দেখেছে। কিন্তু প্রচলিত নীতির মাধ্যমে কোনো দলই রাষ্ট্র ও সমাজে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারেনি।

নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার প্রসঙ্গেও তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বা ইশতেহারের কথা পরে ভুলে গিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়।

সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মী এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নৌযানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নৌপথে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং যাত্রী হয়রানি বন্ধে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এসব নির্দেশনা দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের কাছ থেকে কোনোভাবেই নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

সদরঘাটসহ দেশের সব যাত্রীবাহী নৌযানে নির্ধারিত ভাড়ার ডিজিটাল তালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের নির্দেশ দেন তিনি। এতে যাত্রীরা সহজেই প্রকৃত ভাড়া সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা ভাড়া নিয়ে বিভ্রান্তি ও হয়রানির শিকার হওয়া থেকে রক্ষা পাবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করতে হবে। কোনো যাত্রী যেন হয়রানি, ভোগান্তি বা অপ্রয়োজনীয় বিড়ম্বনার শিকার না হন, তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। যাত্রীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নৌযান শ্রমিকদের দায়িত্বশীল ও সৌজন্যমূলক আচরণ করার নির্দেশও দেন তিনি।

সদরঘাট টার্মিনাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী টার্মিনালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা, লঞ্চ চলাচল, ভাড়া আদায়, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি লঞ্চে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে টার্মিনালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন নৌ প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং টার্মিনালের সামগ্রিক পরিবেশ উন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের টার্মিনাল ও নৌযানগুলো নিয়মিত পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়ে বলেন, যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করতে হবে। ভাড়া আদায় থেকে শুরু করে নৌযানের চলাচল ও টার্মিনালের ব্যবস্থাপনা—সব ক্ষেত্রেই নিয়মকানুন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।


নির্বাচিত

বৃহস্পতিবার ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিনব্যাপী ফেনী সফরে যাচ্ছেন। সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, এ সফরে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ঘিরে স্থানীয় প্রশাসনের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর সফরটি হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা স্থগিত করে ১ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর পরশুরামের উদ্দেশে রওনা হবেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি পরশুরাম উপজেলার ঘাটঘর মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছাবেন। সেখানে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করার কথা রয়েছে।

প্রকল্পটির ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় নদী ও জলাধার পুনঃখনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কারের কাজ করার কথা রয়েছে।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে পরশুরাম থেকে ফুলগাজী উপজেলার বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর দেড়টায় কলেজ প্রাঙ্গণে পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

এরপর দুপুর ২টায় ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। পরে ডাকবাংলোয় দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম নেওয়ার কথা রয়েছে।

বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণের পাশাপাশি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান করার কথা রয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও ১ অক্টোবর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠ থেকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৫টায় সড়কপথে ফেনী ত্যাগ করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে পরশুরাম ও ফুলগাজীতে বিভিন্ন প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী নদীর তীরে প্রকল্পের উদ্বোধন ও জনসভাস্থল প্রস্তুত করা হচ্ছে। মঞ্চ, উদ্বোধনী ফলকের স্থানসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। একই সঙ্গে পরশুরাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ী হেলিপ্যাড প্রস্তুত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানস্থলে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে পানির ট্যাংক ও পোর্টেবল টয়লেট স্থাপনসহ স্যানিটেশন ব্যবস্থার কাজ চলছে। পাশাপাশি অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও করা হচ্ছে।

সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে ফেনী-পরশুরাম প্রধান সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে মেরামত ও সংস্কারকাজ করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। একইভাবে পরশুরাম-সুবার বাজার সড়কের অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশেও প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ চলছে। ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানেও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ফুলগাজী ও পরশুরামের দুটি অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করে প্রস্তুতির খোঁজ নেন।

এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের কথা ছিল। পরে সফরটি স্থগিত করে ১ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।


নির্বাচিত

ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, রয়ে গেছে তার চরিত্র: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিবাদের নেতৃত্বের পতন হলেও তাদের চরিত্র ধারণকারী অনেকেই এখনো বাংলাদেশে রয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসরদের ঝটিকা মিছিল, পটকা ও বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। তবে কোনো অবস্থাতেই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।’

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এর আগে তার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের নেতৃত্ব চলে গেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক লোকই বাংলাদেশে বসবাস করছে। আমরা হঠাৎ মাঝেমধ্যে তার কিছু কিছু আলামত দেখছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনজীবন অস্থিতিশীল করা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোথাও কোথাও ভোরবেলায় ঝটিকা মিছিল, পটকা ও বোমা ফাটানোর মতো ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় দেশের মানুষ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন।’

বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে সজাগ রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কোনোভাবেই দেশে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’

ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘যারা গোপনে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও নাশকতায় জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা প্রশাসনের দায়িত্ব। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’


নির্বাচিত

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশ, গণমাধ্যমের মানোন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণমাধ্যমকর্মীরা যাতে অবাধে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে নামে-বেনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভুঁইফোড় পেজ ও অনলাইন পোর্টাল খুলে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এর ফলে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। মূলধারার গণমাধ্যমের বাইরে অনেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কারা সাংবাদিক—এ বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা ও মাপকাঠি নির্ধারণ জরুরি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ডিআরইউসহ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংগঠন ও সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় ও আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়েও বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা প্রদানসহ সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মাপকাঠির প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতির একটি প্রস্তাব সরকার বিবেচনা করছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। নিবন্ধিত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের আইনের আওতায় আনার প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিধান রাখার প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের কল্যাণ, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ডিআরইউর পাশে থাকার আশ্বাস দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিআরইউর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার কথাও বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের জন্য সময়োপযোগী ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতার কথা জানিয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতির জন্য শ্রম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করা হবে।

সভায় ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, সাংবাদিকদের সমস্যাগুলো দেখভালের দায়িত্ব তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের। সাংবাদিকদের কল্যাণ ও সমস্যা সমাধানে সরকারকে সহযোগিতা করে আসছে ডিআরইউ এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। গণমাধ্যমবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, সংগঠনটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পেশাদার সাংবাদিকদের কল্যাণ ও মানোন্নয়নে কাজ করছে। প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় ডিআরইউ সহসভাপতি মেহদী আজাদ মাসুম, দপ্তর সম্পাদক রাশিম মোল্লা, নারী বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক আমিনুল হক ভূঁইয়া এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ডিআরইউর ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির এসব পদধারীর তথ্য সংগঠনটির ওয়েবসাইটেও রয়েছে।


নির্বাচিত

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ: হুমায়ুন কবির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে নয়াদিল্লির সঙ্গে দূরদর্শী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন। পরে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ঘটনাবলি নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।

আলোচনায় নিউইয়র্কে সদ্য শেষ হওয়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের বিভিন্ন বিষয়ও স্থান পায়।

বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এ সফর নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই; দুই দেশের সরকারপ্রধানের জন্য সুবিধাজনক সময়ে সফরটি হতে পারে।

এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে গঠনমূলক দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়। তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

সাম্প্রতিক বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা এবং সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জনগণের কল্যাণের ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়ার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে ঢাকার বর্তমান কূটনৈতিক অবস্থানও তুলে ধরা হয়।


নির্বাচিত

বিএনপিকে ছোট করতে অপপ্রচার চলছে: খোকন তালুকদার

সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহগণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাদারীপুর প্রতিনিধি

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নির্বাচনে জয়লাভ করতে না পেরে দিশেহারা হয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কালকিনি-মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহগণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। তিনি বলেন, যাদের রাজনীতির জন্মই হয়েছে চাঁদার টাকায়, তারাই আজ বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার শশিকর শহীদ স্মৃতি কলেজে আয়োজিত নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি ​খোকন তালুকদার বলেন, ‘ বর্তমানে যারা এনসিপির নেতৃত্বে আছেন, তারাও কিছু অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন। তাদের যত বড় মুখ না তত বড় কথা। প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির নেতা-কর্মীদের নিয়ে তারা আবোল-তাবোল বকছেন। তাদের যদি বিগত দিনের ইতিহাস আমরা দেখতে যাই তবে দেখা যাবে যে, তারা আওয়ামী লীগের স্লোগান ধরতে-ধরতে তাদের মুখ ব্যথা হয়ে গিয়েছিল। এখন তারা আবার বিএনপির বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, ছোট করার চেষ্টা করছে; কিন্তু জনগণ এখন আর বোকা নাই, তারা সব বোঝে এবং তাদের কথায় কেউ বিভ্রান্ত হবে না। তাদের পরিপক্ব ও জনবান্ধব কোনো রাজনীতি নাই।

অনুষ্ঠানে ডাসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানজিল পারভেজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শহীদ স্মৃতি কলেজের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আশরাফুজ্জামান, উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম, ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন তালুকদারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে অবকাঠামো, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কৃষি, জ্বালানি ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাক্ষাতের তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকালে জাপানের সম্রাট নারুহিতোর একটি অভিনন্দনবার্তা রাষ্ট্রপতির কাছে হস্তান্তর করেন রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি। সম্প্রতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান সম্রাট নারুহিতো এবং বাংলাদেশের জনগণের সুখ ও সফলতা কামনা করেন।

অভিনন্দনবার্তার জন্য সম্রাটকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে জাপানের সম্রাট ও দেশটির জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি সম্রাট নারুহিতোর সুস্বাস্থ্য, কল্যাণ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন। ঢাকা মেট্রোরেল ও মেঘনা সেতুসহ দেশের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার কাজ জাপানের সহযোগিতায় দ্রুত চালু হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। জবাবে রাষ্ট্রদূত জানান, প্রকল্পটির কাজ দ্রুত শেষ হবে।

জাপানে বাংলাদেশি জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি দেশটির প্রতি ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা ও জাপানি ভাষা শেখানোর জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানের শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে ফল-ফসল ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বাড়াতে জাপানের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি খাতের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন জাপানের রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য জাপানের মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারের ওপর জাপানের অব্যাহত চাপ ও সমর্থন কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচির ভূমিকার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

অতীতের সফরের স্মরণ

রাষ্ট্রপতি ১৯৭৮ ও ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ২০০৫ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জাপান সফরের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এসব সফর বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অগ্রগতি ও রাজনৈতিক উত্তরণে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বর্তমান সরকারের সঙ্গে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহের কথা জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের ভূমিকা এবং অবকাঠামো, বিনিয়োগ, মানবসম্পদ, কর্মসংস্থান, জ্বালানি ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়গুলো বৈঠকে গুরুত্ব পায়।


নির্বাচিত

সরকারকে দ্বিমুখী প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করতে হচ্ছে: আবু হানিফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারকে একই সঙ্গে দুই দিক থেকে প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা করতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ। তাঁর দাবি, একদিকে সংসদে থাকা বিরোধী দল বিভিন্ন বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। অন্যদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিদেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যের বিষয়টি একই দিন ঢাকা টাইমস ও আরটিভিসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

আবু হানিফ তাঁর পোস্টে বলেন, বর্তমানে সংসদে থাকা বিরোধী দল বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্তিকর তথ্য ও প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিদেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছেন বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বর্তমান বিরোধী দল একযোগে কাজ করছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য তাঁর পোস্টে উল্লেখ করা হয়নি।

দ্রুত তথ্য প্রকাশের পরামর্শ

প্রোপাগান্ডা মোকাবিলায় সরকারের করণীয় তুলে ধরে আবু হানিফ বলেন, সরকারের উচিত দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রচারিত তথ্যের বিপরীতে সঠিক তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরা। এতে দেরি হলে মানুষের মধ্যে ভুল বার্তা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকারকে একই সঙ্গে দুই দিকের প্রচারণা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারি তথ্য দ্রুত ও স্পষ্টভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বরের আরেকটি বক্তব্যেও আবু হানিফ জামায়াত, এনসিপি ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন।

আবু হানিফের সর্বশেষ বক্তব্য মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো রাজনৈতিক প্রচারণা মোকাবিলায় সরকারের তথ্য দেওয়ার কৌশল নিয়ে তাঁর মতামত ও অভিযোগকে কেন্দ্র করে।


নির্বাচিত

চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: রেজাউল করিম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষ জীবন দিলেও দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি ও ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। তাঁর দাবি, যে নীতিতে দেশ পরিচালিত হচ্ছে, সেই নীতিতে স্বাধীনতার হীরকজয়ন্তী কিংবা শতবর্ষ উদযাপন করলেও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে না।

মঙ্গলবার আইএবির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, দেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটতরাজ, গুম ও খুনসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক অনাচার বাড়ছে। তাঁর অভিযোগ, এসব অনাচার দূর করতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দলকে জনগণ ক্ষমতায় বসিয়ে পরীক্ষা করেছে। কিন্তু প্রচলিত নীতির মধ্যে থেকে কোনো দলই সমাজ ও রাষ্ট্রে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারেনি। তাঁর দাবি, ক্ষমতায় যাওয়ার পর দলগুলো নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছে।

চরমোনাই পীর বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নীতির প্রশ্নে কখনো আপস করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না ইনশাআল্লাহ।’

সম্মেলনে আইএবির মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দলের শীর্ষ নেতারা সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৫ আগস্টের পর রাজনীতিতে চাঁদাবাজি ও ধোঁকাবাজি থাকবে না বলে তাঁরা আশা করেছিলেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়েও বিএনপি সরকারের সমালোচনা করেন গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, এভাবে চলতে থাকলে জনবিস্ফোরণ হতে সময় লাগবে না।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। দলটি ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়ন করতে চায়।

এর আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে। জুলাইয়ে দলটির পক্ষ থেকে সনদ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানানো হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আইএবির সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের অলিগলিতে নেতাকর্মীদের ছড়িয়ে পড়তে হবে। শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়ে তোলার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ওয়ার্ডগুলো থেকেই শরিয়াহর বিজয় শুরু হবে।

ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, জনগণ তাঁদের নির্বাচিত করলে ঢাকা মহানগরকে স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন আইএবির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, আশরাফুল আলম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলামসহ নগর কমিটির নেতারা।


নির্বাচিত

banner close