বুধবার, অক্টোবর ৫, ২০২২

সাবিনা-কৃষ্ণা-সানজিদারাও পারেন...

সাবিনা-কৃষ্ণা-সানজিদারাও পারেন...
সাফ শিরোপা হাতে মেয়েদের উল্লাস। ছবি : বাফুফে
নিশাত আহমেদ
প্রকাশিত

‘বাংলাদেশের মানুষ ভালোবাসে ফুটবলকে, কিন্তু বিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রিকেটের সঙ্গে।’


কেউ যদি এ কথার সঙ্গে সম্মত না-ও হন, গতকাল মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে বাংলাদেশের জয়গাথার পর কথাটা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল যেন। মাসের শুরুতে এশিয়া কাপের ক্রিকেট দলের কল্যাণে পাওয়া দগদগে ক্ষতটায় প্রলেপ দিতে সাবিনা-কৃষ্ণারা ২০ দিনও সময় নিলেন না।

 
নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামের ভরা গ্যালারি থেকে আসা সুসংবাদে সাড়ে নয় শ’ কিলোমিটার দূরে থাকা বাংলাদেশের প্রতিটা অলিগলি যে আনন্দের চাদরে মুড়ে গেল, তার নেপথ্যের রানি তো তারাই! ফুটবল দিয়েই যারা জয় করেছেন ১৭ কোটি মানুষের হৃদয়। যারা আবারও বুঝিয়েছেন, দেশের মানুষ ভালোবাসে ফুটবলকেই। শুধু দরকার উদযাপনের একটা উপলক্ষ।

 
হ্যাঁ, রানিই বটে। সমাজের বাঁকা চোখ, কটু কথা, দারিদ্র্যের কষাঘাত উপেক্ষা করে জীবনযুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়ে যারা এ দেশে ফুটবল খেলাকে ভালোবেসে আঁকড়ে ধরার সাহস দেখাতে পারেন, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে নিন্দুকদের মুখে ঝামাও ঘষে দিতে পারেন, তাদের রানি বললে অত্যুক্তি হয় না।

ওরা ১১ জন। ছবি : বাফুফে


দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা হয়ে মেয়েরা চোখে আঙুল দিয়ে আমাদের অনেক কিছুই দেখিয়ে দিলেন। বয়সভিত্তিক দল থেকে সঠিক পরিচর্যা করলে ফল যে মেলে, কোচ গোলাম রাব্বানীর শিষ্যারা দেখালেন সেটা। অনূর্ধ্ব-১৪ থেকে একইসঙ্গে খেলা দলটা জানে মাঠে কখন তার সঙ্গী কী করতে যাচ্ছেন।

বল পায়ে থাকলে ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তোলা, বল পায়ে না থাকলে ঠাণ্ডা মাথায় নিজেদের মধ্যকার পজিশন, ছক ও দূরত্ব ঠিক রেখে রক্ষণাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা, সবকিছুই বহুদিন ধরে একসঙ্গে খেলে আসার সুফল। ফাইনালে প্রতিপক্ষ স্বাগতিক দল, পক্ষে নেই গ্যালারির দর্শক, বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত মাঠও সাবিনাদের স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটবল খেলতে দেয়নি। তাতে কী?

খেলোয়াড়দের অদম্য মানসিকতা আর পারষ্পরিক রসায়নই যথেষ্ট ছিল সকল প্রতিবন্ধকতাকে জয় করার জন্য। যে রসায়ন গড়ে উঠেছে বহু বছর ধরে করা নিবিড় পরিচর্যায়, খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপর রাখা আস্থায়। এই সাফল্য জানিয়ে দিল তৃণমূল থেকে উঠে আসা প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড়দের সময় নিয়ে ঘষলে একেকজন হিরের টুকরোতে পরিণত হবেই। দেশের অন্যান্য ফেডারেশনগুলো, এমনকি ছেলেদের ফুটবলের ক্ষেত্রে বাফুফে কি সে বার্তাটা পেল অবশেষে?

গোলাম রব্বানী ছোটন এক যুগের বেশি সময় ধরে এই দলের কোচ। বারবার কোচ ও কৌশল না বদলে একজনের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রাখার ফল কী হয়, সেটাও বুঝিয়ে দিলেন সাবিনারা। শেষ কবে বাংলাদেশের ফুটবলে একেকটা গোল হওয়ার পর হইহুল্লোড়ের শব্দ পেয়েছেন? গোল হজম করলে বা কোনো গোলের সুযোগ নষ্ট করলে শেষ কবে রাস্তা থেকে ভেসে এসেছে আক্ষেপের ধ্বনি?

বহুদিন পর এবারের মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সে অভিজ্ঞতার সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দিল। জানিয়ে দিল শুধু সাকিব-তামিম নয়, দেশবাসীকে আনন্দে মাতাতে পারেন সাবিনা-কৃষ্ণা-সানজিদারাও।


‘অবিচার’ মানতে পারছেন না জাভি

‘অবিচার’ মানতে পারছেন না জাভি
ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন জাভি/টুইটার
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত

চ্যাম্পিয়নস লিগে আগের ম্যাচেও হেরেছিল বার্সেলোনা। তবে সে হার ছিল বায়ার্ন মিউনিখের কাছে। সে পরাজয় তাই বার্সা কোচ হার্নান্দেজ জাভির কপালে চিন্তার ভাঁজ না ফেললেও এবার ফেলেছে। বার্সা যে হেরে গেছে ইন্টার মিলানের কাছে। মঙ্গলবার রাতে সান সিরোয় স্বাগতিক দলের জয়ের নায়ক হাকান চালহানোগলু। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছে ইন্টার।

ম্যাচ শেষে রেফারিং নিয়ে ক্ষুদ্ধ জাভি। তার দাবি, ম্যাচের ফলাফলকে প্রভাবিত করে এমন দুটি সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে দিয়েছেন রেফারি। যার একটি গোল বাতিল। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের জালে বল একবার জড়িয়ে দিয়েছিলেন পেদ্রি। তবে তার আগে বল আনসু ফাতির হাতে লাগায় ভিএআরের আশ্রয়ে গোল বাতিল করে হ্যান্ডবল দেন রেফারি। আর একবার ম্যাচের শেষ দিকে বক্সের ভেতর ইন্টারের ডেনজেল ডামফ্রিসের হাতে বল লাগলে পেনাল্টির দাবি তোলেন বার্সার খেলোয়াড়রা। ভিএআরের আশ্রয়ে বার্সার সে আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি।

সব মিলিয়ে রেফারির আচরণটা তাদের ওপর অবিচার হিসেবেই দেখছেন জাভি। তবে তিনি মেনে নিচ্ছেন বার্সার খেলাটা ভালো ছিল না, ‘রেফারির সিদ্ধান্তগুলির বাইরে (নিজেদের) আত্মসমালোচনাও করতে হবে আমাদের। আরও ভালো খেলতে হবে, যদিও অন্তত ড্র আমাদের প্রাপ্য ছিল।’

সেই ড্র'ও ভাগ্যে না জোটায় চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্ব পেরোনোটাই জটিল হয়ে পড়েছে বার্সা। তিন ম্যাচ শেষে মাত্র একটিতে জয়। তাই পরের কোনো ম্যাচে আর পা হড়কানোর সুযোগ নেই বলে শিষ্যদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ বার্সা কোচের, ‘এখন এক অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে গেছি আমরা। তিনটি ম্যাচ বাকি আছে আমাদের, সবই ফাইনাল ম্যাচ। আমাদের আর হোঁচট খাওয়ার সুযোগ নেই।’

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে যোগ হওয়া সময়ে জয়সূচক গোলটি আসে ইন্টারের। লাউতারো মার্তিনেস জোরাল শট নিয়েছিলেন। সেটি রক্ষণে প্রতিহত হওয়ার পর বল পেয়ে যান  চালহানোলু। ২৫ গজ দূর থেকে দর্শনীয় শটে গোলটি করেন তিনি।

ম্যাচে গোল পাননি রবার্ট লেভানডফস্কি। তাতে চলতি এখন পর্যন্ত এটাই সত্যি হয়ে উঠেছে-লেভানডফস্কি গোল না করলে জেতে না বার্সেলানা। কারন, তিন যে ম্যাচে গোল করেননি, তার একটিতেও জিততে পারেনি বাার্সা।

পরশুর আগে ৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের তৃতীয় স্থানে বার্সা। ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে বায়ার্ন। ৬ পয়েন্ট নিয়ে বায়ার্নের পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে ইন্টার।


গার্ডিয়ানে সাবিনাদের জয়গাথা

গার্ডিয়ানে সাবিনাদের জয়গাথা
ব্রিটিশ দৈনিকে বাংলাদেশের মেয়েদের সাফ জয়গাথা
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত

সময়টি হয়তো এর চেয়ে সুন্দর আর হতে পারত না সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা সরকার, মারিয়া মান্দাদের। সাফ ফুটবলে ইতিহাস গড়েছেন। সে সুবাদে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে গেছে তাদের নাম, ছাদখোলা বাসে শিরোপা উদ্‌যাপনে মানুষের ঢলই তা বলে গেছে। দেশ ছাড়িয়ে এখন বিশ্বেও পৌঁছে যাচ্ছে মেয়েদের সাফল্যের জয়গান।

ইংলিশ বিখ্যাত দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান কাল বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্নযাত্রার গল্প তুলে ধরেছে। ‘দক্ষিণ এশিয়ার মেয়ে ফুটবলারদের রাস্তা দেখাচ্ছে বাংলাদেশ’– শিরোনামের লেখাটি যেন সাবিনাদের জয়গাথায় আরেকটি পালক।

শুধু সাফের সাফল্যই এমন প্রতিবেদনের কারণ নয়। রক্ষণশীল সমাজে সব বাধা পেরিয়েও মেয়েদের মুকুটে এই পালক তো অন্যদের জন্যও প্রেরণার। বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের মেয়েদের যাত্রায় তুলনা টেনে গার্ডিয়ান সে গল্পই বলেছে, ‘১৯৭১ সালে আলাদা পথে চলে যাওয়া বাংলাদেশ আর পাকিস্তানকে ফুটবলের উর্বরভূমি কেউ বলবে না। দুই দেশেই খেলাটি নিয়ে আগ্রহ অবশ্য বাইরের লোকের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। তবে সেপ্টেম্বরের চিত্র যদি কিছু বলে থাকে, সেটি এই যে দুই দেশের মধ্যে প্রথমে যাদের কথা বলা হলো (বাংলাদেশ), তারাই সামনের দিকে ছুটছে।’

পথচলায় স্বপ্ন ছুঁয়েছে বাংলাদেশ। সে পথে বাংলাদেশের মেয়েদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর সেটির শেষে সাফে ইতিহাস রাঙানো মেয়েদের নিয়ে দেশের মানুষের উদ্‌যাপনের গল্প আছে প্রতিবেদনে। আছে আগামীর প্রত্যাশা আর প্রতিশ্রুতির গল্পও। তুলনায় পাকিস্তানের মেয়েদের পিছিয়ে থাকার গল্প টেনে গার্ডিয়ান লিখেছে, ‘...পাকিস্তানও হয়তো বাংলাদেশের এঁকে দেয়া পথটি অনুসরণ করে দেখতে পারে, যে পথে শর্টস পরে খেলা নিয়ে মন্তব্যের বদলে ছাদখোলা বাসের প্যারেড থাকে, কেক আর বোনাসের ছড়াছড়ি থাকে।’


দুই পায়ে দাঁড়ানোই এখন চ্যালেঞ্জ বেয়ারস্টোর

দুই পায়ে দাঁড়ানোই এখন চ্যালেঞ্জ বেয়ারস্টোর
এই বছরে আর মাঠে নাম হবে না বেয়ারস্টোর। ছবি : ইনস্টাগ্রাম
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত

গলফ খেলতে গিয়ে পায়ের বারোটা বাজিয়েছেন। তাতে বড় ধাক্কা, গত মাসে গলফ কোর্টে পায়ে চোট পাওয়ার পরপরই অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকেও ছিটকে গেছেন। সময়টা কেমন কাটছে জনি বেয়ারস্টোর, তা অনুমান করে নিতে কষ্ট হয় না! এর মধ্যে সম্প্রতি চোটের সর্বশেষ অবস্থা সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের জানিয়েছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান।

সোমবার ইনস্টাগ্রামে ভাঙা পায়ের ছবি যুক্ত করে বেয়ারস্টো জানিয়েছেন, এই বছরে আর মাঠে নামা হবে না তার। দুই পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ানোই এখন তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

ইনস্টাগ্রামে ছবির ক্যাপশনে চোট প্রসঙ্গে বেয়ারস্টো লিখেছেন, ‘আমার পায়ের তিন জায়গায় হাড় ভেঙে গিয়েছিল, সেখানে পরে প্লেট বসাতে হয়েছে। গোড়ালিও স্থানচ্যুত হয়েছিল। মোদ্দাকথা, ভালোভাবেই পা ভেঙেছিলাম। যা-ই হোক, ইতিবাচক দিক হচ্ছে অস্ত্রোপচার ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অস্ত্রোপচারের তিন সপ্তাহ পার হয়েছে। সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

কবে নাগাদ মাঠে ফিরতে পারবেন সে সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না বেয়ারস্টো, ‘কবে আবার খেলায় ফিরতে পারব সেটা এখনই বলা কঠিন। আমার প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে আবার দুই পায়ে দাঁড়ানো। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, ২০২২ সালে আমার আর কোনো কিছুতে অংশ নেয়া হবে না।’

তার মানে, ডিসেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও খেলা হচ্ছে না বেয়ারস্টোর। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজেও অনিশ্চিত দুরন্ত ফর্মে থাকা ৩৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। চোটে পড়ার আগে সর্বশেষ ১০ টেস্টের ৬টিতেই সেঞ্চুরি পেয়েছেন বেয়ারস্টো।


ফ্লাইট মিস করায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ

ফ্লাইট মিস করায় বিশ্বকাপ থেকে বাদ
বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়লেন হেটমায়ার। ছবি : আইসিসি
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত

১৬ অক্টোবর থেকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শুরু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না শিমরন হেটমায়ারের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। কারণটা অবশ্য একটু ভিন্ন, তা চোট কিংবা মাঠের খেলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পুনর্নির্ধারিত ফ্লাইট মিস করায় বিশ্বকাপ দল থেকে তাদের বাদ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড।

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপ দলের সদস্যরা অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাদের সঙ্গে উড়াল দিতে পারেননি হেটমায়ার। অস্ট্রেলিয়াগামী তার পুনর্নির্ধারিত ফ্লাইট ছিল সোমবার। সেটি ধরতে ব্যর্থ হলেই তাকে বাদ দেয়া হয় বিশ্বকাপ দল থেকে। তার বদলি হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়েছেন শামার ব্রুকস।

গত শনিবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়ে। সিপিএলে গায়ানার অধিনায়কত্ব করা হেটমায়ার ব্যক্তিগত কারণে শনিবার না গিয়ে সোমবার যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তা মেনে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড তার টিকিট বুকিং দেয় সোমবার। কিন্তু পারিবারিক কারণে এদিন তিনি বিমান ধরতে পারছেন বা বলে জানিয়ে দেন দলকে। তার এই সিদ্ধান্তের পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ড তার পরিবর্তে দলভুক্ত করে ব্রুকসকে।

ক্যারিবিয়ান বোর্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ফ্লাইট পাওয়া তো অনেক চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার, তবে সোমবারে গায়ানা থেকে তার জন্য একটি আসন পাওয়া গিয়েছিল। যদিও তিনি ৫ অক্টোবর মেট্রিকন স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে পারতেন না। কিন্তু সোমবার সকালে হেটমায়ার ক্রিকেট পরিচালক জিমি অ্যাডামসকে জানিয়েছেন, বিকেলে নিউইয়র্কের ফ্লাইটের জন্য তিনি সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছাতে পারবেন না।’

কিন্তু পরে কী তাকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো যেত না? ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক জিমি অ্যাডামস বললেন, ‘পারিবারিক কারণে শিমরনের ফ্লাইট শনিবার থেকে সোমবার পরিবর্তন করার সময় আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলাম, আবার কোনো কারণে দেরি হলে এবং অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার বিমান ধরতে না পারলে দলে সে জায়গা হারাতে পারে। কারণ, আমরা এত বড় বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির জন্য আপস করতে রাজি না।’

তাই বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়তে হলো হেটমায়ারকে।


৪৫৮ রানের ম্যাচ যত সব রেকর্ড

৪৫৮ রানের ম্যাচ যত সব রেকর্ড
সূর্যকুমার যাদব রেকর্ড করেই যাচ্ছেন। ছবি: বিসিসিআই
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত

প্রোটিয়া বোলারদের তুলোধুনো করে গতকাল গৌহাটিতে ভারত ৩ উইকেট করল ২৩৭ রান। এই রানের নিচে দক্ষিণ আফ্রিকা চাপা না পড়লেও জিততে পারেনি। ৩ উইকেট হারিয়ে তারা তুলেছে ২২১ রান। দুই দল মিলিয়ে রান উঠেছে ৪৫৮। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নয় (সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ৪৮৯, ভারত-উইন্ডিজ), তবে ভারত দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াইয়ে এটিই দুই দলের সর্বোচ্চ রান। ভারতের ১৬ রানের জয়ের এই ম্যাচে রেকর্ড হয়েছে আরও কয়েকটি।

হাজারে দ্রুততম সূর্যকুমার

এই সময়ে ক্রিকেটে যাদের ব্যাটিং মন্ত্রমুগ্ধের মতো টানে, তাদের অন্যতম সূর্যকুমার যাদব। তার ব্যাটে আগুণের হলকা উঠলে নিস্তার নেই প্রতিপক্ষ বোলারদের। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে কাল রান আউট হওয়ার আগে খেলেছেন মাত্র ২২ বল। তাতেই ৬১ রান। ৫টি চার ও সমান সংখ্যক ছয়ের ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট-২৭৭.২৭। এই ইনিংস খেলার পথে রিবাট কোহলি ও রাহুল লোকেশের পর তৃতীয় দ্রুততম ভারতীয় হিসেবে ৩১ ইনিংসে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন। কিন্তু খেলা বলের হিসেবে সূর্যকুমারই দ্রুততম। মাত্র ৫৭৪ বলেই রানের চার অঙ্ক ছুঁয়েছেন তিনি। তার আগে এই রেকর্ডটি ছিল ৬০৪ বলের, অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকওয়েলের।