রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

সাফজয়ী গোলরক্ষক রূপনা চাকমার বাড়ি নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাফজয়ী গোলরক্ষক রূপনা চাকমার বাড়ি নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রূপনা চাকমা।
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের গোলরক্ষক রূপনা চাকমার নিজ শহর রাঙামাটিতে একটি বাড়ি তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এহাসানুল করিম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকেই রূপনার পরিবারের জন্য একটি বাড়ি তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

রূপনা রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচরের বাসিন্দা। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের এই সদস্য সদ্য সমাপ্ত নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পেয়েছেন।

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাফল্যের পর মিষ্টি, ফল ও ফুল নিয়ে ঋতুপর্ণা চাকমা ও রুপনা চাকমার বাড়িতে যান রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

ইতিমধ্যে রূপনা চাকমার জরাজীর্ণ বাড়ির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি জাতিসংঘ সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও।

এদিকে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল শিরোপা জয় করে নেপাল থেকে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে বেলা পৌনে ২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারা।

বিমানবন্দরে উপস্থিত আছেন বাফুফে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। দলকে বরণ করে নিতে উপস্থিত রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় জমা হতে শুরু করেন ভক্ত ও সমর্থকেরা।

বিকেএসপি থেকে বিমানবন্দরে চ্যাম্পিয়নদের স্বাগত জানাতে এসেছে খুদে ক্রীড়াবিদদের একটি দল। সাবিনা-স্বপ্নাদের বরণ করে নিতে অপেক্ষার প্রহর যেন শেষ হচ্ছে না তাদের।

বিকেএসপির ক্রীড়াবিদ লামিয়া বলেন, ‘আপুরা ভালো খেলেছে, ট্রফি জিতেছে। তাদের জন্য এখানে এসেছি। খুব ভালো লাগছে।’

দলে দেশে ফেরার পর অভ্যর্থনার নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। দলের জন্য তৈরি করা হয়েছে ছাদখোলা দ্বিতল বাস।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মতিঝিলে বাফুফে ভবন পর্যন্ত উদযাপনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

চ্যাম্পিয়নদের বহনকারী বাসটি বিমানবন্দর-কাকলী-জাহাঙ্গীর গেট-পিএম অফিস-বিজয় সরণি-ফকিরাপুল হয়ে বাফুফে ভবন যাবে।


এমন বিদায় তাকেই মানায়

এমন বিদায় তাকেই মানায়
রজার ফেদেরারের বিদায়ী আবেগ ছুঁয়ে গেলে নাদালকেও। পরশু লন্ডনের ওটু অ্যারেনায়। ছবি: টুইটার
শাহরিয়ার ফিরোজ
প্রকাশিত

শাহরিয়ার ফিরোজ

বিদায়ী চিত্রনাট্য এমনো হয়! চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

কাঁদছেন ফেদেরার। অঝোরে। শিশুর মতো। তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছেন স্ত্রী মিরকা ভাব্রিনেচ। পরিস্থিতি সামাল দিতে তার গালে, কপালে চুমু খেয়ে চলেছেন ভাব্রিনেচ। কিন্তু কান্না থামছে না ফেদেরারের।

সেই কান্না আরও আগেই ছোঁয়াছে হয়ে গেছে লন্ডনের ওটু অ্যারেনায়। ১৭ হাজার ৫০০ দর্শক ধারণক্ষমতার গ্যালারি দর্শকে টইটুম্বুর। কিন্তু তখন সেখানে পিনপতন নীরবতা। সবাই দুঃখভারাক্রান্ত। কেউ চোখ মুচছেন। কেউ বা হারানোর শোকে মুহ্যমান, ভাবলেশহীন!

কোর্টের এক পাশেই ছিলেন পেশাদার সার্কিটে দুই দশকের সবচেয়ে বড় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচ। যে ফেদেরারের কাছে হেরে অনেক ট্রফিই খোয়াতে হয়েছে তাদের; কী আশ্চর্য, টেনিস থেকে ফেদেরারের বিদায়ে তাদের চোখেও জল। নাদালের কান্না দেখে তো বোঝার উপায়ই ছিল না, টেনিস থেকে বিদায় তার না ফেদেরারের!

এখানেই ফেদেরার অনন্য, আর সবার চেয়ে আলাদা। এর আগেও ক্রীড়াঙ্গনের অনেক বড় বড় কিংবদন্তি খেলা থেকে বিদায় নিয়েছেন। কিন্তু তার বিদায়ে ঘোরতর প্রতিদ্বন্দ্বীকেও অঝোরে কাঁদতে কে কবে দেখেছে?

আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন ফেদেরার, লেভার কাপেই তিনি ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলবেন। এই ঘোষণার পর হু হু করে বেড়ে গিয়েছিল টিকিটের দাম। শুরুতে যেখানে ম্যাচের টিকিট ৪০ থেকে ৫১০ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে, সেখানে পরে হাজার পাউন্ড দিয়েও টিকিট পাননি অনেকেই। টিকিটের এই চাহিদা ফেদেরারকে কোর্টে শেষবারের মতো দেখার জন্য। টেনিস থেকে তার বিদায়লগ্নের সাক্ষী হওয়ার জন্য।

পরশু যারা ওটু অ্যারেনায় যেতে পেরেছেন, নিজেকে ধন্য ভাবতে পারেন এই দৃশ্য দেখে- সব বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতার পর ফেদেরারকে কাঁধে তুলে নিয়েছেন নাদাল-জোকোভিচরা। দলীয় খেলায় সতীর্থরাই কাঁধে তুলে নেয় বিদায়ী খেলোয়াড়কে। ফেদেরার কী ভাগ্যবান! তার বিদায়লগ্নটাকে রাঙাতে কোর্টের প্রতিপক্ষরাও সবাই হাজির।

ফেদেরারের অঝোরে কান্না, মিরকা ভাব্রিনেচের তাকে জড়িয়ে ধরা কিংবা তাকে নাদাল-জোকোভিচের কাঁধে তুলে নেয়ার আগে নাদালকে সঙ্গী করে দ্বৈত ম্যাচ খেলেছেন ফেদেরার। যুক্তরাষ্ট্রের দুই জ্যাক সক -ফান্সিস তিয়াফোর বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটা জিততে পারেননি ফেদেরার। তাতে কী। জয় হার ছাপিয়ে তখন ওটু অ্যারেনায় ‘ফেদেরার’, ‘ফেদেরার’ চিৎকার।

মাইক্রোফোন তাতে তাদের উদ্দেশ্য কিছু বলতে গিয়েই ভেঙে পড়ল ফেদেরারের পেশাদারিত্বের মুখোশ। আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন, তার শেষটায় যেন ‘শেষকৃত্যে’র আবহ তৈরি না হয়। কিন্তু উথলে ওঠা আবেগের সঙ্গে পেরে উঠতে ব্যর্থ ফেদেরার তখন রক্তমাংসের মানুষ। মুখে বলছেন বটে, ‘আমি খুশি। আমি দুঃখিত নই।’ কিন্তু চোখ দিয়ে তখন জল ঝরতে শুরু করেছে। অশ্রুসিক্ত কণ্ঠেই থেমে থেমে বলে গেলেন, ‘আরও একবার জুতোর ফিতেটা বাঁধলাম। যাই করলাম, সবই শেষবারের মতো। সমর্থক, বন্ধু, পরিবার, সতীর্থদের পাশে পেয়ে দারুণ লাগছে। খুব ভালো একটা ম্যাচ হলো। আমি খুশি।’

কোর্টে ফেদেরারের পরিবারের সবাই ছিলেন এ দিন। বাবা রবার্ট এবং মা লিনেতের উদ্দেশ্য বললেন, ‘আমার বাবা-মাকে ধন্যবাদ। সব সময় তারা পাশে থেকেছেন।’ শুধু পাশেই থাকেননি, আজকের ফেদেরার হতেও তাদের বড় ভূমিকা। ভাবা যায়, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে টেনিসের ‘ব্যডবয়’ নিক কিরিওসের মতো ফেদেরারও মেজাজ খুইয়ে কোর্টেই র‌্যাকেট ভাঙতেন, চেয়ার আম্পায়ারের সঙ্গে বাদানুবাদ করতেন। এমনটাও ঘটেছে, ম্যাচ শেষে আম্পায়ারের সঙ্গে করমর্দন না করেই কোর্ট ছেড়ে গেছেন।

তার এই আচরণের ঘোর বড় নিন্দুক ছিলেন তার বাবা-মা-ই। তারাই তাকে বুঝিয়েছেন, ক্ষোভটাকে পারফরম্যান্সে রূপান্তর করতে শিখিয়েছেন। বাবা-মা ছাড়াও ফেদেরারের বদলে যাওয়ার পেছনে মিরকা ভাব্রিনেচেরও বড় ভূমিকা। তিনি স্ত্রী হয়ে আসার পর আর কখনই কোর্টে ফেদেরারকে মেজাজ হারাতে দেখা যায়নি। আর যায়নি বলেই ‘তিনিও র‌্যাকেট ভাঙতেন’- এটা নতুন প্রজন্মের টেনিস দর্শকের কাছে একটা বড় বিস্ময়। বিদায়ী বক্তব্যে মিরকাকে নিয়েও ফেদেরার বললেন দু’ছত্র, ‘আমার স্ত্রী খুব সমর্থন দিয়েছে। সে আমাকে অনেক, অনেক আগেই থামাতে পারত; কিন্তু সে তা করেনি। সে আমাকে খেলা চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছে।’

এখন ফেদেরারই সবার ‘অনুপ্রেরণা’। গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা সংখ্যায় তাকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন রাফায়েল নাদাল, নোভাক জোকোভিচ, কিন্তু দর্শক হৃদয়ে ফেদেরার ফেদেরার-ই। অসাধারণ মানুষ ও দুর্দমনীয় প্রতিযোগী-দুয়ের এমনই সুষম মিশেল তিনি ছিলেন যে, তার বিদায়ে টেনিসে একটা শূন্যতা শুধু সাধারণ দর্শকরাই নন, বোধ করছেন কোর্টের প্রতিযোগীরাও। তার সমসাময়িক নাদাল-জোকোভিচ কিংবা নতুন প্রজন্মের স্টেফানোস সিৎসিপাস-ক্যাসপার রুডের ফ্যাকাশে মুখও পরশু বলে দিচ্ছিল তা।


বিশ্বকাপ নিশ্চিত, চোখ শিরোপায়

বিশ্বকাপ নিশ্চিত, চোখ শিরোপায়
ছবি: সংগৃহীত
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত

বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব নিয়মিতই খেলে বাংলাদেশের মেয়েরা। ২০১৪ সালে আয়োজক হিসেবে সরাসরি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেলেও ২০১৬, ২০১৮, ২০২০ বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের বাধা ডিঙাতে হয়েছে।

২০২২ সালে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতেও বাছাইপর্ব পার হতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। ২০২৩ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও যোগ্যতা অর্জনের পরীক্ষা দিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ।

আগামী জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাছাইপর্বে পরশু সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডের মেয়েদের বিরুদ্ধে ১১ রানে জিতে বাছাইপর্বের ফাইনালে উঠেছেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ, ফাইনালে উঠে বিশ্বকাপও নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ।

বাছাইপর্ব খেলতে গত ৮ সেপ্টেম্বর দেশ ছাড়ার আগে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক দুটি চ্যালেঞ্জের কথা শুনিয়ে যান। প্রথমটি প্রসঙ্গে জ্যোতি বলেছিলেন, ‘আমরা অবশ্যই বাছাইপর্ব উতরাতে চাই।’ দ্বিতীয়টি ছিল, ‘আমরা আসলে আর বাছাইপর্ব খেলতে চাচ্ছি না। কারণ, এটা বাড়তি একটা সূচি- বাঁচা-মরার অবস্থা হয়ে দাঁড়ায়, বিশ্বকাপ খেলতে পারব কি না, সে চাপও থাকে।’

এবার প্রথম চ্যালেঞ্জটি জয় করেছেন জ্যোতিরা। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ জয়ের জন্য অবশ্য অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়োজক হিসেবে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে সরাসরি যেতে হলে কী করতে হবে, সেটা এখনো ঠিক হয়নি।

বর্তমানেই চোখ রাখছেন জ্যোতি। আজ ফাইনালে আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি দল। অধিনায়ক অবশ্য বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া নিয়েই আপাতত রোমাঞ্চিত, ‘আমরা এসেছিলাম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করতে এবং আমরা তা পেরেছি। এত বছর ধরে আমরা একসঙ্গে খেলছি, এখন সময় হয়েছে গোটা বিশ্বকে দেখিয়ে দেয়ার যে আমরা কতটা ভালো, দল হিসেবে কতটা উন্নতি করেছি।’

বাছাইপর্বে ‘এ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশ ফাইনালের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ডকে ১৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। সেমিফাইনালে ওঠার পথে স্কটল্যান্ডকে ৬ উইকেটে ও যুক্তরাষ্ট্রকে ৫৫ রানে হারিয়েছে দল।

পরশু ‘বি’ গ্রুপ রানার্সআপ থাইল্যান্ডের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটাররা গ্রুপ পর্বের মতো পারফরম্যান্স করতে পারেননি। ইনিংস সর্বোচ্চ রুমানা আহমেদের ২৪ বলে অপরাজিত ২৮ রানের সুবাদে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

এর আগে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ৪ ম্যাচ খেলে শতভাগ জয় থাকলেও ২০২১ সালে জিম্বাবুয়েতে ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের হারের ক্ষত টাটকা। এবারও তেমন শঙ্কা মাথাচাড়া দিয়েছিল। নাত্তাকান চানতামের ৫১ বলে ৬৪ রান ভয় দেখাচ্ছিল, কিন্তু সালমা (৩/১৮) ও সানজিদাদের (২/৭) কিপটে বোলিং থাইল্যান্ডকে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১০২ রানের বেশি করতে দেয়নি।

ফাইনাল নিশ্চিতের পাশাপাশি বিশ্বকাপের মূল পর্বের টিকিট পেয়ে স্বস্তির ঢেঁকুর জ্যোতির, ‘পুরো টুর্নামেন্টে সতীর্থরা যেভাবে খেলেছে, অধিনায়ক হিসেবে আমি গর্ব অনুভব করি। আজকে যদিও একটু ক্লোজ ম্যাচ ছিল। তারপরও আমার বিশ্বাস ছিল সবার ওপর। দলের সবারও বিশ্বাস ছিল, আমরা ম্যাচটা বের করে আনতে পারব। মেয়েরা দারুণ বোলিং ও ফিল্ডিং করেছে।’

এবার শিরোপায় চোখ বাংলাদেশের। সর্বশেষ তিনবার বাছাইপর্ব খেলে প্রথমবার রানার্সআপ ও পরের দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের চোখ এবার হ্যাটট্রিক শিরোপায়। প্রতিপক্ষ ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন জিম্বাবুয়েকে সেমিফাইনালে ৪ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা আয়ারল্যান্ড।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ ম্যাচে ৭ জয় বাংলাদেশের। স্বাভাবিকভাবে ফেভারিটের তকমাটা জ্যোতিদের গায়েই। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় শুরু হবে বাছাইপর্বের শিরোপার লড়াই।


ফেদেরাররা জানেন, কীভাবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হয়

ফেদেরাররা জানেন, কীভাবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হয়
'বিগ থ্রি'-র আধিপত্য তো রজার ফেদেরারের হাত ধরেই শুরু হয়েছে। ছবি : টুইটার
নিশাত আহমেদ
প্রকাশিত
  • নিশাত আহমেদ

“দেখো, ঠিক এই শটটা মেরেই আমি উইম্বলডন জিতব!”

অনুশীলন করতে থাকা গ্রুপের সবচেয়ে ছোট্ট ছেলেটা খিলখিলিয়ে হেসে বলে উঠল। কথাটা দূর থেকেই শুনলেন ম্যাডালেন বেয়ারলকার। বাসেল ওল্ড বয়েজ ফুটবল ক্লাবের কো-অর্ডিনেটর ছেলেটার আত্মবিশ্বাস দেখে মনে মনে খুশি হলেন, একটা অজানা আতঙ্কও গ্রাস করল তাঁকে। ছেলেটা যে নিজের সামর্থ্য নিয়ে অনেক বেশিই আত্মবিশ্বাসী!