বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রাইজমানি কত

আপডেটেড
৪ অক্টোবর, ২০২৩ ১৭:০২
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত : ৪ অক্টোবর, ২০২৩ ১৭:০০

ভারতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে ক্রিকেটের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বিশ্বের কোটি দর্শকের চোখ থাকবে প্রায় দেড় মাসের এ ব্যাট-বলের যুদ্ধে। ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলো কে কত পুরস্কার পাবে, তা নিয়ে ক্রীড়ামোদীদের আগ্রহের শেষ নেই।

প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, আইসিসির সবচেয়ে বড় এ প্রতিযোগিতার মোট প্রাইজমানি এক কোটি ডলার। এরমধ্যে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৪০ লাখ ডলার। রানার্সআপ দল পাবে ২০ লাখ ডলার।

এছাড়া সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া দুই দল পাবে আট লাখ ডলার করে মোট ১৬ লাখ ডলার। অন্যদিকে সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন না করা অর্থাৎ লিগ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া ছয়টি দল পাবে এক লাখ করে মোট ছয় লাখ ডলার।

লিগ পর্বে প্রতি ম্যাচে জয়ী দল পাবে ৪০ হাজার ডলার করে। গ্রুপ পর্বে ৪৫টি ম্যাচে মোট দেওয়া হবে ১৮ লাখ ডলার।

এবারের বিশ্বকাপে ১০ ভেন্যুতে মোট ৪৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। লিগ পর্বে প্রতিটি দলই একে অপরের মুখোমুখি হবে। লিগ পর্ব শেষে সেরা চার দল সেমিফাইনালে খেলবে।

দুই সেমিফাইনালের দুই বিজয়ী দল ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে শিরোপা জেতার লড়াইয়ে।


অন্ধকারে ঢাকা-খুলনা: স্ববিক্রমে লড়াই করেছেন শরিফুল-বিজয়রা

আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭
চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর থেকে ইতোমধ্যেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে দুর্দান্ত ঢাকার। কাটা সুতোয় ঝুলে আছে খুলনা টাইগার্সের ভাগ্যও। গ্রুপ পর্বে ১২ ম্যাচ খেলে মাত্র একটি ম্যাচে জয় পেয়েছিল ঢাকা। অন্যদিকে ১১ ম্যাচ খেলে খুলনার জয় ৫ ম্যাচে। আজকের আলোচনাটা ঢাকা কিংবা খুলনাকে নিয়ে নয়। দল দুটির কিছু খেলোয়াড়দের নিয়ে।

বিপিএলের শেষবেলায় এসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় চোখ মেললে দেখা যাবে জ্বলজ্বল করছে শরিফুল ইসলামের নাম। ১২ ম্যাচ খেলে শরিফুলের শিকার ২২ উইকেট। আসরে বাঁহাতি এই পেসার রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি ৭ দশমিক ৮১। সেরা উইকেট শিকারির তালিকার পাঁচ নম্বর নামটা তাসকিন আহমেদের। ১২ ম্যাচ থেকে তাসকিনের শিকার ১৩ উইকেট। ওভারপ্রতি রান খরচ করেছেন ৮-এর একটু বেশি। তাসকিন এবারের বিপিএলে নামের প্রতি খুব একটা সুবিচার করতে পারেননি। এর পেছনে অবশ্য বড় দায়টা ছিল তাসকিনের ইনজুরি।

উইকেট ছেড়ে এবার নজর দেওয়া যাক রানের তালিকায়। সেখানেও আছে ঢাকার দুই তারকার নাম। ৩১০ রান করে রান সংগ্রাহকের তালিকার ৪ নম্বরে রয়েছেন নাঈম শেখ। তবে নাঈমের স্ট্রাইকরেট খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ১১৯ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন তিনি। দল হিসেবে ছন্দে ছিল না দুর্দান্ত ঢাকা। তবে ব্যক্তি পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন এই তারকারা।

খুলনা টাইগার্সও অপেক্ষায় আছে বিদায়ের। দুর্দান্ত শুরুর পর শেষ ম্যাচগুলোতে তারা জয় পেতেই যেন ভুলে গেছে। তাই শেষ মুহূর্তে এসে অপেক্ষা করছে সমীকরণের মারপ্যাঁচের। দেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব বেশি আলো কাড়তে পারেননি কেউই। বিশেষ করে তরুণ কোনো খেলোয়াড়ই আসতে পারেননি লাইমলাইটে। আফিফ হোসেনেরও সুযোগ ছিল, জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা পাকা করার। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। তবে খুলনাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ব্যর্থদের মাঝে তিনিই ছিলেন একমাত্র আশার প্রদীপ। ব্যাট হাতে ছড়িয়েছেন দ্যুতি। ১১ ইনিংস থেকে করেছেন ২৮৬ রান।

এদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন ৪ জনই। তাই বিপিএলে তাদের দল ভালো না করলেও জাতীয় দলে কাজে লাগবে তাদের এই পারফরম্যান্স।


আন্দ্রে রাসেলের রণহুংকারে উড়ে গেল রংপুর

আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৬
চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এলিমিনেটর ম্যাচ হওয়ার কথা থাকলেও গতকালই অলিখিত এলিমিনেটর ম্যাচ খেলতে নেমেছিল খুলনা টাইগার্স আর চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। কারণ এই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে দুই দলের প্লে-অফের ভাগ্য। চট্টগ্রাম হারলেই শঙ্কা তৈরি হবে বিদায়ের। আর খুলনা হারলে তাদের বিদায়টা নিশ্চিতই। এমন কঠিন সমীকরণের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি খুলনা টাইগার্স। চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরেছে ৬৫ রানের বড় ব্যবধানে। গত আসরের মতো এবারও শেষ মুহূর্তে এসে চমক দেখাল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

এই ম্যাচের আগে ১০ ম্যাচ খেলে খুলনার পয়েন্ট ছিল ১০। অন্যদিকে ১১ ম্যাচ খেলে চট্টগ্রামের পয়েন্ট ছিল ১২। তাই এই ম্যাচটা ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ম্যাচে যদি খুলনা টাইগার্স জয় পেত, তাহলে ১১ ম্যাচ থেকে তাদের পয়েন্ট হতো ১২। শেষ ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হতো ১৪। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে বরিশালের চেয়ে রানরেট কম থাকায় প্লে-অফ থেকে বাদ পড়ে যেত চট্টগ্রাম।

কিন্তু চট্টগ্রাম জেতায় বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত শুরু করা খুলনা টাইগার্সের। খাতা-কলমে কিছুটা আশা বেঁচে থাকলেও মেলাতে হবে কঠিন সমীকরণ। ১১ ম্যাচ থেকে বিজয়দের পয়েন্ট এখন ১০। শেষ ম্যাচে যদি সিলেটের সঙ্গে জয় পায় তাহলে তাদের পয়েন্ট হবে ১২। শেষ ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে বরিশাল জয় পেলে তাদের পয়েন্ট হবে ১৪। সে ক্ষেত্রে আর কোনো সমীকরণই অবশিষ্ট থাকবে না খুলনার জন্য।

কিন্তু রংপুর হারলে আর খুলনা জিতলে দুই দলেরই পয়েন্ট থাকবে ১২। ‍যদিও এ ক্ষেত্রে খুলনা রানরেটে অনেকটা পিছিয়ে থাকায় শেষ ম্যাচে তাদের জিততে হবে বড় ব্যবধানে। আর বরিশালকে হারতে হবে বড় ব্যবধানে। তাই বলা যায় খুলনার বিদায়ঘণ্টা বেজেই গেছে।

খুলনাকে এই হারের তেতো স্বাদ দেওয়ার পেছনে বড় অবদানটা তরুণ তানজিদ হাসান তামিমের। এমন কঠিন ম্যাচে দক্ষ নাবিকের মতো চট্টগ্রামের হাল ধরেছিলেন তরুণ তানজিদ হাসান তামিম। ৫৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি খেলেছেন, এবারের আসরের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। তানজিদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়েই খুলনাকে ভাসিয়েছিল রানের সমুদ্রে। যেখান থেকে ফিরে আসতে, শক্ত হাতে হাল ধরতে পারেনি খুলনার কোনো ব্যাটার। এরপর বল হাতে বিজয়দের তুফানের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শুভাগত হোম।

বিপিএলের মাঝপথে এসে বিদেশি রিক্রুটরা বিদায় নেওয়ার পর থেকেই হতাশার সাগরে ডুবে মরেছে খুলনা। তাদের রিপ্লেস খুঁজে পায়নি দলটি। যে কারণে টুর্নামেন্টে ভালো শুরুর পরও শেষটা রাঙাতে পারেনি খুলনা। অন্যদিকে বিপিএলের শুরুর দিকে চট্টগ্রামকে নেতৃত্ব দিয়েছে বিদেশিরা (সঙ্গে কিছু দেশি ক্রিকেটাররাও পারফর্ম করেছে)। আর শেষদিকে এসে পথ চিনিয়েছে দেশি ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে শেষ দুই ম্যাচে তানজিদ তামিম একাই দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছে। তানজিদের এই পারফরম্যান্স যেমন চট্টগ্রামের জন্য আশাজাগানিয়া, তেমনি জাতীয় দলের জন্যও।

দ্বিতীয় ম্যাচটা ছিল স্রেফ নিয়ম রক্ষার। কারণ এই ম্যাচে জয়-পরাজয়ে কোনো লাভ-ক্ষতি নেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কিংবা রংপুর রাইডার্সের। কারণ দুই দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে কুমিল্লা যদি একটু বড় ব্যবধানে হারে সে ক্ষেত্রে পয়েন্ট টেবিলের ৩ নম্বরে থেকে প্লে-অফ খেলতে হবে তাদের। যেটা কিছুটা অস্বস্তির।

তবে পরপর দুই ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের ব্যাটিং ব্যর্থতা একটা বড় চিন্তার কারণ তাদের জন্য। গত ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে ব্যাটিং পিচেও ব্যর্থ ছিল রংপুরের বেশির ভাগ ব্যাটার। শেষ দিকে এসে বোলাররা জিতিয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ। আবার গতকাল কুমিল্লার বিপক্ষেও একই চিত্র দেখা গেছে রংপুরের ব্যাটারদের। পুরো করতে পেরেছে মাত্র ১৫০ রান। যার মধ্যে ৬ রান এসেছিল অতিরিক্ত থেকে। আর একাই ৫৯ রান করেছিলেন জিম্মি নিশাম। আর বাকিরা ছিল মোটা দাগে ব্যর্থ। প্লে-অফে ভুল করার কোনো সুযোগ নেই। তাই সেখানেও যদি এমন পারফরম্যান্স করে, সে ক্ষেত্রে হয়তো ফাইনাল খেলা নাও হতে পারে রংপুরের।

অন্যদিকে কুমিল্লার স্বস্তির খবর হলো লিটন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আন্দ্রে রাসেলদের রানে ফেরা।

তবে শেষে এসে রাসেলের ছক্কাবৃষ্টি ভুলতে কষ্ট হবে রংপুর রাইডার্সের সমর্থকদের। যে তাণ্ডব তিনি চালালেন সেটা আসলে ভোলারও কথা নয়। ৩৫০-এর ওপরে স্ট্রাইকরেটে খেলা ইনিংসে রাসেল চার হাঁকিয়েছেন ৪টা, ছক্কাও সমান ৪টা। ১২ বল থেকে করেছেন ৪২ রান। এই ম্যাচে আরেকটা পারফরম্যান্স আছে রাসেলের। বল হাতেও অবদান রেখেছিলেন রংপুরের ব্যাটিং ইনিংসে ধস নামাতে। মাত্র ২০ রানেই শিকার করেছিলেন ৩ উইকেট।

ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি নিয়েই গ্রুপ পর্ব শেষ করল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। অন্যদিকে শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই গ্রুপ পর্ব শেষ করল সাকিব আল হাসানের রংপুর।


খুলনাকে হারাল চট্টগ্রাম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

৬৫ রানের জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম। বিপিএলে গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে এসে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেললেন তানজিদ তামিম। এই তরুণ ওপেনারের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ পেয়েছিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। বড় লক্ষ্য তাড়ায় খুলনা টাইগার্সের হাল ধরতে পারেননি কেউই। তাতে বড় ব্যবধানে হেরেছে এনামুল হক বিজয়ের দল।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯২ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১১৬ রান করেছেন তানজিদ তামিম। জবাবে খেলতে নেমে ১৯ ওভার ৫ বলে ১২৭ রানে অলআউট হয় খুলনা।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই সাজঘরে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন। এই ওপেনারের ব্যাট থেকে এসেছে ৮ বলে ৬ রান। তিনে নেমে শাই হোপ কিছুটা আশা দেখালেও ফিরেছেন ২১ বলে ৩১ রান করে। বিজয়ও ভালো শুরু পেয়েছিলেন তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৩৫ রান।

এর পর আর কেউই বলার মতো কোনো রান করতে পারেননি। তাতে ১২৭ রানেই শেষ হয়েছে খুলনার ইনিংস। চট্টগ্রামের হয়ে ২৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেছেন শুভাগত হোম।


পাঁচ বছরের জন্য রিয়াল মাদ্রিদে এমবাপ্পে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাজমুল সাগর

কিলিয়ান এমবাপ্পে যে, আর প্যারিস সেন্ট জার্মেইতে (পিএসজি) থাকছেন না সেটা ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। অনেকটা বিদায়ও নিয়ে নিয়েছেন সতীর্থদের থেকে। কিন্তু এরপরই প্রশ্ন আসে তাহলে কোথায় যাচ্ছে এমবাপ্পে? গত দুই-তিন মৌসুম ধরে বাতাসে গুঞ্জন উড়ে বেড়াচ্ছিল স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদে যাচ্ছেন এমবাপ্পে। তাই ধারণা করা হচ্ছিল হয়তো সেই টানেই পিএসজি ছাড়ছেন তিনি। তবে স্পষ্ট করে তখনো কিছু জানাননি এমবাপ্পে। এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন রিয়ালের কোচ আনচেলত্তিও। এমবাপ্পে প্রশ্নে পাস কাটিয়ে গেছেন ড্রিবল করে।

এবার সেই ধারণাই সত্য হলো। আগামী পাঁচ বছরের জন্য স্প্যানিশ জায়ান্টদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই ফরাসি তারকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কাসহ একাধিক গণমাধ্যম। খবরে বলা হয়েছে, এমবাপ্পে পিএসজি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার আগেই, লস ব্ল্যাঙ্কোসদের সঙ্গে এই চুক্তি করেছেন ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী তারকা।

গত এক বছর ধরেই রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট পেরেজের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রেখেছিলেন এমবাপ্পে। তবে চতুর্থবারের প্রচেষ্টায় সফল হয়েছেন ক্লাবটির সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। স্প্যানিশ ক্যাপিটালের বরাত দিয়ে মার্কা জানিয়েছে, দুই সপ্তাহ আগেই সম্পন্ন হয়েছে এই চুক্তি। গোপনে চুক্তি সম্পন্ন করার পরেই পিএসজি ছাড়ার বিষয়টি গত সপ্তাহে সামনে আনেন এই ফরাসি ফুটবলার।

কারিম বেনজেমার অভাব মেটাতে এ বছরের শুরুতে রিয়ালে আসার প্রস্তাব দেওয়া হয় এমবাপ্পেকে। এতে ইতিবাচক সাড়া দেন তিনি। এরপর আর কোনোভাবেই পার্ক দেস প্রিন্সেসে থাকতে চান না বলে পিএসজিকে জানিয়ে দেন তিনি। মার্কার খবরে বলা হয়েছে, চুক্তি হয়ে যাওয়ার পরে পিএসজিকে এমবাপ্পে বলেছেন বিরক্ত না করার জন্য।

তবে চুক্তির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, সেটা মোটা অঙ্কেরই হওয়ার কথা। ২০২২ সালে পিএসজির সঙ্গে বিশাল অঙ্কে চুক্তি করার আগে এমবাপ্পের বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৬০ মিলিয়ন ইউরো। ২০২১ সালে তাকে কেনার জন্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরো অফার করেছিল স্প্যানিশ ক্লাবটি।

গত সপ্তাহে মেইল স্পোর্ট বলেছিল, ভিনিসিউস জুনিয়র ও জুড বেলিংহামের চেয়েও প্রতি মৌসুমে ১০ দশমিক ৩ মিলিয়ন ইউরো বেশি প্রদান করবে এমবাপ্পেকে। সাইনিং ফি বাবদ দেওয়া হবে ৮৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো। এ ছাড়া তার ছবিস্বত্বের জন্য আরও অর্থ প্রদান করবে ক্লাবটি।

বিষয়:

তানজিদের সেঞ্চুরি,​​​​​​​ চট্টগ্রামের সংগ্রহ ১৯২

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

ওপেনার তানজিদ হাসানের প্রথম সেঞ্চুরিতে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ পেয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ৩৯তম ম্যাচে আজ প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯২ রান করে চট্টগ্রাম। ৬৫ বলে ১১৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তানজিদ।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোহাম্মদ ওয়াসিমকে হারায় চট্টগ্রাম। ১ রান করে খুলনার স্পিনার নাসুম আহমেদের শিকার হন ওয়াসিম।

শুরুতেই সতীর্থকে হারালেও দায়িত্ব নিয়ে চট্টগ্রামের রানের চাকা ঘুড়িয়েছেন আরেক ওপেনার তানজিদ। দ্বিতীয় উইকেটে সৈকত আলিকে নিয়ে ৩৭ বলে ৫৬ রান যোগ করেন তিনি। জুটিতে ৩টি চারে ১৮ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেসন হোল্ডারের শিকার হন সৈকত।

সৈকতের সাথে হাফ-সেঞ্চুরির জুটির পর তৃতীয় উইকেটে নিউজিল্যান্ডের টম ব্রুসের সাথে ৬১ বলে ১১০ রান তুলেন তানজিদ। এই জুটি গড়ার পথেই ৩২ বলে হাফ-সেঞ্চুরির পর টি-টোয়েন্টিতে প্রথম সেঞ্চুরিও তুলে নেন তানজিদ। এবারের বিপিএলে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করতে ৫৮ বল খেলেছেন তিনি। বিপিএলের ইতিহাসে ৩২তম সেঞ্চুরি করলেন তানজিদ।

১৯তম ওভারের প্রথম বলে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার ওয়েন পারনেলের শিকার হওয়ার আগে ৮টি করে চার-ছক্কায় ৬৫ বলে ১১৬ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন বাঁ-হাতি ব্যাটার তানজিদ। এই ইনিংস খেলার পথে চলতি বিপিএলে এ পর্যন্ত ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

দলীয় ১৭০ রানে তানজিদ ফেরার পর শেষ ১১ বলে ২২ রান যোগ করতে পারে চট্টগ্রাম। ৪ উইকেটে ১৯২ রানের বড় সংগ্রহ পায় চট্টগ্রাম।

২টি চারে ৫ বলে ১০ রান করে আউট হন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড। ২৩ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ব্রুস ৩৬ ও অধিনায়ক শুভাগত হোম ৩ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন। খুলনার পারনেল-নাসুম-হোল্ডার ও মুকিদুল ইসলাম ১টি করে উইকেট নেন।

বিষয়:

শেষ ওভারে উত্তেজনার পারদে জ্বালানি ঢেলে রংপুরের জয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে সিলেট স্ট্রাইকার্সের হারানোর ছিল না কিছুই। ইতোমধ্যেই প্লে-অফ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে গেছে তাদের। তাই নির্ভার হয়ে মাঠে নেমেছিল মোহাম্মদ মিঠুনরা। তার ওপর আবার এই ম্যাচের আগে উড়িয়ে এনেছিল মারকুটে ক্যারিবীয় ব্যাটার কেনার লুইসকে। তার আসাটা সার্থকও হয়েছে। কুমিল্লাকে হারিয়েছে ১২ রানের ব্যবধানে।

পুরো আসর জুড়েই মোটামুটি ব্যর্থ ছিল সিলেটের ওপেনিং জুটি। যার কারণে পাওয়ার-প্লের সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পারেনি তারা। লুইস আসায় সেই জায়গার ঘাটতি পূরণ হয়েছিল। তবে সিলেটের জয়ের পেছনে বড় কৃতিত্ব ইংলিশ অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েলের। সিলেটের দুই ইনিংসেই তিনি ছিলেন আস্থার প্রতীক। ব্যাট হাতে ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৩১ বলে খেলেছিলেন ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস। মূলত তার ব্যাটে ভর করেই লড়াকু পুঁজি পেয়েছিল সিলেট। বল হাতেও শিকার করেছিলেন এক উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

তবে সিলেটের জয়ে বেশ ভালো অবদান ছিল দেশের তরুণ পেসার তানজিম সাকিবেরও। তিনি একাই নিয়েছেন ৩ উইকেট। শেষ ওভারে জয়ের জন্য কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ২৫ রান। স্ট্রাইকে ছিল উইকেটে থিতু হওয়া লিটন দাস। প্রথম বলেই তাকে আউট করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। শেষ ৩ বলে কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। আর স্ট্রাইকে তখন টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা আন্দ্রে রাসেল। তবে রাসেলকে ভয় পাননি সাকিব। নিজের নার্ভকে শক্ত করে আদায় করে নিয়েছেন ডট বল। সব মিলিয়ে ১২ রানের বেশি নিতে দেননি আন্দ্রে রাসেলদের।
সিলেটের বিপক্ষে হারলেও কুমিল্লার জন্য আহামরি ক্ষতি হয়নি। প্লে-অফে খেলা এখনো প্রায় নিশ্চিতই তাদের। ১০ ম্যাচ থেকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। বাকি দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে না হারলে, শেষ চারে থাকবে তারাই। তাই বরং তাদের প্রাপ্তি নিয়েই তারা খুশি থাকতে পারে।

সিলেটের বিপক্ষে বিপিএলে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিং করেছেন লিটন দাস। যদিও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি কিন্তু তার রানে ফেরাটা কুমিল্লার বেশ স্বস্তির। কারণ বিপিএলের শুরুর দিকে কোনোভাবেই হাসছিল না লিটন দাসের ব্যাট। তার ব্যাট কাজে আসবে পরের ম্যাচগুলোতে।

প্লে-অফ নিশ্চিতের লক্ষ্যে শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে থাকেন বরিশালের ওপেনার তামিম ইকবাল। ২০ বল থেকে ৩৩ রান করে তামিম ফিরলে গতকালও বরিশালের ত্রাতা হয়ে আসেন কেইল মায়ার্স। দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলতে থাকেন জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে। কিন্তু বরিশালের ইনিংসের সর্বনাশ ডেকে আনেন আহমেদ শেহজাদের পরিবর্তে মাঠে নামা ইংলিশ ওপেনার টম ব্যান্টন। ১২তম ওভারে জিম্মি নিশামের বলে উইকেট বিলিয়ে আসেন তিনি। এখান থেকেই শুরু হয় বরিশালের পতন। এরপর আর কেউই উইকেটে দাঁড়াতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকেন তামিম ইকবালরা।

বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি একাই ধংসস্তূপে ঠেলে দেন বরিশালকে। ১৩ ওভারে শিকার করেন ৩ উইকেট। ওভারের প্রথম বলেই ফেরান মুশফিকুর রহিমকে। তৃতীয় বলে শিকার সৌম্য সরকার। আর শেষ বলে ঝড় তুলতে থাকা কেইল মায়ার্স। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ফরচুন বরিশাল। ১১ ওভারে ১০৪ রান করা বরিশাল শেষ ৯ ওভারে তুলতে পারে মোটে ৪৭ রান। এই সময়ে উইকেট হারিয়েছে ৮টি। ২০০ বা ২২০ রানের আশা দেখিয়েও বরিশাল সংগ্রহ করতে পারে মোটে ১৫১ রান।

ছোট রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করে রংপুর। জাতীয় দলের খেলা শেষ করে বিপিএলে যোগ দেওয়া ব্র্যান্ডন কিং ঝড় তোলেন উইকেটে। বিপিএলের মাঝপথে দল পাওয়া মুমিনুল এদিন ব্যর্থ ছিলেন ব্যাট হাতে। কোনো রান না করেই ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ব্র্যান্ডন কিংয়ের সঙ্গে চার-ছক্কার ঝড় নামাতে শুরু করেন। পাওয়ার-প্লের শেষ বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে বাইরে বের হয়ে মারতে গিয়ে বোকা বনে যান কিং। স্টাম্পিং হয়ে ফেরত যান ড্রেসিংরুমে। এরপর কিছুটা ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় রংপুর। দুই ওভার পরে মিরাজের শিকার হয়ে একই পথে হাঁটেন সাকিবও। তবে যাওয়ার আগে ১৫ বল থেকে করে যান গুরুত্বপূর্ণ ২৯ রান। ১২তম ওভারে মিরাজের বলে ক্যাচ তুলে দেন জিম্মি নিশাম। কিন্তু সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হয় প্রিতম। এরপর ১৭ বল থেকে ২৮ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন নিশাম। অস্বীকার করার উপায় নেই টম মরিস আর প্রিটোরিয়াসের ইনিংসকে। আসরের সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ ছিল এটি। খেলা গড়িয়েছে শেষ ওভার পর্যন্ত। একবার বরিশাল আশা জাগিয়েছে তো আরেকবার আশা জাগিয়েছে রংপুর। শেষ পর্যন্ত জয়টা পেয়েছে রংপুরই। তবে ১২তম ওভারে নিশামের ওই ক্যাচটা তালুবন্দি করতে পারলে ভিন্ন কিছুও হতে পারত ম্যাচের রেজাল্ট।


কানাডিয়ান ইউনির্ভাসিটি এবং এল আর গ্লোবাল ও ফ্লোরা টেলিকমের দাবা প্রতিযোগিতায় জগোদিস বিজয়ী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

কানাডিয়ান ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ, এল আর গ্লোবাল ও ফ্লোরা টেলিকম যৌথভাবে এল আর গ্লোবাল গ্র্যান্ড মাস্টার এসপিরেন্ট-১ দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় শীর্ষে অবস্থান করে সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক মাস্টার জগোদিস সিদ্ধার্থ। ফাইনাল রাউন্ডের পূর্বেই সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে বিবেচিত হয়েছিলেন তিনি।

আজ সোমবার রাজধানীর প্রগতি সরণিতে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ক্যাম্পাসে ফাইনাল রাউন্ডেও বিজয়ী হোন সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক মাস্টার জগোদিস সিদ্ধার্থ। আন্তর্জাতিক মাস্টার জগোদিস ৯ খেলায় সাড়ে সাত পয়েন্ট পেয়ে শিরোপা জয় করেন, একই সঙ্গে একটি গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম অর্জন করেন।

অন্যদিকে ভারতের ফিদে মাস্টার পানিসার বিদান্ত রানার-আপ হয়েছেন। বিদান্তও একটি আন্তর্জাতিক মাস্টারের নর্ম অর্জন করেছেন। আর শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক মাস্টার লিয়ানাগে রানিন্দু দিলশান সাড়ে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হন।

খেলা শেষে দাবা ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক ও পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ড. শোয়েব রিয়াজ আলম, কানাডিয়ান ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশের রেজিস্টার্ড এ এস এম জি ফারুক ও দাবা ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও আন্তর্জাতিক অর্গানাইজার মাহমুদা হক চৌধুরী মলি এবং উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করেন।

এই প্রতিযোগিতায় পাঁচ পয়েন্ট করে ভারতের ক্যান্ডিডেট মাস্টার মায়াঙ্ক চক্রবর্তী চতুর্থ ও গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান পঞ্চম হন। সাড়ে চার পয়েন্ট করে নিয়ে ভারতের ফিদে মাস্টার আরধ্য গর্গ ষষ্ঠ ও আন্তর্জাতিক মাস্টার ফাহাদ সপ্তম হন। আর ভারতের গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া তিন পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম, গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ আড়াই পয়েন্ট নিয়ে নবম ও এক পয়েন্ট পেয়ে শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক মাস্টার এমএলএসটি ডি সিলভা দশম হন।

ঢাকায় আন্তর্জাতিক গ্র্যান্ডমাস্টার এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ। এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্ব আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।


মেসিকে টপকে শীর্ষে উঠলেন রোনালদো

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

নতুন বছরে গোলের ধারায় ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিছুদিন আগেই এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে তার গোলে জয় তুলে নিয়েছিল আল নাসর। এবার সৌদি লিগে আল ফাতেহর বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল আল নাসর। এই ম্যাচে দারুণ এক গোল করে দলের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনোলদো। এই গোলেই রোনালদো ছাড়িয়ে গেছেন বিশ্বকাপ জয়ী লিওনেল মেসিকে।

ক্লাব আর আন্তর্জাতিক ফুটবল মিলিয়ে এটি ছিল রোনালদোর ক্যারিয়ারের ৮৭৫তম গোল। লিওনেল মেসির চেয়ে যা অনেক বেশি। মেসি তার ক্যারিয়ারে সব মিলিয়ে গোল করেছেন ৮২১টি। কিন্তু একটি রেকর্ডের একই মেরুতে অবস্থান ছিল মেসি-রোনালদোর। এবার মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন রোনালদো।

এত দিন পেনাল্টি ছাড়া গোলে সমান-সমান ছিল মেসি ও রোনালদো। দুজনেই গোল করেছিলেন ৭১৩টি করে। আল ফাতেহর বিপক্ষে ১০ গজ দূর থেকে করা গোলে ৩৯ বছর বয়সী রোনালদো সেটা নিয়ে গেলেন ৭১৪তে। রোনালদো তার ক্যারিয়ারের ৮৭৫ গোলের ১৬১টি করেছেন পেনাল্টি থেকে। মেসির পেনাল্টি গোল ১০৮টি।

ক্লাব আর আন্তর্জাতিক গোলেও মেসির চেয়ে এগিয়ে রোনালদো। ক্লাব ফুটবলে মেসি করেছেন ৭১৫টি আর রোনালদোর গোল ৭৪৭টি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর গোল রেকর্ড ১২৮টি আর মেসির ১০৬টি।


আইরিশ মরগ্যানই বিশ্বকাপ জিতিয়েছিলেন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাজমুল সাগর

ইয়ন মরগ্যান। ক্রিকেট ভালোবেসে থাকলে নামটি আপনার পরিচিত হওয়ারই কথা। ২০১৯ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে তার নেতৃত্বেই নাটকীয় সেই বিশ্বকাপ জিতেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে তিনি ২৪৮টি ওডিআই ও ১১৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। ইংল্যান্ডকে নেতৃত্বও দিয়েছেন ১২৬টি ওডিআই এবং ৭২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। ইংলিশদের হয়ে মাঠে নেমেছেন ১৪টি টেস্ট ম্যাচেও। অথচ এই মরগ্যানের খেলারই কথা ছিল না ইংল্যান্ডের হয়ে। তিনিই ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার যিনি দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন।

১৯৮৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্ম ইয়ন জোসেফ জেরার্ড মরগ্যানের। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার। ক্রিকেটের হাতেখড়ি সেখানেই। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ডাক পড়ে আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলে। ২০০৬ সালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তার। অভিষেক ম্যাচেই ৯৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছিলেন মরগ্যান। দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে সেবার সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি মরগ্যানের।

তবে সেখানে খুব বেশি দিন খেলা হয়নি মরগ্যানের। ২০০৯ সালে ডাক আসে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে খেলার। ইংল্যান্ডের মতো দলের ডাকে সাড়া না দিয়ে থাকতে পারেননি মরগ্যান। ২০০৯ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক হয় তার। কিন্তু অভিষেকে ব্যর্থ ছিলেন মরগ্যান। ৮ বলে করেছিলেন মাত্র ৬ রান।

২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হতাশাজনক ব্যর্থতার পর অ্যালিস্টার কুকের থেকে সাদা বলের ক্রিকেটের দায়িত্ব পান মরগ্যান। তার সময়ে দলকে অভূতপূর্ব উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি শুধু ইংল্যান্ডকে ২০১৯ ওডিআই বিশ্বকাপে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন, তা নয়। তিনি এক দিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) এবং টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডকে ১ নম্বর র‌্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে যান।

২৪৮টি ওডিআই খেলে ৩৯ গড়ে মরগ্যান করেছেন ৮ হাজার ৪৪৭ রান। ১১৫টি টি-টোয়েন্টিতে সেই অঙ্কটা ১৮০৫। ক্যারিয়ারে মোট ১৬ সেঞ্চুরির পাশাপাশি আছে ৫০টি হাফ-সেঞ্চুরিও। মরগ্যানের বড় সাফল্য ২০১৯ বিশ্বকাপ জয়। তবে তিনি ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন।

২০২২ সালে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন তিনি। তবে ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা কমেনি মরগ্যানের। পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট ম্যাচে ধারাভাষ্য দেওয়াকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি।

ব্যক্তি জীবনে বেশ রোমান্টিক মরগ্যান। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় এক সিরিজ খেলতে গিয়ে প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন তারা রিজওয়ের। সেখান থেকেই পরিচয়, এরপর পরিণয়। ২০১৮ সালে ধুমধাম করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তারা।


তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার উষ্ণ স্পর্শ লক্ষ করছি

আপডেটেড ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৩
চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শেষ মুহূর্তে এসে জমে উঠেছে পয়েন্ট টেবিলের হিসাব-নিকাশ। ১০ ম্যাচ খেলে ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে রংপুর রাইডার্স। আর ৯ ম্যাচ খেলে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ইতোমধ্যেই প্লে-অফ খেলা নিশ্চিত হয়ে গেছে এই দুই দলের। তারা এখন লড়াই করবে টেবিলের শীর্ষে থাকার। এখন প্রশ্ন হলো- বাকি দুই দল তাহলে কারা?

সোজাসুজি সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কিছুটা কঠিনই বটে। কারণ প্লে-অফের শেষ দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ফরচুন বরিশাল, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আর খুলনা টাইগার্সের মধ্যে। তবে বাকি দুই দলের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে আছে তামিম ইকবালের বরিশাল। ১০ ম্যাচ খেলে তাদের পয়েন্ট ১২। অবশ্য বাকি দুই ম্যাচে তাদের দিতে হবে কঠিন পরীক্ষা। লড়াই করতে হবে টেবিলের শীর্ষে থাকা দুই দলের বিপক্ষে। যেকোনো এক দলের বিপক্ষে জয় পেলেই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে বরিশালের। কোনো জয় না পেলেও সুযোগ থাকবে তাদের। তবে সেজন্য হিসাব কষতে হবে জটিল অঙ্কের।

ইতোমধ্যেই লড়াইয়ের জন্য বেশ ভালো প্রস্তুতিই নিয়েছেন তামিমরা। শুরুর ম্যাচগুলোতে আহমেদ শেহজাদ ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি শেষ কয়েক ম্যাচে। তার রিপ্লেস হিসেবে বরিশালের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ইংলিশ ওপেনার টম ব্যান্টন। আর বোলিং সমস্যার সমাধানও পেয়ে গেছে তারা। তাই বরিশাল যে প্লে-অফে এক পা দিয়ে রেখেছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এখন বাকি একটি জায়গার জন্য লড়াই করবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আর খুলনা টাইগার্স। দুই দলের অবস্থানই কাছাকাছি। ১১ ম্যাচ খেলে ৬ জয় চট্টগ্রামের। ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে টেবিলের ৪ নম্বরে। অন্যদিকে ১০ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে খুলনা আছে টেবিলের ৫ নম্বরে। চট্টগ্রাম তাদের শেষ লড়াইটা করবে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে। মূলত এই ম্যাচেই নির্ধারিত হয়ে যাবে চট্টগ্রাম আর খুলনার প্লে-অফের ভাগ্য।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মাঠে নামবে দল দুটি। এই ম্যাচে জয় পেলে চট্টগ্রামের পয়েন্ট হবে ১২ ম্যাচ থেকে ১৪। তখন খুলনার পয়েন্ট দাঁড়াবে ১১ ম্যাচ থেকে ১০। তখন শেষ ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে জিতলেও তাদের পয়েন্ট হবে ১২। চট্টগ্রামের থেকে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে বিদায় নিতে হবে আসর থেকে।

শেষ ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই বেশ আত্মবিশ্বাসী চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে খুলনা টাইগার্সও। অন্যদিকে সেই ম্যচের আগেই খুলনায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা নিকোলাস পোরান এবং শ্রীলংকান অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। সেক্ষেত্রে লড়াইয়ে এগিয়ে থাকবে খুলনা টাইগার্সই। গত আসরেও শেষ মুহূর্তে এসে চমক দেখিয়েছিল চট্টগ্রাম চ্যালঞ্জার্স। শুভাগত হোমের দল এবারও চাইবে সেরকম কিছু করতেই।


এল আর গ্লোবাল এসপিরেন্ট ১ দাবা প্রতিযোগিতার শীর্ষে মাস্টার জগোদিস ‍সিদ্বার্থ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

কানাডিয়ান ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ, এল আর গ্লোবাল ও ফ্লোরা টেলিকম যৌথভাবে এল আর গ্লোবাল গ্র্যান্ড মাস্টার এসপিরেন্ট ১ দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

প্রতিযোগিতার অষ্টম রাউন্ড শেষে শীর্ষে অবস্থান করছে সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক মাস্টার জগোদিস সিদ্ধার্থ। মোট ৮ খেলায় তার পয়েন্ট ৭, যা ফাইনাল রাউন্ডের পূর্বেই সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে বিবেচিত।

এক রাউন্ড আগেই তিনি ৯ খেলার একটি গ্র্যান্ড মাস্টার নর্মের জন্য প্রয়োজনীয় স্কোর করেছেন।

অষ্টম রাউন্ডের খেলা আজ (রোববার) রাজধানীর মেরুল বাড্ডার প্রগতি সরণি’তে কানাডিয়ান ইউনির্ভাসিটি অব বাংলাদেশ এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

অষ্টম রাউন্ডের খেলায় আন্তর্জাতিক মাস্টার জগোদিস সিদ্ধার্থ বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমানকে পরাজিত করেন।

৬ পয়েন্ট নিয়ে ভারতের ফিদে মাস্টার পানিসার বিদান্ত দ্বিতীয় স্থানে, পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে ভারতের আন্তর্জাতিক মাস্টার মায়াঙ্ক চক্রবর্তী তৃতীয় ও সাড়ে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।

এ রাউন্ডের খেলায় ফিদে মাস্টার পানিসার বিদান্ত শ্রীলংকার আন্তর্জাতিক মাস্টার এম, এল, এস, টি, ডি সিলভার বিরুদ্ধে ওয়াক-ওভার পান।

আন্তর্জাতিক মাস্টার মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান শ্রীলংকার আন্তর্জাতিক মাস্টার মাস্টার লিয়াঙ্গে রানিনদু দিলশানকে, ভারতের আন্তর্জাতিক মাস্টার মায়াঙ্ক চক্রবর্তী গ্র্যান্ড মাস্টার নিয়াজ মোরশেদকে ও ভারতের ফিদে মাস্টার আরধ্য গর্গ ভারতের গ্র্যান্ড মাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়াকে পরাজিত করেন।

আগামীকাল (সোমবার) সকাল ১১টা থেকে একই স্থানে নবম বা শেষ রাউন্ডের খেলা শুরু হবে। খেলা শেষে দুপুর দুই'টায় পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।


মোস্তাফিজের মাথায় সিটি স্ক্যান: ভয়ের কিছু নেই, বললেন চিকিৎসক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
চট্টগ্রাম ব্যুরো

মাথায় বল লেগে আহত হওয়া মোস্তাফিজুর রহমানের মাথায় কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

তিনি বলেন, মোস্তাফিজের মাথার চামড়া কেটে গেছে। সেলাইও লেগেছে। অন্য কোনো সমস্যা নেই।

তবে মাথার ভেতরে কোনো ক্ষত হয়েছে কি না সেটি নিয়ে চিন্তিত ছিল বিসিবি। সিটি স্ক্যানে তেমন কিছু ধরা পড়েনি বলে তিনি জানিয়েছেন।

রোববার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় ম্যাথু ফোর্ডের শটে বল লাগলে মাথায় আঘাত পান মোস্তাফিজ। তিনি বোলিং মার্কে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। পরে এই বাঁহাতি পেসারকে স্ট্রেচারে তুলে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে।

সকাল ১০টায় অনুশীলন শুরু হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। স্কিল অনুশীলনের সময় নেটে লিটনকে বল করছিলেন মোস্তাফিজ। নিজের বল করা শেষে তিনি ফিরছিলেন বোলিং লাইন-আপের শেষ প্রান্তে।

ঠিক ব্যাটারের দিকে ঘোরার সময় পাশের নেটে থাকা ফোর্ডের শট মোস্তাফিজের মাথার পেছনের দিকে এসে বল লাগে। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এই পেসার। তাকে ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়।


চট্টগ্রামে গুরুতর আহত পেসার মোস্তাফিজ, আইসিইউতে ভর্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:০৫
বাসস

বাংলাদেশের পেস বোলার মোস্তাফিজ মাথায় গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের আইসিইউ’তে ভর্তি আছেন। সিটি স্ক্যান রিপোর্টের পর সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।

আজ রোববার সকালে সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বিপিএলের অনুশীলনের সময় মাথায় বল এসে পড়লে গুরুতর আহত হন মোস্তাফিজ। তাকে দ্রুত স্টেডিয়াম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে বন্দর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ফয়’স লেকস্থ ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিক আইসিইউতে স্থানান্তর করেন।

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দিন বলেন, ‘বিপিএলের চলতি আসরে মোস্তাফিজ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে খেলছেন। আজ সকালে টিমের সাথে তিনি অনুশীলনের জন্য সাগরিকা মাঠে আসেন। অনুশীলনের এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে টিম-মেটদের সাথে কথা বলছিলেন তিনি। দুপুর ১২টার দিকে পাশেই আরেকটি নেটে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটার ম্যাথিউ ফোর্ড। এ সময় ফোর্ডের সজোরে হাঁকানো একটি বল পেসার মোস্তাফিজের মাথার পিছনে এসে লাগে। সাথে সাথেই বসে পড়েন তিনি।’

আলমগীর সিরাজ আরও বলেন, ‘তাৎক্ষণিক মোস্তাফিজকে বন্দর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ডাক্তারদের পরামর্শে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে আছেন। তাঁর মাথার সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে মোস্তাফিজের আঘাত কতোটা গুরুতর।’

উল্লেখ্য, চলমান চট্টগ্রাম পর্বের জন্য বিপিএলে অংশগ্রহণকারী টিমের সদস্যরা বর্তমানে এখানে অবস্থান করছেন।


banner close