বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩

যে কারণে ভারতের কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফেরালেন আশিস নেহরা

আপডেটেড
১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:২৮
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত
ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশিত : ১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:২৮

বিশ্বকাপের পর মেয়াদ শেষ হয়েছিল ভারতের প্রধান কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের। এরপর নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে হয়েছে বিস্তর আলোচনা। তবে শেষ পর্যন্ত দ্রাবিড়ের সঙ্গেই আরও দুই বছরের চুক্তি করতে চায় ভারত। গতকাল সেটি নিশ্চিত করেছে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিসিসিআই)। দ্রাবিড়কে কোচ হওয়ার প্রস্তাব করলেও এর মধ্যেই ভারতের সাবেক পেসার আশিস নেহরাকে কোচ হওয়ার প্রস্তাব করেছিল বিসিসিআই। সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দেন। কারণটা তেমন জটিল নয়। বর্তমানে দেশটির ফ্র্যাঞ্চাইজি গুজরাট টাইটানসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আছেন নেহরা। কোচ হিসেবে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দলটির সঙ্গে থাকার কথা রয়েছে তার। যে কারণে বিসিসিআইয়ের প্রস্তাব পেয়েও সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন এই সাবেক ভারতীয় পেসার।

দেশের প্রধান কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফেরানোর পেছনে আরেকটি কারণ হলো- নেহরা তার ছোট পরিবার ছেড়ে দূরে কোথাও যেতে চাচ্ছেন না। ফলে দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচ হিসেবে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন তিনি।

এদিকে রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে কত দিনের চুক্তি করতে যাচ্ছে বিসিসিআই, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। তবে গত দুই বছরে দারুণ সফলতা এনে দেয়া এই কোচ ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের সঙ্গে থাকবেন বলে জানা গেছে। এরপর তার সঙ্গে চুক্তি নবায়নের বিষয়ে ফের আলোচনায় বসবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।


নির্বাচিত

নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের সুপারিশ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের হয়রানি প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে। এ ছাড়া কমিটি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণ এবং সারাদেশে পর্যায়ক্রমে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট নির্মাণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি মো. আবুল খায়ের ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন, অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন, মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, মো. ফজলে হুদা, কামরুজ্জামান কামরুল, আলফারুক আব্দুল লতীফ, শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ) এবং মো. আতাউর রহমান অংশগ্রহণ করেন।

কমিটির সভাপতির বিশেষ আমন্ত্রণে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)’-এর প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে।

যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা এবং তাদের ক্রীড়া ও কর্মমুখী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে বেকার নারী-পুরুষকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় আনা এবং সারাদেশে উপজেলা পর্যায়ে প্রতি বছর নিয়মিত খেলাধুলার আয়োজন করার জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে।

বৈঠকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্প কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন নির্মাণকাজে ঠিকাদাররা যাতে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে যথাযথ নজরদারি ও মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে।

বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। এরপর কমিটির সদস্যদের পরিচিতি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর প্রধানদের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের পরিচিতি পর্ব হয়।

বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর বা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। এ সময় সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও কমিটিকে অবহিত করা হয়।

কমিটির সভাপতি স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-জনতাকেও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আন্দোলনে আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বৈঠকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবরা, বিভিন্ন সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানরা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

কেইনের জোড়া গোলে ইংল্যান্ডের জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উয়েফা নেশনস লিগে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের জোড়া গোলের ওপর ভর করে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। ঘরের মাঠ লন্ডনের ঐতিহাসিক ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দলের দাপুটে জয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কেইন। মাঠে নামার মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে ক্যারিয়ারের ১২৫তম ম্যাচ খেলার গৌরব অর্জন করেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা স্ট্রাইকার; যার সুবাদে তিনি জাতীয় দলের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডে সাবেক কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার শিলটনের পাশে বসলেন। এতদিন ধরে সমান ১২৫ ম্যাচ খেলে এককভাবে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন শিলটন।

পুরো ম্যাচজুড়েই চেক প্রজাতন্ত্রের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে আক্রমণ পরিচালনা করেছে ‘থ্রি লায়নরা’। কেইনের সামনে থেকে দেওয়া নেতৃত্বের কারণেই মূলত সহজ এই জয় ধরা দেয়। ম্যাচের তিনটি গোলের মধ্যে দুটি নিজেই প্রতিপক্ষের জালে জড়ান কেইন এবং বাকি গোলটি আসে চেক ডিফেন্ডারদের অসতর্কতামূলক এক আত্মঘাতী ভুলের মাধ্যমে। ম্যাচজুড়ে কোনো বড় প্রতিরোধ গড়তে না পেরে শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের কাছে বড় ব্যবধানে নতি স্বীকার করেই মাঠ ছাড়তে হয় সফরকারীদের।

চলতি নেশনস লিগের এবারের আসরে অবিশ্বাস্য ব্যক্তিগত ফর্ম প্রদর্শন করে চলেছেন ইংলিশ অধিনায়ক। টুর্নামেন্টের টানা চার ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন তিনি। প্রথম দুই ম্যাচে একটি করে গোল পাওয়ার পর শেষ দুটি ম্যাচে টানা জোড়া গোলের দেখা পেলেন এই স্ট্রাইকার। চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে এই দুটি লক্ষ্যভেদের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে কেইনের ক্যারিয়ার গোলসংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৯১টিতে, যা ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে তাঁর রেকর্ডকে আরও সুউচ্চ অবস্থানে নিয়ে গেছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে ৯১ গোল করে কেইন এখন বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতাদের তালিকায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর চেয়ে বেশি গোল করার কীর্তি রয়েছে মাত্র সাতজন ফুটবলারের। এই তালিকায় ১৪৬ গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন পর্তুগালের ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ১২৬ গোল নিয়ে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং ১০৮ গোল নিয়ে ইরানের আলি দাইয়ি। এ ছাড়া কেইনের ঠিক ওপরে অবস্থান করছেন ৯৫ গোল করা ভারতের সুনীল ছেত্রী, ৯৪ গোলের মালিক বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকু এবং ৯২ গোল নিয়ে পোল্যান্ডের তারকা রবার্ট লেভানডফস্কি। ধারাবাহিক এই ফর্ম অব্যাহত থাকলে কেইনের সামনে অচিরেই এই তালিকায় আরও ওপরে ওঠার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।


নির্বাচিত

পরামর্শক খুঁজছে বিসিবি, আলোচনায় ভিলিয়ার্স ও ডোনাল্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আসন্ন ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই সুদূরপ্রসারী কৌশলগত পরিকল্পনা সাজাতে শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির প্রাথমিক অংশ হিসেবে সম্প্রতি জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যালিবংওয়ে মাকেতাকে, যিনি ইতিমধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয় দলের চলমান কোচিং প্যানেলে যোগ দিয়েছেন। মূলত ২০২৭ সালের বিশ্বকাপটি দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে অনুষ্ঠিত হবে বিধায় সেখানকার মাঠ ও আবহাওয়ার সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত এমন দক্ষ ক্রিকেট ব্যক্তিত্বদের দলের সঙ্গে যুক্ত করার নীতি গ্রহণ করেছে বোর্ড।

সহকারী কোচের পাশাপাশি এবার জাতীয় দলের জন্য একজন বিশেষায়িত পরামর্শক নিয়োগের নতুন পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে বিসিবি। দক্ষিণ আফ্রিকার চেনা কন্ডিশনে দলকে বাড়তি মানসিক ও কৌশলগত সুবিধা দিতে প্রোটিয়া ব্যাটিং কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্সকে পরামর্শক হিসেবে পাওয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করছে বিসিবির নীতিনির্ধারকেরা। এর পাশাপাশি অতীতে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ হিসেবে সফলভাবে কাজ করে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক তারকা পেসার অ্যালান ডোনাল্ডের নাম নিয়েও আলোচনা চলছে।

পরামর্শক নিয়োগের বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রাব্বানী। তিনি জানিয়েছেন, এবি ডি ভিলিয়ার্সসহ আরও বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের নাম বোর্ডের প্রাথমিক বিবেচনায় রয়েছে এবং তাঁদের সঙ্গে ডোনাল্ডের নামটিও পর্যালোচনায় রাখা হয়েছে। তবে এই পরামর্শক দীর্ঘমেয়াদে নয়, বরং বিশ্বকাপ ও সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে স্বল্পমেয়াদি চুক্তিতে দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

বিসিবির কোচিং স্টাফ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, বিশ্বকাপ ঘিরে দলের সামগ্রিক কার্যকারিতা বাড়াতে নানা বিকল্প নিয়ে ভাবছে ম্যানেজমেন্ট। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি এখনো সম্পূর্ণ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও আর্থিক সমীকরণ মেলানোর পরই আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।


নির্বাচিত

পাকিস্তান ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলে হাসান খান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক অধিনায়ক হাসান খান এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলের জার্সিতে। আইসিসি বিশ্বকাপ লিগ-২-এর অন্তর্ভুক্ত আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য বাঁহাতি এই স্পিন অলরাউন্ডারকে নিজেদের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট বোর্ড। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও নামিবিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠেয় এই সিরিজের জন্য অভিজ্ঞ পেসার আলি খানের জায়গায় ডাক পেয়েছেন তিনি; মূলত ৩৫ বছর বয়সী আলি খান হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিটকে পড়ায় হাসানের সামনে এই আন্তর্জাতিক সুযোগ তৈরি হলো। ২০১৮ সালের যুব বিশ্বকাপে পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রায় এক দশক পর আগামী ১৬ অক্টোবর ২৮ বছরে পা রাখতে যাওয়া হাসান এবার যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় রয়েছেন।

একসময় পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম প্রতিভাবান তরুণ হিসেবে বিবেচিত হাসান খানের অধীনেই ২০১৮ সালের যুব বিশ্বকাপে খেলেছিলেন বর্তমান তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং মুসা খান। ২০১৯ সালে পাকিস্তানের জাতীয় দলে মুসার অভিষেক হলেও একটি টেস্ট ও দুটি করে সীমিত ওভারের ম্যাচ খেলার পর তাঁর জাতীয় দলের ক্যারিয়ার থেমে যায়। অন্যদিকে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) মাঝেমধ্যে খেলার সুযোগ পেলেও নিজ দেশের ক্রিকেটে সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়ায় হাসান একপর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং সেখানে স্থানীয় ঘরোয়া লিগ দিয়ে নতুনভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিযোগিতা মেজর লিগ ক্রিকেটে (এমএলসি) দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে জাতীয় দলের নির্বাচকদের দৃষ্টি কাড়েন এই অলরাউন্ডার। টুর্নামেন্টের ২০২৪ আসরে সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসের জার্সিতে ১০ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ৪০ দশমিক ৮০ গড়ে ও ১৪৩ দশমিক ৬৬ স্ট্রাইকরেটে ২০৪ রান সংগ্রহ করেন তিনি। এরপর ২০২৫ সালের আসরেও নিজের আগ্রাসী ব্যাটিং অব্যাহত রেখে ১৮৭ দশমিক ৫০ স্ট্রাইকরেটে ১৭টি ছক্কাসহ ২২৫ রান তোলেন। এমএলসির দুই আসর মিলিয়ে মাত্র ২৬২ বলে ৩০টি ছক্কাসহ ৪২৯ রান করার এই ধারাবাহিকতাই তাঁকে অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টি এবং ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) মতো আন্তর্জাতিক লিগগুলোতে খেলার সুযোগ এনে দেয়।

আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে নজর কাড়ার পর চলতি ২০২৬ সালে হায়দরাবাদ কিংসমেন দলের হয়ে পুনরায় পিএসএলে প্রত্যাবর্তন করেন হাসান; যেখানে ৮ ইনিংসে ১৯৫ দশমিক ৭৭ স্ট্রাইকরেটে ১৩৯ রান করার পাশাপাশি তুলে নেন ৬টি উইকেট। তাঁর বর্তমান ফর্ম ও অভিজ্ঞতা নিয়ে দারুণ আশাবাদী মার্কিন ক্রিকেট প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট বোর্ড প্রত্যাশা করছে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য বৈশ্বিক বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে দলের সমন্বয়ে হাসান দ্রুত একটি ইতিবাচক ও কার্যকর প্রভাব ফেলতে সক্ষম হবেন।


নির্বাচিত

আইয়ারের ঝোড়ো সেঞ্চুরিতে ভারতের জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি এবং অভিষিক্ত অলরাউন্ডার নামান ধীরের চমৎকার বোলিং নৈপুণ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান সংগ্রহ করে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আইয়ারের চার-ছক্কার ঝড়ে ৩২ বল এবং ৮ উইকেট হাতে রেখেই অনায়াসে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় স্বাগতিক ভারত।

টসে জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই পেসার মায়াঙ্ক যাদবকে আক্রমণ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ১৬ রান তুলে নিলেও পাওয়ারপ্লেতেই খেই হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা। অর্শদীপ সিংয়ের বলে কামিল পুরান ১২ রানে ফেরার পর শিমরন হেটমায়ার মাত্র ৫ রানে রানআউট হন এবং রোভম্যান পাওয়েলকে সাজঘরে ফেরান অক্ষর প্যাটেল; ফলে পাওয়ারপ্লেতে ৪৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা। সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে হোপ ও শেরফাইন রাদারফোর্ড ৬৩ রানের আক্রমণাত্মক জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। হোপ ৩৭ বলে ৫২ রান করে অভিষিক্ত বোলার নামান ধীরের বলে আউট হন। এরপর কুলদীপ যাদব ও অক্ষরের স্পিন ঘূর্ণিতে নিয়মিত উইকেট হারালেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ঝড় তোলেন রাদারফোর্ড; তিনি ৩৪ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলে মায়াঙ্ক যাদবের শিকার হন। শেষ দিকে আকিল হোসেনের ৯ বলে ১৫ রানের ক্যামিওতে ১৭১ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়রা। ভারতের হয়ে বল হাতে অভিষেকেই ৩১ রানে ৩টি উইকেট নেন নামান ধীর এবং অক্ষর ও কুলদীপ নেন দুটি করে উইকেট।

১৭২ রানের মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই কিছুটা ধাক্কা খায় ভারত। ওপেনার অভিষেক শর্মা ১০ বলে ২১ এবং সাঞ্জু স্যামসন ১১ রান করে দ্রুত বিদায় নিলে মাত্র ৩৫ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিক দল। তবে প্রাথমিক এই চাপকে একাই উড়িয়ে দেন অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ও তরুণ ব্যাটার ইশান কিশান। তৃতীয় উইকেটে এই দুজনের অবিচ্ছিন্ন ও বিধ্বংসী জুটিতে মাত্র ৬৭ বলে যোগ হয় ১৩৭ রান, যা ক্যারিবিয়ান বোলারদের ম্যাচ বাঁচানোর সব আশা শেষ করে দেয়।

উইকেটের চারদিকে চার ও ছক্কার ফুলঝুরি ছুটিয়ে মাত্র ৪২ বলেই নিজের ঝড়ো সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন আইয়ার। শেষ পর্যন্ত তিনি ৪৩ বলে ১০টি চার ও ৬টি সুবিশাল ছক্কায় ১০২ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। অপর প্রান্তে কার্যকরী সঙ্গ দিয়ে ২৭ বলে ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন ইশান কিশান। অধিনায়কের দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক এই ইনিংসে ভর করেই বড় ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ভারত।


নির্বাচিত

বিদায়ী ম্যাচে মেসির জাদুতে আর্জেন্টিনার বড় জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

জাতীয় দলের জার্সিতে ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে আর্জেন্টিনাকে ৩-০ ব্যবধানে এক স্মরণীয় জয় এনে দিয়েছেন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি। বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত এই আবেগঘন প্রীতি ম্যাচে জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। প্রথমার্ধে একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট হওয়ায় দর্শকদের মাঝে কিছুটা উৎকণ্ঠা তৈরি হলেও দ্বিতীয়ার্ধে মেসির অনন্য নৈপুণ্যে ভর করে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচ শুরুর পর থেকেই গ্যালারিভর্তি লাখ লাখ দর্শকের নজর ছিল বিদায়ী কিংবদন্তির প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর। খেলার দশম মিনিটে মেসির ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সির প্রতি সম্মান জানিয়ে রেফারি কিছুক্ষণের জন্য ম্যাচ থামান; সে সময় পুরো স্টেডিয়ামের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে অভিবাদন জানান এবং মেসিও হাত নেড়ে দর্শকদের এই ভালোবাসার জবাব দেন। আবেগময় সেই ক্ষণের পর আর্জেন্টিনা বেনিনের রক্ষণভাগে বেশ কয়েকটি আক্রমণ শানালেও জালের দেখা না পেয়ে গোলশূন্য সমতা নিয়েই প্রথমার্ধের বিরতিতে যায় উভয় দল।

বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দৃশ্যপট বদলে দেন মেসি। খেলার ৪৮তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে তাঁর নেওয়া মাপা কর্নার কিক দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে কাছ থেকে দৃষ্টিনন্দন ভলিতে বল জালে পাঠান অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্দি, যা ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির ৬৮তম আন্তর্জাতিক অ্যাসিস্ট। এরপর ৬১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে আর্জেন্টিনা; এবারও গোলের রূপকার ছিলেন স্বয়ং মেসি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে তিনি বল বাড়িয়ে দেন তরুণ মিডফিল্ডার নিকো পাজের দিকে, যিনি বক্সের প্রান্ত থেকে দারুণ বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে স্কোরলাইন ২-০ করেন।

সতীর্থদের দিয়ে দুই গোল করানোর পর নিজের বিদায়ী মঞ্চে নিজেই স্কোরশিটে নাম লেখান লিওনেল মেসি। খেলার ৬৯তম মিনিটে বেনিনের এক ডিফেন্ডার বক্সে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ৭০তম মিনিটে স্পটকিক নিতে এসে নিখুঁত শটে বল জালের ওপরের কোণায় পাঠিয়ে দেন মেসি। গোলের পর মনুমেন্টালের গ্যালারি বাঁধভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়ে এবং সতীর্থরা ছুটে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে আবেগঘন উদযাপনে মেতে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় ধরে রেখেই আন্তর্জাতিক ফুটবলের এক সোনালী অধ্যায়ের সফল পরিসমাপ্তি টানেন এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।


নির্বাচিত

গোল ও অ্যাসিস্টে মাঠ রাঙিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে মেসির বিদায়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চ থেকে রাজকীয় ও আবেগঘন এক সমাপ্তি টেনে বিদায় নিলেন আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসি। বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে জাতীয় দলের জার্সিতে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেন কিংবদন্তি এই ফরোয়ার্ড। দলের অধিনায়কের এমন দ্যুতিময় নৈপুণ্যে ভর করে ৩-০ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

বিদায়ের এই বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ম্যাচ শুরুর আগেই স্টেডিয়ামের মাঠে মেলে ধরা হয় ‘গ্রাসিয়াস’ খচিত সুবিশাল ১০ নম্বর জার্সি। ম্যাচের দশম মিনিটে খেলা সাময়িকভাবে থামিয়ে করতালির মাধ্যমে ফুটবলের এই মহানায়ককে বিশেষ সম্মান জানায় পুরো স্টেডিয়াম, যার সাথে মিলিয়ে গ্যালারিজুড়ে ধ্বনিত হতে থাকে ‘মেসি, মেসি’ স্লোগান। প্রথমার্ধে মেসির দূরপাল্লার শট, ফ্রি-কিক এবং লাওতারো মার্তিনেজের পাসে নেওয়া চমৎকার ভলি থেকে গোল না এলেও দ্বিতীয়ার্ধে পুরোপুরি বদলে যায় খেলার দৃশ্যপট।

বিরতির ঠিক পরপরই ৪৮তম মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার কিক থেকে হেড করে দলকে এগিয়ে নেন জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে নামা অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি। এরপর ৬০তম মিনিটে মেসির তৈরি করে দেওয়া আরেকটি দারুণ সুযোগ কাজে লাগিয়ে চমৎকার বাঁকানো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নিকো পাজ। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে নিজের বিদায়ী ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আদায় করে নেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক, যা ছিল জাতীয় দলের হয়ে তাঁর ১২৬তম আন্তর্জাতিক গোল।

বিদায়ের প্রাক্কালে দেওয়া এক আবেগাপ্লুত বার্তায় মেসি নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমি শান্তিতে বিদায় নিচ্ছি, নিজের সবটুকু দিয়েছি। এই জার্সি ছিল আমার স্বপ্ন, গর্ব ও জীবন।’

২০০৫ সালে অভিষেকের পর দীর্ঘ ২১ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে বহু চড়াই-উতরাই ও অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ২০২২ সালে দেশকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেছিলেন মেসি। পরিশেষে নিজের চিরচেনা ফুটবল শৈলী, গোল ও অ্যাসিস্টের অনন্য প্রদর্শনীতে ভর করেই আন্তর্জাতিক ফুটবলের মহাকাব্যিক অধ্যায়ের ইতি টানলেন আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি।


নির্বাচিত

দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচের দায়িত্বে সৌরভ গাঙ্গুলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল দিল্লি ক্যাপিটালসের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ভারতের সাবেক সফল অধিনায়ক ও ‘মহারাজা’খ্যাত সৌরভ গাঙ্গুলি। আগামী ২০২৭ সালের আইপিএল আসরকে সামনে রেখে তাঁকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান কোচের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আইপিএলে প্রথমবারের মতো কোনো দলের প্রধান কোচ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন তিনি। বিগত দুই মৌসুমে দলটির প্রধান কোচের ভূমিকায় থাকা সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার হেমাং বাদানির স্থলাভিষিক্ত হলেন গাঙ্গুলি।

দিল্লি ক্যাপিটালসের ডাগআউটে সৌরভ গাঙ্গুলির উপস্থিতি অবশ্য নতুন কিছু নয়। ২০১৯ সাল থেকেই তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির উপদেষ্টা ও সহযোগী স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পরবর্তীতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি হিসেবে মেয়াদ শেষ করার পর তিনি ক্যাপিটালস গ্রুপের পুরুষ ও নারী উভয় ক্রিকেট দলের পরিচালকের দায়িত্বও সামলান। এর বাইরে দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এসএ-টোয়েন্টিতে প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, যা এবার আইপিএলের মূল মঞ্চে কাজে লাগাতে প্রস্তুত তিনি।

দিল্লির প্রধান কোচের দায়িত্ব পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সৌরভ গাঙ্গুলি জানান, আইপিএলে এই নতুন ভূমিকা গ্রহণের জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তাঁর হৃদয়ের অত্যন্ত কাছের এবং দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততায় দলটির মালিকপক্ষ, ব্যবস্থাপনা পরিষদ, সাপোর্ট স্টাফ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর চমৎকার ও গভীর বোঝাপড়া গড়ে উঠেছে। দলে একঝাঁক প্রতিভাবান তরুণ ক্রিকেটার রয়েছে জানিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আসন্ন মৌসুমের শুরু থেকেই একটি শক্তিশালী ও নির্ভীক মানসিকতার দল গড়ে তুলতে তিনি সম্পূর্ণ উন্মুখ হয়ে আছেন।

প্রধান কোচ হিসেবে সৌরভ গাঙ্গুলির কাঁধে মূল দায়িত্ব থাকবে দিল্লি ক্যাপিটালসকে তাদের ইতিহাসের প্রথম আইপিএল ট্রফি এনে দেওয়া। আইপিএলের উদ্বোধনী আসর থেকে খেলা দলগুলোর মধ্যে একমাত্র দিল্লি ও পাঞ্জাব কিংস এখন পর্যন্ত কোনো শিরোপার দেখা পায়নি। দলটি ২০২০ সালে ফাইনালে উঠে ট্রফির সবচেয়ে কাছাকাছি গেলেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি এবং ২০২১ সালে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকেও ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। ২০২১ মৌসুমের পর থেকে দিল্লি আর কখনো প্লে-অফে উঠতে পারেনি; এমনকি গত আসরে অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল ও কোচ হেমাং বাদানির অধীনে ষষ্ঠ স্থানে থেকে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছিল তাদের। সেই দীর্ঘ শিরোপাখরা ঘুচিয়ে দলকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যাওয়াই হবে গাঙ্গুলির মূল চ্যালেঞ্জ।


নির্বাচিত

ওয়েসলির জন্য লড়াইয়ে ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও নিউক্যাসল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমার ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ওয়েসলিকে দলে ভেড়াতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ তিন ক্লাবের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়েছে। ২৩ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান রাইট উইং-ব্যাককে পেতে আগে থেকেই নজর রাখা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে এবার সরাসরি লড়াইয়ে নেমেছে আর্সেনাল ও নিউক্যাসল ইউনাইটেড। গত বছর প্রায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে ব্রাজিল থেকে ওয়েসলিকে রোমায় নিয়ে এসেছিল ক্লাবটি; তবে প্রধান কোচ গিয়ান পিয়েরো গাসপেরিনির অধীনে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তাঁর বাজারমূল্য এখন দ্বিগুণে গিয়ে ঠেকেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এই তরুণ ডিফেন্ডারকে দলে টানতে হলে আগ্রহী যেকোনো ক্লাবকে এখন অন্তত ৬০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে হবে।

ইংলিশ ফুটবলে ওয়েসলির নাম আলোচনায় আসার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। গত বছর ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি তাঁকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক চেষ্টা চালিয়েছিল; কিন্তু ইতালির ক্লাবেই নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করার ইচ্ছা থাকায় সে সময় লন্ডনের ক্লাবটির সেই প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এই ব্রাজিলিয়ান। তবে রোমার জার্সিতে নিজেকে অন্যতম সেরা তরুণ ফুল-ব্যাক হিসেবে প্রমাণ করার পর এবার আবারও প্রিমিয়ার লিগে তাঁর চাহিদা তুঙ্গে উঠেছে এবং একই সঙ্গে ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও নিউক্যাসল তাঁকে পাওয়ার দৌড়ে নামায় বড় ট্রান্সফার লড়াইয়ের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

আসন্ন দলবদল মৌসুমে নিজেদের ভঙ্গুর রক্ষণভাগকে ঢেলে সাজানোই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটি আগামী দিনে নিজেদের রক্ষণকে আরও শক্তিশালী করতে দুই প্রান্তের জন্য নতুন দুজন ফুল-ব্যাক এবং একজন নির্ভরযোগ্য সেন্টার-ব্যাক কেনার পরিকল্পনা করছে। সেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ডান প্রান্তের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হিসেবে ওয়েসলিকেই নিজেদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে রেখেছে রেড ডেভিলরা।

এদিকে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে রোমার পরিকল্পনার এক অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছেন ওয়েসলি। ইতালিয়ান ক্লাবটি তাঁকে সহজে ছাড়তে না চাইলেও লোভনীয় প্রস্তাবের বিপরীতে তাঁর বিকল্পও আগেভাগে ঠিক করে রেখেছে। জানা গেছে, বড় অঙ্কের অর্থে ওয়েসলিকে বিক্রি করতে হলে তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করতে ফরাসি ক্লাব মোনাকোর ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ভান্দেরসনকে দলে নেওয়ার কথা ভাবছে রোমা। ফলে ব্রাজিলিয়ান এই রাইট উইং-ব্যাককে কেন্দ্র করে আসন্ন দলবদলের বাজারে বড় ধরনের টানাটানি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।


নির্বাচিত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টি ফেরানোর পরিকল্পনা বাতিল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্ব ক্রিকেটে একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট ‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টি’ পুনরায় মাঠে ফেরানোর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগের শীর্ষ ও চ্যাম্পিয়ন দলগুলোকে নিয়ে আয়োজিত এই বৈশ্বিক আসরটি নতুন করে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবতার নিরিখে শেষ পর্যন্ত সেই ভাবনা থেকে পিছিয়ে এসেছে সংস্থাটি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টির সর্বশেষ আসরটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৪ সালে। এরপর দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় টুর্নামেন্টটির কোনো আসর আর মাঠে গড়ায়নি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এবং বিভিন্ন দেশে একের পর এক টি-টোয়েন্টি লিগের বিস্তারের প্রেক্ষাপটে এই প্রতিযোগিতাটি আবারও চালুর দাবি ও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছিল।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অতিব্যস্ত সূচি এবং বিভিন্ন দেশের নিজস্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর সময়সূচির জটিলতা। বর্তমান ক্যালেন্ডারে আন্তর্জাতিক দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ও আইসিসি ইভেন্টের পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্তে সারা বছরই কোনো না কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ চলমান থাকে। ফলে সব দেশের শীর্ষ ক্রিকেটার ও ক্লাবগুলোকে এক ছাদের নিচে এনে এই টুর্নামেন্টের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন উপযুক্ত সময় বের করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে, যার ফলে পরিকল্পনাটি বাদ দিতে বাধ্য হয় আইসিসি।

উল্লেখ্য, অতীতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টিতে মূলত ভারতের আইপিএল, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের সেরা দলগুলো সরাসরি অংশ নিত। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আয়োজিত টুর্নামেন্টের সফল ছয়টি আসরের মধ্যে ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো একাই চারবার শিরোপা জয়ের গৌরব অর্জন করেছিল। নতুন করে চালুর বিষয়টি বাতিল হওয়ায় ক্লাবভিত্তিক বিশ্বসেরা হওয়ার সেই পুরোনো লড়াই আপাতত আর মাঠে দেখা যাচ্ছে না।


নির্বাচিত

পাকিস্তানকে ১৩ রানে হারাল বাংলাদেশের মেয়েরা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে স্বাগতিক পাকিস্তানকে আবারও পরাজিত করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের ইকবাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ম্যাচে স্বাগতিকদের ১৩ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠার পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেল সাদিয়া ইসলামের দল। সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে শুভসূচনা করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে তৃতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে স্বাগতিকদের দ্বিতীয়বারের মতো হারিয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করল টাইগ্রেসরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। মাত্র ৪ রানের মাথাতেই নিজেদের প্রথম দুই ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে তারা। তবে শুরুর সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামাল দেন দলের মিডল অর্ডার ব্যাটাররা। অচেনা ১৭, নিশি ২০ এবং অধিনায়ক সাদিয়া ২৪ রান করে ইনিংসকে এগিয়ে নেন। শেষ দিকে সাদিয়া আক্তারের অপরাজিত ৩৩ এবং ফারজানার অপরাজিত ২৮ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৯ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে রোজিনা ও মাহাম দুটি করে এবং সাহার বানু একটি উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ১৪০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করেছিল পাকিস্তান নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কোনো উইকেট না হারিয়ে প্রথম পাওয়ার প্লের ছয় ওভারেই স্কোরবোর্ডে ৫০ রান যোগ করে ফেলে স্বাগতিকরা। উদ্বোধনী জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পাকিস্তানের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন রাভাইল ফারহান ও কোমল খান; যেখানে রাভাইল ২৯ বলে ৩২ এবং কোমল ২৯ বলে ৩৬ রান সংগ্রহ করেন। তবে দলীয় ৬৯ রানে এই উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরই হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে পাকিস্তানের ইনিংসে।

পরপর দুই রানের ব্যবধানে অর্থাৎ ৭০ ও ৭১ রানে আরও দুটি উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক দল। মাঝের ওভারগুলোতে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রানেই আটকে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। বল হাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন ফারজানা ইয়াসমিন; তিনি ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এ ছাড়া নিশিতা আক্তার নিশি ২৮ রানে দুটি এবং তিথি দাস অপর্ণা মাত্র ৮ রান খরচায় ১টি উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করতে বড় অবদান রাখেন।


নির্বাচিত

১৪ মিনিটে চার গোল দিয়ে বেলজিয়ামকে হারাল ফ্রান্স

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

উয়েফা নেশনস লিগে ম্যাচের প্রায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলে পরাজিত করেছে ফ্রান্স। সেন্ট ডেনিসের ঘরের মাঠে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা ফরাসিরা শেষ ১৪ মিনিটের ঝড়ে একযোগে চার গোল করে ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়। এর মাধ্যমে জাতীয় দলের ডাগআউটে ঘরের মাঠে নিজের প্রথম জয়ের স্বাদ পেলেন নতুন কোচ জিনেদিন জিদান; এর আগে ঘরের মাঠে নিজের প্রথম ম্যাচে ইতালির সঙ্গে ড্র দেখতে হয়েছিল তাঁকে। ব্রাসেলসে আগের দেখায় শেষ মুহূর্তের গোলে হার মানা বেলজিয়ামকে এবারও পরাস্ত করে চার ম্যাচ শেষে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল ফ্রান্স।

ম্যাচের শুরু থেকেই সফরকারী বেলজিয়াম বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। খেলার সূচনালগ্নেই সুযোগ পেয়ে যান দলে ফেরা রোমেলু লুকাকু; তবে নিজের মার্কারকে কাটিয়ে নেওয়া তাঁর জোরালো শট অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা তুলুসের ফরাসি গোলরক্ষক গুইলুমে রেস্তেস দক্ষতার সঙ্গে আটকে দেন। এরপর দদি লুকবাকিওর ক্রসে নিকোলাস রাসকিনের হেড অল্পের জন্য বাইরে গেলে বিপদে পড়া থেকে রক্ষা পায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে উসমান দেম্বেলের ডান প্রান্তের আক্রমণ থেকে বল পেয়ে ১৪ গজ দূর থেকে উড়িয়ে মারেন এস্তেবান লেপল। এর ঠিক এক মিনিট পরই লিড নেয় বেলজিয়াম; রোমিও লাভিয়ার দূরপাল্লার পাস অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন লুকবাকিও।

বিরতির পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। এ সময় মানু কোনের জোরালো প্রচেষ্টা লাভিয়ার কাঁধে লেগে প্রতিহত হয় এবং দেম্বেলের একটি বাঁকানো শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। খেলার এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও গোলের দেখা না পেয়ে কৌশলী পরিবর্তন আনেন জিদান; তিনি মাঠে নামান রায়ান শেরকি, মাইকেল ওলিসে এবং পরবর্তীতে দেসিরে দুয়েকে। আরবি লাইপজিগের অভিষিক্ত বেলজিয়ান গোলরক্ষক মার্টান ভ্যান্ডাভুর্ট বেশ কিছু দুর্দান্ত সেভ করে ফরাসিদের আটকে রেখেছিলেন। বিশেষ করে শেরকির একটি বাঁকানো শট আঙুলের ছোঁয়ায় পোস্টের বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি এবং ব্রাডলি বারকোলার শটও প্রতিহত হয়।

তবে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে ফরাসিদের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায়। বক্সের প্রান্তে বল পেয়ে দ্রুত ঘুরে কোনাকুনি নিচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে ফ্রান্সকে ১-১ সমতায় ফেরান বদলি নামা তরুণ ফরোয়ার্ড দেসিরে দুয়ে। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই তিন মিনিট পর ওলিসের দ্রুতগতির পাস থেকে লক্ষ্যভেদ করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন শেরকি। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে বেলজিয়ান ডিফেন্ডার রাসকিনকে পরাস্ত করে নিজের প্রথম গোলটি করেন বায়ার্ন তারকা ওলিসে। এরপর অতিরিক্ত যোগ করা সময়ে ওলিসে ব্যক্তিগত দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি সম্পন্ন করলে ১৪ মিনিটের অসাধারণ ঝড়ে ৪-১ গোলের রাজকীয় জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।


নির্বাচিত

রোনালদোকে দেশের ‘সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান’ বললেন পর্তুগালের অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দ্বন্দ্ব নিয়ে যখন ফুটবল অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে, তখন মহাতারকার দেশের জন্য অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পর্তুগালের অর্থমন্ত্রী মানুয়েল কাস্ত্রো আলমেইদা। রোনালদোর গুরুত্ব যে শুধু ফুটবলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বে পর্তুগালের পরিচিতি ও ভাবমূর্তি তৈরিতেও তার বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

গত সপ্তাহে উয়েফা নেশনস লিগে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদোকে শুরুর একাদশে রাখা হয়নি। এমনকি ম্যাচেও তাকে মাঠে নামাননি কোচ জর্জ জেসুস। কোচের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ডেনমার্কের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচের আগের দিন জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড।

রোনালদোর আকস্মিক ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনায় পর্তুগিজ ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এর প্রভাব পড়ে। এক দিনের ব্যবধানে পর্তুগাল জাতীয় দলের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ অনুসারী কমে যাওয়ার কথাও উঠে এসেছে।

তবে কোচ জেসুস ও রোনালদোর বিরোধে কে সঠিক, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি অর্থমন্ত্রী মানুয়েল কাস্ত্রো আলমেইদা। বরং তিনি জোর দিয়েছেন দেশের জন্য রোনালদোর দীর্ঘদিনের অবদানের ওপর।

পর্তুগালের নাও চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষ পর্তুগালকে চেনেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নামের মাধ্যমে। দেশের ব্র্যান্ডিং ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি তৈরিতে রোনালদোকে তিনি পর্তুগালের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন।

তার মতে, বিশ্বজুড়ে পর্তুগালের সুনাম বৃদ্ধিতে রোনালদোর পরিচিতি ও সাফল্য দেশটির জন্য উল্লেখযোগ্য সুফল বয়ে এনেছে। ফুটবল মাঠে তার অর্জনের পাশাপাশি দেশের নাম বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও রোনালদোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে উয়েফা নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বের পরবর্তী ম্যাচেও রোনালদোকে ছাড়াই মাঠে নামার কথা রয়েছে পর্তুগালের। ফলে কোচ ও দলের অন্যতম প্রধান তারকার মধ্যকার এই পরিস্থিতি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।


নির্বাচিত

banner close