শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪

অন্ধকারে ঢাকা-খুলনা: স্ববিক্রমে লড়াই করেছেন শরিফুল-বিজয়রা

আপডেটেড
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭
চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত
প্রকাশিত
চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত
প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর থেকে ইতোমধ্যেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে দুর্দান্ত ঢাকার। কাটা সুতোয় ঝুলে আছে খুলনা টাইগার্সের ভাগ্যও। গ্রুপ পর্বে ১২ ম্যাচ খেলে মাত্র একটি ম্যাচে জয় পেয়েছিল ঢাকা। অন্যদিকে ১১ ম্যাচ খেলে খুলনার জয় ৫ ম্যাচে। আজকের আলোচনাটা ঢাকা কিংবা খুলনাকে নিয়ে নয়। দল দুটির কিছু খেলোয়াড়দের নিয়ে।

বিপিএলের শেষবেলায় এসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় চোখ মেললে দেখা যাবে জ্বলজ্বল করছে শরিফুল ইসলামের নাম। ১২ ম্যাচ খেলে শরিফুলের শিকার ২২ উইকেট। আসরে বাঁহাতি এই পেসার রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি ৭ দশমিক ৮১। সেরা উইকেট শিকারির তালিকার পাঁচ নম্বর নামটা তাসকিন আহমেদের। ১২ ম্যাচ থেকে তাসকিনের শিকার ১৩ উইকেট। ওভারপ্রতি রান খরচ করেছেন ৮-এর একটু বেশি। তাসকিন এবারের বিপিএলে নামের প্রতি খুব একটা সুবিচার করতে পারেননি। এর পেছনে অবশ্য বড় দায়টা ছিল তাসকিনের ইনজুরি।

উইকেট ছেড়ে এবার নজর দেওয়া যাক রানের তালিকায়। সেখানেও আছে ঢাকার দুই তারকার নাম। ৩১০ রান করে রান সংগ্রাহকের তালিকার ৪ নম্বরে রয়েছেন নাঈম শেখ। তবে নাঈমের স্ট্রাইকরেট খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ১১৯ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন তিনি। দল হিসেবে ছন্দে ছিল না দুর্দান্ত ঢাকা। তবে ব্যক্তি পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন এই তারকারা।

খুলনা টাইগার্সও অপেক্ষায় আছে বিদায়ের। দুর্দান্ত শুরুর পর শেষ ম্যাচগুলোতে তারা জয় পেতেই যেন ভুলে গেছে। তাই শেষ মুহূর্তে এসে অপেক্ষা করছে সমীকরণের মারপ্যাঁচের। দেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব বেশি আলো কাড়তে পারেননি কেউই। বিশেষ করে তরুণ কোনো খেলোয়াড়ই আসতে পারেননি লাইমলাইটে। আফিফ হোসেনেরও সুযোগ ছিল, জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা পাকা করার। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। তবে খুলনাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ব্যর্থদের মাঝে তিনিই ছিলেন একমাত্র আশার প্রদীপ। ব্যাট হাতে ছড়িয়েছেন দ্যুতি। ১১ ইনিংস থেকে করেছেন ২৮৬ রান।

এদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন ৪ জনই। তাই বিপিএলে তাদের দল ভালো না করলেও জাতীয় দলে কাজে লাগবে তাদের এই পারফরম্যান্স।


দেশবাসীকে সাকিব-জ্যোতি-তামিমদের ঈদের শুভেচ্ছা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের তারকা ক্রিকেটাররা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের ঈদের আনন্দঘন মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে দেশবাসী তথা ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাকিব-তামিম-জ্যোতিরা।

নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব লিখেছেন, ‘আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে ঈদ মোবারক। এই আনন্দের দিন আপনার জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অফুরন্ত রহমত নিয়ে আসুক।’

শুভেচ্ছা জানিয়েছে দেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ফেসবুকে তামিম লিখেছেন, ‘ঈদ মোবারক! সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।’

ফেসবুকে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ লিখেছেন, ‘ঈদ মোবারক। এই বিশেষ দিনটি ভালবাসা, আনন্দ এবং আশীর্বাদে ভরে উঠুক।’

দলের অন্য সেরা পেসারদের একজন তাসকিন আহমেদ লিখেছেন, ‘এই শুভ দিনে, আল্লাহর রহমত আপনার পথকে আলোকিত করুক এবং আপনার প্রতিটি পদক্ষেপে সুখ বয়ে আনুক। ঈদ মোবারক।’

স্পিন অলরাউন্ডার মিরাজ লিখেছেন, ‘ঈদের এই শুভ দিনে আমার সকল শুভাকাঙ্খীদের আন্তরিকভাবে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। আসুন সকল ভেদাভেদ, হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ভালোবাসা ছড়িয়ে দেই সবার মাঝে, ঈদ মোবারক।’

নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি লিখেছেন, ‘ঈদ-উল-ফিতরের এই বরকতময় উপলক্ষে আল্লাহর রহমতে আপনার জীবন আনন্দ, শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। ঈদ মোবারক!’


খেলোয়াড় থেকে কোচ সফলতার কমতি নেই জন রাইটের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

১৯৭৭ সালে কাউন্টি ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ফুটাচ্ছেন নিউজিল্যান্ডের এক তরুণ ওপেনার। নিউজিল্যান্ডও তখন খোঁজ করছে একজন নির্ভরশীল ওপেনারের। যিনি কিউইদের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করে দিয়ে আসবেন। সেই তরুণের ওপর নজর পড়ে তৎকালীন নির্বাচক দলের। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ক্যারিয়ারে গড়েছেন কত কত যে রেকর্ড। তিনি সাবেক কিউই ওপেনার জন রাইট।

কাউন্টির সেই পারফরম্যান্সের জন্য পরের বছরই কিউইদের হয়ে ডাক পড়ে টেস্ট দলে। ইংলিশদের বিপক্ষে ওপেন করতে নেমে ২৪৪ বলে খেলেন ৫৫ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস। সেই বোলিং উইকেটে প্রায় সাড়ে তিনশো মিনিট ক্রিজে ছিলেন তিনি। তার ইনিংসে ভর করেই ৪৮ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জয় পায় নিউজিল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন জন রাইট। কিউইদের হয়ে ৮২ টি টেস্ট খেলে তিনি করেছিলেন ৫৩৩৪ রান। ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ১৮৫ রানের একটি ইনিংসও খেলেছিলেন তিনি। তার নামের পাশে আছে ১২টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ২৩টি হাফ সেঞ্চুরি।

সাদা পোষাকের ক্রিকেটে উজ্জল জন রাইট অবশ্য অতটা উজ্জল ছিলেন না রঙিন পোষাকের ওয়ানডে ক্রিকেটে। এ ফরম্যাটে ১৪৯ ম্যাচে করেন ৩ হাজার ৮৯১ রান। এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছেন ২৪টি হাফসেঞ্চুরি।

১৯৯৩ সালে ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি। তবে প্রিয় এ খেলাকে ছেড়ে দুরে থাকতে পারেননি তিনি। ১৯৯৭ সালে শুরু করেন কোচিং ক্যারিয়ার। খেলোয়ারি জীবনের মতো জন রাইটের কোচিং ক্যারিয়ারও ছিলো সাফল্যে মোড়ানো।

সে সময় ভারতের মতো দলকে কোচিং করিয়ে এনে দিয়েছেন সেরা সাফল্য। টানা পাঁচ মেয়াদে উপমহাদেশটির কোচ ছিলেন তিনি। এরপর নিউজিল্যান্ডকে তুলেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জেতান প্রথম আইপিএল শিরোপা।

এসবের ভিড়ে চাপা পড়ে যায় ব্যাটসম্যান রাইটের কত মহাকাব্য। এই ব্যাটসম্যানের হাত ধরেই আশির দশকে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের একটি জায়গা খুঁজে পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড।

পুরো নাম- জন জিওফ্রে রাইট।

জন্ম- ৫ জুলাই ১৯৫৪ সাল।

জন্মস্থান- ডারফিল্ড, নিউজিল্যান্ড।

রাশি: কর্কটরাশি।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, বিরিয়ানি।

প্রিয় পানীয়: চা।

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: গ্রাহাম এডওয়ার্ডস ।

প্রিয় ক্রিকেট দল: নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: ক্রিস হ্যারিস।

প্রিয় গাড়ি: অডি।

প্রিয় স্টেডিয়াম: ম্যাকলিন পার্ক স্টেডিয়াম, নিউজিল্যান্ড।

প্রিয় শখ: গলফ খেলা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


আইপিএলে আজ খেলবেন মোস্তাফিজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

এবারের আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের একাদশে শুরু থেকেই নিয়মিত মোস্তাফিজুর রহমান, খেলেছেন প্রথম তিন ম্যাচের সবকটি। তবে চেন্নাইয়ের র্সবশষে ম্যাচটিতে তিনি খেলতে পারনেনি। মোস্তাফিজ বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ-যাত্রার জন্য ভিসা-সংক্রান্ত কাজ সারতে ঢাকায় এসেছিলেন।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা–প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট র্বোড (বিসিবি)। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার ঢাকায় এসেছিলেন মোস্তাফিজ। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দেওয়ার পর সেটি ফেরত পেতে এই কদিন দেশে থাকতে হয়েছে তাকে। রোববার পাসপোর্ট ফেরত পেয়ে ভারতের উদ্দেশে যাত্রা করেন মোস্তাফিজ।

দেশে থাকার সময় আইপিএলে চেন্নাইয়ের একটি ম্যাচ মিস করেছেন। শুক্রবারের ম্যাচটিতে মোস্তাফিজের সাবেক দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ৬ উইকেটে হেরেছে চেন্নাই। চেন্নাই সুপার কিংস তাদের পরের ম্যাচটি খেলবে আজ ঘরের মাঠে। প্রতিপক্ষ কলকাতা নাইট রাইর্ডাস।

এবারের আইপিএলে এখন পর্যন্ত ৩ ম্যাচ খেলে ৭ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ। আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে রয়্যাল চ্যালঞ্জার্সের বিপক্ষে ২৯ রানে ৪ উইকটে নিয়ে হয়েছিলেনে ম্যাচসেরাও।

বিষয়:

ক্যারিবীয় স্বর্ণযুগের শেষ তারকা রিচি রিচার্ডসন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্যারিয়ারটা শুরু করেছিলেন ডিফেন্সিভ ব্যাটার হিসেবে; কিন্তু তার ব্যাটিংয়ের এ ধরন পছন্দ হলো না গাই ইয়ারউড নামের এক কোচের। তার প্রতিভা বিমোহিত করেছিল এ কোচকে। তাই কাজ শুরু করলেন তরুণ এ ব্যাটারকে নিয়ে। গড়ে তুললেন ২২ গজের এক আগ্রাসী ব্যাটার হিসেবে। ভিভ রিচার্ডসের পরে তিনিই ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্যতম সেরা ব্যাটার হিসেবে। বশ্য পরবর্তীতে নিজের সময়ের সেরা ব্যাটার হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন রিচি। তিনি ক্যারিবিয়ানদের স্বর্ণযুগের সবশেষ অধিনায়ক রিচি রিচার্ডসন।

১৯৮৩ সালে ভারতের বিপক্ষে মুম্বাইয়ে ক্রিকেটের অভিজাত ফরম্যাট টেস্টে অভিষেক হয় রিচির। কিন্তু অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি তিনি। শূন্য রানেই আউট হয়ে যান। সে সময় ক্যারিবীয় দলে তারকাদের ভিড়ে ঠিকমতো অনুশীলনের সুযোগও পাচ্ছিল না রিচি। ব্যাপারগুলো নজর এড়ায়নি রবার্টসের। তরুণ এই প্রতিভা যাতে শুরুতেই কোনো আঘাত না পান তাই রবার্টস নিজেই রিচিকে নেটে বোলিং করে অনুশীলন করতে সাহায্য করেন।

ওই সফরেই ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতেও অভিষিক্ত হন রিচি। আর অভিষেকেই করেন ৪৬ রান। রঙিন জার্সিতে অবশ্য অভিষেকটা উজ্জ্বল করতে পেরেছিলেন এই ব্যাটার। পরের বছর পাকিস্তানের বিপক্ষে দেখা পান মেইডেন ওয়ানডে ফিফটি। পরের অস্ট্রেলিয়া সিরিজে করেন তিন ফিফটি! টেস্টেও ছিলেন দুর্দান্ত! অজিদের বিপক্ষে টানা দুই টেস্টে দুই সেঞ্চুরি করেন তিনি! ওই বছরের শেষে অজিদের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন রিচি।

রিচি টেস্টে ৮৬ ম্যাচে ৪৪ গড়ে ৫৯৪৯ রান করেন। ২৭ ফিফটির পাশাপাশি আছে ১৬ সেঞ্চুরি। ২২৪ ওয়ানডেতে ৩৩ গড়ে ৬২৪৮ রান করেন রিচি। ৫ সেঞ্চুরির সাথে আছে ৪৪ হাফ সেঞ্চুরি। ঘরোয়া ক্রিকেটে ৫৪৭ ম্যাচে ২৩ হাজারেরও বেশি রান করেছেন এই তারকা। জানুয়ারী ১৯৮৭ থেকে ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল মোট ওয়ানডে খেলেছিল ১৩২টি। এই সময়ের মধ্যে ১৩২ টি ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের একাদশে ছিলেন রিচি। টানা সবচেয়ে বেশি ওয়ানডে খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে চারে আছেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা।

ভিভ রিচার্ডসের মাহাত্ম্য কিংবা ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের অন্যতম সেরা নায়ক এসব নিয়ে কারোই সংশয় নেই। তবে রিচির অসাধারণ ক্যারিয়ার যে ভিভের ছায়াতলে ছিলো তাও অস্বীকার করার কারণ নেই। রিচির সময়ে তিনিই ছিলেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে ওই সময়ের সেরা তারকা। রিচির অবসরের সাথে সাথেই যেন নিভে গেছে ক্যারিবীয় ক্রিকেটের স্বর্ণযুগের সেই আলো!


জিম্বাবুয়ের ‘দ্য গ্রেট ক্যাপ্টেন’ অ্যালিস্টেয়ার ক্যাম্পবেল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

জিম্বাবুয়ে সেরা অধিনায়কের নাম করলে সবার ওপরে যার নাম আসবে তিনি অ্যালিস্টেয়ার ক্যাম্পবেল। তাকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের কিংবদন্তিদের কাতারে নিয়ে গেছে এ অধিনায়কত্বই।

ক্যাম্পবেলের জন্ম জিম্বাবুয়ের হারারের একটি ক্রিকেটীয় পরিবারে। বাবা ইয়াইন ছিলেন ক্রিকেট কোচ। ছোট ভাই ডোনাল্ডও হাঁটেন একই পথে। নিজেদের ছিল একটি ক্রিকেট স্কুলও (লিলফোর্ডিয়া প্রাইমারি স্কুল)। তাই ক্যাম্পবেলের ক্রিকেটে আসাটা ছিল অনুমেয়ই। নিজেদের স্কুল থেকে বাবার হাত ধরেই তার ক্রিকেটের হাতেখড়ি। শুরুর দিকে ডানহাতে ব্যাট করতেন ক্যাম্পবেল। কিন্তু বাবার চাওয়াতেই পুরোদস্তুর বাঁহাতি ব্যাটার হয়ে যান তিনি।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট দিয়েই বিচ্ছুরণ ঘটান ক্যাম্পবেল। জিম্বাবুয়ের কনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে করেন সেঞ্চুরি। ১৯৯২ সালে জিম্বাবুয়ের টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেকের দিন অভিষেক হয় ক্যাম্পবেলেরও। মাত্র ২০ বছর বয়সে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে ৩ নম্বরে খেলতে নেমেই করেন ৪৫ রান।

১৯৯৬ সালে ক্যাম্পবেলকে অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। মাত্র তিন বছর এ দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই তিনটা বছরই ছিল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সবচেয়ে ভালো সময়। ১৯৯৮ সালে তার দল নিজেদের মাটিতে শক্তিশালী ভারতকে টেস্টে হারায়। এর পরের মাসেই পাকিস্তানে গিয়ে স্বাগতিকদের ১-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে হারিয়ে আসেন ক্যাম্পবেলরা। এটা জিম্বাবুয়ের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয়।

ক্যাম্পবেল ও জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সুদিন অব্যাহত থাকে ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপেও। সে সময় ‘ছোট দল’ হয়ে খেলতে গিয়ে সবাইকে চমকে দিয়ে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলকে হারিয়ে সুপার সিক্সে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে।

৬০টি টেস্ট আর ১৮৮টি ওয়ানডে ম্যাচের ক্যারিয়ার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ক্যাম্পবেলকে। অধিনায়ক ছিলেন ২১টি টেস্ট ও ৮৬টি ওয়ানডেতে। ব্যাটসম্যান ক্যাম্পবেল টেস্টের চেয়ে ওয়ানডেতেই বেশি ধারাবাহিক ছিলেন। টেস্টে তার ১৮টি হাফসেঞ্চুরির পাশে সেঞ্চুরির সংখ্যা মাত্র দুটি। অন্যদিকে, ওয়ানডেতে ৩০টি হাফ সেঞ্চুরির সঙ্গে তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার ছুঁয়েছেন সাতবার।

২০০৩ সালের বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের শেষ ম্যাচটাই ছিল ক্যাম্পবেলের ক্যারিয়ারেরই শেষ ম্যাচ।

পুরো নাম: অ্যালিস্টেয়ার ডগলাস রস ক্যাম্পবেল

জন্ম: ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২।

জন্মস্থান: সলসবারি, রোডেশিয়া।

রাশি: তুলা।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, সামুদ্রিক মাছ

প্রিয় পানীয়: ফ্রুটস জুস

প্রিয় রং: কালো, সাদা

প্রিয় ক্রিকেটার: অ্যান্ডি পাইক্রফট

প্রিয় ক্রিকেট দল: জিম্বাবুয়ে

প্রিয় সতীর্থ: অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার

প্রিয় গাড়ি: মার্সিডিজ বেঞ্জ।

প্রিয় শখ: বিশ্লেষণ করা, গান শোনা, ভ্রমণ।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: নাইকি।


নিষেধাজ্ঞায় বিশ্বকাপ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

আর মাত্র কিছুদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে ২০ ওভার ক্রিকেটের বিশ্ব মহারণ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এবারই প্রথমবারের মতো ২০টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফর‌ম্যাটের বিশ্বকাপ। জুনে এবারের আসর মাঠে গড়াবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই দুঃসংবাদ শুনতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে। ব্যবস্থাপনাজনিত অনিয়মের কারণে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট বোর্ড (ইউএসএসি)।

যুক্তরাষ্ট্রের অলিম্পিক অ্যান্ড প্যারালিম্পিক কমিটি (ইউএসওপিসি) যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেটের চলমান পরিস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। একই কারণে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসিও। ক্রিকবাজ জানিয়েছে, আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বড় একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট বোর্ডকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে।

ইউএসএসির চলমান অস্থিরতার কারণ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুর মুরাদের অব্যাহতি। মুরাদকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে আইসিসিই সুপারিশ করেছিল। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাকি থাকতে তাকে সরিয়ে দেওয়ায় আইসিসি পুনর্বহাল করতে বলেছিল। কিন্তু ইউএসএ ক্রিকেটের পরিচালনা পর্ষদ সে নির্দেশনায়ও কর্ণপাত করেনি।

অলিম্পিক কমিটি মনে করে, ইউএসএসির বোর্ড পরিচালকেরা বোর্ডের দৈনন্দিন কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করছেন। নুর মুরাদকে সরিয়ে দেওয়া যার সর্বশেষ নজির। গত ১৫ মার্চ বোর্ড মিটিংয়ের পর আইসিসিও ইউএসএ ক্রিকেটকে শৃঙ্খলা বহালের বিষয়ে কড়া সতর্কতা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেট বোর্ডের এমন আচরণে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর বড় একটি অংশ তাদের নিষিদ্ধ করার পক্ষে। তবে বিশ্বকাপ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন তারা।


মার্টিনেজরা সুযোগ পাবে কি আর্জেন্টিনা দলে!

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

এ বছরই প্যারিসে বসছে অলিম্পিকের আসর। ব্রাজিলকে বিদায় করে সেখানে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। আকাশি-নীল জার্সি গায়ে অলিম্পিক মাতানোর ইচ্ছে পোষণ করেছেন বিশ্বকাপজয়ী গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। তবে চাইলেই ফ্রান্সের বিমান ধরতে পারছেন না তারা। কারণ একে তো অলিম্পিক দলে বয়সের বাধ্যবাধকতা, তার ওপর ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি অনিশ্চয়তায় ফেলেছে ফুটবলারদের। তার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে হাভিয়ের মাশচেরানোর দলে পজেশন অনুযায়ী জায়গা করে নেওয়া। কিন্তু এমি মার্টিনেজ কিংবা এনজো ফার্নান্দেসের মতো ফুটবলার যদি নিজে থেকেই খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেন সেখানে নিশ্চয়ই আপত্তি তোলার কেউ থাকবে না।

অলিম্পিক গেমসে খেলতে তাকে ছাড়তে চেলসির কাছে রিলিজ লেটার চাইবেন বলে জানিয়েছেন কাতার বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান ফুটবলার এনজো ফার্নান্দেস। নিজ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলাকেও নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে দিয়েছেন মার্টিনেজ। ক্লাবের চেয়ে জাতীয় দল সবসময় অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকে বলেও জানান এমি।

ফুটবলের অলিম্পিক ইভেন্টে খেলতে হলে বয়স হতে হবে ২৩-এর মধ্যে। সর্বোচ্চ তিন ফুটবলার পাবেন সিনিয়র ক্যাটাগরিতে খেলার সুযোগ। অবশ্য এই নিয়মের বেড়াজালে নেই কাতার বিশ্বকাপের সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার জেতা এনজো ফার্নান্দেস। তাই নরমাল ক্যাটাগরিতেই তিনি জায়গা পাচ্ছেন দলে। আর্জেন্টিনার হয়ে অলিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। গেমস চলাকালীন তাকে ছাড়তে চেলসির সঙ্গে এরই মধ্যে আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন তিনি।

ফিফা উইন্ডো ছাড়া ক্লাব তার নিবন্ধনকৃত ফুটবলার ছাড়তে বাধ্য নয়। অলিম্পিক গেমস এই উইন্ডোর বাইরে। আর তাই এনজো ফার্নান্দেসের মতো একই সমস্যায় এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তিনিও খুব করে চাইছেন মাশচেরানোর দলের সদস্য হতে। কিন্তু সমস্যা হলো কোপা আমেরিকার ছুটি দেওয়ার পর অল্প সময়ের ব্যবধানে ক্লাব তাকে আবারও ছাড়বে কিনা।

আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ বলেন, ‘অলিম্পিকে খেলার জন্য আমরা মুখিয়ে আছি। যদি মাশচেরানো আমাদের চায় অবশ্যই দলের সঙ্গে যোগ দেব। ক্লাবের চেয়ে জাতীয় দল সব সময়ই আগে। যদি ক্লাব আমাদের ছাড়তে না চায়, আমাদের ক্ষমতা আছে সব সময় জাতীয় দলকে প্রাধান্য দেওয়ার।’

এনজো, এমি ছাড়াও ক্রিস্টিয়ানো রোমেরো এবং ওতামেন্ডি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার হয়ে প্যারিস অলিম্পিক খেলার।


জিম্বাবুয়ের বিপদের বন্ধু গ্রান্ট ফ্লাওয়ার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্যারিয়ারের শুরুটা করেছিলেন পেস বোলিং দিয়ে। স্কুল ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি হাত ঘুরাতেন পেসার হিসেবেই। তবে কালের পরিক্রমায় জাতীয় দলে এসে হয়ে যান স্পিন বোলার। যদিও এটা মুখ্য বিষয় নয়। কারণ তার মূল পরিচয়টা একজন ব্যাটার হিসেবেই। নিজের সময়ে ছিলেন প্রথম সারির ব্যাটারদের একজন। বাইশ গজ কাঁপিয়েছেন দুই ভাই মিলে। বলছি সাবেক জিম্বাবুইয়ান তারকা গ্র্যান্ড ফ্লাওয়ারের কথা। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার আর গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ারের ক্রিকেটের হাতেখড়ি তার বাবার কাছে থেকে।

জাতীয় দলে গ্রান্ট ফ্লাওয়ারের অভিষেক হয়েছিল ১৯৯২ সালে, ভারতের সঙ্গে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। সে ম্যাচে তিনি করেছিলেন ৮২ রান। কিন্তু ক্যারিয়ারে টেস্টের প্রতি সদ্ভাব দেখাতে পারেননি। বরং ওয়ানডেতে তিনি ছিলেন তার সময়ের প্রথম সারির ব্যাটসম্যান। তাকে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের প্রবাদ পুরুষ বললে বাড়িয়ে বলা হয় না। নান্দনিক ব্যাটিংয়ের জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। দারুণ ফিল্ডিং আর কার্যকর অফস্পিন সব মিলিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো পারফরমার জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে আদৌ আর জন্ম নেয়নি।

২০০৪ সালে জিম্বাবুয়ে দলে তৈরি হয় বর্ণ বৈষম্য। সেই ঘটনার প্রতিবাদে হুট করেই অবসরের সিদ্ধান্ত নেন গ্রান্ট ফ্লাওয়ার। অবশ্য ২০১০ সালে অ্যালিস্টেয়ার ক্যাম্পবেলের অনুরোধে আবারও জাতীয় দলে ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু নিজের ফর্ম খুব একটা সাড়া না দেওয়ায় তরুণদের সুযোগ দিতে আবারও নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।

গ্রান্ট ফ্লাওয়ার যখন ক্যারিয়ার শেষ করেন, তখন তিনি জিম্বাবুয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান করা ওয়ানডে ওপেনার। ওপেনার হিসেবে ১৩৭ ইনিংসে তিনি করেন ৪৪০৯ রান, গড় ৩৩.১৫!

গ্রান্ট ফ্লাওয়ার ছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপদের দিনের বন্ধু। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটকে সাহায্য করার জন্য গ্রান্ট ফ্লাওয়ারের মধ্যে সত্যিকারের একটা ইচ্ছা সব সময়ই ছিল। যে কারণে এসেক্সের লোভনীয় চুক্তি ফেলে তিনি জিম্বাবুয়েতে ফিরে গিয়েছিলেন। এরপর জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের যুব উন্নয়নে কিছুদিন কাজও করেছেন তিনি।

২০১০ সালের পর থেকেই কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটিং কোচ।

পুরো নাম : গ্রান্ট উইলিয়াম ফ্লাওয়ার

জন্ম : ২০ ডিসেম্বর, ১৯৭০

জন্মস্থান : সলিসবারি রোডেশিয়া

রাশি: ধনু

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, সামুদ্রিক মাছ

প্রিয় পানীয়: ফ্রুটস জুস

প্রিয় রং: কালো, সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: ডেভিড হটন।

প্রিয় ক্রিকেট দল: জিম্বাবুয়ে

প্রিয় সতীর্থ: হিথ স্ট্রিক।

প্রিয় গাড়ি: মার্সিডিজ বেঞ্জ।

প্রিয় শখ: সিনেমা দেখা, বিশ্লেষণ।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


তামিম-রিয়াদদের টেস্টে ফিরিয়ে আনার চিন্তা করছেন প্রধান নির্বাচক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নাজমুল সাগর

শ্রীলঙ্কা সিরিজের আগে পরিবর্তন আসে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক কমিটির। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে। শ্রীলঙ্কা সিরিজই ছিল তার প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। অবশ্য মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর কমিটিই ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টির দল ঘোষণা করে দিয়ে গিয়েছিল। তাই গাজী আশরাফ লিপু কমিটির দায়িত্ব পড়ে টেস্ট সিরিজ দিয়ে।

তবে শুরুর অ্যাসাইনমেন্টটা ভালো হলো না গাজী আশরাফ লিপু কমিটির। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টেই ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশ দল। ন্যূনতম প্রতিরোধ টুকুও গড়তে পারেনি নাজমুল শান্তর দল। সিলেট টেস্টের দুই ইনিংসেই বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে দুইশ রান ছোঁয়ার আগেই। চট্টগ্রামের ব্যাটিং উইকেটেও বাংলাদেশ ধরে রেখেছিল সিলেটের ধারা। প্রথম ইনিংস শেষ করেছিল দুইশর আগেই। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনশ পার করলেও দেখেছে বড় হার।

এমন ব্যর্থতার পর গাজী আশরাফ হোসেন লিপু অকটপটে বলেই দিলেন, ‘টি–টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও দুটো টেস্টে আমরা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারিনি। চট্টগ্রামের উইকেট অত ভাঙে না। অথচ সেখানেই এক বোলিং ছাড়া বাকি দুই বিভাগে আমরা প্রত্যাশার কাছাকাছিও যেতে পারিনি। টেস্টে মাত্র এক বিভাগে ভালো করলে যে রকম ফলাফল করার কথা, সে রকম ফলাফলই হয়েছে।’

কিন্তু এরপর তিনি যেটা বলেছেন সেটা শুনতে হয়তো তেতো লাগবে অনেকেরই। তিনি বলেন, ‘আমরা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ঠিক রেখে সিরিজ খেললাম, যেখানে কোনো বাড়তি সুবিধা নেওয়া হয়নি। আর তাতেই দেশের ক্রিকেটের প্রকৃত চিত্রটা উঠে এল।’

দুই টেস্টেই বাংলাদেশের ব্যাটাররা ভালো সুযোগ পেয়েছে, উইকেটে অনেকটা সেটও হয়েছে। কিন্তু তারপরও ইনিংস বড় করতে পারেনি। দলের এমন পরিস্থিতিতে অভিজ্ঞ, দক্ষ ও সিনিয়র তিন ক্রিকেটার তামিম, মুশফিক আর রিয়াদের অনুপস্থিতিটা তার চোখে পড়েছে। তাদের দলে ফিরিয়ে আনা যায় কি না? এবং সেটা কিভাবে? এমন চিন্তা করছেন তিনি।

টেস্টে বাংলাদেশের যে দুর্বিষহ অবস্থা এখান থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা বলে মনে করেন তিনি। লিপু বলেন, ‘আমি টেস্টে যে অবস্থা দেখলাম, সেখান থেকে উত্তরণের জন্য দরকার সম্মিলিত প্রচেষ্টা। শুধু ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ আর টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকরা মিলে এ অবস্থার উন্নতি ঘটাতে পারবে না। এ জন্য দরকার একটা সমন্বিত কার্যক্রম।’


জিম্বাবুয়ের ‘অল ইন ওয়ান’ পল স্ট্র্যাং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

টপ ক্লাস লেগস্পিনার, লোয়ার-মিডল অর্ডারে কার্যকর সব ইনিংস - সব মিলিয়ে তুখোড় অলরাউন্ডার। লেগব্রেক, গুগলি, টপস্পিন কিংবা ফ্লিপার- সবই ছিলো তার অস্ত্রশালায়। সাথে ক্যারিয়ার যত এগোয় বলের ওপর নিয়ন্ত্রন ততই বাড়ে। বাদ থাকলো কি? ফিল্ডিং! সেখানেও ছিলেন দুর্দান্ত। কভার ও ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে নিজের সময়ে তিনি ছিলেন বিশ্ব সেরাদের একজন। সব কিছু মিলিয়ে তিনি ছিলেন বেশ কার্যকর এক প্যাকেজ। এক কথায় যাকে বলা যায় ‘অল ইন ওয়ান’। বলছি জিম্বাবুয়ের এক সময়ের তারকা অলরাউন্ডার পল স্ট্র্যাং এর কথা।

বাবা রোনাল্ড স্ট্র্যাং ছিলেন একজন টিভি আম্পায়ার। বাবার স্বপ্ন ছিলে দুই ছেলে পল স্ট্র্যাং ও ব্রায়ান স্ট্র্যাংকে বানাবেন ক্রিকেটার। বাবার সেই স্বপ্ন পূরন করেছিলেন দুই ভাই। খেলেছেন জিম্বাবুয়ে জাতীয় দলে। তখন অবশ্য জিম্বাবুয়ে ছিল বেশ শক্তিশালী একটা দল।

পল স্ট্র্যাংয়ের জাতীয় দলে অভিষেক হয় সাদা পোষাকের ক্রিকেট দিয়ে। ১৯৯৪ সালে টেস্ট সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথমবার দলে ডাক পান পল স্ট্র্যাং। সুযোগ পেয়ে তৃতীয় টেস্টেই শিকার করেন তিন উইকেট। একই বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক হয় এ লেগস্পিানারের।

১৯৯৬ বিশ্বকাপে দলের পক্ষে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান পল স্ট্র্যাং। ৬ ম্যাচে ১২ উইকেট শিকার করেন তিনি! যা কিনা ওই টুর্নামেন্টের তৃতীয় সর্বোচ্চ। ৪২.১ ওভার বল করে ১৯৩ রান দিয়ে ১২ উইকেট শিকার করেন এই লেগ স্পিনার।

২৪ টেস্টে ব্যাট হাতে প্রায় ২৭ গড়ে ৮৩৯ রান করেন পল স্ট্র্যাং। টেস্টে এক সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেন দুই ফিফটি। বল হাতে শিকার করেন ৭০ উইকেট। ক্যারিয়ার সেরা ১০৯ রানে নেন ৮ উইকেট। পাঁচ উইকেট নেন চারবার। রঙিন পোষাকের ওয়ানডেতে ৯৫ ম্যাচে করেন ২২ গড়ে ১০৪৭ রান। বল হাতে শিকার ৯৬ উইকেট; ক্যারিয়ার সেরা ২১ রানে ৫ উইকেট। যার মধ্যে দুইবার শিকার করেন পাঁচ উইকেট।

পল স্ট্র্যাংয়ের ভাই ব্রায়ান স্ট্র্যাংও জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন কাছাকাছি সময়। পরবর্তীতে দুই স্ট্র্যাং ভাই মিলে ক্যারিয়ারে ১৪ টেস্ট আর ২৫ ওয়ানডেতে একসাথে জিম্বাবুয়ের জার্সি গায়ে মাঠ মাতান।

২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলেন পল স্ট্র্যাং। এরপর জিম্বাবুয়ে আর সেভাবে উঠে দাঁড়াতে পারেনি। বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়া জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল নিঃসন্দেহে মিস করছে একজন পল স্ট্র‍্যাংকে।

পুরো নাম- পল অ্যান্ড্রু স্ট্র্যাং।

জন্ম- ২৮ জুলাই, ১৯৭০ সাল।

জন্মস্থান- বুলাওয়াও, রোডেশিয়া।

রাশি: সিংহ রাশি।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন।

প্রিয় পানীয়: ফ্রুটস জুস।

প্রিয় রং: সাদা, লাল।

প্রিয় ক্রিকেটার: হেনরি ওলোঙ্গা।

প্রিয় ক্রিকেট দল: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: হিথ স্ট্রিক।

প্রিয় গাড়ি: অডি।

প্রিয় স্টেডিয়াম: লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ইংল্যান্ড।

প্রিয় শখ: ভ্রমণ, সিনেমা দেখা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: অ্যাডিডাস।


শৈশবের ক্লাবে ফিরছেন নেইমার!

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৩ সালে ফরাসি ক্লাব পিএসজি থেকে নেইমার নাম লেখান সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলালে। সে সময় নেইমারের সঙ্গে আল সৌদি চ্যাম্পিয়নদের চুক্তি হয়েছিল ২০২৫ সাল পর্যন্ত। আল হিলালের হয়ে খুব বেশি খেলার সুযোগ হয়নি নেইমারের। মাত্র ৫ ম্যাচ খেলেই পুরো সিজনের জন্যই মাঠের বাইরে চলে যান। তিনি। নেইমার বর্তমানে পুর্নবাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে।

আল হিলালের সঙ্গে নেইমারের চুক্তির মেয়াদ আছে এখনো এক বছরের। এরই মাঝে ভেসে এলো নতুন গুঞ্জন; সৌদি আরবের আল হিলাল ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে যাবেন নেইমার। যোগ দেবেন বার্সেলোনার বন্ধু লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে। কারণটা ছিল গত কয়েক দিন আগে নেইমারের মিয়ামি ভ্রমণ। তবে ইন্টার মিয়ামি নয়, শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরছেন নেইমার জুনিয়র।

ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটির গত সিজনটা মোটেও ভালো যায়নি। যে কারণে কোচ সিদ্ধান্ত নেন ১০ নম্বর জার্সিটি তুলে রাখার। তখনই অবশ্য নেইমার বলেছিলেন ১১ নম্বর জার্সিটাও তুলে রাখতে। কারণ শিগগিরিই তিনি ফিরছেন সান্তোসে। সে সময় গণমাধ্যমে একথা জানিয়েছিলেন সান্তোসের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো তেজেইরা।

এবার ক্লাবটির ড্রেসিংরুমে গিয়ে বর্তমান খেলোয়াড়দের সেই প্রতিশ্রুতি নিজেই দিয়ে এসেছেন নেইমার। তিনি বলেছেন, ‘২০২৫ সালে আল হিলালের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেই সান্তোসে ফিরছি।’

নেইমারের সান্তোসে ফেরার প্রতিশ্রুতির খবরটি দিয়েছে ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ইউওএল। রোববার সাও পাওলোর শীর্ষ প্রতিযোগিতা পলিস্তার ফাইনালের প্রথম লেগে মুখোমুখি হয় সান্তোস-পালমেইরাস। উরবানো কালদেইরা স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে মাঠে ট্রফি নিয়ে যান নেইমার।

এর আগে নেইমার যান সান্তোসের লকাররুমে। সেখানে থাকা খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সামনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেইমার বলেন, ২০২৫ সালে ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরছেন তিনি। সেখানে উপস্থিত সান্তোস বোর্ডের এক সদস্য ইউওএল-কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গত ডিসেম্বরে সান্তোস প্রেসিডেন্ট মার্সেলো তেজেইরা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নেইমার তাকে ১১ নম্বর জার্সি অবসরে রাখতে বলেছেন, যাতে ক্লাবে ফিরে আবার এটা পরতে পারেন। গত ফেব্রুয়ারিতে আবারও তেজেইরা জানিয়ে ছিলেন, নেইমারের ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

তবে এসবের কোনোটিতেই সুনির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ ছিল না। কিছুদিন আগে ইন্টার মায়ামির অন্যতম মালিক ডেভিড বেকহামের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় নেইমারের। যে সূত্রে নেইমারের মায়ামিতে যাওয়ার গুঞ্জন ডালপালা মেলে। তবে ইউওএলের মতে, ৩২ বছর বয়সি ফরোয়ার্ডের যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বিষয়:

বাইশ গজের বিদ্যুৎ ছিলেন অ্যালান ডোনাল্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া প্রতিবেদক

অ্যালান ডেনাল্ডকে তার খেলোয়াড়ি জীবনে মানুষ মনে রাখে দুইটি কারণে; প্রথমত, তার বোলিংয়ের সেই বিদ্যুৎ গতি। যেটা দিয়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন ক্রিকেট বিশ্ব, রাতের ঘুম হারাম করেছেন বাঘা বাঘা ব্যাটারদের। দ্বিতীয় কারণটা অবশ্য ডোনাল্ডের জন্য সুখকর নয়; নায়ক থেকে ভিলেন হওয়ার। সেদিন তার কারণেই প্রথম বিশ্বকাপের এক কদম দূরে থেকে ফিরে আসতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের কঠিন সমীকরণে তার একটি ভুলেই খালি হাতে ফিরতে হয় প্রোটিয়াদের। ল্যান্স ক্লুজনারের ডাকে সাড়া না দিয়ে তিনি তাকিয়ে ছিলেন বলের দিকে।

সেই ঘটনা বাদ দিলে তার ক্যারিয়ার ছিল দুর্দান্ত, অপ্রতিরোধ্য। টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার ছিলেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, দলটির হয়ে সর্বপ্রথম সাদা পোশাকে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই পেসার। ডোনাল্ডের মান বোঝার জন্য একটা তথ্যই যথেষ্ট। তার ‘বাণী’ ছিলেন স্বয়ং ক্রিকেটের বরপুত্রখ্যাত ব্রায়ান লারা। আট বারের দেখায় ছয় বারই ব্রায়ান লারাকে নিজের শিকারে পরিণত করেন।

অ্যালান ডোনাল্ডের আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ঐতিহাসিক এক দিনে। সেটা ছিল ১৯৯১ সালের ১০ নভেম্বর। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দিনটির কথা কখনোই ভুলবে না। সেদিনই নিষেধাজ্ঞা শেষ করে পুনর্জীবন লাভ করে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট। ইডেন গার্ডেন্সে সেদিন এক লাখ মানুষের সামনে ভারতের মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সে ম্যাচে সেদিনই তিনি প্রথমবারের মতো ঝলক দেখান। ৮ ওভার ৪ বল করে মাত্র ২৯ রান হজম করে নেন পাঁচ উইকেট। সেই থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ব্যাটসম্যানদের রাতের ঘুম হারাম করেছেন ২০০৩ সাল অবধি।

বাইশ গজের সাফল্য ডোনাল্ড ধরে রেখেছেন ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়ার পরও। তিনি সমসময়ের সেরা বোলিং কোচদের একজন। ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়া, ওয়ারউইকশায়ার, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের মতো দলের হয়ে কাজ করেছেন।

তবে ক্রিকেট নয়, ছোটবেলায় রাগবিকেই বেছে নিতে চেয়েছিলেন ডোনাল্ড। গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, একটা রাগবি অনেক নির্মম খেলা এটা বুঝতে পেরেই তিনি ক্রিকেটকে বেছে নেন।

পুরো নাম- অ্যালান অ্যান্থনি ডোনাল্ড।

জন্ম- ২০ অক্টোবর, ১৯৬৬ সাল।

জন্মস্থান- ব্লুমফন্তেইন, অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট প্রদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা।

রাশি: তুলা রাশি।

প্রিয় খেলা: ক্রিকেট।

প্রিয় খাবার: ফ্রাইড চিকেন, বিরিয়ানি।

প্রিয় পানীয়: ফ্রুটস জুস।

প্রিয় রং: সাদা।

প্রিয় ক্রিকেটার: শচীন টেন্ডুলকার, গ্লেন ম্যাকগ্রা।

প্রিয় ক্রিকেট দল: দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল।

প্রিয় সতীর্থ: জ্যাক ক্যালিস।

প্রিয় গাড়ি: অডি।

প্রিয় শখ: গলফ খেলা দেখা, রাগবি খেলা।

প্রিয় জুতার ব্র‌্যান্ড: সিএ স্পোর্টস।


টানা ম্যাচ নেই নারী ফুটবলারদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

না, না, না! বর্তমানে এমন শব্দই শুনতে হচ্ছে নারী ফুটবলারদের। জানুয়ারিতে সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচ হলো না, ফেব্রুয়ারিতে ফিলিস্তিনের বিপক্ষেও হলো না। এবার মিয়ানমারের বিপক্ষে আরেকটি উইন্ডোতেও খেলা হলো না সাবিনা-সানজিদাদের। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এপ্রিলের মিয়ানমার সফর বাতিল করেছে বাফুফে।

অথচ এ বছরই আবারও সাফের শিরোপা পুনরুদ্ধারে মাঠে নামবে মেয়েরা। অক্টোবরে টুর্নামেন্টের আগে অন্তত ৫-৬টি ম্যাচ খেলতে চায় সাবিনারা। নারী দলের এ অধিনায়ক জানান, ‘মেয়েদের পক্ষ থেকে ফেডারেশনের কাছে চাওয়া সাফের আগে অন্তত ৫-৬ টা ম্যাচ খেলার সুযোগ। সাফের আগে ম্যাচগুলো না খেলতে পারলে আমাদের জন্য শিরোপা লড়াইটা দূরহই হবে।’

বাফুফের এমন সিরিজ বাতিলের পরে অভিযোগ উঠেছে, ব্যয় বাঁচাতেই নাকি রাজনৈতিক অস্থিতিশীল বা যুদ্ধবিধ্বস্তদেশের সঙ্গে ম্যাচ আয়োজন করে বাফুফে। যেন শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচগুলো না হয়।

এমন অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতি উইন্ডোতেই চেষ্টা করেছি ম্যাচ খেলানোর। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি উইন্ডাতে সফরকারী দল একেবারে শেষ মুহূর্তে না করেছে। এপ্রিল উইন্ডো পড়েছে রমজানের মধ্যে। তাই মধ্যপ্রাচ্যের দেশে গিয়ে অথবা তাদের এনে খেলা সম্ভব ছিল না। আমাদের খেলার ইচ্ছে ছিল বিধায় মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা করি। সরকারের নির্দেশনা মেনে পরবর্তীতে সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত হয় এই মুহূর্তে।’

বিষয়:

banner close